Old Dhakas Busniess area Chawkbazer

Old Dhakas Busniess area Chawkbazer Welcome to the "Old Dhaka's Business area chawkbazar. It's near at Dhaka Central Jail. It's one of the most popular Business area of BANGLADESH .

দৈনন্দিন জীবনের কাজকে সহজ করে ফেলুন ছোট ছোট ট্রিক্সের মাধ্যমে।
15/03/2021

দৈনন্দিন জীবনের কাজকে সহজ করে ফেলুন ছোট ছোট ট্রিক্সের মাধ্যমে।

লিখেছেন-Rony Ahmedআমরা সবাই জানি নকিয়া গুগলের এন্ড্রোয়েডে কনভার্ট না হওয়াতে ব্যর্থ হয়েছে! কেবল কি এন্ড্রোয়েডে'ই একমাত্র ...
07/09/2020

লিখেছেন-Rony Ahmed
আমরা সবাই জানি নকিয়া গুগলের এন্ড্রোয়েডে কনভার্ট না হওয়াতে ব্যর্থ হয়েছে! কেবল কি এন্ড্রোয়েডে'ই একমাত্র কারন?নকিয়া কেনোই বা মাইক্রোসফটের কাছে বিক্রি হল?নকিয়ার সিইও স্টিফেন ইলোপ কেনো মিনিমাম ৫০ বিলিয়নের নকিয়াকে মাত্র ৭.২ বিলিয়নে বিক্রি করল?
বাজারে নকিয়া নিয়ে অনেক আলোচনা, আর্টিকেল, ভিডিও আছে- আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব হয়েছে জেনেছি সেই অনুযায়ী ধারনা নিয়ে নিজের মত লিখার চেষ্টা করেছি।
♣ নকিয়ার পতনের ইতিহাস -
২০০৭ সালে স্টিভ জবস পকেট থেকে এপ্যেল বের করে যখন সবাইকে পরিচিত করালো সেই থেকেই নকিয়ার ৪৯.৭% এর মার্কেট শেয়ার নামতে নামতে ৫-৭ বছরের ব্যবধানে দুনিয়ার সবচাইতে নামি দামি ব্রান্ডের মার্কেট শেয়ার ৩% এর ও নিচে নেমে যায়।
নকিয়ার পতন ২০০৭ এর আগেই শুরু হয়েছিল এপ্যেল কেবল একটা মাধ্যম ছিল। মানুষ একই ধরনের সার্ভিস পেতে পেতে বিরক্ত হয়ে গিয়েছিল ; তাছাড়া নকিয়ার বিরাট এমাউন্টের ফোনের মধ্যে ব্যাটারি ইস্যু নিয়ে একটা সমস্যা দেখা দেয় সেই থেকে মানুষ নতুনত্ব চেয়েছিল কিন্তু পাচ্ছিলোনা! যেই মাত্র পেল সেই মাত্র শিফট হয়ে গেল।
নকিয়ার ম্যানেজমেন্ট, ইন্টারনাল রাইভারলি ,লেক অফ টাইম ফর ইনোভেশন,সাপ্লাই চেইন এজিলিটি না থাকা সহ আরো অনেক অনেক কারন রয়েছে এর পতনে!
Yves Doz প্রফেসর অফ ইনসিড বলেন কেবল

"এক ওয়ার্ডে নকিয়ার পতনকে ব্যাখ্যা করা যাবেনা ম্যানেজমেন্ট ডিসিশন,ডিসফাংশনাল স্ট্রাকচারাল সিস্টেম,আমলাতান্ত্রিকতা এসব গভীরভাবে জড়িত।

নকিয়ার পুর্বের সি ইও বলেন
" বড় কোম্পানিতে হুট করে চেঞ্জ নিয়ে আসাটা টাফ"
শেয়ারহোল্ডার ,এমপ্লোয়ি ,টপ ম্যানেজম্যান্ট সহ সবাইকে এক সাড়িতে এনে কাজ করা সহজ নয়। কেউ'ই চেঞ্জ নিয়ে আসতে চাচ্ছিলোনা! এতটা জরুরি মনে করেনি।
তিনি একটা দামি কথা বলেছিল। কোম্পানিতে চেঞ্জ আসে ২ টা সময়ে " হয় একজন দুর্দান্ত লিডারের আগমনে " আর না হয় "ক্রাইসিস মোমেন্টে "। নকিয়ার চেঞ্জের সময় টা ছিল নকিয়ার ক্রাইসিস মোমেন্ট;আর তাই চেঞ্জ দরকার ছিল- যা করতে দেরি হয়েছে।
♣ টু-জি এপ্যেলের কাছে থ্রি-জি নকিয়া ব্যার্থ
নকিয়া ২০০৩ সালে থ্রি জি ফোন ৭৬০০ নিয়ে আসে,২০০৩ সালে গেমিং জনপ্রিয় হওয়াতে N Gage( এন হেইজ) ফোন ও বের করে কিন্তু সেগুলো অদ্ভুত ডিজাইন আর কম্ফোর্ট না হওয়াতে চলেনি! তাই তারা স্মার্টফোনের আইডিয়া থেকে সরে গিয়ে আবার সেই সিম্বিয়ানের দিকেই ঘুরতে থাকে! আর বাদ বাকি ফিচার ফোনের মার্কেট নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়ে।
আইফোনের কাছে টু- জি স্মার্টফোন ছিল কিন্তু নকিয়া থ্রি- জি ফোন ২০০৩ সালেই বের করে সিম্বিয়ান ও এস(Os) দ্বারা,! একটু রিসার্চ আর রিস্ক নিয়ে এগিয়ে গেলে আজকে এই দিন দেখতে হতনা। নকিয়া মার্কেট দেখেও না দেখার ভান করে বসে ছিল। কারন ,এতে করে কর্মীদের চাকরির নিরাপত্তা হরন হবার ভয় ছিল। সবাই যার যার চাকরি বাচাতে ব্যস্ত ছিল।
♣ নকিয়ার ইন্টারনাল টিম ডিভাইডার
২০১০ পর্যন্ত যখন নকিয়া সিম্বিয়ান নিয়ে আটা পিষতে পিষতে আর আগাতে পারছেনা, ঠিক তখন মিগো Meego OS ডেভোলপ করে N-8,N-900 মডেলের মোবাইল রিলিজ করে।
নকিয়ার ভিতরে ২ টা আলাদা টিম ভাগ হয়ে যায় একদল সিম্বিয়ান নিয়ে পড়েছিল আরেকদল মিগো নিয়ে রিসার্চে ব্যস্ত। এক কোম্পানিতে টিম ২ ভাগ হয়ে গেলে বেশি দুর আর আগানো যায়না। পরবর্তীতে স্টিফেন ইলোপ মিগো কে বন্ধ করে উন্ডোজের কাছে চলে যায়।কেনো এই কাজ করে সেটা নিচে পাবেন।
♣ আম, ছালা দুইটাই গেল
(মানে আমেরিকা, ইউরোপ আম এশিয়া ছালা/বস্তা)
যেকোন বড় ইনোভেশনের ইফেক্ট সবার আগে ইউরোপ,আমেরিকাতে দেখা যায়! এরপর বাকি অন্যান্য দেশে দেখা যায়৷নকিয়ার মার্কেট এশিয়া আর আফ্রিকাতে তখনো টিকে ছিল।কিন্তু ওইদিকে স্যামসাং আর মটোরলা তাদের ফ্লিপ সেট বের করে নকিয়ার বাকি মার্কেট টুকু ক্যাপচার করে ফেলে।
উইন্ডোজ স্মার্টফোন দিয়ে যখন মাইক্রোসফট আমেরিকা, ইউরোপে মাইরের উপর মাইর খাচ্ছিলো তখন ওদিকে এশিয়ার মার্কেটে উইন্ডোজের ৩/৪ হাজার টাকার ফিচার ফোনের সাথেই চায়না সামান্য কিছু টাকা বাড়তিতেই স্মার্টফোন নিয়ে চলে আসলো।মানুষ নকিয়া ছেড়ে চাইনিজ ফোনে কনভার্ট হয়ে গেল।এশিয়ার মার্কেট ও হাতছাড়া হয়ে গেল।
নকিয়া যতদিনে প্রোগ্রামিং করে ততদিনে চায়না মোবাইল বের করে বাজারে নিয়ে আসে।
♣‌অহংকার পতনের মূল
মোবাইলের আবার অহংকার কী? জ্বি হ্যা আছে, নকিয়ার মোবাইল অটোমেটিক বিক্রি হতো রিটেইলার আর ডিস্ট্রিবিউটরদের বিক্রি করতে কষ্ট হতো না। আপনিও যিনি নকিয়ার ৩৩১০ আর ১১১০ চালিয়েছেন দোকানে গিয়ে বলেন নি ভাই নকিয়ার সেট দেখান। নকিয়ার নাম লাগত না। দোকানে ১১১০ আর ৩৩১০ বললেই হতো।
নকিয়া মোবাইল বিক্রির খুবই লো মার্জিন দিত তার রিটেইলার আর ডিস্ট্রিবিউটরকে। আর এই সুযোগটা কাজে লাগিয়েছে অপো, স্যামসাং,ভিভো,এইচটিসি,সহ দেশী, বিদেশী কোম্পানিগুলো।তারা নকিয়ার রিটেইলার আর ডিস্ট্রিবিউটরকে নকিয়ার চাইতে বেশি প্রফিজ মার্জিন দিয়ে হাতের মুঠোয় নিয়ে নিয়েছে।
♣মোটা মানুষ চিকন মানুষের সাথে দৌড়াতে পারেনা..
নকিয়ার মধ্যে আবার মোটা মানুষ কীভাবে ঢুকে গেল ভাবছেন তাইনা, আসেন ক্লিয়ার করি৷
মনে আছে জারা নিয়ে লিখেছিলাম কেন তারা এত দ্রুত চলে?( না জেনে থাকলে নিচে লিংক দিব পড়ে নিবেন) কারন ছিল তাদের ফাস্ট আর এজাইল সাপ্লাই চেইন সিস্টেম। ৯০ কেজি ওজনের ভুড়ি ওয়ালা ব্যক্তি আর ৯০ কেজি ওজনের সিক্স পেক ওয়ালা ব্যক্তির পার্ফরমেন্স আলাদা হবে।
নকিয়া ভিতরে ভিতরে ভুড়ি ওয়ালা ব্যক্তির মত বিশাল সাইজের হয়ে গিয়েছিল। বিশাল সাইজের মার্কেট ডিমান্ড ফুলফিল করতে করতে তারা নতুন ইনোভেশনে ধ্যান করেনি। মার্কেটে যখন স্মার্টফোনের ডিমান্ড বেড়ে গেল হার্ডওয়্যার কেন্দ্রিক কোম্পানিকে সফটওয়্যার কেন্দ্রিক করতে হলে এক্সপার্ট দরকার, লিডিং টিম, এক্সিকিউটিভ দরকার,ট্রেনিং দরকার।
নকিয়ার লোকবল হার্ডওয়ার বানাতে এক্সপার্ট ছিল।
নকিয়ার হাতে সব'ই ছিল। কিন্তু নকিয়া তাদের কোম্পানির গঠন প্রনালী " মেট্রিক্স স্ট্রাকচারে " কনভার্ট করার কারনে টপ ম্যানেজমেন্ট থেকে অনেকেই চলে যায়।আর মিড লেভেলের ম্যানেজমেন্টের অতোটা এক্সপেরিয়েন্স ছিলনা, ইন্টারনাল রাইভারলির কারনে বাকিটা শেষ হয়েছে।
আর সিম্বিয়ান অপারেটিং সিস্টেমকে আকড়ে ধরে এন্ড্রোয়েডে কনভার্ট করতে পুরা সিস্টেম চোখে মুখে ধোয়া দেখা শুরু করল। তারা ভেবেছিল দেরিতে এন্ড্রোয়েডে গেলেও মানুষ তাদের ভুলবেনা।যতদিনে সিস্টেম চেঞ্জ করে নতুন মডেলে এডাপ্ট করে এন্ড্রোয়েডে এসেছে ততদিনে স্যামসাং,সিম্ফোনি,বিভো ওপো,ওয়ালটন,সিম্ফোনি সহ শত শত ব্রান্ড মার্কেট ধরে ফেলেছে।
♣স্টিফেন ইলোপের সুপ্ত বাসনা
২০১০ সালে যখন পুরনো সিইও কোম্পানি ছেড়ে চলে গেল। স্টিফেন ইলোপকে নতুন সিইও নিয়োগ দেয়া হয়। ফোর্বসে দেয়া ভাষ্যতে ইলোপ বলে 'আমরা এখন জলন্ত আগুনের চারিদিকে পড়ে আছি বাচতে হলে ঠান্ডা পানিতে ঝাপ দিতে হবে"
আর প্ল্যান মোতাবেক ইলোপ এগিয়ে যাচ্ছিলো কিন্তু তার মনে ছিল অন্য বাসনা।ইলোপ নকিয়ার সিম্বিয়ান কে ছেড়ে মিগো অপারেটিং সিস্টেম চালু করে এবং খুব দ্রুত কিছুদিনের মাথায় জনপ্রিয়তা পেয়ে যায় কিন্তু ইলোপ একটা কারন দেখিয়ে মিগো কে বন্ধ করে দেয়। কারনটা ছিল 'মিগো এখনো নতুন, এটাকে ডেভোলাপ করার জন্য ওতো সময় হাতে নেই এবং মিগোর জন্য আলাদা ইকোসিস্টেম তৈরী করাও সময়সাপেক্ষ "
এরপরেই ইলোপ যায় তার জাত ভাই স্টিভ বেলমোরের কাছে যিনি তখনকার মাইক্রোসফটের সিইও ছিল।
মাইক্রোসফটের কাছে মাত্র ৭.২ বিলিয়নে নকিয়াকে বিক্রি করল। এবং ইলোপ ১৮.৮ মিলিয়ন ইউরো বোনাস হিসেবে ওইদিনই পায় যেদিন নকিয়ার সাথে বিক্রির চুক্তি হয় মাইক্রোসফটের।
স্টিফেন ইলোপ ইচ্ছাকৃত ভাবে মিগো কে বন্ধ করে দেয়। কারন, তার ইচ্ছা ছিল মাইক্রোসফটের পরবর্তী সিইও হওয়া (ফোর্বসে এইটা নিয়ে লিখালিখি হয়েছে)
নকিয়াতে আসার আগে ইলোপ মাইক্রোসফটের বিজনেস হেড ছিল। ইলোপের প্ল্যান ছিল কোনোরকমে মাইক্রোসফটে যেতে পারলে পরের সিইও( CEO) সে হয়ে যাবে। আর এ কারনেই তখনকার মিনিমাম ৫০ বিলিয়ন ডলারের নকিয়াকে মাত্র ৭ বিলিয়নে বিক্রি করে। ঘটনা এখানেই সমাপ্ত না।
♣নকিয়াকে ৭ বিলিয়নে কিনাটা পুরাই লস কেন?
নকিয়ার হার্ডওয়্যার আর মাইক্রোসফটের সফটওয়্যার মিলে তারা এপ্যেলের সাথে টেক্কা দিবে ভেবেছিল।
মাইক্রোসফট নকিয়াকে কিনার পর উইন্ডোজের যেই ফোন গুলা বের করে সেখানে নকিয়ার নাম মুছে ফেলে মাইক্রোসফট লাগানো হয়। নকিয়ার নাম যদি নাই লাগবে তাহলে কি কারনে ৭ বিলিয়ন খরচ করল?
এইটা স্টিফেন ইলোপের কারসাজি! সে স্টিভ বেলমোরকে চুনা লাগিয়ে নকিয়াকে বিক্রি করে মাইক্রোসফটে ঢুকার ফন্দি করে ছিল। হার্ডওয়্যারের জন্য তো যেকোন চাইনিজ কোম্পানিকে এরচে আধা দামে কেনা যেত।
♣এক মাঠে দেশী,বিদেশী আর হাইব্রিড ঘোড়ার দৌড়
গুগলের এন্ড্রোয়েড দেশী ঘোড়া, এপ্যালের আই ও এস বিদেশী ঘোড়া। এদের মধ্যে ৩ নাম্বার হাইব্রিড হিসেবে মাইক্রোসফট ঢুকে গেলো।
মাইক্রোসফটের সিইও 'স্টিভ বেলমোরকে' দিয়ে যখন সুনাম দমে যাচ্ছিলো উইন্ডোজ ফোনের কারনে! তখন ভারতের satyaa nadella কে সি ই ও (CEO) বানিয়ে আনা হলে

নাডেলা বলেন" মাইক্রোসফটের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল মোবাইল বিজনেসে হাত দেয়া এবং নকিয়াকে কিনে নেয়া। যেখানে অলড়েডি 'এন্ড্রোয়েড' আর 'আই ও এস' দুইটা ইকোসিস্টেম বুলেটের গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে সেখানে কচ্ছপের গতিতে আরেকটা মাইক্রোসফটের ইকোসিস্টেম তৈরী করাটা বোকামি ছাড়া কিছুই ছিল না"

এরপর নাডেলা HMD global এর হাতে নকিয়াকে দিয়ে দেয় যেখানে Foxconn কে সাথে নিয়ে তারা কাজ শুরু করে নতুনভাবে আবার মার্কেটে নকিয়া ফিরে আসে। HMD গ্লোবাল নকিয়ার আগের কর্মীরা মিলে তৈরী করেন এবং নাডেলার সাথে চুক্তি করে ১০ বছরের জন্য নকিয়াকে তারা নিয়ে নেয়।
♣ গুগলের বাজিমাত
এক তো মাইক্রোসফট লেট মুভার তার উপরে তাদের সবচেয়ে বাজে উইন্ডোজ ৮ কে নিয়ে মোবাইল সিস্টেমে ইম্পলিমেন্ট করে ৩ নাম্বার ইকোসিস্টেম তৈরী করতে চেয়েছে। উইন্ডোজ যেকোন মোবাইলে লাগালে তাদেরকে লাইসেন্সিং ফি দিতে হতো। নকিয়ার আগে অন্যান্য কোম্পানির OS উইন্ডোজ ছিল।
এক তো লাইসেন্সিং ফি দিতে হবে অন্য কোম্পানি ইউজ করলে ওদিকে নকিয়ার জন্য মাইক্রোসফট ফ্রি। টাকা দিয়ে আবার নকিয়ার সাথে অন্যরা কেন শুধু শুধু কম্পিট করবে? তার চাইতে বেটার অপশন চলে আসে গুগলের ফ্রি এন্ড্রোয়েড; যেখানে কোন চার্জ দিতে নেই।
মাইক্রোসফট মার্কেটে আসার আগে ততদিনে গুগল তার চারপাশে ইকোসিস্টেম বানিয়ে রেখেছে। মোবাইলের এপ্স ডেভোলপার,এপ্সের মালিক,মোবাইল কোম্পানি,সার্ভিসপ্রোভাইডার(এয়ারটেল ইত্যাদি),
ইনভেস্টর এদের সবাইকে গুগলের কাছে আসতে গুগল বাধ্য করে দেয় এদেরকে নিয়েই ইকোসিস্টেম। ওদিকে এপ্যেলের আলাদা ইকোসিস্টেম!

যদি এমন হতো উইন্ডোজ সবার শেষে এসে সবাইকে নিয়ে একদম নতুন ইকোসিস্টেম তৈরী করে ফেলতে পারতো তাহলে টিকে যেত যেমনটা ভারতের জিও মোবাইল করেছে। মুখেশ আম্বানির টাকার অভাব নেই দেড় - দুই লাখ কোটি টাকা ইনভেস্ট করে ফোর-জি এনে ফ্রি-সিম,ফ্রি ইন্টারনেট ডাটা ডিস্ট্রিবিউট করে পুরা মার্কেট চেঞ্জ করে দেয়। সবার শেষে এসে এখন মার্কেট লিডার।

একদিকে সব মোবাইল কোম্পানি, ইঞ্জিনিয়ার, ইনভেস্টর,গুগল আর একদিকে নকিয়া আর মাইক্রোসফট একা একজন আরেকজনকে আকড়ে ধরে ঘুরতে থাকে, তাদের কোন ইকোসিস্টেম তৈরী করার ক্ষমতাই হয়নি! কারন, কেউই উইন্ডোজে তাদের এপ্স বানাতে যেতো না।
না তাদের হাতে ছিল ইনভেস্টর না ছিল এপ্সের ডেভোললার,না ছিল মোবাইল কোম্পানির মালিক।একা একা সাগরের মাঝঝানে ব্যবসা করা যায়না।
♣মাইক্রোসফটের ভেলকি

মাইক্রোসফট ব্লু ওশেন (Blue Ocean) স্ট্রাটেটিজি এপ্লাই করতে চেয়েছিল, রেড ওশেনে(Red Ocean) কম্পিটিটিটর একজন আরেকজনের গলা কাটা নিয়ে ব্যস্ত থাকবে ওই সুযোগে মাইক্রোসফট আলাদা কিছু করে মার্কেটে মনোপলি ক্রিয়েট করতে চেয়েছিল।

নকিয়ার সিইও (CEO) ইলোপকে যখন বলা হয় আমাদের হাতে অপশন আছে হয় নতুন কিছু নিয়ে আসা, আর না হয় অন্যদের মত গুগলে জয়েন্ট করা
তখন চালাকে বলেছিল "অন্যদের মত যদি আমি ভিড়ে চলে যাই তাহলে আর আমার মাঝে আর অন্যদের মাঝে আলাদা কি থাকলো "
♣ ইলোপের ব্যার্থতা
ইলোপ ২০১০ সালে দায়িত্ব নেবার পড়ে কোম্পানির ১১ জন হাই লেভেল এক্সিকিউটিভদের মধ্য ৯ জনকে চেঞ্জ করে ফেলে। তার উল্টাপাল্টা সিদ্ধান্ত মেনে নিতে না পেরে অনেকেই জব ছেড়ে চলে যায় আর বাদবাকিদের সে নিজেই ফায়ার করে দেয়। ইলোপ দায়িত্বে আসার পর নকিয়ার শেয়ার ৭৫% ফল করে ৬ মাসের মধ্যে এবং সেই বছরের সেপ্টেম্বরে ৪১ হাজার জব কাট হয়।

এখানে একটা শিক্ষা আছে রেড ওশেনের মধ্যে থেকেও মনোপলি ক্রিয়েট করা যায় সেটা শাওমিকে দেখেই শিক্ষা নেয়া যায়। নকিয়ার এপ্স ছিল লিমিটেড তাই সার্ভিস ও লিমিটেড আর ওদিকে এড্রোয়েডের এপ্স লাখ ছাড়িয়ে তাই সার্ভিস ও বেশি।

শিক্ষাঃ
১. It's not important to be first mover It's important to be the fast mover. (প্রথম হওয়ার চাইতে, দ্রুত চলতে জানাটা জরুরি)
২.যোগ্য লিডার দরকার তবে তার চেয়ে বেশি দরকার প্রব্লেম সলভার লিডার। ইলোপকে আনা হয়েছিল কোম্পানিকে বাচাতে,উল্টা সে নিজের স্বার্থে কোম্পানিকে বিক্রি করে দেয়।
৩.বিজনেস মডেলের মধ্যে ইকোসিস্টেম তৈরী করা, একা একা ব্যবসা করা যায়না।
৪.অর্গানাইজেশনের মধ্যে সবাইকে একটা লক্ষ্য সামনে নিয়েই এগিয়ে যাওয়া উচিত, কোম্পানির হুট করে স্ট্রাকচারাল চেঞ্জ হিতে বিপরীত হতে পারে আর সময়ের সাথে সাথে কোম্পানি এবং কর্মীদেরকে আপডেটেড রাখা।
To read my other articles check my page Business Insights With Rony Ahmed
Rony Ahmed (University Of Chittagong)
Department Of Marketing (MBA)
কারো সাথে মতামতের বিরোধ হলে মাফ করবেন

15/08/2020
শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ দিন।
17/07/2020

শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ দিন।

🔴একটি সাইকোলজিক্যাল টেস্ট :🔺ছবিটিতে আপনারা কি দেখতে পাচ্ছেন? 🔸১) একটি বাঘের মাথা🔹২) একটি ঝুলন্ত বানর➡যদি ১ হয়:আপনার মস্ত...
19/06/2020

🔴একটি সাইকোলজিক্যাল টেস্ট :
🔺ছবিটিতে আপনারা কি দেখতে পাচ্ছেন?
🔸১) একটি বাঘের মাথা
🔹২) একটি ঝুলন্ত বানর

➡যদি ১ হয়:
আপনার মস্তিষ্কের বাম হেমিস্ফিয়ার ডান হেমিস্ফিয়ারের থেকে বেশি এক্টিভ, আপনি একজন বিশ্লেষণাত্বক ব্যাক্তি। আপনার লক্ষ্য অত্যন্ত সংগঠিত এবং আপনি নিজের লক্ষ্যের প্রতি যথেষ্ট মনোনিবেশ সম্পন্ন। আপনি কখনো কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে যুক্তি যুক্ত, গনক এবং বস্তুগত হয়ে থাকেন। মাঝে মাঝে আপনি আপনার নেওয়া সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেক ভাবেন, নিজেতেই বিশ্লেষণ করেন সেগুলো ঠিক ছিলো কিনা যা আপনাকে আরো দৃঢ় করে তোলে। আপনি মনে করেন সামান্য মানবিকতা আপনাকে আপনার লক্ষ্যের অনেক দূর নিয়ে যেতে পারে।

⭕আপনার ব্যাক্তিত্বের বৈশিষ্ট্য সমূহ নিম্নরুপ:

✔Organised (সংগঠিত): আপনি আপনার সকল কাজ পরিকল্পনা করে করে থাকেন, যেন আপনার কাছে সবসময় আপনার সকল কাজের পূর্ব পরিকল্পনা ও তালিকা থাকে।

✔Accurate (যথাযথ): আপনার লক্ষ্য সুনির্দিষ্ট এবং আপনি খুব ভালোভাবেই জানেন তা কিভাবে অর্জন করতে হবে।

✔Lucid (নির্মল): আবেগ অনুভূতি কখনো আপনাকে আপনার লক্ষ্যে পৌঁছাতে বাধা দিতে পারেনা।

✔Logic (যুক্তিবিদ্যা): গনিত, বিজ্ঞানে এবং আইডিয়া সংগঠনে আপনি অত্যন্ত দক্ষ।

✔Realistic (বাস্তবানুগ): আপনার জগৎ সম্পূর্ণ বাস্তববাদী, সেখানে কল্পকাহিনির কোনো জায়গা নেই। আপনার লক্ষ্য সমূহ অন্যদের নিকট উর্ধ্বে মনেহতে পারে কিন্তু আপনি বিশ্বাস করেন সেগুলো বাস্তব এবং সম্ভব।

➡ যদি ২ হয়:
আপনার মস্তিষ্কের ডান হেমিস্ফিয়ার বেশি এক্টিভ। আপনি একজন সৃজনশীল ব্যাক্তি এবং উদ্ভাবনী ক্ষমতা সম্পন্ন। আপনি যখনই প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হন সমালোচনা চিন্তা ভাবনায় ভরসা রাকার পরিবর্তে আপনি নিজের সজ্ঞায় বিশ্বাসী থাকেন(আপনি সর্বদা সঠিক)।
আপনি অনেক ভালোকরেই জানেন আপনার জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ এক একটি শিক্ষা তা যদি আপনি হেরেও যান,তার মানে আপনি আপনার লক্ষ্য অর্জনের প্রতি এগিয়ে যান। আপনি একজন কল্পনা বিলাসী তাই আপনি প্রায়ই আপনার নিজের স্বপ্নলোকে হারিয়ে যান। আপনার জন্য সময়ের কাজ সময়ে করা অপরিহার্য যখনই আপনি আপনার পারিপার্শ্বিক অবস্থা বুঝতে পারেন এবং বাস্তব জীবনের প্রতি একটু বেশি ধ্যান দেন।

⭕আপনার ব্যাক্তিত্বের বৈশিষ্ট্য সমূহ নিম্নরুপ:

✔Impulsive (আবেগপ্রবণ): আপনি সব কিছু স্বতঃস্ফূর্তভাবে করেন, আপনার মধ্যে তুলনামূলক ভাবে সবকিছু বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার প্রবনতা আছে।

✔Sensitive (অনুভুতি প্রবন): আপনি সবকিছু নিয়ে অনেক বেশি চিন্তা ভাবনা করেন। আপনি প্রায়শই আপনার অনুভুতির উপর ভিত্তি করে চিন্তা এবং আচরণ করে থাকেন।

✔ Creative and Artistic (সৃজনশীল এবং শৈল্পিক): আপনি সাধারণত গান বাজনা, শিল্প- সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা দক্ষ হয়ে থাকেন।

✔Intuitive (সজ্ঞাত): আপনি আপনার কোনো কাজই পরিকল্পিতভাবে করতে পছন্দ করেন না এবং কোনো নিয়মের পরোয়া করেন না। আপনি সাধারণত আপনার উপস্থিত বুদ্ধির দ্বারা সকল সমস্যার সমাধান করেন।

✔Dreamer (স্বপ্নদর্শী): আপনার লক্ষ্যের চেয়ে স্বপ্ন বেশি যদিও আপনি নিজের স্বপ্ন সত্যি করতে সর্বদা সচল থাকেন।

⚠কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা- মনে রাখবে মানব মস্তিষ্কের এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ পৃথকভাবে নয় বরং সমন্বিতভাবে কাজ করে একে অন্যকে পরিপূর্ণ করে। সুতরাং যদি এটাও মনে হয় আপনার একটি হেমিস্ফিয়ারের থেকে আরও বৈশিষ্ট্য রয়েছে, আপনি হয়তো অন্য হেমিস্ফিয়ারের কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্নও হতে পারেন তবে সাধারণত এবং যথাযথ ক্ষেত্রে উল্লেখিত সজ্ঞাটিই যথার্থ হবে।

তাহলে আপনি প্রথমে কি দেখলেন? বাঘ নাকি বানর! কতটুকু সামঞ্জস্যতা আছে?

(সংগ্রহীত)

19/06/2020
একসময় জামালপুরের বাহাদুরাবাদে ফেরিতে পারাপার হতো ট্রেন ও! ☺️একসময় ঢাকার সঙ্গে দেশের উত্তরাঞ্চলের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা ছ...
14/11/2019

একসময় জামালপুরের বাহাদুরাবাদে ফেরিতে পারাপার হতো ট্রেন ও! ☺️একসময় ঢাকার সঙ্গে দেশের উত্তরাঞ্চলের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিলো নাজুক। এমন সংকটময় সময় যোগাযোগ ব্যবস্থারউন্নতিতে চালু করা হয় বাংলাদেশের প্রথম রেলওয়ে ফেরী। ১৯৩৮ সালে এই রেলওয়ে ফেরী চালু হয়। এর নামকরণ করা হয় বাহাদুরাবাদ রেল ফেরী ঘাট।🚃

(সংগ্রহীত)

শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ দিন।

যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেছে অযৌক্তিক ফ্লাইওভারের কারণে, তা আর কোনো দিনই পূরণ হবার নয় …বুয়েট অধ্যাপক ড. সামছুল হক।বাংলাদেশ ...
12/11/2019

যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেছে অযৌক্তিক ফ্লাইওভারের কারণে, তা আর কোনো দিনই পূরণ হবার নয় …বুয়েট অধ্যাপক ড. সামছুল হক।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক। যুক্তরাজ্যের সাউদাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিবহন বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি করেছেন। বিশিষ্ট পরিবহন বিশেষজ্ঞ হিসেবে খ্যাতনামা তিনি। সম্প্রতি “সাপ্তাহিক” ম্যাগাজিনকে দেয়া এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে পরিবহন খাত নিয়ে বিস্ফোরক সব মন্তব্য করেছেন এই প্রকৌশলী। তার মধ্য থেকে এখানে চুম্বক অংশ তুলে দিলাম। ★ সরকারও তো হোয়াইট কালার জবে বিশ্বাসী। ফ্লাইওভার উদ্বোধন করতে ফিতা কাটা যায়। ফুটপাত দখলমুক্ত করে বা গণপরিবহনের সেবা বাড়িয়ে ফিতা কাটা যায় না। এখানে ঘাম ঝরে। সবই সিন্ডিকেটের অংশ। আগে ডিপার্টমেন্টগুলো মন্ত্রণালয়ের কাছে জবাবদিহি করত। এখন আর তা নেই। মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের নিচে গিয়ে দেখুন, কি সর্বনাশ করা হয়েছে। কোনোই জবাবদিহিতা নেই।


★ যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেছে অযৌক্তিক ফ্লাইওভারের কারণে, তা আর কোনো দিনই পূরণ হবার নয়। অযৌক্তিক উন্নয়নের ভাগিদার অনেক। ডিসিসি না করলে বিবিএ করছে। নতুবা সেনাবাহিনী করছে। সেনাবাহিনী না করলে এলজিআরডি বা সড়ক বিভাগ করে ফেলছে। সবাই তো ব্যবসা, কমিশন নিয়েই ব্যস্ত। ★ আজ থেকে ২০ বছর আগে রাজধানীতে ঘণ্টায় গতি ছিল ২৫ কিলোমিটার। ৫ বছর পর হল ঘণ্টায় ১৮ কিলোমিটার। ১৯৯৪ সালে ডিআইটিএস প্রথম এই গতি নিয়ে রিপোর্ট করে। ১৯৯৮ সালে রিপোর্ট করে ডিইউটিপি। এখন রিভাইসড এসটিপি রিপোর্ট বলছে, রাজধানীতে ঘণ্টায় গড় গতি হচ্ছে ৬ দশমিক ৪ কিলোমিটার। তার মানে নগরবাসীর গতি এক প্রকার স্থবির প্রায়।… এই অবস্থা যদি চলতে থাকে তাহলে দশ বছর পর এই শহর পুরোই স্থবির হয়ে পড়বে।


★ সোজা, সস্তা এবং ভোটের রাজনীতির জন্যই এখন উন্নয়ন হয়। এই উন্নয়নে সাধারণ মানুষের কোনো অংশগ্রহণ থাকে না। গণপরিবহনকে নির্দেশিত (ডিকটেটেড) করে, চাপিয়ে দেয়া আদেশ দিয়ে একটি শহরের উন্নয়ন হতে পারে না।… আমি এই উন্নয়নকে ডিক্টেটেড উন্নয়ন বলি। যার অর্থ নির্দেশিত বা স্বেচ্ছাচারী উন্নয়ন। ★ মগবাজার এবং মৌচাকের দুটি জায়গায় ফ্লাইওভারের উপরে সিগন্যাল বসাতে হবে। এক হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে, রাস্তা ধ্বংস করে, ফুটপাত নষ্ট করে তাহলে কী লাভ হলো? যে দুটি সিগন্যালের কারণে মৌচাক-মগবাজারে যানজট হতো, সেই দুটি সিগন্যাল রয়েই গেল।… পুলিশ ফ্লাইওভারে বসে সিগন্যাল দেবে। বিশ্ববাসীর কাছে হাসির কারণ হবে।


★ এসব না করে যদি ফুটপাতটি দখলমুক্ত করে, আরো প্রসারিত করে দিত, মানুষ দুই-তিন কিলোমিটার হেঁটেই যেত। মানুষ হাঁটার জায়গা পায়না বলেই গাড়িতে বসে থাকতে বাধ্য হন। অথচ এর জন্য অর্থ ব্যয় করতে হতো না। ফ্লাইওভারের কারণে ফুটপাত সংকীর্ণ হয়ে গেল। মূল সড়কে খুঁটি বসল। চাইলেও আর মেট্রো বা বিআরটি করা সম্ভব হবে না। ★ অপেশাদার জনবলই আত্মঘাতী উন্নয়ন ঘটাচ্ছে। খাম্বা বা দৃশ্যমান খুঁটিই এদের কাছে উন্নয়নের দর্শন। ★ দুটি সিগন্যাল আছে, এটি বুঝতেই সময় লাগল তিন বছর। তাহলে ফাঁদ থেকে বের হবেন কি করে! মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে যান। কোনো ড্রেনেজ সিস্টেম পাবেন না। যারা এটি তৈরি করেছেন, তারা জানেন এটি উজবুকের জাতি। যা দিবেন তাই খাবে। কোনো হৈচৈ হবে না। ফ্লাইওভারের বৃষ্টির পানি সরাসরি পড়ে নিচের রাস্তা নষ্ট করছে। নিচের রাস্তা ভালো থাকলে তো কেউ আর ফ্লাইওভারে উঠতে চাইবে না।


★ দাতারাও বুঝে গেছে, এ দেশে যা দেবে তাই খাবে। মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার কানাডার লিয়া নামের একটি কনসালট্যান্ট প্রতিষ্ঠান পেয়েছিল। কলসালট্যান্ট প্রতিষ্ঠান হচ্ছে একটি বাণিজ্যিক কোম্পানি। তারা পাঠিয়ে দিল কলকাতার অখ্যাত প্রতিষ্ঠানকে, যারা আমার সামনে বসলে হাঁটু কাঁপত। কাজের প্রেজেন্টেশন দিত সাদারা আর কাজ করত কলকাতার লোকজন। ভুল করলেও এখানে কেউ ধরতে পারে না, তাহলে ভালো প্রতিষ্ঠান বা পেশাদার জনবল পাঠানোর দরকার কি? ★ ঢাকার চাইতে চট্টগ্রামের অবস্থা আরও করুণ। চট্টগ্রামে আপনি ফ্লাইওভার ছাড়া কিছুই দেখতে পাবেন না। গণপরিবহনের নাম গন্ধ নেই সেখানে। মাথায় পচন ধরলে তো অন্য অঙ্গও অকেজো হয়ে যায়। ঢাকায় তাও দুই একটি গণপরিবহন মিলছে। অন্য শহরে তাও নেই। ইজিবাইকের ছড়াছড়ি। সিএনজির দখলে রাস্তা। রাস্তাও আর বাড়ানোর সুযোগ নেই। রাস্তার পাশে বড় বড় ভবন হচ্ছে। এমন একটি ভঙ্গুর মেরুদণ্ডের ওপর শহর কতদিন বাঁচবে তা সহজেই অনুমেয়।

★ পুরো দেশটা যদি একটি শরীরের সঙ্গে তুলনা করি, তাহলে প্রত্যেকটা শহর হচ্ছে একেকটি ক্যান্সার সেল। ক্যান্সারের সেল অনিয়ন্ত্রিত বেড়েই শরীরে মৃত্যু ঘটায়। শহরগুলোর উন্নয়নও অনিয়ন্ত্রিতভাবে হচ্ছে। ফ্রি স্টাইলে যা ইচ্ছা তাই হচ্ছে। ২০৫০ সালের মধ্যে গ্রামগুলোও কথিত শহরের রূপ নেবে। তখন ক্যান্সার ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়বে না। এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি আর কোনো সরকারই ম্যানেজ করতে পারবে না। ★ তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়েও নানা সমালোচনা আছে। আমরা কেউই এমন সরকার চাই না। এরপরেও কথা থেকে যায়। তারা মাত্র দুই বছর ক্ষমতায় থাকল। হাতিরঝিল তারাই পেরেছে। কুড়িল, বনানী তারাই করেছে। সবচেয়ে কঠিন কাজ ছিল বিমানবন্দরের মধ্য দিয়ে একটি সড়ক করা। সেটিও সম্ভব হয়েছে তাদের আমলে। অথচ শক্তিশালী গণতন্ত্রের কথা বলেও মেট্রোরেল সেদিকে নিতে পারেনি। জনগণের ভোট নিয়ে ক্ষমতায় এসে এত বছর পরেও কেন একটি প্রাইমারি সড়ক করতে পারল না?

★ যোগাযোগ ভালো থাকলে অর্থাৎ মানুষ যদি রেলের উপর ভরসা পেত তাহলে ঢাকা ছেড়ে দিত। বাড়ি থেকে এসে অফিস করত। বাইরের দেশে তাই হয়। ১৫ মিনিটে আসতে পারলে নারায়ণগঞ্জের লোক ঢাকায় বসবাস করবে কেন? ★ ঢাকা বাংলাদেশের একেবারে কেন্দ্রে অবস্থান। অনেক দেশেই এমন শহর থাকে না। অথচ সরকার তার সুবিধার জন্য যেটুকু দরকার সেটুকুই করছে। ফলে উন্নয়নের নামে যা হচ্ছে, তা হলো ঢাকাকে স্তিমিত করে দেয়া। ★ একটি শহরের দুটি স্পন্দন (বিট) সময় থাকে। সকাল এবং বিকেলে। ঢাকায় সকালে বিট উঠলে আর নামে না। রাতেও তাই থাকে। ঢাকা এখন স্পন্দনহীন মৃত নগরী। পছন্দমাফিক উন্নয়নে নিজের স্বার্থ হাসিল হয়, জনগণের স্বার্থ এখানে মার খায়। সম্ভাবনা ছিল, সরকার নষ্ট করছে। ব্যক্তি উদ্যোগে দেশ এগিয়ে গেলেও রাজনীতি, সরকার সেখানে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

★ আমাদের (ঢাকায়) খাল ছিল, চারটি নদী ছিল। সেগুলো গলা টিপে হত্যা করা হলো। মশা হয় বলে খাল বন্ধ করারও নজির আছে। একটি খালকে একেবারে বন্ধ করে দেয়া হলো, এত বড় অপরাধের জন্য কোনোই জবাবদিহিতা নেই। নেই কোনো অনুশোচনাও। ★ আমি কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য দিচ্ছি না। শুধু বলব, বাংলাদেশই একমাত্র দেশ নয়। আরও দেশ আছে, সেখানে নগর আছে, উন্নয়ন হচ্ছে। তার তুলনায় আমরা কি করছি, সেটাই ভাবনার বিষয়। লোকদেখানো উন্নয়ন ঘটিয়ে অপার সম্ভাবনা নষ্ট করার কোনো অধিকার সরকারের নেই। একইভাবে ডিকটেটেড উন্নয়নও করতে পারে না সরকার। করতেই হবে এমন মনোভাব জনস্বার্থে যায় না। বিজ্ঞানভিত্তিক উন্নয়ন ঘটলেই জনস্বার্থ রক্ষা হয়।
(সংগ্রহীত)

সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
25/09/2019

সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

Address

Chawk Circular Road
Dhaka
1211

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Old Dhakas Busniess area Chawkbazer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share