Ahsanur Rahman Hasan

Ahsanur Rahman Hasan MD & ceo

28/11/2022

কম ফেয়ারে ওমরা শুধু গ্রুপ লিডারগণ যোগাযোগ করুন
০১৭১২৮৫০৬৫০

10/10/2022

মানবদেহ গবেষণা মেডিকেল সায়েন্স

আমাদের দেহে যে DNA আছে তার মোট দৈর্ঘ্য ২০০০,০০,০০,০০০ কি.মি।
পৃথিবী থেকে সূর্য পর্যন্ত ৫০ বারেরও বেশি আসা যাওয়া করলে যে দূরত্ব অতিক্রান্ত হবে, তার সমান।

আর DNA তে যে ইনফরমেশন আছে তা যদি লিপিবদ্ধ করা হয়, তবে তা হবে ৯০০ খণ্ডের বিশালাকার এনসাইক্লোপিডিয়ার সমান। যেখানে প্রতিটি খণ্ডের পৃষ্টা সংখ্যা হবে ৫০০।

আমাদের দেহে মোট কোষের সংখ্যা হলো ৩৭.২ ট্রিলিয়ন।
সেন্সরি রিসেপ্টর আছে ১১০ মিলিয়ন।
লৌহিত রক্ত কণিকা (RBC) আছে ৩০ ট্রিলিয়ন।
শুধুমাত্র মস্তিষ্কেই নিউরন সংখ্যা ১০০ বিলিয়ন। দেহে মোট ব্লাড ভেসেল আছে ৪২ বিলিয়ন, যা ৯৭,০০০ কি.মি লম্বা।

একটু চিন্তা করুন তো! এক হাত লম্বা একটা হেডফোন অতি যত্ন করে রেখে দিলেও জট পাকিয়ে যায়।
কিন্তু আপনার দেহের ৯৭,০০০ কি.মি ব্লাড ভেসেল কখনোই জট পাকিয়ে যায় নি।
আলহামদুলিল্লাহ

আল্লাহ বলেন -----

"এভাবে আমি আমার নিদর্শনগুলোকে বিশদভাবে বর্ণনা করি ঐ সম্প্রদায়ের জন্যে, যারা চিন্তাভাবনা করে।"
(সূরা ইউনুস, আয়াত : ২৪)

29/09/2022

প্রিয় বন্ধুরা মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর যাব
আপনাদের ভালোবাসা ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
কে কোথায়?

28/09/2022

যিয়ারাহ বা ফ্যামেলি ভিজিট ২ কর্ম দিবস ও কম টাকায় করে থাকি
০১৬৮৫৩১৬৯৯৯

16/09/2022

যে সকল ভাইয়েরা মালয়েশিয়া যাওয়ার চিন্তা-ভাবনা ও প্রসেসিং করতে আগ্রহী সরাসরি যোগাযোগ করুন,
জি.পি ইন্টাঃ আর এল-১২৬
০১৬৮৫৩১৬৯৯৯

নির্বাচন ২০২২ আজ মনোনয়ন জমার দিন,বন্ধুদের দোয়া ও ভালোবাসা চাই।
01/08/2022

নির্বাচন ২০২২ আজ মনোনয়ন জমার দিন,বন্ধুদের দোয়া ও ভালোবাসা চাই।

08/04/2022

(১)

গত বছর রামাদানে আব্বা আর আম্মাকে আলাদা আলাদা কিছু টাকা দিয়েছি। টাকাগুলো দিয়ে তাদের বললাম, 'এই টাকাগুলো কীজন্যে দিয়েছি বলতে পারেন?'

তারা বললেন, 'খরচের জন্যে আর কী!'

- 'তা ঠিক, তবে নিজেদের জন্য এই টাকা খরচ করা যাবে না'।

তারা খানিকটা অবাক হয়ে বললেন, 'তাহলে কার জন্যে খরচ করবো এই টাকা?'

তাদের বিস্ময়ের রেশকে দীর্ঘায়িত হওয়ার সুযোগ না দিয়ে আমি আসল বিষয়টা তাদের সামনে তুলে ধরলাম এভাবে—

'আপনাদের দুইজনের বাবা-মা, মানে আমার দাদা-দাদী, নানা-নানীর কেউ-ই তো বেঁচে নেই। তারা দুনিয়ায় কে কী আমল করে গেছে তা তো আমরা তেমন বলতে পারি না। তাদের আখিরাতের জীবনও কেমন কাটছে সে সম্পর্কেও আমাদের কোন ধারণা নেই। কারো বাবা-মা যখন মারা যায়, তখন সন্তানের ওপর তাদের আলাদা কিছু হক তৈরি হয়। সন্তানেরা তাদের জন্য অবিরত দুয়া করবে, তাদের হয়ে এমন সাদাকার ব্যবস্থা করবে যা বাবা-মা'র আমলনামায় গিয়ে যোগ হবে, ইত্যাদি'।

সাদাকার ব্যাপারটা আব্বা-আম্মা ধরতে পারলেন না। বললেন, 'এটা কীরকম?'

- 'বাবা, ধরুন আপনি কোথাও একটা মসজিদ নির্মাণে কিছু টাকা পয়সা দিয়ে শরীক হলেন, অথবা পানির কষ্টে আছে এমন কোন অভাবীকে একটা নলকূপ বসিয়ে দিলেন। তবে নিয়্যাত করলেন এভাবে যে— এই সাদাকাটা আপনি করছেন যাতে এই সাদাকা থেকে প্রাপ্ত সওয়াব আপনার বাবা-মা'র আমলনামাতে যুক্ত হয়। যতোদিন ওই মসজিদে মানুষ সালাত আদায় করবে আর যতোদিন ওই নলকূপের পানি মানুষ পান করবে, ততোদিন পর্যন্ত আপনার আব্বা-আম্মার আমলনামাতে সওয়াবগুলো যুক্ত হতে থাকবে। বাবা-মা বেঁচে থাকতে যেমন সন্তানের দায়িত্ব থাকে, বাবা-মা মারা গেলে সেই দায়িত্ব একটুও কমে না, বরং ক্ষেত্রবিশেষে বাড়ে।'

আমার কথাগুলো শুনে দারুনভাবে উৎফুল্ল হলেন আব্বা-আম্মা। বিষয়টাই তাদের কাছে নতুন। তারা এসবের কোনোকিছু জানতেনও না, আর কোনোদিন এমন কিছু করার চিন্তা তাদের মাথাতেও আসেনি।

তো, আব্বার হাতে টাকা দিয়ে বললাম, 'এই টাকাগুলো আপনি এমন কোন মানুষকে দান করবেন যিনি সত্যিই অভাবী। আর নিয়্যাতটা করবেন এরকম যে— এই সাদাকার ওসিলায় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা যেন আপনার বাবা-মা'র কবরের জীবনকে প্রশান্তির চাদরে আবৃত করে দেন'।

আম্মার হাতে টাকা দিয়ে বললাম, 'আপনাকেও একই কাজ করতে হবে। আপনার আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে খুব অভাবে আছে এমন কাউকে খুঁজে এই টাকাগুলো দিবেন। আর নিয়্যাত করবেন এর সওয়াবটুকু যেন আপনার আব্বা-আম্মার আমলনামাতে যুক্ত হয়৷ যাতে তাদের কবরের জীবনটা সুন্দর হয়'।

(২)

গত পরশুদিন আব্বার সাথে ভিডিও কলে কথা বলছিলাম। কথার এক পর্যায়ে আব্বা বললেন, 'একটা কথা বলতে চাচ্ছিলাম তোমাকে...'।

- 'জি, বলেন'।

- 'গেলো বছর তুমি আমাদের টাকা দিয়েছিলে একটা ব্যাপারে, মনে আছে তোমার?'

- 'অবশ্যই মনে আছে। দাদা-দাদীর জন্যে সাদাকা করবার উদ্দেশ্যে'।

- 'হ্যাঁ। তো, বলছিলাম কী, এবারও কি আমাদের সেরকম কিছু টাকা দেওয়া যায়?'

(আব্বা-আম্মা যতোদিন বেঁচে আছেন, ততোদিন এই কাজ করার নিয়্যাত আমার আছে আলহামদুলিল্লাহ। তবু, কৌতূহল থেকে জিগ্যেশ করলাম)

- 'আব্বা, ওই ব্যাপারটা কি আপনার ভালো লেগেছিলো?'

- 'হুম, খুব ভালো লেগেছিলো'।

- 'বাবা-মা'র জন্যে কিছু করতে পারলে প্রতিটা সন্তানের-ই ভালো লাগার কথা। আর, এমনকিছু যদি করা যায় যা তাদের আখিরাতের জীবনে উপকারে আসবে, তাহলে তো কথাই নেই'।

(আব্বা চুপ করে আছেন আমার কথা শুনে)।

আমি নীরবতা ভেঙে বললাম, 'আব্বা, এই কাজের জন্য আপনাদের দু'জনকে গতবার যে পরিমাণ টাকা দিয়েছিলাম, এবার তার ডাবল করে দেবো ইন শা আল্লাহ। যাতে আপনারা আরো বেশি সাদাকা আপনাদের বাবা-মা'র জন্যে করতে পারেন।'

আমি খেয়াল করলাম বাবার চোখ দুটো ছলছল করে উঠলো। দুনিয়ার পাঠ চুকিয়ে আখিরাতে পাড়ি জমানো বাবা-মা'র জন্যে কিছু করতে পারার আনন্দে হয়তো...

লিখেছেন মুহতারাম মিজানুর রহমান আজহারী- #হামাগুড়ি দিয়ে হলেও আমরা পৌঁছুব ইনশাআল্লাহ ॥মসজিদুল আকসা বা বাইতুল মুকাদ্দাস ইসল...
10/05/2021

লিখেছেন মুহতারাম মিজানুর রহমান আজহারী-

#হামাগুড়ি দিয়ে হলেও আমরা পৌঁছুব ইনশাআল্লাহ ॥
মসজিদুল আকসা বা বাইতুল মুকাদ্দাস ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ। যেটি জেরুসালেমের পুরনো শহরে অবস্থিত। এটা মুসলমানদের কাছে ‘বায়তুল মোকাদ্দাস বা ‘আল আকসা’ মসজিদ নামে পরিচিত। ইসলামি স্থাপনার প্রাচীন এই নমুনাটি মুসলমান, খ্রিস্টান ও ইহুদি তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে সমানভাবে পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ। ঈসা (আ.) এবং মরিয়ম (আ.) এর সাথে প্রাচীনতম ইবাদত গৃহ বায়তুল মুকাদ্দাস বা মসজিদে আকসার সম্পর্ক সুনিবিড়ভাবে জড়িত।

মুসলিমদের কাছে আল আকসা মসজিদ নামে পরিচিত স্থাপনাটি ইহুদিদের কাছে ‘টেম্পল মাউন্ট’ নামে পরিচিত। আল আকসা হচ্ছে- ইসলামের প্রথম কেবলা এবং মক্কা ও মদিনার পর তৃতীয় পবিত্র স্থান। মসজিদুল আকসায় এক রাকাত নামাজ আদায় করলে ২৫০ অন্য বর্ণনায় ৫০০ রাকাতের সাওয়াব পাওয়া যায়। শেষ জামানার ঘটনাবলির কারণেও এ এলাকাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলেই দাজ্জাল ও ঈসা (আ.) এর আগমন ঘটবে।

বিশ্বনবী (সা.) মিরাজের রাতে মসজিদুল হারাম থেকে আল-আকসা মসজিদে এসেছিলেন এবং এখান থেকেই তিনি ঊর্ধ্বাকাশের দিকে যাত্রা করেন। বিশ্বনবী (সা.) মিরাজ গমনের প্রাক্কালে এই মসজিদে সব নবী–রাসুলের ইমামতি করে নামাজ আদায় করেন। এতে তিনি ‘ইমামুল আম্বিয়া’ অর্থাৎ সকল নবীর ইমাম ও ‘সায়্যিদুল মুরসালিন’ তথা সব রাসুলের নেতা হিসেবে স্বীকৃত হন। এ এলাকাটি অসংখ্য নবি–রাসুলের স্মৃতিবিজড়িত, এর আশপাশে অনেক নবি–রাসুলের কবর রয়েছে। প্রাচীনকাল থেকেই এই অঞ্চলটি ওহি অবতরণের স্থল, ইসলামের কেন্দ্র এবং ইসলামি সংস্কৃতির চারণভূমি ও ইসলাম প্রচারের লালনক্ষেত্র হিসেবে প্রসিদ্ধ। আল আকসা মসজিদের গুরুত্বের আরও একটি বড় কারণ হলো, রাসুল (সা) নবুয়ত প্রাপ্তির পর থেকে টানা ১৪ বছর পর্যন্ত আকসা মসজিদই ছিল মুসলিমদের কিবলা। মক্কায় যখন রাসুল (সা.) নামাজ পড়তেন তখন বায়তুল মোকাদ্দাস অভিমুখী হয়ে দাঁড়ালেও ক্বাবাকে তিনি সামনে রাখতেন। হিজরতের ১৬/১৭ মাস পর মহান আল্লাহর নির্দেশে মুসলমানদের কেবলা বায়তুল মোকাদ্দাস থেকে মক্কার দিকে স্থায়ীভাবে পরিবর্তিত হয়।

বিশুদ্ধ মতানুসারে সর্ব প্রথম আদম (আ.) মসজিদুল আকসার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। ইমাম কুরতুবির মতে এই মসজিদটি প্রথম নির্মাণ করেন আদম (আ.) এর কোন এক সন্তান। ইবনে হাজার আল-আস্কালানি নূহ (আ.) এর সন্তান সাম এর কথাও উল্লেখ করেছেন। পরবর্তীতে এই মসজিদটি পুনঃনির্মাণ করেছিলেন ইব্রাহিম (আ.) এর সন্তান নবি ইসহাক (আ.) ও পরিপূর্ণ করেছিলেন নবি সুলাইমান আলাইহিস সালাম। বনি ইসরাইলের ধার্মিক লোকজন এই বায়তুল মুকাদ্দাস বা মসজিদুল আকসায় আল্লাহ তায়ালার উপাসনায় মগ্ন থাকতো।

ইতিহাসের সুদীর্ঘ পথ পরিক্রমা শেষে খলিফা উমর ইবনুল খাত্তাবের আমলে জেরুসালেম বিজয় হলে বর্তমান মসজিদের স্থানে তিনি একটি মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। পরবর্তীতে উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিকের যুগে মসজিদটি পুনর্নির্মাণ ও সম্প্রসারিত হয়। ৭৪৬ খ্রিস্টাব্দে ভূমিকম্পে মসজিদটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হলে আব্বাসীয় খলিফা আল মনসুর এটি পুনর্নির্মাণ করেন। পরে খলিফা আল-মাহদি এর পূনর্নির্মাণ করেন। ১০৩৩ খৃস্টাব্দে আরেকটি ভূমিকম্পে মসজিদটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ফাতিমি খলিফা আলি আজ-জাহির পুনরায় মসজিদটি নির্মাণ করেন, যা অদ্যবধি টিকে আছে।

১০৯৯ খ্রিস্টাব্দে ক্রুসেডাররা জেরুজালেম দখল করার পর তারা মসজিদটিকে একটি প্রাসাদ এবং মসজিদ প্রাঙ্গণে অবস্থিত কুব্বাতুস সাখরাকে গির্জা হিসেবে ব্যবহার করত। মুসলিম বীর সুলতান সালাহউদ্দিন আইয়ুবি জেরুসালেম পুনরায় জয় করার পর মসজিদ হিসেবে এর ব্যবহার পুনরায় শুরু হয়। আইয়ুবি, মামলুক, উসমানি, সুপ্রিম মুসলিম কাউন্সিল ও জর্ডানের তত্ত্বাবধানে এর নানাবিধ সংস্কার করা হয়। বর্তমানে পুরনো শহরটি ইসরায়েলিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইসলামের তৃতীয় বৃহত্তম ঐতিহাসিক এ মসজিদটির ওপর চলছে যায়োনিস্ট ইহুদিদের আগ্রাসন। অবৈধভাবে গড়ে ওঠা রাষ্ট্র ইসরায়েল ১৯৬৭ সালে ‘মসজিদুল আকসা’ জবরদখল করে নেয়। এরপর থেকে সেখানকার মুসলিম জনগণ মুক্তি ও স্বাধীনতার জন্য তাদের সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু জায়ানবাদী ইসরায়েল একের পর এক মুসলিম–অধ্যুষিত এলাকা জবরদখল করে ইহুদি বসতি সম্প্রসারণ অব্যাহত রাখে।

বর্তমানে এ মসজিদে প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত। ইসরাইলের মুসলিম বাসিন্দা এবং পূর্ব জেরুজালেমে বসবাসরত ফিলিস্তিনিরা মসজিদুল আকসায় প্রবেশ ও নামাজ আদায় করতে পারে। আবার অনেক সময় তাদের বাঁধাও দেওয়া হয়। এই বিধিনিষেধের মাত্রা সময়ে সময়ে পরিবর্তন হয়। কখনও শুধু জুমার নামাজের সময় বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। গাজার অধিবাসীদের জন্য বিধিনিষেধ অনেক বেশি কঠোর। আমরা মহান আল্লাহ তা’আলার দরবারে কায়মনোবাক্যে ফরিয়াদ জানাই, তিনি যেন আবারো আমাদেরকে কুদস বিজয়ের তাওফিক দেন এবং মসজিদুল আকসা পুনরুদ্ধার করার হিম্মত নসিব করেন।

‘ম্যাসেজ’ বই থেকে
পৃষ্ঠা: ২৪৪-২৪৬
দ্বিতীয় সংস্করণ

(Mizanur Rahman Azhari ভাইয়ের ওয়াল থেকে.......)

01/04/2021

স্বাধীনতা আমায় পন্চাশে এসে কি দিয়েছে ভাই
হিশেব কষে বাংলা চষে ওল্টো দেখি কিচ্ছু মিলে নাই।
আমার দেশে ভূখা নাঙ্গা লাখো মানুষ আছে
শহরতলীর ফুটপাতেও

Address

Porana Paltan
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ahsanur Rahman Hasan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ahsanur Rahman Hasan:

Share