Sonaliash International Consultant Ltd.

Sonaliash International Consultant Ltd. We're a leading consultant company of Bangladesh to provide all types of Business & TAX consultancy.

উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি হতে চান?? অথবা নতুন কোন ব্যবসার কথা ভাবছেন?? কিন্তু কি ভাবে ব্যবসা শুরু করবেন বুঝতে পারছেন না?? তাহলে আমাদের “সোনালীআঁশ ইন্টারন্যাশনাল কনসালট্যান্ট লিমিটেড” এর সংঙ্গে থাকুন, আর চমৎকার সব ব্যবসার আইডিয়া ও ব্যবসায়ীক বিভিন্ন তথ্য জেনে নিন। এবং কোম্পানি গঠন সংক্রান্ত যে কোন প্রয়োজনে আমাদের সাথে শেয়ার করুন৷ ট্রেড লাইসেন্স থেকে আরম্ভ করে সকল ধরণের ব্যবসা সংক্রান্ত লাইসেন্

স এবং ব্যাংকের ঋণ নেয়ার পদ্ধতি, উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারী সুযোগ সুবিধা৷ সবকিছু নিয়ে আমরা আয়োজন করেছি, বিস্তৃত পরিষেবা!! বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন৷ অথবা ইমেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। ভালো লাগলে আমাদের এই পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন৷

ট্যাক্স ও ভ্যাটের কনসালটেন্সি সার্ভিস দেয়া কোনো সহজ কাজ নয়। ছোট একটা পরামর্শে আপনার লক্ষ-কোটি টাকা সেভ, আবার ভুল হলে ফ...
11/03/2023

ট্যাক্স ও ভ্যাটের কনসালটেন্সি সার্ভিস দেয়া কোনো সহজ কাজ নয়। ছোট একটা পরামর্শে আপনার লক্ষ-কোটি টাকা সেভ, আবার ভুল হলে ফল তার বিপরীত! এ কাজে শত শত ধারা-বিধি ঘেটে নিজেকে আপডেট রেখে ক্লায়েন্টকে সার্ভিস দিতে হয়।

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য TAX এবং VAT উভয় আইনে বেশ কিছু বাড়তি সুবিধা দেয়া আছে। যেমন: বার্ষিক আয় ৩,৫০,০০০/- করমুক্ত। শো-...
11/03/2023

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য TAX এবং VAT উভয় আইনে বেশ কিছু বাড়তি সুবিধা দেয়া আছে। যেমন: বার্ষিক আয় ৩,৫০,০০০/- করমুক্ত। শো-রুম ভাড়ার জন্য VAT নেই। পণ্য উৎপাদনে জড়িত SME বিজনেস এর সেলস ৭০ লাখের কম হলে TAX অব্যাহতি!

ধনী হওয়ার পথটা কোনো গোপন বিষয় নয়। ধনী মানুষদের বিভিন্ন বিষয় বিশ্লেষণ করে যা পাওয়া গেছে তার মধ্যে আছে একনিষ্ঠ পরিশ্রম আর ...
16/11/2021

ধনী হওয়ার পথটা কোনো গোপন বিষয় নয়। ধনী মানুষদের বিভিন্ন বিষয় বিশ্লেষণ করে যা পাওয়া গেছে তার মধ্যে আছে একনিষ্ঠ পরিশ্রম আর কয়েকটি মূলমন্ত্র। লটারির টিকিট কেনার মতো সহজ পন্থায় সবাই ধনী হতে চায়। কিন্তু বাস্তবে তা খুব কম মানুষের ভাগ্যেই জোটে। বাস্তবে যে মূলমন্ত্র দিয়ে মানুষ ধনী হয়, তা থাকছে এ নিবন্ধে।

(১) শূন্য থেকে শুরু করে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠুন:
বহু সফল ব্যক্তি খালি হাতেই তাদের কাজ শুরু করেছিলেন। স্টারবাকস প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও হাওয়ার্ড স্কুলজ ও গোল্ডম্যান সাক্স-এর সিইও লয়েড ব্ল্যাংকফেইন বড় হয়েছেন এভাবেই। প্রতিযোগিতা ও দুর্ভাগ্য তৈরি করে বড় নেতা।

(২) যা ভালো লাগে, তাই করুন:
আপনার নিজের ভালোলাগার বিষয় করুন এবং তার বাজারের জন্য প্রার্থনা করুন। অ্যাপলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস বলেন, ‘সবচেয়ে ভালো কাজের একমাত্র উপায় হল নিজের কাজকে ভালোবাসা। আপনি যদি এটা না পেয়ে থাকেন তাহলে খুঁজতে থাকুন। স্থীর হবেন না।’ তিনি ঠিকই বলেছিলেন। আপনি যদি নিজের আগ্রহের বিষয়ে কাজ করেন তাহলে গ্রাহকরাও আপনাকে খুঁজে বের করবে। আর এভাবে টাকাও খুঁজে বের করবে আপনাকে।

(৩) সিলিকন ভ্যালি অনুসরণ করুন:
যুক্তরাষ্ট্রের হাইটেক ইন্ডাস্ট্রির কেন্দ্র সিলিকন ভ্যালি বহু মানুষের ভাগ্য ফিরিয়েছে। শুধু প্রধান নির্বাহীরাই নয়, বহু চাকরিজীবীও এখানে খুব ভালো আছেন। এর কারণ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুলো হয়ে উঠেছে বহু মানুষের সমৃদ্ধির সোপান।

(৪) নিজের ব্যবসা শুরু করুন, সন্নাসীর মতো থাকুন:
নতুন ব্যবসা শুরু করে নিজে একজন সন্নাসীর মতো জীবন নির্বাহ করুন। আমেরিকার মিলিয়নেয়ারদের মধ্যে দুই তৃতীয়াংশই আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে এ অবস্থায় এসেছেন। তাদের অধিকাংশই আবার ছোট ব্যবসা করেন আর তাদের সামর্থের চেয়ে কম অর্থে জীবন নির্বাহ করেন। তবে তাদের অর্থ তারা আবার ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন। সাধারণত তারা পূর্বপুরুষের কাছ থেকে কোনো অর্থ পাননি। তাই কেনার আগে আরেকবার চিন্তা করুন- আপনার কি নতুন গাড়ি বা দামি যন্ত্রটা লাগবেই?

(৫) ঝুঁকি নিন, ভুল করুন, নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন:
অধিকাংশ মানুষ অবিবেচনাপ্রসূত অথবা সাধ্যের অতিরিক্ত ঝুঁকি নিয়ে ফেলে, যা তাদের নেয়া উচিত নয়। তার বদলে স্মার্ট ঝুঁকি নিতে হবে, যা বাস্তবে পূরণ করা সম্ভব। নিজের ওপর বিশ্বাস রেখে সামনে এগিয়ে যান। ভুল হলেও তা স্বাভাবিক। আঘাত না পেয়ে কেউ সামনে এগোতে পারে না।

(৬) অনেক ত্যাগ করে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করুন:
ইয়াহুর সিইও মেরিসা মেয়ার খুবই পরিশ্রমি একজন নারী। তিনি সপ্তাহে ৯০ ঘণ্টা কাজ করেন। আর এলন মাস্ক দুটি প্রতিষ্ঠা চালান। একই বিষয় প্রযোজ্য ছিল স্টিভ জবসের ক্ষেত্রে। তিনি অ্যাপল ও পিক্সার চালাতেন। আপনি যা বিনিয়োগ করবেন তার ফলাফল পাবেন।

(৭) নিজের ভাগ্য নিজেই তৈরি করুন:
এটা বলা হয় যে, সুযোগ যখন প্রস্তুতির সঙ্গে মিলে যায় তখন সৌভাগ্য আসে। আমি খুব ভাগ্যবান – এ কথার পাশাপাশি এটাও সত্য যে আমি ভাগ্য খোঁজার কাজে কখনো থামিনি। আর যখনই কোনো সুযোগের আশা মিলেছে তা হারাইনি। এ কারণে অপ্রয়োজনীয় কাজ বাদ দিয়ে বাস্তব জগতের সফল মানুষদের সঙ্গে পরিচিত হতে হবে।

(৮) স্থিতিশীল বিবাহিত জীবন:
বিয়ে ভাঙার পর বহু ধনী মানুষের সম্পত্তি কমে গেছে। এ কারণে ধনী হওয়া ও থাকার জন্য স্থিতিশীল বিবাহিত জীবন গুরুত্বপূর্ণ।

(৯) বৈচিত্র্য আনুন:
বহু ধরনের ধারণা আনুন নিজের কাজে। এতে অনেক কষ্ট ও সময় ব্যয় হতে পারে। তবে প্রাথমিকভাবে কষ্ট হলেও ভবিষ্যতে এর সুফল অবশ্যই পাবেন।

আগামী ১লা সেপ্টেম্বর ২০২১খ্রীঃ থেকে নতুন সিস্টেমে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সুবিধা চালু করবে এনবিআর। খবরে বলা হয়েছে, ...
28/07/2021

আগামী ১লা সেপ্টেম্বর ২০২১খ্রীঃ থেকে নতুন সিস্টেমে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সুবিধা চালু করবে এনবিআর। খবরে বলা হয়েছে, এই সিস্টেমে একজন করদাতা ঘরে বসেই নিজের আইডি ও পাসওয়ার্ড তৈরির পাশপাশি মোবাইল ফোন ব্যাবহার করে তার ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। এছাড়াও এই সিস্টেমের মাধ্যমে একজন করদাতা তার ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট, রিটার্ন দাখিলের প্রাপ্তিস্বীকারপত্র সহ অন্যান্য আনুসাঙ্গিক ডকুমেন্টস তৎক্ষণাৎ সংগ্রহ করতে পারবে।

রপ্তানিকারক হলে সরকারি যেসব সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়দ্রুত রপ্তানি উন্নয়নের জন্য সরকার বিভিন্ন প্রকার সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছ...
28/07/2021

রপ্তানিকারক হলে সরকারি যেসব সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়

দ্রুত রপ্তানি উন্নয়নের জন্য সরকার বিভিন্ন প্রকার সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছে। প্রয়োজনবোধে সুযোগ-সুবিধার পরিধি বাড়াতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। রপ্তানিকারক হিসেবে এ সকল সুযোগের সদ্ব্যবহার করে আপনি একদিকে যেমন আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন সাধন করতে পারেন অপরদিকে, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিতকরণে বলিষ্ট ভূমিকা পালন করার গৌরব অর্জন করতে পারেন।

রপ্তানিকারকগনকে নিম্নোক্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়:
◆ ন্যূনতম ৮০% রপ্তানিমুখী চামড়া শিল্প প্রতিষ্ঠানকে ১০০% রপ্তানিমুখী শিল্প হিসেবে ঘোষনা প্রদান;
◆ ন্যূনতম ৮০% রপ্তানিমুখী অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠানকে ১০০% রপ্তানিমুখী শিল্পের ক্ষেত্রে প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদান;
◆ এক্সপোর্ট ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কীম (ইসিজিএস) এর পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে সহযোগিতা প্রদান;
◆ আমদানি নির্ভর ও রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউজ সুবিধা প্রদান;
◆ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে ডিউটি ড্র ব্যাক প্রাপ্তির সুবিধা প্রদানের দ্বারা রপ্তানিকারকদের সহায়তা প্রদান;
◆ আকাশপথে ফলমূল ও শাক সব্জি সহ বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত সকল পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে হ্রাসকৃত হারে বিমান ভাড়ার সুবিধা প্রদান;
◆ রপ্তানির ক্ষেত্রে বিদেশী এয়ারলাইন্সের কার্গো সার্ভিসের সুবিধা সম্প্রসারনের জন্য রয়্যালটি প্রত্যাহার;
◆ কৃষি পণ্যসহ দেশীয় কাঁচামালের দ্বারা প্রস্তুতকৃত মূল্য সংযোজিত পণ্যের রপ্তানিকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে রপ্তানির বিপরীতে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান;
◆ ইএক্সপি ফরম ও শিপিং বিল দাখিল সাপেক্ষে এলসি ব্যতিরেকে বায়িং কণ্ট্রাক্ট, চুক্তি, পারচেজ অর্ডার কিংবা এডভান্সড পেমেন্ট ভিত্তিতে রপ্তানির সুযোগ প্রদান;
◆ ফ্যাশন ইনস্টিটিউট স্থাপন;
◆ গ্রে-কাপড় আমদানির সুবিধা প্রদান;
◆ রপ্তানি শিল্পের কাঁচামাল আমদানির বিধি-নিষেধ শিথীল;
◆ রেয়াতী হারে বীমা প্রিমিয়াম;
◆ পণ্য জাহাজীকরনের জন্য ওয়েভার প্রদান: রপ্তানি পণ্য পরিবহনে অহেতুক বিলম্ব পরিহারের উদ্দেশ্যে ওয়েভার প্রাপ্ত ক্ষেত্রসমূহ ব্যতিরেকে অন্যান্য ক্ষেত্রে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় কর্তৃক রপ্তানি পন্য দ্রুত পরিবহনের সুবিধার্থে কেউ যদি বিমান চার্টার করতে চান তাহলে সরকারের পক্ষ হতে প্রয়োজনীয় অনুমোদন দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে;
◆ সর্বোচ্চ ও বিশেষ অগ্রাধিকারভূক্ত খাতের অন্তর্ভুক্ত পণ্যের জন্য বিভিন্ন প্রকার সুবিধা প্রদান;
◆ শাক-সব্জি ও অন্যান্য পচনশীল পণ্য রাজশাহী ও সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে সরাসরি বিমান বুকিং সুবিধা প্রদান;
◆ প্রত্যাহার অযোগ্য এবং সুদৃঢ় রপ্তানি ঋণপত্রের/ বিক্রয় চুক্তির বিপরীতে শতকরা ৯০ ভাগ পর্যন্ত রপ্তানি ঋণ প্রদানের সুবিধা প্রদান;
◆ কাঁচামাল ক্রয়/ আমদানির সুবিধার্থে অভ্যন্তরিন/বৈদেশিক ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্র খোলার সুবিধা প্রদান;
◆ রপ্তানিকারকদের বিদেশ সফরের জন্য প্রাপ্য বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে ক্রেডিট কার্ড প্রদান;
◆ রপ্তানিমুখী শিল্পের ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির সুবিধা প্রদান;
◆ রপ্তানিকারকগণ কর্তৃক বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের সুযোগ প্রদান;
◆ রপ্তানিযোগ্য পণ্যের উন্নয়ন, বহুমুখীকরন, বাজার উপযোগীকরন ও বিপনন সুবিধা সম্প্রসারনের জন্য রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল [এপোর্ট প্রমোশন ফান্ড, ইপিএফ] গঠন;
◆ সাবকণ্ট্রাকটিং ভিত্তিক রপ্তানিতে উৎসাহ ও সুবিধা প্রদান;
◆ রপ্তানি পণ্যের নমুনা প্রেরণের ক্ষেত্রে বর্ধিত হারে বার্ষিক সীমা নির্ধারণ;
◆ রপ্তানি ঋনের মেয়াদকাল ১৮০ দিন হতে ২৭০ দিন বর্ধি তকরন;
◆ কর অবকাশ (Tax Holiday) প্রদান;
◆ তৈরী পোশাকের প্রতি ক্যাটিগরীতে শুল্কমুক্ত ভাবে নমুনা আমদানির অনুমতি প্রদান;
◆ পণ্য উন্নয়ন নমুনা আমদানির সুবিধা বৃদ্ধি;
◆ আমদানিকারক ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদেরকে মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা সুবিধা প্রদান;
◆ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক প্রশিক্ষন প্রদান;
◆ রপ্তানী উন্নয়ন বু্যুরো কর্তৃক জাতীয় রপ্তানি প্রশিক্ষন কর্মসূচীর আওতায় রপ্তানি বিষয়ক প্রশিক্ষন প্রদান;
◆ ফ্ল্যাট রেট ভিত্তিতে ডিউটিড্র-ব্যাক প্রাপ্তির সুবিধা প্রদান;
◆ রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে আয়কর রেয়াত;
◆ আন্তর্জাতিক দরপত্রের অধীনে বৈদেশিক মুদ্রায় স্থানীয় প্রকল্পাধীনে সরবরাহকৃত পণ্যকে প্রচ্ছন্ন রপ্তানি হিসেবে গণ্যকরন এবং সকল রপ্তানির সুযোগ-সুবিধা প্রদান;
◆ প্রত্যাহার-অযোগ্য ঋণ পত্রের অধীনে সাইট পেমেন্ট ভিত্তিতে যদি রপ্তানি করা হয়, তাহলে রপ্তানিকারককে প্রয়োজনীয় দলিলপত্র জমা দেয়ার শর্তে বাণিজ্যিক ব্যাংক ওভারডিউ সুদ ধার্য করবে না;
◆ কৃতি রপ্তানিকারকদের অনুকূলে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান;
◆ রপ্তানি সাফল্যের মাফকাঠিতে নির্বাচিত রপ্তানিকারকদের বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব (কমার্শিয়াল ইম্পরটেন্ট পারসন সিআইপি) হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান;
◆ রপ্তানি সহায়ক সার্ভিসের উপর ভ্যাট প্রত্যর্পন সহজীকরন;
◆ রপ্তানি শিল্পের ক্ষেত্রে বন্ড সুবিধা;
◆ বিদেশে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ও একক প্রদর্শনী আয়োজন এবং অন্যান্য বাজার উন্নয়ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং অন্ট্রাপো ও পুনঃ রপ্তানির সুযোগ প্রদান।

[“রপ্তানিকারক হলে সরকারি যেসব সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়” বিষয়টি ভাল লেগে থাকলে অবশ্যই লাইক ও শেয়ার করতে ভুল করবেন না। একটি “শেয়ার” আপনার প্রয়োজন না হলেও এই শেয়ারের পোষ্টটি হয়তোবা আপনার বন্ধু-বান্ধব বা আত্মীয় পরিজনের অনেক উপকারে আসতে পারে। সাথে আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের জানান কমেন্ট করে। ধন্যবাদ]

Publish by: সোনালীআঁশ ইন্টারন্যাশনাল কনসালট্যান্ট লিঃ
⁑ Like ✓ ⁑ Comment ✓ ⁑ Share ✓ ⁑ Tag ✓

আমাদের সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য পেইজে লাইক দিন
Sonaliash International Consultant Ltd.
https://www.fb.com/SonaliashConsultant/
Web Address: https://www.sonaliash.net/

রপ্তানিকারক হতে চাইলে যা যা করতে হবেঅর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম শর্ত অধিক হারে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন। আর সে অর্জনের প্রধানত...
28/07/2021

রপ্তানিকারক হতে চাইলে যা যা করতে হবে

অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম শর্ত অধিক হারে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন। আর সে অর্জনের প্রধানতম উপায় হলো রপ্তানি-বাণিজ্য। সরকারও তাই রপ্তানি-বাণিজ্যকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকে। রপ্তানিকারক হতে চাইলে আগেই জেনে নিতে হবে কিছু প্রাথমিক তথ্য ও এ-সম্বন্ধে করণীয়।

এদিক থেকে মুসকিল আসান হিসেবে আপনি পাশে পেতে পারেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর বাণিজ্য তথ্যকেন্দ্র বা ট্রেড ইনফরমেশন সেন্টারকে (টিআইসি)। এই কেন্দ্র থেকে আপনি পাবেন এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য, করণীয় ও করণী বিষয়ে প্রযোজনীয় পরামর্শ।

সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে জানা যায়, নতুন কেউ রপ্তানিকারক হতে চাইলে তাকে প্রথমেই “আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর” অফিসে নাম নিবন্ধন করতে হবে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী রপ্তানি রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কোনো ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রপ্তানি করতে পারে না। সেজন্য নতুন রপ্তানিকারককে নিকটস্থ আমদানি-রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের অফিসে গিয়ে রপ্তানি রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট নিতে হয়।

ফি বাবদ ৩ হাজার টাকা জমা দিয়ে ফরম পূরণ করে রেজিস্ট্রেশন করা যায়। এজন্য ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি, স্বীকৃত চেম্বার/অ্যাসোসিয়েশন থেকে বৈধ মেম্বারশিপের সার্টিফিকেট, ফি জমাদানের প্রমাণ হিসেবে ট্রেজারি চালানের মূল কপি, অংশীদার প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে রেজিস্টার্ড অংশীদারি দলিলের সত্যায়িত কপি, লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন, মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন, আর্টিকেল অব অ্যাসোসিয়েশনের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়।

রপ্তানি নিবন্ধন সনদপত্র বা এক্সপোর্ট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (ইআরসি) পাওয়ার পর নিকটস্থ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো থেকে বিদেশি ক্রেতাদের তালিকা, নির্দিষ্ট পণ্যের জন্য বিদেশের নির্দিষ্ট বাজারের সন্ধান ও ফলাফল জানা যাবে। বিদেশে যেসব পণ্য রপ্তানি করবেন সেসব পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক মূল্য, বিদেশে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় অংশগ্রহণের সুযোগও মিলবে। রপ্তানি নীতিতে প্রদত্ত বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার নানা দিকের কথাও এখান থেকে জানা যাবে।

রপ্তানি-বাণিজ্যের উন্নয়নের জন্য সরকার রপ্তানিকারকদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে। রপ্তানি থেকে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার একটি অংশ রপ্তানিকারক তাদের রিটেনশন কোটায় বৈদেশিক মুদ্রা অ্যাকাউন্টে জমা রাখতে পারেন। যার পরিমাণ সময়ে সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারণ করে থাকে। জমাকৃত টাকা থেকে রপ্তানিকারক প্রকৃত ব্যবসায়িক ব্যয়নির্বাহ করতে পারবেন।

এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরোতে (ইপিবি) একটি রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল রয়েছে। এ তহবিল থেকে রপ্তানিকারকদের পণ্য উৎপাদনের জন্য হ্রাসকৃত সুদে ও সহজ শর্তে ভেঞ্চার-ক্যাপিটাল (উদ্যোক্তা-বান্ধব অর্থায়ন) প্রদান করা হয়। পণ্যের উন্নয়ন ও বহুমুখিকরণের ক্ষেত্রে বিদেশি কারিগরি পরামর্শ, সেবা ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেয়া হয়। বিদেশে বিপণন মিশন প্রেরণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় অংশগ্রহণে সহায়তা করা হয়।

রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল থেকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। তৈরি পোশাক ছাড়াও অন্যান্য রপ্তানিপণ্যের ক্ষেত্রে ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্র খোলার সুবিধা দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়। ক্যাপিটাল মেশিনারিজ ও কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে হ্রাসকৃত সুদ ও সহজ শর্তে ঋণ দেয়া হয়।

এছাড়া রপ্তানির অর্থ সংস্থান, রপ্তানি-ঋণ, রপ্তানিশিল্পের ক্ষেত্রে বন্ড সুবিধা, রপ্তানিমুখি শিল্পের জন্য সাধারণ সুযোগ সুবিধা, আকাশপথে শাক-সব্জিসহ প্ল্যান্ট, ফলমূল, ফুল ও বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে হ্রাসকৃত হারে বিমানভাড়ার সুবিধা ও সর্বোপরি রপ্তানিকারকদের জন্য আমদানি নীতি আদেশ ২০১২-২০১৫ তে প্রদেয় সুযোগ সুবিধা, রপ্তানি বাণিজ্যে বর্জনীয় বিষয়সমূহ, রপ্তানিনিষিদ্ধ পণ্যের তালিকা (২০১৫-২০১৮) কোন কোন্ পণ্য রপ্তানি করা যাবে, সে তালিকা পেতে যোগাযোগ করতে পারেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর বাণিজ্য তথ্যকেন্দ্রে (টিআইসি)।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর টিআইসি শাখা প্রতিষ্ঠিত হয় পাকিস্তান আমলে, ১৯৬২ সালে। বর্তমানে তথ্য-প্রযুক্তির আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ এই শাখা “সেন্টার অব এক্সিলেন্স ও নলেজ” হিসেবে কাজ করছে। এখানে ইন্টারনেট সুবিধাসহ কম্পিটার-সেবা পাওয়া যায়। ম্যাগাজিন, সাময়িকী ও পত্রিকা পড়ার সুবিধাও রয়েছে এখানে। বাণিজ্য-জিজ্ঞাসা বা চাহিদা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় হালফিল তথ্য এখানে তাৎক্ষণিক ভাবে পাওয়া যায়। পণ্য ও পণ্যের দেশভিত্তিক রপ্তানিকারক ও আমদানিকারকদের তালিকাও এখানে পাওয়া যায়।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সহকারি পরিচালক জনাবা রাহিমা আক্তার, আমাদেরকে বলেন, রপ্তানিকারকদের জন্য প্রয়োজনীয় যেকোনো তথ্য সরবরাহ করে থাকে বাণিজ্য তথ্যকেন্দ্র (টিআইসি)। নতুন অথবা পুরনো রপ্তানিকারক যে কেউ যেকোনো তথ্য ও সহায়তার জন্য আমাদের বাণিজ্য তথ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে পারেন।

ইপিবি সূত্রে জানা যায়, প্রতিবছর গড়ে দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষ টিআইসিতে যান। তাদের মধ্যে অনেকে লাইব্রেরির বই ও কম্পিউটার ব্যবহার করেন। বছরে ৭০০ টাকা সার্ভিস চার্জ দিয়ে এই লাইব্রেরি ও কম্পিউটার ব্যবহার করা যায়। যারা ঘন্টা হিসেবে সেবা নিতে চান তাদের প্রতি ঘন্টার জন্য ২০ টাকা ফি দিতে হয়।

হস্তশিল্প রপ্তানিকারক আনোয়ার হোসেন পলাশ আমাদেরকে বলেন, ‘আমি ৩ বছর ধরে বিভিন্ন দেশে হস্ত-শিল্পপণ্য রপ্তানি করে আসছি। প্রথমে ইপিবির টিআইসি থেকে তথ্য নিয়ে এ বিষয়ে কাজ শুরু করি। এখনো মাঝেমাঝে টিআইসিতে যাই নতুন তথ্য সংগ্রহ করতে। রপ্তানিকারকদের জন্য টিআইসি (বাণিজ্য তথ্যকেন্দ্রটি) অনেক কাজে লাগে।

রপ্তানি-ব্যবসায় আগ্রহী Sonia Hasan Meghla টিআইসিতে গিয়েছিলেন কিভাবে ব্যবসা শুরু করবেন তা জানতে। আমাদেরকে তিনি বলেন, আমি রপ্তানি ব্যবসা করতে চাই। সেজন্য ইপিবির টিআইসিতে গিয়েছিলাম। তাদের কাছ থেকে আমি বিস্তারিত জানতে পেরেছি। কোথায় কি করতে হবে এগুলো জানার জন্য সেন্টারটি খুব ভালো।

[“রপ্তানিকারক হতে চাইলে যা যা করতে হবে” বিষয়টি ভাল লেগে থাকলে অবশ্যই লাইক ও শেয়ার করতে ভুল করবেন না। একটি “শেয়ার” আপনার প্রয়োজন না হলেও এই শেয়ারের পোষ্টটি হয়তোবা আপনার বন্ধু-বান্ধব বা আত্মীয় পরিজনের অনেক উপকারে আসতে পারে। সাথে আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের জানান কমেন্ট করে। ধন্যবাদ]

Publish by: সোনালীআঁশ ইন্টারন্যাশনাল কনসালট্যান্ট লিঃ
⁑ Like ✓ ⁑ Comment ✓ ⁑ Share ✓ ⁑ Tag ✓

আমাদের সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য পেইজে লাইক দিন
Sonaliash International Consultant Ltd.
https://www.fb.com/SonaliashConsultant/
Web Address: https://www.sonaliash.net/

কোম্পানী, ট্যাক্স এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কনসালটিং সার্ভিস: জয়েন্ট ষ্টক কোম্পানীজ এন্ড ফার্ম হইতে (প্রাইভেট লিঃ এবং পাবলিক লি...
21/10/2020

কোম্পানী, ট্যাক্স এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কনসালটিং সার্ভিস: জয়েন্ট ষ্টক কোম্পানীজ এন্ড ফার্ম হইতে (প্রাইভেট লিঃ এবং পাবলিক লিঃ) কোম্পানী রেজিষ্ট্রেশন, কোম্পানী রিটার্ন ফিলিং, শেয়ার ট্রান্সফার, মর্গেজ, (বোর্ড মিটিং/এজিএম/ইজিএম), কোম্পানী অবসায়ন, এন.জি.ও, সোসাইটি, ফাউন্ডেশন, ট্রাস্ট, এসোসিয়েশন রেজিষ্ট্রেশন করে থাকি। এছাড়া ই-টিন সার্টিফিকেট, ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন প্রসেসিং (ব্যক্তি ও কোম্পানী), ই-বিন (ভ্যাট) সার্টিফিকেট, ভ্যাট রিটার্ন প্রসেসিং, বাৎসরিক অডিট (কোম্পানী ও এন.জি.ও), বি.আই.ডি.এ (ইন্ডাস্ট্রিজ) রেজিস্ট্রেশন, ইম্পোর্ট (IRC), ইনডেন্ট (IRC), এক্সপোর্ট (ERC), ইন্ডাষ্ট্রিয়াল (IRC), ট্রেড লাইসেন্স, ব্রান্ড, লোগো ও ট্রেডমার্ক রেজিষ্ট্রেশন, কপিরাইট রেজিষ্ট্রেশন, ফায়ার লাইসেন্স, বিসিক ও বিএসটিআই রেজিষ্ট্রেশন, বন্ড ওয়্যার লাইসেন্স, রাজউক নিবন্ধন ও অনুমোদন, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (DIFE) লাইসেন্স, এসোসিয়েশন/চেম্বার মেম্বারশীপ সহ যেকোন প্রতিষ্ঠানের এবং ব্যবসা সংক্রান্ত সকল সরকারি রেজিষ্ট্রেশনে সহায়তা ও ব্যবসায়িক পরামর্শ প্রদান করে থাকি।

সেবার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:
সোনালীআঁশ ইন্টারন্যাশনাল কনসালট্যান্ট লিঃ
ঠিকানা: কদমতলী, ২য় বুড়িগঙ্গা ব্রীজ রোড,
আগানগর, দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১০।
মোবাইল: +৮৮০ ১৯১১ ৭৭৬৯৬৬
ইমেইল: [email protected]
ওয়েব: https://www.sonaliash.net/
ফেসবুক: https://www.facebook.com/SonaliashConsultant/

মহামারি করোনা ভাইরাস! থেকে বাঁচার জন্য উল্লেখিত আমল গুলো বেশি বেশি করুন এবং শেয়ার করে অন্যকে জানার ও আমল করার সুযোগ দিন।
17/04/2020

মহামারি করোনা ভাইরাস! থেকে বাঁচার জন্য উল্লেখিত আমল গুলো বেশি বেশি করুন এবং শেয়ার করে অন্যকে জানার ও আমল করার সুযোগ দিন।

শিক্ষক ক্লাসে ঢুকে ব্লাকবোর্ডে একটা লম্বা দাগ টানলেন। এবার সবাইকে উদ্দেশ্য করে জানতে চাইলেন: আচ্ছা তোমাদের মধ্যে কে আছো?...
19/10/2019

শিক্ষক ক্লাসে ঢুকে ব্লাকবোর্ডে একটা লম্বা দাগ টানলেন। এবার সবাইকে উদ্দেশ্য করে জানতে চাইলেন: আচ্ছা তোমাদের মধ্যে কে আছো? যে এই দাগটিকে ছোট করতে পারবে? কিন্তু শর্ত হচ্ছে তোমরা একে মুছতে পারবে না!! না মুছেই ছোট করতে হবে!

তারপর, ছাত্ররা সবাই অপারগতা প্রকাশ করলো। কারণ, মোছা ছাড়া দাগটিকে ছোট করার আর কোনো পদ্ধতি তাদের মাথায় আসছে না!!

এবার শিক্ষক দাগটির নীচে আরেকটি দাগ টানলেন, যা আগেরটির চেয়ে একটু বড়। ব্যস, আগের দাগটি মোছা ছাড়াই ছোট হয়ে গেলো!

শিক্ষক: তোমরা বুঝতে পারলে? কাউকে ছোট করতে বা হাড়াতে হলে তাকে স্পর্শ না করেও পারা যায়! নিজেকে বড় করে গড়ে তুলো, তাহলে অন্যের সমালোচনা বা দুর্নাম করে তাকে ছোট করতে হবে না। তুমি বড় হলে এমনিতেই সে ছোট হয়ে যাবে!!

(সংগৃহিত)

অল্প বা মাঝারী পুঁজিতে “ডে কেয়ার সেন্টার” এর লাভজনক ব্যবসা!!একবার চেষ্টা করে দেখুন! ইনশা আল্লাহ্, আপনি সাকসেস হবেনই........
05/10/2019

অল্প বা মাঝারী পুঁজিতে “ডে কেয়ার সেন্টার” এর লাভজনক ব্যবসা!!
একবার চেষ্টা করে দেখুন! ইনশা আল্লাহ্, আপনি সাকসেস হবেনই.....

ডে কেয়ার সেন্টার ব্যবসা বিদেশে অনেক আগ থেকে চলে আসছে। আমাদের দেশে নতুন হলেও সবার কাছে পরিচত ব্যবসা। ডে কেয়ারে সাধারণত শিশুদের আইনী অভিভাবক ব্যতীত অন্য ব্যক্তি দ্বারা শিশুর যত্ন নেওয়া হয়। যত্ন নেওয়া সেই ব্যক্তিটি মূলত শিশুর পরিবারের বাইরের কেউ হয়ে থাকেন। ডে কেয়ার শিশুর পিতামাতার কর্মক্ষেত্রের সময় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য চলমান একটি সেবা কেন্দ্র। সাপ্তাহিক কর্মদিবসে বা ব্যস্ত দিনে আদরের সন্তানের যত্ন বা পরিচর্যা করে পিতামাতাকে নির্ভার রাখার জন্য ডে কেয়ার সেন্টারের গুরুত্ব অপরিসীম।

সন্তানের নিত্যদিনের কাজ গুলো দেখ ভাল এবং তার সকল ভালোমন্দ গুলো দেখে রাখা ইত্যাদি কারণে দিনে দিনে ডি কেয়ার সেন্টারের প্রতি অভিবাভকদের নির্ভরশীলতা বাড়ছে। কর্মজীবী মা- বাবাদের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান বিশেষ। তাই সেবাধর্মী এই ব্যবসা উদ্যোগটি গ্রহণ করে যে কোন পরিশ্রমী উদ্যোক্তা সফলতা লাভ করতে পারেন।

ডে কেয়ার সেন্টার ব্যবসা শুরু করার জন্য তেমন বেশি বিনিয়োগের প্রয়োজন হয় না। এটি একটি সৃজনশীল ও সেবামূলক ব্যবসার ধারণা। ডে কেয়ার সেন্টারে কত গুলো বিশেষ কাজ অত্যন্ত জরুরী যাতে শিশুর পিতা-মাতা তাদের সন্তানের যত্নের ব্যাপারে স্বস্তি পেতে পারেন। যেমন: খাওয়া, পড়ানো, স্কুলের বাড়ির কাজ ইত্যাদি ডে কেয়ারে নিশ্চিত করে দিতে হবে।

এতে ডে কেয়ার সেন্টারের প্রতি অভিবাভকদের বিশ্বস্ততা আরো বৃদ্ধি পাবে। ডে কেয়ার সেন্টার ব্যবসা শুরু করে অল্প বিনিয়োগে বহু সেবামূলক কাজ করা যায় এবং নার্স ও নিরাপত্তা রক্ষী নিয়োগ করে একাধিক লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যায়। ডে কেয়ার সেন্টার পরিচালনার ধারণা থাকলে যে কোন উদ্যোক্তা এই ব্যবসা খাতে সফল হতে পারেন।

শহরের যে কোন জায়গায় এই ব্যবসাটি শুরু করা যায়। তবে বিশেষ করে আবাসিক এলাকা গুলোতে শুরু করতে পারলে ভালো হয়। ডে কেয়ার সেন্টার ব্যবসা শুরু করতে আনুমানিক ৫ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত পুজিঁ বিনিয়োগ করতে হতে পারে।

কিভাবে একটি ডে কেয়ার সেন্টার শুরু করবেন: একটি ডে কেয়ার সেন্টার শুরু করার জন্য প্রথমেই একটি উপযুক্ত নিরাপদ এলাকা নির্ধারণ করতে হবে। তারপর যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট হতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে। এরপর ঘুমানোর জায়গা, খেলাধুলার জায়গা, পড়াশোনার জায়গা ইত্যাদি ভাগে ডে কেয়ার সেন্টারটিকে ভাগ করে আলাদা আলাদা ভাবে সুন্দর করে ডেকোরেশন করতে হবে।

তারপর শিশুদের পরিচর্যার জন্য প্রশিক্ষিত আয়া ও অসুস্থ হলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক নিয়োগ করতে হবে। ডে কেয়ারটির প্রচারের জন্য নির্ধারিত ফি ও অন্যান্য সুবিধা সহ বিজ্ঞাপন প্রচার করতে হবে। ডে কেয়ার সেন্টারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এই ভাবে একটি ডে কেয়ার সেন্টার শুরু করা যায়।

গ্রাহক: কর্মজীবী সকল অভিবাভকগণই এই ব্যবসার ভোক্তা হতে পারেন।

যোগ্যতা: এই ব্যবসাটি শুরু করার জন্য উদ্যোক্তাদের তেমন কোন যোগ্যতার দরকার হয় না। শুধুমাত্র ডে কেয়ার পরিচালনার ধারণা থাকলেই যথেষ্ট। ডে কেয়ার সেন্টার ব্যবসা শুরু করে সব খরচ বাদে প্রতি মাসে প্রায় ৩০ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বা আরো বেশি টাকা আয় করা যায়।

[অল্প বা মাঝারী পুঁজি নিয়ে “ডে কেয়ার সেন্টার” এর লাভজনক ব্যবসা যে কেউ শুরু করতে পারেন। লিখাটি ভাল লেগে থাকলে অবশ্যই লাইক ও শেয়ার করতে ভুল করবেন না। একটি “শেয়ার” আপনার প্রয়োজন না হলেও এই শেয়ারের পোষ্টটি হয়তোবা আপনার বন্ধু-বান্ধব বা আত্মীয় পরিজনের অনেক উপকারে আসতে পারে। সাথে আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের জানান কমেন্ট করে। ধন্যবাদ]

Publish by: সোনালীআঁশ ইন্টারন্যাশনাল কনসালট্যান্ট লিঃ
⁑ Like ✓ ⁑ Comment ✓ ⁑ Share ✓ ⁑ Tag ✓

আমাদের সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য পেইজে লাইক দিন
https://www.facebook.com/SonaliashConsultant/
Sonaliash International Consultant Limited

৭১টি অল্প বা মাঝারী পুঁজির লাভজনক ব্যবসার ধারণা:কোন ব্যবসাটি আপনি করতে পারবেন বলে মনে হয়??ব্যবসা করতে চান? কী ব্যবসা করব...
03/10/2019

৭১টি অল্প বা মাঝারী পুঁজির লাভজনক ব্যবসার ধারণা:
কোন ব্যবসাটি আপনি করতে পারবেন বলে মনে হয়??

ব্যবসা করতে চান? কী ব্যবসা করবেন খুজে পাওয়া যাচ্ছে না? তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। এই পোস্টটিতে ৭১ টি বিজনেস আইডিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আশা করছি কোন না কোন একটি বিজনেস আইডিয়া ভাল লাগবে। যেই ব্যবসটি আপনার ভাল লাগবে, সেই ব্যবসা টি নিয়ে আজকে থেকেই পরিকল্পনা শুরু করুন।

০১। ডিম উৎপাদন করার জন্য মুরগীর খামার:
আমাদের দেশে ডিমের চাহিদা অনুযায়ী এখনও অনেক ঘাটতি আছে। শহর বা গ্রামে ছাদের উপর বা পতিত জমিতে শুরু করতে পারেন লেয়ার মুরগীর খামার।

০২। মাংস উৎপাদন করার জন্য মুরগীর খামার:
যেই মুরগী খামার করার মূল লক্ষ্য থাকে মাংস উৎপাদন করার তাকে বয়লার খামার বা বয়লায় মুরগীর ব্যবসা বলা যেতে পারে। শহর কিংবা গ্রামে সব জায়গায় এই মুরগীর চাহিদা আছে। তবে এই ব্যবসায় বেশী লাভ করা একটু কষ্টসাধ্য বিষয়। তবে সঠিক পরিকল্পনা এবং খাবার যদি নিজে বানিয়ে নিতে পারেন তাহলে ২৫% লাভ করা সম্ভব।

০৩। দুধ উৎপাদন করার জন্য গরুর খামার:
বর্তমানে খাটি গরুর দুধের বরই অভাব। যখন কোন খামারের মূল উদেশ্য থাকে দুধ উৎপাদন করা তখন সেই খামার কে ডেইরী খামার বলা যেতে পারে। আমাদের দেশ প্রচুর দুধের চাহিদা থাকায় এই ব্যবসাটি আপনি শুরু করতে পারেন।

০৪। মাংস উৎপাদন করার জন্য গরুর খামার:
আমাদের দেশে বিশেষ করে কোরবানির সময় লক্ষ লক্ষ গরুর প্রয়োজন হয়। সেইদিক বিবেচনা করে অনেকে ইন্ডিয়ান গরু আমাদের দেশে ডুকিয়ে দেয় এবং যা আমাদের চাষীরা বিপদে পড়ে। তারপরও দেশের মানুষের ইন্ডিয়ান গরুর থেকে দেশী গরুর প্রতি চাহিদা বেশী লক্ষ্য করা যায়। এই ব্যবসাটি আপনি চাইলে শুধু ৩/৪ মাসের জন্য করতে পারেন।

০৫। মাছ চাষ:
মাছ চাষ একটি লাভজনক ব্যবসা। মাছ চাষে বহুমুখী সুবিধা আছে। মাছ চাষ করে একদিকে লাভবান হওয়া যায় তেমনি পরিবারের আমিষের চাহিদা মিটানো যায়। তাছাড়া কমাশিয়াল ভাবে মাছ চাষ করলে কিছু মানুষের কাজের সুযোগ মিলে।

০৬। মাংস ও ডিম উৎপাদন করার জন্য হাঁসের খামার:
মুরগীর ডিম ও মাংসের থেকে হাঁসের ডিম ও মাংসের সরবরাহ বাজারে তুলনামূলক কম। মুরগীর ডিমের থেকে হাঁসের ডিমের প্রতি চাহিদা বেশী থাকায় এই ব্যবসা অনেক আগ থেকে চালু হয়েছে।

০৭। একই স্থানে হাঁস ও মাছ চাষ:
যদিও এটি একটি পুরাতন ব্যবসা তারপরও অনেক লাভজনক। সম্ভাব্য আমাদের এই ১০০ বিজনেস আইডিয়ার মধ্যে এই ব্যবসাটি অন্যতম। হাঁস ও মাছ চাষ একসাথে করলে যেমন করে হাঁস পানিতে সাঁতার করতে পারে তেমনি হাঁসের বিস্টা মাছের খাবার হিসাবে কাজে লাগে।

০৮। শাক ও সবজি চাষ:
আমাদের দেশে কম বেশী মোটামুটি সব ধরনের শাক সবজি চাষ করা হয়। অসময়ের সবজি সময়ে ফলিয়ে অনেক লাভবান হওয়া যায়।

০৯। বানিজ্যিক ভাবে ছাগল পালন:
ছাগল পালন একটি লাভজনক ব্যবসা। অল্প জায়গায় অল্প শ্রমে বানিজ্যিক ভাবে ছাগল পালন করলে যেমন বেকারত্ব কমবে তেমনি একটি সমাজের আর্থসামাজিক অবস্থা পরিবর্তন হবে।

১০। মৌমাছি পালন:
বর্তমানে প্রায় ১ কেজি খাটি মধুর দাম হাজার টাকার উপরে। মৌমাছি একটি অর্থকারী শিল্প। এই ব্যবসায় খরচ কম হওয়ায় অনেকে এই ব্যবসায় দিন দিন ঝুঁকছে।

১১। ছোট পরিসরে সুপার শপ বা চেইন শপ:
বর্তমানে অনেক তরুন উদ্যোক্তা এই ব্যবসাটি অনেক ভেবে থাকেন। সুপার সপ এমন একটি বিজনেস বা দোকান যেখানে আপনাকে সব ধরনের পণ্য রাখতে হবে। জনবসটি পূর্ণ এলাকায় এই ব্যবসা বেশী জমজমাট।

১২। ফ্যাশন হাউস:
ছেলে মেয়েদের রকমারী কাপড় নিয়েই এই ব্যবসা। ভাল মার্কেট পেতে হলে অবশ্যই কোয়ালিটি ভাল রেখে ব্যবসা করতে হবে।

১৩। মোবাইল ও মোবাইল এর সরঞ্জাম বিক্রির দোকান:
এই ব্যবসায় সফলতা অনেকটা নির্ভর করে দোকান এর লোকেশন এর উপর। ভাল পজিশনে দোকান পেলে ভালই লাভ করা সম্ভব।

১৪। ইলেক্ট্রনিক পণ্য বিক্রি ব্যবসা:
এটিও একটি দোকান ভিত্তিক ব্যবসা। নানা রকম ইলেক্ট্রনিক পণ্য দিয়ে দোকান সাজাতে হবে। আসে পাশে মার্কেট বুজে এই ব্যবসায় নামা উচতি। প্রথম দিকে অনেক টাকা ইনভেস্ট করলেও পরবর্তিতে এই টাকা চলে আসবে।

১৫। বাচ্চাদের খেলনার দোকান:
সঠিক ভাবে এই ব্যবসা করতে পারলে ৪০% পর্যন্ত লাভ করা যায়। নামি দামি মার্কেট এই ব্যবসা ভাল চলে। এই ব্যবসায় আপনার কাস্টমার তারাই হবে যারা তাদের সংসারের খরচ শেষ করে বাচ্চাদের খেলনা কিনে দিতে পারবে। তাই ভাল লোকশন এই ব্যবসার সফলতার মূলমন্ত্র।

১৬। ছোট বাচ্চা ও মায়েদের প্রয়োজনীয় পন্যের দোকান:
হাঁসপাতালের আসে পাশে, বা জনবহুল এলাকায় এই দোকান ভাল চলবে। ছোট বাচ্চাদের কাপড় থেকে শুরু করে গর্ববতী মায়েদের সকল পণ্য রাখতে হবে।

১৭। ছাত্র ছাত্রীদের জন্য স্টেশনারী ও লাইব্রেরি:
স্কুল কলেজ বা ইউনিভার্সিটি এর সামনে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। বই, খাতা, পেন্সিল, কলম ইত্যাদি পন্য বিক্রি হবে আপনার ব্যবসার ধরন। ফটোকপি মেশিন ও দরকার হতে পারে।

১৮। ফিক্সড প্রাইস এ ছেলেদের সকল পণ্যর দোকান:
আমাদের দেশে খুব কমই দোকান আছে যেখানে ফিক্সড প্রাইস এ ছেলেদের সকল পণ্য পাওয়া যায়। এই যেমন দাড়িকাটার ব্লেড থেকে শুরু করে সুট প্যান্ট পর্যন্ত। এই ব্যবসায় ইনভেস্ট অনেক কিন্তু ভাল লাভকরা যাবে। অনেকটা সুপার সপ এর আলোকে।

১৯। ফাস্ট ফুড শপ:
তরুন ব্যবসায়ীদের অন্যতম পছন্দের ব্যবসার নাম ফাস্ট ফুড শপ। যে জায়গায় মানুষ এর বেশী আনাগোনা সেই জায়গায় ফাস্ট ফুড শপ বেশী জমবে।

২০। কফি শপ বিজনেস:
কফি এমন একটি পানীয় যা মনকে দেয় এক অফুরন্ত প্রশান্তি। আমাদের দেশে খুব কমই কফি শপ আছে যারা শুধু কফি বিক্রি করে। এই ব্যবসায় ৫০% লোক প্রথম বছরই লসে পরে, তার কারন খুজলে দেখা যাই যে, কফি শপের লোকেশন ঠিক ছিল না।

২১। ছোট রেস্টুরেন্ট ব্যবসা:
কম দামে ভাল খাবার এই স্লোগানই আপনাকে এই ব্যবসায় সফল করতে পারে।

২২। সেলুন ও পারলার ব্যবসা:
অনেক আগথেকে এই ব্যবসা চলছে এবং চলবে। নিত্য নতুন ব্যবস্থপনা এই ব্যবসাকে নতুন রুপ দিবে। বর্তমানে এই ব্যবসায় মার্কেট ধরতে হলে, এমন কিছু করতে হবে যা আগে আমাদের দেশে হয় নি।

২৩। একুরিয়াম শপ:
সৌখিন মানুষ এই ব্যবসার কাস্টমার। একুরিয়াম ব্যবসা একটু ধীরগতির ব্যবসা হলেও লাভ করা যায় প্রচুর।

২৪। পুরান জিনিস বেচা কেনা:
পুরান মোবাইল থেকে শুরু করে পূরণ টিভি পর্যন্ত সব কিছু বেচা কিনা করা যায়। এই ব্যবসায় একটু প্রচার প্রচারনা করতে পারলে লাভবান হওয়া যায়।

২৫। লেদার বেল্ট বানানোর ব্যবসা:
লেদার বেন্ট মোটামুটি সকল পুরুষই ব্যবহার করে থাকেন। বর্তমানে মেয়েরাও বেল্ট ব্যবহার করেন। প্রথম দিকে একটু বেশী ইনভেস্ট করলে পরবর্তিতে তেমন খরচ হয় না। সফলতা নির্ভর করে মার্কেটিং এর উপর। বাহিররের দেশ থেকে অডার পেলে ভাল কিছু করা সম্ভাব।

২৬। কাঠের ফার্নিচার ব্যবসা:
নিজের শোরুম থাকলে বেশী লাভ করা যায়। শোরুমের জামেলা করতে চাইলে পাইকারি দরে বিভিন্ন দকানে বিক্রি করতে পারবেন।

২৭। নরম প্লাস্টিকের কাপ, প্লেট, বস্ক বানানোর ব্যবসা:
ভাল মার্কেটিং করতে হবে কাস্টমার পেতে। বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানই আপনার কাস্টমার হবেন। ভাল ব্যবহার এবং সুসম্পর্ক এই ব্যবসাকে বহুদূর নিয়ে যাবে।

২৮। চটের ব্যাগ বানানোর কারখানা:
অল্প পুঁজিতে ২/৩ লোক দিয়ে শুরু করতে পারেন এই ব্যবসা। নিজ বসত বাড়ীর উঠানে না অতিরিক্ত রুমে শুরু করতে পারেন। মার্কেটিং করার জন্য নিজে বা একজন লোক নিয়োগ দিতে হবে।

২৯। খাতা বানানোর ছোট কারখানা:
স্কুল কলেজ, ইউনিভার্সিটি সব ধরনের ছাএ ছাএীরা এই ব্যবসার গ্রাহক। পাইকারী দামে কাগজ কিনে, খাতার উপরের কভার বানিয়ে, সুন্দর ভাবে সেলাই করে বাজারজাত করতে হবে।

৩০। মানিব্যাগ বানানোর ছোট কারখানা:
আগে এই ব্যবসা করেছে এমন কেউর সাথে কথা বলে বা কাজ শিখে শুরু করতে হবে। বাজারে অনেক রকম মানি ব্যাগ পাওয়া যায়, তার মাধ্যে আপনার বানানো ব্যাগ কেন মানুষ পছন্দ করবে তা খুজে বের করতে হবে। অন্য অন্য ব্যবসার মত মার্কেটিং একটু কঠিন। তবে মফস্বল শহরে মার্কেটিং করলে ভাল কিছু হবে আশা করা।

৩১। ই- কমার্স বিজনেস বা অনলাইন দোকান:
যদিও বর্তমানে বিশ্বে আমরা ই- কমার্স এ পড়ে ডুকতে পেরেছি, সেই তুলনায় আমাদের দেশে এখন প্রায় ৮০০০+ ই- কমার্স বিজনেসম্যান রয়েছে। ইন্টারনেট বাড়ার সাথে সাথে এই জগত আরো বাড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যদি আপনি এখনও এই ব্যবসার সাথে জড়িত না হয়ে থাকেন তাহলে শুরু করতে পারেন আজ থেকে।

৩২। টি শার্ট:
টি শার্ট সব বয়সের মানুষের একটি আরামদায়ক কাপড়ের দাম। সম সাময়িক থিম নিয়ে কাজ করলে ভাল কিছু করা সম্ভব।

৩৩। চাপাতা প্যাকেটজাত করন:
বাংলাদেশে খুব কম মানুষই আছে যারা চা পছন্দ করে না। সেই ব্রিটিশ আমল থেকে আমাদের দেশে চা এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। মার্কেট বুজতে পারলে ভাল লাভবান হওয়া যায়।

৩৪। কসমেটিক ব্যবসা:
মেয়েদের অন্যতম পছন্দের লিস্ট রয়েছে দেশী বিদেশী কসমেটিক।

৩৫। আইপিও তে ইনভেস্ট করুন:
আইপিও আমাদের দেশে অন্যতম লাভজনক ইনভেস্ট মাধ্যম। শেয়ার বাজারে এই একটি সেক্টর রয়েছে যেখানে ৯৯% রিস্ক ফ্রী।

৩৬। সেকেন্ডারী মার্কেট এ ইনভেস্ট করুন:
সেকেন্ডারী মার্কেট একটি টাকা বানানোর মেশিন বলে মনে করেন অনেকে। তবে না দেখে শুনে ইনভেস্ট করলে পুঁজিও হারিয়ে ফেলতে পারেন।

৩৭। বিদেশী ফলের ব্যবসা:
আমাদের দেশে যেসব ফল রয়েছে তার সাথে সাথে বিদেশ থেকে ফল ইমপোট করে অনেকে লাভবান হয়েছে।

৩৮। অনুবাদ কেন্দ্র এর ব্যবসা!
অনুবাদ কেন্দ্র গুলোতে প্রচুর গ্রাহক পাওয়া যায়, দিন দিন অনুবাদের চাহিদা বাড়ছে। দলিল, হলফনামা, জাতীয়তা সনদ, নিকাহনামা, জীবনবৃত্তান্ত, চাকরির জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশংসাপত্র, জন্ম-মৃত্যু, ব্যবসায় চুক্তি, ভ্রমণ, ব্যবসা বা কাজের জন্য বিদেশে গমনেচ্ছুদের বিভিন্ন কাগজপত্র, ব্যাংক সলভেন্সি ও স্টেটমেন্ট, এফিডেভিট, ট্যাক্সসংক্রান্ত কাগজপত্রসহ অনেক নথি বাংলা থেকে বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করে আয় করা যায়।

৩৯। গাড়ী ঠিক করার গ্যারেজ:
দক্ষ লোক নিয়োগ দিয়ে এই ব্যবসা খুব সহজেই শুরু করা যায়। দক্ষতা, সততা এই ব্যবাসার মূল ইনভেস্টমেন্ট।

৪০। পুরাতন গাড়ী ক্রয় বিক্রয়:
বিদেশে বিশেষ করে আমারেকায় এই ব্যবসাটি জমজমাট। পুরাতন গাড়ী কম দামে কিনে সঠিক ভাবে রিপেয়ার করে বহু টাকা লাভ করা যায়।

৪১। ফটোগ্রাফি:
এটি একটি আর্ট। যারা ভাল ক্যামেরা ব্যবহার করতে পারেন তারা আজথেকে একটি ফেসবুক পেইজ বানান এবং আপনার তোলা ছবি আপলোড করুন। সময়ের জন্য অপেক্ষা করুন। হাল ছেড়ে দিবেন না।

৪২। এনিমেশন ভিডিও:
এনিমেশন এ কাজ জানলে আপনি বিভিন্ন কোম্পানির জন্য ভিডিও বানিয়ে প্রচুর আয় করতে পারেন। তাছাড়া নিজের বানানো ভিডিও ইউটিউব এ আপলোড করে লাইফটাইম ইনকাম করতে পারেন।

৪৩। ইউটিউব এ আয় করুন:
নিজের বানানো ভিডিও দিয়ে ইউটিউব এ ইনকাম করুন লাইফটাইম।

৪৪। গুগল অ্যাডসেন্স থেকে ইনকাম করুন:
নিজের নিজের ওয়েবসাইটে গুগল এ্যাড প্রদর্শিত করে ইনকাম করুন।

৪৫। বিশেষ কোন স্কিল কাজে লাগিয়ে ইনকাম করুন:
ধরুন আপনি কার্টুন আঁকতে ভালবাসেন। এটি একটি আপনার সখ। তাই এই কার্টুন গুলো কিনার মত অনেক কোম্পানি আছে। আজকেই অনলাইন সার্চ সেন। পেয়ে যাবেন অনেক কোম্পানি যারা কার্টুন এর ক্যারেক্টার কিনতে আগ্রহী।

৪৬। ফুড ডেলিভারি সার্ভিস:
অনলাইন আমাদের দেশে অন্যতম আধুনিকতার ছোয়া দিয়েছে। তার প্রমান হিসাবে ফুড ডেলিভারি সার্ভিস বিজনেস। সঠিক প্লান এবং পরিকল্পনা থাকলে খুব সহজেই লাভবান হতে পারেন এই ব্যবসায়।

৪৭। অনলাইন অ্যাড সার্ভিস:
এটি একটি সার্ভিস মূলক ব্যবসা। ছোট ছোট অনেক কোম্পানি বা ব্যাক্তি পর্যায়ে অনেক উদ্যোক্তা আছেন যারা তাদের ব্যবসা প্রসার করারা জন্য হুমড়ি খেয়ে অনলাইন অ্যাড সার্ভিস খুজে।

৪৮। ডে-কেয়ার সার্ভিস:
বর্তমানে আমাদের সমাজে বাবা ও মা উভয়ই কাজ করেন এমনদের তালিকা কম না। একটি ডে-কেয়ার সার্ভিস বিজনেস এমণ বিজনেস যেখানে আপনাকে ছোট বাচ্চাদের জন্য খাবার, শিক্ষা, বিনেদন সবকিছুর-ই ব্যবস্থা রাখতে হবে।

৪৯। গ্রাফিক্স ডিজাইন:
একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার প্রতি বছরে গড়ে ৪১,০০০ মার্কিন ডলার ইনকাম করেন। আমাদের দেশে এমন এমন গ্রাফিক্স ডিজাইনার আছেন যাদের গড় মাসিক আয়- ৫ লক্ষ টাকা।

৫০। বাড়ী ঘর রঙ করা:
ছোট একটি অফিস ও কয়েকজন দক্ষ শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে শুরু করতে পারেন এই ব্যবসা। অনলাইন ও অফলাইনে নানারকম প্রচার চালাতে হবে প্রথম দিকে। একজন কাস্টমারকে খুশী রাখতে পারলে সে নিজেই আপনার জন্য বিজ্ঞাপন প্রচার শুরু করবেন, যা সব থেকে কার্যকারী।

৫১। ট্র্যাভেল এজেন্সী:
মোটা যারা বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেছেন বা এই বিষয় এ অভিজ্ঞতা আছে তারা এই ব্যবসাটি করতে পারেন। এই ব্যবসার সব থেকে বর চ্যালেঞ্জ হল কথা দিয়ে কথা রাখা। একজন সেটইসফাই কাস্টমার আপনার জন্য সারা জীবন বিজ্ঞাপন হিসাবে কাজে লাগবে।

৫২। আর্টিকেল লেখা:
দেশ বিদেশ বিভিন্ন সাইটে আর্টিকেল লিখে আয় করার সুযোগ আছে। fiver.com এ প্রতিটি আর্টিকেল ৫ ডলার করে বিক্রি করতে পারবেন।

৫৩। এসইও সার্ভিস:
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও অন্যতম সেরা একটি অনলাইন ইনকাম মাধ্যম। আপনার কাজের অভিজ্ঞতা বাড়ার সাথে সাথে ইনকামও বাড়বে বহুগুন।

৫৪। ঘরে বানানো খাবার:
বিশেষ করে আচার, মুড়ি, চানাচুর ইত্যাদি খাবার এর ব্যবসা কম পুঁজিতে শুরু করতে পারেন। সরকারী অনুমোদন নিয়ে শুরু করলে কোন চিন্তা থাকে না।

৫৫। পুরাতন ল্যাপটপ কেনা চেনা:
প্রায় প্রতিদিন ফেসবুক এ শতশত পোস্ট আসে ল্যাপটপ কেনা বেচা নিয়ে। সঠিক দামে কিনে, মোটামুটি একটু কাজ করে প্রতি ল্যাপটপ এ যদি ২/৩ হাজার লাভ করা যায় তাহলে তো জমজমাট।

৫৬। ক্রিকেট একাডেমী:
ভালমানের কোচ নিয়োগ গিয়ে ক্রিকেট একাডেমী করতে পারলে দুইটা লাভ আছে। এক দেশের জন্য আপনি ভালমানের ক্রিকেটার বানাতে চাচ্ছেন। দুই, এটি একটি লাভজনক ব্যবসা যা অনেক দিন ধরে করতে পারবেন।

৫৭। ঘর বা রুম ভাড়া:
ঘর বা রুম ভাড়া একটি পাসিভ ইনকাম। ধরুন একটি ঘর আজকে বানালেন এবং সারাজীবন এর থেকে ইনকাম পারেন। অনেকে সাবলেট রুম ভাড়া দিয়েও বাড়তি ইনকাম করছেন।

৫৮। ঘর সাজানোর জন্য আর্টিফিশিয়াল ফুল ও গাছ:
প্রথমদিকে মেশিনারী কিনতে অনেক ইনভেস্ট করলে পরবর্তীতে শুধু কাচামাল কিনতে হয়। সঠিক পরিকল্পনা ও মার্কেটিং করলে অনেক লাভকরা সম্ভব।

৫৯। নিজ এলাকায় ছোট পরিসরে গড়ে তুলুন ব্যায়ামাগার বা জিম সেন্টার:
৬০। বিক্রি করুন শুধু ফলের জুস:
৬১। আগুন নিবারক পণ্য বিক্রি বা সার্ভিস:
৬২। ডিজে সার্ভিস:
৬৩। সাইবার সিকিউরিটি সার্ভিস:
৬৪। বাগানের বিভিন্ন সামগ্রী বিক্রি:
৬৫। পুরাতন গাড়ী রিপেয়ার ও বিক্রি:
৬৬। সোসাল মিডিয়া সার্ভিস:
৬৭। ইভেন্ট বা পার্টি প্লানিং:
৬৮। রেস্টটুরেন্ট ডেকারশন:
৬৯। ইমপোট এক্সপোট নিজনেস:
৭০। সিজেনাল বিজনেস:
৭১। লেপ তোষক দোকান এর ব্যবসা

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ মনে রাখবেন কোনো কাজ ছোট নয় । আমরা বিদেশে গিয়ে অনেক নিচু মানের কাজ করে থাকি কিন্তু দেশে ছোট কিছু দিয়ে শুরু করতে লজ্জা পাই। জেনে রাখুন ছোট ছোট উদ্যোগ থেকেই বড় বড় সেক্টর সৃষ্টি হয়, আপনারা অনেকেই আকিজ গ্রুপ এর মালিক কে চেনেন, তিনি কোথা থেকে শুরু করেছিলেন আর এখন তার সৃষ্টি আকিজ গ্রুপ কোথায় আছে ।

আপনাকে বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি যদি আমাদের এই ছোট্ট উদ্যোগ আপনাদের ভালো লেগে থাকে তবে সর্বদা আমাদের পাশে থেকে আমাদের সাহস বাড়াতে পোস্ট গুলোতে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে আমাদের কাজের স্পৃহা আরো বাড়িয়ে দিতে আপনারা বিশেষ ভূমিকা রাখবেন এবং সেই সাথে আপনার একটি শেয়ার হয়তো আপনার নিকটস্থ কারো জন্য একটি নতুন দরজা খুলে দিতে পারে। ধন্যবাদ

Publish by: সোনালীআঁশ ইন্টারন্যাশনাল কনসালট্যান্ট লিঃ
⁑ Like ✓ ⁑ Comment ✓ ⁑ Share ✓ ⁑ Tag ✓

আমাদের সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য পেইজে লাইক দিন
https://www.facebook.com/SonaliashConsultant/
Sonaliash International Consultant Limited

Address

Kadamtoly (Burigonga Bridge Road), Aganagar, South Keraniganj
Dhaka
1310

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801911776966

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sonaliash International Consultant Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sonaliash International Consultant Ltd.:

Share