Road 2 Root

Road 2 Root ToTo company is simply your travel partner. We ensure an exciting voyage at your desired destination within an affordable price.

14/04/2025

মঙ্গলানন্দে পূর্ণ হোক জীবন।
শুভ নববর্ষ ১৪৩২

সাজেক ট্যুর প্লানঃঢাকা থেকে যাত্রা  শুরু করবো ৭.১১.১৯ তারিখ রাতে,  ঢাকা ফেরত আসব ১১,১১.১৯ তারিখ ভোরে।ট্রান্সপোর্টঃ ঢাকা-...
17/10/2019

সাজেক ট্যুর প্লানঃ

ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করবো ৭.১১.১৯ তারিখ রাতে, ঢাকা ফেরত আসব ১১,১১.১৯ তারিখ ভোরে।

ট্রান্সপোর্টঃ ঢাকা-খাগড়াছড়ি-ঢাকা এসি বাস, খাগড়াছড়ি-সাজেক-খাগড়াছড়ি এবং আশে পাশের এলাকা থেকে মাহেন্দ্র জীপ।

রুইলুই রিসোর্ট : এক রুম এ 8 জন, প্রতিজন ৯০০০ টাকা।

অধরা রিসোর্ট ও ঝিঝি পোকার বাড়ীঃ একরুম এ ২ জন ৮৫০০ টাকা, একরুমে ৪ জন ৮০০০ টাকা

রাতের বাস এ ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে পরদিন সকালে খাগড়াছড়ি পৌঁছে যাব। নাস্তা করে রিজার্ভ গাড়ী নিয়ে রওনা দিবো সাজেকের উদ্দেশ্যে। দুপুরে সাজেকে পৌছে রুমে চেক ইন। দুপুরের খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিয়ে বিকালে হেলিপ্যাড ভ্রমন। ফিরে এসে রাতে ইচ্ছেমত আড্ডা। রাতের খাবারের পর সুবিধাজনক সময়ে ঘুম। পরদিন খুব সাকলে ঘুম থেকে উঠে সূর্যোদয় দেখে সকালের খাবারের পর কংলাক পাহাড় ভ্রমন(২ কিলো হাঁটতে হবে পাহাড়ি রাস্তায়)। এরপর দুপুরের খাবার খেয়ে বিশ্রাম। বিকাল এ সাজেক এ ঘোরাঘুরি। রাতে ইচ্ছেমত আড্ডা। রাতের খাবারের পর সুবিধাজনক সময়ে ঘুম। পরদিন সকাল এর খাবার এর পর ১০.০০টায় সাজেক ত্যাগ। সেখান থেকে খাগড়াছড়িতে দুপুরের খাবার খেয়ে রিসাং ঝর্ণা, আলুটিলা গুহা, তারেং, ঘুরে সন্ধায় ফিরে আসবো খাগড়াছড়ি। রাতের খাবারের পর ৯.০০ এ ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো। পরদিন সকাল ৫টার আগেই ঢাকা পৌছে যাবো ইনশাল্লাহ।

খাবার:
১ম দিন সকাল : পরটা ৩টা, সবজী,ডাল, ডিম, চা,
১ম দিন দুপুর: ভাত, ডাল,সবজী, আলুভর্তা, দেশী মুরগী
১ম দিন রাত: পরটা৩টা, বার বি কিউ(১/৪) মুরগী, সস, স্পেশাল সালাদ, কোক
২য় দিন সকাল: সবজী খিচুড়ী, ডিমভূনা, মরিচ ভর্তা, আচার
২য় দিন দুপুরঃ ভাত, ডাল,সবজী, শুটকি ভর্তা, মাছ
২য় দিন রাত: ভাত, ডাল,সবজী, ভর্তা, বাম্বু চিকেন।
৩য় দিন সকালঃ পরটা ৩টা,ডাল, ডিম,
৩য় দিন দুপুর: ভাত, ডাল,সবজী, ভর্তা, দেশী মুরগী, মাছ ভাজা, জুস।
৩য় দিন রাত: ভাত, ডাল, সবজী, ভর্তা, হাসের মাংস, ডিম কাবাং, মিষ্টি।

সাজেকে খাওয়া দাওয়া করবো ছিম্বাল রেস্টুরেন্ট এ।

যা যা এই প্যাকেজের অন্তর্ভক্ত:
# ঢাকা – খাগড়াছড়ি – ঢাকা এ সি চেয়ার কোচ বাস।

# খাগড়াছড়ি-সাজেক-খাগড়াছড়ি ও আশে পাশের বিভিন্ন স্পটে ঘোরার জন্য জিপ গাড়ি ৩ দিনের জন্য।
# মোট ৯ বেলা খাবার
# সাজেকে ২ রাত রিসোর্টে থাকার ব্যবস্থা। সব রুম এর সাথে বাথরুম। বাথরুমে হাই কমোড।
# সাজেক ও আলুটিলাতে এন্ট্রি টিকিট
# আলুটিলা গুহায় প্রবেশের সময় মশাল
# অভিজ্ঞ গাইড

যা যা মনে রাখা প্রয়োজন:

# সাজেকে রবি, এয়ারটেল ও টেলিটক এর নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়।
# যখন তখন বৃষ্টি আসতে পারে। ক্যামেরা মোবাইল ও মানিব্যাগ রক্ষা করার জন্য সবসময় পলিথিনের ব্যাগ সাথে রাখতে হবে।
# সাজেকে বিদ্যুৎ নেই। সন্ধার পর থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত জেনারেটর এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। বাকী সময় সো্লার প্যানেল এ লাইট জ্বলবে।
# প্রয়োজনীয় ঔষুধ সাথে নিয়ে যেতে হবে।
#স্থানীয়দের ছবি তোলার আগে তাদের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে।
# কংলাক পাহাড় যাওয়া আসা মিলে ২ কিলো খাড়া পাহাড়ী রাস্তা (প্রায়), রিসাং ঝর্ণায় যাওয়া আসা মিলে ২ কিলো খাড়া পাহাড়ী রাস্তা (প্রায়), আলুটিলা গুহা যাওয়া আসা মিলে দেড় কিলো রাস্তা(প্রায়) হাটতে হবে।

বুকিং এর শেষ সময়: ৩রা নভেম্বর, ২০১৯। ( এসি বাস রিজার্ভ করে মোট ৩৬ জন যাবো আমরা। ৩রা নভেম্বর এর পূর্বে সব আসন পূরণ হয়ে গেলে বুকিং তৎক্ষণাৎ বন্ধ হয়ে যাবে।)

৫০% টাকা অগ্রীম প্রদান করে বুকিং করতে হবে।

যোগাযোগ: ২/৫, নীচতলা, ব্লক জি, কাজী নজরুল ইসলাম রোড, লালমাটিয়া ঢাকা।
মোবাইল: ০১৮৭৯১৪৫৭১৪, ০১৭১১৫০৫১৭৭

24/07/2019

ভ্রমন গল্পঃ পর্ব ৪

খুব সকালে ঘুম থেকে উঠলাম। আমরা যাবো ছেড়া দ্বীপ। হেটে হেটে। আগের দিন স্থানীয় কাছ থেকে খোজ নিয়ে জেনেছি সকালে ভাটা থাকবে। সকাল সকাল গিয়ে আবার ভাটা থাকতে থাকতে ফেরত আসা যাবে। দেরী করলে জোয়ারের পানি চলে আসবে। তখন আর হেটে হেটে আসা সম্ভব হবে না। একঘন্টা থেকে সোয়া এক ঘন্টা সময় লাগবে সেন্ট মার্টি য়ন থেকে হেটে হেটে ছেড়াদ্বীপ যেতে। পদযাত্রা শুরু করার কিছুক্ষণের মধ্যেই আমাদের সব উৎসাহ চুপসে গেল। আসলে বালির ভিতর দিয়ে হাটা খুব কষ্টকর। তাছাড়া সকালবেলা খালি পেটে যাত্রা শুরু করেছি। প্রায় অর্ধেক রাস্তা পার হয়ে আমরা একটা দোকানে বিশ্রামের জন্য বিরতি দিলাম। ১০ টাকা দিয়ে বিশাল বড় ডাব কিনলাম প্রত্যেকে।। একটা ডাবের পানিতেই পেট ভরে যায়। আবার যাত্রা শুরু। মোট প্রায় দেড় ঘন্টা হাটার পর আমরা ছেড়া দ্বীপ পৌছাই। ছেড়া দ্বীপ পৌছানের পর আমার খালি মনে হতে থাকে এই জায়গাটা আমার খুব চেনা। কোন সিনেমাতে দেখেছি অথবা সিনেমার গানে দেখেছি। আবার মনে হয় কোন বিজ্ঞাপনে দেখেছি। কিন্তু ঠিক মনে করতে পারি না কোথায় দেখেছি। চারিদিকে প্রবালের সারি। সেই প্রবালের উপর আছড়ে পড়ছে সাগরের নীল জল। যতদূর চোখ যায় কেবল নীল পানির সমুদ্র। অসীম নীল সমুদ্রের পাড়ে আমরা কয়েকজন উদভ্রান্ত যুবক। ছেড়া দ্বীপে কোন বসতি নেই। পর্যটকরা সেন্ট মার্টিন থেকে এসে আবার সেন্ট মার্টিন ফিরে যায়। আমরাও কিছুক্ষনের মধ্যেই আবার সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলাম। সেন্ট মার্টিন থেকে আজ দুপুরের পর ট্রলারে করে টেকনাফ ফিরে যাবো। দুপুরের বেশ আগেই সেন্ট মার্টিন পৌছে গেলাম। হোটেল ছেড়ে দিয়ে ট্রলার ঘাটের দিকে গেলাম দুপুরের খাবার আর ট্রলারের খোজ নিতে। খাবারের পর পরই ঢাকা ইউনির্ভাসিটি টুরিস্ট সোসাইটির একটা টিমের সাথে দেখা। জনি মং দা, আমানত ভাই এরা আমার পরিচিত। তারা টুরিস্ট সোইটির প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারি। টুরিস্ট সোসাইটির সাথে আমার বিশাল ঘটনা আছে। ১ম বর্ষে থাকা কালীন সময়ে আমরা রসায়ন বিভাগের ৬ জন বন্ধু টুরিস্ট সোসাইটির সাথে এক জায়গা ঘুরতে গিয়েছিলাম। ঐ ট্যুর শেষে টুরিস্ট সোসাইটি জরুরী মিটিং ডেকে রসায়ন বিভাগের আমাদের ৬ জন কে আজীবনের জন্য টুরিস্ট সোসাইটি থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। কেন নিষিদ্ধ করা হয়েছিল সেটা আরেকটা গল্প। তবে জনি মং দা, আমানত ভাইদের সাথে একটা ভালো সম্পর্ক তৈরী হয়েছিল। যা হোক টুরিস্ট সোসাইটির ট্রলারে চেপে বসলাম আমরা চারজন। টুরিস্ট সোসাইটির সবাই সন্ধার বাসে ঢাকা রওনা হবে। সুন্দর একটা ট্যুর শেষ করে সবাই আনন্দ করতে করতে ফিরে যাচ্ছে। একটু দুষ্টু বুদ্ধি চেপে উঠল আমাদের মাথায়। টুরিস্ট সোসাইটির কয়েকজনকে জিজ্ঞেস করলাম আপনারা কি টেকনাফের সুন্দর সুন্দর স্পট গুলো দেখেছেন? তারা বলে কোন কোন স্পট? আমরা একটু বিষ্মিত হয়ে বলি কেন টেকনাফের বিখ্যাত মাথিনের কূপ দেখেন নি? টেকনাফের এত সুন্দর বিশাল বীচে যান নি? এসব বলতে বলতে আমাদের ক্যামেরা থেকে ছবি বের করে দেখাতে থাকি তাদেরকে। ব্যস সাথে সাথে তাদের সমাপ্ত হয়ে যাওয়া ট্যুরটা অসমাপ্ত হয়ে গেল। অনেকেই দুঃখ শুরু করে দিল এত কাছে এসে এত সুন্দর জিনিস মিস হয়ে গেল। আমরা তাদেরকে আরো দুঃখিত করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম কিন্তু জনি মং এর চোখ রাঙানি দেখে থেমে গেলাম। মাঝ সমুদ্রে ট্রলার থেকে নামিয়ে দিলে বিপদে পড়ে যাবো। বাকীটা পথ চুপচাপ থাকাই শ্রেয়। (চলবে)

শাহাদৎ হোসেন রনি।

22/07/2019

ভ্রমন গল্প: পর্ব ৩

আমরা আজ সেন্ট মার্টিন যাবো। স্বপ্নের সেন্ট মার্টিন। আগের দিনের রিকশায়ালার সাথে কথা হয়ে ছিল, তিনি সকালে নেটং এর সামনে থেকে আমাদের নিয়ে রওনা দিলেন ট্রলার ঘাটের উদ্দেশ্যে। যে ট্রলারে করে সেন্ট মার্টিন যাবো তার আকৃতি দেখে আমরা বেশ চিন্তায় পড়ে গেলাম। মাঝারি সাইজের নৌকায় ইঞ্জিন লাগানো। ঠিক ভরসা পাচ্ছি না। এই বাহনে করে সমুদ্র পাড়ি দেব? সমুদ্রকে তো আপমান করা হবে। সমুদ্রতো ফু দিয়ে উড়িয়ে দিতে পারে এরম দু-দশটা ট্রলার। ট্রলারের মাঝি আমাদের আশ্বস্ত করেন। সমুদ্র ঠান্ডা। টেনশনের কিছু নাই। জনপ্রতি ১০০ টাকায় টেকনাফ থেকে সেন্ট মার্টিন যাওয়া যাবে। আমরা ১০০ টাকা করে জমা দিয়ে ট্রলারে উঠে অপেক্ষা করতে থাকি। ট্রলার ছাড়ার কোন লক্ষণ নেই। কখন ছাড়াবে জিজ্ঞেস করলে বলে লোক ভরলে তারপর ছাড়বে। লোক ভরা আর শেষ হয় না। মানুষ ওঠে, প্রচুর মালামাল ওঠে, কাঠ, ছাগল এইসব নিয়ে প্রায় ২ ঘন্টা অপেক্ষার পর ট্রলার ছাড়ে। প্রথম কিছুক্ষণ নাফ নদী দিয়ে ট্রলার এগিয়ে যায়। প্রচুর স্রোত কিন্তু বড় বড় ঢেউ ছিল না। নদীর ওপারে মায়ানমার। মায়ানমারের বড় বড় পাহাড় দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই সমুদ্রের ভিতরে গিয়ে পরে ট্রলার। শুরু হয় বড় বড় ঢেউ, ট্রলার দুলতে থাকে। আমাদের মনের ভিতরে ভয় থাকলেও মুখে তার অভিব্যক্তি ছিল না। সবাই যথাসম্ভব স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করেছিলাম। স্থানীয় ছোট ছোট বাচ্চারা যেখানে সমুদ্রগামী ট্রলারে স্বাভাবিক রয়েছে আমরা টগবগে যুবকেরা অস্বাভাবিক আচারন কেমনে করি। মান সম্মান বলে তো কিছু আছে না কি? আস্তে আস্তে টেকনাফ অদৃশ্য হয়ে যায়, সমুদ্রের পানি নীল হতে থাকে। প্রায় ঘন্টা তিনেক পর সেন্ট মার্টিনে পৌছে যাই আমরা। আহা সেন্ট মার্টিন, স্বপ্নের সেন্ট মার্টিন। জেটির কাছের একটা হোটেল থেকে দুপুরের খাবার খেয়ে নি। বিভিন্ন রকম মাছ কেটে সাজানো আছে, সেখান থেকে চাহিদা মত ভেজে দিচ্ছে। অনেক মাছই খাওয়ার ইচ্ছে ছিল কিন্তু পকেট থেকে সমর্থন না আসায় ইচ্ছেগুলোকে ধামাচাপা দিতে হয়। খাওয়া দাওয়া শেষ করে বীচের ধারে একটা হোটেল খুজে বের করি। নাম ছিল সম্ভবত সি টি বি রিসোর্ট। ৮০০ বা ১০০০ টাকায় একরুমে চারজন। ব্যাগ রেখে আমরা সমুদ্রের কাছে যাই। এবং এর পরই করুন পরিনতি। আবেগকে নিয়ন্ত্রন করতে না পেরে আমি আমি সমুদ্রের পানির ভিতর আনন্দে দৌড়াতে শুরু করি। পানির নীচে যে এত এত শক্ত প্রবাল তা তো আমার জানার কথা না। ব্যস হাটু, পা কেটেকুটে রক্তারক্তি অবস্থা। স্যাভলন, ঔষুধ এইসব লাগালাম কিন্তু মূল সমস্যা হলো এই কাটা পা নিয়ে আমি আর পানিতে নামতে পারছিলাম না। সমুদ্রের লবন পানি কাটা জায়গায় লাগলেই জ্বলছে, এই জ্বালা পোড়া নিয়ে পানিতে থাকা খুব কষ্টকর। আমার এই করুন পরিনতিতে বন্ধুদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। তারা তাদের মত জলকেলিতে ব্যস্ত। মনে মনে খুব চাচ্ছিলাম আরো কারো হাত পা কাটুক কিন্তু ওদের কারো ক্ষেত্রে ঘটনা ঘটে নি। বিকাল পর্যন্ত এভাবেই গেল। বন্ধু আশা বুয়েটের ছাত্র ছিল। বুয়েটের লোগো লাগানো গেঞ্জি ছিল ওর গায়ে। সন্ধার দিকে এক টুরিস্ট আশাকে ডেকে বললো তুমি বুয়েটের? কোন ইয়ার? আশা উত্তর দিয়ে জানতে চাইলো ভাইয়া আপনি কোন ইয়ার? ভদ্রলোক জানালেন তিনি বুয়েটের শিক্ষক। আশা সহ আমরা সবাই চুপসে গেলাম। উনিও সি টি বি রিসোর্টে উঠেছেন। স্ত্রী নিয়ে হানিমুনে এসেছেন। আমাদের চারজনকে রাতে বার বি কিউ এর দাওয়াত দিলেন। কোরাল মাছের বার বি কিউ খাওয়া হলো রাতে। আসলে পকেটের যে অবস্থা ছিল তাতে স্যার দাওয়াত দিয়ে না খাওয়ালে কোরাল মাছের বার বি কিউ খাওয়া ছিল আমাদের জন্য বিরাট বিলাসিতা। (চলবে)

শাহাদত হোসেন রনি
অ্যাডমিন টো টো কোম্পানী।

21/07/2019

ভ্রমন গল্প পর্ব ২

সজল না থাকায় আমাদের কোন সমস্যা হয় নি। ওর বন্ধু ও ছোট ভাইদের আতিথিয়তায় দিব্যি খাওয়া দাওয়া করে সবাই মিলে আড্ডা শুরু করে দিলাম। দুপুরের পর সজল হাজির। বিকালে সবাই মিলে গেলাম পতেঙ্গা ঘুরতে। পতেঙ্গা থেকে সমুদ্র দেখে কোনভাবেই মন ভরে না। কেমন যেনো। সমুদ্রের কিনার দিয়ে সিমেন্টের বড় বড় বোল্ডার ফেলানো।মনে হয় কোন একটা বাধের ধারে দাড়িয়ে আছি। সমুদ্রকে বাধ দিয়ে আটকানোর চেষ্টা। যাই হোক কয়েকজন দালাল টাইপের লোক আশেপাশে ঘোরাঘুরি শুরু করে দিয়েছে।তাদের ইশারার ভাষা আমরা বুঝে ফেলি। কিছুক্ষনের মধ্যে এক বোতল বার্মিজ রাম আর কাকড়া ভুণা জোগাড় হয়ে গেল। সন্ধা ঘনিয়ে আসে। সাগরের ভিতরে এক অদ্ভুত দৃশ্য জেগে ওঠে। দূরে বড় বড় কয়েকটি জাহাজ দাড়িয়ে আছে। জাহাজগুলো থেকে আলো জ্বলছে। এক একটি জাহাজ যেন এক একটি শহর।

সন্ধার পর জায়গাটা না কি নিরাপদ না। আমরা দলবেধে জি ও সি মোড়ে ফিরে আসি। আমাদের পরবর্তী গন্তব্য সেন্ট মার্টিন।
পর দিন সকালে আমরা চারজন মিলে রওনা দিলাম টেকনাফের উদ্দেশ্যে। প্রায় চার সাড়ে চার ঘন্টার বাস জার্নি। শেষের দিকে বেশ আকা বাকা রাস্তা। টেকনাফের কাছাকাছি এসে যে জিনিসটা বেশী অবাক করেছিল তা হলো লবন চাষ। জমিতে সমুদ্রের পানি আটকে সে পানি রোদে শুকিয়ে সেখান থেকে লবন উৎপাদন করা হয়। মাঠের পর মাঠ সবুজ ঘাস বা ফসলের বদলে সাদা লবন। আমরা দুপুরের একটু আগে নেটং হোটেলের সামনে বাস থেকে নামলাম। নেটং হোটেলটি পর্যটন কর্পোরেশনের আওতাধীন। বেশ জাকজমকপূর্ণ। আমাদের চারজনকে বেশ বেমানান লাগছিল সেখানে। আমরা রুমে চলে যাই এবং কিছুক্ষণ পর চুপিচুপি এসে দুপুরের খাবার খেয়ে যাই। সেখানে আমাদের জন্য সব ব্যবস্থা ফ্রি। কিন্তু ফ্রি এসব সুবিধা নিতে নিজেদেরকে কেমন যেন চোর চোর লাগছিল। টেকনাফ ঘুরতে বের হলাম। মাথিনের কূপ, ফরেস্টের বাংলো, টেকনাফ শহর এইসব ঘুরে বিকালের আগে গেলাম শহর থেকে একটু দূরে টেকনাফ বীচে। এই প্রথম মনে হলো আসল সমুদ্রের সামনে দাড়িয়ে আছি। বেশ বড় একটা বীচ। একদম ফাকা। কোথাও কেউ নেই।সমুদ্রের ঢেউ এসে আছড়ে পরে তীরে। আমরা দৌড়ে গিয়ে সমুদ্রের জলে পা ভেজাই। শরীরে শিহরণ জাগে। সবগুলো অনুভূতি ভাষা, শব্দ, কথামালা দিয়ে যদি প্রকাশ কার যেতো!!!! (চলবে)

শাহাদৎ হোসেন রনি

20/07/2019

ভ্রমন গল্প: পর্ব ১

২০০৭ সালের কথা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের ২য় বর্ষ চলছে। স্কুল কলেজের ৪ বন্ধু মিলে ঠিক করলাম ঘুরতে যাবো। চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন এলাকা আমাদের টার্গেট। বুয়েটের বন্ধু আশা ও অনি, স্টমফোর্ড এর মিল্কি আর আমি। ঐ আমলে ফেসবুক বা গুগল এত জনপ্রিয় ছিল না অথবা আমরা ইন্টারনেট ব্যবহারে খুব একটা অভ্যস্থ ছিলাম না। এখনকার সময়ে ২-৩ দিনের জন্য কোথাও ঘুরতে গেলে গুগলে গবেষণা করে রওনা দেওয়া হয়, আমরা সেসময় সেরকম কিছু করিনি। মনে আছে সেসময় প্রত্যেকে জন প্রতি ২০০০ টাকা সাথে নিয়ে রওনা দিয়েছিলাম, পরে বাসা থেকে আরো ২০০০ টাকা ব্যাংক মারফত চট্টগ্রাম থেকে তুলেছিলাম। জনপ্রতি ৪০০০ টাকা দিয়ে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবন, কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন ঘুরেছিলাম মোট ১১ দিনে। মিল্কির বাবা ছিলেন সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তিনি ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ট্রেনে যাওয়া আসার ফ্রি ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। টেকনাফের নে টং হোটেলে থাকা খাওয়া ফ্রি, কক্সবাজারে পর্যটনের হোটেল প্রবালে থাকা খাওয়াটাও ছিল ফ্রি। চট্টগ্রামে বন্ধু সজলের মেস ছিল আমাদের বেজ ক্যাম্প। সেখানেও থাকা খাওটা ফ্রি। এত এত ফ্রির পরও ঢাকায় ফিরে আসার পর আমাদের পকেটে কোন টাকা ছিল না। ট্রেন থেকে কমলাপুর নেমে শহীদুল্লাহ্ হল পর্যন্ত হেটে হেটে আসতে হয়েছিল।

তো কোন এক শুভদিনে ট্রেনে করে রওনা দিলাম আমরা ৪ বন্ধু। উৎসাহের কমতি নেই কারো ভিতরে। ৪ জনই জীবনে প্রথমবার পাহাড়-সমুদ্র দেখতে যাচ্ছি। সমুদ্রের পানি কি সত্যিই টিভির পর্দায় যেমন নীল দেখা যায় তেমন? পাহাড়ের উপরে দাড়ালে সত্যিই কি মেঘ ছুতে পারবো? এসব ভাবতে ভাবতে ভোরের দিকে চট্টগ্রাম রেল স্টেশনে পৌছে গেলাম। জি ও সি মোড়ে সজলের মেস। সেখানে পৌছে সজলের দেওয়া ঠিকানা মত ওর মেসে পৌছে গেলাম। মেসে গিয়ে শুনি সজল নেই। সকালেই ও ক্যাম্পাসে (চুয়েটে) চলে গেছে। সজলকে ফোন দিয়ে আসল ঘটনা জানা গেল। বন্ধু সজল তখন চুয়েটে ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত। ক্যাম্পাসে ওদের হেব্বি প্রভাব। ঝামেলা হলো ২-১ দিনের মধ্যেই সজলের ফ্যামিলির লোকজন ওর ক্যাম্পাসে ঘুরতে যাবে। ফ্যামিলির কেউ সজলের রাজনীতির কথা জানে না। ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি করে এটা মধ্যবিত্ত পরিবারের পিতা মাতার পক্ষে কখনোই মেনে নেওয়া সম্ভব না। এখন যে ভাবেই হোক ক্যাম্পাসের অনেক কিছু দ্রুত ম্যানেজ করতে হবে। এই কাজের জন্য সকাল সকাল সজল ক্যাম্পাসেচলে গেছে। বেচারার জন্য দুঃখ হলো। ভালো ঝামেলার মধ্যে পড়ছে সে। (চলবে)

লেখক:
শাহাদৎ হোসেন রনি
অ্যাডমিন: টো টো কোম্পানী

পহেলা বৈশাখের ছুটিতে সাজেক ও খাগড়াছড়ি ভ্রমন। স্পেশাল ফিচার: খাগড়াছড়িতে পাহাড়ী বন্ধুর বাড়িতে বৈসাবী উৎসবের নেমন্ত্রণে অংশ...
26/03/2019

পহেলা বৈশাখের ছুটিতে সাজেক ও খাগড়াছড়ি ভ্রমন।

স্পেশাল ফিচার: খাগড়াছড়িতে পাহাড়ী বন্ধুর বাড়িতে বৈসাবী উৎসবের নেমন্ত্রণে অংশগ্রহন।

জনপ্রতি খরচ: ৮০০০ টাকা (একরুমে ২ জন)
জনপ্রতি খরচ: ৭৫০০ টাকা (একরুমে ৪ জন)

সাজেকের বহুল জনপ্রিয় রুইলুই কটেজে থাকার ব্যবস্থা। আলাদা আলাদা ৪ টি কটেজ। প্রতি কটেজে ১৪ ফিট বাই ১৬ ফিট বারান্দা। বারান্দা থেকেই সূর্যোদয় দেখা যাবে। ঢাকা-খাগড়াছড়ি-ঢাকা যাওয়া আসা এসি বাস।

জনপ্রতি খরচ: ৭৫০০ টাকা (একরুমে ২ জন)
জনপ্রতি খরচ: ৭০০০ টাকা (একরুমে ৪ জন)

অধরা রিসোর্টে থাকার ব্যবস্থা। রিসোর্টের বারান্দা থেকে মিজোরাম পাহাড় দেখা যায়। বারান্দা থেকেই সূর্যোদয় দেখা যাবে। ঢাকা-খাগড়াছড়ি-ঢাকা যাওয়া আসা এসি বাস।

যোগাযোগ:
টো টো কোম্পানী
২/৫, ব্লক জি, নীচতলা
লালমাটিয়া ঢাকা. ১২০৭
মোবাইল: ০১৭১১৫০৫১৭৭, ০১৮৭৯১৪৫৭১৪
বিকাশ, মার্চেন্ট নম্বর: ০১৬১১৫০৫১৬৬

৫০% টাকা অ্যাডভান্স করে বুকিং নিশ্চিত করুন।

যা যা এই প্যাকেজের অন্তর্ভক্ত:
# ঢাকা-খাগড়াছড়ি-ঢাকা এসি বাস
# খাগড়াছড়ি-সাজেক-খাগড়াছড়ি ও আশেপাশের বিভিন্ন স্পটে ঘোরার জন্য মাহেন্দ্র পিকআপ
# সাজেকে আমাদের নিজেস্ব রেস্টুরেন্ট (CHHIMBAL RESTAURANT) প্রতিদিন তিনবেলা খাবার।
# সাজেক, আলুটিলা গুহা ও ঝুলন্ত ব্রীজে প্রবেশের এন্ট্রি টিকিট
# আলুটিলায় প্রবেশের সময় মশাল
# অভিজ্ঞ গাইড

যেখানে যেখানে ঘুরবো:
সাজেক, কংলাক পাহাড়, আলুটিলা গুহা, তারেং, জেলা পরিষদের ঝুলন্ত ব্রীজ।

খাবার:
১২ তারিখ সকাল: পরটা ৩টা, সবজী/ডাল, ডিম, চা, কলা, মিনারেল ওয়াটার
১২ তারিখ দুপুর: ভাত, ডাল,সবজী, আলু ভর্তা, দেশী মুরগী, মিনারেল ওয়াটার
১২ তারিখ রাত: পরটা ৩টা, বার বি কিউ(১/৪) মুরগী, সস, স্পেশাল সালাদ, কোক, মিনারেল ওয়াটার
১৩ তারিখ সকাল: সবজী খিচুড়ী, ডিম ভূনা, মরিচ ভর্তা, আচার, মিনারেল ওয়াটার
১৩ তারিখ দুপুর: ভাত, ডাল, সবজী, ভাজা মাছ, ব্যাম্বো চিকেন, জুস, মিনারেল ওয়াটার
১৩ তারিখ রাত: ভাত, ডাল, সবজী, ডিম ক্যাবাং, হাসের মাংস, মিষ্টি, মিনারেল ওয়াটার

এছাড়াও ১৩ তারিখ বিকালে খাগড়াছড়িতে পাহাড়ী বন্ধুর বাসায় বৈসাবী উৎসবের দাওয়াতে আমাদের সকলের আমন্ত্রণ।

বিস্তারিত ট্যুর প্লান:

১১ এপ্রিল রাত ১০.৩০ এ কলাবাগান থেকে রওনা দিয়ে ১২ এপ্রিল সকালে খাগড়াছড়ি পৌছে যাবো। সেখানে নাস্তা করে রিজার্ভ গাড়ী নিয়ে রওনা দিবো সাজেকের উদ্দেশ্যে। দুপুরে সাজেকে পৌছে রুমে চেক ইন। দুপুরের খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিয়ে বিকালে হেলীপ্যাডে সূর্যাস্ত উপভোগ। সেখান থেকে ফিরে রাতে ইচ্ছেমত আড্ডা। রাতের খাবারের পর সুবিধাজনক সময়ে ঘুম।

১৩ এপ্রিল খুব সাকলে ঘুম থেকে উঠে কংলাক পাহাড়ে যাবো সূর্যোদয় দেখতে। সেখান থেকে ফিরে সকালের খাবারের পর ১০.০০ টায় সাজেক ত্যাগ। সেখান থেকে খাগড়াছড়িতে দুপুরের খাবার খেয়ে ঝুলন্ত ব্রীজ, আলুটিলা, তারেং ঘুরে বিকালে ফিরে আসবো খাগড়াছড়ি। বিকালে পাহাড়ী বন্ধুর বাসায় বৈসাবী উৎসবের দাওয়াত খেতে যাবো সবাই মিলে। রাতের খাবারের পর ৮.৩০ এ ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো। ১৪ এপ্রিল সকাল ৬ টার আগেই ঢাকা পৌছে যাবো ইনশাল্লাহ

যে কোন দিন কর্পেোরেট বা দলবেধে দেশে বা বিদেশে যে কোন স্থানে ভ্রমনের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

৫০% টাকা অ্যাডভান্স করে বুকিং নিশ্চিত করুন।

যোগাযোগ:
টো টো কোম্পানী
২/৫, ব্লক জি, নীচতলা
লালমাটিয়া ঢাকা. ১২০৭
মোবাইল: ০১৭১১৫০৫১৭৭, ০১৮৭৯১৪৫৭১৪
বিকাশ, মার্চেন্ট নম্বর: ০১৬৩২০৩০০০০

১৫ই মার্চ সাজেক ও খাগড়াছড়ি ভ্রমন।ঢাকা-খাগড়াছড়ি-ঢাকা এসি বাস ডায়মন্ড প্যাকেজ:জনপ্রতি খরচ: ৮০০০ টাকা (একরুমে ২ জন)জনপ্রতি ...
26/02/2019

১৫ই মার্চ সাজেক ও খাগড়াছড়ি ভ্রমন।

ঢাকা-খাগড়াছড়ি-ঢাকা এসি বাস

ডায়মন্ড প্যাকেজ:

জনপ্রতি খরচ: ৮০০০ টাকা (একরুমে ২ জন)
জনপ্রতি খরচ: ৭৫০০ টাকা (একরুমে ২ জন)

সাজেকের বহুল জনপ্রিয় রুইলুই কটেজে থাকার ব্যবস্থা। আলাদা আলাদা ৪ টি কটেজ। প্রতি কটেজে ১২ ফিট বাই ১২ ফিট বারান্দা। বারান্দা থেকেই সূর্যোদয় দেখা যাবে। ঢাকা-খাগড়াছড়ি-ঢাকা যাওয়া আসা এসি বাস।

গোল্ডেন প্যাকেজ:

জনপ্রতি খরচ: ৭৫০০ টাকা (একরুমে ২ জন)
জনপ্রতি খরচ: ৭০০০ টাকা (একরুমে ৪ জন)

সাজেকের অন্যতম জনপ্রিয় ঝি ঝি পোকার বাড়ি রিসোর্টে থাকার ব্যবস্থা । প্রতি রুমের সাথে আলাদা আলাদা বারান্দা। মূল রাস্তা থেকে কাঠের ব্রীজ দিয়ে এই রিসোর্টে যেতে হবে। রিসোর্টের চারপাশে অনেক খালি যায়গায় দোলনা, কাঠের বেঞ্চ আছে। রিসোর্টের গেস্ট বাদে অন্য কারো প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত থাকায় রিসোর্টটি সবসময় কোলাহল মুক্ত। বারান্দা থেকে সূর্যাস্ত উপভোগ করা যাবে। ঢাকা-খাগড়াছড়ি-ঢাকা যাওয়া আসা এসি বাস।

সিলভার প্যাকেজ

জনপ্রতি খরচ: ৭০০০ টাকা (একরুমে ২ জন)
জনপ্রতি খরচ: ৬৫০০ টাকা (একরুমে ৪ জন)

অধরা রিসোর্টে থাকার ব্যবস্থা। রিসোর্টের ঢালাও বারান্দা থেকে মিজোরাম পাহাড় দেখা যায়। বারান্দা থেকেই সূর্যোদয় দেখা যাবে। ঢাকা-খাগড়াছড়ি-ঢাকা যাওয়া আসা এসি বাস।

যোগাযোগ:
টো টো কোম্পানী
২/৫, ব্লক জি, নীচতলা
লালমাটিয়া ঢাকা. ১২০৭
মোবাইল: ০১৬১১৫০৫১৬৬, ০১৮৭৯১৪৫৭১৪
বিকাশ, মার্চেন্ট নম্বর: ০১৬১১৫০৫১৬৬

৫০% টাকা অ্যাডভান্স করে বুকিং নিশ্চিত করুন।

যা যা এই প্যাকেজের অন্তর্ভক্ত:

# ঢাকা-খাগড়াছড়ি-ঢাকা এসি বাস
# খাগড়াছড়ি-সাজেক-খাগড়াছড়ি ও আশেপাশের বিভিন্ন স্পটে ঘোরার জন্য মাহেন্দ্র পিকআপ
# সাজেকে আমাদের নিজেস্ব রেস্টুরেন্ট (CHHIMBAL RESTAURANT) প্রতিদিন তিনবেলা খাবার ও বিকালে চা নাস্তা
# সাজেক, আলুটিলা গুহা ও ঝুলন্ত ব্রীজে প্রবেশের এন্ট্রি টিকিট
# আলুটিলায় প্রবেশের সময় মশাল
# ১৬ তারিখ সন্ধায় ফ্রেশ হওয়ার জন্য গ্রুপ রুম
# অভিজ্ঞ গাইড

যেখানে যেখানে ঘুরবো:

সাজেক, কংলাক পাহাড়, হাজাছড়া ঝর্ণা, আলুটিলা গুহা, তারেং,

খাবার: (সব প্যাকেজ এর জন্য)

১৫ তারিখ সকাল: পরটা ৩টা, সবজী/ডাল, ডিম, চা, কলা, মিনারেল ওয়াটার
১৫ তারিখ দুপুর: ভাত, ডাল,সবজী, আলু ভর্তা, দেশী মুরগী, মিনারেল ওয়াটার
১৫ তারিখ রাত: পরটা ৩টা, বার বি কিউ(১/৪) মুরগী, সস, স্পেশাল সালাদ, কোক, মিনারেল ওয়াটার
১৬ তারিখ সকাল: সবজী খিচুড়ী, ডিম ভূনা, মরিচ ভর্তা, আচার, মিনারেল ওয়াটার
১৬ তারিখ দুপুর: ভাত, ডাল, সবজী, ভাজা মাছ, ব্যাম্বো চিকেন, জুস, মিনারেল ওয়াটার
১৬ তারিখ রাত: ভাত, ডাল, সবজী, ডিম ক্যাবাং, হাসের মাংস, মিষ্টি, মিনারেল ওয়াটার

বিস্তারিত ট্যুর প্লান:

১৪ মার্চ রাত ১০.৩০ এ কলাবাগান থেকে রওনা দিয়ে ১৫ মার্চ সকালে খাগড়াছড়ি পৌছে যাবো। সেখানে নাস্তা করে রিজার্ভ গাড়ী নিয়ে রওনা দিবো সাজেকের উদ্দেশ্যে। দুপুরে সাজেকে পৌছে রুমে চেক ইন। দুপুরের খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিয়ে বিকালে হেলীপ্যাডে সূর্যাস্ত উপভোগ। সেখান থেকে ফিরে রাতে ইচ্ছেমত আড্ডা। রাতের খাবারের পর সুবিধাজনক সময়ে ঘুম।
১৬ মার্চ খুব সাকলে ঘুম থেকে উঠে কংলাক পাহাড়ে যাবো সূর্যোদয় দেখতে। সেখান থেকে ফিরে সকালের খাবারের পর ১০.০০ টায় সাজেক ত্যাগ। এরপর হাজাছড়া ঝর্ণা ভ্রমন। সেখান থেকে খাগড়াছড়িতে দুপুরের খাবার খেয়ে ঝুলন্ত ব্রীজ, আলুটিলা, তারেং ঘুরে সন্ধায় ফিরে আসবো খাগড়াছড়ি। ফ্রেশ রুমে ফ্রেশ হয়ে রাতের খাবারের পর ৮.৩০ এ ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো। ১৭ মার্চ সকাল ৬ টার আগেই ঢাকা পৌছে যাবো ইনশাল্লাহ

যে কোন দিন কর্পেোরেট বা দলবেধে দেশে বা বিদেশে যে কোন স্থানে ভ্রমনের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

২১ শে ফেব্রুয়ারির ছুটিতে সাজেক ভ্রমন। স্টান্ডার্ড প্যাকেজ:২০ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে ২৩ ফেব্রয়ারি সকাল পর্যন্ত (২ রাত বাসে, ...
11/02/2019

২১ শে ফেব্রুয়ারির ছুটিতে সাজেক ভ্রমন।

স্টান্ডার্ড প্যাকেজ:

২০ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে ২৩ ফেব্রয়ারি সকাল পর্যন্ত (২ রাত বাসে, ১ রাত সাজেক)
জনপ্রতি খরচ: ৫৫০০ টাকা (একরুমে ৪ জন)
জনপ্রতি খরচ: ৬০০০ টাকা (একরুমে ২ জন)

কমফোর্ট প্যাকেজ:

২০ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে ২৪ ফেব্রয়ারি সকাল পর্যন্ত (২ রাত বাসে,১ রাত খাগড়াছড়ি, ১ রাত সাজেকে)
জনপ্রতি খরচ: ৭৫০০ টাকা (একরুমে ৪ জন)
জনপ্রতি খরচ: ৮০০০ টাকা (একরুমে ২ জন)

যোগাযোগ:
টো টো কোম্পানী
২/৫, ব্লক জি, নীচতলা
লালমাটিয়া ঢাকা. ১২০৭
মোবাইল: ০১৬১১৫০৫১৬৬, ০১৮৭৯১৪৫৭১৪
বিকাশ, মার্চেন্ট নম্বর: ০১৬৩২০৩০০০০

৫০% টাকা অ্যাডভান্স করে বুকিং নিশ্চিত করুন।

যা যা এই প্যাকেজের অন্তর্ভক্ত:

# ঢাকা-খাগড়াছড়ি-ঢাকা নন এসি বাস
# খাগড়াছড়ি-সাজেক-খাগড়াছড়ি ও আশেপাশের বিভিন্ন স্পটে ঘোরার জন্য মাহেন্দ্র পিকআপ
# সাজেকে আমাদের নিজেস্ব রেস্টুরেন্ট (CHHIMBAL RESTAURANT) প্রতিদিন তিনবেলা খাবার ও বিকালে চা নাস্তা
# সাজেকে আমাদের নিজেস্ব রিসোর্টে (রুইলুই রিসোর্ট, ঝি ঝি পোকার বাড়ি রিসোর্টে) থাকার ব্যবস্থা।
# সাজেক ও আলুটিলার এন্ট্রি টিকিট
# আলুটিলায় প্রবেশের সময় মশাল
# অভিজ্ঞ গাইড

যেখানে যেখানে ঘুরবো:

সাজেক, কংলাক পাহাড়, হাজাছড়া ঝর্ণা, আলুটিলা গুহা, তারেং, (স্টান্ডার্ড প্যাকেজ)

কমফোর্ট প্যাকেজে উপরের স্থানগুলোর সাথে আরো যোগ হবে: মায়াবিনী লেক, অরণ্য কুটির, রাবার ড্যাম্প

খাবার: (স্টান্ডার্ড প্যাকেজ)

২১ তারিখ সকাল: পরটা ৩টা, সবজী/ডাল, ডিম, চা, কলা
২১ তারিখ দুপুর: ভাত, ডাল,সবজী, আলু ভর্তা, দেশী মুরগী
২১ তারিখ রাত: পরটা ৩টা, বার বি কিউ(১/৪) মুরগী, সস, স্পেশাল সালাদ, কোক
২২ তারিখ সকাল: সবজী খিচুড়ী, ডিম ভূনা, মরিচ ভর্তা, আচার
২৩ তারিখ দুপুর: ভাত, ডাল, সবজী, ভাজা মাছ, দেশী মুরগী. জুস
২৩ তারিখ রাত: ভাত, ডাল, সবজী, ডিম ক্যাবাং, হাসের মাংস, মিষ্টি

খাবার (কমফোর্ট প্যাকেজ)

২১ তারিখ
সকাল: পরটা ৩টা, সবজী/ডাল, ডিম, চা, কলা
দুপুর: ভাত, ডাল, সবজী, ভাজা মাছ, দেশী মুরগী. জুস
তারিখ রাত: ভাত, ডাল, সবজী, ডিম ক্যাবাং, হাসের মাংস, মিষ্টি

২২ তারিখ
সকাল: পরটা ৩টা, সবজী/ডাল, ডিম, চা, কলা
দুপুর: ভাত, ডাল,সবজী, আলু ভর্তা, দেশী মুরগী
রাত: পরটা ৩টা, বার বি কিউ(১/৪) মুরগী, সস, স্পেশাল সালাদ, কোক

২৩ তারিখ
সকাল: সবজী খিচুড়ী, ডিম ভূনা, মরিচ ভর্তা, আচার
দুপুর: ভাত, ডাল, সবজী, শুটকি ভর্তা, ব্যাম্বো চিকেন
রাত: ভাত, ডাল, সবজী, আলূ ভর্তা, দেশী মুরগী. মিষ্টি

বিস্তারিত ট্যুর প্লান: (স্টান্ডার্ড প্যাকেজ)

২০ ফেব্রুয়ারি রাত ১০.৩০ এ কলাবাগান থেকে রওনা দিয়ে ২১ শে ফেব্রুয়ারি সকালে খাগড়াছড়ি পৌছে যাবো। সেখানে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে রিজার্ভ গাড়ী নিয়ে রওনা দিবো সাজেকের উদ্দেশ্যে। দুপুরে সাজেকে পৌছে রুমে চেক ইন। দুপুরের খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিয়ে বিকালে কংলাক পাহাড় যাত্রা। সেখান থেকে ফিরে রাতে ইচ্ছেমত আড্ডা। রাতের খাবারের পর সুবিধাজনক সময়ে ঘুম।

২২ শে ফেব্রুয়ারি সাকলে ঘুম থেকে উঠে সূর্যোদয় দেখে সকালের খাবারের পর ১০.০০ টায় সাজেক ত্যাগ। এরপর হাজাছড়া ঝর্ণা ভ্রমন। সেখান থেকে খাগড়াছড়িতে দুপুরের খাবার খেয়ে আলুটিলা, তারেং ঘুরে সন্ধায় ফিরে আসবো খাগড়াছড়ি। রাতের খাবারের পর ৮.৩০ এ ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো। ২৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬ টার আগেই ঢাকা পৌছে যাবো ইনশাল্লাহ

বিস্তারিত ট্যুর প্লান: (কমফোর্ট প্যাকেজ)

২০ ফেব্রুয়ারি রাত ১০.৩০ এ কলাবাগান থেকে রওনা দিয়ে ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে খাগড়াছড়ি পৌছে যাবো। খাগড়াছড়িতে পৌছে হোটেল রুমে চেক ইন। ফ্রেশ হয়ে সকালের নাস্তা করে রিজার্ভ গাড়ি নিয়ে রওনা দিবো অরণ্য কুটির ও রাবার ড্যাম্প। সেখান থেকে মায়াবিনী লেক। তারপর খাগড়াছড়ি শহরে ফিরে এসে দুপুরের খাবারের পর বিশ্রাম ও শহরে ঘোরাঘুরি। রাতের খাবারের পর সুবিধাজনক সময়ে ঘুম।

২২ ফেব্রুয়ারি সকালের খাবারের পর রিজার্ভ গাড়ী নিয়ে রওনা দিবো সাজেকের উদ্দেশ্যে। দুপুরে সাজেকে পৌছে রুমে চেক ইন। দুপুরের খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিয়ে বিকালে কংলাক পাহাড় যাত্রা। সেখান থেকে ফিরে রাতে ইচ্ছেমত আড্ডা। রাতের খাবারের পর সুবিধাজনক সময়ে ঘুম।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি সাকলে ঘুম থেকে উঠে সূর্যোদয় দেখে সকালের খাবারের পর ১০.০০ টায় সাজেক ত্যাগ। এরপর হাজাছড়া ঝর্ণা ভ্রমন। সেখান থেকে খাগড়াছড়িতে দুপুরের খাবার খেয়ে আলুটিলা, তারেং ঘুরে সন্ধায় ফিরে আসবো খাগড়াছড়ি। রাতের খাবারের পর ৮.৩০ এ ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো।

২৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬ টার আগেই ঢাকা পৌছে যাবো ইনশাল্লাহ।

যে কোন দিন কর্পেোরেট বা দলবেধে দেশে বা বিদেশে যে কোন স্থানে ভ্রমনের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

Address

128, Lake Circus Kolabagan (Beside Kolabagan Over Bridge)
Dhaka
1207

Telephone

01879145714

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Road 2 Root posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share