17/11/2024
মৃত মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে কোটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন আবু সুফিয়ান সজিব৷
শেখ হাসিনার পতনের ফলে যেসব ভালো ফলাফল আমরা পাচ্ছি তার মধ্যে এটা শ্রেষ্ঠ। এই মহিলার পতন না হলে ধীরে ধীরে লাখ লাখ যুবককে মেরে ফেলতো। ১৫শ জন জীবন দিয়ে আমাদেরকে রক্ষা করেছে রাক্ষসের হাত থেকে।
আবু সুফিয়ান সজিব
লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং
সার্জেন্ট জহুরুল হক হল
সেশন: ২০১৭-১৮
ঠিকানা : গ্রাম: বিলদুড়িয়া, ইউনিয়ন: বরনাল, উপজেলা: কলিয়া, জেলা: নড়াইল।
১। মুক্তিযোদ্ধা চাচার মৃত্যুর পর নিজেই হয়ে যায় তার চাচার সন্তান৷ কোটা সবজায়গায় ব্যবহার তো করেছে। এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরিক্ষায়ও ব্যবহার করেছে মুক্তিযোদ্ধা কোটা৷
২। মুক্তিযোদ্ধার ভাতাও আত্মসাৎ করতো৷ প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা ভাতার মধ্যে আবু সুফিয়ান সজিবের অরিজিনাল বাবা নিতো ১২/১৩ হাজার এবং ৭/৮ হাজার টাকা দিতো মৃত মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীকে৷
৩। মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী ভয়ে কিছু বলতোনা কারণ মুক্তিযোদ্ধা সনদ থেকে শুরু করে সব ছিলো আবু সুফিয়ান সজিব এবং তার আসল বাবার কাছে কিছু বললে হয়তো এই ৭/৮ টাকাও পোতোনা। মৃত মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী সন্তান মানবেতর জীবনযাপন করলেও বিন্দু পরিমাণ মায়া জন্মায়নি এই ১২ বছরে৷
৪। নিজের সকল শিক্ষা সনদ,জাতীয় পরিচয়পত্র সহ সবকিছুতেই বাবার নামের জায়গায় মুক্তিযোদ্ধা চাচার নাম ব্যবহার করেছে। সে হিসেবে মৃত মুক্তিযোদ্ধার সকল সম্পত্তিতেও ভাগ পাবে৷
সে ছাত্রলীগ করতো এবং আওয়ামী লীগের ক্ষমতা ব্যবহার করে সকল কাগজপত্র জালিয়াতি করেছে। আরও নির্মমতা হচ্ছে সবকিছুতে সহযোগিতা করেছে আবু সুফিয়ান সজিবে আসল বাবা অর্থাৎ মৃত মুক্তিযোদ্ধার আপন ভাই।
সরকার পতনের পর মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় থেকে এসব সনদ যাচাই-বাছাই করা শুরু হলে কৌশলে সকল কাগজপত্র আবার নতুন করে সংশোধন করার জন্য আবেদন করে এবং সংশোধন করে ফেলে।
এরা আসলে কুকুর কিন্তু ভুলবশত মানুষরুপে জন্ম নিয়েছে । সে যে শুধু বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে ধ্বংস করেছে এমন না, আরও কয়েকটি পরিবারকে সে ধ্বংস করেছে । ভুয়া কোটায় ভর্তিকৃত সীটে হয়তো মেধাবী একজন চান্স পেতো এবং তার পুরো পরিবার অন্যরকম হয়ে যেতো। এভাবে কত হাজার হাজার পরিবার শেষ করে দিয়েছে এই হাসিনার সরকার এবং লীগের কুলাঙ্গাররা আল্লাহ জানে। এই ছেলে হয়তো ভবিষ্যতে কোটায় এসপি হতো,সচিব হতো আরেকজন গরীব মেধাবীকে পেছনে ফেলে।