MAH Securites

MAH Securites Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MAH Securites, Security guard service, Motijheel, Dhaka.

22/03/2013

পাঁচ বছরে আইপিও ও রাইট ইস্যূ

১৩ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা উত্তোলন

ঢাকা, মার্চ ২২ : প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) এবং রাইট ইস্যূর মাধ্যমে বিগত ৫ বছরে দেশের পুঁজিবাজার থেকে প্রায় ১৩ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে বিভিন্ন কোম্পানি। এর মধ্যে আইপিওর মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহ করেছে ৭৬ কোম্পানি আর প্রায় অর্ধশতাধিক কোম্পানি রাইট ইস্যুর মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহ করেছে।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, বিগত ৫ বছরে আইপিওর মাধ্যমে ৯ হাজার ২২৯ কোটি টাকা এবং রাইট ইস্যূর মাধ্যমে ৪ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

২০০৮ সালে আইপিওর মাধ্যমে ১২ কোম্পানি ২২ কোটি ৯৪ লাখ শেয়ার ছেড়ে ৮২৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। ২০০৯ সালে ১৮ কোম্পানি বাজারে আসে। কোম্পানিগুলো বাজারে ১৬১ কোটি ৬৭ লাখ ৮৯ হাজার শেয়ার ছেড়ে ২ হাজার ৩১৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। এরপর ২০১০ সালে বাজারে আরো ১৮ কোম্পানি আইপিও অনুমোদন নিয়ে তালিকাভুক্ত হয়। বাজারে এসব কোম্পানি ২৩৩ কোটি ১০ লাখ ৭৭ হাজার শেয়ার ছেড়ে ২ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। পরের বছর ২০১১ সালে আইপিওতে আসে আরো ১৪ কোম্পানি। এসব কোম্পানি বাজারে ১৩৩ কোটি ৬৪ লাখ ৭ হাজার শেয়ার ছেড়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১ হাজার ৮৭৯ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। ২০১২ সালে আইপিওর মাধ্যমে ১৪ কোম্পানি বাজারে ১৮১ কোটি ৭৫ লাখ ১৫ হাজার শেয়ার ছেড়ে ১ হাজার ৫৫৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে।

একই সময়ে প্রায় অর্ধশতাধিক কোম্পানি বিএসইসি থেকে রাইট ইস্যুর অনুমোদন নিয়ে ২৫২ কোটি ৬৭ লাখ ১৪ হাজার শেয়ারের বিপরীতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৪ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে।

এর মধ্যে ২০০৮ সালে রাইট শেয়ার ছেড়ে ২১১ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়। এরপরে ২০০৯ সালে ৪ কোটি ৩০ লাখ ২৮ হাজার রাইট শেয়ারের বিপরীতে ২৪২ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়। এরপর ২০১০ সালে ৮৮ কোটি ৪০ লাখ ৮৯ হাজার শেয়ারের বিপরীতে ১ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা, ২০১১ সালে ১১৬ কোটি ৯৯ লাখ শেয়ারের বিপরীতে সংগ্রহ করা হয় ১ হাজার ৮৫৮ কোটি টাকা এবং ২০১২ সালে বাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে ৪৯৭ কোটি টাকা।

বিনিয়োগকারী ও বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোম্পানিগুলো তাদের স্বার্থের প্রয়োজনে বাজার থেকে ক্যাপিটাল রেইজের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে কোম্পানি ও সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হলেও বিনিয়োগকারীদের ভাগ্যে উল্লেখযোগ কিছু জোটেনি। কারণ, পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহের পর সে অর্থ কোথায় কিভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে সে ব্যাপারে সঠিক তথ্য জানার কোনো উপায় নাই। বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাও এ ব্যাপারে উদাসীন। ফলে কোম্পানি লাভ করল না লোকসান করল তারও সঠিক তথ্য জানা যায় না। অর্থাৎ মূলধনের যোগান দিয়ে আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন হয়নি বলে বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন।

শেয়ারনিউজ২৪/ডব্লিউএন/১০৪০ঘ.

22/03/2013

ডিভিডেন্ড ঘোষণায় কোম্পানিগুলো কারসাজি করছে

ঢাকা, মার্চ ২২: শেয়ারবাজারে ২০১২ সালের সমাপ্ত বছরে কোনো কোনো তালিকাভুক্ত কোম্পানি ডিভিডেন্ড ঘোষণায় কারসাজি করছে বলে বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ করেছেন। তাই ইতিমধ্যে যেসব কোম্পানি ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে সেগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন যাচাই বাছাইপূর্বক রিভাইসড ডিভিডেন্ড ঘোষণার দাবি জানানো হয়েছে।

বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, অনেক কোম্পানি আগের বছরের চেয়ে বেশি মুনাফা করেও কম ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। কিন্তু এসব কোম্পানির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রেগুলেটর প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে না। চলতি মাসে বিনিয়োগকারীরা আর্থিক খাতের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স ও ম্যাকসন্স স্পিনিং মিলস্ এর ঘোষিত ডিভিডেন্ড প্রতারনা ও উদ্দেশ্যমূলক বলে মনে করে। এজন্য বিনিয়োগকারীরা সংশ্লিষ্ট রেগুলেটর প্রতিষ্ঠান বরাবর ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে রিভাইস ডিভিডেন্ড ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন।

বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ করে বলেন, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো ডিভিডেন্ড ঘোষণা করে তাদের বার্ষিক আয় ব্যয়ের উপর ভিত্তি করে। এক্ষেত্রে বিষটি সম্পূর্ণ কোম্পানি কর্তৃপক্ষের ওপর নির্ভর করে। তবে বাজারে মূল্য সংবেদনশীল তথ্যগুলো নিয়ে কেউ যদি কোনো অনিয়ম কিংবা প্রতারণার আশ্রয় নেয় তাহলে এসব বিষয় দেখার দায়িত্ব বাজার রেগুলেটরদের।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সম্প্রতি ডিএসই ইউনাইটেড এয়ার ও ডেল্টা স্পিনার্সসহ কয়েকটি কোম্পানির মূল্য সংবেদনশীল তথ্যের বিষয়ে তদন্ত করেছিল। কিন্তু বাজারে ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানি কেন কম ডিভিডেন্ড ঘোষণা করছে সেগুলোর কোনো তদন্ত করছে না। বিষয়গুলো বাজারে বিনিয়োগকারী স্বার্থ রক্ষায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার খতিয়ে দেখা উচিত বলে তারা মনে করছেন।

গত ১০ মার্চ বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী সম্মিলিত জাতীয় ঐক্য আর্থিক খাতের লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেডের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারনার আশ্রয় নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সহ কোম্পানি কর্তৃপক্ষের কাছে। একইসঙ্গে তারা এ কোম্পানির শেয়ার যারা ধারন করেছেন সেসব ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে রিভাইস ডিভিডেন্ড না হয় বিশেষ স্কিম ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় তারা কোম্পানির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেবেন বলে শেয়ারনিউজ২৪ডটকমে লিখিতভাবে জানান। এর আগে বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ ম্যাকসন্স স্পিনিং মিলস লিমিটেডের বিরুদ্ধে ডিভিডেন্ড ঘোষণার বিষয়ে কারসাজি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট রেগুলেটর বরাবর পত্র দেয়।

অভিযোগে বলা হয়, ২০১০ সালে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের ধসের কবলে পড়ে অনেকে তাদের পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে। এরপর থেমে থেমে দরপতনের প্রায় ২ বছরের বেশি সময় বিনিয়োগকারীরা শেষ সম্বলটুকু হারানোর পথে। এরই মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে অনেক বিনিয়োগকারী আত্মাহুতি, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কেউ চরম অমানবিক জীবন যাপন করছেন। এমন পরিস্থিতির মধ্যে লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স ২০১২ সালে সমাপ্ত বছরে মাত্র ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় দেখানো হয়েছে ১.৭৭ টাকা। যা বাজার সংশ্লিষ্ট ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হতবাক করেছে। আগের বছর ২০১১ সালে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয়। ওই বছর তাদের শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৪.৫১ টাকা। ২০১০ সালে দেয় ৫৫ শতাংশ স্টক, ২০০৯ সালে ১৫ শতাংশ নগদ ও ২০ স্টক, ২০০৮ সালে নগদ ১৫ শতাংশ ও স্টক ১৫ শতাংশ, ২০০৭ সালে ১৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেয় কোম্পানিটি।

অভিযোগে আরো বলা হয়, ২০১২ সালে কোম্পানিটি বাজার থেকে রাইট শেয়ার ইস্যূর মাধ্যমে ৮২ কোটি ৩৫ লাখ ১৫ হাজার টাকা উত্তোলন করেছে। সেই হিসেবে বিনিয়োগকারীরা কোম্পানি কর্তৃপক্ষের কাছে ভালো ডিভিডেন্ড প্রত্যাশা করেছিলেন। বর্তমানে এ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ১৮৯ কোটি এবং বিজার্ভের পরিমান ৩৬৫ কোটি টাকা।

এ বিষয়ে লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেডের কোম্পানি সচিব মোস্তাফা কামালের সেল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।



শেয়ারনিউজ২৪/আর/ডব্লিউএন/১৯৩০ঘ.

Address

Motijheel
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MAH Securites posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share