China-Bangla Business Club

China-Bangla Business Club China Bangla Business Club is mainly business and industrial research-based institute. China Bangla B
(300)

25/02/2025
31/07/2020
বাংলাদেশে বিপুল বিনিয়োগ নিয়ে আসছে চীনকরোনাকালে চীনা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দুটি সুখবর পেল বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ...
28/07/2020

বাংলাদেশে বিপুল বিনিয়োগ নিয়ে আসছে চীন

করোনাকালে চীনা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দুটি সুখবর পেল বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। প্রথমটি হলো, একটি চীনা প্রতিষ্ঠান ৩০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে ১০০ একর জমি নিচ্ছে। এ জন্য তারা টাকাও জমা দিয়েছে। অন্যটি হলো, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৬০টি চীনা কোম্পানি বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছে উন্নয়নকারী চীনা প্রতিষ্ঠানের কাছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য যেসব উদ্যোগ নিয়েছি, এটা তারই সুফল হিসেবে দেখতে চাই। দেখা যায়, চীনের কোনো বড় প্রতিষ্ঠান একটি দেশে বিনিয়োগ করলে অন্যরাও উৎসাহিত হয়।’

আগ্রহে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর

বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে ৩০ কোটি ডলারের যে বিনিয়োগটি এসেছে, সেটি করছে চীনের ইয়াবাং ইনভেস্টমেন্ট হোল্ডিংস গ্রুপ, যারা চীনের ইয়াবাং গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এই গ্রুপটি চীনের জিয়াংসু স্টক এক্সচেঞ্জের একটি তালিকাভুক্ত সংস্থা।

ইয়াবাং ১০০ একর জমিতে বস্ত্র খাতের রাসায়নিক, ওষুধের কাঁচামাল তথা অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যালস ইনগ্রিডিয়েন্ট (এপিআই) ও অন্যান্য রাসায়নিক উৎপাদন করবে। এ জন্য তারা জমি নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে। দীর্ঘ আলোচনার পর গত রোববার তারা বিনিয়োগটি চূড়ান্ত করে।

‘চীনের বাজারে বাংলাদেশ যে ৮ হাজার ২৫৬টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেয়েছে, সেটার সুযোগ নিতে চীনা বিনিয়োগ আসবে।’
—এম মাশরুর রিয়াজ, চেয়ারম্যান, পলিসি এক্সচেঞ্জ

বাংলাদেশে বিপুল বিনিয়োগ নিয়ে আসছে চীন
করোনাকালে চীনা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দুটি সুখবর পেল বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। প্রথমটি হলো, একটি চীনা প্রতিষ্ঠান ৩০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে ১০০ একর জমি নিচ্ছে। এ জন্য তারা টাকাও জমা দিয়েছে। অন্যটি হলো, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৬০টি চীনা কোম্পানি বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছে উন্নয়নকারী চীনা প্রতিষ্ঠানের কাছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য যেসব উদ্যোগ নিয়েছি, এটা তারই সুফল হিসেবে দেখতে চাই। দেখা যায়, চীনের কোনো বড় প্রতিষ্ঠান একটি দেশে বিনিয়োগ করলে অন্যরাও উৎসাহিত হয়।’

আগ্রহে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর
বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে ৩০ কোটি ডলারের যে বিনিয়োগটি এসেছে, সেটি করছে চীনের ইয়াবাং ইনভেস্টমেন্ট হোল্ডিংস গ্রুপ, যারা চীনের ইয়াবাং গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এই গ্রুপটি চীনের জিয়াংসু স্টক এক্সচেঞ্জের একটি তালিকাভুক্ত সংস্থা।

ইয়াবাং ১০০ একর জমিতে বস্ত্র খাতের রাসায়নিক, ওষুধের কাঁচামাল তথা অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যালস ইনগ্রিডিয়েন্ট (এপিআই) ও অন্যান্য রাসায়নিক উৎপাদন করবে। এ জন্য তারা জমি নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে। দীর্ঘ আলোচনার পর গত রোববার তারা বিনিয়োগটি চূড়ান্ত করে।

‘চীনের বাজারে বাংলাদেশ যে ৮ হাজার ২৫৬টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেয়েছে, সেটার সুযোগ নিতে চীনা বিনিয়োগ আসবে।’
—এম মাশরুর রিয়াজ, চেয়ারম্যান, পলিসি এক্সচেঞ্জ
বেজা জানিয়েছে, পবিত্র ঈদুল আজহার পরে ইয়াবাংয়ের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বিনিয়োগ চুক্তি হবে। বেজায় দেওয়া প্রস্তাবে ইয়াবাং বলেছে, তারা চীনের শীর্ষ ৫০০টি কোম্পানির একটি, যাদের পরিচালন আয় ৩ হাজার ২০০ কোটি ইউয়ান ছাড়িয়েছে (৩৮ হাজার কোটি টাকা)। বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক, মানুষ ও পশুর চিকিৎসার ওষুধ, কীটনাশক, খনিজ, আর্থিক খাত, আবাসনসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ রয়েছে ইয়াবাং গ্রুপের।

বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে তারা ১৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করতে চায়। আর ১০ কোটি ডলারের পণ্য স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতে চায়। প্রস্তাব অনুযায়ী, ইয়াবাংয়ের বিনিয়োগের বিপরীতে কর্মসংস্থান হবে ২ হাজার ২০০ মানুষের।

বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর চট্টগ্রামের মিরসরাই, সীতাকুণ্ড ও ফেনীর ৩০ হাজার একর জমিতে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। এতে ইতিমধ্যে বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীরা জমি নিচ্ছে। অন্যদিকে চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য আলাদাভাবে চাইনিজ ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড ইকোনমিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (সিইআইজেড) প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে চট্টগ্রামের আনোয়ারায়। সেখানে জমির পরিমাণ ৭৮৩ একর।

বিতর্ক থাকলেও চায়না হারবার আনতে চায় বিনিয়োগ
বাংলাদেশে জাপান, চীন ও ভারতের বিনিয়োগকারীদের জন্য আলাদাভাবে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়নকারী হিসেবে কাজ করছে চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড।

চায়না হারবার বেজাকে এক চিঠিতে গত সপ্তাহে বলেছে, তারা চীন সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও তাদের মূল প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানির (সিসিসিসি) কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমোদন পেয়েছে। বাংলাদেশ সরকার রাজি থাকলে তারা চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের যৌথ অংশীদারত্ব চুক্তি করতে চায়।

সিসিসিসি বিখ্যাত মার্কিন সাময়িকী ফরচুন-এ বৈশ্বিকভাবে শীর্ষ ৫০০ কোম্পানির একটি। ২০১৯ সালের তালিকায় এটি ছিল ৯৩ তম। তাদের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান চায়না হারবার বলছে, চুক্তি হলে তারা ১০ কোটি মার্কিন ডলারের মূলধন নিয়ে আসবে।

চিঠিতে চায়না হারবার দাবি করেছে, ইতিমধ্যে ৬০টি চীনা প্রতিষ্ঠান তাদের কাছে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছে। এতে যে জমি লাগবে, তা চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের মোট জমির ৪০ শতাংশ। অন্যদিকে বিনিয়োগ আসবে ২৮ কোটি মার্কিন ডলার। তারা আশা করে, চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে তারা ১০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ নিয়ে আসতে পারবে। এতে কাজ পাবে ৬০ থেকে ৯০ হাজার মানুষ।

বাংলাদেশে সাম্প্রতিককালে চীনা বিনিয়োগ বেশি আসছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, ২০১৯ সালে দেশে ২৮৭ কোটি ডলারের বিনিয়োগ আসে। যার মধ্যে চীন থেকে এসেছে সবচেয়ে বেশি ৬৩ কোটি ডলার, যা মোট বিনিয়োগের প্রায় ২২ শতাংশ।

জাপান, চীন ও ভারতের অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে অবকাঠামোর দিক দিয়ে কাজ বেশি এগিয়েছে চীন। কিন্তু বেজার সঙ্গে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার যৌথ অংশীদারত্ব চুক্তি এখনো সই হয়নি। এর কারণ চায়না হারবারকে নিয়ে বিতর্ক।

২০১৭ সালের নভেম্বরে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের তখনকার সচিব নজরুল ইসলামকে এক লাখ ডলার ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হয় চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং। যদিও সরকার তাদের কালো তালিকাভুক্ত করেনি। তারা বাংলাদেশে কার্যরত রয়েছে।

চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের যৌথ অংশীদারত্ব চুক্তি চায়না হারবার বিতর্কেই থমকে থাকছে। এ বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে ঢাকায় বিশ্বব্যাংক গোষ্ঠীর সাবেক জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ও বেসরকারি সংস্থা পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান এম মাশরুর রিয়াজ বলছেন, এখন চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলটি দ্রুত করে ফেলা দরকার। এটা নিয়ে কোনো দ্বিধা থাকা উচিত নয়। চায়না হারবারের বিষয়ে তিনি বলেন, পৃথিবীতে অনেক নজির আছে যে একটি কোম্পানি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কালো তালিকাভুক্ত থেকে আবার কাজ পায়। বাংলাদেশে তাদের কালো তালিকাভুক্তই করা হয়নি। এখন তাদের সঙ্গে কাজ করতে হলে বিশেষ সতর্কতা নিতে হবে।

বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বাড়ছে কেন, তার একটা ব্যাখ্যাও দেন মাশরুর রিয়াজ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো দেশে চীনা বিনিয়োগ বেশি ও দ্রুত আসে, কারণ তারা ঝুঁকি বেশি নিতে পারে। বাংলাদেশে নীতির ধারাবাহিকতার অভাব ও নিয়ন্ত্রণগত ঝুঁকি বেশি। তিনি মনে করেন, চীনের বাজারে বাংলাদেশ যে ৮ হাজার ২৫৬টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেয়েছে, সেটার সুযোগ নিতে চীনা বিনিয়োগ আসবে।

https://www.prothomalo.com/economy/article/1671525/%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%9B%E0%A7%87?fbclid=IwAR0yWXb2zMS1S-y9mCdlnc8gBS_C4_vJu23CehM1Fe2HV8D0QpJ7PMUPPNs

বাংলাদেশে চীনের সিটি নির্মাণের প্রস্তাব: আশঙ্কা ও সম্ভাবনাসম্প্রতি চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারে...
18/06/2020

বাংলাদেশে চীনের সিটি নির্মাণের প্রস্তাব: আশঙ্কা ও সম্ভাবনা

সম্প্রতি চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিদের এক ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনসহ ছয়টি শহরে চীনের সিস্টার-সিটি নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছে চীন। ভারতের গণমাধ্যমের বরাতে এ খবর প্রকাশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণ এশিয়াসহ পশ্চিমা বিশ্বের বেশ কিছু গণমাধ্যমে। চীন-ভারত উত্তেজনার মধ্যেই ভারতের নিকটতম প্রতিবেশী বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের এ ধরনের সম্পর্কের আভাস নিশ্চিতভাবেই এ অঞ্চলের কূটনীতির নতুন সীমা নির্ধারণ করে দিতে পারে।

চীন সরকারের ভাষ্যমতে, চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর সিস্টার-সিটিগুলোতে তারা শিল্প-সংস্কৃতি ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিনিময় করবে, শহরগুলোতে ভবিষ্যতে ডেঙ্গু, করোনাসহ মহামারি নিয়ন্ত্রণে পূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং চীনের উন্নত শহরগুলোর আদলে শহরগুলোকে গড়ে তুলবে।

আমেরিকার ৩৪তম প্রেসিডেন্ট ডেভিড আইজেন হাওয়ার সিস্টার-সিটি ধারণার জনক। দুইটি রাষ্ট্রের ভিন্ন ভিন্ন শহরের মানুষের মধ্যে আন্তনাগরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিনিময়ের মাধ্যমে বন্ধু রাষ্ট্রের নাগরিকদের মধ্যে সম্পর্কোন্নয়নই ছিল সিস্টার-সিটি নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য।

আপাতদৃষ্টে লোভনীয় এ প্রস্তাব এতটা সরলতায় কেন দিচ্ছে চীন, এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে শঙ্কিত হওয়ারও যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে। চীনের প্রভাবশালী গণমাধ্যম চায়না ডেইলির খবর অনুযায়ী, সিস্টার-সিটি নির্মাণের প্রকল্পগুলো তাদের ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প ‘বেল্ট রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)’–এর অন্তর্ভুক্ত। উল্লেখ্য, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের মাধ্যমে চীন বিশ্বের প্রায় ৭০০টি শহরকে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে এবং ‘ওল্ড সিল্ক রুট’–এর আদলে নতুন বাণিজ্যপথ সৃষ্টি করতে দেদার খরচ করে যাচ্ছে। এ প্রকল্পের আওতায় চীন শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দর নির্মাণে সহায়তা করে শ্রীলঙ্কাকে ঋণের জালে আবদ্ধ করে ৯৯ বছরের জন্য বন্দরটি লিজের মাধ্যমে অধিগ্রহণ করেছে। লক্ষণীয়ভাবেই দক্ষিণ এশিয়ার নেপাল এবং পাকিস্তানের সরকারেও চীনের সম্ভাব্য প্রভাব বেড়ে যাওয়ায় এবং চেনা মিত্র মিয়ানমারের মাধ্যমে এ অঞ্চলের বৃহৎ রাষ্ট্র ভারতকে প্রায় তিন দিক থেকেই ঘিরে ফেলেছে চীন। সঙ্গে সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধে এগিয়ে যাচ্ছে শত্রু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের থেকে। এ অঞ্চলে ভারতের নিকটতম রাষ্ট্র বাংলাদেশে তাই এখন সব মনোযোগ চীনের। বাংলাদেশ বেল্ট রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পে যুক্ত হতে সমঝোতা চুক্তি করেছে ২০১৬ সালে। এ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশে তারা ২৪ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাবও দিয়েছে, যার একটি বড় অংশ হবে ঋণের মাধ্যমে। শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে বাংলাদেশ এখনো এ ঋণ নেওয়ার সিদ্ধান্তের ব্যাপারে দোদুল্যমানতায় রয়েছে।

চীন বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম বড় অংশীদারী রাষ্ট্র, সামরিক মিত্র এবং বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রধানতম সঙ্গী। তবে দুই দেশের সমাজব্যবস্থা এবং শিল্প-সংস্কৃতির পার্থক্যের কারণে আন্ত-নাগরিক যোগাযোগে একটি বড় ধরনের ঘাটতি রয়ে গেছে। এই সিস্টার-সিটি প্রকল্প কার্যকর হলে চীন বাংলাদেশের আরও বৃহৎ অঞ্চলে সংস্কৃতি বিনিময়ের মাধ্যমে প্রবেশের সুযোগ পাবে এবং বাংলাদেশের ওপর সম্ভাব্য বৃহৎ ঋণের বোঝা তাদের আরও বেশি আগ্রাসী করে তোলার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে চীনের এ প্রস্তাব বাংলাদেশের জন্য কিছুটা সুবিধা তুলে নেওয়ার সুযোগও বয়ে এনেছে। এ পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে চীন এবং ভারতের সঙ্গে পৃথকভাবে দর–কষাকষির একটা বড় সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে আটকে থাকা বড় প্রকল্পগুলোও এ সুযোগে দর–কষাকষি করে আদায় করে নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বিচক্ষণ পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে আমরা এ সুযোগগুলো সহজেই কাজে লাগাতে পারি।

চীনের বিআরআই প্রকল্পের মাধ্যমে দেওয়া ঋণের জালে আবদ্ধ প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর অবস্থা বিবেচনা করে বাংলাদেশকেও এ সিস্টার-সিটি প্রকল্পের যথেষ্ট পর্যালোচনা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ এই সিদ্ধান্ত হয়তো আগামীর বাংলাদেশের পথ এঁকে দেবে।

BD ninth strongest emerging economy in dealing with COVID-19 aftermath  BD ninth strongest emerging economy in dealing w...
04/05/2020

BD ninth strongest emerging economy in dealing with COVID-19 aftermath

BD ninth strongest emerging economy in dealing with COVID-19 aftermath

The Economist, the leading source of analysis on international business and world affairs, has listed Bangladesh as the ninth strongest economy in its report on the financial strength of 66 emerging economies in the wake of the Covid-19 fallout.

The ranking examines the vulnerability of selected economies across four potential sources of peril: public debt as percentage of GDP, foreign debt (both public and private), cost of borrowing and reserve cover.

According to the ranking, the economy of Bangladesh has featured as strong or relatively strong in all said indicators. It is ahead of China, India and other South Asian countries in the ranking.

Botswana tops the list of countries with the strength of its indicators while Venezuela fared as most vulnerable, according to UNB.

Emerging economies collectively owe $17 trillion of government debt, 24 per cent of the global total.

Eighteen of them have had their credit ratings cut in 2020 so far by Fitch, more than in the whole of any previous year.

Argentina has missed a $500 million payment on its foreign bonds. If it cannot persuade creditors to swap their securities for less generous ones by May 22nd, it will be in default for the ninth time in its history, according to the Economist.

চায়না-বাংলা বিজনেস ক্লাবের মেম্বারদের নিজস্ব সোর্স ও আমদানি করা প্রোডাক্ট স্টক এভেইলএবল আছে। মূল্য জানতে আইটেম ও কোয়ান্...
30/04/2020

চায়না-বাংলা বিজনেস ক্লাবের মেম্বারদের নিজস্ব সোর্স ও আমদানি করা প্রোডাক্ট স্টক এভেইলএবল আছে। মূল্য জানতে আইটেম ও কোয়ান্টিটি জানিয়ে আপনার নাম্বার ইনবক্স করুন।

Product List :
1) PPE Non Woven, 60 gsm, with shoe cover
2) PPE Tapeta Fabrics, washable with shoe cover
3) KN95 Mask
4) Infrared Thermometer
5) Face Shield
6) Disposable Clear Vinyl Gloves

Address

Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when China-Bangla Business Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to China-Bangla Business Club:

Share