04/04/2020
করোনা রহস্য সমাধান - চায়না রাশিয়ার মরন খেলা। - Corona Mystery Solved - Deadly Game By China and Russia !!
অনেক ভিডিও তোঁ এতদিন দেখেছি আমরা করোনা নিয়ে। এবার জাস্ট এই একটা ভিডিও মন দিয়ে দেখে আমাদের পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা ঠিক করে নেই আমরা। আর কোন গুজবে কান না দেই, বরং সঠিক ডিসিশন নিয়ে জরুরী কাজ শুরু করি।
অবশেষে খুজে পাওয়া গেল করোনা নামক ভয়াবহ দানবের আসল রহস্য, যেই দানবকে সৃষ্টি করেছে চায়না এবং তাকে সহযোগিতা করছে তার আরেক কম্যুনিস্ট মিত্র রাশিয়া। তারা এই ভয়ংকর কিলিং মিশনের মাধ্যমে করায়ত্ত করতে যাচ্ছে আগামী পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পরাশক্তির আসন এবং নিজেদের কন্ট্রোলে নিয়ে নিতে যাচ্ছে সমগ্র পৃথিবীকে লক্ষ কোটি প্রানের বিনিময়ে। চাইনিজরা এটা করছে তাদের চিরশত্রু আমেরিকাকে পরাস্ত করে পৃথিবীর ১ নম্বর পরাশক্তি হবার ঘৃণ্য উদ্দেশ্য নিয়ে আর রাশিয়া তাকে সহায়তা করছে কয়েক বছর আগে আমেরিকা যে তাদের সাধের সোভিয়েত ইউনিয়নকে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে বর্তমানের রাশিয়া সৃষ্টি করে তাদের ক্ষমতাকে ধ্বংস করে দিয়েছে সেটার প্রতিশোধ হিসেবে।
আসুন আমরা কয়েকটা মুল পয়েন্টে একটু চোখ বুলিয়ে নেই, যেসব পয়েন্ট বিচার করলেই একথা সুস্পষ্ট হয়ে যায় যে, এই জঘন্য মরন খেলার জন্য যে চাইনিজরা সরাসরি দায়ী। সব পয়েন্ট ডিটেইলস আলোচনা করতে গেলে বিশাল হয়ে যাবে, যেগুলো ভিডিওতে প্রমান সহ দেখানো হয়েছে, তাই আমরা এখানে শুধুমাত্র মুল পয়েন্টগুলো উল্লেখ করছি। যেগুলোকে ইন্টারন্যাশনাল পলিটিক্স এর আলোকে বিচার করলেই এই দাবী প্রমানিত হয়ে যায়। যেমনঃ
১। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা করোনা ভাইরাসকে ‘উহান ভাইরাস’ ও ‘চাইনিজ ভাইরাস’ হিসেবে উল্লেখ করে পরিস্থিতি মোকাবেলায় চীনের সমালোচনা করেন।
২। ছড়ানোর স্থানঃ উহান হল এমন একটি শহর, যেখানে এমন সব বড় বড় ইন্টারন্যাশনাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে পড়াশুনা করতে সমগ্র পৃথিবী থেকে প্রচুর বিদেশী স্টুডেন্টরা যায়। ফলে এখানকার বিদেশী স্টুডেন্টদের মাধ্যমে এই ভাইরাস খুব সহজে ছড়িয়ে যাবে সমগ্র পৃথিবীতে।
৩। সময়ঃ চিন এটি ছড়ায় ১ ডিসেম্বর থেকে এবং গোপন রাখে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তাদের টার্গেট ছিল উহানের বিদেশী স্টুডেন্টরা এই সময়ে নববর্ষ উদযাপনের জন্য যার যার নিজেদের দেশে যাবে এবং সাথে করে নিয়ে যাবে এই মরন ভাইরাসকে। এভাবে নিখুত হিসেব করে পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিয়েছে তারা উহান থেকে।
৪। গোপনীয়তাঃ চিন তার এই স্পেশাল প্রজেক্টের নিরাপত্তার জন্য সেই ডাক্তারকে হত্যা করে, যিনি এই ভাইরাস ছড়ানোর সাথে সাথেই সবাইকে এটার ব্যাপারে সতর্ক করা শুরু করেছিল। ফলে চিন সরকার তাকে গ্রেফতার করে এবং তাকে করোনায় আক্রান্ত করে হত্যা করে যেন তাদের গোপন তথ্য প্রকাশিত না হয়ে পরে এবং বিশ্ববাসী সতর্ক হবার সুযোগ না পায়।
৫। দূরত্বঃ উহান থেকে বেইজিং, সাংহাই এর মত বড় বড় শহর গুলো মাত্র ৮০০ থেকে ১০০০+ কিলোমিটার। উহান থেকে সেসব শহরে ভাইরাস পৌছাতে পারল না ব্যাপক আকারে, কিন্ত ওদিকে সমগ্র পৃথিবীতে, হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে এই ভাইরাস ছড়িয়ে গেল যেটা স্বাভাবিক বিচারেই অস্বাভাবিক।
৬। গুরুত্বপূর্ণ বেক্তিবর্গঃ এই ভয়ংকর ভাইরাসে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বড় বড় সব নেতা, প্রধানমন্ত্রী, রানী, চান্সেলর আক্রান্ত হয়েছে, যেটা চায়নার টার্গেট ছিল, কিন্ত চায়নার বড় কোন সামরিক বা কম্যুনিস্ট নেতা বা অফিসার একজনও আক্রান্ত হয় নি।
৭। চাইনিজ প্রেসিডেন্ট মহামারীর সময়ে শুধুমাত্র একটি মাস্ক পরে মহামারী আক্রান্ত এলাকা পরিদর্শনে গেলেন, কিন্ত তিনি আক্রান্ত হন নি বরং একেবারে নিশ্চিন্ত মনে হাসিখুশি ভাবে সেখানে গেলেন। অ্যান্টি ভাইরাস ভাক্সিন পুশ করা না থাকলে চিন কখনও এরকম রিস্ক নিত না তাদের প্রেসিডেন্ট এর জন্য, এটা একেবারেই স্বাভাবিক কথা।
৮। চিনের মিত্র দেশগুলো যেমন রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া এরা অসম্ভব দ্রুত করোনা তাদের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে ফেলেছে যেখানে ইতালি, জার্মানি, ফ্রান্স, আমেরিকাতে এটা মহামারী আকার ধারন করেছে। চিন তার মিত্রদেরকে ভাক্সিন না দিলে এটা অসম্ভব।
৯। এই ভাইরাসের কারনে আমেরিকা, ইউরোপের সমস্ত দেশের শেয়ার বাজারে পুরাপুরি ধ্বস নেমে এসেছে, যেখানে আমেরিকা তার দেশের শেয়ার বাজারের ধ্বস থামাতে ইতিমধ্যেই ২ ট্রিলিয়ন ডলার ভর্তুকি দেবার ঘোষণা দিয়েছে এবং ইউরোপের অন্যান্য দেশেরও একই অবস্থা। অথচ চিনের শেয়ার বাজার ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী করোনাকে তারা নিয়ন্ত্রনে নেবার পর থেকেই।
১০। অন্যান্য দেশের শেয়ার এর দরপতনের সুযোগে চিন তাদের শেয়ার অল্প দামে কিনে নিচ্ছে, ফলে আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে চিন ক্রমেই শক্তিশালী হয়ে যাচ্ছে।
১১। ডলারের দর পতনের কারনে চিনের ইয়েন এর রেট ক্রমাগত বাড়ছে, যেটা চিনকে অর্থনৈতিক দিক থেকে সবার থেকে শক্তিশালী করে তুলছে।
১২। রাশিয়া, চায়না, পাকিস্থান তাদের ট্রেড এ ডলার বাদ দিয়ে নিজেস্ব কারেন্সি ব্যাবহার করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়ে চুক্তি সই করেছে। এবং এদের সাথে যোগ দিচ্ছে
ইরান, বোলারুস, মংগলিয়া, কিরগিস্থান, কাজস্থান সহ আরো কিছু দেশ যাদেরকে নিয়ে চিন আগামী দিনের অর্থনৈতিক পরাশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে।
১৩। যেখানে পৃথিবীর অন্যান্য দেশে মহামারীর কারনে তাদের অনুনয় বিনয় সত্ত্বেও চিন তাদেরকে মেডিকেল যন্ত্রপাতি দিয়ে সাহায্য করছে না, সেখানে রাশিয়াকে তাদের দেশে মহামারী না থাকা সত্ত্বেও প্রথম থেকেই মেডিকেল ইকুইপমেন্ট দিয়ে সাহায্য করেছে।
১৪। চিন তার মিত্র দেশগুলো ছাড়া অন্যান্য যেসব দেশে তাদের মেডিকেল ইকুইপমেন্ট দিয়েছে, সেগুলো বেশীরভাগই নষ্ট এবং অকার্যকর। এমনকি ভাইরাসযুক্ত মাস্ক পাঠিয়েছে এবং এমন সব টেস্টিং কিট দিয়েছে, যেগুলো দিয়ে ভাইরাস সনাক্ত হয় না সঠিক ভাবে। এই চরম বিপদের দিনে চিন অবশ্যই এগুলো ভুল করে পাঠিয়েছে, এটা বিশ্বাস করার কোন কারন নেই, যেহেতু রাশিয়াকে তারা সঠিক ইকুইপমেন্টই দিয়েছে।
১৫। সেসব দেশে অকার্যকর ইকুইপমেন্ট দেয়াটা সম্পূর্ণ চিনের ইচ্ছাকৃত, কারন এর মাধ্যমে তারা জাস্ট সময় কিল করছে সেসব দেশের। এবং সেসব দেশ এই সময় নষ্টের কারনে আরও কয়েকমাস পিছিয়ে গিয়েছে তাদের প্রতিরোধ কার্যক্রমে, যেহেতু তাদেরকে হয় এখন অন্য দেশ থেকে এগুলো নিতে হবে বা নিজেদের প্রোডাকশনে যেতে হবে। ফলে ততদিনে ভাইরাসটা তাদের নিয়ন্ত্রনের আরও বাইরে চলে যাবে এবং তারা আরও ক্ষতির সম্মুখীন হবে এবং এই সময়ের চান্সে চিন তাদেরকে পিছনে ফেলে আরও এগিয়ে যাবে। এবং এই পয়েন্টে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশও ভয়াবহ হুমকির সম্মুখীন। এবং এটা খুবই সম্ভব যে, তারা আমাদের দেশে যেসব ইকুইপমেন্ট দিয়েছে, সেগুলো যথেষ্ট মান সম্মত না। আমাদের দেশে কিছু পিপিই পাওয়া গিয়েছে, যেগুলো তারা পাঠিয়েছে, যেখানে আগে ব্যবহার করার কারনে পিপিই তে স্পট এবং দাগ পাওয়া গিয়েছে, যেটা দেখে ধারনা করা যায় যে, সেগুলো অবশ্যই আগে ব্যবহার করা হয়েছে। যেটা আমাদের দেশের জন্য চরম চিন্তার বিষয়।
১৬। যেখানে গুগল, ইউটিউব এর মত জায়ান্টদের অবস্থা খারাপ সেখানে চিনের জ্যাক মা এর আলিবাবা এবং এই ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলোর পজিশন ক্রমাগতভাবে উন্নতির দিকে, যেটা তাদেরকে অনলাইন বিজনেস এর খেত্রেও একচেটিয়া পজিশনে নিয়ে আসছে।
১৭। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের অর্থনৈতিক সমসসার কারনে ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটে সোনার দাম কমে গিয়েছে অথচ চিন এরমধ্যেই প্রায় ১০০ টন সোনা কিনে তাদের রিজার্ভ এ জমা করেছে এবং একই পথ অনুসরন করেছে রাশিয়া। এই ২ দেশ গত কিচুদিনে রেকর্ড পরিমান সোনার রিজার্ভ বাড়িয়েছে, যেটা তাদেরকে আগামী দিনের অর্থনীতি কন্ট্রোলে ব্যাপক সাফল্য এনে দেবে, এটা নিশ্চিত। কারন, যে কোন দেশের অর্থনৈতিক মানদণ্ড নির্ভর করে তাদের সোনা এবং বৈদেশিক রিজার্ভ অনুযায়ী।
১৮। চিন পৃথিবীর ১ নম্বর পরাশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশের শুরু হিসেবে ইতিমধ্যেই তার মিত্রদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছে যেভাবে এতদিন আমেরিকা তার মিত্রদেরকে সাহায্য করে এসেছে। যেমন, রাশিয়া, পাকিস্থান, উত্তর কোরিয়া এবং আরও বহু দেশ। আমাদের বাংলাদেশ ও অবশ্য চিনের মিত্র হিসেবে কিছু সামান্য সাহায্য পাচ্ছে, কিন্ত সেটা তাদের হিসেব অনুযায়ীই হবে, আমাদের চাহিদা অনুসারে মোটেই না। ফলে আমাদেরকে আমাদের নিজেদের দায়িত্তেই এগিয়ে যেতে হবে।
১৯। এতদিন যেই আমেরিকা চিনকে হুমকি দিয়ে কথা বলত, সেই আমেরিকান প্রেসিডেন্ট সরাসরি চিনের প্রেসিডেন্টকে ফোন করে তাদের বিপদের সময়ে সাহায্যের অনুরোধ করেছে, যেটা সুস্পষ্টভাবে চিনের আধিপত্যকে নির্দেশ করে।
২০। কিছুদিন আগে চিন তার দেশ থেকে তাদের গোপনীয়তা লঙ্ঘনের ভয়ে বিদেশী সাংবাদিকদেরকে বহিস্কার করেছে। আমেরিকা তার আগের পজিশনে থাকলে যেখানে চিনকে এসব ব্যাপারে হুমকি দিয়ে কথা বলত, সেখানে এখন আমেরিকা চিনকে নরম গলায় রিকোয়েস্ট করেছে সেসব সাংবাদিকদেরকে চিনে ঢুকতে অনুমতি দেবার জন্য। কিন্ত চিন সরাসরি সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে। এতে সুস্পষ্ট যে, চিন এবং আমেরিকার বর্তমান পজিশন কি।
২১। আমেরিকান এয়ারক্র্যাফট ক্যারিয়ার রুজভেল্ট এর প্রায় ৩০০ নাবিক করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিতসার জন্য তীরে ভেরার অনুমতি চাচ্ছে, কিন্ত ট্রাম্প প্রশাসন সেই অনুমতি দিচ্ছে না। ফলে তারা এখন বিরাট বিপদের মুখে আছে। আর এধরনের বিষয় চিনের সামরিক প্রাধান্যকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলছে ধীরে ধীরে।
২২। বিভিন্ন দেশে চিন এখন তাদের ওষুধ এবং অন্যান্য সামগ্রি বিক্রি করে সমস্ত বাজার দখলে নেবার চেষ্টা করবে। কারন, অন্যান্য দেশের সমস্ত শিল্প কলকারখানা প্রায় বন্ধ। আর ওদিকে চিনের সব কিছু পুরোদমে প্রডাকশন শুরু করেছে। ফলে তারা সবাইকে পিছনে ফেলে অবশ্যই এগিয়ে যাবে নিঃসন্দেহে।
এভাবে আরও বহু বিষয় আছে, যেগুলো সব লিখতে গেলে কয়েক পৃষ্ঠা হয়ে যাবে। ফলে, এটা এখন মোটামুটি সিওর হয়ে বলা যায় যে, করোনা নামক অভিশাপ, এটা চিনের একটা বায়োলজিক্যাল উইপন, যেটা সে ব্যবহার করেছে প্রিথিবিকে নিজের নিয়ন্ত্রনে নেবার জন্য। ফলে এই ভয়ানক মৃত্যুর খেলা তারা কবে শেষ করবে বা কবে প্রিথিবিকে তাদের ভাক্সিন দেবে, এটা শুধু তারাই ভাল জানে আর ভাল জানেন একমাত্র আরশের মালিক রব্বুল আলামিন। ফলে আমাদের উচিত বসে না থেকে আমাদের লকডাউনের নিয়ম মেনে চলা এবং মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে বিনীত ভাবে দোয়া করা যেন, তিনি আমাদেরকে দ্রুত এই বিপদ থেকে বের হবার পথ করে দেন। আর চিন সবকিছু তাদের নিয়ন্ত্রনে না আসা পর্যন্ত সম্ভবত করোনার ভ্যাক্সিন প্রকাশ করবে না। ফলে আমাদের সতর্ক থাকা, আমাদের প্রশাসনের বলা নিয়ম মেনে চলা, প্রশাসনকে সহায়তা করে দেশের সবাই কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করে যাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই।
আল্লহ তায়ালা আমদের সবাইকে হেফাজত করুন।
Corona Mystery Solved - Deadly Game Played By China Russia করোনা রহস্য সমাধান চায়না রাশিয়ার মরন খেলা by Shamim Chowdhury from Barisal Outsourcing Freelanci...