09/12/2017
ব্লাড লাইন কি ?
পর বলতে কি বুঝি ?
,কবুতরের পায়ে রিং
বা ট্যাগ কেন পরায় ?
সিল কেণো মারা হয় ?
রিং এর কবুতর এই শব্দ গুলোর মানে কি?
ব্লাড লাইন কি ?
*********************
রক্তের ধারাবাহিকতা কে ব্লাড লাইন বলে ।
যেমন বাবা , তার বাবা , তার বাবা তার দাদা ।
কবুতরের ক্ষেতরে একই কবুতরের জাত কে বা একজোড়ার থেকে যে কবুতর জন্ম ণেয় বা একই জোড়াড় বাচ্চা থেকে যে কবুতর হয় তাকে ঐ ব্লাড লাইন বলে ।
আর যখন এক জাত বা এক ব্লাড লাইন এর সাথে অন্য ব্লাড লাইন মিলানো হয় তখন ব্লাড লাইন পরিবর্তন হয়ে জায় ।
OLD BLOOD LINE / পুরাতন জাত বা পুরাতন কবুতরের জাত কি ?
আমরা এখন প্রায় ই দেখি পোস্ট এ লেখা OLD BLOOD LINE ?
এই টার মাণে ঐ কবুতর এর জাত অনেক পুরাতন বা ঐ কবুতর ও পুরাতন ।
সবাই সত্য বলে তা নাহ ,অনেকেই বাজার থেকে কিণে লিখে দেয় না জেনেই ।
একটা কবুতর পুরাতন জাত কিনা তা বলতে হলে নিজের পালতে হবে বা পালা হতে হবে বা কারো থেকে আণা হলে তার থেকে জাণা হতে হবে আবার জারা ভালো বুঝে তারা অনুমান করতে পারে যে কবুতর টা পুরাণ যাতের ।
পুরাণ জাতের সুবিধা কি ?
******************************
পুরাণ চাল ভাতে বাড়ে ?
পুরাণ এর অভিজ্ঞতা ভালো ।
যেমনি ভালো মানুষ মুরুব্বী দের কাছে কেণো জায় ?
আগের মানুষ ভালো ছিল তারা যেমনি মানুষকে ঠকাত নাহ দুধ এ পাণি মিশাতো নাহ তেমনি তারা কবুতর এর জাত এ ও অজাত কুজাত মিশাতো নাহ ।
তারা একটা কবুতর কে ২/৩/৫ বছর ফেলে রাখতো ঐ জাত , ঐ কালার ঐ সেইপ ঐ পা এর রং , ঠোট এর রং , ঐ নজর না মিললে জোড়া দিতো নাহ ।
তাই পুরাণ জাত মাণেই ভালো কবুতর ( যদি সত্য হয় ), তার মাঝে খাদ বা ভেজাল নেই ।
জাত মিশ্রণের বা এক জাত এর সাথে আরেক জাত এর অসবিধা বা খারাপ দিক ঃ
**********************************************************************************
আধুনিক খাবার যেমন অনেকে নতুন ডিস বাণায় গরুর গোছ দিয়ে ইলিশ মাছ রান্না করে । নতুন রা খেয়ে বলে ওওাও ? আগে তা সম্ভব ছিল নাহ ।
তেমনি আজকাল গড়রা দিয়ে সবুজ গোলা , কালদম দিয়ে সবুজ গোলা , চিলা দিয়া সবুজ গোলা ? চূঈণা দিয়া কাল্ডোম জোড়া দিতে দেখি ।
যেমন আজকাল গড়রা ? ডোপাজ ? মূশাল এর বাচ্চা মেগপাঈ ? শর্ট ফেঈশ বা করমোণা কেণো বেড় হয় ? আমরা ভাবি কখনো ? কি এর কারণ ?
তাই আজ সবুজ গোলা থেকে গড়রা বাচ্চা হইলে অবাক হওয়ার কিছু নাই ?
ডোপাজ থেকে মেগপাঈ বাচ্চা হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই ?
ডোপাজ থেকে শর্ট ফেঈচ বাচ্চা হলে কিছু বলার নেই ?
গড়রা থেকে করমোণা বাচ্চা বের হলে বলার কিছু নেই ?
পর কি ? ঃ
*********************
পর বলতে মূলত বোঝায় যে পাখা বা পালক এর দারা কবুতর ঊড়ে ।
এর মাঝে সামনের শুরুর বড় পাখা থেকে ১-১০ নং পর্যন্ত পাখাকে আবশ্যক এবং রাজ পর বলে ।
কারণ এই রাজ পর না থাকলে কবুতর উড়তে পারে নাহ ।
অন্য পর না থাকলে কবুতর উড়তে পারে ।
তাই দেখবেন আমরা সাধারণত পর কাটলে বা বেধে দিলে এই ১০ পর বাধি বা কিনারের ২ টা রেখে বাকি ৮ টা করে কেটে দেই ।
এই পর দিয়ে আমরা বয়স নির্ণয় করি ।
বাচ্চার বয়স ৪০/৪৫ দিন এর পর ১ টি করে ঝড়ে পড়ে ১ টি পড়ে গেলে ১ পর এর বাচ্চা বলি এইভাবে ১ পর ২ পর করে ১০পোড় ঝড়ে যা ৬ মাস সময় নেয় ।
মোটা মোটী ১ মাস এ ১ টি পর পরে ঊঠে আরেকটি পরে বা নতুন গজায় ।
এই ভাবে একবার ১০ টি পর পরে আবার নতুন করে ঊঠলে তাকে এক দশক বা এক পাট্টহা কবুতর বলে আবার পুনরায় আরও ৫ টি পর পরলে তাকে দের পাট্টহা বলে আর পুরা ১০ পর নতুন করে পরলে তাকে দুই দশক বা দুই পাট্টহা কবুতর বলে ।
RING / রিং কি ?
********************
কাকে বলে ঃ
*****************
রিং বলতে বূঝায় একটি ছোটো ৭-১২ মিলি মিটার মাপের ব্যান্ড যা লম্বা একই মাপ বা ৫ মিলি মিটার হতে পারে ।
রিং মূলত একটি চীনহ বা সনাক্ত করণ ব্যান্ড ।
রিং এর কবুতর বলতে কি বূঝায় ঃ
***************************************
আমাদের দেশ এ সাধারণত বিদেশী রিং এর কবুতরকে রিং এর কবুতর বুঝায় ।
লোকাল কবুতরকে বিদেশী রিং পড়িয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে আমাদের দেশ এর সোনার ছেলেরা ।
বিভিন্ন দেশ এর রিং এর ণাম ঃ
*************************************
EE - EUROPEAN ENTENTEE /
যা ইঊড়োপিয়ান ইউনিয়ন বা এর তালিকা ভুক্ত দেশ এ ব্যাবহার হয় যা আমাদের দেশ এ লোকাল কবুতরকে বিদেশী বা এই রিং পড়িয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে আমাদের দেশ এর সোনার ছেলেরা ।
INFPA -IRISH NATIONAL FANCY PIGEON ASSOCIATION .
IT/ITALIA - ITALY ER RING
DV - GERMANY ER RING
NL-NEDERLAND ER RING
BELG-BELGIUM ER RING .
BAN-BANGLADESH ER RING .
আমাদের দেশ এ কিছু ক্লাব এর ণাম আমরা শুনতে পাই ।
যেমন
BRPOA -BANGLADESH RACING PIGEON OWNER ASSOCIATION
BRPFC-BANGLADESH RACING PIGEON FANCIERS CLUB
BRPEL -BANGLADESH RACING PIGEON ENTREPRENUR LIMITED
KRPC -KERANIGONJ RACING PIGEON CLUB
BTFC -BANGLADESH TIPPLER FANCIERS CLUB
কবে রিং এর প্রচলন ও কারা শুরু করেন ঃ
***********************************************
১৮০৩ সালে প্রথম In North America John James Audubon and Ernest Thompson কবুতর এর পায়ে একটি সিলভার সূতা বেধে শুরু করেন । মূলত ১৮৯৯ সালে Hans Christian Cornelius Mortensen অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে প্রথম কবুতরের রিং শুরু করেন ।
কি দিয়ে তৈরি হয় ঃ
***********************
যা কখনো প্লাস্টিক বা মেটাল বা সিলভার এর হয় ।
কি কি থাকে রিং এ ঃ
**************************
যেখানে এখন দেশ এর ণাম
সিরিয়াল ণাম্বার
সাল এর ণাম্বার বা কতো সাল
অনেক সময় ক্লাব বা মালিকের ণাম ও মোবাইল নাম্বার থাকে ।
অনেক সময় সূতা বা টাকা ও রিং হিসাবে ব্যাবহার হতে দেখা যায় ।
কবুতরের পায়ে রিং
বা ট্যাগ কেন পরায় ।
বা গায়ে সিল কেন মারা হয় ?
ট্যাগ ঃ
ইহা তিন ধরনের হয়
১) এক রেগুলার বা বেক্তিগত ট্যাগ ।
২) ক্লাব ট্যাগ ,
৩ ) রেস ট্যাগ ।
১) রেগুলার বা বেক্তিগত ট্যাগ ঃ
************************************
আমার মনে হয় ইহা কবুতর এর পরিচয় বহন করে ,
রেগুলার ট্যাগ -এইখানে আপনার নাম থাকতে পারে ,
অনেকের মোবাইল নাম্বার দেয় ।
সিরিয়াল নাম্বার থাকে ১২৩৪৫-৭৮৯১০...
সাল থাকে ২০১৫/২০১৬ যা থেকে আমরা জানতে বা বুঝতে পারি কার কবুতর
বা অনেক সময় আমরা বের করতে পারি কার বাচ্চা কোণটা ? কোন জাতের কোণটা , কোন সালে জন্ম ।
২) ক্লাব ট্যাগ ঃ
********************
কোন ক্লাব এর তা বুঝা যায় ।
কোন দেশের তা বুঝা যায় ।
সিরিয়াল নাম্বার থাকে ।
কতো সাল এর কবুতর তা থাকে ।
৩) রেস ট্যাগ ঃ
*********************
ইহা ক্লিপ আকারে বা প্রেছ করে লাগানো হতে পারে যাতে গোপন নাম্বার থাকে , রেস এর আগে লাগানো হয় , যার বিস্তারিত নাম্বার কমিটি বা ক্লাব এ গোপন ভাবে সংরক্ষণ করে , এবং কবুতর ফিরে আসার পর তা দেখা হয় মিলে কিনা । অনেকে ইদানিং সুতা বা টাকা ও বেধে দেয় চিনহ হিসাবে ।
রিং বা ট্যাগ এর উপকার ঃ
******************************
আমাদের দেশের বাহিরে তো ট্যাগ দিয়া হারানো কবুতর ফিরে পাওয়া যায় ।
অনেকে নর মাদীর আলাদা রঙের রিং লাগায় যাতে তাদের চিনতে সহজ হয় বা বাসায় যারা পালে বা দেখা শুনা করে তাদের সুবিধা এর জন্য । অনেকে কোন ধাপটির , কোণটা কবুতর তার চিনার জন্য রিং লাগায় কবুতরের পায়ে যে রিং থাকে ঐ কালার ঐ ধাপটির গায়ে একটা লাগীয়ে রাখে তাতে উল্টা পাল্টা হওয়ার সম্ভব্য তা কমে যায় । । নর এর লাল রং , মাদীর সবুজ রং ।
৩) সিল কেন মারা হয় ?
সাধারণত টস বা পাল্লায় বা বাজিতে এই সিল ব্যাবহার করে থাকে যা ক্লাব বা কমিটি এর কাছে গোপন সিল থাকে যা কবুতর ছাড়ার আগে মারা হয় , প্রমাণ স্বরূপ ।
অনেক সময় একই পাল্লায় ২ পক্ষের দুইটা সিল বা এক পক্ষের বা নিরপেক্ষ একটা সিল মারা হয় ।
অনেক সময় পাল্লা ২/৩/৪ দিক ও হয় তখন সিল ও বেশি হতে পারে ।
আবার রেস এ আসার পর অনেক সময় কমিটি চেক করে কবুতর গূণে আবার সিল মারে যা রিটার্ন সিল বলে ।
রেস এর আগের সতর্কতা এবং সিল মারা ঃ
*********************************************
অনেক সময় রেস এর আগের দিন কমিটি কবুতর খোপ এর বাহিরে ছেড়ে আবার খোপে আটকে তারপর সিল মেড়ে বন্দি করে ।
জাতে কেঊ অন্য মানুষের কবুতর বা বাজারের কিনা কবুতর দিয়ে অপর জনকে ঠকাতে না পাড়েণ ।
অনেকেই আরেকজনকে খালি করার জন্য ভূয়া বা কিনা কবুতর দেয় নিজে হারে কিন্তু অন্য জন ভালো কবুতর হারায় ।
ভূয়া সিল এর সতর্কতা ঃ
***************************
ইদানীং অনেকে ভূয়া সিল ও মারে , কম দামী কবুতর বেশি দামে বিক্রির জন্য যার থেকে সাবধান ।
বি ঃ দঃ আমার স্বল্প জানা থেকে বলা , যেখানে ভূল থাকা স্বাভাবিক , ভাল জানে এমন কারো থেকে আবার জেণে নিবেন ।