14/09/2026
ভাগ্যবতী মেয়েরা বাবার বাড়িতেই সব পায়।কিছু মেয়েদের বাবার বাড়ি সব আবদার পূরণ না হলে,সব ইচ্ছা পূরণ করতে না পারলে আশা রাখে বিয়ে হলে স্বামী সব পূরণ করবে।
ভাগ্যবতী হলে স্বামীর কাছে এসে তাদের সব, না হওয়া আবদার, ইচ্ছে পূর্ণ হয়ে যায়।আর ভাগ্য খারাপ হলে স্বামীও যদি তার আবদার, ইচ্ছার গুরুত্ব না দেয়!
তখন আশা রাখে সন্তান সব পূরণ করবে।কিন্তু সব ছেলে বা মেয়ে সন্তান কি মায়ের সেই অপূর্ণ ইচ্ছা পূর্ণ করতে পারে? করলেও কি তখন মেয়ে থেকে মা হওয়া নারীটার সেই কৈশোর, যৌবনের শখ আহ্লাদ গুলো বেঁচে থাকে,সেই খুশি কি আর পাওয়া সম্ভব হয়?
যৌবনের সেই শখের শাড়ি পরার, পছন্দের জায়গায় ঘুরতে যাওয়ার, পছন্দের খাবার খাওয়ার, অসুস্থতায় চিকিৎসা সব তখন পূর্ণ হলেও, সেই বয়সের তৃপ্তি পাওয়া যাবে না।তখন এসব কিছুই কাজে আসবে না।
শাড়ি পরে হাঁটতে গিয়ে হোটচ খাওয়ার ভয়,বিভিন্ন রোগে সব চাইলেও খাওয়া যাবে না, বয়সের ভাড়ে পছন্দের জায়গায় ঘুরার মত শক্তি থাকবে না, আর সময়ের চিকিৎসা সময়ে না করলে,তা ঠিকও হবে না।
মেয়েরা স্বাবলম্বি হলে এগুলো নিজে পূরণ করা গেলেও,অনেক আবদার থাকে বাবার কাছে, স্বামীর কাছে, সন্তানের কাছে।যা নিজে কিনলে সেই খুশি অনুভব হয়না।পছন্দের জায়গায় প্রিয় মানুষ ছাড়া একা ঘুরলে শূন্য লাগে।
কিছু মেয়েদের শুধু আশায় থাকতে থাকতেই যুগের পর যুগ চলে যায় তারপর একদিন টুপ করে বিদায় নিয়ে নেয়!
সময় থাকতে আপনার মেয়ে, স্ত্রী, মায়ের আবদার রাখতে, ইচ্ছা পূরণ করতে চেষ্টা করুন।একজীবনে তারা যদি না পাওয়ার আক্ষেপেই বাঁচে, তবে আপনাদের দিনরাত পরিশ্রম করে টাকা ইনকাম করা সবই বৃথা।
কাজের ফাঁকে একটু সময় দিতে না পারলেন, তাদের প্রয়োজনে টাকা খরচই করতে যদি না পারলেন তাহলে আপনার বিয়ে করার,সন্তানের বাবা হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।ব্যাচেলর হয়ে সারাজীবন একা বিন্দাস ঘুরে বেড়াবেন,নিজের পছন্দ মত সব করবেন।কাউকে ভালো রাখার আশা দিয়ে অন্তত প্রতি নিয়ত যন্ত্রণা দিয়েন না।
©সাদিয়া আফরিন মার্জান