16/09/2026
বাংলাদেশের বীমা খাতে বর্তমানে ৮২টি প্রতিষ্ঠান
৩৬টি জীবন বীমা ও ৪৬টি সাধারণ বীমা কোম্পানি
কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কিন্তু শুধু প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়লেই বীমার বিস্তার, গ্রাহকসেবা কিংবা মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পায় না। প্রয়োজন শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তি, যোগ্য নেতৃত্ব, দক্ষ জনবল, সময়মতো দাবি পরিশোধ এবং জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনা। বাংলাদেশ ব্যাংক� ও CPD� প্রকাশিত তথ্যে দেশের মোট বীমা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও ৮২টি উল্লেখ করা হয়েছে।
অপরিকল্পিত ও রাজনৈতিক বিবেচনায় নতুন লাইসেন্স প্রদান করা হলে সীমিত বাজারে অসুস্থ প্রতিযোগিতা আরও বাড়তে পারে। আর্থিকভাবে দুর্বল কোনো প্রতিষ্ঠান টিকে থাকার জন্য অতিরিক্ত কমিশন, অবাস্তব সুবিধার প্রতিশ্রুতি, ভুল তথ্য দিয়ে এজেন্ট নিয়োগ কিংবা ঝুঁকিপূর্ণভাবে পলিসি সংগ্রহের পথে গেলে শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হন গ্রাহক, এজেন্ট এবং পুরো বীমাশিল্প।
তাই Project Family Happiness মনে করে—
রাজনৈতিক বিবেচনায় নতুন বীমা কোম্পানির লাইসেন্স প্রদান বন্ধ করতে হবে।
দুর্বল কোম্পানিগুলোকে নিরপেক্ষ আর্থিক ও অ্যাকচুয়ারিয়াল মূল্যায়নের মাধ্যমে চিহ্নিত করতে হবে।
পলিসিহোল্ডারদের স্বার্থ ও দাবি পরিশোধের নিশ্চয়তা দিয়ে দুর্বল প্রতিষ্ঠানগুলোকে একীভূত করে একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গঠনের উদ্যোগ নিতে হবে।
কোম্পানি পরিচালনার দায়িত্ব দিতে হবে সৎ, দক্ষ ও অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের।
প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং বিশ্বমানের কর্পোরেট সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
বীমাশিল্পের মূল ভিত্তি হলো মানুষের আস্থা। যোগ্য নেতৃত্ব, পেশাদার ব্যবস্থাপনা এবং শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ ছাড়া এই আস্থা পুনর্গঠন সম্ভব নয়। আমাদের লক্ষ্য শুধু কোম্পানি রক্ষা করা নয়—কোটি কোটি পরিবারের স্বাস্থ্যঝুঁকির আর্থিক নিশ্চয়তা ও পারিবারিক আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
এই বিষয়ে আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত কমেন্টে জানান অথবা Project Family Happiness-এর অফিসিয়াল নম্বরে যোগাযোগ করুন: 01951-214752।