Angel Home Design & Consultant

Call Directions

Angel Home Design & Consultant Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Angel Home Design & Consultant, Consulting Agency, Dhaka.

🏗️ Angel Home Design & Consultant
Professional Architectural Design | Structural Drawings | Road & Bridge Design | Complete Civil Engineering Consultancy | Turning Ideas into Reliable & Sustainable Solutions.

25/08/2026

চলুন বন্ধুরা, জেনে নেওয়া যাক—পতিত স্বৈরাচার সরকার ভারতের সঙ্গে করা বাংলাদেশ–ভারত ট্রানজিট/ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তির বিস্তারিত।

বাংলাদেশের বন্দর, নদী ও স্থলপথ ব্যবহারের সুযোগ দিতে আওয়ামী লীগ আমলে ভারতের সঙ্গে বন্দরকেন্দ্রিক তিনটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি করা হয়। এসব চুক্তির মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ বন্দর, অভ্যন্তরীণ নৌরুট ও স্থলপথ ব্যবহারের নামে চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা বন্দর একরকম ভারতের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। বিপরীতে বাংলাদেশের আয়, সুবিধা, নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থ কতটা সুরক্ষিত হয়েছে—তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রয়েছে।

আওয়ামী লীগ আমলে করা চুক্তিগুলো হলো—Agreement on the Use of Chattogram and Mongla Ports for Movement of Goods to and from India (ACMP), Coastal Shipping Agreement (CSA) এবং Protocol on Inland Water Transport and Trade (PIWTT)। এর মধ্যে PIWTT ছিল পুরোনো চুক্তির নবায়ন, আর অন্য দুটি ছিল নতুন চুক্তি।

CSA-এর আওতায় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, মোংলা, পায়রা ও পানগাঁও বন্দর ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়। ACMP-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের নৌসীমা, বন্দর ও স্থলপথ ব্যবহার করে ভারতের এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে পণ্য পরিবহনের সুযোগ সৃষ্টি হয়। আর PIWTT-এর আওতায় ভারতের জাহাজ চলাচলের নির্ধারিত নৌরুটের নাব্যতা রক্ষার দায়িত্বও বাংলাদেশের ওপর পড়ে। চুক্তিতে পাঁচ বছর পরপর স্বয়ংক্রিয় নবায়নের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

২০১৫ সালের ৬ জুন বাংলাদেশ ও ভারত চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। ২০১৮ সালের ২৫ অক্টোবর ACMP স্বাক্ষরের মাধ্যমে ভারতের জন্য আনুষ্ঠানিক আন্তঃসরকারি কাঠামো তৈরি হয়। ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর কাস্টমস, পণ্য, যানবাহন, জাহাজ, রুট, নিরাপত্তা ও নথিপত্রসহ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত নির্ধারণ করা হয়। ২০২০ সালে কলকাতা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে আগরতলায় প্রথম পরীক্ষামূলক কনটেইনার চালান পাঠানো হয়।

তিন চুক্তিতে পৃথক রুট নির্ধারণ করা হলেও সমন্বিতভাবে এগুলো ভারতকে বাংলাদেশের নৌ ও স্থলপথে ব্যাপক প্রবেশাধিকার দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের বন্দর ও বাণিজ্যিক অবকাঠামো ভারতের ব্যবহারের আওতায় এলেও বাংলাদেশ ভারতীয় ভূখণ্ড ব্যবহার করে দেশের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে পণ্য পরিবহন বা তৃতীয় দেশের সঙ্গে বাণিজ্যে সমপর্যায়ের সুবিধা পায় না।

চুক্তির বিভিন্ন ধারায় ভারতীয় জাহাজের ক্ষেত্রে জাতীয় বিধি অনুযায়ী বন্দর চার্জ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আবার পরিবহনকৃত পণ্যের নিয়মিত ফিজিক্যাল কাস্টমস পরিদর্শনের বিষয়েও প্রশ্ন রয়েছে। Article 5 অনুযায়ী চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ ভারতীয় পণ্যকে বাংলাদেশি আমদানি-রপ্তানি পণ্যের মতো সুবিধা এবং অগ্রাধিকার দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। একই সময়ে ভারতীয় ও অন্য বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজ থাকলে ভারতীয় জাহাজকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং দেওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ রয়েছে। Article 8 অনুযায়ী নির্ধারিত কাস্টমস, প্রশাসনিক, পরিচালন মাশুল ও অন্যান্য চার্জ ছাড়া অতিরিক্ত কর আরোপের সুযোগ সীমিত।

চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত এম শাজাহান দাবি করেছেন, চুক্তি তৈরির সময় সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত চুক্তি সম্পন্ন করার চাপ ছিল এবং ভারতের চাহিদা অনুযায়ী চুক্তি হওয়ায় বাংলাদেশের স্বার্থে দরকষাকষির সুযোগ কম ছিল। তার আরও দাবি, একটি Non-Disclosure Obligation-এর ধারায় নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি তৈরি হলে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর মাধ্যমে কনটেইনারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সুযোগের বিষয়ও ছিল—যা একটি স্বাধীন দেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে।

ভারতের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ নৌপথে বাণিজ্যের মূল চুক্তি প্রথম হয় ১৯৭২ সালের ১ নভেম্বর। ২০১৫ সালের ৬ জুন এতে নতুন ধারা-উপধারা যুক্ত করে পাঁচ বছর পরপর স্বয়ংক্রিয় নবায়নের শর্ত রাখা হয়। এর ফলে ২০২০ ও ২০২৫ সালে নতুন করে আলোচনা ছাড়াই চুক্তি নবায়নের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

PIWTT-এর বিভিন্ন ধারায় প্রত্যেক দেশকে নিজ নিজ এলাকার নদীপথ জাহাজ চলাচলের উপযোগী রাখার কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ভারতের ট্রানজিটের প্রয়োজনীয় নৌরুট রক্ষণাবেক্ষণ ও নাব্যতা নিশ্চিত করার ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এক্ষেত্রে ভারত বাংলাদেশকে এককালীন ১০ কোটি টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও বাকি ব্যয় বাংলাদেশকে বহন করতে হয় বলে সমালোচনা রয়েছে। সিরাজগঞ্জ, দাইকাওয়া ও শেরপুর–জগন্নাথগঞ্জ রুটসহ নির্দিষ্ট রুট ভারতীয় ট্রানজিট ট্রাফিকের জন্য রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ট্রানজিটের ক্ষেত্রে কাস্টমস ডকুমেন্টেশন ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা কমানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সব মিলিয়ে চুক্তিগুলো ভারতকে বাংলাদেশের নৌপথ ও স্থলপথ—দুই ব্যবস্থাই ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে। ভারত সহজেই বাংলাদেশের সড়কপথ ব্যবহার করে সেভেন সিস্টার্সে কার্গো নিতে পারবে। কিন্তু বাংলাদেশ ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে তৃতীয় দেশে কার্গো পাঠাতে চাইলে ভারতের সঙ্গে আলাদা সমঝোতার প্রয়োজন হতে পারে। ফলে সমান বাণিজ্যিক সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

সমালোচকদের মতে, এসব চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ভারতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ভারতীয় পণ্য পরিবহনে বন্দর সুবিধা, অগ্রাধিকার এবং কাস্টমস ব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক ও জাহাজের ওপর বাংলাদেশের কাস্টমস ও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ কতটা কার্যকর—সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এসব চুক্তি জাতীয় সংসদে পর্যাপ্ত আলোচনার জন্য উপস্থাপন করা হয়েছিল কি না এবং জনগণের সামনে এর পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত মূল্যায়ন কতটা করা হয়েছিল।

হাসিনা সরকারের পতনের পরও চুক্তিগুলো বহাল রয়েছে এবং এর একটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়নের ব্যবস্থাও রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার কিংবা বর্তমান সরকার এখন পর্যন্ত এগুলো বাতিল বা ব্যাপকভাবে পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ নেয়নি বলে সমালোচনা রয়েছে। ভারতও এসব চুক্তির আলোকে কার্যক্রম পুনরায় জোরদার করার চেষ্টা করছে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. দিলারা চৌধুরীর মতে, শেখ হাসিনা আমলে করা এসব বিতর্কিত চুক্তি নতুন করে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। তার প্রত্যাশা—নির্বাচিত সরকার চুক্তিগুলো সংসদে উপস্থাপন করে আলোচনা করবে এবং জনগণের মতামত ও জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে প্রয়োজনীয় পুনর্মূল্যায়ন করবে।

প্রশ্ন একটাই—ভারত যদি বাংলাদেশের বন্দর, নদী ও স্থলপথ ব্যবহার করে দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা পায়, তাহলে এর বিনিময়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, নিরাপত্তাগত ও কৌশলগত লাভ কতটা?

এই হিসাব জনগণের সামনে প্রকাশ করা এবং জাতীয় স্বার্থে চুক্তিগুলো পুনর্মূল্যায়ন করা এখন সময়ের দাবি।

#বাংলাদেশ #জাতীয়স্বার্থ #বাংলাদেশভারতসম্পর্ক #ট্রানজিট #ট্রান্সশিপমেন্ট #চট্টগ্রামবন্দর #মোংলাবন্দর #পানগাঁও #পায়রাবন্দর #সার্বভৌমত্ব #পররাষ্ট্রনীতি #সংসদ #জনস্বার্থ

16/07/2026
23/06/2026

🏗️🌉🏠Angel Home Design & Consultant is committed to delivering innovative, safe, and cost-effective engineering solutions. We specialize in architectural planning, structural design, road and bridge engineering, construction supervision, and civil engineering consultancy for residential, commercial, and infrastructure projects.

We provide professional architectural design, structural drawings, road & bridge design, construction consultancy, estimation, supervision, and complete civil engineering solutions for government and private projects.
work project

18/03/2026

Termiticide (টারমিটিসাইট) হলো এমন এক ধরনের কীটনাশক রাসায়নিক, যা উইপোকা (termite) দমন বা প্রতিরোধ করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

⸻

🔹 সহজভাবে:

টারমিটিসাইট = উইপোকা মারার বা দূরে রাখার ওষুধ

⸻

🔹 এটি কীভাবে কাজ করে?

টারমিটিসাইট সাধারণত দুইভাবে কাজ করে—
1. Contact poison (সংস্পর্শে কাজ করে): উইপোকা এর সংস্পর্শে এলেই মারা যায়
2. Repellent/Non-repellent (প্রতিরোধ/অদৃশ্য প্রভাব):
• কিছু টারমিটিসাইট উইপোকাকে দূরে রাখে
• কিছু আবার উইপোকার মধ্যে ছড়িয়ে পুরো কলোনি ধ্বংস করে

⸻

🔹 কোথায় ব্যবহার হয়?
• বিল্ডিং নির্মাণের সময় মাটিতে (foundation treatment)
• কাঠের ফার্নিচারে
• দরজা-জানালা, কাঠের বিমে
• পুরাতন বাড়িতে উইপোকা নিয়ন্ত্রণে

⸻

🔹 সাধারণ উদাহরণ
• Chlorpyrifos
• Imidacloprid
• Fipronil

07/09/2025

🖐️PC girder Bridge এর টেনশনিং করতে আর কারো ভুল হবেনা।

১) টেনশনিং-এ সাধারণত যেসব টুল/সরঞ্জাম লাগে
• স্ট্রেসিং জ্যাক (Hydraulic stressing jack) — single বা multi-strand জ্যাক।
• হাইড্রোলিক পাম্প (manual বা electric) — জ্যাক চালানোর জন্য।
• প্রেশার গেজ (Pressure gauge) — পাম্পে যুক্ত, সিস্টেম প্রেসার দেখায়।
• লাইটেড/ক্যালিব্রেটেড লোড সেল (optional but recommended) — সরাসরি লোড বা টেনশন মাপার জন্য (সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য)।
• অ্যাঙ্কর এবং ভেজেস (Anchor head & wedges) — টেন্ডন ধরে রাখার জন্য।
• স্ট্রেন্ড/কেবল (Strand / tendon) — স্টিল কেবল/স্ট্র্যান্ড।
• ড্যাক্ট/স্লিভ (Duct / tendon duct) — গ্রাউট করার আগে কেবল রাখা হয়।
• গ্রাউট পাম্প / গ্রাউটিং সরঞ্জাম — টেন্ডন গ্রাউট করার জন্য।
• ফিটিংস, হোস ও অ্যাডাপ্টর — জ্যাক-পাম্প/গেজ সংযোগ ইত্যাদি।
• মেজারিং টুলস — এলগোমিটার/ডায়াল গেজ/লেইসেশন টুলস (elongation gauge), টেপ-মেজার ইত্যাদি।
• সেফটি গিয়ার — গ্লাভস, গগলস, স্ট্রেসিং এরিয়া-র পারিপার্শ্বিক ব্যারিকেড ইত্যাদি।

⸻

২) প্রেসার (Pressure) কিভাবে হিসাব করবেন — সূত্র

প্রধান সূত্র (একটি সহজ, ইউনিট-সতর্ক পদ্ধতি):
• প্রথমে নির্ধারণ করুন আপনি যে ফোর্স (F) লাগাতে চান (N বা kN)।
• জানুন আপনার জ্যাক পিস্টনের ডায়ামিটার (d) (mm) — এর থেকে পিষ্টনের টেরিফিক অ্যারিয়া বের করবেন (mm²)।
• সূত্র (যদি F = নিউটন এবং A = mm²):
Pressure (MPa) = F 👎 / A (mm²)
• যদি F কেবল kN এ থাকে:
Pressure (MPa) = F (kN) × 1000 / A (mm²)
• পিস্টন এর অ্যারিয়া (mm²) = π × (d/2)²
• গেজ যদি psi-তে হয়, তাহলে:
Pressure (psi) = Pressure (MPa) × 145.038

⸻

৩) ধাপে ধাপে নমুনা ক্যালকুলেশন (সংখ্যা দেখিয়ে)

ধরি: দরকারি জ্যাকিং ফোর্স = ২৫০ kN (এটা আপনি ডিজাইন/হিসাব থেকে পেয়েছেন) এবং জ্যাক পিস্টনের ডায়ামিটার = ৬০ mm।
1. ডায়ামিটার d = 60\ \text{mm} → রেডিয়াস r = 30\ \text{mm}.
2. অ্যারিয়া A = \pi r^2 = \pi \times 30^2 = \pi \times 900 = 2,827.433\ \text{mm}^2.
(π ≈ 3.14159265)
3. ফোর্সকে নিউটনে বদলান: F = 250\ \text{kN} = 250 \times 1000 = 250\,000\ \text{N}.
4. প্রেসার (MPa) = F\,/\,A = 250\,000\ / \ 2,827.433 = 88.42\ \text{MPa}.
5. যদি গেজ psi দেখায়: 88.42 \times 145.038 \approx 12,824\ \text{psi}.

(ধাপগুলো digit-by-digit করে করা হয়েছে — ফলাফল: ~88.4 MPa।)

⸻

৪) আরেকটি ছোট উদাহরণ (দ্রুত)
• ধরুন F = 200\ \text{kN}, পিস্টন d = 50\ \text{mm}.
পিস্টন অ্যারিয়া ≈ 1,963.495 mm² → প্রেসার = 200000 / 1963.495 \approx 101.86 MPa → ≈ 10,186 psi.

⸻

৫) ব্যবহারিক টিপস ও সতর্কতা
1. প্রেসার থেকে সরাসরি ফোর্স অনুমান করলে সতর্ক থাকবেন। প্রকৃত প্রি-স্ট্রেস (strand force) জানতে friction, anchorage set, bend loss ইত্যাদি বিবেচ্য। তাই প্রাধান্য দিন লোড সেল বা এলংগেশন মেজারমেন্ট দিয়ে যাচাই করতে।
2. স্ট্র্যান্ড-স্পেসিফিক designers often give target stress (MPa) বা force per strand (kN) — জেনে কাজ করুন।
3. হাইড্রোলিক সিস্টেমের ম্যানিফোলে চাপ-মাল্টিপ্লায়ার থাকলে সেটা বিবেচনা করতে হবে — জ্যাক অ্যারিয়া যদি সিস্টেমের সঙ্গে আলাদা হয়, সঠিক কনভার্সন ব্যবহার করুন।
4. গেজ/জ্যাক অবশ্যই ক্যালিব্রেটেড হবে। পুরনো বা অন-ক্যালিব্রেটেড গেজ থেকে ভুল পড়া আসতে পারে।
5. নিরাপত্তা: জ্যাকিং করার সময় কেউ স্ট্র্যান্ড বা অ্যাঙ্কর সংলগ্ন এলাকায় দাঁড়াবেন না; ওভারপ্রেসার বা হঠাৎ স্লিপ রিস্ক থাকে।
6. গ্রাউটিং আগে টেনশনের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করুন; গ্রাউটিং চাপ দিয়ে টেন্ডন-ডাক্টে পূরণ করতে হয়।
7. ডিজাইন-ডকুমেন্টে দেওয়া অভ্যন্তরীণ (internal) ও বহিরাগত (external) ক্ষতির (loss) অনুমান অনুসারে শেষ টার্গেট স্থির করবেন — সাধারণত প্রথম ধাপে টেনশনিং-এ কিছু লস হয় (উদাহরণ: friction, anchorage seating)।

⸻

সংক্ষিপ্ত রেফারেন্স সূত্র
• A = \pi (d/2)^2 (mm²)
• Pressure_{(MPa)} = \dfrac{F_{(N)}}{A_{(mm^2)}} = \dfrac{F_{(kN)}\times1000}{A_{(mm^2)}}
• Pressure_{(psi)} = Pressure_{(MPa)} \times 145.038

⸻

আপনি যদি চান আমি:
• আপনার প্রকৃত ডিজাইন-ফোর্স (kN) এবং জ্যাক ডায়ামিটার (mm) দিয়ে একটি স্পষ্ট ক্যালকুলেশন করে দিই, অথবা
• একটি ছোট টেমপ্লেট (Excel/CSV) বানিয়ে দেব যাতে আপনি বিভিন্ন স্ট্র্যান্ড/জ্যাক সাইজে প্রেসার দ্রুত বের করতে পারেন — যদি কোনো প্রশ্ন থাকে কমেন্ট করতে পারেন, এবং Civil Engineering বিষয়ে যে কোনো প্রশ্নের উত্তর জানতে পেজটিকে ফলো করুন।

07/09/2025

আসুন আজকে আমরা ব্রিজের টেনশনিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানি,

PC গার্ডার ব্রিজে টেনশনিং বা প্রি-স্ট্রেসিং (Prestressing) করার প্রক্রিয়া কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করা হয়। সাধারণভাবে দু’ধরনের পদ্ধতি থাকে—Pre-tensioning এবং Post-tensioning। ব্রিজ গার্ডারে সাধারণত Post-tensioning বেশি ব্যবহৃত হয়। নিচে ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াটি দেওয়া হলোঃ

⸻

🔹 ১. গার্ডার কাস্টিং প্রস্তুতি
• গার্ডারের ভেতরে ড্যাক্ট (Duct) বা পাইপলাইন বসানো হয়, যেটার মধ্যে পরবর্তীতে স্টিল টেন্ডন (Strand বা Cable) ঢুকানো হবে।
• শাটারিং ও রিইনফোর্সমেন্ট সঠিকভাবে বসানো হয়।

⸻

🔹 ২. টেন্ডন (Strand) ঢোকানো
• নির্দিষ্ট ডিজাইন অনুযায়ী টেন্ডন বা স্টিল কেবল ড্যাক্টের ভেতরে ঢোকানো হয়।
• টেন্ডনের দুই প্রান্তে অ্যাঙ্করেজ সিস্টেম বসানো হয়।

⸻

🔹 ৩. কংক্রিট কাস্টিং ও কিউরিং
• গার্ডারের কংক্রিট ঢালা হয়।
• নির্ধারিত স্ট্রেন্থ (সাধারণত 28 দিন বা ডিজাইন অনুযায়ী ৭ দিনেই নির্দিষ্ট MPa strength) অর্জন না করা পর্যন্ত অপেক্ষা করা হয়।

⸻

🔹 ৪. টেনশনিং (Prestressing)
• হাইড্রলিক জ্যাক ব্যবহার করে প্রতিটি টেন্ডনকে নির্দিষ্ট লোড (kN) পর্যন্ত টেনে ধরা হয়।
• টেনশন প্রয়োগের সময় লোড ও এলংগেশন দুটোই মেপে রাখা হয়।
• যখন নির্ধারিত লোডে পৌঁছে যায়, তখন অ্যাঙ্করেজ লক করে দেওয়া হয়।

⸻

🔹 ৫. গ্রাউটিং
• টেন্ডনের চারপাশের ফাঁকা অংশে (ড্যাক্টে) সিমেন্ট গ্রাউট ইনজেকশন করা হয়।
• এর ফলে স্টিল কেবল ও কংক্রিট একসাথে বন্ডেড হয়ে যায় এবং ক্ষয় থেকে সুরক্ষিত থাকে।

⸻

🔹 ৬. গার্ডার লঞ্চিং
• সব টেন্ডন টেনশনিং এবং গ্রাউটিং সম্পন্ন হওয়ার পর গার্ডার ব্রিজে লঞ্চিং করা হয়।

⸻

✅ সহজ ভাষায়:
1. ড্যাক্টে কেবল বসানো হয়।
2. কংক্রিট ঢেলে শক্ত করা হয়।
3. হাইড্রলিক জ্যাক দিয়ে কেবল টেনে অ্যাঙ্করেজে ফিক্স করা হয়।
4. পরে গ্রাউট ভরে কেবল সুরক্ষিত করা হয়।

⸻

👉 আপনি কি চান আমি এটা একটা Step by Step চিত্রসহ ডায়াগ্রামে বানিয়ে দিই? তাহলে আরও পরিষ্কার বোঝা যাবে।

আরো বিস্তারিত জানতে পেজটিকে ফলো করুন

08/06/2025

খেলা যে কোন লেভেলে চলতেছে আপনি জানতেও পারবেন না!

লন্ডনে তারেক রহমান যাতে ডঃ ইউনুসের সাথে দেখা না করেন, সেজন্য বিভিন্ন মহল থেকে নানা ধরনের কলকাঠি নাড়া হচ্ছে।

কারণ, তারেক রহমান যদি ডঃ ইউনুসের সাথে দেখা করেন তাহলে নির্বাচনের আগ পর্যন্ত দেশে কোন রাজনীতি থাকবে না।
এই দুই নেতার মাঝে যদি ভালো সম্পর্ক তৈরি হয় তাহলে ডঃ ইউনুসকে কোন প্রকার চাপের মধ্যে রাখা যাবে না।

এতে দেশে ফ্যাসিস্টদের বিচার দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলবে, এবং উনি আশেপাশে বৈদেশিক রাজনীতিতে মাথা ঘামাবেন যা অনেকেই চায় না।

দেশের পরিবেশ যদি স্থিতিশীল এবং সুষ্ঠ অবস্থা বিরাজ করে, তবে দেশের অর্থনীতি সত্যিই ঘুরে দাঁড়াবে এবং বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্র হওয়ার পথে এগিয়ে যাবে।

কিন্তু বাংলাদেশ যদি অর্থনৈতিক ভাবে সফল এবং সাবলম্বী হয়ে যায়, তবে আশেপাশে কাউকে পুছবে না।
এতে দাদাদের পক্ষে আর বাংলাদেশকে আমের আঁটির মত চোষা সম্ভব হবে না।

এজন্যই বিভিন্ন দালালের মাধ্যমে লন্ডনে অতিব গুরুত্বপূর্ণ এই মিটিং যাতে না হয় তার জন্য প্রচন্ড রকম চেষ্টা চলছে।

আর একটি বিষয় হলো, নির্বাচনের আগ পর্যন্ত যদি কোন আজাইরা রাজনীতি না থাকে তাহলে তো অনেক নেতার কিছু করার থাকবে না।
দুদু বুলু ভাইয়েরা যদি ভাইরাল না হয় তবে অনেকেই হয়তো ননোমিনেশন পাবে না আমার মতো! 😁

এজন্যই দেশের ঘোলা পানি কখনো পরিস্কার হতে দেয়া যাবে না, উল্টো পরিস্কার পানিতে নানান নাড়িভুঁড়ি ধুয়ে পানি ডার্টি করে ফেলতে হবে।

কুত্তার পেটে যেমন ঘী সহ্য হয়না, তেমনি আমগোরও সুষ্ঠ রাজনৈতিক পরিবেশ ভালো লাগে না, গেন্জাম লাগিয়েই রাখতে হবে।

( বিঃদ্রঃ আমি মনে প্রাণে চাইবো জনাব তারেক রহমান এসব বুঝে জাতির স্বার্থে উনি যেভাবেই হোক দেখা করবেন)

Address

Dhaka

Telephone

+8801778848414

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Angel Home Design & Consultant posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share