Kazi Zahir Khan & Co. Chartered Accountants

Kazi Zahir Khan & Co. Chartered Accountants Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Kazi Zahir Khan & Co. Chartered Accountants, Consulting Agency, Hometown Apartments (Flat-C, Level-15), 87 New Eskaton Road, Dhaka.

কাজী জহির খান অ্যান্ড কো., প্রতিষ্ঠিত ১৯৮০, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি ফার্ম, অডিট • ট্যাক্স • পরামর্শ l বিশ্বস্ততা। পেশাদারিত্ব। প্রমাণিত উৎকর্ষ।

01/05/2026

“মে দিবস
শ্রমের মর্যাদা ও সেবার অঙ্গীকারে আমরা একসঙ্গে।
প্রতিটি শ্রম, প্রতিটি হিসাব, প্রতিটি দায়িত্ব—দেশের উন্নয়নের ভিত্তি।
শ্রমিক ও পেশাজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই এই মে দিবসে।
— Kazi Kahir Khan & Co., Chartered Accountants”

26/04/2026

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ | রোববার
বাংলাদেশ ব্যাংক মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বজায় রেখেছে। রেপো রেট ১০% এ অপরিবর্তিত থাকায় ঋণের সুদহার চড়া থাকলেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫.১২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। এছাড়া কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে এনবিআর ৫০০টি পণ্য ও সেবাকে বিশেষ নজরদারিতে এনেছে।
— সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার

26/04/2026

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিবহন ও উৎপাদন খরচ বাড়লেও মার্চ মাসে দেশে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৮.৭১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তবে বিশ্ববাজারে অস্থিরতার কারণে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের দাম এখনো চড়া। সরকার আইপিপি ও আরপিপি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর বকেয়া মেটাতে ২,০৬৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে, যা শিল্প খাতের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করবে (সূত্র: দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬)।

25/04/2026

বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষা খাতে এডিবির ২৫ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন
পোস্ট কন্টেন্ট:
বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করতে ২৫ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। ‘সেকেন্ড স্ট্রেংদেনিং সোশ্যাল রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম’-এর আওতায় এই অর্থ ব্যয় করা হবে।
এই উদ্যোগের মূল দিকগুলো হলো:
✅ অন্তর্ভুক্তিমূলক সুরক্ষা: বিধবা ভাতা কর্মসূচির আওতায় অতিরিক্ত ২.৫০ লক্ষ সুবিধাবঞ্চিত নারীকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
✅ নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তা: বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃ অর্থায়ন স্কিমের মাধ্যমে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণের সুযোগ ১৫% বৃদ্ধি করা হবে।
✅ প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার: কন্ট্রিবিউটরি (অংশীদারত্বমূলক) সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে সরকারের আর্থিক চাপ কমাতে সাহায্য করবে।
✅ জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা: জলবায়ু অভিযোজনমূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও টেকসই করা হবে।
সামগ্রিকভাবে এই সংস্কার কর্মসূচি শ্রমশক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন এবং দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

21/04/2026

আইএমএফের পূর্বাভাস: চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৭% থাকবে, কিন্তু আগামী বছর তা কমে ৪.৩% হতে পারে। মূল্যস্ফীতি এখনও চ্যালেঞ্জ।

06/04/2026

আপনার আয়কর রিটার্ন কি অডিটে পড়তে যাচ্ছে? জেনে নিন প্রধান ১৫টি কারণ!
আয়কর রিটার্ন জমা দিলেই কাজ শেষ নয়। সঠিক তথ্যের অভাব বা অসঙ্গতি থাকলে আপনার ফাইলটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক অডিটের জন্য নির্বাচিত হতে পারে। সাধারণত যে বিষয়গুলোর কারণে একটি রিটার্ন অডিটে পড়ে, তা নিচে তুলে ধরা হলো:
⚠️ রিটার্ন অডিটে পড়ার মূল কারণসমূহ:
• ১. তথ্যের অসঙ্গতি: রিটার্নে দেওয়া আয়ের তথ্যের সাথে ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা TDS (উৎস কর)-এর তথ্যের মিল না থাকা।
• ২. অস্বাভাবিক সম্পদ বৃদ্ধি: আয়ের উৎসের সঠিক ব্যাখ্যা ছাড়াই হঠাৎ করে গত বছরের তুলনায় সম্পদ অনেক বেড়ে যাওয়া।
• ৩. আয়ের তুলনায় বেশি সম্পদ: আপনার দেখানো বাৎসরিক আয়ের সাথে জীবনযাত্রার মান বা অর্জিত সম্পদের সামঞ্জস্য না থাকা।
• ৪. ব্যবসায় অতিরিক্ত ব্যয়: মুনাফা কম দেখানোর উদ্দেশ্যে ব্যবসায়িক খরচ অস্বাভাবিক বেশি দেখানো।
• ৫. TDS ক্রেডিট নিয়ে ভুল: উৎসে কর কাটার তথ্য ভুল দেওয়া বা যথাযথ প্রমাণ ছাড়া কর রেয়াত দাবি করা।
• ৬. প্রয়োজনীয় দলিলের অভাব: বিনিয়োগ বা সম্পদ ক্রয়ের সপক্ষে সঠিক দলিলপত্র (যেমন: দলিলের কপি, রসিদ) না থাকা।
• ৭. হাতে নগদ (Cash in Hand) বেশি দেখানো: অস্বাভাবিক পরিমাণে নগদ টাকা হাতে আছে দেখালে সেটি সন্দেহের সৃষ্টি করে।
• ৮. অস্পষ্ট ঋণ বা দায়: ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক ঋণের উৎসের সঠিক ব্যাখ্যা না থাকা।
• ৯. উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ খাত: রিয়েল এস্টেট, ঠিকাদারি বা গাড়ি ব্যবসার মতো খাতে সাধারণত অডিটের ঝুঁকি বেশি থাকে।
• ১০. বড় অংকের ব্যাংক লেনদেন: রিটার্নে উল্লেখ নেই এমন বড় অংকের লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন করা।
• ১১. সম্পদ গোপন করা: জমি, ফ্ল্যাট বা সঞ্চয়পত্রের তথ্য রিটার্নে যথাযথভাবে প্রকাশ না করা।
• ১২. বিনিয়োগ রেয়াতের ভুল দাবি: আয়কর আইনের নির্দিষ্ট ধারার বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত বিনিয়োগ সুবিধা দাবি করা।
• ১৩. র‍্যান্ডম সিলেকশন: কোনো ভুল না থাকলেও লটারি বা র‍্যান্ডম সিলেকশন পদ্ধতিতে যেকোনো ফাইল অডিটে পড়তে পারে।
• ১৪. নতুন বা অনিয়মিত করদাতা: যারা নতুন টিন (TIN) খুলেছেন বা অনেক বছর পর রিটার্ন দিচ্ছেন, তাদের ফাইল স্ক্রুটিনি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
• ১৫. পূর্ববর্তী বছরের রেকর্ড: আগের কোনো বছরে অডিটে বড় ধরণের অসঙ্গতি ধরা পড়লে পরবর্তী বছরগুলোতেও ঝুঁকি থেকে যায়।
💡 আমাদের পরামর্শ: আয়কর সংক্রান্ত ঝামেলা এড়াতে সঠিক হিসাব রক্ষা করুন এবং অভিজ্ঞ পেশাজীবীর পরামর্শ নিন। একটি স্বচ্ছ রিটার্নই পারে আপনাকে অডিটের দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত রাখতে।

05/04/2026

মূল বিষয়: সংকটে ক্রেডিট কার্ড নির্ভরতা বাড়ছে
১. ব্যবহার বৃদ্ধি: দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং মানুষের আয়ের তুলনায় ব্যয়ের অসামঞ্জস্যতার কারণে ক্রেডিট কার্ডের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। গত এক বছরে (জানুয়ারি ২০২৩ থেকে জানুয়ারি ২০২৪) ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ১৯.০৩ শতাংশ।
২. নির্ভরতার কারণ: উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে দৈনন্দিন খরচ মেটাতে মানুষ হিমশিম খাচ্ছে। এছাড়া ব্যাংকগুলোর সহজ শর্তে কার্ড প্রদান, 'বাই নাউ পে লেটার' (এখন কিনুন পরে শোধ করুন) সুবিধা এবং বিভিন্ন কেনাকাটায় আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট ও অফার এই প্রবণতাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
৩. ব্যয়ের ধরন: ক্রেডিট কার্ডে মোট ব্যয়ের প্রায় অর্ধেকই হয় বিভিন্ন শপিং মল বা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে। এছাড়া বিদেশে বাংলাদেশিদের কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে (৪৭৪ কোটি টাকা), তার তুলনায় বিদেশিদের বাংলাদেশে ব্যয় (৩৪৪ কোটি টাকা) অনেক কম। অর্থাৎ দেশ থেকে অর্থপ্রবাহ ২.৫ গুণ বেশি।
৪. ঋণের পরিমাণ: বর্তমানে বাংলাদেশে ক্রেডিট কার্ডে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ২১৮ কোটি টাকায়। দেশে মোট ক্রেডিট কার্ডের সংখ্যা প্রায় ২৮ লাখ ৮৬ হাজার।
৫. শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক: কার্ড ইস্যু করার ক্ষেত্রে বর্তমানে সিটি ব্যাংক শীর্ষে রয়েছে। এরপরই দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে আছে যথাক্রমে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক। এছাড়া ডাচ-বাংলা, ইবিএল, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডসহ আরও বেশ কিছু ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এই খাতে সক্রিয়।
৬. সতর্কবার্তা: একসময় ক্রেডিট কার্ডকে বিলাসিতা হিসেবে দেখা হলেও বর্তমানে এটি সাধারণ মধ্যবিত্ত ও তরুণ পেশাজীবীদের জন্য একটি প্রয়োজনীয় আর্থিক হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, সচেতন ও নিয়ন্ত্রিতভাবে কার্ড ব্যবহার না করলে এটি ব্যক্তিগত ঋণ সংকট তৈরি করতে পারে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে নগদ টাকা উত্তোলন এড়িয়ে চলা এবং সময়মতো বিল পরিশোধের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

📢 জরুরি নোটিশ: ICAB-এর বিশেষ নলেজ শেয়ারিং সেশন! 🎓সুপ্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ,আপনাদের প্রফেশনাল ক্যারিয়ারের উন্নতির কথা বিবেচ...
04/04/2026

📢 জরুরি নোটিশ: ICAB-এর বিশেষ নলেজ শেয়ারিং সেশন! 🎓
সুপ্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ,
আপনাদের প্রফেশনাল ক্যারিয়ারের উন্নতির কথা বিবেচনা করে ICAB একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন সেশনের আয়োজন করেছে। সেশনটির বিষয়: "Professionalism & Future Readiness"।
কেন এই সেশনটি আপনাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?
এই সেশনে আপনারা CA কারিকুলাম, টাইম ম্যানেজমেন্ট, প্রফেশনাল বিহেভিয়ার, কমিউনিকেশন স্কিল এবং অডিটিং-ট্যাক্সেশনের টেকনিক্যাল বিষয় সম্পর্কে সরাসরি অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের কাছ থেকে শিখতে পারবেন। একজন সফল চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার জন্য এই জ্ঞান অত্যন্ত জরুরি।
📌 সেশনের বিস্তারিত:
তারিখ: ২৮, ২৯ ও ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
সময়: সন্ধ্যা ৭:০০ টা থেকে রাত ৯:০০ টা
প্ল্যাটফর্ম: Microsoft Teams (লিঙ্ক সার্কুলারে দেওয়া আছে)
ফি: সম্পূর্ণ ফ্রি!
⚠️ সতর্কতা:
এই সেশনে মাত্র ১০০ জন অংশগ্রহণ করতে পারবেন (আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে)। তাই দেরি না করে দ্রুত রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন।
🗓 রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময়: ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
📩 রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি:
আপনার নাম, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, ফার্মের নাম, ইমেইল আইডি এবং ফোন নম্বর লিখে ইমেইল করুন এই ঠিকানায়: [email protected]
ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারে নিজেদের এগিয়ে রাখতে এই সুযোগটি হাতছাড়া করবেন না। দ্রুত ইমেইল পাঠিয়ে আপনাদের সিট নিশ্চিত করুন।
ধন্যবাদ।

26/03/2026

🇧🇩 স্বাধীনতা দিবস – ২৬ মার্চ 🇧🇩

আজ মহান স্বাধীনতা দিবস। গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি সেই সকল বীর শহীদদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ।

এই গৌরবময় দিনে আমরা অঙ্গীকার করি—সততা, ন্যায় ও পেশাগত নিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখব।

আপনাদের সকলকে মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।

শুভেচ্ছান্তে,
মোঃ ইসহাক আলী খন্দকার, FCA
পার্টনার
কাজী জহির খান অ্যান্ড কোং
চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস

18/03/2026
09/03/2026

📊 বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার হস্তান্তর: নতুন নীতির প্রভাব ও বিশ্লেষণ

সাম্প্রতিক এক নীতিগত সিদ্ধান্তে Bangladesh Bank বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রি বা হস্তান্তরের পর সেই অর্থ বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করেছে। এই সিদ্ধান্ত দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ FDI প্রবাহের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিষয়টির মূল দিকগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো—

1) নীতিগত পরিবর্তনের মূল বিষয়:
বিদেশি বিনিয়োগকারীরা কোনো কোম্পানির শেয়ার বিক্রি বা হস্তান্তরের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ এখন ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যাংকের অনুমোদনে বিদেশে নিতে পারবেন। আগে এই সীমা ছিল মাত্র ১০ কোটি টাকা, যার জন্য আলাদা অনুমতি প্রয়োজন হতো।

2) মূল্য নির্ধারণের স্বচ্ছতা:
লেনদেনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে স্বাধীন valuation বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মূল্য নির্ধারণে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত তিনটি পদ্ধতি গ্রহণযোগ্য—
• Net Asset Value (NAV)
• Market Approach
• Discounted Cash Flow (DCF)
তবে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনে valuation report প্রয়োজন হবে না।

3) ব্যাংক পর্যায়ে দ্রুত অনুমোদন:
এখন ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ কমিটি নির্ধারিত শর্ত পূরণ হলে অনুমোদন দিতে পারবে এবং ৫ কর্মদিবসের মধ্যে অর্থ বিদেশে পাঠানো সম্ভব হবে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য exit process সহজ করবে।

4) অর্থনীতি ও বিনিয়োগ পরিবেশে সম্ভাব্য প্রভাব:
এই সিদ্ধান্ত বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি, নতুন FDI আকর্ষণ এবং ব্যবসা অধিগ্রহণ বা শেয়ার ট্রান্সফার প্রক্রিয়া সহজ করতে সহায়ক হতে পারে। তবে একই সাথে অর্থ পাচার বা দ্রুত মূলধন বিদেশে চলে যাওয়ার ঝুঁকি এড়াতে যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি প্রয়োজন।

📌 উপসংহার:
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য exit সহজ করা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ পরিবেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সঠিক তদারকি ও নীতিগত ভারসাম্য বজায় রাখা গেলে এই উদ্যোগ দেশের বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও আস্থাবান করে তুলতে পারে।


Md. Eshaque Ali Khondakar, FCA
Partner
Kazi Zahir & Co., Chartered Accountants

05/03/2026

Budget 2026-27 এর নতুন পরিবর্তনগুলোকে কেন্দ্র করে, আমি সরকারের জন্য কিছু গাইডলাইন সাজেস্ট করতে চাই। এই নির্দেশনাগুলো ব্যবসা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে এবং সামাজিক খাতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

নিম্নে ২০টি প্রস্তাবনা ও যুক্তিসহ ধারা অনুযায়ী উপস্থাপন করা হলো:
1. ব্যবসায়ের জন্য কর সুবিধা বৃদ্ধি – নতুন বাজেটে SMEs-এর জন্য কর অব্যাহতি ও রেয়াতের সুযোগ থাকায় এটি ব্যবসার মূলধন বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ আকর্ষণে সহায়ক।
2. ব্যাংক ঋণের সহজীকরণ – সরকারি উদ্যোগে SMEs ও কৃষি খাতের জন্য লো-ইন্টারেস্ট লোন স্কিম চালু করলে উদ্যোক্তারা সহজে তহবিল পাবেন।
3. সুদহার হ্রাস – ঋণের সুদ কমানোর মাধ্যমে বিনিয়োগ ও উৎপাদন ব্যয় কমানো সম্ভব, যা দেশের অর্থনীতিকে টেকসই করবে।
4. কৃষি খাতের উন্নয়ন – সার, বীজ, কৃষি যন্ত্রপাতিতে সরকারি অনুদান বাড়ানো হলে ফসল উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তা উন্নত হবে।
5. উন্নত বীজ ও প্রযুক্তি ব্যবহার – কৃষি গবেষণা ও উন্নত বীজ ব্যবহার কৃষকের আয় বৃদ্ধি করবে।
6. শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি – বাজেটে শিক্ষাক্ষেত্রে বরাদ্দ বৃদ্ধি হলে মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্ভব।
7. ডিজিটাল শিক্ষা সম্প্রসারণ – ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্মে বিনিয়োগ শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়াবে।
8. স্বাস্থ্য খাত উন্নয়ন – হাসপাতাল, ক্লিনিক ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে সরকারি সহায়তা বৃদ্ধি করলে জনসাধারণের স্বাস্থ্য উন্নত হবে।
9. জনস্বাস্থ্য সচেতনতা – স্বাস্থ্য বাজেটের অংশে জনসচেতনতা ও প্রিভেনশন প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
10. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ – নবায়নযোগ্য শক্তি ও গ্রিড উন্নয়নে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি করলে শিল্প ও উৎপাদন খাতের উন্নয়ন হবে।
11. স্থানীয় শিল্পে কর ও নীতি সুবিধা – উৎপাদন খাতের কর হ্রাস বা প্রণোদনা স্থানীয় শিল্প ও রপ্তানি বৃদ্ধি করবে।
12. রপ্তানি খাতের সহায়তা – রপ্তানি কর ছাড় ও লজিস্টিক সহায়তা ব্যবসায়ীদের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াবে।
13. ডিজিটালাইজেশন প্রোগ্রাম – সরকারি ও বেসরকারি সেবায় ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার সহজলভ্য করলে ব্যবসায়িক কার্যক্রম দ্রুত হবে।
14. স্মল ও মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজের জন্য প্রশিক্ষণ – উদ্যোক্তা দক্ষতা ও ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ ব্যবসার সাফল্য নিশ্চিত করবে।
15. সামাজিক নিরাপত্তা প্রোগ্রাম সম্প্রসারণ – দারিদ্র্য হ্রাস ও স্বাস্থ্য সহায়তা সমাজে স্থায়ী উন্নয়ন নিশ্চিত করবে।
16. পরিবহন ও অবকাঠামো উন্নয়ন – রাস্তা, নৌপথ ও লজিস্টিক সুবিধা ব্যবসার লজিস্টিক খরচ কমাবে।
17. বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য প্রণোদনা – বিদেশি ও দেশীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য কর ও নীতি সুবিধা নতুন শিল্প গড়তে সহায়ক।
18. অর্থনৈতিক অঞ্চল ও শিল্পকেন্দ্র সম্প্রসারণ – নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি সম্ভব।
19. বাজার নিয়ন্ত্রণ ও মূল্য স্থিতিশীলতা – প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করলে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
20. দীর্ঘমেয়াদি নীতি ও বাজেট পরিকল্পনা – অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য সরকারী নীতিতে ধারাবাহিকতা রাখা জরুরি।



Md. Eshaque Ali Khondakar, FCA
Partner
Kazi Zahir & Co., Chartered Accountants

Address

Hometown Apartments (Flat-C, Level-15), 87 New Eskaton Road
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kazi Zahir Khan & Co. Chartered Accountants posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share