Android Devs. Community ।এন্ড্রয়ড জোন ।

Android  Devs. Community  ।এন্ড্রয়ড জোন । Its a zone for all Android User and Developers. We like to play with your Android with Great Care. We Are Here to Make Your Android as u want.

Its A zone For all Related Android Or your Cellphone and many more.You can get instantly any solution from here.If you need any paid apps or any customize apps just post your query at our page, you will got that instantly.Moreover If you need any query or any problem or you want to make your Android as your wish just call us...........

14/03/2018

সাময়িক কিছু সম্যসার জন্য আমরা বেশ কিছু দিন এক্টিভ ছিলাম না ।

যাই হোক , এখন থেকে আমরা আবার নিয়মিত আর সাথে আমাদের দেভ কমিটি তো থাকছেই

24/02/2017

we back again !!! hello all...any Android related question/ help needed???

এক নজরে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ এর স্পেসিফিকেশন ও সুবিধাস্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬-----------------------------------------...
22/07/2016

এক নজরে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ এর স্পেসিফিকেশন ও সুবিধা
স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬
---------------------------------------------------------------------------------------

ফ্ল্যাগশিপ ফোনের সংজ্ঞাটা আমরা প্রায় সবাই বুঝি। প্রত্যেক স্মার্টফোন নির্মাতা কোম্পানিই বছরে অন্তত একটি করে ফ্ল্যাগশিপ ফোন বাজারে এনে থাকে, যার মধ্যে কোম্পানিটি সর্বশেষ প্রযুক্তিগত সব চমক দিয়ে ক্রেতাকে আকৃষ্ট করতে চেষ্টা করে। কিন্তু অ্যান্ড্রয়েড জগতে ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলোর ভিড়ে গত কয়েক বছর ধরেই শীর্ষস্থান দখল করে রেখেছে স্যামসাং-এর গ্যালাক্সি এস সিরিজ। এইচটিসি বা সনির ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলোও জনপ্রিয়তা পিছিয়ে না থাকলেও হাই-এন্ড ফোন কিনতে গেলে বেশিরভাগ মানুষেরই প্রথম পছন্দ থাকে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস সিরিজের ফোন। আর সম্প্রতি সবার অপেক্ষার ইতি টেনে স্যামসাং ঘোষণা করেছে নতুন ফ্ল্যাগশিপ ফোন, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ ।

কোরিয়ান প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা কোম্পানিটি আজ স্পেনের বার্সেলোনায় শুরু হওয়া মোবাইল ফোন ভিত্তিক বছরের অন্যতম আয়োজন ‘মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে’ আনুষ্ঠানিকভাবে অবমুক্ত করেছে তাদের নতুন ফ্ল্যাগশিপ ফোনটি। এর আগের স্যামসাং-এর বড় আকারের রিলিজ গ্যালাক্সি নোট ৪ এর মতোই এবারও গ্যালাক্সি এস ৬ এর পাশাপাশি বাঁকানো ডিসপ্লের গ্যালাক্সি এস৬ এজ-এর ঘোষণা দিয়েছে স্যামসাং। গ্যালাক্সি নোট ৪ এজ বাজারে খুব একটা সাড়া ফেলতে না পারলেও নতুন ধরনের এই ফোন নিয়ে আশাবাদী স্যামসাং। আর তাই ফ্ল্যাগশিপ ফোনেরও একটি এজ সংস্করণ তৈরি করেছে তারা।

আর কথা না বাড়িয়ে চলুন প্রথমেই দেখে নেয়া যাক গ্যালাক্সি এস৬ এর হার্ডওয়্যার স্পেসিফিকেশন ও অন্যান্য বিশেষত্ব।

গ্যালাক্সি এস৬ ডিজাইন

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ এর ডিজাইন নিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই ইন্টারনেট জগতে একের পর এক ছবি ও তথ্য ফাঁস হয়েছে, আর তার প্রায় সবগুলোকেই সত্য প্রমাণিত করেছে মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে আজ ফোনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। গ্লাস ও মেটালের সংমিশ্রণে খানিকটা ভিন্ন ধরনের ডিজাইনে তৈরি করা হয়েছে গ্যালাক্সি এস৬, যা ফোনটিতে আরও প্রিমিয়াম ফিল এনে দিয়েছে বলে মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে ফোনটি ঘেঁটে দেখা সাংবাদিকরা লিখেছেন। হাই-এন্ড ফোন হওয়ার পরও ফোনটি হাতে ধরতে বেশ কমপ্যাক্ট এবং আরামদায়ক বলেও মন্তব্য করেছেন তারা।

galaxy s6 1

তবে গ্যালাক্সি এস৫ এর মতো এবারের ফ্ল্যাগশিপ ফোনে ওয়াটারপ্রুফ সুবিধাটি বাদ দেয়া হয়েছে, যেমনটি আগেই জানা গিয়েছিল। ওয়াটারপ্রুফ সুবিধা পেতে চাইলে ব্যবহারকারীকে অপেক্ষা করতে হবে গ্যালাক্সি এস৬ অ্যাকটিভ-এর জন্য, যেটিতে পানিরোধক ব্যবস্থা রাখা হবে বলে জানিয়েছে স্যামসাং। ফ্ল্যাগশিপ ফোনে সাধারণত ওয়াটারপ্রুফ একটি সাধারণ সুবিধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে স্যামসাংই তাদের সর্বশেষ ফ্ল্যাগশিপ ফোন গ্যালাক্সি এস৫-এ পানিরোধক সুবিধা দিয়েছিল। তবে গ্যালাক্সি এস৬-এ এসে সেই সুবিধা তুলে নেয়ার ফলে এর বিক্রিতে বিরূপ প্রভাব পড়বে বলেই মনে করছেন অনেকে।

প্রসেসর, র‌্যাম, স্টোরেজ

অনেকেই কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগনের সর্বশেষ কোনো প্রসেসরের আশায় থাকলেও স্যামসাং নিজেদের তৈরি প্রসেসরকেই প্রাধান্য দিয়েছে তাদের নতুন গ্যালাক্সি এস৬ স্মার্টফোনে। স্যামসাং এখনও নিশ্চিত করে জানায়নি কোন চিপসেট ব্যবহার করা হবে এতে, তবে সেটি ৬৪-বিট সমর্থিত চিপসেট হবে এ ব্যাপারে নিশ্চিত করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে সেটি হবে এক্সিনস ৭৪২০। এছাড়াও ফোনটিতে ৩ গিগাবাইট র‌্যাম থাকবে বলে জানিয়েছে স্যামসাং।

samsung galaxy s6 2

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ স্টোরেজের দিক দিয়ে তিনটি মডেলে বাজারে আসবে। ৩২ গিগাবাইট, ৬৪ গিগাবাইট ও ১২৮ গিগাবাইটের তিনটি ভিন্ন মডেলে ক্রেতারা ফোনটি কিনতে পারবেন। তবে কোন স্টোরেজের ফোন কিনবেন তা সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে অবশ্যই জেনে নেয়া উচিৎ যে, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬-এ কোনো মেমোরি কার্ড স্লট নেই। অর্থাৎ, আপনি যতটুকু স্টোরেজের ফোন কিনবেন, ততটুকু স্টোরেজেই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। অন্যান্য ফোনের মতো এতে কোনো মেমোরি কার্ড ঢোকানো যাবে না।

স্যামসাং জানিয়েছে তারা নতুন ফোনটির স্টোরেজে নতুন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। ইউএফসি ২.০ (ইউনিভার্সাল ফ্ল্যাশ স্টোরেজ) প্রযুক্তি ব্যবহার করার ফলে ফোনটির ডাটা ট্রান্সফারের গতি বেড়ে যাবে ও বিদ্যুৎ খরচ কমে যাবে বলে জানিয়েছে স্যামসাং। মাইক্রোএসডি কার্ডের স্লট বাদ পড়ার পেছনে এটিই অন্যতম কারণ বলে জানা গেছে।

গ্যালাক্সি এস৬ স্ক্রিন

স্যামসাং ফ্ল্যাগশিপ সিরিজের ফোনগুলোর স্ক্রিন নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার পারফরম্যান্স যাই হোক না কেন, স্ক্রিনের দিক দিয়ে প্রায় সবসময়ই প্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে এগিয়ে থেকেছে স্যামসাং।

Samsung Galaxy S6 review (4)-650-80



এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। ৫.১ ইঞ্চি সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লেতে এবার গ্যালাক্সি নোট ৪-এর মতোই 2560 x 1440 পিক্সেল রেজুলেশন থাকছে। গ্যালাক্সি এস৬-এর স্ক্রিনে থাকছে ৫৭৭ পিক্সেল পার ইঞ্চি। সঙ্গে রয়েছে করনিং গরিলা গ্লাস ৪ প্রটেকশন।

সবমিলিয়ে স্ক্রিন নিয়ে মোটেই অসন্তুষ্ট হওয়ার কিছু নেই ব্যবহারকারীদের। তবে মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে থাকা প্রায় সবাই যেটা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন, তা হলো ফোনটির ব্যাটারি কতক্ষণ টানতে পারবে শক্তিশালী এই স্মার্টফোন ও হাই রেজুলেশন ডিসপ্লে?

ব্যাটারি

গ্যালাক্সি এস৬ এর হতাশাজনক দিকের কথা উল্লেখ করতে গেলে যে তিনটি বিষয় প্রায় সবাই উল্লেখ করবেন তার মধ্যে অন্যতম হতে যাচ্ছে এর ব্যাটারি ক্যাপাসিটি (অন্য দু’টি হচ্ছে মেমোরি কার্ডের স্লট না থাকা ও পানিরোধক না হওয়া)। যেখানে স্যামসাং-এর পূর্ববর্তী ফ্ল্যাগশিপ ফোন গ্যালাক্সি এস৫-এর ব্যাটারি ছিল ২৮০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার, সেখানে নতুন ফোনের ব্যাটারি দেয়া হয়েছে ২৫৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।

স্যামসাং জানিয়েছে গ্যালাক্সি এস৬ এর প্রসেসর পাওয়ার কনজাম্পশন কম হওয়ায় এই ব্যাটারিতেও ভালো ব্যাকআপ পাওয়া যাবে এবং প্রয়োজনে মাত্র ১০ মিনিটের চার্জে ২ ঘণ্টা ভিডিও প্লেব্যাকের মতো ব্যাকআপ পাওয়া যাবে। তবে ফোন বাজারে আসার আগে এবং রিভিউয়ার ও সাধারণ ব্যবহারকারীর হাতে পৌঁছানোর আগে সেসব দাবির সত্যতা নিয়ে বলা মুশকিল। তবে প্রায় সবাই স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬-এর কম ক্যাপাসিটির ব্যাটারি নিয়ে সমালোচনা করেছেন।

গ্যালাক্সি এস৬ ক্যামেরা

galaxy s6 camera

ক্যামেরাকে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ এর অন্যতম প্রধান সুবিধা হিসেবে উল্লেখ করেছে স্যামসাং। কোম্পানিটি গ্যালাক্সি এস৬ ও এস৬ এজ দু’টি ফোনেই দিয়েছে ১৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। f/1.9 অ্যাপারচার থাকায় অল্প আলোতেই গ্যালাক্সি এস৫-এর তুলনায় ৩৫% বেশি ভালো ছবি তুলতে সক্ষম স্যামসাং-এর নতুন এই ফ্ল্যাগশিপ ফোন। এছাড়াও কোম্পানিটির অটো এইচডিআর, অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশনসহ ক্যামেরার যাবতীয় সুবিধাদি তো রয়েছেই।

সেলফিপ্রেমীদের কথাও ভুলে যায়নি স্যামসাং। গ্যালাক্সি এস৬-এ দেয়া হয়েছে ৫ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। স্যামসাং জানিয়েছে ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়েও অল্প আলোয় ভালো ছবি তোলা যাবে। তাছাড়া ইনফ্রারেড ব্যবহার করে ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়ে ছবির হোয়াইট ব্যালেন্সও ঠিক করা যাবে বলে জানা গেছে।

অপারেটিং সিস্টেম

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ এ শুরু থেকেই ব্যবহার করা হচ্ছে অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ ৫.০.২। কোরিয়ান কোম্পানিটি সাম্প্রতিক সময়ে টাইজেন অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে বেশ জোরেসোরে কার্যক্রম শুরু করলেও অ্যান্ড্রয়েডের চাহিদা ও কোম্পানিটির বর্তমান মার্কেটশেয়ারের পেছনে অ্যান্ড্রয়েডের অবদানের কথা ভুলে যায়নি। তাই ফ্ল্যাগশিপ ফোনে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমই ব্যবহার করা হয়েছে।

তবে বরাবরের মতোই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের উপর বসিয়ে দেয়া হয়েছে স্যামসাং-এর টাচউইজ ইউজার ইন্টারফেস। নতুন টাচউইজকে আগের থেকে আরও সহজ ও কম বিরক্তিকর করে তোলা হয়েছে বলে অনেকে মন্তব্য করলেও, টাচউইজ এর ফ্যান না তারা হয়তো বরাবরের মতোই স্যামসাং-এর ইউজার ইন্টারফেস নিয়ে হতাশ হবেন। এ নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের ফেসবুক পেজে শেয়ার করা একটি তুলনামূলক চিত্র বিশেষভাবে স্মরণীয়!

অন্যান্য সুবিধা

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৫ এর সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যাবে অনেক কিছুই কমিয়ে ফেলা হয়েছে কোম্পানির নতুন গ্যালাক্সি এস৬ ফোনে: স্ক্রিন সাইজ, মেমোরি কার্ড স্লট, ব্যাটারি, পানিরোধক ক্ষমতা ইত্যাদি। তবে এখনও ফোনটি কোম্পানির ফ্ল্যাগশিপ সিরিজ। তাই গতানুগতিক সব হার্ডওয়্যার স্পেসিফিকেশনের বাইরেও বাড়তি কিছু সুবিধা রয়েছে ফোনটিতে।

গ্যালাক্সি এস৬-এ রয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার, হার্টরেট মনিটর ও নতুন স্যামসাং পে। অ্যাপল পে-এর অনুকরণে স্যামসাং পেপাল, ভিসা ও মাস্টারকার্ডের সঙ্গে একত্র হয়ে নতুন এই সেবাটি চালু করছে। জানা গেছে, ক্যাশ রেজিস্টারের ম্যাগনেটিক স্ট্রাইপ মেশিনে ব্যবহার করা যাবে নতুন এই গ্যালাক্সি এস৬-এর সঙ্গে আসা স্যামসাং পে সুবিধাটি।

সবমিলিয়ে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ কিছু হতাশা আর কিছু প্রত্যাশার সংমিশ্রণ। নতুন ফোনটি আগামী এপ্রিলের ১০ তারিখেই আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে আসবে বলে জানা গেছে। দাম ৩২ গিগাবাইট মডেল ৮৫৫ ডলারের আশেপাশে হবে। তবে স্যামসাং আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও ফোনটির দাম জানায়নি, তাই আসলেই নতুন ফোনটির মালিক হতে গেলে পকেট থেকে কত খসবে, তা জানার জন্য আগ্রহীদের আরও প্রায় একমাস অপেক্ষা করতে হবে।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ নিয়ে আপনার কী মতামত? মেমোরি কার্ড স্লট না থাকা, কম ক্ষমতার ব্যাটারি আর পানিরোধক ব্যবস্থা না থাকা কি এর ক্যামেরা, হাই রেজুলেশনের স্ক্রিন আর ফোনের ডিজাইন দিয়ে পুষিয়ে নিতে পারবে স্যামসাং? আপনার মন্তব্য নিচে লিখতে ভুলবেন না।

22/07/2016

Net tweak for Your 2G/3G Speed(HACK) for ROOTED devices
----------------------------------------------------------------------------------------


This is a hack which seems to be working. This is not my hack. I have collected it from net. using this hack with Aircel 2g If anyone going to try this please leave a reply if it is working for you or not.... !!

CREDITS:
zeppelinrox

Requirements
Apps given below and presence of mind

Steps:
1. download this software called 3g/4g speed optimizer from


Link1:
----------


https://play.google.com/store/apps/d...cHRpbWl6ZXIiXQ



2. Download this script manager !!
https://play.google.com/store/apps/d...=search_result

3. Download the 3G turbocharger script by zeppelinrox from,

Link 2:
--------------
https://www.dropbox.com/s/aq9x3e87by..._Test_1.sh.pdf

4. Start 3g/4g speed optimizer
-then choose network speed as 12/28/7-max speed
-then check on download speed increase
-then now click on apply tweak.

!!!REBOOT YOUR DEVICE!!!

5. Now open script manager
-Browse the downloaded 3g turbocharger text file.
-Check on superuser icon ( the android skeleton icon in this case )
-Click on run. Script will load. Wait till it asks to make a selection...
-scroll up and you can see some numbers. Put the number for fastest
-Press OK/ENTER
-Now put the number(4) to reboot your phone

Reboot your phone !!

6. Now download mobile uncle tools from playstore.

Link3 :
---------------
https://play.google.com/store/apps/d...euncle.toolbox
details?id=com.mobileuncle.toolbox

open mobile uncle. tools
then select Engineer mode.
then select Engineer mode for MTK.
then select mobile data service preferred. tick it.
go back and select crack operator GPRS lock and
select Open GPRS/EDGE

Reboot your phone and ENJOY browsing

এন্ড্রয়েডের নেটে আর বেধে বেধে চলবেনা। স্মুদ স্পীড দেবে HSPA+ Tweaker----------------------------------------------------...
22/01/2016

এন্ড্রয়েডের নেটে আর বেধে বেধে চলবেনা। স্মুদ স্পীড দেবে HSPA+ Tweaker
-----------------------------------------------------------------------------------------

এন্ড্রয়েডে নেট স্পীড নিয়ে সমস্যার শেষ নেই! থ্রিজি এলো, তবুও স্পীড স্মুদ না। চালাতে চালাতে হঠাত হঠাত স্পীড বেধে গিয়ে জিরো হয়ে থেমেই থাকে। সেকেন্ডের পর সেকেন্ড, প্রায় মিনিট ধরে বেধেই থাকে, তারপর হঠাত স্পীড এক লাফে কয়েক সেকেন্ডের জন্য কয়েকশো কেবি হয়ে যায়। তারপর ধুম করে আবার জিরো! আর লোড নেয়না! লোডিং, লোডিং

এমন থ্রিজি দিয়ে আসলেই কি হবে! স্পীড যদিও বেশি, কিন্তু বারবার বেধে যেয়ে ০ হয়ে গেলে কার না মেজাজ খারাপ হয় -_-

এই সমস্যার সমাধান পেয়েছি এই এপ টা ইউজ করে। :)

HSPA+ Tweaker. এটা কাজ করে এভাবে,

এটা চালু রাখা অবস্থায় এটা এর সার্ভার থেকে প্রতি সেকেন্ড/মিলিসেকেন্ড পরপর এর সার্ভার থেকে ১/১০ বাইট করে ডাটা ট্রান্সফার করতে থাকে।

যাদের ফোনে ইন্টারনেট স্পীড মিটার আছে তারা এটা চালু রেখে স্পীড মিটারে দেখতে পারেন।

এর ফলে কি হয়, স্পীড কখনই ০ তে যেয়ে বেধে যাবেনা। কারন প্রতি মিলিসেকেন্ডে ১ বাইট করে ডাটা ট্রান্সফার চলতেই থাকবে সার্ভারে।

ফলে ৩জির প্রকৃত ব্রাউজিং স্পীড পাবেন। এটা আমার নিজের ইউজ করা। আসলেই স্পীড অত্যান্ত স্মুদ থাকে এটা চালু থাকা অবস্থায়।

ব্রাউজিং এর সময় কখনই স্পীড বেধে যায়না। স্মুদ ভাবেই সুন্দর ব্রাউজিং করা যায়।

নিজেই ইউজ করে দেখুন।

এটা চালানোর নিয়মঃ

প্রথমে এটা ওপেন করে মাঝখানের গোল H+ এর উপর ক্লিক করলে এটা ফুল স্ক্রিনে H+ কমলা রঙ দেখাবে।

এবার হোম বাটনে ক্লিক করে এটাকে চালু অবস্থায় ব্যাকগ্রাউন্ডে রেখে দিন। ব্যাস।



এবার নেট চালাতে থাক্কুন।



উপরে নোটিফিকেশনেও H+ এর আইকন দেখতে পাবেন কমলা রঙের।

এটা প্রতি সেকেন্ড না মিলিসেকেন্ডে ১ বাইট না ১০ বাইট ডাটা ট্রান্সফার করবে এটা এর সেটিংস থেকে কাস্টমাইজ করতে পারবেন।

সার্ভারও চেঞ্জ করতে পারবেন।

আর হ্যা, এটা যে শুধু H+ এর কাজ করবে তা না। এটা EDGE ইউজার রাও ইউজ করতে পারবেন।

অর্থাৎ এন্ড্রয়েডে যেকোনো ধরনের নেট কানেকশন, সে যাই হোক, GPRS, EDGE, H,H+, LTE, সব ধরনের নেটওারক/ডাটা কানেকশনেই এটা চলবে এবং স্পীডকে স্মুদ করে রাখবে। (এটা স্পীড বাড়াবেনা, কিন্তু স্পীড ক্লিয়ার আর স্মুদ রাখবে যাতে স্পীড বেধে বেধে না চলে)

download link:

google play: https://play.google.com/store/apps/details?id=com.BBsRs.HSPAP.Tweaker&hl=en

others: https://apkpure.com/hspa-tweaker-3g-booster/com.BBsRs.HSPAP.Tweaker

আপনি কি আপনার নিজের নামে ওয়েবসাইট খুলতে চান?তাও আবার একা একা।শুধু মাত্র ১ টা এন্ড্রয়েড অ্যাপ দিয়ে।আপনাকে এই ওয়েবসাইট বান...
22/01/2016

আপনি কি আপনার নিজের নামে ওয়েবসাইট খুলতে চান?তাও আবার একা একা।শুধু মাত্র ১ টা এন্ড্রয়েড অ্যাপ দিয়ে।আপনাকে এই ওয়েবসাইট বানাতে লাগবে ২মিনিট।আপনার ওয়েবসাইট কিভাবে বানাতে হয় তা জানতে ও হবে।এন্ড্রয়েড সমগ্র কোন মিথ্যা কথা বলে না জানেন তো তাই না।
তো দেরি কিসের চলুন শুরু করি নিচ থেকে ৪ মেগাবাইট অ্যাপ টা ডাউনলোড করুন।
App name: Jimdo
size:4mb
Download link:

https://uploadocean.com/ojefo3mgscm5

(N.B Download করার জন্য Download এর নিচ থেকে ঠিক চিহ্ন টা উঠিয়ে Download এ ক্লিক করবেন।)

Download হয়ে গেলে ইন্সটল করে ওপেন করুন।তারপর create a new website এ ক্লিক করুন।

এবার টেম্পলেট বাছায় করুন,টেম্পলেট মানে বুঝলেন না? এটা থিম আপনার সাইট টা দেখতে কেমন হবে সেটাই।
এবার আপনি কি নামে ওয়েবসাইট খুলবেন তা দেন।যেমন আপনার নাম হলে sksayed
তাহলে আপনার সাইটের নাম হবে
sksayed.jimdo.com
এর পর আপনার একটি মেইল দিন দিয়ে Next এ ক্লিক করুন।

তারপর পাসওয়ার্ড চাইবে দিন। এবং Create Website এ ক্লিক করুন।কাজ শেষ।

আপনার ওয়েবসাইট কিন্তু হয়ে গেছে কত সময় লাগলো? এখন সাইট টা আপনার ইচ্ছা মত সাজান।তার আগে যে সাইট টা বানালেন ওটা ভিজিট করে দেখেন।

25/08/2015

অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের সবচাইতে বড় সুবিধা হচ্ছে মনের ইচ্ছা মত নতুন নতুন অ্যাপলিকেশন ব্যবহার করা যায়। অন্য সকল স্মার্টফোন অপারেটিং সিস্টেমের চাইতে অ্যান্ড্রয়েডই সবচেয়ে বেশি অ্যাপ ব্যবহারের সুবিধা দিয়ে থাকে। এ সপ্তাহের সেরা কিছু অ্যাপলিকেশন । করবো ছোট্ট করে রিভিউ। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।

Viddsee

Viddsee একটি নতুন ভিডিও স্ট্রিমিং অ্যাপলিকেশন যার মাধ্যমে আপনি এশিয়া মহাদেশে তৈরি অসংখ্য শর্টফিল্ম দেখতে পারবেন। এখানকার প্রায় সবগুলো শর্ট ফিল্মই এক কথায় চমৎকার। আপনার যেন অন্য ভাষার শর্টফিল্ম দেখতে কোন সমস্যা না হয় এর জন্য সাবটাইটেলও যুক্ত করে দেয়া থাকে। এছাড়াও প্রতি সপ্তাহের সেরা নতুন শর্ট ফিল্মগুলো আপনি খুঁজে নিতে পারবেন খুব সহজেই। শুধু তাই নয়, অনলাইনে একটি শর্ট ফিল্ম দেখার পর আপনার যদি তা ভালো লেগে থাকে তবে আপনি সহজেই সেই ভিডিওটি পরবর্তি সময়ে অফলাইনে দেখার জন্য সংরক্ষণ করতে পারবেন। আপনি যদি এশিয়ান শর্ট ফিল্মগুলো পছন্দ করে থাকেন তবে অ্যাপলিকেশনটি আপনার ভালো লাগবে বলে আশা করছি।

মূল্য - ফ্রি!
ডাউনলোড লিংক - গুগল প্লে-স্টোর।

1
Pac-Man 256

প্যাক ম্যান গেমটির কথা কে না জানে? আর নাম শুনেই বুঝতে পারছেন এটিও একটি নতুন প্যাক ম্যান গেম, তবে এতে কিছুটা আলাদা আবহ যোগ করা হয়েছে যা আপনাদের ভালো লাগতে বাধ্য। পূর্বের প্যাক ম্যান গেমগুলোতে আমাদের একটি মেজ-এর সবগুলো পেলেটস খেতে হতো, এরপর লেভেল আপ হলে আমরা নতুন একটি মেজ খেলতে পেতাম। কিন্তু এই গেমে আপনাকে দেয়া হবে একটি এন্ডলেস মেজ, যা ধীরে ধীরে এক প্রান্ত থেকে ভেঙ্গে যেতে থাকবে আর আপনাকে শত্রু এবং ভেঙ্গে পড়তে থাকা অংশগুলো থেকে বেঁচে এন্ডলেস মেজটিকে খেলতে হবে। আমই খেলে দেখেছি। বিশ্বাস করুন, আগের সেই প্যাক ম্যানের মজাত পাবেনই সাথে আলাদা কিছু আনন্দ! আমার মতে গেমটি আপনার আজই খেলে দেখা উচিৎ।

মূল্য - ফ্রি!
ডাউনলোড লিংক - গুগল প্লে-স্টোর।

2
Webmaker

মজিলার তৈরি ওয়েবমেকার অ্যাপলিকেশনটি চমৎকার একটি অ্যাপ। আপনার যদি সিএসএস এবং এইচটিএমএল এর উপর দক্ষতা থেকে থাকে তবে এই অ্যাপলিকেশনটি ব্যবহার করেই আপনি স্মার্টফোনেই তৈরি করতে পারবেন ওয়েব পেজ। অ্যাপটিতে কিছু বাগ রয়ে গিয়েছে তবে সেগুলো বাদ দিলে এই অ্যাপলিকেশনটি যারা ওয়েব ডেভলপিং শিখছেন বা এই পেশার সাথে জড়িত তাদের অনেক কাজে আসবে।

মূল্য - ফ্রি!
ডাউনলোড লিংক - গুগল প্লে-স্টোর।

3
Final Fantasy Portal App

এই অ্যাপটি মূলত ফাইনাল ফ্যান্টাসি সিরিজের ফ্যানদের জন্য। অ্যাপটির সাহায্যে আপনি ফাইনাল ফ্যান্টাসি সম্পর্কিত সকল তথ্য যেমন বই, মিউজিক, গেম রিলিজ ইত্যাদি তথ্য জানতে পারবেন। এমনকি ফাইনাল ফ্যান্টাসি ৮ এর ত্রিপল ট্রায়াড কার্ড গেমটিও আপনি এই অ্যাপটিতে খেলতে পারবেন। আপনি যদি ফাইনাল ফ্যান্টাসির ভক্ত হয়ে থাকেন তবে অ্যাপলিকেশনটি যে আপনার জন্য কতটা কাজে আসবে তা আমই এখনই কল্পনা করতে পারছি!!

মূল্য - ফ্রি, তবে রয়েছে কিছু ইন-অ্যাপ পারচেস সুবিধা।
ডাউনলোড লিংক - গুগল প্লে-স্টোর।

11/06/2015

এন্ড্রয়েট ফোন কি Slow হয়ে যায়?? আপনার এন্ড্রয়েট ফোনের গতি বাড়ানো ৭ টি টিপস
--------------------------------------------------------------------------------------------

১। আপনার স্মার্ট ফোনটির ফার্মওয়্যার
আপডেট করুনঃ

আপডেটেড ফার্মওয়্যার অনেক ক্ষেত্রেই
কিছু ল্যাগের
সমস্যা দূর করে থাকে। ‘আপডেট’ এর অর্থই
হচ্ছে আগের
তুলনায় নতুন কিছু সুবিধা যোগ করা। আর,
ফার্মওয়্যার
আপডেটের মাধ্যমে স্মার্টফোন ছাড়াও
প্রতিটি
ডিভাইসেরই কম-বেশি ক্যাপাবিলিটি
বৃদ্ধি পেয়ে
থাকে। অনেক সময় হয়ত সেই পরিবর্তন
আপনার চোখে
পরবে না তবে এমন অনেক ত্রুটি মুক্ত
করার জন্য
স্মার্টফোনের ফার্মওয়্যার আপডেট করা
জরুরী।

২। আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি
‘রিসেট’ করুনঃ
আমরা
সবাই জানি যে ‘রিসেট’ করার অর্থ হচ্ছে
‘পুনঃস্থাপন
করা’ বা ‘নতুন করে করা’, আর
স্মার্টফোনের ক্ষেত্রেও
‘রিসেট’ অপশনটি ঠিক এর অর্থের মতই
কাজ করে।
আপনার নিশ্চয়ই মনে আছে যে আপনি যখন
আপনার
স্মার্টফোনটি কিনে এনেছিলেন তখন
আপনার
স্মার্টফোনটির অপারেটিং ছিল ভীষন
স্মুথ? কিন্তু,
সময়ের সাথে আপনার অ্যান্ড্রয়েড
স্মার্টফোনটির
মধ্যে নানা রকম ফাইল জমা পরার কারনে
সেই
স্মার্টফোনটি হয়ে গিয়েছে ল্যাগি।
এক্ষেত্রে আপনি
যদি আপনার স্মার্ট ফোনটি ‘ফ্যাক্টোরি
রিসেট’ করেন
তবে স্মার্ট ফোনটি থেকে সব ফাইল মুছে
গিয়ে ঠিক
সেই প্রথম কিনে আনার দিনের মত স্মুথ
হয়ে যাবে। সব
ফাইল বলতে আমি আপনার ব্যবহারের জন্য
যে ফাইল
গুলো জমা হয়েছিল সেগুলোই বুঝাচ্ছি।
কিন্তু এতে করে
যেহেতু সিস্টেম ফাইল মুছে যাচ্ছেনা তাই
আপনি
রিসেট করার পর পাবেন একদম স্মুথ একটি
স্মার্টফোন।

সতর্কতাঃ
‘ফ্যাক্টোরি রিসেটের’ ফলে
আপনার স্মার্ট
ফোনের ইন্টারন্নাল স্টোরেজে থাকা
প্রয়োজনীয়
কন্টাক্ট, ক্ষুদে বার্দা, ক্যালেন্ডার
এনট্রি, মেমো এবং
আপনি যে অ্যাপলিকেশন গুলো ব্যবহার
করতেন – এগুলো
সব মুছে যাবে। তাই, রিসেট করার পূর্বে
অবশ্যই
প্রয়োজনীয় সব তথ্য গুলো ব্যাক-আপ নিয়ে
রাখুন। যদিও,
গুগলের অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের ফলে
কন্টাক্ট এবং
ক্যালেন্ডার এন্ট্রি সহ কিছু ক্ষেত্রে
ক্ষুদে বার্তাও
সিনক্রোনাইজড হয়ে থাকে।

৩। মাঝে মাঝেই আপনার ফোনের
ইন্টারনাল স্টোরেজ
চেক করুনঃ

স্মার্ট ফোনের মেমরীর পরিমান কমে
গেলে
স্মার্ট ফোনে আপনি ল্যাগ অনুভব করতে
পারেন। এজন্য,
আপনি মাঝে মাঝে আপনার ইন্টারনাল
ফাইলে জমে
থাকা গেমস, অ্যাপলিকেশন, মিডিয়া
ফাইল যেমন,
গান, ভিডিও ইত্যাদি এক্সটার্নাল
স্টোরেজ তথা
মেমরী কার্ডে চালান (ট্রান্সফার) করে
দিন। তবে,
বেশির ভাগ লো-এন্ড স্মার্টফোনের
ইন্টারনাল
স্টোরেজের পরিমাণ কম হয়ে থাকে
বিধায় এই টিপসটি
সেই সব স্মার্ট ফোনে কাজ নাও করতে
পারে।

৪। প্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার
করতে পারেনঃ

আপনি গুগল প্লে স্টোর থেকে টাস্ক
কিলারের মত কিছু
প্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন ইন্সটল করে
ব্যবহার করতে
পারেন।
● পুরোনো স্মার্ট ফোন গুলোর ক্ষেত্রে
ব্যবহার করতে
পারেন ‘auto task killer’ অ্যাপলিকেশনটি।
এটি আপনার
নির্ধারিত ‘n’ সময় অন্তর অন্তর আপনার
নির্ধারিত কিছু
অ্যাপলিকেশনের প্রোসেস কিল করে
স্মার্ট ফোনের
র্যাম ফ্রি করতে সাহায্য করবে এবং
স্বাভাবিক
ভাবেই, বেশি র্যাম ফ্রি থাকার অর্থ
হচ্ছে স্মার্ট
ফোন দ্রুত অপারেট হবে।
● ভালো মানের একটি এন্টিভাইরাস
অ্যাপলিকেশন
ব্যবহার করতে পারেন। কম্পিউটারের মত
স্মার্টফোনও
নানা রকম ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যার
দ্বারা আক্রান্ত
হয়ে থাকে এবং একটি ভালো
এন্টিভাইরাস এই সকল
ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যারকে সনাক্ত করন
এবং পরে মুছে
ফেলে আপনার স্মার্টফোনটিকে কিছুটা
হলেও
গতিশীল করবে।
● ব্যবহার করতে পারেন ‘start up manager’
এর মত কিছু
অ্যাপলিকেশন। এই অ্যাপলিকেশনের ফলে
আপনি
আপনার ফোন বুট বা রিস্টার্ট হবার সময়
নির্ধারন করে
দিতে পারবেন যে ঠিক কোন
অ্যাপলিকেশন গুলো
সক্রিয় হবে আর কোন গুল নিষ্ক্রিয়
থাকবে।
● ‘Juice defender’ টাইপের
অ্যাপলিকেশনগুলো অনান্য
অ্যাপলিকেশন গুলোকে ব্যাকগ্রাউন্ডে
অটোমেটিক
স্টার্ট হতে না দিয়ে আপনার ফোনের
এবং আপনার
ফোনের ব্যাটারীকে সাপোর্ট দিয়ে
যাবে।
● ‘cache cleaner’ অ্যাপলিকেশনগুলো
মোবাইলের
মেমরীতে জমে থাকা বিভিন্ন রকম কেচ
ফাইল মুছে
দিয়ে স্মার্টফোনকে স্মুথ করবে।
● ‘Apps to SD card’ অ্যাপলিকেশনটি একটি
প্রয়োজনীয়
অ্যাপলিকেশন। এর সাহায্যে আপনি
আপনার স্মার্ট
ফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজে ইন্সটলড
থাকা
অ্যাপলিকেশনগুলো আপনার ফোনের
এক্সটার্নাল
মেমরী কার্ডে ট্রান্সফার করতে পারবেন
এবং এতে
করে ইন্টার্নাল স্টোরেজ ফ্রী হবে,
বিধায় কিছুটা
হলেও স্মার্ট ফোন দ্রুত কাজ করবে। তবে
মনে রাখবেন,
এই অ্যাপলিকেশনটির সাহায্যে সকল
প্রকার
অ্যাপলিকেশনই মেমরী কার্ডে
ট্রান্সফার করা সম্ভব
হবেনা, কিছু কিছু অ্যাপলিকেশন
ট্র্যান্সফার করার জন্য
আপনার ফোনটিকে ‘রুট’ করে নিতে হবে।
● ’Spare parts’ জাতীয় অ্যাপলিকেশনগুলো
কিছুটা
অ্যাডভান্স লেভেলের কনফিগারেশন
প্যানেলে
আপনাকে এক্সেস করতে দিবে, যেমন ধরুন-
ট্র্যানজিশান
অ্যানিমেশন কনট্রোল।

৫। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন গুলো
মুছে ফেলুনঃ

আমরা বিভিন্ন সময়ে প্লে স্টোরে ঘুরতে
ঘুরতে দেখা
যায় অনেক রকম অ্যাপলিকেশন ইন্সটল
করি কিন্তু
পরবর্তী সময়ে সেই অ্যাপলিকেশন গুলো
খুব একটা
ব্যবহার করিনা। এরকম অপ্রয়োজনীয়
অ্যাপলিকেশন
মুছে ফেলা উচিৎ। এতে করে
স্মার্টফোনের র্যাম ফ্রি
থাকবে এবং ফলাফল স্বরূপ আপনার স্মার্ট
ফোনটি
আগের তুলনায় কিছুটা হলেও ল্যাগ ফ্রি
হবে।

৬। স্মার্ট ফোনটি রিস্টার্ট করুনঃ
কম্পিউটারে
কোন সমস্যায় পরলে কম্পিউটার রিস্টার্ট
দিয়ে থাকি,
তাতে করে কম্পিউটারের সমস্যা কিছু
ক্ষেত্রে দূর হয়ে
যায়। স্মার্ট ফোনের ব্যপারটি একই।
যদিও, এই ট্রিকসটি
একটি টেম্পোরারী অপশন, তবুও এটা কাজ
করে।

৭। আপনার স্মার্ট ফোনটি রুট করুনঃ
স্মার্ট ফোন ‘রুট’
করার ফলে আপনি কিছু অ্যাডিশনাল
সুবিধা পাবেন
এবং সেই সুবিধা গুলোকে কাজে লাগিয়ে
আপনি
আপনার স্মার্ট ফোনটি আরও ভালো ভাবে
কাজে
লাগাতে পারবেন। যদিও এক্ষেত্রে রুটিং
প্রোসেসটি
এক প্রকারের রিস্কি সমাধানের পর্যায়
পরে তবে এখন
ইন্টারনেটে বিভিন্ন সাইট এবং
ফোরামের কল্যাণে
স্মার্ট ফোন ‘রুট’ করা এখন বলা চলে
অনেক সহজ এবং
ঝুঁকির পরিমানও ঠিক আগের মত নেই।
ঝুঁকির কথা
বললাম কেননা, আপনি যদি রুট করার সময়
সফল না হন
তবে আপনার স্মার্ট ফোনটি ব্রিক
অবস্থায় চলে যেতে
পারে। আবার, আপনি সফল ভাবে রুটিং
প্রোসেস
সম্পন্ন করলেও আপনার স্মার্ট ফোনের
সাথে দেয়া
‘ওয়ারেন্টির’ অফারটা শেষ হয়ে যাবে
যদিও এখন আপনি
চাইলেই আপনার রুটেড অ্যান্ড্রয়েড
ডিভাইসটি আন-রুট
করতে পারবেন এবং ওয়ারেন্টি ফিরে
পাবেন। এখন বলি
যে, একটি অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং
সিস্টেম চালিত
স্মার্ট ফোন স্পিড আপ এর সাথে এই রুটিং
এর কী
সম্পর্ক।
● ওভার ক্লকঃ আপনি আপনার
অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি
রুট করার পর ডিভাইসের প্রসেসরটি
ওভারক্লক করতে
পারবেন এবং একটি ওভার ক্লকড প্রসেসর
স্বাভাবিক
ভাবেই স্বাভাবিক অবস্থায় থাকা
প্রসেসরের তুলনায়
বেশি পরিমান কাজ করতে সক্ষম হবে।
তাই, প্রসেসর
ওভার ক্লক করার মাধ্যমে আপনি এভাবেই
আপনার
অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনটির গতি বৃদ্ধি
করতে পারবেন।
● কাস্টম রমের ব্যবহারঃ আপনি আপনার
অ্যান্ড্রয়েড
ডিভাইসটি রুট করার পর ডিভাইসটিতে
কাস্টম রম
ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। যদিও, কাস্টম
রম ব্যবহার
কিছুটা অ্যাডভান্স লেভেলের পর্যায়ে
পরে এবং ঝুঁকি
পূর্ন তবুও কাস্টম রম ব্যবহার করে স্মার্ট
ফোনের গতি
বৃদ্ধি করা যায় খুব সহজেই। কেননা, কাস্টম
রমে
অপ্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন থাকে না
বললেই চলে
এবং এর ফলে কোন অ্যাপলিকেশন
অহেতুক স্মার্ট
ফোনের র্যামের রিসোর্স ব্যবহার করেনা
এবং
এছাড়াও কাস্টম রম ব্যবহারের ফলে
স্মার্ট ফোনের কিছু
বাগ ফিক্স হয়ে যায়। তবে ঝুঁকির কথা
বললাম এজন্যেই
যে মাঝে মাঝে কাস্টম রম গুলো স্ট্যাবল
হয় না এবং এর
ফলে নানা রকম সমস্যা দেখা দিয়ে
থাকে।
● অপ্রোয়োজনীয় সিস্টেম অ্যাপ মুছে
ফেলতে
পারবেনঃ প্রতিটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট
ফোনের স্টক
রমে দেখা যায় নানা রকম অ্যাপলিকেশন
প্রি-ইন্সটলড
করা থাকে যা অনেকেই ব্যবহার করেন
না। ‘রুট’ করার
ফলে আপনি যেহেতু আপনার ডিভাইসের
অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ক্ষমতা হাতে পাচ্ছেন
সে কারনে
আপনি চাইলে সিস্টেমে ইন্সটল্ড থাকা
অপ্রয়োজনীয়
অ্যাপগুলো মুছে ফেলতে পারবেন ফলে
আপনার স্মার্ট
ফোনটি কিছুটা হলেও হবে স্মুথ এবং দ্রুত
গতির।

সতর্কতাঃ
সিস্টেম অ্যাপ মুছে ফেলার
ক্ষেত্রে অবশ্যই
অ্যাপ গুলোর ব্যাক-আপ নিয়ে রাখবেন।
এক্ষেত্রে
চমৎকার একটি অ্যাপলিকেশন হচ্ছে
‘Titanium Backup’
অ্যাপটি।

কিছু কথা মনে রাখবেনঃ

** রুটিং এবং কাস্টম রম ইন্সটল করা
অ্যাডভান্স
লেভেলের সমাধান। এজন্যে, অন্য পদ্ধতি
গুলো প্রথমে
চেষ্টা করে দেখবেন। যদি অন্য পদ্ধতি
গুলো ব্যবহার
করেই আপনার সমস্যা দূর হয়ে যায় তবে
আপনাকে আর
কোন ঝুঁকি পূর্ন প্রসেসর মধ্যে দিয়ে
যেতে হবে না।
** আপনি যদি সফল ভাবে রুটিং প্রসেস
সম্পন্ন করতে
পারেন তবে আপনি আপনার স্মার্ট
ফোনের অ্যাপ
ড্রয়ারে SU (Super User) নামের একটি
অ্যাপলিকেশন
দেখতে পাবেন। আর মেন্যুতে SU নামের
কোন
অ্যাপলিকেশন যদি দেখতে নাই পান তবে
বুঝে নিতে
হবে যে আপনার রুটিং প্রসেসটি সফল
ভাবে সম্পন্ন
হয়নি।

এক নজরে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ এর স্পেসিফিকেশন ও সুবিধা----------------------------------------------------------------...
11/06/2015

এক নজরে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ এর স্পেসিফিকেশন ও সুবিধা
-------------------------------------------------------------------------

ফ্ল্যাগশিপ ফোনের সংজ্ঞাটা আমরা প্রায় সবাই বুঝি। প্রত্যেক স্মার্টফোন নির্মাতা কোম্পানিই বছরে অন্তত একটি করে ফ্ল্যাগশিপ ফোন বাজারে এনে থাকে, যার মধ্যে কোম্পানিটি সর্বশেষ প্রযুক্তিগত সব চমক দিয়ে ক্রেতাকে আকৃষ্ট করতে চেষ্টা করে। কিন্তু অ্যান্ড্রয়েড জগতে ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলোর ভিড়ে গত কয়েক বছর ধরেই শীর্ষস্থান দখল করে রেখেছে স্যামসাং-এর গ্যালাক্সি এস সিরিজ। এইচটিসি বা সনির ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলোও জনপ্রিয়তা পিছিয়ে না থাকলেও হাই-এন্ড ফোন কিনতে গেলে বেশিরভাগ মানুষেরই প্রথম পছন্দ থাকে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস সিরিজের ফোন। আর সম্প্রতি সবার অপেক্ষার ইতি টেনে স্যামসাং ঘোষণা করেছে নতুন ফ্ল্যাগশিপ ফোন, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ ।

কোরিয়ান প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা কোম্পানিটি আজ স্পেনের বার্সেলোনায় শুরু হওয়া মোবাইল ফোন ভিত্তিক বছরের অন্যতম আয়োজন ‘মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে’ আনুষ্ঠানিকভাবে অবমুক্ত করেছে তাদের নতুন ফ্ল্যাগশিপ ফোনটি। এর আগের স্যামসাং-এর বড় আকারের রিলিজ গ্যালাক্সি নোট ৪ এর মতোই এবারও গ্যালাক্সি এস ৬ এর পাশাপাশি বাঁকানো ডিসপ্লের গ্যালাক্সি এস৬ এজ-এর ঘোষণা দিয়েছে স্যামসাং। গ্যালাক্সি নোট ৪ এজ বাজারে খুব একটা সাড়া ফেলতে না পারলেও নতুন ধরনের এই ফোন নিয়ে আশাবাদী স্যামসাং। আর তাই ফ্ল্যাগশিপ ফোনেরও একটি এজ সংস্করণ তৈরি করেছে তারা।

আর কথা না বাড়িয়ে চলুন প্রথমেই দেখে নেয়া যাক গ্যালাক্সি এস৬ এর হার্ডওয়্যার স্পেসিফিকেশন ও অন্যান্য বিশেষত্ব।

গ্যালাক্সি এস৬ ডিজাইন

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ এর ডিজাইন নিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই ইন্টারনেট জগতে একের পর এক ছবি ও তথ্য ফাঁস হয়েছে, আর তার প্রায় সবগুলোকেই সত্য প্রমাণিত করেছে মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে আজ ফোনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। গ্লাস ও মেটালের সংমিশ্রণে খানিকটা ভিন্ন ধরনের ডিজাইনে তৈরি করা হয়েছে গ্যালাক্সি এস৬, যা ফোনটিতে আরও প্রিমিয়াম ফিল এনে দিয়েছে বলে মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে ফোনটি ঘেঁটে দেখা সাংবাদিকরা লিখেছেন। হাই-এন্ড ফোন হওয়ার পরও ফোনটি হাতে ধরতে বেশ কমপ্যাক্ট এবং আরামদায়ক বলেও মন্তব্য করেছেন তারা।

তবে গ্যালাক্সি এস৫ এর মতো এবারের ফ্ল্যাগশিপ ফোনে ওয়াটারপ্রুফ সুবিধাটি বাদ দেয়া হয়েছে, যেমনটি আগেই জানা গিয়েছিল। ওয়াটারপ্রুফ সুবিধা পেতে চাইলে ব্যবহারকারীকে অপেক্ষা করতে হবে গ্যালাক্সি এস৬ অ্যাকটিভ-এর জন্য, যেটিতে পানিরোধক ব্যবস্থা রাখা হবে বলে জানিয়েছে স্যামসাং। ফ্ল্যাগশিপ ফোনে সাধারণত ওয়াটারপ্রুফ একটি সাধারণ সুবিধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে স্যামসাংই তাদের সর্বশেষ ফ্ল্যাগশিপ ফোন গ্যালাক্সি এস৫-এ পানিরোধক সুবিধা দিয়েছিল। তবে গ্যালাক্সি এস৬-এ এসে সেই সুবিধা তুলে নেয়ার ফলে এর বিক্রিতে বিরূপ প্রভাব পড়বে বলেই মনে করছেন অনেকে।

প্রসেসর, র‌্যাম, স্টোরেজ

অনেকেই কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগনের সর্বশেষ কোনো প্রসেসরের আশায় থাকলেও স্যামসাং নিজেদের তৈরি প্রসেসরকেই প্রাধান্য দিয়েছে তাদের নতুন গ্যালাক্সি এস৬ স্মার্টফোনে। স্যামসাং এখনও নিশ্চিত করে জানায়নি কোন চিপসেট ব্যবহার করা হবে এতে, তবে সেটি ৬৪-বিট সমর্থিত চিপসেট হবে এ ব্যাপারে নিশ্চিত করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে সেটি হবে এক্সিনস ৭৪২০। এছাড়াও ফোনটিতে ৩ গিগাবাইট র‌্যাম থাকবে বলে জানিয়েছে স্যামসাং।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ স্টোরেজের দিক দিয়ে তিনটি মডেলে বাজারে আসবে। ৩২ গিগাবাইট, ৬৪ গিগাবাইট ও ১২৮ গিগাবাইটের তিনটি ভিন্ন মডেলে ক্রেতারা ফোনটি কিনতে পারবেন। তবে কোন স্টোরেজের ফোন কিনবেন তা সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে অবশ্যই জেনে নেয়া উচিৎ যে, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬-এ কোনো মেমোরি কার্ড স্লট নেই। অর্থাৎ, আপনি যতটুকু স্টোরেজের ফোন কিনবেন, ততটুকু স্টোরেজেই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। অন্যান্য ফোনের মতো এতে কোনো মেমোরি কার্ড ঢোকানো যাবে না।

স্যামসাং জানিয়েছে তারা নতুন ফোনটির স্টোরেজে নতুন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। ইউএফসি ২.০ (ইউনিভার্সাল ফ্ল্যাশ স্টোরেজ) প্রযুক্তি ব্যবহার করার ফলে ফোনটির ডাটা ট্রান্সফারের গতি বেড়ে যাবে ও বিদ্যুৎ খরচ কমে যাবে বলে জানিয়েছে স্যামসাং। মাইক্রোএসডি কার্ডের স্লট বাদ পড়ার পেছনে এটিই অন্যতম কারণ বলে জানা গেছে।

গ্যালাক্সি এস৬ স্ক্রিন

স্যামসাং ফ্ল্যাগশিপ সিরিজের ফোনগুলোর স্ক্রিন নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার পারফরম্যান্স যাই হোক না কেন, স্ক্রিনের দিক দিয়ে প্রায় সবসময়ই প্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে এগিয়ে থেকেছে স্যামসাং।

এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। ৫.১ ইঞ্চি সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লেতে এবার গ্যালাক্সি নোট ৪-এর মতোই 2560 x 1440 পিক্সেল রেজুলেশন থাকছে। গ্যালাক্সি এস৬-এর স্ক্রিনে থাকছে ৫৭৭ পিক্সেল পার ইঞ্চি। সঙ্গে রয়েছে করনিং গরিলা গ্লাস ৪ প্রটেকশন।

সবমিলিয়ে স্ক্রিন নিয়ে মোটেই অসন্তুষ্ট হওয়ার কিছু নেই ব্যবহারকারীদের। তবে মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে থাকা প্রায় সবাই যেটা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন, তা হলো ফোনটির ব্যাটারি কতক্ষণ টানতে পারবে শক্তিশালী এই স্মার্টফোন ও হাই রেজুলেশন ডিসপ্লে?

ব্যাটারি

গ্যালাক্সি এস৬ এর হতাশাজনক দিকের কথা উল্লেখ করতে গেলে যে তিনটি বিষয় প্রায় সবাই উল্লেখ করবেন তার মধ্যে অন্যতম হতে যাচ্ছে এর ব্যাটারি ক্যাপাসিটি (অন্য দু’টি হচ্ছে মেমোরি কার্ডের স্লট না থাকা ও পানিরোধক না হওয়া)। যেখানে স্যামসাং-এর পূর্ববর্তী ফ্ল্যাগশিপ ফোন গ্যালাক্সি এস৫-এর ব্যাটারি ছিল ২৮০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার, সেখানে নতুন ফোনের ব্যাটারি দেয়া হয়েছে ২৫৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।

স্যামসাং জানিয়েছে গ্যালাক্সি এস৬ এর প্রসেসর পাওয়ার কনজাম্পশন কম হওয়ায় এই ব্যাটারিতেও ভালো ব্যাকআপ পাওয়া যাবে এবং প্রয়োজনে মাত্র ১০ মিনিটের চার্জে ২ ঘণ্টা ভিডিও প্লেব্যাকের মতো ব্যাকআপ পাওয়া যাবে। তবে ফোন বাজারে আসার আগে এবং রিভিউয়ার ও সাধারণ ব্যবহারকারীর হাতে পৌঁছানোর আগে সেসব দাবির সত্যতা নিয়ে বলা মুশকিল। তবে প্রায় সবাই স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬-এর কম ক্যাপাসিটির ব্যাটারি নিয়ে সমালোচনা করেছেন।

গ্যালাক্সি এস৬ ক্যামেরা

ক্যামেরাকে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ এর অন্যতম প্রধান সুবিধা হিসেবে উল্লেখ করেছে স্যামসাং। কোম্পানিটি গ্যালাক্সি এস৬ ও এস৬ এজ দু’টি ফোনেই দিয়েছে ১৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। f/1.9 অ্যাপারচার থাকায় অল্প আলোতেই গ্যালাক্সি এস৫-এর তুলনায় ৩৫% বেশি ভালো ছবি তুলতে সক্ষম স্যামসাং-এর নতুন এই ফ্ল্যাগশিপ ফোন। এছাড়াও কোম্পানিটির অটো এইচডিআর, অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশনসহ ক্যামেরার যাবতীয় সুবিধাদি তো রয়েছেই।

সেলফিপ্রেমীদের কথাও ভুলে যায়নি স্যামসাং। গ্যালাক্সি এস৬-এ দেয়া হয়েছে ৫ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। স্যামসাং জানিয়েছে ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়েও অল্প আলোয় ভালো ছবি তোলা যাবে। তাছাড়া ইনফ্রারেড ব্যবহার করে ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়ে ছবির হোয়াইট ব্যালেন্সও ঠিক করা যাবে বলে জানা গেছে।

অপারেটিং সিস্টেম

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ এ শুরু থেকেই ব্যবহার করা হচ্ছে অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ ৫.০.২। কোরিয়ান কোম্পানিটি সাম্প্রতিক সময়ে টাইজেন অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে বেশ জোরেসোরে কার্যক্রম শুরু করলেও অ্যান্ড্রয়েডের চাহিদা ও কোম্পানিটির বর্তমান মার্কেটশেয়ারের পেছনে অ্যান্ড্রয়েডের অবদানের কথা ভুলে যায়নি। তাই ফ্ল্যাগশিপ ফোনে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমই ব্যবহার করা হয়েছে।

তবে বরাবরের মতোই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের উপর বসিয়ে দেয়া হয়েছে স্যামসাং-এর টাচউইজ ইউজার ইন্টারফেস। নতুন টাচউইজকে আগের থেকে আরও সহজ ও কম বিরক্তিকর করে তোলা হয়েছে বলে অনেকে মন্তব্য করলেও, টাচউইজ এর ফ্যান না তারা হয়তো বরাবরের মতোই স্যামসাং-এর ইউজার ইন্টারফেস নিয়ে হতাশ হবেন। এ নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের ফেসবুক পেজে শেয়ার করা একটি তুলনামূলক চিত্র বিশেষভাবে স্মরণীয়!

অন্যান্য সুবিধা

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৫ এর সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যাবে অনেক কিছুই কমিয়ে ফেলা হয়েছে কোম্পানির নতুন গ্যালাক্সি এস৬ ফোনে: স্ক্রিন সাইজ, মেমোরি কার্ড স্লট, ব্যাটারি, পানিরোধক ক্ষমতা ইত্যাদি। তবে এখনও ফোনটি কোম্পানির ফ্ল্যাগশিপ সিরিজ। তাই গতানুগতিক সব হার্ডওয়্যার স্পেসিফিকেশনের বাইরেও বাড়তি কিছু সুবিধা রয়েছে ফোনটিতে।

গ্যালাক্সি এস৬-এ রয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার, হার্টরেট মনিটর ও নতুন স্যামসাং পে। অ্যাপল পে-এর অনুকরণে স্যামসাং পেপাল, ভিসা ও মাস্টারকার্ডের সঙ্গে একত্র হয়ে নতুন এই সেবাটি চালু করছে। জানা গেছে, ক্যাশ রেজিস্টারের ম্যাগনেটিক স্ট্রাইপ মেশিনে ব্যবহার করা যাবে নতুন এই গ্যালাক্সি এস৬-এর সঙ্গে আসা স্যামসাং পে সুবিধাটি।

সবমিলিয়ে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ কিছু হতাশা আর কিছু প্রত্যাশার সংমিশ্রণ। নতুন ফোনটি আগামী এপ্রিলের ১০ তারিখেই আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে আসবে বলে জানা গেছে। দাম ৩২ গিগাবাইট মডেল ৮৫৫ ডলারের আশেপাশে হবে। তবে স্যামসাং আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও ফোনটির দাম জানায়নি, তাই আসলেই নতুন ফোনটির মালিক হতে গেলে পকেট থেকে কত খসবে, তা জানার জন্য আগ্রহীদের আরও প্রায় একমাস অপেক্ষা করতে হবে।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ নিয়ে আপনার কী মতামত? মেমোরি কার্ড স্লট না থাকা, কম ক্ষমতার ব্যাটারি আর পানিরোধক ব্যবস্থা না থাকা কি এর ক্যামেরা, হাই রেজুলেশনের স্ক্রিন আর ফোনের ডিজাইন দিয়ে পুষিয়ে নিতে পারবে স্যামসাং? আপনার মন্তব্য নিচে লিখতে ভুলবেন না।

Address

Gulshan
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Android Devs. Community ।এন্ড্রয়ড জোন । posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Android Devs. Community ।এন্ড্রয়ড জোন ।:

Share