Business Tips in Bangladesh

Business Tips in Bangladesh কিভাবে আপনার ব্যবসায় সাফলতা বা উন্নত? কিভাবে আপনার ব্যবসায় সাফলতা বা উন্নতি করবেন তা জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।

কে এই ফারাজ করিম চৌধুরী ? বর্তমানের জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ ও লাখো তরুণের আইডল #ফারাজ_করিম_চৌধুরী
16/05/2022

কে এই ফারাজ করিম চৌধুরী ? বর্তমানের জনপ্রিয়
রাজনীতিবিদ ও লাখো তরুণের আইডল

#ফারাজ_করিম_চৌধুরী

কে এই ফারাজ করিম চৌধুরী ? বর্তমানের জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ ও লাখো তরুণের আইডল! Faraaz Karim Chowdhuryonline Bangla News is the greatest source of reliable onlin...

**ফেসবুকের বাইরে ৩টি অনলাইন বিজনেস প্ল্যাটফর্ম **কয়েক ঘণ্টা বিশ্বব্যাপী ফেসবুক না থাকায় অনলাইন ব্যবসায়গুলোকে যে মাশুল দি...
08/10/2021

**ফেসবুকের বাইরে ৩টি অনলাইন বিজনেস প্ল্যাটফর্ম **
কয়েক ঘণ্টা বিশ্বব্যাপী ফেসবুক না থাকায় অনলাইন ব্যবসায়গুলোকে যে মাশুল দিতে হয়েছে তা নিয়ে আর নাই বললাম। তবে যারা ফেসবুক কেন্দ্রিক ব্যবসায় করেন, তাদের জন্য কিন্তু এগুলো চিন্তার খোরাক। আমাদের উচিত নিজের ব্যবসায়কে ফেসবুকের গন্ডি থেকে ধীরে ধীরে বাইরে প্রসারিত করা। ওয়ারেন বাফেট এর একটি চমৎকার উক্তি আছে,
***“Do not put your all eggs in one basket”
***
অর্থাৎ আপনি যদি ফেসবুকভিত্তিক ব্যবসায় করেন এবং যদি ফেসবুক হঠাত হাওয়াই মিঠাই হয়ে যায় তাহলে আপনার ব্যবসাতেও লাল বাতি জ্বলে যাবে।
আসুন জেনে নেই ফেসবুকের বাইরে ৩টি অনলাইন বিজনেস প্ল্যাটফর্ম।
▪ ওয়েবসাইট
প্রথমেই বলে নিচ্ছি আপনার কাজিন, ফ্রেন্ড, চাচাতো ভাই ইত্যাদি সি এস ই তে পড়ে মানেই আপনার ওয়েবসাইট সে বানাবে এরকম নয়। আর বলাই বাহুল্য ৫ হাজার টাকায় ওয়েবসাইট এর বিজ্ঞাপন যদি আপনাকে excited করে ফেলে তাহলেও আমার কিছু বলার নেই। সস্তার তিন অবস্থা, তাই ভাল কাজ করতে পারবে এমন কোন প্রতিষ্ঠান থেকে কাজ করান বা ভাল কাজ পারে এরকম কোন ব্যক্তি বা ফ্রিল্যান্সারও হতে পারে একটি অপশন। তবে যার সাথেই করেন কাজ পরখ করে নিবেন এবং ওয়েবসাইট এর বেসিক বিষয়গুলো জেনে নিবেন কারণ আমাদের দেশের কিছু আই টি সার্ভিস প্রভাইডার হাইকোর্ট চেনানোর অস্বাভাবিক ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়।
**ভাল মানের একটি ওয়েবসাইট বানান, আপনার কাস্টোমার যাতে সহজেই আপনার ওয়েবসাইট থেকে কেনা কাটা করতে পারে সেভাবেই আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করুন। **মোবাইল এবং কম্পিউটার সব ডিভাইস থেকেই ওয়েবসাইট যেন ভাল পারফর্ম করে তা নিশ্চিত করুন। কিছু কিছু প্রোডাক্টের ক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের পাশাপাশি মোবাইল অ্যাপও কার্যকর হতে পারে।
▪ **অনলাইন মার্কেটপ্লেস **
নিজস্ব ওয়েবসাইট ছাড়াও অনলাইন মার্কেটপ্লেস হতে পারে একটি বিজনেস প্ল্যাটফর্ম। যেসকল অনলাইন মার্কেটপ্লেইস এর মান সম্মান নিয়ে টানাটানি নেই এবং সার্ভিস ভাল, আপনি তাদের সাথে রেজিস্ট্রেশন করার মাধ্যমেও সেই মার্কেটপ্লেসে আপনার পণ্য প্রমোট করতে পারবেন। সকল মার্কেটপ্লেস এর সেলার নেয়ার কিছু নিয়ম কানুন থাকে এবং তা মেনেই আপনাকে যোগ দান করতে হবে। যদি প্রয়োজনীয় অফিসিয়াল ডকুমেন্ট এর প্রয়োজন হয় তাহলেই সেটার ব্যবস্থাও করে নিতে হবে।
অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাস্টোমার পেতে হলে অবশ্যই এর প্রচার করতে হবে। অনেক সময় এই মার্কেটপ্লেস গুলোর বিভিন্ন ক্যাম্পেইন থাকে, সেখানে আপনি অংশগ্রহণ করতে পারেন এবং এছাড়াও আপনার মত করে আপনি প্রচার চালাতে পারেন।
▪ **থার্ড পার্টি ওয়েবসাইট **
থার্ড পার্টি কিছু ওয়েবসাইট আছে যারা রিসেলার হিসেবে কাজ করে। যাদের নিজস্ব পণ্য আছে এবং তারা এর সাথে মানানসই কিছু পণ্য বিক্রয় করে। আপনার ব্যবসায় এর ক্ষেত্রে এরকম থার্ড পার্টি ওয়েবসাইট হতে পারে আরেকটি বিজনেস প্ল্যাটফর্ম। তবে সব ধরণের প্রোডাক্টের ক্ষেত্রে এরকম ওয়েবসাইট পাওয়া যায় না। তবে এখানে তাদেরকে কিছু পরিমাণ কমিশন দিতে হয় এবং এক্ষেত্রে তারাও নিজস্ব কিছু প্রমোশন ব্যবহার করে সাথে সাথে আপনাকেও প্রমোশন চালাতে হবে।
▪ এই বিষয়গুলোর সাথে একটি বিষয় না বললেই নয়, সেটা হচ্ছে **ডাটাবেস **বা তথ্য। **আপনার ফেসবুক পেইজে যারা নিয়মিত কাস্টোমার বা যারাই আপনার থেকে অর্ডার করেছে তাদের তথ্য সংগ্রহ করুন। যাতে ফেসবুক হাওয়াই মিঠাই হয়ে গেলেও আপনি তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন **এবং কোন কাস্টোমার যাতে হারিয়ে না যায়। তাই ডাটাবেইজ মেইনটেইন করা খুবই প্রয়োজনীয়।
আশা করি উপরের টিপসগুলো আপনাদেরকে আরও বৃহৎ আকারে চিন্তা করতে সাহায্য করবে এবং আপনার শ্রম দিয়ে গড়া অনলাইন ব্যবসায়কে অচিরেই হাওয়াই মিঠাইতে পরিণত হওয়া থেকে রক্ষা করবে।

Collected

21/09/2020

নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য কিছু কথা | Some Information for New Entrepreneurs Hello, I am Raquibul Islam. An young Businessman and Entrepreneur from Bangladesh. O...

👀 ঢাকার পাইকারী মার্কেট গুলো কোথায় এবং কোথায় কোন পণ্য পাবেন । A to Z Guide Book.ঢাকার কোথায় কি- ঢাকার অদূরে কিংবা ঢাকার ...
21/08/2019

👀 ঢাকার পাইকারী মার্কেট গুলো কোথায় এবং কোথায় কোন পণ্য পাবেন । A to Z Guide Book.

ঢাকার কোথায় কি- ঢাকার অদূরে কিংবা ঢাকার বাইরের জেলা শহরগুলোতে অনেক ব্যবসায়ী আছেন যারা তাদের প্রয়োজনীয় পন্য কেনার জন্য ঢাকামূখী হয়ে থাকেন। কিন্তু কোথায় কোন পন্যের পাইকারী বাজার তা না জানার কারনে প্রথম দিকে হোঁচট খেতে হয়। আর নতুন ব্যবসায়ীদের জন্য তো খুজে পাওয়াটা আরও বেশী কষ্টকর হয়ে থাকে।

চলুন জেনে নিই পাইকারী মার্কেট গুলো কোথায়:

🎯 বঙ্গবাজার:
গেঞ্জি, প্যান্ট, শার্ট সলিড কালার: তৈরি পোশাক (জামা, প্যান্ট, জ্যাকেট, সোয়েটার, গেঞ্জি, জাঙ্গিয়া ইত্যাদি), পাদুকা সামগ্রী এবং শাড়ি কেনা যায়। এখানে এসব পণ্য খুচরা ও পাইকারি হারে বিক্রয় হয়। বিদেশি ক্রেতা ও তাদের স্থানীয় প্রতিনিধিদের যোগান দেওয়া কাঁচামাল ব্যবহারের পর দেশের পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাছে যত কাপড়, সুতা, বোতাম, জিপার ইত্যাদি উদ্বৃত্ত থাকে মূলত সেগুলি দিয়ে তৈরি বলে বঙ্গবাজারের পোশাক দামে সস্তা।

🎯নবাবপুর:
ফেব্রিকস, গার্মেন্টস এক্সেসরিজ, কৃষি যন্ত্রপাতি, শিল্প যন্ত্রপাতি, ইলেকট্রনিকস সামগ্রী ইত্যাদি। নিমতলী পেট মার্কেট: পশু পাখির বাচ্চা, খাবার পানির পাত্র, খামারের যন্ত্রপাতি ব্রুডার ইত্যাদি। স্টেডিয়াম মার্কেট:নতুন পুরাতন মোবাইল, কম্পিউটার ও অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক্স: বঙ্গবন্ধু জাতীয় ষ্টেডিয়ামে দেশের নামকরা ইলেক্ট্রনিক্স মার্কেট অবস্থিত। এখানে প্রায় ৮০০ টি ইলেক্ট্রনিক্সের দোকান রয়েছে। শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯.০০ টা থেকে রাত ৮.০০ টা পর্যন্ত মার্কেট খোলা থাকে।

এই মার্কেটে এয়ার কন্ডিশনার, রেফ্রিজারেটর, কালার টেলিভিশন (লিড, এলসিডি ও সিআরটি), মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, রাইস কুকার, টোস্টার, সিলিং ফ্যান, ওয়াটার ফিল্টার, আয়রন, ষ্টীল ক্যামেরা, মুভি ক্যামেরা, মোবাইল ফোন, চার্জার, মেমোরী কার্ড, টিভি কার্ড, ডিস এন্টেনা, রিসিভার, ভিসিডি প্লেয়ার, ডিভিডি প্লেয়ার, সিসি টিভি, নিরাপত্তা সরঞ্জাম এবং গ্যাসের চুলা পাওয়া যায়।

🎯 বায়তুল মোকাররম মার্কেট:
এ মার্কেটে বিভিন্ন পণ্য পাওয়া যায় বলে কোন বিশেষায়িত মার্কেট বলার সুযোগ নেই। দোতলায় দেশের প্রসিদ্ধ বিভিন্ন জুয়েলারী দোকান রয়েছে। ক্যামেরা, সিডি, ডিভিডি প্লেয়ার, টিভিসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য পাওয়া যায় এখানে। ব্যাগ, ল্যাগেজ, ঘড়ি, চশমা, ক্রোকারিজ, জামা-কাপড়, জুতা, খেলনা ইত্যাদির দোকানও রয়েছে। নিচতলায় নেমপ্লেট লেখার ব্যবস্থা রয়েছে। এই মার্কেটে ইসলামী ফাউন্ডেশন এর বই বিক্রয় কেন্দ্রসহ কয়েকটি আতর, টুপি, পাঞ্জাবী, বোরকা, জায়নামাজ প্রভৃতির দোকানও রয়েছে। এছাড়া মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসলামী বই, সিডি, ডিভিডি প্রকৃতিও বিক্রি হয়।

🎯 ধোলাইখাল:
সব ধরণের নতুন পুরাতন ইলেক্ট্রনিক্স ও ধাতব যন্ত্রপাতি: ধোলাইখাল নামটিতে খাল শব্দটি থাকলেও এখানে এলে কোন খাল কিংবা জলাশয় খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। পুরনো ঢাকায় নবাবপুর রোডের মোড় থেকে শুরু করে নারিন্দা পর্যন্ত এর বিস্তৃতি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পরই ধোলাইখালে পুরোনো যন্ত্রাংশের ব্যবসা শুরু হয়। এখানে ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় হাজার পাঁচেক খুচরা যন্ত্রাংশের দোকান রয়েছে। মোটর পার্টসের দোকান ছাড়াও এখানে রয়েছে ড্রাম শিট, লেদ মেশিন, পুরনো লোহা লক্কড়ের দোকান।

রিকন্ডিশন্ড এই খুচরা যন্ত্রাংশগুলো তারা আমদানি করে চীন, জাপান, মধ্যপ্রাচ্য, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুর থেকে। এখানে প্রায় সব মডেলের গাড়ির বিশেষ টয়োটা, নিশান, হোন্ডা, মিৎসুবিশি, সুজুকি, মারুতির যন্ত্রাংশ বেশি পাওয়া যায়। বাস এবং ট্রাকের মধ্যে বেড ফোর্ড, ইসুজু, নিশান, হিনো, ভলভো, টাটা, অশোক লেল্যান্ড, টারসেল, আইয়ার, ক্যান্টার প্রভৃতি গাড়ির যন্ত্রাংশ পাওয়া যায়।

যন্ত্রাংশের দাম জেনে রাখুন -আগেই বলা হয়েছে, যন্ত্রাংশের দাম সম্পর্কে ধারণা না থাকলে এ বাজারে ক্রেতাকে পড়তে হতে পারে বিপাকে। সেক্ষেত্রে দাম জেনে রাখা ভালো। যেমন; সেলফ ১৫শ’ থেকে ২ হাজার ৫শ’, ডায়নামো ১৫শ’ থেকে ২ হাজার, ডিস্ট্রিবিউটর ২ হাজার থেকে ৫ হাজার, কার্বোরেটর ২ হাজার ৫শ’ থেকে ৬ হাজার, ফ্যান মটর ১ হাজার থেকে ২ হাজার ৫শ’, রেডিয়েটর ২ হাজার ৫শ’ থেকে ৭ হাজার, গিয়ার বক্স ২ হাজার থেকে ৭ হাজার, ইঞ্জিন ব্লক ১৫শ’, থেকে ৩ হাজার, পিস্টন সেট ১ হাজার থেকে ২ হাজার ৫শ’ বাল্ব সেট ৫শ’ থেকে ১৫শ’ ক্লাচ প্লেট ৫শ’ থেকে ১ হাজার, প্রেশার প্লেট ১ হাজার ৫শ’ থেকে ২ হাজার, অয়েল পাম্প ১ হাজার ৫শ’ থেকে ২ হাজার, এসি পাম্প ৫শ’ থেকে ৮শ’, প্লাগ ১ হাজার থেকে ৩ হাজার, ইঞ্জিন পুুলি ৫শ’ থেকে ১ হাজার ৫শ’, মবিল চেম্বার ৫শ’ থেকে ১ হাজার।

এখানে ইঞ্জিনও পাওয়া যায় বিভিন্ন মডেলের। যেমন; হানড্রেড ভাইভ এ ৩০ হাজার, ফোর ই ২৭ হাজার, নাইন টি ৫০ হাজার, নাই টি ফাইভ এ ৩০ হাজার, ফাইভ কে লাইটএজ ৬০ হাজার, ক্রাউন এক্স ১ লাখ, কোরোনা ফোর এক্স এ্যান্ড থ্রি এক্স ৩৫ হাজার টাকা।

যেভাবে ধোলাইখালে পৌঁছাবেন -গুলিস্তান থেকে ধোলাইখালে রিকশায় আসতে খরচ হয় ১৫ থেকে ৩০ টাকা এবং বাসে খরচ ৫ টাকা। মতিঝির থেকে ধোলাইখালের অবস্থান দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে। মতিঝিল থেকে এখানে বাসে আসা না গেলেও নিকশায় আসা যায় সহজেই। মতিঝিল থেকে ধোলাইখালের রিকশা ভাড়া ১৫-২০ টাকা। সদরঘাট থেকে পায়ে হেঁটে এখানে আসতে সময় লাগে পনের মিনিট ও রিকশায় খরচ হয় ৮ টাকা।

🎯 জিঞ্জিরা:
নতুন পুরাতন ইলেক্ট্রনিক্স ও ধাতব যন্ত্রপাতি।জিঞ্জিরায় তিনটি পৃথক এলাকায় তৈরি করা পণ্যের নামানুসারে তিনটি স্থান আছে। যেখানে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন কারখানা। তাওয়াপট্টিতে আছে ছোট-বড় প্রায় ৭০০ হালকা শিল্প-কারখানা আর এখানে মূলত তৈরি হয় গ্রিল কারখানা, তালা, ছাতার জালা, কব্জা, পাওয়ার প্রেস, প্লেঞ্জার, কেলাম, শিট, কয়েল, ওয়াশার, নাট-বোল্ট, স্ক্রু, তারকাঁটা, তোপকাটা, বালতি, অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়ি-পাতিল, কড়াই ইত্যাদি। টিনপট্টিতে তৈরি হয় টিন, শিট, কয়েল। এখানে ১৫-২০টি কারখানা আছে। তবে এর বাইরেও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিদেশ থেকে আমদানিকৃত সেকেন্ডারি শিট মজুদ এবং গোপনে ঢেউটিন তৈরির কাজ হয়। এ প্রতিষ্ঠানগুলো করোগেশন মেশিনে দিন-রাত আমদানিকৃত জিপি শিট কেটে ঢেউটিন তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে থাকে।

জিঞ্জিরার বৈশিষ্ট্য হলো এখানে খুব স্বল্পমূল্যের সামগ্রী ব্যবহার করে কারিগরেরা তৈরি করতে পারেন মানসম্পন্ন অনেক পণ্য। এমনকি তাঁদের দাবি মাত্র ২০-৩০ হাজার টাকা মূল্যমানের যন্ত্রে যে প্লেনশিট থেকে যে ঢেউটিন তাঁরা তৈরি করতে পারেন, তার গুণগত মান যথেষ্ট ভালো। তবে এর সত্যতা নিশ্চিত করার মতো কোনো প্রামাণিক দলিল পাওয়া যায়নি।

লোহার সামগ্রী তৈরিতে জিঞ্জিরার বিশেষ সুনাম রয়েছে।জিঞ্জিরা বাজারে প্রায় দুশো’রও অধিক বিভিন্ন লোহার সামগ্রী তৈরির কারখানা রয়েছে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যার শিল্পের বিশাল যোগান দেয় বলে অভিমত রয়েছে। জিঞ্জিরার কারখানায় উৎপাদিত বিভিন্ন সামগ্রীর মধ্যে ঢেউটিন, স্ক্রু, নাট-বল্টু, ক্লাম, তারকাটা, জিআই তার, আলতালা, হ্যাসবোল্ট, কব্জা, দা-বটি, শাবল, বালতি, চাপাতি, কুড়াল, কোদাল, কুন্নি, বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, ডেকোরেটর সামগ্রী, ওয়াশিং টব, পিতলের বার্নার(কেরোসিন চুলা), তামা ও পিতলের ডেগ, কলসি, ক্রোকারিজ, তাওয়া, টিফিন ক্যারিয়ার, চাইনিজ সাইলেন্সার/ডাব্বু, আশকল ডুম্বরি, নিক্তিকাঁটা, সাটার, কেচি গেট, লোহার জানালা, দরজা, অ্যালুমিনিয়ামের জগ-মগ ইত্যাদি অন্যতম।

এসব উপকরণ তৈরির কাচামাল আসে ঢাকারই নবাবপুর, নারায়ণগঞ্জ, ফতুল্লা, পুরোন ঢাকা প্রভৃতি এলাকা থেকে। তাওয়াপট্টিতে তৈরিকৃত গ্রিল কারখানা, তালা, ওয়াসার, নাট-বোল্ট ইত্যাদি তৈরিতে নিজেদের তৈরি পাওয়ার প্রেসের মাধ্যমে বানানো হয়। একসময় পাওয়ার প্রেসসহ বড় বড় যন্ত্র বিদেশ থেকে আমদানি করতে হলেও স্থানীয় কারিগররা উদ্ভাবনী শক্তি দিয়ে সেখানে প্রতিস্থাপন করতে সমর্থ হয়েছেন সম্পূর্ণ নিজস্ব তৈরিকৃত যন্ত্র। তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়টি হলো এখানকার সামগ্রীতে স্ক্র্যাপ মেটাল বা পরিত্যক্ত লোহার ব্যবহার, যা সংগৃহীত হয় ভাঙা জাহাজ কিংবা বিভিন্ন কারখানার ভাঙা সরঞ্জাম থেকে।

জিঞ্জিরা লোহার বিভিন্ন সামগ্রী ছাড়াও মেলামাইন, আলকাতরা, নারিকেল তেল, শাড়ি-লুঙ্গি ইত্যাদির জন্য প্রসিদ্ধ। এছাড়া জিঞ্জিরার কালিগঞ্জ দেশীয় গার্মেন্টস সামগ্রী, বিশেষত জিন্স প্যান্ট তৈরিতে সুনাম অর্জন করেছে। দেশীয় বাজারের জিন্সের প্রায় ৮৫ শতাংশ চাহিদা কালিগঞ্জ থেকে পূরণ হয় বলে স্থানীয়দের অভিমত পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি রোহিতপুরের লুঙ্গি, জয়পাড়ার শাড়িও বিশেষ উল্লেখযোগ্য।এছাড়াও এই অঞ্চলে ভারত, জার্মানী,মালয়েশিয়া থেকে আনা কাঁচামালনির্ভর প্লাস্টিক সামগ্রী তৈরির কারখানা গড়ে ওঠে।

🎯 পাটুয়াটুলি বা পূরান ঢাকা:
পুরান ঢাকায় পাটুয়াটুলি রোড (রোড এর দুই পাশ ইলেক্ট্রনিক্স মার্কেট) জগন্নাথ বিঃ এর এর পর সদরঘাট এর আগে যদি আপনি গুলিস্তান থেকে সদরঘাট এর দিকে যান ইলেক্ট্রনিক এর মার্কেট আছে, স্টেডিয়াম এর চেয়ে অনেক বেশি সমৃদ্ধ।

🎯 চকবাজারঃ
পাইকারি কাপড়ের বাজার চকবাজার: পুরোন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় বাজার। রমজান মাসে রকমারি এখানে রকমারি ইফতারের পশরা বসে। কাবাবের কথা আসলেই চকবাজারের নামটিও আসবে। চকবাজারের কাবাব খুব বিখ্যাত। ঢাকার পুরানো বাজারগুলির মধ্যে চক অন্যতম।

🎯 শ্যামবাজার :
ঢাকার অন্যতম পুরাতন বাজার। এটা ব্রিটিশ শাসনামল থেকে ঢাকাবাসীর বিভিন্ন দ্রব্যের যোগান দিয়ে আসছে। বর্তমানে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্ববধানে বাজারটি পরিচালিত হচ্ছে। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে পূর্ব দিকে ৮ – ১৫ গজ দূরে শ্যমবাজারের সীমানা শুরু।

এই বাজারে সাধারণত ফজর নামাযের পর থেকে সকাল ১১.০০ টা পর্যন্ত বেশী ভিড় হয়। কোন সাপ্তাহিক বন্ধ নেই এবং প্রতিদিন ভোর বেলা থেকে রাত ৮.০০ টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন হয়ে থাকে। সাধারণত প্রায় দৈনন্দিন খাদ্য তালিকার সব কাঁচা বাজার ও ফলমূল পাওয়া যায়। যেমন – আলু, পেঁয়াজ, মরিচ, বেগুন, মাছ, সবজি, পটল, করলা ইত্যাদি। আর ফলমূল এর মধ্যে রয়েছে – আম, জাম, কলা, লিচু, তেঁতুল, আনারস, পেয়ারা ইত্যাদি। এছাড়া তেল, লবণ, মসলাও পাওয়া যায়।

বাজারের বিভিন্ন ধরনের ভাগ আছে। যেমন – ১নং রোডে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড় ঘেঁষে রয়েছে আম, কাঁঠাল, লিচু এবং অন্যান্য ফল আর নদীর পাড়ের রাস্তার বিপরীত পাশে পাওয়া যায় আলু, পেঁয়াজ, আদা, রসুন ইত্যাদি। মূল বাজারের মাঝামাঝি ও নদীর পাড় ঘেঁষে বিভিন্ন রকম শাক-সবজির বাজার বসে।

🎯 বাংলাবাজার:
বর্তমানে বাংলাবাজার বাংলাদেশের মধ্যে বইয়ের বৃহত্তম মার্কেট। বাংলাদেশের প্রকাশনা ব্যবসা আবতির্ত হচ্ছে বাংলাবাজারকে ঘিরে। পাঠ্যবইসহ অন্যান্য অনেক ধরনের বই পাওয়া যাচ্ছে যেখান থেকে। বাংলাদেশের বড় বড় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোর অফিসও বাংলাবাজারেই অবস্থিত। এছাড়াও পোশাক সামগ্রীর জন্যও এটি বিখ্যাত।

🎯 মতিঝিল:
ঢাকা শহরের প্রধান বানিজ্যিক এলাকা। এটি ঢাকা শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। এখানে রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক জনতা ব্যাংক সহ বহু প্রতিষ্ঠানের মূল কার্যালয় । আরামবাগ: বিভিন্ন ক্রীড়া সংঘ, কম্পিউটার্স, কম্পোজ, ডিজাইন, প্রিন্টিং প্রেস ইত্যাদির জন্য বিখ্যাত।

🎯 এলিফ্যান্ট রোড:
জুতা, ব্যাগ, সিরামিকস/চীনামাটির বাসনপত্র, কাপড়, পর্দা, দর্জা জানালার পর্দা, বেডিং সামগ্রী নতুন পূরাতন কম্পিউটার, ক্রয় বিক্রয় ও মেরামত।

🎯 মাল্টিপ্লান:
এলিফ্যান্ট রোডে অবস্থিত কম্পিউটার, ইলেক্ট্রনিক্স, ক্যামেরা সামগ্রীর বৃহৎ মার্কেট। ইষ্টার্ণ মল্লিকা, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা কাঁটাবন: ইসলামি বইপত্র, সিডি, বোরখা, হিজাব, সুগগ্ধি, অ্যাকুরিয়াম পাখি, কোম্পানি নেমপ্লেট,সাইনবোর্ড ব্যানার প্রিন্ট ব্রান্ডিং সামগ্রী

🎯 নিউমার্কেট:
১৯৫২-৫৪ সালে নির্মিত একটি বিপণি কেন্দ্র। পর্যায়ক্রমে এটি ঢাকার বাইরের ক্রেতাদেরও আকর্ষণ করে। মার্কেটটি আজিমপুরে অবস্থিত, যার পূর্বদিকে রয়েছে মিরপুর রোড, উত্তরে ঢাকা কলেজ, পশ্চিম পার্শ্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা এবং দক্ষিণে পিলখানা রোড।

মার্কেটটির পাশেই খুচরা দোকানের একটি কেন্দ্র আছে। সেখানে কাপড়-চোপড়, ঔষধ, টয়লেট সামগ্রী ও গৃহস্থালি ব্যবহারের টুকি-টাকি দ্রব্যাদি বিক্রয় হয়। এছাড়া, বেশ কয়েকটি দোকানে বিক্রয় হয় প্রসাধনী সামগ্রী, স্যুভেনির ও শোপিস সামগ্রী, তৈজসপত্র, হালকা বৈদ্যুতিক দ্রব্য ও আসবাবপত্র। মার্কেটটির উত্তর দিকে মুদির দোকান এবং মাছ, মাংস, ফল-মূল ও সবজির বাজার রয়েছে।

আজকের দিনে ‘নিউমার্কেট’ বলতে ভিতরে এবং বাইরে বৈচিত্র্যপূর্ণ দোকানের এক বিপুল সমাহারকে বোঝায়। মূল মার্কেটে তিনটি উঁচু খিলানযুক্ত প্রবেশদ্বার রয়েছে, ভিতরে আছে বই-পত্র ও লেখা-লেখির সামগ্রী, ঘড়ি, চশমা, চামড়ার সামগ্রী ও ভ্রমণের উপকরণাদি, মুদি দ্রব্যাদি, কাপড়-চোপড়, অলঙ্কার ও বৈদ্যুতিক দ্রব্যাদি এবং দরজি, ফাস্টফুড ও ছবি তোলা ও প্রসেসিং-এর দোকান। দোকানগুলির সামনে একটা আচ্ছাদিত টানা বারান্দা রয়েছে।

মার্কেটটিতে মোট ৪৬৮টি দোকান রয়েছে এবং বাজার করতে আসা ক্রেতারা এখানে তাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রায় সব জিনিস-পত্রই পেয়ে থাকে।

নিউমার্কেটের বিপরীতে, পোশাক সামগ্রীর জন্য বিখ্যাত চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট: নিউমার্কেটের উত্তরে অবস্থিত পোশাক সামগ্রীর জন্য বিখ্যাত।

🎯 নীলক্ষেত:

ঢাকা শহরের স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী এবং তাদের অভিভাবকদের নিকট নীলক্ষেত অত্যন্ত পরিচিত এবং অতি প্রয়োজনীয় মার্কেট। স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছেও এ মার্কেট গুরুত্ব বহন করে। কেননা, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন লেখকদের বই তথা প্রয়োজনীয় সকল বই-পত্রের জন্য নীলক্ষেত বই মার্কেটের বিকল্প নেই ঢাকা শহরতো বটেই, সারা দেশেও। বইয়ের মার্কেটের ক্ষেত্রে নীলক্ষেত বই মার্কেট তাই একচ্ছত্র আধিপত্য ভোগ করছে।

এখানে বইয়ের পাশাপাশি ফটোকপির দোকান, বাইন্ডিং অর্থাৎ বাঁধাইয়ের দোকান, কম্পিউটারে বিবিধ কাজ করার দোকান, ছাপাখানা, সাইবার ক্যাফে, অটো ক্যাড প্রিন্টিংয়ের দোকান, টেইলার্সের দোকান ও খাবার দোকান অবস্থিত। ৫ টি মার্কেটের সমন্বয় হচ্ছে নীলক্ষেত বই মার্কেট এখানে নতুন ও পুরাতন বোর্ড বই, রেফারেন্স বুক, ম্যাগাজিন প্রভৃতি সকল ধরনের বই পাওয়া যায়।

🎯 ইসলামিয়া বহুমুখী সমবায় সমিতি:
স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং, আইন, ইংরেজী মাধ্যম স্কুল, বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগতামূলক পরীক্ষার নতুন ও পুরাতন বই পাওয়া যায়।

🎯 বিসিএস কম্পিউটার সিটি:
বেগম রোকেয়া স্বরণী, আগারগাঁও, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা – ১২০৭। ২০০০ ইং সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। শপিং মলটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন, নিজস্ব স্ট্যান্ডবাই জেনারেটর সুবিধাসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এবং টাইলস সজ্জিত নতুন ভবনে অবস্থিত। মার্কেটটিতে মোট দোকানের সংখ্যা ৩৫০ টি। মার্কেট মালিক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক শপিং মলটি পরিচালিত হয়। এটি দেশের বৃহত্তম কম্পিউটার মার্কেট।

🎯 মোতালেব প্লাজা হাতির পুল:
মোবাইল ফোন সামগ্রী বিক্রয় মেরামত ও পাইকারি বিক্রয় শপিং মলটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন, এস্কেলেটর সুবিধা, নিজস্ব স্ট্যান্ডবাই জেনারেটর সুবিধাসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রীত এবং টাইলস সজ্জিত নতুন ভবনে অবস্থিত। এখানে মোট দোকান সংখ্যা ১২০০ টি। মালিক সমিতি কর্তৃক শপিং মলটি পরিচালিত হয়। হাতিরপুল বাজার: সিরামিক টাইলস, বাথরুম ফিটিংস সামগ্রী, কাঁচাবাজার,ইত্যাদি। আজিজ সুপার মার্কেট,শাহবাগ: পোশাক সামগ্রী,কারুপন্য, হস্তশিল্প

🎯 গাউসুল আজম মার্কেট:
নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির সাথে অবস্থিত। এখানে রয়েছে ২০০ এর অধিক দোকান। এখানে যে সব সুবিধা পাওয়া যায়- ফটোকপি, সাইবার ক্যাফে, মুদ্রন ও প্রিন্টিং, টেইলার্স, ছবি বাঁধাইয়ের দোকান, কম্পিউটারের বিভিন্ন কাজ।

রাস্তার সামনের অংশটিকে সিটি কর্পোরেশন মার্কেট বলা হয়। এখানে রয়েছে খাবার দোকান,ফটোকপির দোকান A3, A4 অটো ক্যাড প্রিন্টিং এর দোকান।

🎯 ইস্টার্ন প্লাজা:
১ম তলা – প্রসাধনী, ইলেকট্রনিক, থালা বাসন ইত্যাদির দোকান। ২য় তলা – শাড়ী, সেলয়ার কামিজ, টি-র্শাট, টেইলার্স ইত্যাদির দোকান ৩য় তলা – গয়না, সোনা, রূপা, ছোট বাচ্চাদের খেলনার দোকান। ৪র্থ তলা – জুতার দোকান, বিভিন্ন ব্রান্ডের জুতার দোকান। ৫ম তলা – মোবাইলের দোকান, এবং মোবাইল সার্ভিসিং করার দোকান। ৬ষ্ট তলা – মার্কেট মালিক সমিতি অফিস। ৭ম তলা – ডাক্তার চেম্বার। ৮ম তলা – ডাক্তার চেম্বার, অফিস। ৯ম তলা – ঘটক পাখি ভাই।

🎯 কারওয়ান বাজার:
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার ও ঢাকা শহরের সবচেয়ে বড় কেন্দ্রীয় পাইকারী ও খুচরা বাজার। ঢাকা শহরের অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা হিসেবে এখানে অনেক বড় বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। দৈনিক প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ), দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট এবং আরও অনেক খবরের কাগজের প্রধান অফিস কাওরান বাজারে অবস্থিত। এছাড়াও একুশে টেলিভিশন, এনটিভি, এটিএন বাংলা, এটিএন নিউজ বাংলাভিশন আরটিভি টেলিভিশনের প্রধান কার্যালয় এবং স্টুডিও কাওরান বাজারে অবস্থিত।

🎯 বেনারশী পল্লী: বেনারশী পল্লী একসময় শুধুমাত্র বেনারশী শাড়ির জন্যই বিখ্যাত ছিল। গত বছর কয়েক ধরে মিরপুর বেনারশী পল্লিতে বেনারশী শাড়ি ছাড়াও অন্যান্য সব ধরনের শাড়ি পাওয়া যায়। বেনারশী শাড়ি-Old + New, টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ি (কটন)। টাঙ্গাঈল হাফ সিল্ক। রাজশাহী সিল্ক। ধুপিয়ান। ঢাকাই মসলিন। কাতান। কোটা শাড়ি। ব্রোকেট শাড়ি। জামদানী শাড়ি। জর্জেট শাড়ি ইত্যাদি। এ ছাড়াও আরো নতুন নতুন কালেকশন পল্লীতে তৈরী হচ্ছে।

🎯 গুলিস্তান:
সবধরণের কাপড়, জুতা, খেলনা, ক্রোকারিজ, ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রীসহ সব ধরণের জিনিসপত্র পাওয়া যায়যমুনা ফিউচার পার্ক: বিশ্বের তৃতীয় এবং এশিয়ার সর্ববৃহৎ শপিংমল হিসেবে পরিচিত “যমুনা ফিউচার পার্ক”। রাজধানীর কুড়িলে অবস্থিত এই শপিংকমপ্লেক্সটিতে সকল ধরনের কেনাকাটা ও বিনোদন সুবিধা রয়েছে। প্রগতি সরণি থেকে ফিউচার পার্ক প্রাঙ্গণে প্রবেশ করলে প্রথমেই পড়ে আউটডোর রাইডস। সারা পৃথিবীতে তোলপাড় করা ছয়টি রোমাঞ্চকর রাইড রয়েছে এখানে।

বর্ণিল আলোকছটায় উদ্ভাসিত ফিউচার পার্কের এই আউটডোর রাইডসের রোলার কোস্টার, স্কাইড্রপ, ম্যাজিক উইন্ডমিল, পাইরেট শিপ, ফ্লাইং ডিসকো ও টাওয়ার চ্যালেঞ্জার রীতিমতো শিহরণ জাগানিয়া। প্রথম তলার পুরোটাই গাড়ি পার্কিং এর জন্য নির্ধারিত। অন্যান্য ফ্লোরগুলো পণ্যের ক্যাটাগরী ভিত্তিক বিন্যাস করা হয়েছে। প্রতিটি ফ্লোরকে “দক্ষিণ-পশ্চিম”, “উত্তর-পশ্চিম”, “দক্ষিণ-পূর্ব” ও “উত্তর-পূর্ব” অংশে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি ভাগে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরীর পণ্য ও সেবা পাওয়া যাবে। এই শপিংমলের ষষ্ঠ তলার সম্পূর্ণটাই বিনোদন জোন হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। ষষ্ঠ তলায় রয়েছে ফুডকোর্ট, রেষ্টুরেন্ট, প্লেয়ারস জোন, ব্লকবাস্টার সিনেমাস প্রভৃতি।

🎯 হযরত শাহজালাল মার্কেট:
এখানে মেডিক্যাল, ও লেভেল, এ-লেভেল, বিবিএ, এমবিএ, জিম্যাট (GMAT), স্যাট, (SAT), টোফেল (TOEFL), জিআরই (GRE), আইইলটিস (IELTS) এর প্রয়োজনীয় বই পাওয়া যায়।

আপনারা সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, ধন্যবাদ সবাইকে ।

ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা আশা করছি কাজে লাগবেKodak কোম্পানিকে মনে আছে? ১৯৯৮ সালে কোড্যাক কোম্পানিতে প্রায় ১লক্ষ ৭০ হ...
19/08/2019

ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা আশা করছি কাজে লাগবে
Kodak কোম্পানিকে মনে আছে? ১৯৯৮ সালে কোড্যাক কোম্পানিতে প্রায় ১লক্ষ ৭০ হাজার কর্মচারী কাজ করতেন।
এবং বিশ্বে ছবি তোলার প্রায় ৮৫% ই কোড্যাক ক্যামেরায় তোলা হত। গত কয়েক বছরে মোবাইল ক্যামেরার বাড়বাড়ন্ত হওয়ায় এমন অবস্থা হয় যে Kodak ক্যামেরার কোম্পানীটাই উঠে যায়। এমনকি Kodak সম্পুর্ন দেউলিয়া হয়ে পড়ে এবং এদের সমস্ত কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক ছাঁটাই করা হয়।

ওই একই সময়ে আরো কতগুলি বিখ্যাত কোম্পানি তাদের ঝাঁপ পাকাপাকি বন্ধ করতে বাধ্য হয়। যেমন-

HMT (ঘড়ি)
BAJAJ (স্কুটার)
DYANORA (TV)
MURPHY (radio)
NOKIA (Mobile)
RAJDOOT (bike)
AMBASSADOR (গাড়ি)

এই উপরের কোম্পানিগুলোর মধ্যে কারুরই কোয়ালিটি খারাপ ছিল না। তবুও এই কোম্পানি গুলো উঠে গেল কেন? কারণ এরা সময়ের সাথে নিজেকে বদলাতে পারেনি।

এখনকার সময়ে দাঁড়িয়ে আপনি হয়তো ভাবতেও পারছেন না যে সামনের 10 বছরে দুনিয়া কতটা পাল্টে যেতে পারে! এবং আজকের 70%-90% চাকরিই সামনের 10 বছরে সম্পুর্নভাবে বিলুপ্ত হতে চলেছে। আমরা ধীরে ধীরে ঢুকে পড়েছি "চতুর্থ শিল্প বিপ্লব"-এর যুগে।

আজকের বিখ্যাত কোম্পানিগুলোর দিকে তাকান-

উবের কেবলমাত্র একটি software-এর নাম। না, এদের নিজস্ব কোন গাড়ি নেই। তবু আজ বিশ্বের বৃহত্তম ট্যাক্সি-ভাড়ার কোম্পানি হল উবের।

Airbnb হল আজকে দুনিয়ার সবথেকে বড় হোটেল কোম্পানি। কিন্তু মজার ব্যাপার হল, পৃথিবীর একটি হোটেলও তাদের মালিকানায় নেই।

একইভাবে Paytm, ওলা ক্যাব, Oyo rooms ইত্যাদি অসংখ্য কোম্পানির উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে।

আজকে আমেরিকায় নতুন উকিলদের জন্য কোন কাজ নেই, কারণ IBM Watson নামে একটি আইনি software যে কোন নতুন উকিলের থেকে অনেক ভাল ওকালতি করতে পারে। এইভাবে পরের 10 বছরে প্রায় 90% আমেরিকানদের আর কোন চাকরি থাকবে না। বেঁচে থাকবে খালি বাকি 10%। এই 10% হবে বিশেষ বিশেষজ্ঞ।

নতুন ডাক্তারদেরও চাকরি যেতে বসেছে। Watson নামের software মানুষের থেকেও 4 গুন নিখুঁত ভাবে ক্যানসার এবং অন্যান্য রোগ শনাক্ত করতে পারে। 2030 সালের মধ্যে কম্পিউটারের বুদ্ধি মানুষের বুদ্ধিকে ছাপিয়ে যাবে।

2019 সালের মধ্যেই রাস্তায় নামতে চলেছে চালকহীন গাড়ি। 2020 সালের মধ্যেই এই একটা আবিষ্কার বদলে দিতে পারে গোটা দুনিয়ার চালচিত্র। এর ফলে সামনের 10 বছরে আজকের 90% গাড়িই আর রাস্তায় দেখা যাবে না। বেঁচে থাকা গাড়িগুলো হয় ইলেক্ট্রিকে চলবে অথবা হাইব্রিড গাড়ি হবে। রাস্তাগুলো ক্রমশঃ ফাঁকা হতে থাকবে। পেট্রোলের ব্যবহার কমবে এবং পেট্রোল উৎপাদনকারী আরব দেশগুলি ক্রমশঃ দেউলিয়া হয়ে আসবে।

তখন গাড়ি লাগলে, উবেরের মত কোন software-এর কাছেই গাড়ি চাইতে হবে। আর গাড়ি চাইবার কিছুক্ষনের মধ্যেই সম্পুর্ন চালক-বিহীন একটা গাড়ি আপনার দরজার সামনে এসে দাঁড়াবে। আপনি যদি অনেকের সাথে ওই একই গাড়িতে যাত্রা করেন, তাহলে মাথাপিছু গাড়িভাড়া বাইকের থেকেও কম হবে।

গাড়িগুলো চালকবিহীন হবার ফলে 99% দুর্ঘটনা কমে যাবে। এবং সেই কারণেই গাড়ি-বীমা করানো বন্ধ হবে এবং গাড়ি-বিমার কোম্পানি গুলো সব উঠে যাবে।

গাড়ি চালানোর মত কাজগুলো আর পৃথিবীতে বেঁচে থাকবে না। 90% গাড়িই যখন রাস্তা থেকে উধাও হয়ে যাবে, তখন ট্রাফিক পুলিশ এবং পার্কিং-এর কর্মী-দেরও কোন প্রয়োজন থাকবে না।

ভেবে দেখুন, আজ থেকে 5-10 বছর আগেও রাস্তার মোড়ে মোড়ে STD বুথ ছিল। দেশে মোবাইল বিপ্লব আসার পর, এই সবকটা STD বুথই কিন্তু পাততাড়ি গুটাতে বাধ্য হল। যেগুলো টিকে রইল, তারা মোবাইল রিচার্জের দোকান হয়ে গেল। এরপর মোবাইল রিচার্জেও অনলাইন বিপ্লব এল। ঘরে বসেই অনলাইনে লোকে মোবাইল রিচার্জ করা শুরু করল। এই রিচার্জের দোকান গুলোকে তখন আবার বদল আনতে হল। এরা এখন কেবল মোবাইল ফোন কেনা-বেচা এবং সারাইয়ের দোকান হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সেটাও বদলাবে খুব শিগগিরই। Amazon, Flipkart থেকে সরাসরি মোবাইল ফোন বিক্রি বাড়ছে।

টাকার সংজ্ঞাও পাল্টাচ্ছে। একসময়ের নগদ টাকা আজকের যুগে "প্লাস্টিক টাকায়" পরিণত হয়েছে। ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ডের যুগ ছিল কদিন আগেও। এখন সেটাও বদলে গিয়ে হয়ে যাচ্ছে মোবাইল ওয়ালেট-এর যুগ। Paytm-এর রমরমা বাজার, মোবাইলের এক টিপে টাকা এপার-ওপার।

যারা যুগের সাথে বদলাতে পারে না, যুগ তাদের পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়। তাই ক্রমাগত যুগের সাথে বদলাতে থাকুন।

সাফল্যকে সাথে রাখুন, সময়ের সাথে থাকুন।

-Collected

11/02/2018

Thanks for all we reach 500 like.

কিভাবে আপনার ব্যবসায় সাফলতা বা উন্নত?

08/02/2018

♣ বিজনেস সাকসেস ফ্যাক্টর টিপস ।

আমরা সবাই ভাবি বিজনেস করবো, উদ্যোক্তা হব, আর সবাই ধান্দা করছে আমারও ধান্দা হবে । কিন্তু আসল বাস্তবতা কি এটাই, সহজ উত্তর না , আসল বাস্তবতা চরম কঠিন। আর সবাই খুব ধান্দা করছে এটা ভেবেই কেউ যদি রাতারাতি বিজনেস শুরু করে দেন, তবে সেটা সুইসাইড করার সমান হবে। অক্সফোর্ড বিজনেস ইকোনোমিক্স এর কন্সাল্ট্যান্টদের মতে যেকোন বিজনেস এর ক্রিটিকাল ফ্যাক্টর এন্ড ওয়ে না জেনে সেই বিজনেস শুরু করলে লস হবার প্রবণতা থাকে ৯০% ।

♣ একটি উদাহরণ থেকে বোঝার চেষ্টা করি ।
আপনাকে বলা হলো মিরপুর স্টেডিয়াম যাও। কোন পথে যেতে হবে আপনি জানেননা, এখন আপনি যেখানে আছেন তার ৫০০ মিটার উত্তরে মিরপুর স্টেডিয়াম, কিন্তু আপনি পূর্ব দিকে যাত্রা শুরু করলেন, সারা জীবন পূর্ব দিকে যেতে থাকলেও আপনি স্টেডিয়াম এর দেখা পাবেন না । কিন্তু আপনি যেখানে ছিলেন তার ঠিক উত্তরে ৫০০ মিটার দূরে স্টেডিয়াম ছিল, সঠিক ওয়ে না জানা থাকার জন্য আপনি গন্তব্য খুঁজে পেলেন না, সহজ কথায় আপনি ব্যর্থ হয়ে গেলেন ।

ঠিক তেমনি বিজনেস এর সঠিক ওয়ে জানা না থাকলে, আপনি সারা জীবনেও আপনার গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন না, অবশেষে কি হবে জানেন, আপনি এক সময় ক্লান্ত হয়ে যাবেন, নিজের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলবেন। আর ঠিক তখনই নিজেকে নিজেই বলবেন ধুর এটা কোনো কাজ, ফালতু সব, আজকেই এই বিজনেস বন্ধ করে দেব । আর আমাদের দেশের নতুন উদ্যোক্তা বা বিজনেসমানদের এটাই সব থেকে বড় সমস্যা । আমাদের উচিত সবার আগে বিজনেস এর সঠিক ওয়ে ও ক্রিটিকাল ফ্যাক্টর গুলি জেনে তার পর বিজনেস এ নামা।

সব থেকে দুঃখের বিষয় আমাদের দেশে উদ্যোক্তাদের জন্য বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বা বিজনেস প্রাকটিস নিয়ে কোন কর্মশালা করা হয় না । আর যেটুকুও করা হয় সেখানে মেজর তত্ত্ব গুলো নিয়ে কোনো প্রকার আলোচনা হয় না । যেখান উদ্যোক্তাদের জন্য হ্যান্ড হোল্ডিং সাপোর্ট দরকার, সেখান নাম মাত্র প্রাইমারি কিছু তত্ত্ব নিয়েই শুধু আলোচনা করা হয়। যেটা দিয়ে বাস্তবিক অর্থে প্রাকটিক্যাল বিজনেস এ কোনো উপকারই পাওয়া যায় না । অনেক বকবক করে গেলাম এবার আবার আমাদের স্পেশাল টিপস এর রাজ্যে ফিরে যায় ।

♣ আপনাদের জন্য আজকের বিজনেস ক্রিটিকাল ফ্যাক্টর টিপস :
বিজনেস এ সাকসেসফুল হতে চান, তবে প্রথমেই আপনার কাস্টমার এর বিজনেসকে সাকসেসফুল করে দিন, দেখবেন অটোমেটিক আপনার বিজনেসও সাকসেসফুল হয়ে গেছে । একটু ভালো করে যদি দেখেন তবে দেখবেন আমরা সবাই শুধু বিক্রি বিক্রি আর বিক্রি নিয়েই ব্যস্ত থাকি, এটা করতে করতে আমাদের অবস্থা এমন হয়েছে যে আমরা এখন জাস্ট একজন হকার এর মতো আচরণ করি। আমার প্রোডাক্ট ভালো, দাম কম বলতে বলতে আমরা অস্থির হয়ে যায়। কিন্তু এই তত্ত্ব গুলো শুধু B2C বিজনেস এ চলবে, কিন্তু B2B বিজনেসএ এই গুলোর কোনো দামই নেই।

আপনাকে আপনার কাস্টমার এর সেই নার্ভস সিস্টেম ধরার চেষ্টা করতে হবে, যার জন্য সে আপনাকে ও আপনার সেবাকে তার বিজনেস বা তার নিজের জন্য অত্যাবশ্যক ভাবতে শুরুকরবে। কিন্তু তার নার্ভস সিস্টেম ধরতে হলে আপনাকে আপনার কাস্টমার এর ক্রিটিকাল সাকসেস ফ্যাক্টর গুলো খুঁজে বের করতে হবে ও সেগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে ।

♣ সেই ক্রিটিকাল ফ্যাক্টর গুলো কি কি ?
১। আগে আপনার কাস্টমার এর বিজনেস সম্পর্কে ভালো করে জানুন ও তার বিজনেস এর ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করুন ।
২। কাস্টমার এর বিজনেস এর মানি মেকিং মডেল বোঝার চেষ্টা করুন ।
৩। সে কি ভাবে লাভ করছে সেটা ভালো ভাবে বোঝার চেষ্টা করুন ।
৪। আপনার কাস্টমার এর কম্পেটিটর করা, এবং তারা কি করছে সেটা ভালো করে লক্ষ্য করুন।

উক্ত বিষয় গুলো বিশ্লেষণ করে যথাযথ প্ল্যান তৈরি করে আপনার কাষ্টমেরকে হ্যান্ডহোল্ডিং সাপোর্ট দিন, তারপর দেখুন কি চমৎকার হয় ।

সর্বোপরি একটা জিনিস মাথায় রাখবেন, শুধু পণ্য বিক্রি করায় আপনার কাজ না, আপনার কাস্টমার এর বিজনেসকে সাকসেসফুল করাই আপনার কাজ। আর যদি আপনার কাস্টমার এর বিজনেসকে সাকসেসফুল করে দিতে পারেন তবে আপনিও সাকসেসফুল হয়ে যাবেন মানে আপনার ধান্দা হবে বাম্পার এটা আমরা গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি।

22/01/2018

ব্যবসা পরিচালনায় সবসময়ের জন্য প্রয়োজনীয় বিষয় সমূহ.

সমাজে ব্যবসাকে অনেকে খুব সহজ ও সাধারণ বিষয় বলে মনে করেন। আবার কারো কারো কাছে তা খুবই কঠিন একটি কাজ। ব্যবসার রয়েছে বিভিন্ন ধরন। কেউ কেউ পণ্য কেনা-বেচা করে বা আমদানি-রপ্তানি করে। কেউবা পণ্য উৎপাদন করে তা বিপণনের ব্যবস্থা করে। যিনি মেধা খাটিয়ে পণ্য উৎপাদন করেন তিনি হচেছন উদ্যোক্তা। বিষয়টিকে একটু খতিয়ে দেখা যাক। বিভিন্ন বিষয়ের উপর ব্যবসার সাফল্য নির্ভর করে। এসব বিষয়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ন হচেছ ব্যবসায়িক কলাকৌশল, পদ্ধতি ও নিয়ম-কানুন। ব্যবসা শুরু করার পূর্বে এসব জানা প্রয়োজন। সর্বপ্রথম প্রয়োজন ‘আমি ব্যবসা করব’ এ ধরণের মানসিক প্রস্তুতি। এরপর সঠিক দিকনির্দেশনা, মূলধন ও সম্পদের প্রাপ্যতা নিয়ে ভাবনা ও পরিকল্পনা। একটি সুষ্ঠু কর্মপরিকল্পনা পর্যায়ক্রমে একজন উদ্যোক্তা/ব্যবসায়ীকে তার লক্ষ্যের দিকে পৌছতে সাহায্য করবে। মূলধন ও সম্পদ ব্যবসার জন্য অত্যাবশ্যকীয় হলেও মুখ্য বিষয় নয়, কেননা সঠিক দিকনির্দেশনা অনুযায়ী অগ্রসর না হলে তাতে বিনিয়োগের সমূহ ক্ষতির আশংকা থাকে।

একজন উদ্যোক্তা/ব্যবসায়ী হতে হলে কিভাবে ব্যবসা আরম্ভ করতে হবে তা সবার আগে জানতে হবে। কিভাবে ট্রেড লাইসেন্স, ব্যাংক একাউন্ট, কোম্পানি রেজিষ্ট্রেশন, বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্স, ভ্যাট নিবন্ধন, এলসি খোলা, যন্ত্রপাতি ও মেশিনারিজ আমদানি ও স্থাপন, প্রজেক্ট প্রোফাইল, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিযোগাযোগ, জনশক্তি, উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি করতে হবে সে সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হবে। এছাড়াও পণ্য উৎপাদন, পণ্য বিপণন, রপ্তানিকরণ, শুল্ক প্রদান ইত্যাদি বিষয়গুলো সম্পর্কে জানাও একজন ব্যবসায়ীর জন্য অত্যাবশ্যক।

বাংলাদেশে একজন উদ্যোক্তা/ব্যবসায়ী হতে হলে আপনাকে পর্যায়ক্রমে যে কাজগুলো করতে হবে সেগুলো নিম্নরূপঃ

একঃ প্রথমে সিদ্ধান্ত নিতে হবে ‘আপনি ব্যবসা করবেন’।

দুইঃ এরপর আপনাকে ঠিক করতে হবে কী ধরণের ব্যবসা করবেন? ট্রেডিং না উৎপাদনমূলক। শিল্প না কমিশনভিত্তিক ব্যবসা।

তিনঃ ব্যবসার ধরণ ঠিক করার পর আপনার ব্যবসা করার জন্য অফিস বা কারখানা করার জন্য স্থান নির্দিষ্ট করতে হবে।

চারঃ স্থান বা অফিস ঠিক করার সঙ্গে সঙ্গে আপনাকে ঠিক করতে হবে আপনি একক ব্যবসা করবেন না যৌথ মালিকানাধীন ব্যবসা করবেন।

পাঁচঃ একাকী বা যৌথ মালিকানাধীন যে ব্যবসাই করুন না কেন, আপনাকে আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম ঠিক করতে হবে। যৌথ মালিকানাধীন ব্যবসা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে ঠিক করতে হবে কাকে পার্টনার হিসেবে নিবেন। প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির মাধ্যমে আপনি ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

ছয়ঃ ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করা বিধিসম্মত নয়। ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করা হচেছ ব্যবসা শুরুর প্রাথমিক কাজ।

১.১ ট্রেড লাইসেন্স (Trade License)
যথাযথ কর্তৃপক্ষ অর্থাৎ সিটি করপোরেশন, পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে আপনি আপনার ব্যবসা শুরু করতে পারেন। ট্রেড লাইসেন্স নেয়ার পূর্বে দু’টি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিন ঃ
১.যথাযথ কর্তৃপক্ষ নির্বাচনের জন্য ব্যবসার অবস্থান নির্ধারন এবং ব্যবসার প্রকৃতি নিরূপন।
২. আপনার ব্যবসার অবস্থান অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ নির্বাচন করুনঃ

একঃ যদি আপনার ব্যবসার অবস্থান সিটি কর্পোরেশন এলাকা যেমনঃ ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট ও বরিশালে হয় তা হলে আপনাকে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন হতে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে।

দুইঃ যদি আপনার ব্যবসার অবস্থান কোন মিউনিসিপ্যালিটি (পৌরসভা) এলাকায় হয়ে থাকে তাহলে ঐ এলাকার মিউনিসিপ্যাল কর্তৃপক্ষ হতে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে।

তিনঃ অন্যান্য ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ যেমনঃ ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে।

ট্রেড লাইসেন্স পেতে হলে নিম্নলিখিত ধাপসমূহ অনুসরন করতে হবেঃ

একঃ নির্দিষ্ট দরখাস্ত ফরম পূরণ করতে হবে। এখানে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নমুনা ফরম পরিশিষ্টে দেয়া আছে [পরিশিষ্ট-১.১]।

দুইঃ যে ঠিকানায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য আবেদন করবেন সেই অফিস বা ফ্যাক্টরির লে-আউট প্ল্যান দাখিল করতে হবে।

তিনঃ আপনার প্রতিবেশী দুইজনের (কমপক্ষে) অনাপত্তিপত্র দরখাস্তও সঙ্গে দাখিল করতে হবে। অর্থাৎ ঐ স্থানে ফ্যাক্টরি বা অফিস করতে আপনার প্রতিবেশীর কোন আপত্তি নেই। ঘর ভাড়ার রসিদ বা চুক্তিপত্রের কপি সঙ্গে জমা দিতে হবে।

চারঃ যদি আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লিমিটেড কোম্পানি হয় তবে অবশ্যই মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়েশন এবং আর্টিকেলস অব এসোসিয়েশনসহ রেজিষ্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কর্তৃক ইস্যুকৃত ইনকর্পোরেশন (কোম্পানির নিবন্ধন) সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে। যাবতীয় কাগজপত্র দাখিলের পর কর্পোরেশন- এর ইন্সপেক্টর প্রয়োজনে সরেজমিনে তদন্ত করার পর নির্দিষ্ট পরিমান ফি আদায় করে আপনাকে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করবেন।
ট্রেড লাইসেন্স প্রতি বছর নবায়ন করতে হয়।

১.২ কোম্পানির রেজিষ্ট্রেশন (Company Registration)
একঃ যদি পাবলিক বা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিভিত্তিতে ব্যবসা করবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন, তখন রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে গিয়ে প্রথমে আপনার প্রতিষ্ঠানের নামের ছাড়পত্র নিতে হবে
এবং এ ছাড়পত্রের ভিত্তিতে এক মাসের মধ্যে কোম্পানির রেজিষ্ট্রেশন করিয়ে নিতে হবে।

দুইঃ কোম্পানি রেজিষ্ট্রেশন হওয়ার পর আপনি যে এলাকার, ঐ এলাকার মিউনিসিপ্যালিটি বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট হতে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহন করতে হবে।

তিনঃ ট্রেড লাইসেন্স নেয়ার পূর্বে আপনার প্রতিষ্ঠানের লে-আউট প্ল্যান, আয়কর দফতর হতে টিন নম্বর সংগ্রহ করতে হবে এবং প্রতিবেশীর নিকট হতে অনাপত্তিপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

চারঃ বর্তমানে পরিবেশ পরিদপ্তর থেকেও অনাপত্তিপত্র সংগ্রহ করতে হয়।

পাঁচঃ আপনাকে একটি ব্যাংক একাউন্ট খুলতে হবে।

ছয়ঃ আপনার ফার্মের লেটার প্যাড, বিল, চালান, ক্যাশ মেমো, ডেবিট ভাউচার প্রভৃতি ছাপানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

একটি পাবলিক লিমিটেড বা প্রাইভেট লিমিটেড রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য যে সকল ডকুমেন্ট প্রয়োজন তা নিম্নরূপঃ

একঃ প্রয়োজনীয় সংখ্যক পরিচালক নির্ধারণ করার পর কোম্পানির মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেল ছাপাতে হবে। দুই-এর অধিক হলে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি করা যায়। প্রাইভেট লিমিটেড ও পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি করার জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম কানুন ও আইন মেনে মেমোরেন্ডাম ও আর্টিকেলস অব এসোসিয়েশন তৈরী করতে হবে। এটি এখন বাংলা ও ইংরেজিতে করা যায়।

দুইঃ যখন প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি করবেন তখন নিশ্চয় আপনি কোম্পানির একটি নাম ঠিক করেছেন। পূর্বাহ্নে ঐ নামের অনাপত্তিপত্র জয়েন্ট স্টক অফিস থেকে নিতে হয়। রেজিষ্ট্রেশন আবেদন পেশ করার সময় ঐ অনাপত্তিপত্র সংযুক্ত করে দিতে হবে।

তিনঃ জয়েন্ট স্টক কোম্পানির নিকট আবেদনের সময় প্রাইভেট কোম্পানির ক্ষেত্রে ( Form no: I, VI, IX, X, XII ) অবশ্যই যথাযথ পূরণ করে পেশ করতে হবে। পাবলিক লিমিটেড হলে Form no: I, VI, IX, X, XII, ঢওও, ঢওঠ পূরণ করে আবেদন করতে হবে। ফরমসমূহ জয়েন্ট স্টক অফিসে ছাপানো পাওয়া যায় [পরিশিষ্ট-১.২]।

চারঃ মূলধন অনুযায়ী স্ট্যাম্প মেমোরেন্ডাম ও আর্টিকেলস -এর প্রথম পাতায় লাগাতে হবে। এক লক্ষ টাকা থেকে ১০ লক্ষ টাকা অনুমোদিত মূলধন হলে মেমোরেন্ডাম ও আর্টিকেলের পাতায় যথাক্রমে ৫০০ টাকা ও ১৫০০ টাকার স্ট্যাম্প লাগাতে হবে। ১০ লক্ষ ১ টাকা থেকে ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত যথাক্রমে ৫০০ টাকা ও ৪০০০ টাকার স্ট্যাম্প লাগাতে হবে। তিন কোটির উর্ধ্বে হলে ৫০০ টাকা ও ১০,০০০ টাকার স্ট্যাম্প লাগাতে হবে।

পাঁচঃ মূল আবেদনের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমাকৃত রেজিস্ট্রেশন ফি চালান সংযুক্ত করতে হবে। Authorized Capital অনুযায়ী ফি নির্ধারিত রয়েছে।

ছয়ঃ যখন কোন লিমিটেড কোম্পানির শেয়ার ট্রান্সফার করতে হয় তখন ফরম ১১৭ পূরণ করে জয়েন্ট স্টক কোম্পানি অফিসে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প দিয়ে দাখিল করতে হয়।

সাতঃ নিয়ম অনুযায়ী ফি বাংলাদেশ ব্যাংকের চালান আকারে জমা দিয়ে মূল কাগজ আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। তবে পরবর্তী প্রতি কোটি টাকার অনুমোদিত মূলধনের জন্য ১৫০০ টাকা করে চালান ফি জমা দিতে হবে।

"এসএমই বিজনেস ম্যানুয়াল" অবলম্বনে লিখিত।

Address

Dhaka
1216

Opening Hours

Monday 10:00 - 23:00
Tuesday 10:00 - 23:00
Wednesday 10:00 - 23:00
Thursday 10:00 - 23:00
Friday 10:00 - 23:00
Saturday 10:00 - 23:00
Sunday 10:00 - 23:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Business Tips in Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Business Tips in Bangladesh:

Share