Kintemoja.com - কিনতেমজা ডটকম

Kintemoja.com - কিনতেমজা ডটকম e-commerce site of Bangladesh

26/03/2026

অভিভাবক হিসেবে জীবিত থাকা অবস্থায় কিছু কাজ করে যাবেন।

১। বাড়ি এই যুগে কখনো বিশাল করে বানাবেন না। বাড়ির থেকে ফ্ল্যাটকে প্রাধান্য দিবেন। বিশাল বড় বাড়ি বানাবেন সেই বাড়িতে সবাই একসাথে থাকবে এই চিন্তাধারা থেকে বের হন। কারণ, সন্তানরা বড় হলে সেই বিশাল বড় বাড়ি একটা সময় ভূতের বাড়ি মনে হবে। কেউ চলে যাবে পড়াশোনার খাতিরে দূর দেশে, কেউ চান্স পাবে পাবলিকে, মেয়ের বিয়ে হয়ে যাবে। সবাই একসাথে থাকার জন্য বাড়ি বানালে দেখবেন সন্তানদের মাঝে বড় ডিস্পিউট হবে।

২। পরিবারের কে কি পাবে চুপচাপ তার খসরা বানিয়ে রেখে যাবেন। নইলে আপনি মারা গেলে দেখবেন দাফন থামিয়ে দিয়ে সবাই ভাগাভাগিতে বসবে। সম্পদ বাড়ার সাথে সাথেই খসরা বদলাবেন। সব সময় ভাববেন আজ ই শেষ দিন। এইটা ভেবে খসরা বানিয়ে যাবেন।

৩। ধরেন আপনার চার সন্তান। সম্ভব হলে পাচটা ফ্ল্যাট কিনুন বা বাড়ি বানালেও চারটা ফ্ল্যাট পাশাপাশি কিনুন কিংবা উপরে নিচের ফ্লোরে কিনুন চারটা। সন্তানদের সাথে একত্রে থাকার মেন্টালিটি বাদ দিয়ে দিন। এক ঘরে না থেকে একি ভবনে থাকবেন এইটা করুন। ছেলে বিয়ে দিয়েছেন যার বিয়ে হলো ভদ্রলোকের মত তাকে একটা ফ্ল্যাটে শিফট করে দিবেন। এইভাবে চারজনকে ৪ টা ফ্ল্যাটে শিফট করেন। ভদ্রলোকের মত নিজে ওয়াইফের সাথে পাঁচ নম্বর ফ্ল্যাটে থাকুন। সন্তানদের নিজে থেকে আলাদা করবেন। তাদের যেন বলতে না হয়। এর ফলে কলহ কম হবে। বিবাদ কম হবে। সবার বিয়ে হয়ে গেলেও সুসম্পর্ক থাকবে।

৪। ব্যাংকে যেসব অ্যাসেট আছে সেগুলিও কে কত পাবে এইসবের খসরা বানিয়ে রাখুন।

৫। মনে রাখবেন কেয়ারলেস হলে পরের প্রজন্মদের মাঝে সম্পর্ক নস্ট হবে। তারা ওসবের জন্য শত্রুতে রুপান্তর হবে যা আপনার কস্ট করে বানাবো। তাদের কস্ট করে নয়। তাদের জিরো ইনভেস্টের প্রোপার্টির জন্য শুরু হবে কুরুক্ষেত্র। আমার সন্তানরা এমন হবে না। এইসব মান্ধাতা আমলের চিন্তা থেকে বের হন।

৬। যে সন্তান আলাদা হতে চাইবে এক মিনিটও দেড়ি করবেন না। সাথে সাথে আলাদা করে দিবেন। কাউকে আকড়িয়ে ধরতে চাইবেন না। এইটা ভাববেন না যে সম্পদ নস্ট করবে। যা খুশি তাই করুক। ভদ্রলোকের মত আলাদা করে দিবেন।

৭। অভিভাবক হিসেবে ইমোশনাল হওয়া যাবে না। খুব প্র‍্যাক্টিক্যাল থাকবেন। স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরবেন, ফিরবেন, ভাল পোশাক পরবেন, লাক্সারিতে কাটাবেন। সন্তানদের শুধু উচ্চশিক্ষিত বানাবেন। আয়ু যদি ভাগ্যক্রমে অনেক বেশি হয়ে যায়। শেষ বয়সে সন্তানদের ভরসায় থাকার রিস্ক নিবেন না। ভদ্রলোকের মত নিজের জন্য আর ওয়াইফের প্রচুর ক্যাশ রেখে দিবেন ব্যাংকে। যা সন্তানরা জানবেই না। সন্তানের ভরসায় থাকবেন এই চিন্তা মাথা থেকে ফেলে দিন।

৮। যারা চান না সন্তানরা সম্পদ বিক্রি করে নস্ট করুক তাহলে সম্পদ গুলি একটা ট্রাস্টের আন্ডারে নিয়ে আসবেন। আপনার সন্তানরা ভোগ করতে পারবে কিন্তু বিক্রি করতে পারবে না। নাতি থেকে শুরু করে পরের প্রজন্ম শুধু ভোগ ই করতে পারবে। কেউ বিক্রি করতে পারবে না।

৯। সন্তানদের আঠারো বছর হয়ে গেলে ধীরে ধীরে মুক্ত করে দিন। তাদের অতিসুখে রাখা বন্ধ করে দিন। টিউসন ফি দিবেন আর বলবেন বাকি খরচ আয় করে জোগাড় করো। হার্টলেস ভাবুক যাই ভাবুক করেন। সন্তানদের বিয়ে কেন নিজের খরচে দিবেন? তারা নিজের খরচে বিয়ে করবে। ১৮ হলেই টিউসন ফি বাদে পকেট মানি ধীরে ধীরে বন্ধ করে দিন। এর ফলে কম বয়স থেকেই টাকা কামাই করা শিখবে। এইটা করলেই বুঝে যাবে জীবনের আঠারো বছর বাপ মা কি কি করেছে। নইলে বুঝবে না। যারা কম বয়স থেকে কামাইয়ে নামে দেখবেন বাপ মায়ের প্রতি প্রচুর ভক্তি থাকে। বাস্তবতা বুঝে যায়। ১৮ বছর হয়ে গেলে সন্তানদের জীবনে যা যা ঘটবে এর দ্বায়ভার তাদের। ১৮ হয়ে গেলে অতিরিক্ত বারডেন নেওয়া যাবে না তাদের নিয়ে। যার জীবন তার দ্বায়। ৮ নাম্বার পয়েন্ট খুব কাজে আসে। অমানুষ হলেও সম্পদ নস্ট করতে পারবে না ট্রাস্টের আন্ডারে সব সম্পদ রেখে গেলে। সন্তান জুয়ারি হোক, নেশাবাজ হোক, যা খুশি তাই হোক আপনার সম্পদ নস্ট হবে না। নিজের মেন্টাল হেলথ আগে। টিপিক্যাল অতি আবেগী মা বাবা হওয়া বাদ দেন। আল্লাহ একটা জিনিস বলেছেন উনি ছাড়া কারোর মুখাপেক্ষী না হতে। এইটা সব সময় প্রতিদিন মনে করবেন।

💥স্মার্ট রুটে বাঁচতে পারে ৫০ হাজার টাকাবাংলাদেশের অনেক ভ্রমণপ্রেমী এখনও আন্তর্জাতিক ট্যুর প্ল্যান করার সময় একটি সাধারণ ভ...
21/03/2026

💥স্মার্ট রুটে বাঁচতে পারে ৫০ হাজার টাকা

বাংলাদেশের অনেক ভ্রমণপ্রেমী এখনও আন্তর্জাতিক ট্যুর প্ল্যান করার সময় একটি সাধারণ ভুল করে বসেন, যার কারণে তাদের ভ্রমণ খরচ অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেড়ে যায়। বিশেষ করে যারা থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর ঘুরতে চান, তাদের অনেকেই আলাদা আলাদা রিটার্ন টিকিট বুক করেন, যেমন ঢাকা থেকে ব্যাংকক আবার ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুর এবং ঢাকা থেকে সিঙ্গাপুর। ফলে প্রতিটি দেশের জন্য আলাদা করে যাওয়া আসার টিকিট কাটতে গিয়ে মোট খরচ প্রায় এক লাখ টাকা বা তারও বেশি হয়ে যায়। তবে ভ্রমণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সমস্যার একটি সহজ এবং কার্যকর সমাধান রয়েছে। যদি কেউ স্মার্টভাবে রুট পরিকল্পনা করেন, যেমন ঢাকা থেকে ব্যাংকক, সেখান থেকে কুয়ালালামপুর, তারপর সিঙ্গাপুর হয়ে আবার ঢাকায় ফেরা, তাহলে একই ট্রিপ অনেক কম খরচে সম্পন্ন করা সম্ভব। এই ধরনের মাল্টি সিটি বা ওপেন জও টিকিটিং পদ্ধতি ব্যবহার করলে মোট খরচ নেমে আসতে পারে প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ হাজার টাকার মধ্যে। অর্থাৎ একই ভ্রমণে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় করা সম্ভব। বর্তমানে আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সগুলো এমন মাল্টি ডেস্টিনেশন টিকিটের সুযোগ দিচ্ছে, যা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে বাজেট ভ্রমণ অনেক সহজ হয়ে যায়। এছাড়া আগেভাগে পরিকল্পনা, অফ পিক সিজনে ভ্রমণ এবং বিশ্বস্ত ট্রাভেল এজেন্সির সহায়তা নেওয়ার মাধ্যমে আরও কম খরচে টিকিট পাওয়া সম্ভব। ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য এটি একটি কার্যকর গাইডলাইন হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ভ্রমণকে আরও সহজ, সাশ্রয়ী এবং স্মার্ট করে তুলতে পারে।

সবচেয়ে কম প্রাইসে টিকেট করতে আজই যোগাযোগ করুন!

সঞ্চয় কীভাবে করবেন: জাপানি পদ্ধতি কাকেবো (Kakebo) অনুসরণ করে!সঞ্চয় করা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস যা আর্থিক স্থিতিশীলতা ...
13/01/2026

সঞ্চয় কীভাবে করবেন: জাপানি পদ্ধতি কাকেবো (Kakebo) অনুসরণ করে!

সঞ্চয় করা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস যা আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে। অনেকে অসংগঠিত খরচের কারণে সঞ্চয় করতে ব্যর্থ হন। জাপানি পদ্ধতি কাকেবো (Kakebo, যা "হাউসহোল্ড অ্যাকাউন্ট বুক" হিসেবে পরিচিত) একটি সহজ এবং কার্যকরী উপায় যা ১৯০৪ সালে জাপানি সাংবাদিক হানি মোটোকো দ্বারা চালু করা হয়েছে। এটি একটি বাজেটিং জার্নাল যা আপনার আয় এবং খরচকে সচেতনভাবে ট্র্যাক করে, অপ্রয়োজনীয় খরচ কমিয়ে সঞ্চয় বাড়াতে সাহায্য করে। এই পদ্ধতি মনস্তাত্ত্বিক দিকও বিবেচনা করে, যেমন রিফ্লেকশন (স্ব-পর্যালোচনা)।
কাকেবো পদ্ধতি মূলত কাগজ-কলম ভিত্তিক, কিন্তু আজকাল অ্যাপ বা ডিজিটাল জার্নালেও ব্যবহার করা যায়। এটি ৫০/৩০/২০ নিয়মের মতো নয়; বরং এটি খরচকে চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করে এবং সাপ্তাহিক-মাসিক রিভিউ করে। নীচে বিস্তারিত ধাপসমূহ বর্ণনা করা হলো, যাতে আপনি সহজেই শুরু করতে পারেন।

১. প্রস্তুতি: কাকেবো জার্নাল তৈরি করুন
একটি খাতা বা নোটবুক নিন (বা কাকেবো বই কিনুন, যা অনলাইনে পাওয়া যায়)।
জার্নালে বিভাগ তৈরি করুন:
মাসিক পরিকল্পনা পাতা।
সাপ্তাহিক খরচ ট্র্যাকার।
মাসিক রিভিউ পাতা।
ডিজিটাল বিকল্প: অ্যাপ যেমন "Kakeibo Budget" বা Excel শিট ব্যবহার করুন।

২. মাসের শুরুতে পরিকল্পনা করুন
আয় গণনা করুন: আপনার মাসিক আয় (বেতন, অন্যান্য উৎস) লিখুন। উদাহরণ: ৫০,০০০ টাকা।
সঞ্চয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করুন: কত টাকা সঞ্চয় করতে চান? এটি বাস্তবসম্মত হওয়া উচিত, যেমন মোট আয়ের ২০%। প্রশ্ন করুন নিজেকে: "এই মাসে সঞ্চয় করে কী অর্জন করব?" (যেমন, ভ্রমণের জন্য)।

নির্ধারিত খরচ বিয়োগ করুন: ভাড়া, ইউটিলিটি, লোন ইত্যাদি ফিক্সড খরচ লিখুন এবং বিয়োগ করুন। অবশিষ্ট অর্থ হলো আপনার "ডিসপোজেবল ইনকাম"।
খরচকে চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করুন:
Needs (আবশ্যকীয়): খাবার, পরিবহন, ওষুধ – ৫০%।
Wants (চাহিদা): বিনোদন, শপিং – ৩০%।
Culture (সংস্কৃতি/শিক্ষা): বই, কোর্স, যাদুঘর – ১০%।
Unexpected (অপ্রত্যাশিত): মেরামত, উপহার – ১০%।
প্রতিটি ক্যাটাগরির জন্য বাজেট নির্ধারণ করুন। উদাহরণ: ৩০,০০০ টাকা ডিসপোজেবল হলে – Needs: ১৫,০০০; Wants: ৯,০০০; Culture: ৩,০০০; Unexpected: ৩,০০০।

৩. প্রতিদিন খরচ ট্র্যাক করুন
প্রত্যেক খরচ লিখুন, যত ছোট হোক না কেন (যেমন, চা ১০ টাকা)। কোন ক্যাটাগরিতে পড়ে তা উল্লেখ করুন।
রসিদ সংরক্ষণ করুন বা অ্যাপে ছবি তুলুন।
সাপ্তাহিক রিভিউ: প্রতি সপ্তাহের শেষে (যেমন, রবিবার) দেখুন কোন ক্যাটাগরিতে বেশি খরচ হচ্ছে। প্রশ্ন করুন: "এই খরচ কি প্রয়োজনীয় ছিল? কীভাবে কমাতে পারি?"

৪. মাস শেষে রিফ্লেকশন করুন
মোট খরচ এবং সঞ্চয় গণনা করুন।
চারটি প্রশ্নের উত্তর লিখুন:
এই মাসে কত টাকা সঞ্চয় করতে চেয়েছিলাম?
কত টাকা সঞ্চয় করেছি?
কী ভালো হয়েছে?

কী উন্নতি করতে হবে (যেমন, Wants-এ কম খরচ করা)?

এটি মনস্তাত্ত্বিকভাবে সাহায্য করে, কারণ এতে অভ্যাস পরিবর্তন হয়।

কাকেবোর সুবিধা এবং টিপস
সুবিধা: অপ্রয়োজনীয় খরচ ৩৫% পর্যন্ত কমাতে পারে। এটি মাইন্ডফুল স্পেন্ডিং প্রমোট করে, যা দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয় বাড়ায়।

টিপস:
শুরুতে সহজ রাখুন; প্রথম মাসে শুধু ট্র্যাক করুন, পরে অ্যাডজাস্ট করুন।
যদি ভুলে যান, সাপ্তাহিক রিমাইন্ডার সেট করুন।
পরিবারের সাথে শেয়ার করুন যাতে সবাই অংশগ্রহণ করে।

এই পদ্ধতি অনুসরণ করে নিয়মিত সঞ্চয় করতে পারবেন। শুরু করুন একটি ছোট লক্ষ্য দিয়ে, এবং ধৈর্য ধরুন – ফলাফল দেখতে সময় লাগবে।

16/10/2025

Fly Far International শুনলাম গ্রাহকের টাকা মেরে পালিয়েছে।
আমার ফ্রেন্ডলিস্টে Fly Far Ladies এমপ্লয়ী আপু ছিলেন। Maimunah Mim আপুকে সবাই কমবেশী তাকে চিনেন। সম্ভবত ট্রাভেল গাইড হিসেবে কাজ করতেন। মেয়েদেরকে নিয়ে দেশে বিদেশে ট্যুর দিতেন। বেশ ভদ্র অমায়িক হিসেবেই জানতাম।

আমার এক বড় আপু Nirma । উনি বাইরে মুভ করার জন্য Far Fly Ladies এর সেই এমপ্লয়ী আপুর মাধ্যমে শরনাপন্ন হোন কিন্তু রিকোয়ারমেন্ট পূরণ না হওয়ায় মুভ করতে পারেননি। এমতাবস্থায়, ঐ আপু জানেন যে নির্মা আপুর কাছে বড় অঙ্কের টাকা রয়েছে।

সিলেটে একটি ট্যুরে থাকাকালীন সময়ে বিপদের কথা বলে একদিন নির্মা আপুর কাছে দুদিনের জন্য ৬ লাখ টাকা ধার ব্যবসায়িক কাজে চান।

যেহেতু ভালো মেয়ে হিসেবেই চিনতো। তাই আপু সরলমনে বিশ্বাস করে তাকে টাকা ধার দেন। দুদিন পার হয়ে গেলেও ঐ টাকা উনি আর ফেরত পাননি।

ব্যাংকে বসে টাকার ট্রান্সফার করছি বলে ছবি দেওয়া। টাকা সার্ভারের কারণে আটকে যাওয়া সহ নানান গল্প বলেন এবং সময় নিতে থাকেন।

এদিকে আপু মামলা করে দেন উনার বিরুদ্ধে। তাতেও লাভ হয়নি।

ফাইনালি একদিন আপু তাকে বাসায় চালাকি করে ডেকে এনে আটক করেন। তাঁর মাকে ফোনে ধরিয়ে দেন। তাঁর মা তো বিশ্বাসই করে না। তাদের কী এত অভাব ইত্যাদি ইত্যাদি বলে উল্টো দোষারোপ করেন। কিন্তু প্রমাণ পাওয়ার পর উনি বলেন, আমি টাকা ফেরত দিবো। আপনি আমার মেয়েকে ছেড়ে দিন।

উনি ছাড়া পেয়ে উত্তরা থানার পুলিশ পরিচয়ে এক লোককে দিয়ে থ্রেট দেওয়ান এবং থানায় ডাকেন। আপু বলেন, আপনি অমুক থানায় এসে দেখেন। ওর নামে আমি মামলা করে রেখেছি। তখন ঐ লোক নরম হয় এবং বলে, এই মেয়ের টাকা দেওয়ার সামর্থ্য নেই। আপনি তাকে মাফ করে দেন।

এদিকে আপুর অভিযোগ এমন ভিক্টিম আরও অনেকেই আছেন। উনার মতে, মানুষের সাথে স্ক্যাম করে দেশ বিদেশে ট্যুর দিয়ে লাক্সারিয়াস লাইফ লিড করে বেড়ায় সে।

Far Fly Ladies এর মালিককে অভিযোগ করেছিলেন। উনি বলছেন, আমার এম্পয়িকে আপনি টাকা ধার কেন দিলেন। আপনি অফিসিয়ালি কমপ্লেইন করুন। আমরা তাকে বরখাস্ত করে দিবো। মালিকের কথায় যুক্তি আছে।

যাইহোক ঐ আপুটি এখন অন্য ট্রাভেল এজেন্সিতে জব নিয়েছেন। ফেসবুকে আর আসেন না। অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় একটিভ। ভিডিও নাকি নিয়মিত দেন।

দু বছর হয়ে গেলো, নির্মা আপুও তাঁর টাকা আজ পর্যন্ত ফেরত পাননি। মামলা করার পরেও।

আমি এখানে ঐ মেয়ের চেয়ে নির্মা আপুকেই দোষ দিবো। উনি কেন ৬ লাখ টাকার মতো এত বড় এমাউন্ট দিতে গেলেন।

আমার লিস্টের আরেকটি মেয়ে আছে Mehazabien Anonna ব্যবসায়ের কথা বলে এই মেয়েটির থেকেও পারভেজ হাসান নামে একজন ফেসবুক সেলেব্রেটি ১০ লাখ নিয়েছেন। আপনারা পারভেজকে সবাই চিনেন। যিনি নিজেকে সত্য মানুষ দাবী করেন। অনন্যা মামলা করেছেন। পারভেজ এক মাস জেলও খেটেছে। কিন্তু ১ লাখ ফেরতের পর আর টাকা ফেরত দেয়নি।

পারভেজের থেকে আমার লিস্টের David Nobel Mahmud ৬ লাখ টাকা পায়। আরেকজন শুনলাম ২৫ লাখ পায়। আপনি টোটাল হিসেব টানলে শুনলাম ২ কোটির ঘরে হবে। এদের কারো টাকাই ফেরত দেয়নি। দিনের পর দিন ঘুরাচ্ছে। দিব্যি লাইফ লিড করছে।

কিছুদিন আগে লুসি নামেও একজন মহিলা স্ক্যামার শত কোটি টাকা স্ক্যাম করে এখন জেলে। সেও ছাড়া পেয়ে যাবে। আপনারাই বোকার মতো শুধু হাতে বাঁশ নিয়ে থাকবেন।

আমি অনুরোধ করবো, Far Fly, ইভ্যালি হোক বা অন্য যেকোন সেলেব্রেটি হ্যান ত্যান। এদের থেকে শুরু করে যে কারো সাথেই কোন ধরণের আর্থিক লেনদেন করবেন না। হোক ব্যবসায়িক কিংবা ধার দেনা।

আপনি মানুষকে ঠিক ততটুকু লোন দিন। যতটুকু লোন ফেরত না পেলে আপনি সহ্য করতে পারবেন। রাতে ঘুমাতে পারবেন। ততটুকু লোন নিন। যতটুকু আপনি ফেরত দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।

এই যেমন, আমার লোন দেওয়ার ক্ষমতা বড়জোর ২০০০ টাকা। আমি আজ পর্যন্ত যতজনকেই লোন দিয়েছি। অলমোস্ট সবার সাথেই আমার সম্পর্ক খারাপ হয়েছে। কেউ কেউ ব্লক লিস্টে চলে গিয়েছে। কারণ আমি লোনের টাকা ফেরত পাইনি।

ভালো থাকবেন সবাই। প্রতারকদের থেকে নিরাপদ থাকুন। আপনিও ভুক্তভোগী হলে পেটে কথা না রেখে পাবলিক করে দিন।

সবাইকে সতর্ক করতে পোস্টটি শেয়ার দিন।

- অন্তর মাশউদ

15/10/2025

বিখ্যাত ’টেলিগ্রাম’ এ্যাপের উদ্যোক্তা, রাশান টেক বিলিওনিয়ার পাভেল দুরভ ৫ দিন আগে বিশ্বকে যে বার্তা দিয়েছে, তাতে অসংখ্য মানুষ আতঁকে উঠেছে!

পৃথিবীতে খুবই কম, মানে একেবারে হাতে গোনা দুয়েকজন টেক অন্ট্রাপিনিওর আছেন, যারা নিজেরা টেক বিশ্বের কিছু অংশ লিড দেয়া সত্ত্বেও টেকনোলজির ক্ষতিকর দিকটা নিয়ে এবং টেকসই প্রযুক্তি (সাসটেইনেবল টেক) বিষয়ে গনসচেতনতা তৈরী করতে নিরলসভাবে, স্বার্থহীনভাবে এবং আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বছরের পর বছর ধরে।

পাভেল ডুরভ তাদের একজন। আর এই কারণেই তাকে আমি বিশেষভাবে পছন্দ করি।

সে দুবাইতে থাকেন, তাকে বলা হয় দুবাইয়ের সর্বকনিষ্ঠ অথচ সবচাইতে ধনী টেক বিলিওনিয়ার, বর্তমানে প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের মালিক সে! যার প্রায় পুরোটাই আসে টেলিগ্রাম থেকে।

যারা চেনেন নাঃ টেলিগ্রাম হচ্ছে হোয়াটসএপের মতোই ফ্রি ম্যাসেজিং এ্যাপ, যার মাসিক একটিভ ইউজার ১ বিলিয়ন+! মানে বুঝতেই পারছেন, হোয়াটসএপ বা মেসেনজারের ডিরেক্ট প্রতিদ্বন্ধী হচ্ছে টেলিগ্রাম।

তাহলে প্রশ্ন করতে পারেন, হোয়াটসএপ ইউজ না করে লোকে টেলিগ্রাম ইউজ করে কেন?

কারণ টেলিগ্রামের একটা শক্ত ইউএসপি শুরু থেকেই ছিলো! সেটা হলো, এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন, যে প্রযুক্তি তারা মেসেনজার বা হোয়াটসএপেরও বহু আগে থেকেই ইউজ করতো! অর্থাৎ, টেলিগ্রাম নিজেও টেলিগ্রাম ইউজারদের কনভারসেশনে একসেস করতে পারেনা।

আমার এক পালেসতেনী ফ্রেন্ড ছিলো, ও শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ইউজ করতো। মেটার কোনো প্রডাক্ট ও ইউজ করতে পারতো না, কারণ ওকে নাকি বনীস্রাইলেরা এইসব এ্যাপের মাধ্যমে রেগুলার ট্র্যাক করতো।

এমনকি টেলিগ্রামে অটোমেটিক মেসেজ ডিলিট করার অপশনও আছে! তো এসব প্রাইভেসি ফিচারের জন্যই মূলতঃ এর আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তা!

টেকনোলজি ও সোশ্যাল মিডিয়ার জগতে আমেরিকার একচ্ছত্র আধিপত্য ও মাস্তানি বন্ধ করার জন্য আমি ব্যাক্তিগতভাবে মনে করি চাইনিজ বাইটড্যান্স আর রাশান টেলিগ্রামের উচিত জোট বেঁধে সাসটেইনেবল টেক প্রডাক্ট তৈরী করা, যেগুলো মানুষের প্রাইভেসি ও হিউম্যান রাইটসকে বিশেষভাবে রেসপেক্ট করবে।

শুনেছি মেটা, গুগল, মাইক্রোসফট অসংখ্যবার ট্রাই করেছে টেলিগ্রামকে টেক ওভার করার জন্য, (যেমনটা তারা টিকটকের ক্ষেত্রেও করেছিলো), পারেনি।

পাভেল দুরভের অনেক পডকাষ্ট ও ইন্টারভিউ নেটে আছে, যারা আগ্রহী তারা ঘেঁটে দেখতে পারেন। খুবই ইন্টারেস্টিং এবং অনেষ্ট একটা ক্যারেকটার। কিছুদিন আগে সে একটা পডকাষ্টে বলেছে সে গত ২০ বছরে কোন নেশা জাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করে নাই। নো স্মোকিং, নো এলকোহল! (তাদের মতো বিলিওনিয়ারদের জন্য এইটা প্রায় অসম্ভব একটা কাজ!) এমনকি সে স্মার্টফোনও খুব দরকার না পড়লে ব্যবহার করে না।

এত কথা বিতং করে বলার উদ্দেশ্য হলো, ৫ দিন আগে পাভেলের জন্মদিন ছিলো। সে প্রতি জন্মদিনে তার টেলিগ্রাম চ্যানেলে খুবই গভীর কিছু বার্তা লিখে। তার চ্যানেলের ফলোয়ার আছে ১ কোটি ৭ লাখের উপরে!

তো এই বছর পাভেল তার ৪১ তম জন্মদিনে যে বার্তাটি তার চ্যানেলে লিখেছে, সেটা যদি আপনি সত্যিকার অর্থে বুঝতে পারেন, আপনার মেরুদন্ডের শিরদাড়াঁ দিয়ে একটা ঠান্ডা স্রোত বয়ে যাবে। আমারো গেছে। আমি সেটার ছবি কমেন্টে দিলাম।

শেষ করছি পাভেলের ঐ বার্তার শেষ কথাটুকু দিয়ে।

"No, I am not going to celebrate my birthday today. Because I am running out of time. We all are quickly running out of time!"

একটি কোম্পানিতে ছিল এক পরিশ্রমী পিঁপড়া।প্রতিদিন সকাল ৯টায় সে অফিসে আসত।কারও সঙ্গে গল্পে সময় নষ্ট না করে, চুপচাপ কাজে লেগ...
15/10/2025

একটি কোম্পানিতে ছিল এক পরিশ্রমী পিঁপড়া।
প্রতিদিন সকাল ৯টায় সে অফিসে আসত।
কারও সঙ্গে গল্পে সময় নষ্ট না করে, চুপচাপ কাজে লেগে যেত।
তার কাজের মান ও পরিমাণ—দু’টোই ছিল অসাধারণ।
কোম্পানির উৎপাদন বেড়ে যেত তার পরিশ্রমে, আর সে নিজেও সুখে-আনন্দে কাজ করত।

অফিসের সিইও সিংহ একদিন অবাক হয়ে ভাবল,
“এই পিঁপড়াটা তো কোনো সুপারভিশন ছাড়াই এত কাজ করছে!
তাহলে যদি ওর ওপর একজন সুপারভাইজার দেওয়া হয়,
তাহলে উৎপাদন তো আরও বাড়বে!”

তাই সিংহ পিঁপড়ার সুপারভাইজার হিসেবে একটি তেলাপোকাকে নিয়োগ দিল।
তেলাপোকাটির বহু বছরের অভিজ্ঞতা ছিল এবং রিপোর্ট লেখায় সে দারুণ দক্ষ।

তেলাপোকা অফিসে এসেই বলল,
“এই অফিসে তো কোনো উপস্থিতি রেজিস্টারই নেই!
একটা অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম জরুরি।”
কিছুদিনের মধ্যেই সে বুঝল,
রিপোর্ট তৈরিতে তার একজন সেক্রেটারি দরকার।
তাই সে একটি মাকড়সাকে নিয়োগ দিল,
যে ফোনকল মনিটর করবে, ফাইল সাজাবে, এবং নথিপত্র গুছিয়ে রাখবে।

এদিকে সিংহ বেশ খুশি—
তেলাপোকা প্রতিদিন গ্রাফ, রিপোর্ট আর বিশ্লেষণসহ
অফিসের উৎপাদন নিয়ে আপডেট দিচ্ছে।
সিংহও এসব রিপোর্ট বোর্ড মিটিংয়ে দেখিয়ে বাহবা পাচ্ছে।

কিন্তু কিছুদিন পর তেলাপোকার দরকার হলো
একটা কম্পিউটার, প্রিন্টার, আর আইটি ডিপার্টমেন্ট।
তাই সে মাছিকে আইটি অফিসার হিসেবে নিয়োগ দিল।

এখন পিঁপড়ার জীবন পুরো বদলে গেল।
যে পিঁপড়া আগে আনন্দে গান গাইতে গাইতে কাজ করত,
এখন তাকে সারাক্ষণ ফর্ম পূরণ, রিপোর্ট লেখা,
আর মিটিংয়ে হাজিরা দিতে হয়।
ফলে কাজের সময় কমে গেল, উৎপাদনও নেমে এল।

সিংহ বুঝল, কিছু একটা সমস্যা হচ্ছে।
তাই সে সিদ্ধান্ত নিল, পিঁপড়ার বিভাগকে আলাদা ডিপার্টমেন্ট বানিয়ে
একজন ডিপার্টমেন্ট হেড নিয়োগ দিতে হবে।

এবার প্রধান হিসেবে এলো ঝিঁঝিপোকা।
প্রথম দিনেই সে নিজের জন্য বিলাসবহুল চেয়ার, কার্পেট,
আর সাজানো অফিস অর্ডার দিল।
কিছুদিন পর বলল,
“আমার একটা ব্যক্তিগত সহকারী ও কম্পিউটার দরকার।”
বলেই নিজের আগের অফিসের একজন পুরনো লোককে সহকারী বানাল।

ধীরে ধীরে পিঁপড়ার অফিসের পরিবেশ পাল্টে গেল।
যেখানে আগে হাসি-আনন্দে কাজ হতো,
এখন সেখানে সবাই মুখ গোমড়া করে চুপচাপ কাজ করে।

ঝিঁঝিপোকা সিংহকে বোঝাল,
“কাজের পরিবেশ উন্নয়নের জন্য একটা স্টাডি দরকার।”
সিংহ রাজি হলো এবং বিখ্যাত কনসালট্যান্ট পেঁচাকে নিয়োগ দিল
অফিসের অবস্থা বিশ্লেষণের জন্য।

তিন মাস পর্যবেক্ষণের পর পেঁচা একটি মোটা রিপোর্ট দিল।
তার সারসংক্ষেপ ছিল —
“অফিসে কর্মী প্রয়োজনের তুলনায় বেশি।
উৎপাদন বাড়াতে হলে কর্মী ছাঁটাই করা জরুরি।”

পরের সপ্তাহেই কয়েকজন কর্মী ছাঁটাই করা হলো।
সবচেয়ে প্রথমে বাদ পড়ল সেই পিঁপড়া—
যে একসময় এই অফিসের আসল চালিকাশক্তি ছিল।

পেঁচার রিপোর্টে লেখা ছিল-

“এই কর্মীর মোটিভেশন কমে গেছে,
সে নেতিবাচক আচরণ করছে,
যা অফিসের পরিবেশ নষ্ট করছে।”

পোস্ট কৃতজ্ঞতা: এখনো জানি না, জানলে জানাবেন

29/09/2025
কিভাবে সস্তায় টিকেট কাটবেন?যদি আপনার ট্রাভেল ডেট ফ্লেক্সিবল হয়, তাহলে প্রথমেই google flights (google .com/travel/flights...
21/09/2025

কিভাবে সস্তায় টিকেট কাটবেন?
যদি আপনার ট্রাভেল ডেট ফ্লেক্সিবল হয়, তাহলে প্রথমেই google flights (google .com/travel/flights) এ ঢুকে আপনার origin city টাইপ করে সার্চ করবেন। এক্ষেত্রে destination খালি রাখবেন এবং ট্রাভেল ডেট খালি রাখবেন! এরপর সুবিধামত গন্তব্য সহ আশেপাশের এয়ারপোর্টের ফেয়ার দেখতে পাবেন! আপনি চাইলে স্পেসিফিক মাসও সিলেক্ট করে দিতে পারবেন!

এই সার্চ ইঞ্জিনের সবচেয়ে ভালো দিক হচ্ছে, এখানে অনেক আইটেনারি এবং এয়ারলাইন্স আসে যা অনেক সময় অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে আসে না!

এর সাথে আবার price history এবং price tracking alert অপশনও আছে! আপনি একটু দুরের ডেটের ফ্লাইটে alert on করে রাখলে প্রাইস চেঞ্জ হলে মেইল পাবেন! স্পেশালি মধ্যরাতের আশে পাশে প্রায়ই ফ্লাইটের দাম হটাৎ কমে আসে - সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারবেন!
আপনার সেকেন্ড বেস্ট ফ্রেন্ড হচ্ছে kiwi (kiwi .com). এর এপ, ওয়েবসাইট দুইটাই আছে!

এটার বিশেষত্ব হচ্ছে এটাতে স্পেসিফিক ডেটরেঞ্জ সিলেক্ট করে দেয়া যায়, যা অন্য সাইটে পাই নি! এমনকি আপনি কোন ডেট না দিলেও চলে - সেক্ষেত্রে লোয়েস্ট ফেয়ার খুজে দিবে!

আপনি চাইলে উল্লেখ করে দিতে পারবেন আনুমানিক কতদিনের ট্যুর - সে অনুযায়ী আপনাকে রিটার্ন ফ্লাইট খুজে দিবে!

এখানে একই সাথে মাল্টিপল ডেস্টিনেশন এয়ারপোর্ট সিলেক্ট করা যায়!

ধরুন, আপনি ঢাকা থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাবেন ক্রিসমাসের আশে পাশে সময়ে! ফিরবেন হয়ত ১২-১৩ দিন পরে! এপে আপনি abu dhabi, dubai, sharjah একসাথে সিলেক্ট করে দিবেন! ফ্লাইট ডেট এর একটা রেঞ্জ দিয়ে দিবেন (২২-২৮) আর অবস্থানকাল (১২-১৩ দিন) উল্লেখ করে দিবেন! আপনাকে সবগুলি এয়ারপোর্ট মিলে চিপেস্ট অপশনগুলি দেখাবে!

প্রসংগত উল্লেখ্য যে kiwi তে দাম কিছুটা বেশি থাকে তবে সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে অতুলনীয়!
এখন উপরের দুই সাইট থেকে আপনার পছন্দের ফ্লাইট আইটেনারি খুজে পেলে, এবার বুকিং এর পালা!

প্রথমেই চেক করবেন লোকাল ওয়েবসাইট গুলিতে (sharetrip, gozayyan, firsttrip) - এগুলিতে বিভিন্ন ব্যাংকের কার্ডে ডিস্কাউন্ট থাকে!

এরপর চলে যাবেন trip .com এ! এখানে সেম ফ্লাইটটা চেক করবেন! প্রায়ই দেখা যায় লোকাল সাইটের চেয়ে এখানে কমে পাওয়া যায়!

trip .com এর স্পেশাল সুবিধা হচ্ছে এখানে ৩০০ ডলার+ পে করা খুব সহজ! এদের সাইটে গিফট কার্ড পাওয়া যায়! আপনি যেকেওন এমাউন্টের গিফট কার্ড কিনতে পারবেন! বুকিং ৩০০ ডলারের বেশি হলে কয়েকটি গিফট কার্ড কিনে তা দিয়ে বুকিং এর পেমেন্ট করতে পারবেন!

trip এর একটা অসাধারণ দিক হচ্ছে আপনি এখানে একই টিকেটের মাল্টিপল পলিসি পাবেন (ব্যাগেজ, ক্যান্সেলেশন ইত্যাদি)।

রিসেন্টলি আমার নিজের জন্য china southern এ রিটার্ন টিকেট কাটতে গিয়ে দেখি sharetrip এ non-refundable টিকেট প্রায় ৪৫কে আর trip এ refundable, free change টিকেট ৪৭কে! এই সুবিধাটা দেশি সাইটে নাই বললেই চলে! gozayyan সম্প্রতি কিছুটা এনেছে এই ফিচার কিন্ত পুরোপুরি নয়!

**Trip, kiwi এগুলি টিকেট কাটার সময় অবশ্যি চেক করে নিবেন transit কোথায়? transfer policy কি? skiplagged (hidden city) ফ্লাইট কিনা?

কারণ এধরণের টিকেট এর ক্ষেত্রে ভিসা জটিলতা দেখা দিতে পারে! আরেকদিন ভিন্ন পোস্টে এই ট্রিক্সগুলি শেয়ার করব!

আশা করি, এখন থেকে নিজে নিজেই সকল বুকিং করতে পারবেন কারো সহযোগীতা ছাড়াই! নিজের সব কিছু নিজে করা huge self-empowering.

তো এখন তো মাছ ধরাই শিখিয়ে দিলাম, আশা করি আর মাছ কিনে খেতে হবে না!

**এটাই হওয়া উচিত একটি নাভিরজ্জুর আসল চেহারা।**সাদা। নরম। স্বচ্ছ।কারণ এর কাজ শেষ।নাভিরজ্জুর রক্তের শেষ বিন্দুটিও শিশুর শ...
28/07/2025

**এটাই হওয়া উচিত একটি নাভিরজ্জুর আসল চেহারা।**

সাদা। নরম। স্বচ্ছ।
কারণ এর কাজ শেষ।
নাভিরজ্জুর রক্তের শেষ বিন্দুটিও শিশুর শরীরে পৌঁছে গেছে — যেমনটা প্রকৃতির পরিকল্পনা ছিল।

**কিন্তু সাধারণত তা হয় না।**

বেশিরভাগ হাসপাতালে নাভিরজ্জু জন্মের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই চেপে কেটে ফেলা হয়।
শিশু কাঁদে, টিম দ্রুত কাজ করে, আর বাবা-মাকে বলা হয়, "এটাই রুটিন।"
কেউ থেমে প্রশ্ন করে না...
**ওই নাভিরজ্জুতে কী ছিল?
আর সেটা কোথায় গেল?**

**চলুন একটু বিশ্লেষণ করি:**

নাভির রক্ত অতিরিক্ত কিছু নয়।
এটি বোঝাই থাকে:

🩸 আপনার শিশুর মোট রক্তের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত
🧠 মস্তিষ্ক সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন
🛡️ সংক্রমণ প্রতিরোধে রোগপ্রতিরোধক কোষ
💪 রক্তাল্পতা প্রতিরোধে লৌহ
💉 কলা, অঙ্গ এবং রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা গঠনে স্টেম সেল

**এটা কোনো আবর্জনা নয়।
এটা এক ধরনের জৈবিক ধনভাণ্ডার।**

তাহলে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন…
**কেন এত তাড়াতাড়ি এটি কাটা হয়?
কেন আমাদের বলা হয় জন্মের পর এই রজ্জুটির আর কোনো মূল্য নেই — যখন শিশু এখনো পুরোপুরি তার প্রাপ্যটা পায়নি?**

এবং সত্যটা আরও গভীর:

💰 এই নাভির রক্ত বাজারে হাজার হাজার টাকার মূল্যবান
💰 প্ল্যাসেন্টা বিক্রি হয় স্টেম সেল গবেষণা, ভ্যাকসিন তৈরি, ত্বকের যত্ন, প্রসাধনী এবং বড় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির জন্য
💰 পুরো বায়োটেক শিল্প গড়ে উঠেছে এই মিথ্যার উপর যে আপনার শিশুর "বর্জ্য" নাকি অপ্রয়োজনীয়

**কিন্তু বাবা-মা?**
তারা থাকে অন্ধকারে।

তাদের বলা হয়, "কোনো ব্যাপার না।"
বলা হয়, "ফেলে দেওয়া হয়।"
আর পর্দার আড়ালে কেউ একজন সেই রক্ত থেকে লাভবান হয়।

**এই ব্যবস্থা নষ্ট নয়।
এটি এমনভাবেই গড়ে তোলা হয়েছে।**

**কিন্তু এই ছবিটি দেখায় কী হয়, যখন আপনি ‘না’ বলেন।
যখন আপনি অপেক্ষা করেন।
যখন জন্ম হতে দেন প্রকৃতির নিয়মে।
যখন শিশু পায় তার পূর্ণ রক্ত। তার সুরক্ষা। তার শক্তি।**

**এই ধরনের ছবি অনেককে অস্বস্তিতে ফেলে —
কারণ এটা তুলে ধরে এমন কিছু, যা বেশিরভাগ মানুষ কখনো প্রশ্নই করেনি।**

**কিন্তু একবার আপনি এটা দেখে ফেললে…
আর না দেখার ভান করতে পারবেন না।**

**দেখুন। বুঝুন। জাগুন।**

---
সংগৃহীত গুগল

Address

Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kintemoja.com - কিনতেমজা ডটকম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kintemoja.com - কিনতেমজা ডটকম:

Share