21/05/2025
ইলেকশান নাকি নির্বাচন🤪
শেষ পর্যন্ত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রশ্নে মুখোমুখি হয়ে গেলো বি এন পি এবং এন সি পি, বিশেষত ঢাকার মেয়র হিসাবে ইশরাক হোসেন এর শপথ গ্রহন নিয়ে সরকার এবং বি এন পির মুখোমুখি অবস্থানের মাঝখানে এন সিপির নাক গলানো প্রমান করে দেয় তারা আসলে কিংস পার্টি।
নইলে চট্টগ্রামের মেয়র ডাঃশাহাদাত হোসেন একই দেশে একই আইনে শপথ নিতে পারলে ঢাকার মেয়র পারবেনা কেনো?
এন সিপির নেতারা এটা বলছেন যে অবৈধ নির্বাচনের মেয়র হতে চায় বি এন পি। নির্বাচন অবৈধ হলে বি এন পি ইলেকশান ই করতে পারতো না আওয়ামীলীগ এককভাবে প্রার্থী দাঁড করিয়ে ইলেশকান করতো। তাই নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে বি এন পি অভিযোগ ছিলো বিধায় তখন মামলা করেছে সে মামলার রায় অনুযায়ী এখন ইশরাক মেয়র হলে বরং এটা প্রতিষঠিত হবে যে তখন নির্বাচনী ফলাফলে কারচুপি হয়েছিলো বলেই আবার শপথ নিয়ে মেয়র হতে হয়েছে।
উপদেষঠা আসিফ মাহমুদ এটা নিয়ে ঠিক শেখ
হাসিনার মতোই কথা বলেছেন কোটা নিয়ে যে রকম ষ্টুডেন্টদের হাইকোর্ট দেখাতে গিয়ে নিয়েই উচ্ছেদ হয়ে গেছেন আসিফ মাহমুদ ও একই সুরে কথা বলছেন সেই সাথে সুর মিলিয়েছে এন সি পি। ঢাকা উত্তরের মেয়র এক সার্কুলারে হতে পারলে ইশরাকের টাতে সমস্যা কোথায়?
আসল গেইম অন্যখানে সরকার এবং এন সি পি আসলে সময় চাইছে বি এন পিকে জনগনের কাছে পচানোর জন্য, বি এন পিকে এরা মাঠে খেলতে দিয়ে দুর্বল করতে চাইছে, যত দিন যাবে তত ইস্যু ভিত্তিক বি এন পির ভুল ত্রুটি গুলো বের করবে,বিভিন্ন জায়গায় নেতাকর্মীদের চাঁদাবাজির খবর ভাইরাল করবে আর ফেসবুকে স্কল করে হা হা হি হি দিবে।
কিন্ত বাপজানেরা কোন লাভ নাই বি এন পি পরবর্তী সরকার গঠন করবে আর তারেক রহমানই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী সেটা ভালোয় ভালোয় মেনে নিয়ে যতো দ্রুত এরা যাবে তাতে ওদেরই মঙ্গল অন্তত সেফ এক্জিট পাবে। আর ইলেকশান দিতে দেরী করলে বা প্রধান উপদেষঠার দেয়া ডেডলাইন পার হলে অবস্থা শেখ হাসিনার মতোই হবে এবং বি এনপির সাথে পেছন থেকে খেলাটা আওয়ামীলীগই খেলে দিবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে চাইতেছে ক্যান জানেন এটা করতে গেলে বি এনপি সারা দেশে নিজেদের মধ্যে গন্ডোগোল হবে প্রার্থী সিলেকশান নিয়ে এতে করে জনগনের চোখে তারা হেয় হবে এটাই চায় সরকার এবং এন সিপি যেটা জামায়েত এর হবে না কারন তাদের দল থেকে যাকে সিলেকশান করবে সেই প্রার্থী হবে। সরকার এন পি আর বি এন পির এই ত্রিমুখী খেলায় লাভের ফসল ঘরে তুলবে জামাত। তারা এন সিপি ও কিছু চেয়ারম্যান মেম্বার এর পদ নিতে পারবে এই কারনে, আগে সংসদ নির্বাচন হলে পরে ঘটনা ঘটবে উল্টো এ কারনেই এন সিপি চায় আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, বি এন পি চায় আগে এম পি ইলেকশান।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে করতে গেলে সেটার জন্য যে সময় লাগবে তাতে সংসদ নির্বাচন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে করা যাবে না, অবধারিত ভাবেই সংসদ নির্বাচন পিছিয়ে যাবে।
তবে এন সিপি যেটা ভাবছে তারা মেম্বার চেয়ারম্যান উপজেলা চেয়ারম্যানে কিছু পদ আগে পেলে পরে সংসদ নির্বাচন করতে সুবিধা হবে সে ভাবনা তাদের ভুল কারন সংসদ নির্বাচন এ বি এন পি সরকার গঠন করলে বেশীর ভাগ ইউনিয়ন আর উপজেলা চেয়ারম্যান হয় বি এন পিতে যোগ দিবে না হয় তাদের দপ্তরেই যেতে পারবেনা ও এস ডি হয়ে থাকবে বা পালিয়ে বেড়াবে।
দুঃখজনক ও দুর্ভাগ্যজনক হলেও এটাই বাংলাদেশ।