নতুন ব্যবসায় আইডিয়া

নতুন ব্যবসায় আইডিয়া Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from নতুন ব্যবসায় আইডিয়া, Business consultant, zigatola, Dhaka.

"ছোয়া স্যানিটারি ন্যাপকিন" সম্পুর্ণ অটোমেটিক মেশিনে হাতের স্পর্শ ছাড়াই আমাদের ফেক্টরিতে তৈরি করা হয়। অনেক কোম্পানির মালি...
14/09/2021

"ছোয়া স্যানিটারি ন্যাপকিন" সম্পুর্ণ অটোমেটিক মেশিনে হাতের স্পর্শ ছাড়াই আমাদের ফেক্টরিতে তৈরি করা হয়। অনেক কোম্পানির মালিকগন তাদের কনজুমার প্রডাক্টের সাথে স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্র‍্যান্ডিং ও বিক্রয় করতে চান কিন্ত কাচামাল, আধুনিক মেশিন এবং অধিক পুজির অভাবে নতুন এই প্রডাক্ট করা সম্ভব হয় না। সেই সকল ব্যবসায়ী ভাইদের জন্যে রয়েছে আমাদের লোস প্যাকেট যা নিয়ে নিজস্ব ভাবে প্যাকেটিং বাজারজাত করতে পারবেন সহজেই। আমরা আপনাদের চাহিদা অনুযায়ী যে কোন পরিমানের প্রডাকশন দিতে সক্ষম। আমরা ২৪৫/২৬৫/২৮৫/২৯০mm সাইজের ডে/নাইট এর জন্যে আলাদা আলাদা ন্যাপকিন তৈরি করে থাকি। আমাদের তৈরি ন্যাপকিন গুলো অটোমেটিক গ্লো, প্যাকিং, স্টিকার, স্টেরিওলাইজড, ফয়েল প্যাকিং করা হয়ে থাকে। এই ন্যাপকিন গুলোতে অধিক ব্লাড গ্রহণের ক্ষমতা রাখে জার ফলে প্রতিটা মহিলারা ইনফেকশন মুক্ত থাকে। ন্যাপকিন গুলো আকারে বড় কিন্ত সহজে স্টেপ বাই স্টেপ বাজ করে রাখা যায়। সহজে বহন করে স্কুল, কলেজ, অফিস, বেড়াতে গেলে সহজে নেওয়া যায়। তাই আজই আপনার কোম্পানির নামে ন্যাপকিন ব্র‍্যান্ড করতে যোগাযোগ করুন।

ছোয়া ইন্টারন্যাশনাল
কলঃ- 01711324660

ঈদ অফার---একুশে আইটিতে চলছে সীমিত সময়ের জন্য .com .net ডোমেইন অফার---com ডোমেইন এখন মাত্র ৬৪৯ টাকায়ঃ-net   ডোমেইন এখন মা...
29/07/2020

ঈদ অফার---

একুশে আইটিতে চলছে সীমিত সময়ের জন্য .com .net ডোমেইন অফার---
com ডোমেইন এখন মাত্র ৬৪৯ টাকায়ঃ-net ডোমেইন এখন মাত্র ৫৯৯ টাকায়ঃ-
এ ছাড়াও পাচ্ছেন .xyz ডোমেইন-৯৫ টাকায়ঃ-

অফারটি পেতে আপনার ডোমেইনটি এখনি রেজিস্ট্রেশন করুনঃ-

রেজিস্ট্রেশন লিংক--
http://clients.ekushey.com.bd
www.ekushey.com.bd
কলঃ- 01711324660

সমিতি/এনজিও (মাইক্রো ফাইন্যান্স) লোন ম্যানেজমেন্ট (সমিতি) একটি অনলাইন ভিত্তিক ঋণ ব্যাবস্থাপনা সফটওয়্যার যা ঋণদানের আদায়...
01/01/2020

সমিতি/এনজিও (মাইক্রো ফাইন্যান্স) লোন ম্যানেজমেন্ট (সমিতি) একটি অনলাইন ভিত্তিক ঋণ ব্যাবস্থাপনা সফটওয়্যার যা ঋণদানের আদায় গুলিকে একই সময়ে সাশ্রয়ী ভাবে ঋণদাতাদের ঋণ, পরিশোধের এবং সংগ্রহগুলি সহজে পরিচালনা করতে সহায়তা করে রিপোর্ট বেড় করতে সহায়তা করে। এই "সমিতি" মাল্টিপারপাস ও এনজিও প্রতিষ্ঠানের জন্য সফটওয়্যারটি সর্বাধিক ফাংশন সম্মিলিত তাই এই সফটওয়্যার দিয়ে এক বা দুই ক্লিকে সকল ফলাফল পাওয়া যায়। এই সিস্টেমটিতে একটি সাধারণ এবং স্পষ্ট ব্যবহারকারীর ইন্টারফেস রয়েছে, যা সেরা অনুশীলনের মাধ্যমে কার্যপ্রবাহগুলি আপনাকে সমস্ত মূল প্রক্রিয়াগুলির মাধ্যমে এবং প্রাসঙ্গিক তথ্যগুলি সর্বদা আপনার নখদর্পণে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।

আমাদের সফটওয়্যারের বৈশিষ্ঠ সমুহঃ-

🔹 ঋণ ব্যবস্থাপনা
🔹 ঋণ পরিচালনা
🔹 সেলারি রিপোর্ট
🔹 Payroll সিস্টেম
🔹 স্টাফ ব্যবস্থাপনা
🔹 সঞ্চয় ব্যবস্থাপনা
🔹 জব ম্যানেজমেন্ট
🔹 সদস্যদের তালিকা
🔹 ডিপোজিট সিস্টেম
🔹 ল-ফার্ম ওয়েবসাইট
🔹 এফডিআর সিস্টেম
🔹 দৈনিক রিপোর্ট তথ্য
🔹 মাঠ পর্যায়ে পোস্টিং
🔹 অতিরিক্ত আয় হিসাব
🔹 তালিকা ভুক্ত ফলাফল
🔹 আয় ও ব্যয় ব্যবস্থাপনা
🔹 ইজি অ্যাকাউন্টিং সিস্টেম
🔹 চার্ট ভিত্তিক হিসাব রিপোর্ট
🔹 মাসিক প্রফিট ও লস রিপোর্ট
🔹 সেলারি ও হাজীরা ব্যবস্থাপনা
🔹 একাধিক ব্যবহারকারী প্যানেল
🔹 অনলাইন লোন এপ্লিকেশন ফর্ম
🔹 ঋণ গ্রহীতা আলাদা ইউজার প্যানেল
🔹 ওয়েবসাইট ও লোন সফটওয়্যার আলাদা
🔹 প্রতিদিন অটোমেটিক ডাটা ব্যাকআপ
🔹 অনলাইন ভিত্তিক তাই সহজ নিরাপত্তা ব্যবস্থা
🔹 ব্যাংক লেনদেন, ডিপোজিট ও উইথড্র সিস্টেম
🔹 ঋণ কালেকশনে গ্রাহক মোবাইলে অটো এসএমএস

সমিতি/সমবায় সমতি/ঋণ সফটওয়্যার/ক্ষুদ্রঋণ সফটওয়্যার/সমবায় ব্যাবস্থাপনা সফটওয়্যারের মাধ্যমে আপনার প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলুন আধুনিক সমিতি হিসেবে।
https://ekushey.com.bd/somity/

দেরি না করে আজই যোগাযোগ করুনঃ-

Ekushey IT.
13/A, 1st Lane, Level-4
Hazaribagh, Dhaka-1208
www.ekushey.com.bd
Call us on- 01711324660

সমিতি/এনজিও/সমবায় সমিতি/ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার

16/09/2019

হাজারো রকমের আইডিয়া থেকে বাছাই করা ১৩৭টি বিজনেস আইডিয়া, তাই দেরি না করে বেছেনিন আপনার স্বপ্নের চাবিকাঠি।

1. প্যাকেটজাত পণ্য

2. মোবাইল এন্ড কম্পিউটার পার্স

3. অর্গানিক খাদ্য সরবরাহ। মাছ মাংস থেকে শুরু করে শাক সবজি ফলমূল, স্থানীয় উৎপাদিত পন্য শহুরে সরবারহ করা যেতে পারে ।

4. অনলাইনে বই বিক্রি

5. একটার সাথে আর একটার সেইন কানেকশান

6. বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও রিফাইন করে সেল

7. বোতল রিসাইকেলিং

8. ফরমালিন মুক্ত খাবার উৎপাদন থেকে শুরু করে পৌঁছে দেয়া

9. আবর্জনা দিয়ে বিদ্যুৎ, গ্যাস তৈরী করা

10. Cosmetics

11. Handcraft

12. বিভিন্ন জেলার বিখ্যাত খাবার

13. চা বাগানে কি কি বিজনেস সার্ভিস দেয়া যায়...

14. Export and Import

15. ঘি

16. মসলা জাতীয় গাছের চাষ

17. চকবাজার থেকে প্রডাক্টস কিনে

18. মাছ একোরিয়ামে

19. ইট

20. তাঁতের পোশাক শিল্প

21. ফুল

22. হোম মেড বিভিন্ন খাবারের আইটেম

23. অনলাইন ট্রেনিং সেন্টার: আইটি

24. চট্টগ্রাম পাহারী অন্চল থেকে হলুদ, মরিচ, পেয়াজ নিয়ে এসে ঢাকাতে বিক্রি করা,

25. ফ্রেস জুস

26. গিফট আইটেম

27. বিনোদন পার্ক

28. বাচ্চাদের যত আইটেম

29. অটো কার ওয়াশ

30. ইন্টরিয়র ডিজাইন

31. গ্যারেজ

32. কাগজের বাক্স, শপিং ব্যাগ ডিজাইন ও তৈরি

33. পার্লার

34. কুরিয়ার বিজনেস

35. গহনা

36. সিরামিক টাইলস

37. ফার্নিচার

38. দেশি মুরগীর খামার

39. প্লাস্টিক থেকে সুতা

40. ওয়ান টাইম প্লেট ও গ্লাস তৈরি

41. ট্রাভেল এবং ট্যুরিজম ব্যবসা

42. ডিটারজেন্ট

43. এলোব্যারা ও মাশরুম চাষ

44. ফুড কার্ট

45. এগ্রো ফার্ম

46. মসল্লার চাষ

47. সবজি রপ্তানি

48. ফল রপ্তানি

49. মাছ রপ্তানি

50. লাইভ ফিস

51. নিজ জেলায় ডাক্তার এপায়ন্টমেন্ট এপস

52. নিজ জেলায় অনলাইনে পণ্য বিক্রি

53. ককংক্রিটের ব্যবসা

54. ফুলের চাষ

55. তাত নিয়ে কাজ

56. হোম মেড খাবার নিয়ে কাজ

57. আইস্ক্রিম তৈরি

58. হাসের খামার

59. মুরগীর খামার

60. কবুতরের খামার

61. বায়োগ্যাস

62. কয়েলের ব্যবসা

63. মোমবাতি তৈরি

64. গিফট আইটেম সেল

65. বেবী খেলনা ইম্পোর্ট করা

66. নিজ জেলায় ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট

67. স্যানেটারি ন্যাপকিন

68. কসমেটিক্স ইম্পোর্ট

69. নিজ থানায় বাচ্চাদের আইটেম নিয়ে দোকান

70. ডেইরি ফার্ম

71. জুয়েলারি ব্যবসা

72. কার ওয়াশ

73. লন্ড্রি অনলাইন সার্ভিস

74. ইন্টরিয়ার ডিজাইন

75. ইলিশ মাছের বিভিন্ন আইটেম নিয়ে খাবারের দোকান

76. নন ওভেন টিস্যু ব্যাগ তৈরি

77. কাগজের ব্যাগ তৈরি

78. কাগজের প্যাকেট তৈরি

79. প্রিন্টিং ব্যবসা

80. স্টক লটের ব্যবসা

81. আধুনিক ফার্মেসী

82. গুড়া মসল্লার ব্যবসা

83. ফার্নিচার তৈরি

84. ফার্নিচার হোলসেল

85. চিড়ার ফ্যাক্টরি

86. মুড়ির ফ্যাক্টরি

87. সিরামিক টাইলস এর দোকান

88. সিরামিক সামগ্রী

89. বিশুদ্ধ পানি সাপ্লাই ব্যবসা

90. ঠিকাদারি ব্যবসা

91. ম্যান পাওয়ার সাপ্লাই

92. বিভিন্ন ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং

93. চা পাতার ব্যবসা

94. ঘরে তৈরি খাবারের ব্যবসা

95. কপি শপ

96. ফাস্ট ফুড

97. লেদার নিয়ে কাজ করা

98. নিজ জেলায় বিভিন্ন পণ্য হোলসেল দেওয়া

99. ড্রাগন চাষ

100. খেজুর চাষ

101. নারিকেল চাষ

102. কাকড়া চাষ ও রপ্তানি করা

103. ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি

104. ভ্রাম্যমাণ রেস্টুরেন্ট

105. চকলেটের দোকান

106. চকলেট ইম্পোর্ট করা

107. বেকারি ব্যবসা

108. পুরাতন ঐতিহ্যবাহী খাবারের ব্যবসা

109. বিল্ডিং তৈরির বিভিন্ন সরজামাদি সাপ্লাই দেওয়া

110. শোপিস তৈরির ব্যবসা

111. নিজ এলাকায় আইটি ফার্ম

112. অনলাইনে রেল, এয়ার ও বাসের টিকেট ব্যবসা

113. স্পোর্টস আইটেমের দোকান

114. স্কুল ব্যাগের ব্যবসা

115. আধা রসুনের পেষ্ট তৈরি

116. পটেটো চিপস তৈরি

117. ডেলিভারি ম্যান বা সিকিউরিটি বয় সার্ভিস

118. এপসের মাধ্যমে ক্লিনার ও কাজের বুয়া সার্ভিস

119. ডিম উৎপাদনে মুরগির খামার

120. চেইন শপের ব্যবসা

121. মৌমাছি পালন

122. সেলুন ব্যবসা

123. একুরিয়াম শপ

124. খাতা বানানোর কারাখানা

125. মানি ব্যাগ তৈরি

126. ডে-কেয়ার সার্ভিস

127. বাঁশ ও বেতের তৈরি সামগ্রী

128. ঝিনুক থেকে চুন

129. বিভিন্ন ফলের বীজ সংগ্রহ ও বিক্রি

130. সবজির বীজ সংগ্রহ ও বিক্রি

131. জিম আইটেম সেল

132. জিমনিসিয়াম দেওয়া নিজ এলাকায়

133. পার্লার ব্যবসা

134. জি আই পাইপ তৈরি

135. মিনি সুগার মিল

136. আটা, ময়দা ও সুজির মিল

137. সয়াবিন রিফাইন

আপনার কোনটা?
লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলে যাবেন না।

মাত্র ১০ হাজার টাকা নিয়ে করতে পারেন ডোমেইন+হোস্টিং ব্যবসা-হোস্টিং কিনলে ডোমেইন ফ্রি!!com .xyz .top .mobi .info/১টি (প্রথ...
26/07/2019

মাত্র ১০ হাজার টাকা নিয়ে করতে পারেন ডোমেইন+হোস্টিং ব্যবসা-

হোস্টিং কিনলে ডোমেইন ফ্রি!!
com .xyz .top .mobi .info/১টি (প্রথম বছরের জন্য)

সীমিত সময়ের জন্য, অফারটি পেতে নিচের কোডটি ব্যবহার করুন-

প্রমোশন কোড- eidoffer

এখনি রেজিস্ট্রেশন করুনঃ- http://clients.ekushey.info/
সাইট ভিজিটঃ- www.ekushey.info
ফেসবুকঃ- www.facebook.com/ekusheyit/
কলঃ- 01711324660, 01715292015

এ ছাড়াও সহজে ডোমেইন রিসেলার দিয়ে থাকি !

মানিব্যাগ তৈরির কারখানা দিতে চাইলে খুব বেশি পুঁজির প্রয়োজন হয় না। আর প্রশিক্ষণের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন নিজ এলাকার বি...
11/08/2018

মানিব্যাগ তৈরির কারখানা দিতে চাইলে খুব বেশি পুঁজির প্রয়োজন হয় না। আর প্রশিক্ষণের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন নিজ এলাকার বিসিক অফিসে। এ ছাড়া জিঞ্জিরা, নাখালপাড়া, কামরাঙ্গীরচর, রায়েরবাজার, কোনাপাড়া, যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদের বাদল সরদারের গলিতে আছে বেশ কিছু কারখানা। চাইলে সেখানে যোগাযোগ করে দেখে নিতে পারেন তৈরির পদ্ধতিও। তৈরির পদ্ধতি খুব বেশি ঝামেলার না হওয়ায় দু-তিন দিন দেখে নিলেই হবে।

যেভাবে শুরু করবেন: – পুঁজি কম হলে নিজে এবং বেশি হলে কর্মচারী নিয়ে শুরু করতে পারেন। এর জন্য ১০-১২ বর্গফুটের ঘর হলেই চলবে।কাঁচামালের খোঁজে যেতে হবে ঢাকার হাজারীবাগ, বংশাল ও সিদ্দিকবাজারে। এসব জায়গা থেকে চামড়াসহ অন্য সব কিছুই পাবেন।

মানিব্যাগের কারখানা করতে কী কী লাগবে: – একটা চামড়া বা রেকসিন সেলাই উপযোগী মেশিন। আর লাগবে একটা প্রেশার ডাইস মেশিন। টেবিল বা পিঁড়ি, কাটিং ছুরি, কাঁচি, লাঠি, হাতুড়ি এসব যন্ত্রপাতি হলেই চলবে। আর কাঁচামালের মধ্যে লাগবে চামড়া, রেকসিন, রানার, জিপার, সুতা, পেস্টিং সলিউশন, আস্তর, বোতাম, কাপড়, নেট, পেপার ও সেলুলয়েড পেপার।

কিভাবে বানায়: – চামড়া কিংবা রেকসিনকে মানিব্যাগের মাপে কাটতে হয়। রেকসিন হলে ভেতরে কাগজ দেওয়া হয়। আর চামড়া হলে এগুলোকে মাপমতো কাটা হয়। এরপর ব্যাগের ওপরের অংশে গরম ডাইসের চাপ দিয়ে বিভিন্ন নামাঙ্কিত ছাপ দেওয়া হয়। ছবি রাখার জন্য পকেটে সেলুলয়েড পেপার দেওয়া হয়। সেলাই মেশিন দিয়ে সেলাইয়ের পর দুই পাশ থেকে টেনে টিপ বোতাম লাগানো হয়। হাতুড়ি দিয়ে বোতাম লাগানো হয়। এ ছাড়া রেকসিন ও চামড়া অথবা কাগজের সঙ্গে জোড়া লাগাতেও আঠা ব্যবহার করা হয়।

কাঁচামালের দাম কেমন: – মানিব্যাগ বানাতে সাধারণত ছোটখাটো ও টোটা-ছেঁড়া চামড়া ব্যবহার করা হয়। এগুলোর দামও কম। গরু বা ছাগলের মাথা বা পায়ের দিকের ছোট চামড়াগুলো ২০ থেকে ৩০ টাকা পিস হিসেবে কিনতে পাওয়া যায়। আর ফুট হিসেবে কিনলে পাঁচ থেকে ১০ টাকা ফুট দরে কেনা যাবে। রেকসিনের মানিব্যাগ বানাতে রেকসিন কিনতে পারেন বংশাল থেকে। সোয়া এক গজের রেকসিনের দাম পড়বে ৭০০ টাকা। জিপার কিনতে হবে দুই থেকে আড়াই টাকা গজ দরে। জিপারের রানার পড়বে প্রতিটি ৪৫ পয়সা থেকে শুরু করে এক টাকার মধ্যে।

সুতা ৩০ টাকা এক রিল, পেস্টিং সলিউশন তিন লিটারের বোতল ৭০০ টাকা। আস্তর বা পলিশ নিজেই বানিয়ে নিতে হবে। বোতাম এক গ্রুস বা ১৪৪ পিস ১৫০ টাকা। চাইলে পুরনো কাপড় কাজে লাগাতে পারেন, আবার নতুন পলিয়েস্টার কাপড়ও কিনে নিতে পারেন, দাম পড়বে আট থেকে ১০ টাকা গজ। একটা পেপারশিট পড়বে ১০ টাকা। আর নেট পড়বে চার টাকা গজ। সেলুলয়েড পেপার সংগ্রহ করা যাবে সিদ্দিকবাজার থেকে। প্রতিটি পাঁচ টাকা করে। সেলাই মেশিনের দাম পড়বে সাত-আট হাজার টাকা। ডাইস মেশিন ২০ হাজার টাকা। আপনার ডিজাইন ও চাহিদামতো প্রতিবারের ডাইস বানাতে পড়বে ৫০০ থেকে এক হাজার টাকা।

কোথায় কী পাওয়া যাবে: – চামড়া কিনতে পারবেন সিদ্দিকবাজার, বংশাল রোড, নাজিমউদ্দিন রোড এবং হাজারীবাগ থেকে। নাজিমউদ্দিন রোড বা বংশাল ঘুরে একটি পুরনো সেলাই মেশিন কিনে নিতে পারেন। তবে নতুন আর পুরনোতে দামের পার্থক্য খুবই কম। তাই নতুনটাই কিনে ফেলুন। প্রেশার ডাইস মেশিন কিনতে পারেন জিঞ্জিরা কিংবা লালবাগ অথবা সিদ্দিকবাজার থেকে।টেবিল বা পিঁড়ি বানিয়ে নিতে পারেন বাড়ির পাশের কাঠমিস্ত্রির কাছ থেকে।

কাটিং ছুরি, কাঁচি কিনতে পারেন চকবাজার অথবা শাহজাহানপুর থেকে। হাতুড়ি কিনতে যেতে পারেন নবাবপুর অথবা ঠাটারীবাজার। কারওয়ান বাজারেও অনেক কামারের হাতুড়ি ও কাঁচির দোকান আছে। প্রয়োজনীয় কাঁচামাল লাগবে চামড়া, রেকসিন, রানার, জিপার, সুতা, পেস্টিং সলিউশন, আস্তর, বোতাম, কাপড়, নেট, পেপার ও সেলুলয়েড পেপার। এগুলো একই দোকান থেকে কেনা যাবে। এর জন্য যেতে হবে ঢাকার সিদ্দিকবাজার অথবা বংশালে।

কাজ কেমন পাওয়া যায় বা আয় কেমনসব মিলিয়ে একটা খাঁটি চামড়ার মানিব্যাগ তৈরিতে খরচ পড়ে ৬০ থেকে ৮০ টাকা। বিক্রি করা যায় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। রেকসিনে বানানো মানিব্যাগগুলো তৈরিতে খরচ পড়ে ২০ থেকে ৫০ টাকা। বিক্রি করা যায় ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। সব মিলিয়ে দুজন কর্মচারীসহ সব খরচ মিটিয়ে মাসে ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব।

সব শ্রেণির মানুষের কাছেই রাবারের স্যান্ডেলের চাহিদা রয়েছে। অল্প বিনিয়োগ করে স্যান্ডেলের কারখানা স্থাপন করে আপনিও হতে পার...
11/08/2018

সব শ্রেণির মানুষের কাছেই রাবারের স্যান্ডেলের চাহিদা রয়েছে। অল্প বিনিয়োগ করে স্যান্ডেলের কারখানা স্থাপন করে আপনিও হতে পারেন সফল উদ্যোক্তা। চআমাদের প্রাত্যহিক জীবনে আমরা প্রায় সবাই রবারের স্যান্ডেল ব্যবহার করে থাকি। বিশেষ করে আমাদের দেশের গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারীরা প্রায় সারা বছরই রবারের স্যান্ডেল ব্যবহার করে। বর্ষাকালে বৃষ্টির পানিতে গ্রামের রাস্তাঘাট কর্দমাক্ত হয়ে যায়।

কাদা-পানিতে চামড়া ও কাপড়ের স্যান্ডেল সহজেই নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু রবারের তৈরি স্যান্ডেল সহজে নষ্ট হয় না। এ জন্য গ্রামে রবারের স্যান্ডেল খুব জনপ্রিয়। এ ছাড়া বর্ষাকালে শহরের মানুষও রবারের স্যান্ডেল ব্যবহার করে। শীতকালেও কমবেশি এর চাহিদা থাকে। বলা যায়, সব শ্রেণীর মানুষের কাছে এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে। বিস্তারিত।

প্রশিক্ষণ: রবারের স্যান্ডেল তৈরির জন্য তেমন প্রশিক্ষণের প্রয়োজন নেই। তবে ব্যবসা শুরুর আগে কিছুদিন রবারের স্যান্ডেল তৈরির কারখানায় কাজ করলে কাজটা শিখে নেওয়া যাবে এবং ব্যবসার খুঁটিনাটি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।

স্থান নির্বাচন: রবারের স্যান্ডেল উৎপাদনের জন্য কারখানা স্থাপন করতে হবে। যেখানে সড়ক বা নদীপথে মোটামুটি ভালো যোগাযোগব্যবস্থা আছে সে রকম জায়গায় রবারের স্যান্ডেল তৈরির কারখানা স্থাপন করতে হবে। এ ছাড়া এ প্রকল্পের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা আছে সে রকম এলাকায় কারখানা স্থাপন করতে হবে।

মূলধন: রবারে স্যান্ডেল তৈরির জন্য স্থায়ী উপকরণ কিনতে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার প্রয়োজন হয়। এ ছাড়া ২০০ জোড়া স্যান্ডেল তৈরির জন্য ৬ হাজার ১০ থেকে ৬ হাজার ৪৬৫ টাকার প্রয়োজন হবে। কারখানা স্থাপনের সময় জমি, পজিশন ইত্যাদির জন্য আলাদা টাকার প্রয়োজন হবে।

তাই চার-পাঁচজন উদ্যোক্তা একসঙ্গে মিলে রবারের স্যান্ডেল তৈরির প্রকল্প শুরু করা যেতে পারে। যদি ব্যক্তিগত পুঁজি না থাকে, তাহলে মূলধন সংগ্রহের জন্য নিকটাত্মীয়স্বজন, ব্যাংক বা বেসরকারি ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে। এসব সরকারি, বেসরকারি ব্যাংক ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান (এনজিও) শর্ত সাপেক্ষে ঋণ দিয়ে থাকে।

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও উপকরণ: রবারের স্যান্ডেল তৈরিতে খুব একটা দামি যন্ত্রপাতি লাগে না। কিছু স্থায়ী যন্ত্রপাতি কিনতে হবে। যেমন; রোলার, হান্টার, কাটার মেশিন, হাইড্রোলিক প্রেস, সেলাই মেশিন, হাতুড়ি, ডাইস বা ডিজাইন মেশিন, ফ্রেম মেশিন ইত্যাদি।

ছোট আকারে শুরু করার জন্য ৭০-৮০ হাজার টাকা যন্ত্রপাতি কেনা বাবদ ব্যয় করতে হবে। লাগবে রবার, রেক্সিন, চায়না কে, পেস্টিং, ফোম, বেলি, মবিল প্রভৃতি কাঁচামাল। পুরান ঢাকার সিদ্দিকবাজার, জুরাইন, চকবাজার, মালিটোলায় ও চট্টগ্রামের সদরঘাটের দারোগাহাট রোডে এসব যন্ত্রপাতি ও উপকরণ পাওয়া যাবে।

প্রস্তুত প্রণালি: রবারের স্যান্ডেল তৈরির জন্য প্রথমে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সংগ্রহ করতে হবে। কাঁচামাল সংগ্রহের পর তা পরিশোধন করতে হবে। এর পর ইভা ক্যালসিয়াম, রবার বেল, চায়না কে, ক্যালসিয়াম ও এভি ক্যালসিয়াম মিকশ্চার মেশিনে নিয়ে ভালোভাবে মেশাতে হবে এবং মন্ড তৈরি করতে হবে। মন্ড রোলার মেশিনে দিয়ে সরু রবার শিট তৈরি করতে হবে এবং তা এক জায়গায় করতে হবে। সরু রবার শিটগুলো এর পর হাইড্রোলিক প্রেসে দিয়ে পরিপূর্ণ রবার শিট উৎপাদন করতে হবে।

নিজে তৈরি না করলে বাজার থেকে রবার শিট মিটার হিসেবে কিনে নিতে হবে। রবারের স্যান্ডেল তৈরির আগে মাপ অনুযায়ী ডাইস তৈরি করে নিতে হবে। এবার ডাইসে বসিয়ে কাটার মেশিনের সাহায্যে স্যান্ডেলের নিচের সোল তৈরি করতে হবে। সোল তৈরি হয়ে গেলে রোলার দিয়ে পালিশ করে নিতে হবে। শেষে রবারের শিট কেটে বিভিন্ন মাপ অনুযায়ী ফিতা তৈরি করে স্যান্ডেলে লাগাতে হবে।

স্যান্ডেল তৈরির সময় মাপ ঠিক রেখে বানাতে হবে। মাঝারি মানের স্যান্ডেল বেশি বানাতে হবে। খুব বড় বা ছোট মাপের স্যান্ডেল বেশি তৈরি না করাই ভালো। মোটামুটি গড় মাপের কথা চিন্তা করে রবারের স্যান্ডেল তৈরি করতে হবে। স্যান্ডেল তৈরি কারখানার বর্জ্য পদার্থ পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই যথাযথভাবে বর্জ্য নিষ্কাশন এবং পরিবেশের যাতে কোনো ক্ষতি না হয় সেই বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।

বাজারজাতকরণ: পাইকারি দরে কারখানা থেকে স্যান্ডেল কেনেন ব্যবসায়ীরা। নিজস্ব খুচরা বিপণনব্যবস্থা থাকলে নিজেই খুচরা বিক্রি করা সম্ভব।

আয়: অন্যান্য ব্যবসার মতো স্থায়ী উপকরণগুলো একবার কিনলেই চলে। ব্যবসার শুরুতেই যেহেতু এ খরচ হয়ে যায়, তাই পরবর্তী সময় শুধু কাঁচামাল আর শ্রমিকের মজুরি দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে নেওয়া সম্ভব।

সাধারণত একজন কারিগর দৈনিক তিন থেকে চার ডজন স্যান্ডেল তৈরি করতে পারেন। প্রতি ডজন স্যান্ডেলের সব খরচ বাদ দিলে ৪০-৫০ টাকা লাভ থাকে। ভালোভাবে কারখানা চালালে মাসে ৪০-৫০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব।

পার্ট টাইম ব্যবসা বলতে সেই সকল ব্যবসাকে বোঝাঁয় যখন আপনি এক বা একাধিক কাজ করছেন এবং তার সাথে সাথে আরো একটি ব্যবসা করছেন। ...
11/08/2018

পার্ট টাইম ব্যবসা বলতে সেই সকল ব্যবসাকে বোঝাঁয় যখন আপনি এক বা একাধিক কাজ করছেন এবং তার সাথে সাথে আরো একটি ব্যবসা করছেন। ধরুন আপনি সকাল ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্ত অফিস করছেন, তার পরের সময়ে নিজ এলাকায় দোকান চালাচ্ছেন। আবার হতে পারে আপনার একটি সেলুন ব্যবসা আছে যেখানে আপনাকে সারাদিন থাকতে হয় না। অর্থাৎ পার্ট টাইম ব্যবসা বা সাইড ব্যবসা সব থেকে বড় গুন হচ্ছে অন্য কাজের সাথে ব্যবসা পরিচালনা।

কর্মজীবন শুরু করার জন্য একটি আদর্শ প্লাটফর্ম হলো ব্যবসা। আর সেই ব্যবসা যদি হয় চাকরি অথবা লেখাপড়ার পাশাপাশি তাহলে তো এর চেয়ে ভালো আয়ের মাধ্যম আর হতে পারেনা । পার্ট টাইম বা সময়োপযোগী ব্যবসা এমন একটি আয়ের মাধ্যম যা আপনি ঘরে বসেই অত্যন্ত ক্ষুদ্র পরিসরে শুরু করতে পারেন । এমন ১৫ টি পার্ট টাইম ব্যবসা নিয়েই আলোকপাত করব আজকের আলোচনায় ।

টি শার্ট ব্যবসা: বর্তমান আধুনিকতার যুগে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সময়োপযোগী ব্যবসা হলো টিÑশার্ট ব্যবসা । বিশেষ করে তরুন ব্যবসায়ীদের কাছে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ব্যবসা হিসেবে পরিগনিত হতে পারে ।

মগ প্রিন্ট ব্যবসা: মগ প্রিন্ট এর জন্য নির্ধারিত মেশিন কিনে অত্যন্ত সহজেই এ ব্যবসা আরম্ভ করা যেতে পারে । নিজের বাসগৃহ কিংবা ছোট দোকানেই জনপ্রিয় এ ব্যবসাটি শুরু করা যেতে পারে ।

সাপ্লাই ব্যবসা: এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুরাতন ও সফল একটি ব্যবসাখাত । এটি একটি সম্ভাবনাময় ব্যবসাক্ষেএ। শুরু করার পরে সারা বিশ্বব্যাপী এ ব্যবসাটি বিস্তৃত করা যেতে পারে । গৃহস্থালীর নানা ব্যবহার্য্য পন্য এবং হাটবাজার মেলার বিভিন্ন পন্য সরবরাহ করে শুরু করা যেতে পারে এ ব্যবসা ।

৯৯ গিফট শপ: ক্ষুদ্র ইনভেস্টমেন্ট আর স¦ল্প পরিসরে জায়গা নিয়ে শুরু করা যেতে পারে এ ব্যবসা। বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পন্য, খেলনা, কসমেটিক্স, গহনা, থ্রী পিস, গিফট আইটেম ইত্যাদি নিয়ে প্রাথমিক ভাবে এ ব্যবসা শুরু করা যায়।

স্টুডিও: স্টুডিও ব্যবসার জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। অল্প সময়ে ছবি তোলা যায় বলে এটি একটি লাভজনক ব্যবসার খাত হিসেবে পরিচিত ।
লন্ড্রি শপ: শহর এবং গ্রামাঞ্চলে সমানভাবে জনপ্রিয় এ ব্যবসা। তরুন ব্যবসায়ীদের জন্য দারুন সম্ভাবনাময় খাত এটি ।

প্রিন্টিং প্রেস: অত্যন্ত সহজ ও লাভজনক হওয়ায় খুব সহজেই একটি প্রিন্টিং মেশিন দিয়ে শুরু করা যায় এ ব্যবসা। এটি খুব ক্ষুদ্র পরিসরেই শুরু করা যেতে পারে ।

ফ্যাশন হাউস: ফ্যাশন সচেতন তরুনদের কাছে খুব চ্যালেঞ্জিং একটি ব্যবসা খাত এটি । যে কোনো শপিংমল অথবা র্মাকেটে অল্প জায়গাতে সহজে শুরু করা যেতে পারে এ ব্যবসা ।

ফার্মেসি ব্যবসা: এটি অত্যন্ত সম্মানজনক ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসাক্ষেএ। এখানে কম পুঁজি বিনিয়োগ করে সহজেই লাভবান হওয়া যায়। এই ব্যবসা শুরু করতে হলে অভিজ্ঞতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

কম্পিউটার বেসড আইটি সেন্টার: একটি কম্পিউটার এবং নিরবিছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করে সহজেই এই লাভজনক ব্যবসাটি শুরু করা যেতে পারে। অতিক্ষুদ্র পুঁজিতেই এই ব্যবসা শুরু করা যায়।

কোয়েল পালন: অল্প পুজিঁ, ছোট পরিসরে জায়গা নিয়ে পারিবারিকভাবে শুরু করা যেতে পারে একটি কোয়েল ফার্ম। এটি অত্যন্ত লাভজনক একটি ব্যবসাক্ষেএ হিসেবে পরিচিত।

সবজী চাষ: শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণে শাকসবজির গুরুত্ব অপরিসীম। প্রাথমিক প্রশিক্ষন আর সল্প পুজিঁ নিয়ে পতিত জমিতে শাকসবজি উৎপাদন শুরু করা যেতে পারে। বাজারে চাহিদার নিরিখে বিভিন্ন শাকসবজি যেমন ফুলকপি, বাধাকপি, লালশাক, আলু ইত্যাদি চাষ করা যেতে পারে।

কোচিং সেন্টার: স্কুল কলেজগামী ছাএছাএীদের জন্য কোচিং সেন্টার খুলে অত্যন্ত সহজ ও সম্মানিত এ পেশাটি গ্রহন করা যেতে পারে । এটি খুবই চ্যালেঞ্জিং একটি পেশা।

মিডিয়া ম্যান: সোশাল মিডিয়া কে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন কোম্পানি বা সংস্থাকে সাহায্য করে শুরু করা যেতে পারে এ ব্যবসা । এ ধরনের কাজগুলো যে কোন পেশার মানুষের জন্যই সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।

ইলেকট্রনিক্স সার্ভিসিং সেন্টার: আপনার যদি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স পণ্য মেরামতে অভিজ্ঞতা তৈকে থাকে তাহলে আপনার বাড়িতে সহজেই খুলতে পারেন একটি ইলেকট্রনিক্স সার্ভিসিং সেন্টার।

আবাসন খাতের চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সংগতি রেখে বেড়ে চলছে নির্মাণ সামগ্রী চাহিদা। গ্রাম এবং শহর সবর্ত্রই নিমার্ণ সামগ্রী এর ব...
11/08/2018

আবাসন খাতের চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সংগতি রেখে বেড়ে চলছে নির্মাণ সামগ্রী চাহিদা। গ্রাম এবং শহর সবর্ত্রই নিমার্ণ সামগ্রী এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আবাসিক বাড়ি বা অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণে নির্মাণ সামগ্রীর বিকল্প নেই। নির্মাণ সামগ্রীর প্রধান উপকরণ ইট, বালু, সিমেন্ট, রড ইত্যাদির পাশাপাশি ভেনটিলেটর, ছোট পিলার, বালতি, কনুই এই সকল পণ্যের সমাহার ঘটিয়ে যেকোনো পরিশ্রমী ও আত্মত্যয়ী উদ্যোক্তা লাভজনক এ ব্যবসাটি প্রতিষ্ঠা করতে পারেন।

মাঝারি মানের মূলধন আর নির্মাণ উপকরণ গুলো সংরক্ষণের জন্য ছোট একটি স্থান হলে দিব্যি চালিয়ে যেতে পারেন ব্যবসাটি। নির্মাণ সামগ্রীর ব্যবসা করে নিজের একটি সম্মানজনক কর্মসংস্থানের পাশাপাশি দক্ষ মিস্ত্রি এবং নির্মাণ শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে বহু লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সততা, পরিশ্রম আর কর্মনিষ্ঠা এই ব্যবসাটি আপনাকে সফল ও লাভবান হতে সহায়তা করবে। তাই, যেকোনো তরুণ ও বেকার উদ্যোক্তা নিশ্চিত বিনিয়োগ করে এ ব্যবসাটি নির্বাহ করতে পারেন।

যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো এবং প্রচুর লোক সমাগম হয় এমন কোন বাজারে এই ব্যবসাটি শুরু করা যায়। তবে ব্যবসার স্থান নির্ধারণ করার সময় সামনে কিছুটা বড় জায়গা থাকা জরুরী। জানুন ব্যবসা শুরু করার উত্তম সময় কখন? এই ব্যবসাটি শুরু করতে আনুমানিক ৫,০০,০০০ টাকা থেকে ২০,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত পুজিঁ বিনিয়োগ করতে হবে। যদি পুরাতন মালামাল ক্রয় করেন তবে টাকার পরিমাণ আরো কম লাগবে।

প্রথমেই এই ব্যবসাটি শুরু করার জন্য একটি উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করা জরুরী। তারপর কোন পণ্যটি তৈরী করবেন তা নির্ধারণ করতে হবে। সিমেন্ট, বালি ও পানি পরিমাণমতে মিশিয়ে এই সকল পণ্য গুলো তৈরী করত হয়। পরিমাণমতো কাচাঁমাল ডাইসে ঢেলে, কাচাঁমাল শক্ত হয়ে গেলেই তৈরী পণ্য তৈরী হয়ে যায়। ডাইসের ভিতর কেরোসিন মিশিয়ে নিতে হবে যেন কাচাঁমাল ডাইসে লেগে না যায়। পণ্য তৈরী হয়ে গেলে পণ্যটি ৪ বা ৫ দিন পানিতে ডুবিয়ে রাখতে। তারপর এই পণ্য গুলো বাজারজাত করা হয়ে থাকে।

যারা বাড়ি- ঘর নির্মাণ করেন সে সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানই এই ব্যবসার প্রধান গ্রাহক। এই ব্যবসায় গ্রাহকই আপনার কাছে ছুটে আসবে। তাই গ্রাহক পাবেন কি পাবেন না এই সম্যাসা নেই। তবে হ্যা, কাজের মান খারাপ হলে নতুন গ্রাহক পেতে সম্যাসা হবে। এই ব্যবসাটি শুরু করতে তেমন কোন যোগ্যতার দরকার হয় না। ব্যবসাটি শুরু করে প্রতি মাসে ৫০,০০০ টাকা থেকে ১,৫০০০০ টাকা পর্যন্ত লাভ করা সম্ভব।

পুরাতন টায়ার ব্যবহারের পর একসময় ফেলে দেওয়া হত। কিন্তু এটাকে এখন পুনঃব্যবহার উপযোগী করে ব্যবহার করা ছাড়াও করে পুড়িয়ে মূল্...
11/08/2018

পুরাতন টায়ার ব্যবহারের পর একসময় ফেলে দেওয়া হত। কিন্তু এটাকে এখন পুনঃব্যবহার উপযোগী করে ব্যবহার করা ছাড়াও করে পুড়িয়ে মূল্যবান জ্বালানী তেল বের করা হচ্ছে। সেই সাথে উৎপাদিত হচ্ছে ছাপার কাজে ব্যবহারযোগ্য কালি। আপনিও চাইলে এধরনের ব্যবসায় স্থাপন করে ঘুরিয়ে নিতে পারেন আপনার ভাগ্যের চাকা।

বাজারের ফার্ণেস অয়েলের তুলনায় টায়ারের অয়েলের উৎপাদন খরচ অনেক কম। তাই এ তেলে লাভ অনেক বেশি থাকবে। এ ধরনের একটি কারখানা থেকে দৈনিক গড়ে ৩-৪শ’ লিটার জ্বালনি তেল উৎপাদন সম্ভব। অব্যবহৃত পুরাতন টায়ার গলিয়ে তৈরি হচ্ছে ফার্ণেস অয়েল যা কলকারখানা, যানবাহন ও অ্যালুমিনিয়াম কারখানায় ব্যবহার করা যায়।

প্রথমেই কারখানার জন্য জমি নির্বাচন করতে হবে। ২-৩ বিঘার একটি জায়গা লাগবে। এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে কারখানার কাজ শুরু করতে হবে। বিভিন্ন যন্ত্রপাতির মধ্যে পরিবেশ দূষণমুক্ত বিশেষ চুল্লি লাগবে। কাঁচামাল হিসেবে লাগবে পুরনো ও বাতিল টায়ার। পুরাতন টায়ার কিনে বিশেষ চুল্লিতে পুড়িয়ে দক্ষ কারিগর দিয়ে ফার্ণেস অয়েল তৈরি হয়। এ ধরনের একটি কারখানায় ১০-১৫ জন শ্রমিক লাগবে।

সম্ভাব্য পুঁজি: ৩০০০০০০ টাকা থেকে ৫০০০০০০ টাকা পর্যন্ত। সম্ভাব্য লাভ: মাসে ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। বাজারজাতকরণ: বিভিন্ন কলকারখানা, যানবাহন, অ্যালুমিনিয়াম কারখানা, প্রেস ও প্রিন্টিং প্রতিষ্ঠান এ পণ্যের ভোক্তা। যোগ্যতা: দক্ষ শ্রমিক নিয়োগ দিতে হবে।বিচক্ষণতার সাথে পরিচালনা করতে হবে।

টায়ার থেকে জ্বালানী তেল উৎপাদনে সফল বগুড়ার বিপ্লব: তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের এই দুর্মূল্যের বাজারে নতুন এক আশার আলো জাগিয়েছেন বগুড়ার বিপ্লব। বাস, ট্রাক, বাই সাইকেল ও মোটর সাইকেলের ফেলে দেয়া পরিত্যক্ত টায়ার থেকে মূল্যবান জ্বালালি তেল উৎপাদন করে তিনি অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত সৃষ্টি করেছেন।

সেইসঙ্গে সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি তেলের যোগান দিতে পারায় বগুড়ায় নতুন করে শিল্পকারখানা গড়ে ওঠার ব্যাপক সম্ভাবনাও সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণকারী যানবাহনের পরিত্যক্ত টায়ার ব্যবসার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে, তেমনি ফেলনা জিনিস থেকে উৎপাদিত মূল্যবান জ্বালানি তেল দিয়ে নতুন শিল্পকারখানায় কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হয়েছে। বাড়ছে বিনিয়োগ সম্ভাবনাও।

পরিত্যাক্ত টায়ার থেকে রীতিমতো ফার্নেস ওয়েল তৈরি হচ্ছে বগুড়াতেই। বিভিন্ন ভারী শিল্পকারখানার জ্বালানি হিসেবে টায়ার থেকে তৈরি ফার্নেস ওয়েল কাজে লাগানো হচ্ছে। টায়ার থেকে উৎপাদিত এই ফার্নেস ওয়েল দিয়ে চলছে বগুড়ার অ্যালুমিনিয়াম শিল্প।

টায়ার থেকে শুধু ফার্নেস ওয়েলই উৎপাদিত হবে না। এই ফার্নেস ওয়েলকে পরিশোধন করে ডিজেল তৈরির পরিকল্পনাও চূড়ান্ত করেছেন বিপ্লব। ধারণা করা হচ্ছে, সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন বগুড়াতেই পরিত্যক্ত টায়ার থেকে উন্নত মানের ডিজেল তৈরি হবে। সাশ্রয়ী মূল্যের সেই ডিজেলে চলবে বাস, ট্রাকসহ নানা যানবাহন। চলবে সেচ পাম্পসহ অন্যান্য মেশিন। এমনকি এখান থেকে রান্নার কাজে ব্যবহৃত গ্যাসও পাওয়া সম্ভব বলে জানালেন উদ্যোক্তা।

টায়ার থেকে শুধু জ্বালানি তেলই উৎপন্ন হচ্ছে না। একইসঙ্গে ছাপাখানাসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত মূল্যবান কালি কার্বনব্ল্যাকও তৈরি হচ্ছে। এছাড়াও টায়ার থেকে বের হওয়া তারগুলো চলে যাচ্ছে ফাউন্ড্রি শিল্পে এবং স্টিল রিরোলিং মিলে। সেখানে তৈরি হচ্ছে মূল্যবান রড। একইসঙ্গে টায়ার থেকে এসব মূল্যবান উপাদান পাওয়ায় এই শিল্পের ব্যাপক সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।

বগুড়ার কাহালু উপজেলার দেওগ্রাম দুর্গাপুর সড়কে আফরুজা বার্নিং ওয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ নামের এই কারখানটি চায়না কারিগরি প্রযুক্তিতে সম্পূর্ণ বর্জ ও পরিবেশ দূষণমুক্তভাবে চলছে। প্রায় এক একর জমির ওপর নির্মিত নতুন এই কারখানাটি পুরোপুরি চালু করা হলে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৩০০ থেকে ৪০০ লিটার জ্বালানি তেল উৎপাদিত হবে বলে জানালেন কারখানার উদ্যোক্তা বিপ্লব।

পরিত্যক্ত টায়ারের পোড়া ছাই উন্নতমানের কার্বনব্ল্যাক হিসেবে ব্যবহার করা হবে প্রেসে প্রিন্টের কাজে ও জুতার কালি, ব্যাটারিসহ বিভিন্ন কাজে। এজন্য এই কারখানার এসব কালি নিতে অনেকই যোগাযোগ করছেন।

বিপ্লবের তথ্যমতে, বাজারে এখন ফার্নেস ওয়েল ৬০ টাকা লিটার। টায়ার থেকে উৎপাদিত তেল তিনি লিটার প্রতি ১৫ টাকা সাশ্রয়ে মাত্র ৪৫ টাকা লিটার বিক্রি করবেন বলে জানান। হাতের কাছে লিটারে ১৫ টাকা সাশ্রয়ে পাওয়া এই জ্বালানি তেলে যেকোনো শিল্প উদ্যোক্তা ব্যাপক লাভবান হওয়ার সুযোগ পাবেন।

উদ্যোক্তা বলছেন, এই শিল্পে সরকার সহযোগিতা করলে গোটা দেশ ও জাতি উপকৃত হবে। কারণ প্রতিদিন বিদেশ থেকে ফার্নেস ওয়েল আমদানিতে সরকারের অনেক বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে। তাছাড়া ফার্নেস ওয়েলে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।

এক্ষেত্রে দেশেই যদি টায়ার থেকে তেল উৎপাদনের এই শিল্পকে বিকশিত করা যায়, তাহলে একদিকে যেমন সরকারকে ভর্তুকি দিতে হবে না, অন্যদিকে তেমনি বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে। সেইসঙ্গে সচল হবে দেশের অনেক বন্ধ হয়ে থাকা কারখানা ও শক্তিশালী হবে দুর্বল ভারী শিল্প কারখানা।

06/07/2018

আজ এমন একটি ব্যবসা নিয়ে আলোচনা করবো, যা অল্প পুজিতে হতে পারে অধিক ইনকামের উপায়। এটা এমন একটি ব্যবসা যা আপনি দেশের যেকোন যায়গা থেকেই করতে পারেন। যেকোন জেলা, অথবা থানাতে অর্থাৎ নিজের এলাকায় বসে এই ব্যবসা করতে পারবেন।

ব্যবসাটি শুরু করতে সর্বোচ্চ এক লক্ষ টাকা অথবা তার কিছু কম অথবা বেশী লাগতে পারে। খুব বেশী এমাউন্ট না। যদি ব্যবসা স্যুট করে তবে দুই মাসেই পুজি উঠে আসতে পারে। যাইহোক, এখন ডিটেইল প্রজেক্ট নিয়ে আলোচনা করি।

ব্যবসাটির নাম দেয়া যায় সাব্লিমেশন প্রযুক্তিতে গিফট আইটেম এর বিজনেস। এটা একটা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং সারা বিশ্বেই প্রচুর জনপ্রিয় । বাংলাদেশেও অনেকেই করছে। কিন্তু তুলনামুলকভাবে অনেক কম। ২০ কোটি মানুষের দেশ আমরা। খোঁজ নিয়ে দেখেন আপনার জেলাতেই হয়ত এই ব্যবসাটা নাই।

এই প্রযুক্তিতে আপনি কাষ্টমারের কাস্টমাইজড ডিজাইন দিয়ে তার টি-শার্ট, মগ, থালা, কাপ, ক্যাপ, মোবাইল ব্যাক কভার, ক্রেষ্ট, ফটো ফ্রেম, টাইলস, ইত্যাদি খুব নিখুত এবং নির্ভুলভাবে প্রিন্ট করে দিতে পারেন। অত্যন্ত জনপ্রিয় এই ব্যবসাটি আপনি নিজে অথবা কোন লোক রেখেও করতে পারেন। আসুন জেনে নেই ব্যবসার খুটিনাটি ।

#মূলধন কেমন লাগবে?
আগেই বলেছি এক লক্ষ টাকার কিছু কম বেশি লাগতে পারে। তবে এটা ডিপেন্ড করে আপনি কি মানের মেশিনারিজ ব্যবহার করতে চান তার উপর৷ আপনি যদি ভালো মানের মেশিন ব্যবহার করেন, তবে টাকা বেশি লাগবে, আর মোটামুটি মানের মেশিন ব্যবহার করলে টাকা কম লাগবে।

#মেশিনারিজ কি কি প্রয়োজন?

একটি কম্পিউটার, একটি 3D সাবলিমেশন মেশিন, একটি হিটপ্রেস মেশিন এবং একটি হাই রেজুলেশন ইনজেক্ট সাবলিমেশন প্রিন্টার।

#ম্যান পাওয়ার
আপনি নিজে। তবে গ্রাফিক্স সফটওয়্যার অপারেট করা জানা থাকতে হবে। নইলে আলাদা গ্রাফিক্স ডিজাইনার রাখতে হবে।

#ব্যবসার স্থানঃ
দেশের যেকোন জায়গায় হতে পারে যেখানে লোকজন আছে। আজকাল সবাই সবাইকে গিফট দেয়৷ বিশেষ করে সারপ্রাইজড গিফট। সুতরাং এই ব্যবসার জন্য জায়গা কোন ফ্যাক্ট না। আপনি আপনার শহরে একটি ছোট্ট দোকান ভাড়া নিয়েই এই ব্যবসা করতে পারেন নিশ্চিন্তে । কাষ্টমার আসবেই।

#আপনার টারগেট কাস্টমার কারা?
ব্যবসার শুরুতেই বন্ধু, বান্ধব এবং আত্মিয়স্বজনকে টার্গেট করুন। এলাকার স্কুল কলেজ, কোচিং সেন্টার গুলোতে একটি আকর্ষণীয় লিফলেট বানিয়ে প্রচার করুন। আর প্রচারের সবচেয়ে বড় জায়গা ফেসবুকতো আছেই। প্রয়োজনে ১ মাস কোম্পানির একটি ভিডিও বানিয়ে পেইড ক্যাম্পেইন করুন।

টি শার্টের জন ব্যবসা যদি শহরকেন্দ্রিক হয় তবে টি শার্টের জন্য বিভিন্ন ইভেন্টের অর্ডার পাবেন নিশ্চিত। কারণ ইভেনেটের টি শার্টগুলো হয় সাধারণত কম কোয়ান্টিটির, যা প্রিন্ট ফ্যাক্টরিতে প্রিন্ট করা অনেক ঝামেলা। কস্টিং বেড়ে যায়। সেই ক্ষেত্রে এই অর্ডারগুলো পাওয়া যায়। তাছাড়া কাস্টমারের কাস্টমাইজড করা ডিজাইনের টিশার্টের ব্যবসা দিনের পর দিন জনপ্রিয় হচ্ছে।

#মেশিনারিজ কিনবেন কোথা থেকে?

কম্পিউটারতো যেকোন কম্পিউটার মার্কেট থেকেই কিনতে পারবেন। হিটপ্রেস মেশিন পাবেন পুরান ঢাকায়। আর 3D সাবলিমিশন মেশিন এবং ইনজেক্ট সাবলিমিশন প্রিন্টার আনার জন্য আপনাকে যেকোন ইম্পোর্টারের হেল্প নিতে হতে পারে। যদি কাউকেই না পান, তবে আমাদের নক করতে পারেন। আমরা পুরো প্রজেক্ট সেটআপ করে দিবো।

কাচামাল কোথায় পাবেন?
হিট ট্রান্সফার পেপার, সাবলিমেশন ইংক, সাবলিমেশন মগ, কাপ, প্লেট, ব্যাচ ইত্যাদি পাওয়া যাবে চক বাজার এবং পুরানা পল্টনে।

অল্প পুজিতে ভালো এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যবসা করতে চাইলে এই ব্যবসাটি হতে পারে আপনার জন্য পারফেক্ট ব্যবসা। ইন্ডিয়াতে অনেকেই এই ব্যবসা করে রাতারাতি বড়লোক হয়ে গেছে, শুধুমাত্র মোবাইলের ব্যক কভার বিক্রি করেই অনেকে প্রচুর টাকা পয়সা ইনকাম করেছে। একটা শুরু করলে সেটা থেকেই আরো নতুন নতুন আইডিয়া পাবেন নিশ্চিত।

কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে করুন। ইনবক্স করলে সাথে সাথে উত্তর দিতে পারবোনা। তবে দেড়িতে হলেও উত্তর পাবেন এটা নিশ্চিত।

Address

Zigatola
Dhaka
1209

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নতুন ব্যবসায় আইডিয়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to নতুন ব্যবসায় আইডিয়া:

Share