Adv. S M Arif Hossain

Adv. S M Arif Hossain He is going with an brilliant & prominent purformancing as a legal pioneer in Bangladesh.

He is founder member of several non-profitable well renown organization in Bangladesh.

** একটি শোক সংবাদ ** না ফেরার দেশে চলে গেলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের...
23/05/2026

** একটি শোক সংবাদ **
না ফেরার দেশে চলে গেলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির বারবার নির্বাচিত সভাপতি, বঙ্গবন্ধুর ছেড়ে দেওয়া আসন থেকে নির্বাচিত হওয়া সাবেক সংসদ সদস্য, ১/১১ সরকার আমলে গ্রেপ্তারকৃত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অন্যতম আইনজীবী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য, উপদেষ্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট, সর্বজন শ্রদ্ধেয় ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন স্যার ২৩/০৫/২৬ ইং বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন ( ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে মরহুমের বয়স হয়েছিল ৯০ বৎসর।
মৃত্যুকালে তিনি দুই পুত্র, কন্যা, স্ত্রী সহ অগণিত শুভাকাঙ্ক্ষী শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
মরহুমের মৃত্যুতে আমি গভীর শোক জানাচ্ছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। আল্লাহ মরহুমকে জান্নাতবাসী করুন আমিন।

07/03/2026

আজ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ। স্বাধীনতার পথ চলা যে ভাষনে!!

৭ মার্চের ভাষণ
শেখ মুজিবুর রহমান
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান

“এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।”
১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ মার্চে শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে যে বজ্রকণ্ঠে ভাষণ দিয়েছিলেন, তা বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার পথে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। ৭ মার্চের ভাষণ আজও আমাদের সাহস, প্রেরণা ও মুক্তির চেতনার প্রতীক। 🇧🇩✊

20/02/2026

২১শে ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের দিন, গৌরবের দিন, শ্রদ্ধার দিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার জন্য জীবন দিয়েছিলেন ভাষা শহীদরা। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি আমাদের প্রিয় বাংলা ভাষা।

আজকের এই দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ সকল ভাষা শহীদকে। তাদের রক্তে রাঙানো একুশ আমাদের শিখিয়েছে—ভাষা মানে অধিকার, ভাষা মানে স্বাধীনতা, ভাষা মানে আত্মমর্যাদা।

শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা!!
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি?

25/11/2025

ই-পারিবারিক আদালতে পারিবারিক মামলা দায়ের, কোর্ট ফি প্রদান ও শুনানিসহ সকল প্রসেস সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।।

31/08/2025

আইনজীবী ও বিচার প্রার্থীদের সম্পর্ক ৮০-৯০% প্রশ্নবিদ্ধ। এর অন‍্যতম কারন আইনজীবীরা অনেক ক্ষেত্রে পেশাগত দায়িত্ব ও দক্ষতা প্রমাণ দিতে ব‍্যর্থতা। আমাদের দেশের বিচার প্রার্থীদের আইন ও বিচারিক সেবার সুবিধা সম্পর্কে মোটেও ধারনা নেই। তবে তাদের মধ‍্যে আইনজীবীর মাধ‍্যমে অনৈতিক ও অবৈধ সুবিধা লাভের প্রয়াস অনেক ক্ষেত্রে অধিক আকাঙ্ক্ষা থাকে যা মোটেও প্রত‍্যাশিত নয়। একজন আইনজীবীর দায়িত্ব বিচার প্রার্থীর অভিযোগ, বক্তব্য ও দলিলাদি পরিক্ষা নিরিক্ষা করে সঠিক লিগ‍্যাল কাউন্সেলিং করা। তার উপস্থাপিত সকল বিষয়ের আলোকে বিচার প্রার্থীকে তার আইনগত সেবা পাওয়ার পরিধি বুজাতে সক্ষম হওয়া।

একজন আইনজীবীর পেশাগত দায়িত্ব না বিচার প্রার্থীর প্রস্তাব অনুযায়ী তাকে আদালতের মাধ‍্যমে অনৈতিক সুবিধা পেয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া। এতে আইনজীবীদের পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে সারা বাংলাদেশে। আইন-আদালত-বিচার ও আইনজীবীদের উপর সাধারণ বিচার প্রার্থীদের আস্থা সংকটে পড়ছে।

11/07/2025

“রাজ সাক্ষীর বিধান ও প্রয়োগ: বাংলাদেশের প্রচলিত আইন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও বৈশ্বিক বিচারিক প্রেক্ষাপট”

*লেখক:* অ‍্যাড. এস এম আরিফ হোসেন
*প্রকাশকাল: ১০ই, জুলাই ২০২৫

সারসংক্ষেপ (Abstract):
রাজ সাক্ষী বা Approver একটি বিচারিক কৌশল, যার মাধ্যমে একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি অপর অপরাধীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়ে রাষ্ট্রকে সহায়তা করেন এবং নিজে শাস্তি হ্রাস বা দায়মুক্তির সুবিধা পান। এই প্রবন্ধে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের আওতায় এর প্রয়োগ, মামুন হোসেনকে রাজ সাক্ষী করার সম্ভাব্যতা, এবং উন্নত দেশগুলোর প্রেক্ষাপটে রাজ সাক্ষীর ব্যবহার বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
আধুনিক বিচারব্যবস্থায় সত্য উদঘাটনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো *রাজ সাক্ষী* বা *Approver*। এটি এমন এক ব্যবস্থা, যেখানে একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি রাষ্ট্রের পক্ষে সাক্ষ্য দিয়ে অপর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সত্য প্রকাশে সহায়তা করেন। বাংলাদেশের প্রচলিত ফৌজদারি আইন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন এবং আন্তর্জাতিক বিচার ব্যবস্থায় রাজ সাক্ষীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল ভূমিকা রয়েছে। এই প্রবন্ধে রাজ সাক্ষীর আইনি ভিত্তি, ব্যবহারিক প্রয়োগ, চ্যালেঞ্জ ও মামুন হোসেন (সাবেক আইজিপি)–কে রাজ সাক্ষী করার প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
বিচার প্রক্রিয়ায় সত্য উদঘাটন ও দ্রুত ন‍্যায় বিচার নিশ্চিতের জন্য কখনো কখনো অভিযুক্তদেরই সাক্ষী হিসেবে ব্যবহার করা হয়। একে বলা হয় রাজ সাক্ষী। এটি একটি আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য কৌশল হলেও, এর গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে সাক্ষীর সততা, আদালতের নিরপেক্ষতা ও সঠিক আইনের যথাযথ প্রয়োগ, আদালতের অনুমোদন ও প্রক্রিয়ার বৈধও স্বচ্ছতার ওপর।

কী-শব্দ (Keywords):
রাজ সাক্ষী, Approver, আন্তর্জাতিক অপরাধ, সাক্ষ্য আইন, ফৌজদারি কার্যবিধি, মামুন হোসেন, Plea Bargain, ICC.

বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে রাজ সাক্ষীর বিধান-
বাংলাদেশে রাজ সাক্ষীর বিধান *ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮*–এর *৩৩৭–৩৩৯ ধারা*য় বর্ণিত।
*৩৩৭ ধারা অনুযায়ী*, ম্যাজিস্ট্রেট কোনো অভিযুক্তকে সাক্ষ্য দেওয়ার শর্তে ক্ষমা দিতে পারেন। এই সাক্ষী আদালতের সামনে স্বীকারোক্তিমূলক বিবৃতি দিয়ে অপর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ উপস্থাপন করেন। যদি সে পরবর্তীতে মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তাকে আবারো দণ্ডিত করা যায় (ধারা ৩৩৯)।
এই বিধান সাধারণত গুরুতর অপরাধ, ষড়যন্ত্রমূলক অপরাধ ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনে রাজ সাক্ষীর প্রেক্ষাপট-
১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনে রাজ সাক্ষীর জন্য নির্দিষ্ট ধারা নেই। তবে ট্রাইব্যুনালের বিচারিক স্বাধীনতা অনুযায়ী রাজ সাক্ষীর স্বীকৃতি দেওয়া সম্ভব। মামুন হোসেনকে রাজ সাক্ষী করার সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে রাষ্ট্রপক্ষের প্রস্তাব, সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতা এবং আদালতের অনুমোদনের ওপর।

উন্নত দেশগুলোতে বিচার ব‍্যবস্থায় রাজ সাক্ষী প্রয়োগের অভিজ্ঞতা-
- *যুক্তরাষ্ট্র:* Plea bargain ও Witness Protection ব্যবস্থার মাধ্যমে অভিযুক্তকে রাষ্ট্রীয় সাক্ষী বানিয়ে দণ্ড হ্রাস বা সুরক্ষা প্রদান করা হয়।
- *যুক্তরাজ্য:* Serious Organised Crime and Police Act 2005 অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় সাক্ষ্য দিলে শাস্তি হ্রাসের সুযোগ রয়েছে।
- *ICC ও ICTY:* যুদ্ধাপরাধ মামলায় সাবেক সহযোগীদের রাজ সাক্ষী হিসেবে গ্রহণের দৃষ্টান্ত রয়েছে।

রাজ সাক্ষী প্রয়োগে সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জঃ
- সাক্ষীর নিরাপত্তা নেই (সাক্ষী সুরক্ষা আইন এখনো বাস্তবায়ন হয়নি)
- রাজনৈতিক প্রভাবের ঝুঁকি।
- আদালতের ওপর বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা।
রাজ সাক্ষী ব্যবহারের বিচার প্রক্রিয়ায় *বিপরীত বা নেতিবাচক প্রক্রিয়ার* কিছু গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত রয়েছে—যেখানে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা, রাজনৈতিক প্রভাব, বা মিথ্যা স্বীকারোক্তির কারণে ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হয়েছে। নিচে *বাংলাদেশ* ও *আন্তর্জাতিক* ক্ষেত্রে কিছু বাস্তব উদাহরণ ও বিশ্লেষণ দেওয়া হলো:

বাংলাদেশেসহ বিশ্বে রাজ সাক্ষীর নেতিবাচক দৃষ্টান্ত:
✅ শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলা (১৯৭৫):
- কয়েকজন অভিযুক্ত পরবর্তীতে সাক্ষ্য দিতে চাইলেও *বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে*, কারণ রাষ্ট্র তখন অপরাধীদের রক্ষা করছিল।
- রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরে অনেক সময় লাগলেও প্রকৃত সাক্ষ্য উঠে আসে।

✅ ৭১-এর যুদ্ধাপরাধ মামলায় কিছু সাক্ষ্য প্রত্যাহার:
- কয়েকজন সাক্ষী প্রথমে সাক্ষ্য দিয়ে পরে আদালতে *বিবৃতি প্রত্যাহার করেন* বা ভিন্নমত দেন, যার ফলে মামলা দুর্বল হয়।
- *প্রভাবিত সাক্ষ্য* (coerced testimony)–এর অভিযোগ ওঠে।

✅ মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মামলায়:
- অনেক সময় পুলিশ *রাজ সাক্ষীর নামে অভিযুক্তকে চাপ দিয়ে স্বীকারোক্তি আদায় করে*, পরে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়।
- আদালতে এই স্বীকারোক্তি বিশ্বাসযোগ্যতা হারায়।

আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ব্যর্থতা বা চ্যালেঞ্জ:
✅ গুয়ানতানামো বে (Guantanamo Bay), যুক্তরাষ্ট্র:
- *"Plea bargain"* বা রাজ সাক্ষীর আওতায় বন্দীদের কাছ থেকে স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়
- পরবর্তীতে জানা যায়, *মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের মাধ্যমে* সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে
- আন্তর্জাতিকভাবে *অবৈধ ও অমানবিক পদ্ধতি* বলে নিন্দিত হয়

✅ Rwanda Tribunal (ICTR):
- অনেক রাজ সাক্ষী পরে *সাক্ষ্য বদলে ফেলেন* বা আদালতে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেন
- কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, *ব্যক্তিগত শত্রুতা বা প্রতিশোধ* থেকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়
- এতে নিরপরাধ ব্যক্তি দণ্ড পায়

✅ *India (Nirbhaya Gang R**e Case):*
- একজন অভিযুক্ত কিশোরের বিরুদ্ধে পূর্ণ সাক্ষ্য না থাকলেও চাপ প্রয়োগে *স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়*, যেটি পরে বিতর্ক সৃষ্টি করে।

বিপরীত প্রভাব বা ঝুঁকিসমূহ:
1. *সাক্ষীর চাপের মুখে মিথ্যা স্বীকারোক্তি*
2. *রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সাক্ষ্য তৈরি*
3. *প্রতিরক্ষার সুযোগ সীমিত হয়ে যাওয়া*
4. আদালতের সামনে সত্য উদঘাটনের পরিবর্তে, *পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠে*

করণীয় ও সুপারিশ:
- রাজ সাক্ষী ব্যবহারের আগে *স্বতঃস্ফূর্ততা ও সত্যতা যাচাই* করা
- *সাক্ষী সুরক্ষা আইন* বাস্তবায়ন
- সাক্ষীর *মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা* বিবেচনায় রাখা
- আদালতের পর্যবেক্ষণে *ক্রস এক্সামিনেশন* নিশ্চিত করা।

সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজ সাক্ষী করার আইনি ও নৈতিক দিক-
যদি তাকে অভিযুক্ত না করে সাক্ষী করা হয়, তবে রাষ্ট্রকে প্রমাণ করতে হবে যে তার সাক্ষ্য অপর আসামিদের বিরুদ্ধে সত্য, গুরুত্বপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য। বিচারিক স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার ক্ষুণ্ণ না হয়—এটি নিশ্চিত করাই হবে মূল বিবেচ্য বিষয়।

রাজ সাক্ষী ব্যবস্থাটি বাংলাদেশে আইনগতভাবে বৈধ হলেও এর প্রয়োগ হতে হবে সতর্কভাবে। আন্তর্জাতিক মান ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়ে এটি ন্যায়বিচারের একটি সহায়ক উপাদান হতে পারে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক অপরাধের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে, যেমন আব্দুল্লাহ আল মামুনকে রাজ সাক্ষী করা, সেখানে এটি হতে হবে আইন, নৈতিকতা ও ইতিহাসের সম্মিলিত বিবেচনায়।

তথ্যসূত্র (References):
1. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
2. আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩
3. Serious Organised Crime and Police Act, UK
4. US Federal Witness Protection Program
5. ICC Case Law Archives

সুপ্রিম কোর্ট হেল্প লাইনএসব নাম্বারে (০১৩১৬১৫৪২১৬ ও ০১৭৯৫৩৭৩৬৮০) সরাসরি ফোন কল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা যায়।
21/04/2025

সুপ্রিম কোর্ট হেল্প লাইন
এসব নাম্বারে
(০১৩১৬১৫৪২১৬ ও ০১৭৯৫৩৭৩৬৮০)
সরাসরি ফোন কল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা যায়।

06/04/2025
06/04/2025
06/04/2025

চালু হচ্ছে স্বপ্নের ফেরি ভোগান্তি শেষ হচ্ছে সন্দ্বীপবাসীর

Address

Supreme Court Of Bangladesh
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adv. S M Arif Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Adv. S M Arif Hossain:

Share