মহাকাশ

মহাকাশ জানা অজানা নানা তথ্যের ভান্ডার। সকল প্রকার তথ্য জানতে ভিজিট করুন #মহাকাশ পেজ এ।

স্বামীর ক"ব"রের পাশেই দুই সন্তানকে নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন এক অসহায় মা… 💔গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার উত্তর লস্করচালা গ্রামে হ...
21/04/2026

স্বামীর ক"ব"রের পাশেই দুই সন্তানকে নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন এক অসহায় মা… 💔

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার উত্তর লস্করচালা গ্রামে হৃদয়বিদারক এই ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মাথা গোঁজার ঠাঁই না পেয়ে স্বামীর ক"ব"রের পাশেই দিন কাটছে সোনিয়া বেগমের। সঙ্গে রয়েছে ৯ বছরের কন্যা ছোঁয়া এবং ১৮ মাস বয়সী দুগ্ধপোষ্য সন্তান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বামী সুজন মাহমুদের মৃ/ত্যুর পর থেকেই চরম সংকটে পড়েন তিনি। সোনিয়ার অভিযোগ, স্বামীর মৃত্যুর পর শ্বশুরবাড়িতে তার ও সন্তানদের আর জায়গা হয়নি।

অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, “এই দুই সন্তান নিয়ে কোথায় যাব? আমার আর কোনো জায়গা নেই। তাই বাধ্য হয়ে কবরের পাশেই আছি।”

এলাকাবাসীর অনেকেই মনে করছেন, শিশুদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে পরিবারটির পাশে দাঁড়ানো উচিত। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত প্রশাসনিক সহায়তা ও তাদের নিরাপদ আশ্রয়ের দাবি জানিয়েছেন।

একজন মায়ের এই আর্তনাদ—আমাদের সমাজের কাছেই এক বড় প্রশ্ন। 🤍

দুনিয়ার সবচেয়ে ভারী জিনিসটা বহন করছেন এই বাবা। হামে আক্রা'ন্ত ৪ বছরের শিশুকে এনেছিলেন ঢাকায় চিকিৎসা করাতে। হলো না, বাবা-...
21/04/2026

দুনিয়ার সবচেয়ে ভারী জিনিসটা বহন করছেন এই বাবা। হামে আক্রা'ন্ত ৪ বছরের শিশুকে এনেছিলেন ঢাকায় চিকিৎসা করাতে। হলো না, বাবা-ছেলে ঠিকই বাড়ি ফিরছেন তবে একজন লা'শ হয়ে, আরেকজন অপ'রাধী হয়ে।
রাষ্ট্র তো আর অপ'রাধী হবে না, আমরাই অপ'রাধী। ভালো থাকুক ফুলগুলো। আমার প্রশ্ন এই জাতির কাছে এই শিশুর মৃত্যুর জন্য দায়ী কে?

ছবিঃ প্রথম আলো

সময়টা ছিল ১২ এপ্রিল ২০১৪ সাল...আজ থেকে ১২ বছর আগের ঘটনা। আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (AUST)-এর কম্পিউ...
17/04/2026

সময়টা ছিল ১২ এপ্রিল ২০১৪ সাল...
আজ থেকে ১২ বছর আগের ঘটনা। আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (AUST)-এর কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের একদল ছাত্র পহেলা বৈশাখ উদযাপন করতে কক্সবাজার ও সেন্ট মার্টিনে বেড়াতে গিয়েছিলেন।

সেন্ট মার্টিন সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নেমে জোয়ারের কবলে পড়ে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী নিখোঁজ হন। দীর্ঘ উদ্ধার অভিযানের পর ৫ থেকে ৬ জন ছাত্রের প্রা'ণহানির খবর পাওয়া যায়।

"নেটওয়ার্কের বাইরে" এ নামটি নেওয়া হয়েছে... নি!হতদের মধ্যে একজন শিক্ষার্থী, সাব্বির হাসান, ভ্রমণে যাওয়ার আগে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন: "Farewell friends! Going out of network."

পরবর্তীতে অন্যান্যদের লা!!শ খুঁজে পাওয়া গেলেও সাব্বির হাসানের লা!!শ খুঁজে পাওয়া যায়নি। সেদিন মোট ৬ জন বন্ধু নেটওয়ার্কের বাইরে চলে যান। তারা হচ্ছেন:
(১) ইভান
(২) সাব্বির
(৩) অঙ্কুর
(৪) ইশতিয়াক
(৫) নোমান
(৬) বাপ্পী 😢

মানুষ কি কখনও ব্ল্যাক হোলের ভেতর ভ্রমণ করতে পারবে কি না, এটা বিজ্ঞানের অন্যতম বড় এবং রোমাঞ্চকর প্রশ্ন। বর্তমানে আমাদের ক...
04/04/2026

মানুষ কি কখনও ব্ল্যাক হোলের ভেতর ভ্রমণ করতে পারবে কি না, এটা বিজ্ঞানের অন্যতম বড় এবং রোমাঞ্চকর প্রশ্ন। বর্তমানে আমাদের কাছে থাকা পদার্থবিজ্ঞানের জ্ঞান (বিশেষ করে আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব) অনুযায়ী এর উত্তরটা বেশ জটিল।
বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো দেখতে পারেন:
১. ঘটনা দিগন্ত বা ইভেন্ট হরাইজন (Event Horizon)
ব্ল্যাক হোলের চারপাশে একটি সীমানা থাকে যাকে বলা হয় ইভেন্ট হরাইজন। একবার এই সীমানা অতিক্রম করলে আলোও আর ফিরে আসতে পারে না। তাই কোনো মানুষ যদি এর ভেতরে প্রবেশ করে, সে বাইরের পৃথিবীর সাথে আর কোনোদিন যোগাযোগ করতে পারবে না। অর্থাৎ, এটি একটি 'ওয়ান-ওয়ে টিকিট'।
২. স্প্যাগেটিফিকেশন (Spaghettification)
ব্ল্যাক হোলের মহাকর্ষীয় বল এতটাই শক্তিশালী যে, আপনি যদি পা দিয়ে আগে ভেতরে ঢুকতে যান, তবে আপনার পায়ের ওপর টান মাথার চেয়ে অনেক বেশি হবে। ফলে আপনার শরীর নুডলস বা স্প্যাগেটির মতো লম্বা হয়ে ছিঁড়ে যাবে। এই প্রক্রিয়াকেই বিজ্ঞানীরা মজা করে স্প্যাগেটিফিকেশন বলেন।
৩. ব্ল্যাক হোলের ধরন ও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা
ভ্রমণ করতে পারাটা নির্ভর করবে ব্ল্যাক হোলটি কতটা বড় তার ওপর:
* ছোট ব্ল্যাক হোল: এখানে প্রবেশের আগেই মহাকর্ষের টানে শরীর ছিন্নভিন্ন হয়ে যাবে।
* বিশালকার (Supermassive) ব্ল্যাক হোল: যদি ব্ল্যাক হোলটি অনেক বড় হয় (যেমন আমাদের গ্যালাক্সির কেন্দ্রে থাকাটি), তবে এর ইভেন্ট হরাইজন পার হওয়ার সময় আপনি তাৎক্ষণিক কোনো চাপ অনুভব করবেন না। আপনি হয়তো কিছুক্ষণ বেঁচে থেকে ভেতরের অদ্ভুত জগৎ দেখতে পাবেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রে গিয়ে ধ্বংস হওয়া অনিবার্য।
৪. সিংগুলারিটি (Singularity)
ব্ল্যাক হোলের একদম কেন্দ্রে থাকে 'সিংগুলারিটি', যেখানে আমাদের চেনা সব পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র ভেঙে পড়ে। সেখানে পৌঁছালে মানুষের অস্তিত্ব ঠিক কী হবে, তা এখনো বিজ্ঞানীদের কাছে রহস্য।

আপনার কি মনে হয়? আমরা কি এমন কোনো প্রযুক্তি ভবিষ্যতে বানাতে পারব যা মহাকর্ষের এই প্রচণ্ড চাপ সইতে পারবে? (যেমনটি আমরা ইন্টারস্টেলার সিনেমায় দেখেছিলাম!)

ধরে নিলাম তারেক রহমান বিপক্ষ দলের প্রধানমন্ত্রী তাই উনার প্রশংসা করা যাবে না তাই কিছু জিনিস বাইপাস্ করে গেলাম ।যখন দেখলা...
22/03/2026

ধরে নিলাম তারেক রহমান বিপক্ষ দলের প্রধানমন্ত্রী তাই উনার প্রশংসা করা যাবে না তাই কিছু জিনিস বাইপাস্ করে গেলাম ।

যখন দেখলাম প্রধানমন্ত্রী হয়ে একজন পুলিশ সার্জেন্টকে ডেকে নিয়ে ঈদের কোলাকুলি করতেছে, একজন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট হিসাবে এই জিনিস কোনো ভাবেই বাইপাস্ করে যাওয়া সম্ভব না ।

তারেক রহমান তো আর নির্দিষ্ট কোনো দলের প্রধানমন্ত্রী নয়, উনি সবার প্রধানমন্ত্রী ।

বিগত দিনে দেখেছি আর ইউনিয়ন লেভেলের অনেক নেতাকে চিনি যারা রাজনীতি করে জীবন থেকে ৫০ বছর পার করে দিসে কিন্তু কখনো গণভবনের দেয়াল দেখারও সুযোগ পায়নি, নেত্রীকে সালাম দেওয়া তো দূরের বিষয় ।

যাই হোক... মানুষ বেঁচে থাকে তার কর্মে ।

বাবার পরেই বড় ভাই -এই কথাটা আজও কতটা সত্য, এই দৃশ্যটাই তার প্রমাণ। ❤️ট্রেনের ছাদে করে ঈদে বাড়ি ফিরছিলো দুই ভাইবোন।কিন্তু...
20/03/2026

বাবার পরেই বড় ভাই -এই কথাটা আজও কতটা সত্য, এই দৃশ্যটাই তার প্রমাণ। ❤️

ট্রেনের ছাদে করে ঈদে বাড়ি ফিরছিলো দুই ভাইবোন।
কিন্তু নিচে নামার সময় ছোট বোনটি নামতে পারছিল না… চারপাশে বৃষ্টি, ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি।

সেই মুহূর্তে বড় ভাই একটুও দ্বিধা করেনি..
নিজের কাঁধে বোনকে তুলে, জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ধীরে ধীরে নিচে নামিয়ে এনেছে।

একদিকে বৃষ্টি, অন্যদিকে শূন্যের উপর দাঁড়িয়ে এই কাজ...
এটা শুধু সাহস না, এটা ভালোবাসা আর দায়িত্ববোধের সবচেয়ে সুন্দর প্রকাশ।

ভাই মানে শুধু সম্পর্ক না;
ভাই মানে ভরসা, নিরাপত্তা, এক টুকরো ছায়া।

আল্লাহ সকল ভাইদের এমন দায়িত্বশীল ও ভালোবাসায় ভরপুর রাখুন।
আর যাদের এমন ভাই আছে, তারা সত্যিই ভাগ্যবতী। 🖤

Museum of the Prophet's Biography and Islamic Civilization​১. মূল আকর্ষণ​ছবির এই বিশালাকার গোল স্তম্ভটি আসলে একটি ডিজিটা...
09/03/2026

Museum of the Prophet's Biography and Islamic Civilization
​১. মূল আকর্ষণ
​ছবির এই বিশালাকার গোল স্তম্ভটি আসলে একটি ডিজিটাল এবং ফিজিক্যাল লাইব্রেরির সমন্বয়। এখানে প্রদর্শিত বইগুলো মূলত মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনী (সীরাত), সুন্নাহ এবং ইসলামের ইতিহাস সংবলিত। এটি মিউজিয়ামের অন্যতম আকর্ষণীয় একটি অংশ।
​২. আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার
​এই মিউজিয়ামটি তার অত্যাধুনিক প্রযুক্তির জন্য বিখ্যাত। এখানে:
​ইন্টারেক্টিভ স্ক্রিন: ছবির নিচেই আপনি কিছু স্ক্রিন দেখতে পাচ্ছেন, যেগুলোর মাধ্যমে দর্শনার্থীরা ডিজিটালভাবে বই পড়তে পারেন বা তথ্য জানতে পারেন।
​থ্রিডি (3D) মডেল: এখানে মদিনার প্রাচীন মানচিত্র এবং বিভিন্ন যুদ্ধের ময়দানের ত্রিমাত্রিক মডেল দেখানো হয়।
​হলোগ্রাম: উন্নত হলোগ্রাম প্রযুক্তির মাধ্যমে ইসলামের প্রাথমিক যুগের জীবনযাপন তুলে ধরা হয়েছে।
​৩. উদ্দেশ্য
​এই মিউজিয়ামের মূল লক্ষ্য হলো সারা বিশ্বের পর্যটক এবং তীর্থযাত্রীদের কাছে অত্যন্ত সহজ ও আকর্ষণীয় উপায়ে ইসলামের ইতিহাস এবং নবীজির (সা.) জীবনের শিক্ষা পৌঁছে দেওয়া। এটি বেশ কয়েকটি ভাষায় তথ্য প্রদর্শন করে।
​৪. অবস্থান
​এটি মসজিদে নববীর দক্ষিণ দিকের গেটের ঠিক পাশেই অবস্থিত। মদিনা ভ্রমণে গেলে এটি বর্তমানে পর্যটকদের অন্যতম প্রধান দর্শনীয় স্থান।

পৃথিবীর সবচেয়ে দামী বস্তুর নাম হলো অ্যান্টিম্যাটার (Antimatter) বা প্রতিকণা।এটি কেন এত দামী এবং এর বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দ...
09/03/2026

পৃথিবীর সবচেয়ে দামী বস্তুর নাম হলো অ্যান্টিম্যাটার (Antimatter) বা প্রতিকণা।
এটি কেন এত দামী এবং এর বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. অবিশ্বাস্য মূল্য
বর্তমানে ১ গ্রাম অ্যান্টিম্যাটারের দাম প্রায় ৬২.৫ ট্রিলিয়ন ডলার (অর্থাৎ প্রায় ৬২ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি)। তুলনা করার জন্য বলা যায়, এই এক গ্রাম অ্যান্টিম্যাটার বিক্রি করে বিশ্বের বড় বড় বেশ কয়েকটি দেশের পুরো বছরের বাজেট মেটানো সম্ভব।
২. কেন এটি এত দামী?
* তৈরির জটিলতা: এটি প্রাকৃতিকভাবে পৃথিবীতে পাওয়া যায় না। এটি অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তির ল্যাবে (যেমন ইউরোপের CERN) কণা ত্বরক যন্ত্রের (Particle Accelerator) মাধ্যমে তৈরি করতে হয়।
* পরিমাণ: এটি তৈরি করা এতই কঠিন যে, গত কয়েক দশকে বিজ্ঞানীরা মিলে মাত্র কয়েক ন্যানোগ্রাম অ্যান্টিম্যাটার তৈরি করতে পেরেছেন। ১ গ্রাম তৈরি করতে কয়েকশ কোটি বছর সময় লেগে যাবে।

📢
08/03/2026

📢

আজ ১৭ রমজান ঐতিহাসিক বদর দিবস। যেখান থেকে ইসলামের সূর্য উদিত হয়েছে।
07/03/2026

আজ ১৭ রমজান ঐতিহাসিক বদর দিবস। যেখান থেকে ইসলামের সূর্য উদিত হয়েছে।

সোনার খণ্ড ভেবে আগলে রেখেছিলেন, কিন্তু আসলে তা ছিল পৃথিবীরও চেয়ে পুরোনো!অস্ট্রেলিয়ার এক স্বর্ণ সন্ধানী বহু বছর ধরে ১৭ ক...
07/03/2026

সোনার খণ্ড ভেবে আগলে রেখেছিলেন, কিন্তু আসলে তা ছিল পৃথিবীরও চেয়ে পুরোনো!
অস্ট্রেলিয়ার এক স্বর্ণ সন্ধানী বহু বছর ধরে ১৭ কেজি ওজনের লালচে এক পাথরকে সযত্নে রেখে দিয়েছিলেন। তার বিশ্বাস—এটার ভেতরে বিশাল এক সোনার খণ্ড লুকিয়ে আছে!

কিন্তু পাথরটা এতই শক্ত ছিল যে কোনোভাবেই ভাঙা যাচ্ছিল না। অবশেষে তিনি সেটি নিয়ে যান মেলবোর্ন মিউজিয়ামে। আর সেখানেই জীবনের সবচেয়ে বড় চমক পান তিনি।

পরীক্ষার পর জানা যায়, এটি আদতে কোনো সোনার খণ্ড নয়, এমনকি পৃথিবীর পাথরও নয়!

এটি আসলে ৪৬০ কোটি বছরের পুরোনো এক উল্কাপিণ্ড—আমাদের সৌরজগতের জন্মলগ্নের টুকরো, যা পৃথিবীরও আগে থেকে বিদ্যমান! ধারণা করা হচ্ছে, এটি মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝের গ্রহাণু বেষ্টনী থেকে ছিটকে এসে হাজার হাজার বছর আগে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে পড়েছিল।

বিজ্ঞানীদের মতে, এই উল্কাপিণ্ড সোনার চেয়েও অনেক মূল্যবান। কারণ, এগুলো হলো একেকটি মহাজাগতিক টাইম ক্যাপসুল, যা থেকে গ্রহের জন্ম ও জীবনের উৎস সম্পর্কে অবিশ্বাস্য তথ্য জানা যায়।

শেষ পর্যন্ত, লোকটির ‘সোনার সন্ধান’ মিলেছিল এক মহাজাগতিক রত্নে। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন—সত্যিকারের সম্পদ সবসময় ঝলমলে হয় না, কখনও কখনও তা আকাশ থেকেও ঝরে পড়ে।

বেচাকেনা হচ্ছে না এই জন্য দোকানের  মালিকদের মন খারাপ😆😆😆
06/03/2026

বেচাকেনা হচ্ছে না এই জন্য দোকানের মালিকদের মন
খারাপ😆😆😆

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মহাকাশ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share