EBC TALK

EBC TALK Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from EBC TALK, Business consultant, Dhaka.

20/02/2021

১০-১২ লাখ টাকায় এসিসিএ এবং ইউকের ব্যাচেলর ডিগ্রী :

এসিসিএ (ACCA) একটি জনপ্রিয় প্রফেশনাল একাউন্টিং ডিগ্রী যা যুক্তরাজ্য ভিত্তিক এসোসিয়েশন অফ চার্টার্ড সার্টিফাইড অ্যাকান্ট্যান্টস দিয়ে থাকে। পুরো পৃথিবীতে এসিসিএ কোয়ালিফায়েড মেম্বার রয়েছেন প্রায় ২ লাখের উপর।

বিশ্বের টপ ৫টি একাউন্টিং ফার্ম ছাড়াও বিশ্বের যে কোনো একাউন্টিং ফার্মগুলোতে প্রফেশনাল ডিগ্রী হিসেবে এসিসিএ স্বীকৃত।

এসিসিএ নিয়ে পড়ার জন্য মালয়েশিয়ার রয়েছে অনেকগুলো নাম করা প্রতিষ্ঠান। মালয়েশিয়ানা এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে প্রতিবছর বেশ কয়েকজন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় বিশ্ব রেকর্ড করে থাকে।

তাছাড়া এসিসিএ শেষ করে মালয়েশিয়াতে চাকরি করার একটি সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে মালয়েশিয়ার বিশ্বের টপ ৫টি একাউন্টিং ফার্ম তো আছেই আবার অনেকগুলো একাউন্টিং ফার্ম রয়েছে যারা সবসময়েই প্রফেশনাল একাউন্টিং ডিগ্রী আছেন এমন মানুষের নিয়োগ দেয়ার জন্য আগ্রহী থাকেন।

>> মালয়েশিয়ার কোথায় এসিসিএ নিয়ে পড়া যাবে ?

এসিসিএ নিয়ে পড়ার জন্য মালয়েশিয়াতে রয়েছে অনেকগুলো নাম করা প্রতিষ্ঠান। সবগুলো প্রতিষ্ঠানের বিবেচনায় এখানে কেবল দুটি প্রতিষ্ঠানের কথা উল্লেখ করা হলো -

১। হেল্প ইউনিভার্সিটি
ইনটেক : জানুয়ারী এবং জুলাই
আনুমানিক সময় : ৩ বছর

২। সানওয়ে কলেজ
ইনটেক : জানুয়ারী এবং জুলাই
আনুমানিক সময় : ৩ বছর

>>খরচ কেমন পড়বে ?

মালয়েশিয়ার এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে এসিসিএ করতে আপনার ৩ বছরে খরচ পড়বে ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকার মতো। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে এই খরচে আপনি দুটো ডিগ্রী পাবেন একটি হচ্ছে এসিসিএ এবং অপরটি হচ্ছে লন্ডনের অক্সফোর্ড ব্রুকস ইউনিভার্সিটি থেকে বিএসসি ইন একাউন্টিং।

বিএসসি ইন একাউন্টিং ডিগ্রীর বিষয়টি অপশনাল তাই ভর্তি হবার সময়ে অবশ্যই এই বিষয়টি আলাপ করে ভর্তি হবেন।

তার মানে একটি ডিগ্রী নিলে আপনার প্রফেশনাল ডিগ্রী এসিসিএ এবং একাডেমিক ডিগ্রী বিএসসি ইন একাউন্টিং হয়ে যাবে।

টিউশন ফিস : ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা
থাকা এবং চলাফেরার খরচ : ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা (অবশ্য আপনার লাইফস্টাইল এর উপর খরচ নির্ভর করে। আপনি বাজেট করে চলাফেরা করলে খরচ আড়াই লাখ টাকার মধ্যে রাখাও সম্ভব)।

হোস্টেল ফী : বাৎসরিক ৮০,০০০ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মতো।

তাহলে সর্বমোট যে খরচ আসছে তা দিয়ে আপনি খুব সহজেই দেশের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চাইতে ভালো মানের পড়াশোনা করতে পারবেন কম খরচে। এছাড়াও এখানে হিডেন কোনো খরচ নেই।

>> পাস করার চাকরির সুযোগ :
প্রফেশনাল একাউন্টিং ডিগ্রীগুলোর চাহিদা মালয়েশিয়াতে ব্যাপক। বিশেষ করে টপ ৫টি একাউন্টিং ফার্ম এবং মালয়েশিয়ার অন্য একাউন্টিং ফার্মগুলো প্রচুর প্রফেশনাল একাউন্টিং ডিগ্রী হোল্ডার নিয়োগ দিয়ে থাকে প্রতি বছর।

এই ক্ষেত্রে প্রফেশনাল একাউন্টিং ডিগ্রী এসিসিএ থাকলে আপনার চাকরি পাবার সম্ভাবনা অনেকগুন বেড়ে যাবে।

তাছাড়া মালয়েশিয়ান ইনস্টিটিউট অফ একাউন্টেন্ট থেকেও আপনি প্রফেশনাল ডিগ্রী নিতে পারবেন এসিসিএ শেষ করার পর কারণ এসিসিএর এই কোয়ালিফিকেশনটি মালয়েশিয়ার টপ একাউন্টিং বডি কর্তৃক স্বীকৃত।

>> আবেদনের জন্য কি করতে হবে ?

আবেদনের প্রক্রিয়া খুবই সহজ মালয়েশিয়াতে। যে প্রতিষ্ঠানগুলোর কথা বলা রয়েছে প্রথমেই তাদের গুগল করে খুঁজে নিতে হবে। তারপর তাদের ইন্টারন্যাশনাল অফিস কিংবা এডমিশন অফিসে ইমেইল করতে হবে আপনার বিস্তারিত তথ্য দিয়ে।

তারপর তারা আপনাকে ইমেইলেই এপ্লিকেশন ফর্ম এবং আরো কিছু ডকুমেন্ট পাঠাবেন। ডকুমেন্টগুলো সঠিকভাবে পূরণ করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট যেমন সার্টিফিকেট, ট্রান্সক্রিপ্ট, পাসপোর্ট এর স্ক্যান কপি ইত্যাদি ইমেইলেই আবার পাঠিয়ে দিতে হবে।

পাঠিয়ে দেয়ার পর তারা আপনাকে ২ থেকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে আপনার আবেদনের ফলাফল জানাবেন। বলে রাখা ভালো যে, এই আবেদন করতে কোনো প্রকার আবেদন ফী নেই।

যারা আবেদনের ক্ষেত্রে কারো সাহায্য নিতে চান তারা বাংলাদেশ স্কলারশিপ স্কোয়াডের পেইড সার্ভিসের সাহায্য নিতে পারেন ইমেইলে এই ঠিকানায় যোগাযোগ করে ( [email protected])।

>> কারা আবেদন করতে পারবেন ?

এসিসিএ একটি প্রফেশনাল ডিগ্রী। আপনি যদি -
- এসএসসি পাস করে থাকেন কিংবা
- এইচএসসি পাস করে থাকেন কিংবা
- এ লেভেল কিংবা ও লেভেল সম্পূর্ণ করে থাকেন তাহলেই আপনি আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের ক্ষেত্রে আপনার গ্রুপ বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, মানবিক যাই হোক না কেন তা কোনো ব্যাপার নয়। তবে আবেদনের জন্য সর্বনিম্ম পয়েন্ট ২ দশমিক ৬০ এর নিচে না হলেই ভালো।
এক্ষেত্রে স্টাডি গ্যাপ থাকলেও সমস্যা নেই।

ভালো পড়াশোনার সুযোগ আজ পুরো বিশ্বজুড়ে। উন্নতমানের পড়াশোনার জন্য মালয়েশিয়ার নাম আজ বিশ্বজোড়া। তাই যারা দেশের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনার চিন্তা করছেন কিংবা কি করবেন তা নিয়ে সংশয়ে আছেন তারা নির্দ্বিধায় মালয়েশিয়াতে এসিসিএ করে একটি ভালো ক্যারিয়ার কম সময়ে গড়তে পারেন।

মা-বাবার সেবা-যত্ন করুন।
ভালো থাকুন, নিরাপদে থাকুন।
আর অন্যায়কে সর্বদা না বলুন। একে অন্যের সাহায্য করুন।
নূর-আল-আহাদ, সিবিই

ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ছাত্র-ছাত্রীদের ক্যারিয়ার প্ল্যানিং : আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী ব্যবসায়ের বিষয়গুল...
18/02/2021

ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ছাত্র-ছাত্রীদের ক্যারিয়ার প্ল্যানিং :

আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী ব্যবসায়ের বিষয়গুলো নিয়ে পড়াশোনা করে। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে এত সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীর কারো মধ্যে সাধারণত ক্যারিয়ার প্ল্যানিং নিয়ে তেমন একটা চিন্তা করা যায় না। আবার যাদের থেকে পরামর্শ পাবার কথা তারাও থাকেন আব্ছায়ার মধ্যে।

কেবল বিবিএ কিংবা এমবিএ ডিগ্রীই কিংবা সাধারণ অনার্স কিংবা মাস্টার্স ডিগ্রী ছাড়াও ব্যবসায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের আরো অনেক সুযোগ রয়েছে।
যদিও আমাদের দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সার্ভে কিংবা জরিপ হয় না চাকরির ক্ষেত্রগুলোকে নিয়ে কিন্তু বেশকিছু পেশার কিংবা ডিগ্রির বাজারে আজও যোগ্য প্রার্থীর অনেক অভাব রয়েছে।

ব্যবসায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ক্যারিয়ার প্ল্যানিং মূলত তিনটি ধাপে করা যেতে পারে-

এইচএসসির পর
বিবিএ'র পর
এমবিএ'র পর

১। এইচএসসি'র পর ক্যারিয়ার প্ল্যানিং:

পর মূলত তিনটি পথ খোলা থাকে ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য- এক, দেশের পাবলিক কিংবা প্রাইভেট কোনো ভার্সিটিতে বিবিএতে ভর্তি হওয়া। দুই, দেশের বাইরে পড়াশোনার জন্য যেতে পারেন।

এই দুই শ্রেণী ছাড়াও আরো এক শ্রেণী আছেন যারা দেশের বাইরেও যেতে চান না আবার বিবিএ পড়তেও এতটা আগ্রহ পান না, তাদের জন্য সবচেয়েযে ভালো হচ্ছে প্রফেশনাল ডিগ্রীর জন্য পড়াশোনা করা।

আমাদের দেশে ICAB থেকে CA, ICMAB থেকে CMA করার সুযোগ রয়েছে। তাছাড়া দেশে বসে আজকাল UK এর প্রফেশনাল একাউন্টিংর ডিগ্রী ACCA কিংবা CIMAও করা যেতে পারে।

এ জন্য এই ওয়েবসাইটগুলো দেখতে পারেন -
http://www.icab.org.bd/icabweb/webGeneralContent/view/123468
http://www.icmab.org.bd/.../admissio.../icmab-entry-criteria
http://www.cucedu.com.bd/acca/

২। বিবিএ'র পর ক্যারিয়ার প্ল্যানিং :

বিবিএ'র পর আপনি চাইলে অন্যদের তুলনায় আপনার ক্যারিয়ারকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। এই ক্ষেত্রে প্রফেশনাল ডিগ্রী কিংবা সার্টিফিকেট কোর্স করা যেতে পারে।

বিবিএর পর মেজর অনুযায়ী নিচের প্রফেশনাল ডিগ্রীগুলো করা যেতে পারে -

ফিনান্স মেজর : যাদের মেজর ফিনান্স তারা চাইলে সিএফএ (CFA) ডিগ্রীর কথা চিন্তা করতে পারেন. সিএফএ হচ্ছে ফিনান্স মেজরদের জন্য পেশাদারি ডিগ্রী. দেশে সিএফএ পড়ার জন্য এই লিংকটি দেখতে পারেন -
http://www.pfsbd.net/cfa/

মার্কেটিং মেজর : মার্কেটিং মেজরদের জন্যও রয়েছে প্রফেশনাল ডিগ্রী যা Chartered Marketer (CM) নামে পরিচিত. দেশে CM পড়ার জন্য এই লিংকটি দেখতে পারেন -
https://professional-qualifications.org/cim-marketing...

একাউন্টিং মেজর : একাউন্টিং মেজরদের জন্য আমাদের দেশের CA কিংবা CMA কোর্স রয়েছে. আবার দেশে বসে টিউশন প্রোভাইডার এর মাধ্যমে UK এর ACCA কিংবা CIMAও পড়া যায়. এ জন্য এই ওয়েবসাইটগুলো দেখতে পারেন -
http://www.icab.org.bd/icabweb/webGeneralContent/view/123468
http://www.icmab.org.bd/.../admissio.../icmab-entry-criteria
http://www.cucedu.com.bd/acca/

ম্যানেজমেন্ট মেজর : ম্যানেজমেন্টে মেজর যাদের রয়েছে তারা চাইলে হিউমান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট কিংবা সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট নিয়ে পড়াশোনা করতে পারেন। আমাদের দেশে এই সক্রান্ত পড়াশোনার জন্য নিচের লিংকগুলো দেখা যেতে পারে-
https://iscea-bangladesh.com/.../cscm-brochure-april.html
http://bihrm.org/our-courses/

ব্যাংকিং মেজর : যারা ব্যাংকিং নিয়ে পড়াশোনা করেছেন তারা UK এর চার্টার্ড ব্যাংকার কোর্সটি দেখতে পারেন নিচের লিংকে -
https://www.charteredbanker.com/...

হসপিটালিটি মেজর : যারা হসপিটালিটি মেজর নিয়ে পড়াশোনা করেছেন তারা নিচের লিংকটি দেখতে পারেন -
https://iqnglobal.com/hospitality/...

৩। এমবিএ'র পর ক্যারিয়ার প্ল্যানিং:

আসলে আপনি চাইলে বিবিএর পরও প্রফেশনাল ডিগ্রী নিয়ে পড়াশোনার কথা চিন্তা করতে পারেন আবার এমবিএর পরও পারেন।

তবে এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো পরামর্শ হলো বিবিএর পর প্রফেশনাল ডিগ্রী নেয়া কিংবা বাড়তি কোর্স যেমন প্রোগ্রামিং, গ্রাফিক্স, ডিজিটাল মার্কেটিং ইত্যাদি কোর্স করে নিয়ে তারপর বেশ কিছু বছর চাকরি করার পর এমবিএ করা সব থেকে ভালো একটি ডিসিশন। কম্পিউটার কিংবা আইটি সক্রান্ত কোর্সগুলোর জন্য এই সাইটটি দেখতে পারেন -

http://bitm.org.bd/
আর বেশি চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলে কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে জিম্যাট কিংবা জিআরই এর মতো পরীক্ষাগুলো আর দেয়া লাগে না। আবার আপনার বিবিএর ফলাফল যদি ৩.৬০ এর উপর হয় এবং কিছু গবেষণার অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে আপনি মাস্টার্স না করেও ব্যবসায়ের বিষয়গুলোতে পিএইচডির জন্য দেশের বাইরে আবেদন করতে পারবেন।
এই বিষয়গুলোর খুঁটিনাটি নিয়ে নিয়মিত আলোচনা হচ্ছে এবং হবে 'বাইরে পড়াশোনার ইতিকথা' নামক সিরিজ পোস্টে।
মা-বাবার সেবা-যত্ন করুন।
ভালো থাকুন, নিরাপদে থাকুন।
আর অন্যায়কে সর্বদা না বলুন। একে অন্যের সাহায্য করুন।
নূর-আল-আহাদ, সিবিই
Eccentric Economist > Futurist>
বিবিএ (ইউনিভার্সিটি অফ ঢাকা) ১৪ তম ব্যাচ
এমবিএ (ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া)
মাস্টার অফ ইঞ্জিনিয়ারিং (ফিনান্সিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং, জাপান)
ফিনান্সিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং গবেষক (জাপান)
(Acquiring knowledge does not have a full-stop, rather it always has comma - Ahad)

The Council of the Institute of Chartered Accountants of Bangladesh in its meeting held on 27 June 2011, approved the Criteria for entry into Article-ship of the Institute.

Cv page ভারি না করে এগুলো বাড়ান।  চাকরি তখন এমনি হয়ে যাবে।
18/02/2021

Cv page ভারি না করে এগুলো বাড়ান। চাকরি তখন এমনি হয়ে যাবে।

07/02/2021

একজন ফ্রেশার কিভাবে জব পাবে।To Make Sure Labour Law Compliance EBC Will Help You. EBC Stands For Entrepreneurship, Business And Career Related Compliance Sol...

11/12/2020

খতিয়ান'' কি?
= ''সি এস খতিয়ান'' কি?
= ''এস এ খতিয়ান'' কি?
= ''আর এস খতিয়ান'' কি?
= ''বি এস খতিয়ান'' কি?
=“দলিল” কাকে বলে?
=“খানাপুরি” কাকে বলে?
= ''নামজারি'' কাকে বলে ?
=“তফসিল” কাকে বলে?
=“দাগ” নাম্বার/''কিত্তা'' কাকে বলে?
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
= ''পর্চা'' কাকে বলে ?
= ''চিটা'' কাকে বলে ?
= ''দখলনামা'' কাকে বলে ?
= “খাজনা” ককে বলে?
= ''বয়নামা'' কাকে বলে ?
= ''জমাবন্দি'' কাকে বলে ?
= ''দাখিলা'' কাকে বলে ?
= ''DCR'' কাকে বলে ?
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে ?
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
= ''হুকুমনামা'' কাকে বলে ?
= ''জমা খারিজ'' কাকে বলে ?
= ''মৌজা'' কি/ কাকে বলে ?
= “আমিন” কাকে বলে?
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
= “সিকস্তি” কাকে বলে ?
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
collected
--------------------------
আপনার এবং আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বসবাস উপযোগী বসতভিটা এবং চাষাবাদযোগ্য
জমিকে নির্ভেজাল রাখতে আপনি সচেতন হোন।
---------------------------
আপনি আপনার বন্ধুদের তথা আপনজনদেরকে উপরোক্ত আইনটি/ তথ্যটি জানাতে অগ্রহী হলে
# শেয়ার করুন.
আইন জানুন, সচেতন হোন, সতর্ক থাকুন।
পরবর্তী আপডেট পেতে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে একটিভ থাকুন

04/11/2020

How to get dressed for an interview :

চাকরির ইন্টারভিউ প্রত্যেকের জীবনেই একটা বড় ঘটনা। গোটা কেরিয়ার জড়িয়ে থাকে তার সঙ্গে। তাই ইন্টারভিউ দিতে গেলে যেনতেন ভাবে যাওয়া একেবারেই অনুচিত। এখানে দরকার মানানসই পোশাক।

ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার আগে সবচেয়ে বেশি দরকার নিজের সিভির উপর নজর দেওয়া। আর তার পরেই দরকার পোশাক। একদম ফর্মাল পোশাক পরে ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার চেষ্টা করুন। পোশাকের কালার যেনো খুব বেশি চমকালো না হয়, হালকা কালার পরার চেষ্টা করুন।তবে সবসময় যে এমন পোশাক পরতেই হবে, তা কিন্তু নয়। স্কার্ট বা ট্রাউজার পরতেই পারেন। এমনকি ড্রেস পরলেও আপত্তি নেই। তবে যাই পরুন, এটুকু খেয়াল রাখবেন, তাতে যেন আপনাকে স্মার্ট দেখতে লাগে। আর পোশাক যেন অতি অবশ্যই হয় ছিমছাম। তবে খুব বেশি ক্যাজুয়াল পোশাক যেন পরবেন না।

খোলামেলা পোশাক ইন্টারভিউ দিতে একেবারেই যাবে না। ওয়াল শোল্ডার, অফ সোল্ডার, এমনকী স্লিভলেস পোশাক থেকেও দূরে থাকুন। কর্পোরেট ক্ষেত্রে কিন্তু আপনার পোশাক খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনি কতটা গোছানো, তা আপনার পোশাক আর আদবকায়দাই বলে দেবে। যাঁরা ইন্টারভিউ নেবেন, তাঁরা কিন্তু সেদিকে নজর রাখেন। আর একটি বিষয় যেন মাথা থেকে না বেরোয়। ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার আগে নখ কাটুন। মেক-আপ যেন একেবারেও চড়া না হয়। লাল বা চড়া রঙের লিপস্টিক এড়িযে চলুন। চোখের মেক-আপ করার সময় স্মোকি আইজ এড়িয়ে চলুন। চুল খোলা রাখতে পারেন। তবে ইন্টারভিউতে ঢোকার আগে আঁচড়ে নিতে পারেন। চুল বাঁধলে পরিচ্ছন্ন ভাবে পনিটেল বা খোঁপা করুন।

নজর দিন জুতোর দিকেও। হিল পরতে অভ্যস্ত হলে তবেই পরুন। শুধু দেখনদারির জন্য একেবারেই হিল পরবেন না। এতে হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। হিল পরে ফ্যাশন দেখাতে গিয়ে পড়ে গেলেই বিপদ। ফর্মাল জুতো পরে যাওয়াটা স্বাভাবিক।

03/11/2020

CV তৈরিতে বা CV ই-মেইলে আমরা যে ভুলগুলো করি..........

১। বড় ভাইয়ের সিভি নিয়ে তার মধ্যে নিজের নাম ঠিকানা বসিয়ে সিভি তৈরিকে আমি বলবো প্রথম ভুল। ক্যারিয়ারের শুরুতেই নির্ভরশীলতা কি ঠিক? আমরা প্রত্যেকেই ইউনিক, প্রত্যেকের সিভিও ইউনিক।

২। সিভিতে অনেকেই মেইল আইডি পাওয়া যায়ঃ [[email protected]](mailto:[email protected]) , [[email protected]](mailto:[email protected]) নিশ্চিত থাকতে পারেন, এরকম আজে বাজে মেইল আইডি থাকলে এ জনমে কি, এর পরের জনমে ও ইন্টারভিউয়ের ডাক পাবেন না।

৩। লিঙ্কডইন রেডি রাখবেন সব সময়। যে কেউ যেন ভিজিট করলেই আপনার সম্পর্কে ও আপনার ক্যারিয়ার নিয়ে ভালোভাবে জেনে যায়,অবশ্যই একটু প্রফেশনালিজম মেইনটেন করবেন। যেনো ফেইসবুক থেকে ভিন্ন হয় ও মার্জিত হয়।

৪।একই সিভি চালিয়ে দিচ্ছেন সেলস, মার্কেটিং, ব্রান্ডিং, একাউন্ট যে কোন চাকরীর জন্য। ধরুন, আপনি মুরগি রাঁধবেন। একই মশলা দিয়ে কি গ্রিল, তান্দুরি, রোস্ট, কাবাব তৈরি সম্ভব? নিশ্চয়ই না। আপনাকেও প্রতিবার আবেদন করার সময় মশলা চেঞ্জ করতে হবে। নয়তো আপনাকে কেউ আর যোগ্য না মনে করে ডাকবেনা।

৫। স্কুলের ছবি দিয়ে চাকরির জন্য আবেদন করা মস্ত বড় ভুল। আপনাকে একজন লোক যে ইন্টারভিউর জন্যে ডাকবে, সিভি খুলে সে যখন আপনার স্কুলের ছবি দেখবে, কেমন প্রভাব পরবে আপনাকে নিয়ে ও আদো আপনাকে ডাকবে কি?

৬। এ-ফোর আকারের কাগজের মাপে সিভি তৈরি করতে হবে। চারপাশে ১ ইঞ্চি পরিমাণ ‘মার্জিন’ রাখতে হবে। সাদা কাগজে কালো কালিতে তথ্যগুলো লেখা থাকবে। সিভির পটভূমিতে গাঢ় ও চোখে খুব লাগে এমন কোন রং ব্যবহার না করাই ভালো।

৭। গ্রামার ও বানান CV তে ভুল সিভির মারাত্মক আরেকটি ভুল। অনেকে বড় ভাইয়ের সিভিতে কি লিখা আছে তার বাংলা অর্থও জানেন না অথচ সেই সিভি পাঠিয়ে দিচ্ছেন।আর ইনটারভিউটে এত মস্ত বড় খেসারত দিতে হয়।

৮। ফ্রেশারদের সিভিতে কো-কারিকুলাম অ্যাক্টিভিটিজ ও সেচ্ছাসেবকের কাজ থাকতে হবে।কারন এসব কাজই হবে আপনার অভিজ্ঞতার ফলক। যার মাধ্যমে আপনাকে বিবেচনা করা হবে। কিছু না কিছু এই সময়ে করতে হবে। মনে রাখবেন, মৃত্যুর পর ঘুমানোর অনেক সময় পাবেন। আলসেমি করে, ঘুমিয়ে মূল্যবান সময় নষ্ট করবেন না।

৯। ট্রেনিং না থাকাটা সিভির আরেকটি বড় দুর্বলতা। ট্রেনিং করুন। সিভি স্ট্রং হবে। ডাক পাবার সূযোগ আসবে।

১০। কেন আমি সেরা? কেন আমাকেই ডাকবেন ইন্টারভিউর জন্যে? এটা যদি সিভিতে ফুটে না ওঠে, আপনি ইন্টারভিউ কল পাবেন না। কিভাবে নিজেকে যোগ্য ভাবে তুলে ধরতে হবে তার জন্যে বেশি বেশি পড়ুন, তথ্য সংগ্রহ করুন,সিনিয়রদের থেকে পরামর্শ নিন।

১১। বেশি পুরানো তথ্য সিভিতে রাখবেন না। নতুন নতুন কাজ প্রোফাইলে যুক্ত হলে পূর্বের কাজগুলো সরিয়ে ফেলুন।

১২। সিভি আপডেট করবেন প্রতিমাসে, নয়তো কি কাজ করেছেন মনে থাকবে না। আজ করি কাল করি করে করে সময় নষ্ট করবেন না।প্রতিটা সময় ও কাজকে গুরুতর।

১৩। আপনি কম্পিউটারে কতোটা দক্ষ, টিমওয়ার্কে কতোটা সফল, বিদেশি ভাষায় কতোটা সাবলীল সিভিতে এসব ঠিকঠাক লিখতে ভুলবেন না।
এক জরিপে দেখা গেছে, ৩৫ ভাগ নিয়োগকর্তা সিভিতে দক্ষতার বর্ণনা না থাকায় সিভিগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাদ দিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে আলাদা একটি বিভাগ তৈরি করে সেখানে আপনার দক্ষতাগুলো উল্লেখ করতে পারেন।

১৫। অতিরিক্ত ডিজাইন করা
আপনার সিভিতে যদি বহু ফন্টের সমাহার এবং প্রচুর বুলেটের ব্যবহার থাকে তাহলে তা নিয়োগকর্তার দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে দিতে পারে। আপনার সিভির মূল লক্ষ্য থাকবে চাকরিটির জন্য আপনি কতোটা যোগ্য তা তুলে ধরা। এখানে নিয়োগকর্তার দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে দেওয়ার মতো কোনো বিষয় তুলে ধরা যাবে না।
এ কারণে সিভিতে রাখতে হবে পরিষ্কার একটি ডিজাইন। এতে থাকবে পরিষ্কার লাইন ও ঝরঝরে ফন্ট। এতে সামান্য পরিমাণ মানসম্মত রং ব্যবহার করে জব টাইটেলটি ভিন্ন করা যেতে পারে। কিন্তু বহু রং ও স্টাইলের ব্যবহার করা যাবে না।
এছাড়া ভাষাগত দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। একঘেয়ে ভাষার ব্যবহার বাদ দিতে হবে।

১৬। সিভি সঠিক ফরমেটে না পাঠানো
অনেকে সিভি ইমেজ/ মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফরমেটে পাঠান। কিন্তু অনেকগুলো ইমেজ একসাথে জোড়া দিয়ে, সিরিয়াল করে সাজিয়ে আপনার সিভি দেখার মত সময় আসলে রিক্রুটারের থাকে না। আবার আপনি যদি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে সিভি পাঠান তাহলে দেখা যায় আপনি হয়ত এমন কোন ফন্ট ব্যবহার করেছেন যা ওই প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারে সাপোর্ট করে না/ অনুপস্থিত। এতে আপনার সিভিটা খুললে রিক্রুটার কিছু সাংকেতিক চিহ্ন ছাড়া কিছুই দেখবেন না।

বর্তমানে অনেকেই নিজের ড্রাইভ থেকে সিভি শেয়ার করে থাকেন। বিষয়টা খুবই স্মার্ট। তবে সবচেয়ে ভালো হচ্ছে PDF করে সিভি ইমেইল করা।

১৭। সিভির সাথে কভার লেটার সংযুক্ত না করা
অনেকে আবেদনের বিপরীতে শুধু সিভি পাঠিয়ে দেন, কভার লেটার পাঠান না। কিন্তু কভার লেটার না চাইলেও আপনার উচিত কভার লেটার আপনার সিভির সাথে সংযুক্ত করা। কভার লেটারে উল্লেখ করুন উক্ত চাকরির জন্য আপনি কেন যোগ্য, আপনি যদি ফ্রেশার হন তাহলে উল্লেখ করুন চাকরিটির ব্যাপারে আপনার আগ্রহ কতটা, আপনার স্কিল আর জ্ঞান কিভাবে এই চাকরিতে আপনাকে সাহায্য করবে ইত্যাদি।

কভার লেটার আর সিভি একসাথে পাঠাবেন, অবশ্যই PDF ফরমেটে। অনেকে ই-মেইলের বডিতে কভার লেটার লিখে দেন এটা করা উচিত না। আলাদাভাবে কভার লেটার তৈরী করে সিভি এবং কভার লেটার একসাথে পাঠান।

CV তে ভুল গুলো শুধরে ফেলুন, নয়তো মাশুল দিতে হবে। মনে রাখবেন, শরীরের যত্ন না নিলে যেমন শরীর অসুস্থ হয় তেমনি সিভির যত্ন না নিলে ক্যারিয়ার অসুস্থ হয়ে পড়বে। একসময় সবার থেকে ক্যারিয়ার দিক দিয়ে আপনাকে পিছিয়ে পরার আগে থেকে নিজেকে নিয়ে ভাবুন

17/09/2020

আইনের প্রয়োজনীয় কিছু ইংরেজি শব্দ যা জানা প্রয়োজন:

#অর্ডিন্যান্স (Ordinance): রাষ্ট্রপতি যে আইন পাস করেন। সংসদ যখন চালু থাকেনা তখন রাষ্ট্রপতি যে আইন পাস করেন তাকে অর্ডিন্যান্স বা অধ্যাদেশ বলে।

#আপীল (Appeal): নিম্ন আদালতের রায়ের পুনর্বিচারের জন্য উচ্চ আদালতে আবেদন করা।

#আরবিট্রেশন (Arbitration): বিবাদকারী দুই দলের অনুমোদিত নির্দলীয় কোন তৃতীয় পক্ষকে দিয়ে কলহের বিচার - যার রায় বিবাদকারীরা মানতে স্বীকৃত।

#এলিবাই (Alibi): অপরাধ সংঘটিত হবার সময় অভিযুক্তের অন্য কোথাও থাকার দাবী।

#ইনটারলোকিউটরি (Interlocutory): অস্থায়ী, অন্তর্বতী কালের জন্য।

#উইল (Will) বা ইচ্ছাপত্র: কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার ধনসম্পত্তি কি ভাবে বণ্টন করা হবে - সে বিষয়ে তাঁর ইচ্ছাপত্র।

#ইনটেস্টেট (Intestate): যে ব্যক্তি উইল বা ইচ্ছাপত্র না লিখে মারা গেছে - তার স্ট্যাটাস বা অবস্থা।

#একস্‌ট্রাডিশান (Extradition): অভিযুক্ত ব্যক্তিকে একটি আইন-এলাকা (রাজ্য, রাষ্ট্র, ইত্যাদি) থেকে অন্য আইন-এলাকায় হস্তান্তরিত করা।

#এনট্র্যাপমেন্ট (Entrapment): কাউকে অন্যায় কর্মে প্রণোদিত করা - যাতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যায়।

#এফ.আই.আর. (F.I.R.): এটি ফাস্র্ট ইন্ফরমেশন রিপোর্ট-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। কোন অপরাধ সংঘটিত হবার পর উত্পীড়িত ব্যক্তি বা অন্য কেউ সেই সম্পর্কে থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে অভিযোগ জানালে - অফিসারের দায়িত্ব সেটিকে নথিভুক্ত করা। সেই লিখিত রিপোর্টটি হল এফ.আই.আর। এর ভিত্তিতে পুলিশের তার অনুসন্ধান শুরু করে।

#এফিডেভিট (Affidevit): হলফপত্র বা শপথনামা: শপথ দেওয়ানোর ক্ষমতা আছে এমন কোনও লোকের সামনে স্বেচ্ছায় শপথপূর্বক লিখিত বিবৃতি দাখিল করা।

#এমবেজেলমেণ্ট (Embezzlement) বা তহবিল তছরুপ: বিশ্বাসভরে কারোর গচ্ছিত অর্থ বা সম্পত্তি নিজের জন্য আত্মসাত করা।

#ওয়ারেণ্ট (Warrant): সাধারণ ভাবে কাউকে আটক করা বা কোথাও তল্লাসী চালাবার জন্য পুলিশকে দেওয়া আদালতের হুকুম। আদালতের কাছে থেকে এই ওয়ারেণ্ট বার করার জন্য পুলিশকে আটক বা তল্লাসী চালানোর প্রয়োজনীয়তা তথ্য সহযোগে আদালতে পেশ করতে হয়।

#কনটেমপ্ট_অফ_কোর্ট (Contempt of Court) বা আদালতের অবমাননা: ইচ্ছাকৃত ভাবে বিচারকের আদেশ বা বিচার-বিভাগীয় হুকুম অমান্য করা।

#কনভেয়্যান্স (Conveyance): কোনও জমির সত্ব এক বা একাধিক লোকের হাত থেকে অন্য হাতে যাওয়ার দলিল।

#করপাস ডেলিকটি (Corpus delicti): যার ওপর অপরাধ সংঘটিত হয়েছে - তার বস্তু-অবশেষ উদ্ধার করা। যেমন, খুনের লাস বা পুড়িয়ে দেওয়া বাড়ির দগ্ধাবেশেষ, ইত্যাদি।

#কুইড_প্রো_কো (Quid pro quo): এই ল্যাটিন শব্দটির অর্থ - 'কিসের জন্য কি' বা 'কিছুর জন্য কিছু'। অর্থাত্, কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয়। কোন কণ্ট্র্যাক্ট পালন বাধ্যতামূলক হয় যখন দুই পক্ষের মধ্যে মূল্যবান কোন বস্তুর আদান-প্রদান ঘটে। সেইজন্য যখন কোনো কোম্পানী তাদের নতুন তৈরী করা জিনিষ বাজারে বিক্রি করার আগে পরীক্ষা করার জন্য লোকদের ব্যবহার করতে দেয়, তখন তার জন্য সাধারণত টাকা নেয় না। এই জন্য যে, সেই বস্তু কাজ না করলেও তার জন্য ব্যবহারকারীদের আইনত কিছু করার থাকে না।

#কোডিসিল (Codicil): উইল বা ইচ্ছাপত্রের সংশোধন।

#ক্যাপিটল_ক্রাইম (Capital crime): যে অপরাধের দণ্ড হল মৃত্যু।

#ক্রিমিন্যাল_ইনস্যানিটি (Criminal insanity): ভালো ও মন্দের তফাত্ বোঝার অক্ষমতা; কোনও কিছু করার বা করা থেকে বিরত হবার মানসিক অক্ষমতা।

#ক্লাশ_একশন (Class action): যে মামলা এক বা একাধিক লোক একটি সমগ্র দলের হয়ে আদালতে আনে।

#জয়েণ্ট_এণ্ড_সেভারেল_লায়াবিলিটি (Joint and several liability): আইনের একটি ভাষা, যার অর্থ দুর্ঘটনার জন্য কোন দল দায়ী হলে, সেই দলের প্রত্যেকটি ব্যক্তি আলাদা ভাবে পুরো ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবে - যদি অন্য কেউ ক্ষতিপূরণ দিতে অসমর্থ হয়।

#জয়েন্ট_টেনানসি(Joint tenancy): যুগ্মভাবে সম্পত্তির মালিকানা (একে অনেক সময়ে 'সার্ভাইভারশিপ' বলা হয়)। এক্ষেত্রে একজন মালিকের মৃত্যু হলে, অন্যজন সম্পাত্তির পুরো মালিকানা পায়।

#জাজমেণ্ট (Judgement) বা রায়: মামলায় দুই পক্ষের বক্তব্য ও সাক্ষ্য প্রমাণ শোনার পর বিচারক তাঁর যে সিদ্ধান্ত সরকারি ভাবে প্রকাশ করেন।

#জুভেনাইল_ডেলিনকোয়েন্সি (Juvenile delinquency): বালক-বালিকাদের করা অপরাধ।

#ডমিসাইল (Domicile): স্থায়ী বাসস্থান।

#ডিফামেশন (Defamation): মানহানি।

#ডিসকভারি (Discovery): মামলা শুরু হবার আগে তার সম্পর্কিত ঘটনাসমূহ ও তথ্যাদি জানার উপায়গুলি।

#ডিসমিস্যাল (Dismissal): মামলার খারিজ।

#নেগলিজেন্স (Negligence): সাধারণভাবে একজন বিচারবুদ্ধি-সম্পন্ন পরিণামদর্শী লোক যে সাবধনতা অবলম্বন করবে সেটা না করা।

#নোটারিপাবলিক (Notary Public): সরকারী কর্মচারী যার কাজ হল লোককে শপথ করানো, স্ট্যাম্প পেপারে লিখিত কাগজে কেউ সই করার পর সেটিতে সই করে তাকে প্রামাণিক করা, ইত্যাদি।

19/01/2020

HR Career Path Advice। How to Become An HR Manager। কিভাবে এইচ আর ম্যানেজার হবেন। Human Resource Management HRM in Bangla To Make Sure Labour Law Compliance ...

18/01/2020

Functions of human resource management। Human Resource Management Basics। Part-01 To Make Sure Labour Law Compliance EBC Will Help You. EBC Stands For Entrep...

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when EBC TALK posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share