ZSM Associates & Agency

ZSM Associates & Agency *Income Tax solutions : Individual & Company
*Company solutions : Proprietorship, Partnership & Private Limited (RJSC) Support || Service || Solution

We are available on .......................
12/08/2026

We are available on .......................

নিজ প্রয়োজনে জানুন বা যোগাযোগ করুন!! 🚨 ব্যাংকে টাকা জমা আছে? রিটার্ন জমা না দিলে কিন্তু কাটা যাবে ৫০% অতিরিক্ত ট্যাক্স!ব...
10/08/2026

নিজ প্রয়োজনে জানুন বা যোগাযোগ করুন!!
🚨 ব্যাংকে টাকা জমা আছে? রিটার্ন জমা না দিলে কিন্তু কাটা যাবে ৫০% অতিরিক্ত ট্যাক্স!

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য জারি হলো নতুন ও কড়া নির্দেশনা। ব্যাংকের আমানত ও উৎসে কর সংক্রান্ত বিষয়ে যে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে:

🔴 ট্যাক্স রিটার্নের প্রমাণপত্র বা PSR না দিলে ব্যাংকের সুদের ওপর নির্ধারিত হারের চেয়ে ৫০% অতিরিক্ত ট্যাক্স কাটা হবে।

🟡 সঞ্চয়ী, স্থায়ী কিংবা মেয়াদী - সব ধরনের আমানতের মুনাফা থেকেই প্রাপকের ধরণ অনুযায়ী নির্দিষ্ট হারে কর কর্তন বাধ্যতামূলক।

🟢 ব্যাংকগুলোর অবহেলার কারণে যাতে রাজস্ব না হারায়, সেজন্য গ্রাহকের কর্তন করা ট্যাক্স দ্রুত সরকারি কোষাগারে জমাদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

🔵 জুন মাসের কর্তনকৃত ট্যাক্স পরবর্তী দিন বা ৭ দিনের মধ্যে এবং অন্যান্য মাসের ট্যাক্স পরের মাসের প্রথম ২ সপ্তাহের মধ্যে জমা দিতে হবে।

🟣 কেটে নেওয়া ট্যাক্সের টাকা ব্যাংকগুলো আর নিজেদের কোনো সাধারণ লেজার বা অ্যাকাউন্টে জমা রেখে সময়ক্ষেপণ করতে পারবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই কঠোর পদক্ষেপের ফলে সরকার সময়মতো রাজস্ব পাবে এবং কর ফাঁকি কমবে। এর প্রভাবে সাধারণ ব্যাংক গ্রাহকদের মধ্যে সঠিক সময়ে ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রবণতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। আপনার কি মনে হয়?
---------------
সাইফ সুজন
আয়কর আইনজীবী
01620-207777

05/08/2026

নিজ প্রয়োজনে জানুন অথবা যোগাযোগ করুন।

৩০শে সেপ্টেম্বর এর মধ্যে রিটার্ন সাবমিট এ প্রণোদনা বা ইন্সেন্টিব যা শর্তের বেড়াজালে!!

ইনসেনটিভের হার ৫% বা সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা। তবে এই ৫% ইনসেনটিভ,মোট কর বা নেট করদায়ের ওপর প্রযোজ্য হবেনা। ইনসেনটিভ পাওয়া যাবে পরিশোধযোগ্য করের ওপর।

এবার জানব পরিশোধযোগ্য কর কী?

মোট কর দায় থেকে রেয়াত বাদ দিয়ে,নেট করদায় থেকে ইতোমধ্যেই পরিশোধিত কর(TDS,TCS and AIT)) বাদ দেওয়ার পর রিটার্নের সঙ্গে যে অর্থ পরিশোধ করতে হবে(ধারা ১৭৩ (২)) সেটিই পরিশোধযোগ্য কর।

ইতোমধ্যে পরিশোধিত করের মধ্যে থাকতে পারে—

✅ উৎসে কর্তিত কর (TDS)
✅ উৎসে সংগৃহীত কর (TCS)
✅ অগ্রিম পরিশোধিত কর (Advance Tax)

অর্থাৎ—
পরিশোধযোগ্য কর(ধারা ১৭৩-২) = নেট করদায় − উৎসে কর্তিত/সংগৃহীত কর − অগ্রিম পরিশোধিত কর

এই অবশিষ্ট পরিশোধযোগ্য করের ওপরই ৫% ইনসেনটিভ পাওয়া যাবে।

আবার ইনসেনটিভ বেশি পাওয়ার জন্য ইচ্ছা করলেই পুরো কর রিটার্নের সঙ্গে পরিশোধ করার সুযোগ নেই। যেসব করদাতার আয় ১০ লাখ টাকার বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রে নেট করদায়ের ন্যূনতম ৭৫% অগ্রিম কর হিসেবে পরিশোধ করতে হয়। তা না হলে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ১০% হারে সুদ আরোপ হতে পারে।

বিশেষ করে বেসরকারি চাকরিজীবীরা অনেক ক্ষেত্রে এই সুবিধা একেবারেই পাবেন না অথবা খুব কম পাবেন। কারণ তাঁদের বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত সমন্বয়ের পর অধিকাংশ বা সম্পূর্ণ কর সাধারণত বেতন থেকেই উৎসে কেটে নেওয়া হয়। ফলে রিটার্নের সঙ্গে পরিশোধযোগ্য কর খুব কম থাকে বা থাকেই না।

অনেকেই ই-রিটার্নে ইনসেনটিভের পরিমাণ কম দেখানোর কারণে মনে করছেন হিসেবে ভুল হচ্ছে, আসলে তা নয়, মূলত বিষয়টি শর্তাধীন ভাবে ক্যালকুলেশন হয়।

সাইফ সুজন
আয়কর আইনজীবী
01620-207777

নিজ প্রয়োজনে জানুন, অথবা আমাদের হেল্প ডেস্ক এর সহযোগিতা নিনAvailable.............Anytime...........
29/07/2026

নিজ প্রয়োজনে জানুন, অথবা আমাদের হেল্প ডেস্ক এর সহযোগিতা নিন
Available.............Anytime...........

29/07/2026

নিজ প্রয়োজনে জানুন, যে কোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন।
#টার্ন_ওভার_ট্যাক্স যেন এক গলার কাটা

রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য সরকার যেন হায়েনার মতো হন্যে হয়ে উঠেছে। এর ফলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। দীর্ঘমেয়াদে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে করদাতার সংখ্যা এবং কর আদায়—উভয়ের ওপরই।

ধৈর্য থাকলে চলুন, অংক কষি।

ধরা যাক, একজন উদ্যোক্তা মাত্র ৫ লাখ টাকা মূলধন নিয়ে চালের ব্যবসা শুরু করেছেন। ব্যবসার মূলধনটি সারা বছর ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ব্যবহার করে তিনি বছরে মোট ১ কোটি ২০ লাখ টাকার চাল বিক্রি করেন।

তিনি প্রতি কেজি চাল ৭৫ টাকা দরে ক্রয় করে ৮০ টাকা দরে বিক্রি করেন।

তাঁর ব্যবসায়িক খরচগুলো হলো—

* পরিবহন খরচ: প্রতি কেজি চালের জন্য ১ টাকা;
* দোকান ভাড়া: মাসে ৫,০০০ টাকা;
* কর্মচারীর বেতন: মাসে ৮,০০০ টাকা;
* বিদ্যুৎ বিল: মাসে ১,০০০ টাকা;
* অন্যান্য খরচ: মাসে ২,০০০ টাকা।

আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৬৩(৬) অনুযায়ী, সাধারণ ক্ষেত্রে গ্রস প্রাপ্তির ওপর ১% টার্নওভার ট্যাক্স প্রযোজ্য।

প্রশ্ন হলো—

১. উক্ত ব্যবসায়ীর বার্ষিক মোট স্থূল লাভ কত?
২. সকল ব্যবসায়িক খরচ বাদ দেওয়ার পর তাঁর প্রকৃত নিট লাভ কত?
৩. ১% হারে তাঁর টার্নওভার ট্যাক্স কত হবে?
৪. টার্নওভার ট্যাক্স না থাকলে, প্রকৃত নিট লাভের ওপর তাঁর স্বাভাবিক আয়কর কত হতো?

চলুন, অংক কষি

বছরে মোট বিক্রয় = ১,২০,০০,০০০ টাকা
প্রতি কেজি বিক্রয়মূল্য = ৮০ টাকা
মোট বিক্রিত চাল: ১,২০,০০,০০০ ÷ ৮০ = ১,৫০,০০০ কেজি

অর্থাৎ, বছরে তিনি মোট ১ লাখ ৫০ হাজার কেজি চাল বিক্রি করেছেন।

১. বার্ষিক মোট স্থূল লাভ:

প্রতি কেজিতে—
* ক্রয়মূল্য = ৭৫ টাকা
* বিক্রয়মূল্য = ৮০ টাকা
* স্থূল লাভ = ৫ টাকা

সুতরাং, ১,৫০,০০০ × ৫ = ৭,৫০,০০০ টাকা

২. ব্যবসায়িক খরচ বাদ দেওয়ার পর প্রকৃত নিট লাভ:

বার্ষিক ব্যবসায়িক খরচ—

* পরিবহন: ১,৫০,০০০ × ১ = ১,৫০,০০০ টাকা
* দোকান ভাড়া: ৫,০০০ × ১২ = ৬০,০০০ টাকা
* কর্মচারীর বেতন: ৮,০০০ × ১২ = ৯৬,০০০ টাকা
* বিদ্যুৎ বিল: ১,০০০ × ১২ = ১২,০০০ টাকা
* অন্যান্য খরচ: ২,০০০ × ১২ = ২৪,০০০ টাকা

মোট খরচ = ৩,৪২,০০০ টাকা।

অতএব, ৭,৫০,০০০ − ৩,৪২,০০০ = ৪,০৮,০০০ টাকা।

৩. ১% টার্নওভার ট্যাক্স: ১,২০,০০,০০০ × ১% = ১,২০,০০০ টাকা।

৪. টার্নওভার ট্যাক্স না থাকলে স্বাভাবিক আয়কর:

ধরা যাক, ৪ লাখ ৮ হাজার টাকা তাঁর একমাত্র করযোগ্য আয়।

সাধারণ ব্যক্তির জন্য প্রযোজ্য ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করমুক্ত সীমা ধরে—

করযোগ্য আয়: ৪,০৮,০০০ − ৩,৭৫,০০০ = ৩৩,০০০ টাকা
প্রথম ধাপের ১০% হারে: ৩৩,০০০ × ১০% = ৩,৩০০ টাকা।

অর্থাৎ, হিসাব অনুযায়ী স্বাভাবিক আয়কর দাঁড়ায় ৩,৩০০ টাকা।
তবে প্রযোজ্য ন্যূনতম কর ৫,০০০ টাকা হওয়ায় কার্যত স্বাভাবিক আয়কর হবে ৫,০০০ টাকা।

এক নজরে—
বার্ষিক মোট স্থূল লাভ = ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
প্রকৃত নিট লাভ = ৪ লাখ ৮ হাজার টাকা।
টার্নওভার ট্যাক্স = ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।
ন্যূনতম স্বাভাবিক করদায় = ৫,০০০ টাকা।

তাহলে পার্থক্যটা কোথায়?

একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মাত্র ৫ লাখ টাকা মূলধন দিয়ে ব্যবসা শুরু করে সারা বছর মূলধন ঘুরিয়ে মোট ১ কোটি ২০ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি করলেন।

কিন্তু তাঁর প্রকৃত নিট লাভ হলো মাত্র ৪ লাখ ৮ হাজার টাকা।

তাঁর স্বাভাবিক করদায় যেখানে ৫,০০০ টাকা, সেখানে শুধু টার্নওভারের ভিত্তিতে তাঁকে দিতে হচ্ছে—১ লাখ ২০ হাজার টাকা।

অর্থাৎ, টার্নওভার ট্যাক্স স্বাভাবিক ন্যূনতম করের ২৪ গুণ।

অংক শেষ, চলুন আসল কথায়—

ব্যবসার মোট বিক্রয় এবং প্রকৃত লাভ—এই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।

একজন ব্যবসায়ী হয়তো কোটি কোটি টাকার পণ্য বিক্রি করছেন, কিন্তু তাঁর লাভের মার্জিন হতে পারে অত্যন্ত সামান্য। পণ্য ক্রয়, পরিবহন, দোকান ভাড়া, কর্মচারীর বেতন, বিদ্যুৎ বিল এবং অন্যান্য খরচ বাদ দেওয়ার পর তাঁর হাতে হয়তো সামান্য পরিমাণ অর্থই অবশিষ্ট থাকে।

এই সামান্য আয় দিয়েই তাঁকে নিজের ও পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহ করতে হয়। ফলে, টার্নওভারের ওপর আরোপিত বড় অঙ্কের করের বোঝা বহন করার সক্ষমতা তাঁর নাও থাকতে পারে।

করব্যবস্থার একটি মৌলিক নীতি হলো—করদাতার সক্ষমতা অনুযায়ী কর আরোপ করা।

কিন্তু টার্নওভারভিত্তিক কর ব্যবস্থায় প্রশ্ন উঠতেই পারে—যার বিক্রয় বেশি, কিন্তু লাভ কম, তার ওপর কি শুধু বিক্রয়ের ভিত্তিতে তুলনামূলকভাবে বেশি করের বোঝা চাপানো ন্যায়সংগত?

রাজস্ব বাড়ানো অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু রাজস্বের স্থায়ী ভিত্তি হলো—ব্যবসা, বিনিয়োগ এবং উদ্যোক্তা।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী যদি টিকে থাকতে না পারেন, নতুন উদ্যোক্তা যদি ব্যবসায় আসতে ভয় পান এবং বিদ্যমান ব্যবসায়ীরা যদি ব্যবসা ছোট করে ফেলেন বা করব্যবস্থার বাইরে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে স্বল্পমেয়াদে রাজস্ব বাড়লেও দীর্ঘমেয়াদে রাজস্বের ভিত্তি সংকুচিত হতে পারে।

ব্যবসা বাঁচলে রাজস্ব বাড়বে।
উদ্যোক্তা বাঁচলে করদাতা বাড়বে।

তাই সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ—এই বিধানটি বাস্তবতার আলোকে পুনর্বিবেচনা করা হোক। টার্নওভার ও প্রকৃত লাভের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য বিবেচনায় নিয়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্য একটি ন্যায়সংগত, বাস্তবসম্মত ও সক্ষমতাভিত্তিক করব্যবস্থা প্রণয়ন করা হোক।

#টার্নওভারট্যাক্স #আয়কর

নিজ প্রয়োজনে জানুন, সমস্যায় যোগাযোগ করুন। ট্যাকস ইনফরমেশন হাইডের সুযোগ নেই।উদাহরণ :প্রবাসে কোন দেশে ছিলেন। কি কাজ করেছিল...
23/07/2026

নিজ প্রয়োজনে জানুন, সমস্যায় যোগাযোগ করুন।
ট্যাকস ইনফরমেশন হাইডের সুযোগ নেই।
উদাহরণ :
প্রবাসে কোন দেশে ছিলেন। কি কাজ করেছিলেন। তার কোনোও প্রমাণ নেই। পাসপোর্ট, ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট, বিদেশে আয়ের প্রমাণাদি ও ব্যাংক হিসাব বিবরণীও নেই। কিন্তু আয়কর নথিতে করমুক্ত বৈদেশিক রেমিট্যান্স দেখিয়েছেন ১৩ কোটি ১৬ লাখ ৮ হাজার ২৬১ টাকা। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। তার নাম মিজানুর রহমান রিপন।

রাজধানী ঢাকার এ ব্যবসায়ীর আইডিয়াল অ্যাগ্রো, আইডিয়াল এন্টারপ্রাইজ ও সাজু এন্টারপ্রাইজ নামে তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর অঞ্চল-১৩ এর সার্কেল ২৭৬ এ তিনি করদাতা। ওই কর অঞ্চল থেকে গত জুনে করা ২০২৪-২০২৫ করবছরের নিবিড় পরিদর্শন প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

মিজানুর রহমান রিপন রেমিট্যান্সের সমর্থনে পাসপোর্ট, ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট, বিদেশে আয়ের প্রমাণাদি ও ব্যাংক হিসাব বিবরণী দাখিল করেননি। তিনি বিদেশে চাকরি করেন নাকি ব্যবসা করেন তারও কোনো তথ্য প্রমাণাদি দাখিল করেননি।

এ ব্যবসায়ী এখানেই থামেননি। করফাঁকি দিতে নিয়েছেন আরো নানা কৌশল। তিনি আয়কর নথিতে দেখিয়েছেন মায়ের কাছ থেকে দান পেয়েছেন ৩ কোটি টাকা। ওই দানের সমর্থনে দাতার সক্ষমতা আছে কিনা তা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট সার্কেলের কর পরিদর্শককে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

দোকান থেকে অগ্রিম হিসেবে ১ কোটি ২০ লাখ টাকাও দেখিয়েছেন আয়কর নথিতে। এ দায়ের সমর্থনে চুক্তিপত্র, ব্যাংক হিসাব বিবরণী এবং অন্যান্য যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণাদি দাখিল করেননি।

মিজানুর রহমান রিপন দুটি গাড়ির মূল্য একটি ৩২ লাখ টাকা এবং আরেকটি ১০ লাখ টাকাসহ মোট মূল্য ৪২ লাখ টাকা আয়কর নথিতে প্রদর্শন করেছেন। কিন্তু বিআরটিএ’র তথ্যমতে, ৩২ লাখ টাকার গাড়িটির মূল্য ৩৫ লাখ এবং ১০ লাখ টাকা মূল্যের গাড়িটির মূল্য ৪১ লাখ ৭০ হাজারসহ মোট ৭৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা পাওয়া গেছে।

অর্থাৎ, মিজানুর রহমান রিপন গাড়ি দুটির অতিরিক্ত বিনিয়োগ ৩৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা গোপন করেছেন। এছাড়া বিআরটিএ’র তথ্য অনুযায়ী করদাতার আরও দুটি গাড়ি রয়েছে। এর মধ্যে একটির মূল্য ৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং আরেকটি গাড়ির মূল্য ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ দুটি গাড়ির দাম ১৭ লাখ ৮০ হাজার টাকাও প্রদর্শন না করে তিনি করফাঁকি দিয়েছেন।

মিজানুর রহমান রিপন অকৃষি সম্পত্তি ১৬ কোটি ৩৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা বিনিয়োগ দেখিয়েছেন। ওই বিনিয়োগ থেকে যমুনা ফিউচার পার্কের দুটি দোকান থেকে ভাড়া আয় দেখিয়েছেন ৪২ লাখ ৯৮ হাজার ৯১০ টাকা। কিন্তু অন্যান্য অকৃষি সম্পত্তি/ফ্ল্যাট থেকে কোনো ভাড়া আয় প্রদর্শন করেননি। ওই জমিতে নতুন কোনো বিনিয়োগ, স্থাপনা ও ভাড়া আয় আছে কিনা কর পরিদর্শককে সার্কেল থেকে তদন্ত করতে বলা হয়েছে।

কর অঞ্চল-১৩ এর কমিশনার কবীর উদ্দিন মোল্লা তার কার্যালয়ে গত মঙ্গলবার দেশকাল নিউজকে বলেন, ‘‘এসব বিষয়ে কর পরিদর্শককে সরেজমিনে তদন্ত করে তথ্য সংগ্রহ ও অসংগতির আলোকে আয়কর আইন, ২০২৩ এর ২১২ ধারার কার্যক্রম গ্রহণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। করদাতার নামের সব ব্যাংক হিসাব বিবরণী সংগ্রহ করে পর্যালোচনা ও প্রয়োজনে আয়কর আইন, ২০২৩ এর ২০০ ধারায় ব্যাংক সার্চ করতে বলা হয়েছে। যাচাই শেষে বলা যাবে করফাঁকি হয়েছে কিনা।’’

মিজানুর রহমান রিপন ২০২৪-২০২৫ করবর্ষে মোট আয় ৭৩ লাখ ৯১ হাজার ৪৮ টাকা এবং নিট সম্পদ ২২ কোটি ৩০ লাখ ৪৬ হাজার ৩২০ টাকা প্রদর্শন করে ১৮০ ধারায় সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে কর পরিদর্শন পরিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মহিদুল হাসান দেশকাল নিউজকে বলেন, ‘‘নিবিড় পরিদর্শন প্রতিবেদন পাওয়ার পর সাধারণত দুই মাসের মধ্যে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এখন আমরা পরবর্তী ব্যবস্থা নেবো।’’

নিজ প্রয়োজনে জানুন, যে কোন সমস্যায় যোগাযোগ করুন 🙋‍♂️📢 টার্নওভার ট্যাক্সের বিধান পরিবর্তনে করের দায় অনেক বেড়েছে—বিশেষ করে...
22/07/2026

নিজ প্রয়োজনে জানুন, যে কোন সমস্যায় যোগাযোগ করুন 🙋‍♂️
📢 টার্নওভার ট্যাক্সের বিধান পরিবর্তনে করের দায় অনেক বেড়েছে—বিশেষ করে প্রোপ্রাইটরশিপ ব্যবসায়ে

টার্নওভার ট্যাক্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান পরিবর্তনের ফলে ব্যবসা বা পেশা থেকে আয়ের ক্ষেত্রে করের ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার প্রোপ্রাইটরশিপ ব্যবসার ক্ষেত্রে এর প্রভাব অনেক বেশি।

আগে স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা ও ফার্মের ক্ষেত্রে টার্নওভারভিত্তিক ন্যূনতম কর প্রযোজ্য হওয়ার জন্য গ্রস প্রাপ্তির নির্দিষ্ট সীমা ছিল। কিন্তু বর্তমান বিধানে সেই সীমা আর নেই।

ফলে প্রোপ্রাইটরশিপ ব্যবসার গ্রস প্রাপ্তির পরিমাণ যতই হোক না কেন, নিয়মিত পদ্ধতিতে হিসাব করা কর নির্ধারিত টার্নওভার ট্যাক্সের চেয়ে কম হলে টার্নওভার ট্যাক্সই পরিশোধ করতে হবে।

চলুন, একটি উদাহরণের মাধ্যমে পরিবর্তনের প্রভাব দেখি—

🔎 পরিবর্তনের প্রভাব—একটি উদাহরণ

ধরা যাক, একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবসা রয়েছে। তার বার্ষিক বিক্রয় বা গ্রস প্রাপ্তি ৪০,০০,০০০ টাকা এবং ব্যবসা থেকে নিট আয় ৫,৩৫,০০০ টাকা।

📌 আগের বিধান অনুযায়ী—

আগে স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার গ্রস প্রাপ্তি ৪ কোটি টাকা বা তার বেশি হলেই কেবল টার্নওভারভিত্তিক ন্যূনতম কর প্রযোজ্য হতো। এই উদাহরণে গ্রস প্রাপ্তি ৪০ লাখ টাকা, অর্থাৎ ৪ কোটি টাকার কম। তাই আগে টার্নওভারভিত্তিক ন্যূনতম কর প্রযোজ্য হতো না।

ফলে নিয়মিত কর হিসাবে প্রদেয় কর হতো—

প্রথম ৪,০০,০০০ টাকা × ০% = ০ টাকা
অবশিষ্ট ১,৩৫,০০০ টাকা × ১০% = ১৩,৫০০ টাকা

অর্থাৎ, আগে প্রদেয় কর ছিল ১৩,৫০০ টাকা।

📌 বর্তমান বিধান অনুযায়ী—

গ্রস প্রাপ্তির ওপর টার্নওভার ট্যাক্স—

৪০,০০,০০০ টাকা × ১% = ৪০,০০০ টাকা

যেহেতু নিয়মিত কর ১৩,৫০০ টাকা, কিন্তু টার্নওভার ট্যাক্স ৪০,০০০ টাকা, তাই বর্তমানে প্রদেয় কর হবে ৪০,০০০ টাকা।

অর্থাৎ, একই আয় ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে আইন পরিবর্তনের ফলে—

✅ আগে প্রদেয় কর: ১৩,৫০০ টাকা
✅ বর্তমানে প্রদেয় কর: ৪০,০০০ টাকা
✅ অতিরিক্ত করের দায়: ২৬,৫০০ টাকা

করদাতা ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের সময় অগ্রিম কর হিসেবে ৩,০০০ টাকা পরিশোধ করে থাকলে, রিটার্নের সঙ্গে অবশিষ্ট ৩৭,০০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

এই উদাহরণ থেকে বোঝা যায়, টার্নওভার ট্যাক্সের বিধান পরিবর্তনের ফলে একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাকে নিয়মিত করের তুলনায় অনেক বেশি কর সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হতে পারে।

📎 বিস্তারিত হিসাব সংযুক্ত ছবিতে দেখুন এবং আইন পড়ুন। আইনের রেফারেন্স - আগের ধারা ১৬৩(৫) বর্তমান ধারা ১৬৩(৬)

ধন্যবাদ সবাইকে।

সাইফ সুজন
চীফ এডভাইজার
জেডএসএম এসোসিয়েটস এন্ড এজেন্সি

Address

Dhaka
1217

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Friday 03:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Telephone

01620208888

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ZSM Associates & Agency posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ZSM Associates & Agency:

Shortcuts

Share