Adv. Ismat Shilpi

Adv. Ismat Shilpi কনসাল্টেন্ট - ট্যাক্স ও কোম্পানি। সম্পাদক, নান্দিক। কবি প্রাবন্ধিক। মানবিক সামাজ চিন্তক

🟥 হঠাৎ করে বেশকিছু পণ্যের ভ্যাট অব্যাহতির ঘোষণা দিয়েছে এনবিআর!✅ সরিষার তেল, রেপসিড ওয়েল, কোলজা সিড ওয়েল, কেনোলা ওয়েল...
03/03/2025

🟥 হঠাৎ করে বেশকিছু পণ্যের ভ্যাট অব্যাহতির ঘোষণা দিয়েছে এনবিআর!
✅ সরিষার তেল, রেপসিড ওয়েল, কোলজা সিড ওয়েল, কেনোলা ওয়েল এর উৎপাদন পর্যায়ে।
🔶 দেশে উৎপাদিত নিন্মোক্ত পণ্যের ব্যবসায়ী পর্যায়ে:-
👉 ডাল বা ডাল জাতীয় খাদ্যশষ্য।
👉 গুড়া মরিচ, ধনিয়া, হলুদ, আদা বা এই সকল মশলার মিশ্রণ।
👉 আটা, ময়দা, সুজি।
👉সানফ্লাওয়ার, সিড ওয়েল।
👉রেপসিড ওয়েল, কোলজা সিড ওয়েল, কেনোলা ওয়েল।
👉 চালের কুড়ার তেল।
👉 বিস্কুট, লবন
🔶 এলপি গ্যাস ও প্রাকৃতিক গ্যাস বিক্রির ব্যবসায়ী পর্যায়ে (শর্ত সাপেক্ষে)।

⚠️বি. দ্র: উপরোক্ত পণ্যের উৎপাদনকারী/ ব্যবসায়ীকে ভ্যাট আইনের সকল প্রকার বিধি বিধান যেমন: ভ্যাট রেজি; মূসক চালান ইস্যু, সকল প্রকার রেজিস্ট্রার সংরক্ষণ, মাসিক ভ্যাট রিটার্ন দাখিল ইত্যাদি করতে হবে অন্যথায় রেগুলার ভ্যাট রেট আরোপিত হবে।

ট্যাক্স ও ভ্যাট বিষয়ে যেকোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন
Human Legal Support বা এই পেইজে সরাসরি
ধন্যবাদ।

বই তো তাই, যা মানুষকে নতুন একটি জায়গা দেয়। বিচরণের, ভাবনার। সৃষ্টির। আনন্দের
30/11/2024

বই তো তাই, যা মানুষকে নতুন একটি জায়গা দেয়। বিচরণের, ভাবনার। সৃষ্টির। আনন্দের

রোদের চেকনাই ফুরিয়ে যায় জলহীনতায় এসেছে শীতকাল, অসম কুয়াশায় হেমন্ত এসে ফিরে যায় কোনোখানে আমি নাই...
20/11/2024

রোদের চেকনাই ফুরিয়ে যায়
জলহীনতায়
এসেছে শীতকাল, অসম কুয়াশায়
হেমন্ত এসে ফিরে যায়

কোনোখানে আমি নাই...

ভয় না, আগ্রহী হোন
20/11/2024

ভয় না, আগ্রহী হোন

১৯৮৩ সালে সামরিক অধ্যাদেশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সব সময়ই কর অব্যাহতি সুবিধা পেয়ে আসছে গ্রামীণ ব্যাংক।প্রতিষ্ঠালগ্ন...
12/10/2024

১৯৮৩ সালে সামরিক অধ্যাদেশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সব সময়ই কর অব্যাহতি সুবিধা পেয়ে আসছে গ্রামীণ ব্যাংক।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দীর্ঘ ২৮ বছর গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, যিনি এখন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে আলাদা গেজেট প্রকাশ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

যে যেভাবে নেন আর কি----

জননী মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ও উপন্যাস। এটি লেখকের প্রথম উপন্যাস যা কোনো পত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি,...
09/10/2024

জননী মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ও উপন্যাস। এটি লেখকের প্রথম উপন্যাস যা কোনো পত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি, গ্রন্থাকারেই প্রথম মুদ্রিত হয়।

জননী একজন মায়ের জীবনকথা। সূচনা থেকে পূর্ণতা পর্যন্ত। কাহিনীর শুরুতে আমরা কিংকর্তব্যবিমূঢ় এক জননীর সাথে পরিচিত হই, তার নাম শ্যামা। তাকে আমাদের অসহায় মনে হয়, কারণ তার স্বামীটিকে ভরসা করার মত লোক মনে হয় না, যার মাথার নাট-বল্টু ঢিলা।
অনেক উত্থান-পতন পেরিয়ে শ্যামা তার সন্তানদের জীবন গড়ে, স্বামীকে মমতা দিয়ে ধরে রাখে।

শ্যামা নিজেই বলে, সে আছে বলেই এই সংসার টিকে আছে, না থাকলে ভেসে যেত। "আমার জন্যই সংসারটা টিকে আছে" কথাটা প্রায় সব বাঙালি গৃহিণীকেই বলতে শোনা যায়। তবে কথাটা সর্বক্ষেত্রে চাপাবাজি নয়, অনেকের ক্ষেত্রেই সঠিক (মিলেনিয়ালদের ক্ষেত্রে আমার মন্তব্য প্রযোজ্য নয়, একুশ শতকে বাঙালি পরিবারে নারী-পুরুষের ভূমিকায় অনেক পরিবর্তন এসেছে)। যত ত্যাগ শিকার করে শ্যামার মত গৃহিণীরা একটা পরিবার আগলে রাখেন, সেটা বিস্ময়কর। তাই শ্যামার জীবনকাহিনী বিংশ শতাব্দীর সকল ত্যাগী বাঙালি জননীর জীবনকাহিনীর প্রতীক, "জননী" বাংলার মায়েদের কিংবদন্তীর কথা।

উপন্যাসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শ্যামার উপরেই ফোকাস রেখেছেন মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্যামার স্বামী, সন্তান, অন্যান্য আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশীদেরকে তিনি দেখিয়েছেন শ্যামার দৃষ্টিকোণ থেকে। পরিস্থিতির সাথে সঙ্গতি রেখে শ্যামা চরিত্রের কত রকমের দিক আমরা পাঠক হিসেবে আবিষ্কার করি। মমতাময়ী মা, রক্ষাকারী গৃহিনী, ত্যাগী স্ত্রী, কখনও অকৃতজ্ঞ, কখনও স্বার্থপর নারী, কখনও কর্কশ, কখনও কোমলহৃদয়, কখনও কুসংস্কারগ্রস্ত, কখনও ঈর্ষাকাতর,..., শ্যামা চরিত্রের কত রকমের শেড মানিক ফুটিয়ে তুলেছেন তাঁর লেখনীতে। মানুষের জটিল সাইকোলজি, যখন-তখন পালটে যাওয়া মেজাজ সবকিছু নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি।
"জননী"কে একটা লাইফ সাইজ রিয়ালিস্টিক পেইন্টিংয়ের সাথে তুলনা করা যায়, যেখানে শ্যামাকে কেন্দ্রভাগে রেখে বাকিরাও যথাযথ গুরুত্ব নিয়ে অবস্থান করছে। তবে রিয়েলিস্টিক পেইন্টিং অনেক শিল্পীই করতে পারেন, কিন্তু উপন্যাসে বাস্তবতা ধরে রেখে এমন মহান জীবনকাহিনী রচনা করতে পারেন কয়জন? মানিক পারেন, তিনি বিস্ময়কর।
‘জগতে কারও স্নেহে যে কারও দাবি জন্মে না এটা সে জানিত না।’ কী নির্মম সত্য। আর কত কম কথায় বলে ফেলা! ‘মানুষের জীবনে অভাবের পূরণ আছে ক্ষতির পূরণ নাই’ এই কথাটা কি ভয়ানক। সত্যি তো, একবার ক্ষতি হলে কিছু দিয়েই কি তা ফেরানো সম্ভব? না তো!

শ্যামার মতো অস্নেহে, অপরিচর্যায় সারাজীবন খেটে যাওয়া কতজনকে আমরা জানি? নেহাত কম মানুষ নয়। কিন্তু তাদেরও যে গল্প আছে, তাদেরও যে কথা আছে সেটা কী ভেবেছি? হয়তো। তবে খুব কম সময়ের জন্য। মা শুধু মা বলে তার কোনো ত্রুটিকে তুচ্ছ জ্ঞান না করার বিষয়টি আমার কাছে জননীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ মনে হলো। যদিও উপন্যাসের নাম জননী, একজন মানুষ হিসেবে শ্যামার সবটাই যেভাবে দেখতে পাই, সে-ই সবচে��়ে অসাধারণ।
আপাতত আর কিছু বলার নেই। এতদিন পড়িনি বলে এখন ভালো লাগছে, এমন অদ্ভুত সুন্দর ট্রেজার তোলা ছিল!
খুব ভালো লাগা কথা : “মানুষের আশা এমন ভঙ্গুর নয় যে একবার ঘা খাইলে চিরদিনের জন্য ভাঙিয়া পড়িবে। তবু আশাতেই আশঙ্কা বাড়ে।”
"......সুবর্ণকে শ্যামা যেন বুকের মধ্যে লুকাইয়া রাখিয়া একটা দিনের প্রতীক্ষা করিতে লাগিল, কোথায় গেল ক্ষুদ্র বিদ্বেষ, তুচ্ছ শত্রুতা! সুব��্ণের জীবন লইয়া শ্যামা যেন বাঁচিয়া রহিল। তারপর এক চৈত্র নিশায় এ বাড়ির যে ঘরে শ্যামা একদিন বিধানকে প্রসব করিয়াছিল সে ঘরে সুবর্ণ অচৈতন্য হইয়া গেল, ঘরে রহিল কাঠ কয়লা পুড়িবার গন্ধ, দেয়ালে রহিল শায়িত মানুষের ছায়া, জানালার অল্প একটু ফাঁক দিয়া আকাশের কয়েকটা তারা দেখা গেল আর শ্যামার কোলে স্পন্দিত হতে লাগিল জীবন।"

জন্ম কি শুধুই সন্তানের হয়, নাকি প্রতিটা সন্তানের জন্মের সাথে সাথে জন্ম নেন একজন-দুজন, তিনজন বা আরো বেশি মা? মাতৃত্ব কী শুধুই সন্তানের জন্মের সাথেই জন্ম নেয়, নাকি একটা ক্ষীণ সন্দেহ, ছোটো একটা আশাই জন্ম দেয় মাতৃত্বের? জননী শব্দটা এমনিতেই ভারী। কিন্তু এর ভার কী জননীর অর্থের চেয়েও বেশি?

এই গল্পটা শ্যামার। সন্তানহীন বিপত্নীক শীতলের দ্বিতীয় স্ত্রী শ্যামা। সে নিজেও সন্তানহীন ছিল বিয়ের পরের সাত বছর। তারপর এক সন্তান সে পেল। কিন্তু সেই সন্তান মাত্র বারো দিনের ভ্রমণ শেষে পৃথিবীকে ছেড়ে গেল। এরপর আবারো অপেক্ষা। সেই অপেক্ষার পালা ঘুচিয়ে একদিন এলো বিধান, আর তার পরে আরো কয়েকজন। বধূ শ্যামার তখন জননী শ্যামা।

গল্পটা শেষ হয়নি এখানেও। ফুল ফোটানোতেই কী গাছের কাজ শেষ? সেই ফুল একদিন ফলে পরিণত হবে, তবেই না গাছ তার দায়িত্ব শেষ করে নতুন প্রাণের আহ্বানে স্বীয় সন্তানকে মাটির হাতে সমর্পণ করে? গল্পটাও এগিয়ে গেছে। সন্তানদের বড় করা, তাদের পূর্ণ করার লক্ষ্যে শ্যামার লড়াইয়ের গল্প এটা।

মানিকের লেখনী নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। মানিক যে শুধু নামেই না, কাজেও মানিক ছিলেন তার আরেক প্রমাণ এই বই। মানিকের অন্যান্য লেখার মতই অসাধারণ মনোবিশ্লেষণ আর বাস্তবতা এই লেখাতেও উপস্থিত। এর আগে শওকত ওসমানের জননী পড়েও মুগ্ধ হয়েছিলাম। কিন্তু গ্রামীণ পটভূমিকায় লেখা সেই উপন্যাসকে কিছুতেই নিজের অভিজ্ঞতা ফিয়ে ব্যাখ্যা করতে পারছিলাম না। শহুরে পটভূমিতে লেখা এই উপন্যাস আমার দৈনন্দিন ছোটোখাটো সব অভিজ্ঞতাকেও ধরতে পেরেছে। ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে আমার ভালো লাগার মাত্রাটা এই কারণেই বেড়েছে বহুগুণে।

সব মিলিয়ে আমার কাছে মনে হয়েছে ভালো বই, ভালো লাগার মত বই। পড়ে ফেলতে পারেন।
নোট :
মানিক বন্দোপাধ্যায়ের একদম শুরুর দিকের উপন্যাস এটি। পরের দিকে মানিক তাঁর উদ্ভাবিত নিজস্ব স্টাইলে মানুষের মনের দূরতম অন্দরমহলে গভীর সার্চলাইট ফেলে পর্যবেক্ষণ করতেন, কিংবা প্রচলিত বাংলা উপন্যাসের গঠন থেকে সরে এসে নিজের লেখাতে নিরীক্ষা আর নতুনত্ব নিয়ে আসতেন ; কিন্তু এই উপন্যাসে সেই ট্রেডমার্ক মানিক কিছুটা অনুপস্থিত। তবু একটা দিক দিয়ে এই উপন্যাস আমাকে ভাবিয়েছে, তা হলো মানিকের তীব্র তীক্ষ্ণ রিয়েলিজম।

জননী মানেই তো নিঃস্বার্থ, দরদী, ভালোবাসার অপার আশ্রয়— পৃথিবীর সব মা যেমন হয়ে থাকেন— সাহিত্যে! মানিক এইসব চিরাচরিত রোমান্টিসিজমকে নি��ের সাহিত্যজীবনের শুরু থেকেই এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। 'জননী' উপন্যাসের শ্যামা নামের মুখ্য চরিত্রটি দোষে-গুণে, ক্রোধে-কান্নায়, লাজে-ভয়ে, স্বার্থপরতায়-স্বার্থহীনতায়, আহ্লাদে এবং অভিসম্পাতে, বুদ্ধি এবং নির্বুদ্ধিতায়, চালাকি এবং চতুরতায়, শোকে এবং সাবধানতায়— সব দিক দিয়ে একজন রক্তমাংসের জ্যান্ত মানুষ। নিছক সস্তা বাঙালি সেন্টিমেন্টের ধার ধারেননি মানিক। জীবনের শুরুতেই ঘোষণা করেছেন : আমি এসে গেছি পাঠক, আপনি মানসিকভাবে প্রস্তুত তো?

আধুনিক "ফুলের ঘায়ে মূর্ছা যাওয়া" পাঠকদের কাছে ত্রিশের দশকে রচিত এই উপন্যাসের অনেক কিছুই আপত্তিকর মনে হবে। রমণীর অচ্ছেদ্য পতিপ্রেম (তা হোক-না সেই পতিদেব একজন মার্কামারা অপদার্থ এবং শারীরিক অত্যাচারকারী), কিংবা ভাগ্যের হাতে মেয়েদের অসহায় আত্মসমর্পণ, কিংবা সংস্কারে আচ্ছন্ন মানুষের হৃদয়— এইসব দেখে অনেকে ভয়ানক অপমানিত বোধ করতে পারেন। কিন্তু সমাজ তো তখন এমনই ছিল (এখনও যেন কতো শুধরেছে!)। লেখকের কাজ "আদর্শ সমাজ"-এর রূপরেখা ফুটিয়ে তোলা নয়, সমাজে ঠিক যেমনটা দেখা যায় তেমনটা পাঠকের সামনে তুলে ধরা— উপন্যাসটি পড়ার সময় এটা ভুলে গেলে চলবে না। আমি মাঝেমাঝে ভুলে গিয়ে ভীষণ অপমানিত বোধ করছিলুম, তারপর আবার নিজেকে বোঝাচ্ছিলুম, চিল ব্রো, এটাই তো স্বাভাবিক চিত্র।

বহু বছর আগে পড়েছিলাম এই উপন্যাসটা। সেই অল্প বয়েসে কী যে বুঝেছিলাম কিছুই মনে নেই। এবার আবার পড়তে গিয়ে মানিক বন্দোপাধ্যায়ের অসামান্য চরিত্র-বিশ্লেষণ দেখে অবাক হলাম। কেমন অন্ধকার গোপন গহীন ফাঁকফোকরে পোকামাকড়ের সূক্ষ্ম নড়াচড়াও খুঁটিয়ে দেখবার নজর ছিল তাঁর! মানুষের মনের পোকামাকড়।

স্বতই বিমর্ষ হয়ে ভদ্রসাধারণ
চেয়ে দ্যাখে তবু সেই বিষাদের চেয়ে
আরও বেশি কালো-কালো ছায়া
লঙ্গরখানার অন্ন খেয়ে
মধ্যবিত্ত মানুষের বেদনার নিরাশার হিসাব ডিঙিয়ে
নর্দমার থেকে শূন্য ওভারব্রিজে উঠে
নর্দমায় নেমে—
ফুটপাথ থেকে দূর নিরুত্তর ফুটপাথে গিয়ে
নক্ষত্রের জ্যোৎস্নায় ঘুমাতে বা মরে যেতে জানে।
এরা সব এই পথে
ওরা সব ওই পথে— তবু
মধ্যবিত্তমদির জগতে
আমরা বেদনাহীন— অন্তহীন বেদনার পথে।

িল্পী

৯ অক্টোবর ২০২৪

27/08/2024
শুধু বিয়োগ নয়, যোগ দিয়েও ভাবা উচিৎ। তাহলে অনেক কিছুই সহজ হয়ে যায়। িল্পী
26/08/2024

শুধু বিয়োগ নয়, যোগ দিয়েও ভাবা উচিৎ। তাহলে অনেক কিছুই সহজ হয়ে যায়।

িল্পী

12/08/2024

যে ছাত্ররা রাস্তা সাফ করতে পারে, ট্রাফিক কন্ট্রোল করতে পারে, তারা কি করে বিবিসির কর্মকর্তাদের সামনে চেয়ারে বসে বসে উপস্থিতি নিলো! আর তরুণ উপদেষ্টার সামনে উনারা দাঁড়িয়ে নাম বলে পরিচয় দিচ্ছেন। বড় দৃষ্টিকটু। রাতারাতি ছাত্রদের মানসিকতা পাল্টে গেলো নাকি?

সুন্দর একটি দেশ/ক্ষমতা - আসলে কি চায়?

সাহিত্যের বাজার এখন ফেসবুকেই—হাজার বুদ্ধিজীবী, বিরাট বিরাট প্রতিভা, মহৎ লোকজন, প্রাণ ও প্রকৃতি উদ্ধারকারীর দল, সমাজকর্মী...
01/07/2024

সাহিত্যের বাজার এখন ফেসবুকেই—

হাজার বুদ্ধিজীবী, বিরাট বিরাট প্রতিভা, মহৎ লোকজন, প্রাণ ও প্রকৃতি উদ্ধারকারীর দল, সমাজকর্মী, পরামর্শক, তর্কবাগীশ আর ব্যবসাযীদের তুলকালাম কাণ্ডকারখানা।

কিছুদিন রিল্যাক্স করছি; ৩০শে জুন পার হলো, শুরু হলো জুলাই। পেশাগত চাপ শুরু হবে। প্রস্তুতি নিই;

তবে হ্যাঁ অর্থ উপার্জন তো কতভাবেই হয়, সেদিকে সবাই একটু সচেতন থাকুন। এইখানে কোনো বিতণ্ডা চলবে না। আইন কিন্তু জাপটে ধরবে; আজ ফাঁকি দিলেও আগামীতে কড়াই গণ্ডাই হিসেবে আপনাকে টেনে আনবেই।

আপনার ব্যাংক এ্যাকাউন্টও ট্যাক্স কমকর্তা হাতিয়ে দিখেত পারে। ইচ্ছে করলেই যা খুশি তাই আর করা যাবে না।

(আপনাদের উদাসীনতার ফলে আমাদের ট্যাক্স কনসালটেন্টদের কপালে দাগ পড়ে যায়)

নিজের দিকে এবং সময়ের দিকে খেয়ার রাখুন।
শুভ সকাল

১ জুলাই ২০২৪ । সোমবার

আমাদের দেখা হয় না এখন—বিগত বৈশাখে        জৈষ্ঠ্য-আষাঢ়েআলো এবং অন্ধকারে— চলতে চলতে আমাদের দেখাএবং কথা কমতে লাগলো—মেঘের ...
10/06/2024

আমাদের দেখা হয় না এখন—

বিগত বৈশাখে
জৈষ্ঠ্য-আষাঢ়ে
আলো এবং অন্ধকারে—

চলতে চলতে আমাদের দেখা
এবং কথা কমতে লাগলো—
মেঘের গল্প শুনেশুনে
বর্ষা এলো আকাশে—

ক্রমেই কালো রঙ, শাদা!

এক ভোরে নতুনভাবে
আলো আর অন্ধকারকে আবিষ্কার করলাম

জানালার হাওয়ায় দোল খেতে খেতে—
শিস দিলো আলো
কথা বললো নীল পর্দা।

প্রতিদিন শিশুর মতো—
আমাকে ধুতে থাকলাম।

এমনকি, রোদে শুকোতে দিলাম নিজেকে।

টেবিল-চেয়ার বই—
খাতা-কলম
ভীষণ আশ্চর্য্য!

আমি তাদের সাথে কথা বললাম
বললাম-
তোমরা অপেক্ষা করো—
এবং দ্যাখো—

আমাদের নিজের সঙ্গে দেখা হোক—
এই সুনীল বর্ষায়
নীনের গন্ধ থেকে উঠে আসছে সে—

িল্পী
১০ জুন, ২০২৪

মায়া, নাকি বিশ্বাস;সম্পর্কের বেলায় কোনটি প্রধান?আমরা চাই। কি চাই? কার কাছে, কতটুকু? মূখ্য নয়, সময়ের কাছে প্রয়োজন দেখা দি...
28/05/2024

মায়া, নাকি বিশ্বাস;
সম্পর্কের বেলায় কোনটি প্রধান?

আমরা চাই। কি চাই? কার কাছে, কতটুকু? মূখ্য নয়, সময়ের কাছে প্রয়োজন দেখা দিলে নিজের ভেতরেই এই প্রশ্ন জাগতে থাকে?--- চাই, কিন্তু কিভাবে চাই!

শৈশব থেকেই ঝোড়ো মেঘে আমার ভীষণ ভয়। মনে পড়ে, প্রাথমিক স্কুলে দল ধরে হেঁটে- যাওয়া আসা করতাম। ফেরার সময় বিকালের দিকে হঠাৎ মেঘ হলে দুষ্টামি করে সঙ্গের কেউ ভয় দেখাতে- ‘শিল্পী মেঘ আসছে। শিল্পী, ঝড় আসছে; দৌঁড়া।’ খুব নার্ভাস হয়ে যেতাম এরকম সময়ে। আর সবার আগে আগে ছুটতাম; বাড়ি যেতে; ভয়ে উৎকণ্ঠায় বুক শুকিয়ে উঠতো- কখন মায়ের কাছে যাবো! একমাত্র ওখানে গেলেই মনে হয় এই ঝড় মেঘ থেকে রেহাই পাবো। কোনো বিকল্প কখনো ভাবনায় আসেনি।
এখনো, ঘন মেঘ ঝড়ের সময় বুক খালি করা ঝড় আমার বুক থেকে নাভি অব্দি লম্বালম্বি বয়ে চলে। শেষ হয় না। কিছুতেই না। মা নেই; ছুটে যেতে পারি না, কথা বলারও সুযোগ নেই। কেউ নেই!

মা নেই; তাই বলে কি কোথাও কেউ নেই? আছে তো সোম সুদীপ্ত রাত ঘন হলে এটাসেটা, ঘন চা কফি খায়। ওরা খুব খেয়ালী আমার খাওয়া-দাওয়াতে। সুদীপ্ত আমার পুত্র; মায়ার একটি গাছ যেনো। আমি টানটান ছায়ার কাঙ্ক্ষিত আশ্রয়। সব তো প্রকাশ করা যায় না! আর সব প্রকাশ সন্তানের জন্যে সবসময় উপযুক্ত নয়। এখন ওর ওড়বার বয়েস। স্বাধীন চিন্তা ভাবনার আকাশে রোদে বুষ্টিতে, মেঘে ঝড়ে ওড়বার লুটোপুটি ভালোলাগার ঝকঝকে ইচ্ছের বাড়ন্তু সময়ে মায়ার ওজন চাপিয়ে দেওয়া সঠিক মনে হয় না। প্যারেন্টিং আসলে সোজা বিষয় নয়! কখন কী, কিভাবে বলতে হয়- এটিও ভেবে চলার বিষয়। মায়া মমতা সবসময় প্রকাশের না। এর জন্যে পরিবেশ থাকে। ঠিক সেই সময়ে আদরের সাথে জানানোটুকুই প্যারেন্টিং। মায়ার জালে সন্তানকে আটকাতে চাওয়ািউচিত নয়।

আসলেই, ভালোবাসা মায়া-মমতা বিশ্বাস বা আস্থা সব অবস্থায় প্রকাশের নয়। আবার অপ্রকাশের তো নয়ই। ভালোবাসার অনুভব, মমতার কাঙ্ক্ষাগুলো সেই মানষটাকে জানানোরও প্রয়োজন আছে। না জানলে আস্থা জন্মাবে কি করে? এসব তো একপাক্ষিক হয় না। হলেও থাকে না। আমাদের মধ্যে আছে। বরং বেশিই আছে। মায়া মমতার বিশ্বাসের বিজটি উপযুক্ত সময়ে বপন করা সবথেকে বড় ব্যাপার। এর জন্যে অপেক্ষা ধৈর্য
মুক্ত করার সাহস অনেককিছুই থাকতে হয়। নিজেকে একাজের শিক্ষত এক কৃষক হিসেবে স্বীকৃতি না দিয়ে নিজের উপর অন্যায় করা হবে।

আর সবাই অন্যায় অবিচার যা করে করুক, আমি কেন আমার উপরে অবিচার করবো? আমার জীবন, সে-তো আমি না। তাকে নিয়ে যথেচ্চার করবার অন্যায্য অধিকার আমার আদৌ আছে কি?

আমার সবসময়ই এমন মনে হয়। জীবন আর আমি দুটো মিলিত সত্বা কিন্তু আলাদা। মাঝেমাঝে জীবনকে আমার প্রতিপক্ষও মনে হয়; কতকিছু নিলো? কতকিছু কতভাবেই দিতে হলো তাকে। জীবন- সে আমাকে কি দিলো? জীবনের কাছে আমার কোনো ঋণ নেই। বরং সে-ই আমার কাছে ঋণী। অনেককিছু পাবার আছে জীবনের কাছে।

কাল রাথে গলা ধরে আসছিলো বৃষ্টির ছাঁটের মতো বুকের মধ্যে কঠির ছাঁটে বিদীর্ণ হচ্ছিল। ওহ্ কি কঠিন সে অনুভব; কে বুঝবে! কিভাবেই বা বোঝানো যায় ! আব্বাকে মনে পড়ছিলো, কাঁদছি। ডুকরে কান্না বেরোচ্ছে, ঠেকাতে পারছি না। কতরকমভাবে আমি আর সোম চেষ্টা করছিলাম বৃষ্টি উপভোগের। পারি নি। কী এক কঠিন মায়া; কতবার ছুটে চলে গেছি আব্বার কাছে; কিন্তু দেয়ালের এপারে, দেয়া ডিঙিয়ে কিছুতেই আব্বার কাছে পৌঁছতে পার নি। নিরর্থক এসব মায়া কেন যে আসে মানুষের হৃদয়ে। কিইবা দরকার এর! যা অকেজো। অনর্থক। অনর্থ সৃষ্টি করে নষ্ট করে জীবনের মূল্যবান মুহূর্ত; হাসি আনন্দ পরাজিত করে দৃঢ় সেটে থাকে জীবনের সাথে। এ থেকে মুক্ত হওয়া এতো কঠিন!

িল্পী

২৮ মে ২০২৪

Address

Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adv. Ismat Shilpi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Adv. Ismat Shilpi:

Share