Aynur Associates

Aynur Associates Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Aynur Associates, Consulting Agency, Bhuiyan Mension, 74, Kakrail, Dhaka.

03/06/2026

খুবই অত্যন্ত জরুরি!

দয়া করে এই বার্তাটি এখনই আপনার পরিবার ও বন্ধুদের কাছে পাঠান।

কিছু লোক নিচের নম্বরগুলো থেকে কল পাচ্ছেনঃ
Tel: +94777455913
Tel: +37127913091
Tel: +37178565072
Tel: +56322553736
Tel: +37052529259
Tel: +255901130460
অথবা +371 / +375 / +381 দিয়ে শুরু হওয়া যেকোনো নম্বর থেকে।

এরা একবার ফোন করে কেটে দেয়।
আপনি যদি ফিরে কল করেন, তবে ৩ সেকেন্ডের মধ্যে আপনার কনট্যাক্ট লিস্ট কপি হয়ে যেতে পারে, এবং আপনার ফোনে যদি ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্য থাকে—তাও কপি হয়ে যেতে পারে।

+375 — বেলারুশ
+371 — লাতভিয়া
+381 — সার্বিয়া
+563 — ভালপ্যারাইসো
+370 — ভিলনিয়াস
+255 — তানজানিয়া

এই নম্বরগুলোর কল রিসিভ করবেন না বা ফেরত কল করবেন না।

এছাড়া—
কোনো কলার আপনাকে যদি #90 বা #09 প্রেস করতে বলে,
কখনোই চাপবেন না।
এটি একটি নতুন প্রতারণার কৌশল, যার মাধ্যমে তারা আপনার সিম কার্ডে প্রবেশ পায়, আপনার নম্বর ব্যবহার করে কল করতে পারে এবং আপনাকে অপরাধে জড়িয়ে দিতে পারে।

👉 দয়া করে এই বার্তাটি যতজনকে পারেন ফরোয়ার্ড করুন, যাতে সবাই সতর্ক থাকতে পারে!

প্রেরকঃ
সাইবার ক্রাইম বিভাগ, বাংলাদেশ পুলিশ।

02/06/2026
02/06/2026

⭕ আয়কর অডিট (Audit) নোটিশ পেয়েছেন? আতঙ্কিত না হয়ে করণীয় জেনে নিন!
অনেকেই আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার পর হঠাৎ ট্যাক্স অফিস থেকে 'অডিট নোটিশ' পেয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন। মনে রাখবেন, অডিট মানেই কোনো অন্যায় নয়, এটি কর বিভাগের একটি নিয়মিত যাচাইকরণ প্রক্রিয়া মাত্র।
​সম্প্রতি অনেকেই এই ধরনের নোটিশ পাচ্ছেন। যদি আপনিও এমন কোনো নোটিশ পেয়ে থাকেন, তবে নিচের পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করুন:
​✅ সময়সীমা মেনে চলুন: নোটিশে যে তারিখ দেওয়া আছে, তার আগেই জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিন। সময় বাড়িয়ে নেওয়া যায় কি না সে বিষয়ে আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
✅ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুছিয়ে রাখুন: আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট, আয়ের উৎস, আয় ও ব্যয়ের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, বিনিয়োগের প্রমাণপত্র এবং বিগত কয়েক বছরের রিটার্নের কপি একত্রে রাখুন।
✅ যৌক্তিক ব্যাখ্যা প্রস্তুত করুন: চিঠিতে যে কারণগুলো অডিটের জন্য উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলোর বিপরীতে সঠিক ও যৌক্তিক ব্যাখ্যা তৈরি করুন। কোনোভাবেই ভুল তথ্য দেবেন না।
✅ পেশাদার পরামর্শক নিয়োগ করুন: আয়কর আইন জটিল হতে পারে। তাই অভিজ্ঞ কোনো কর আইনজীবী (Income Tax Lawyer) বা পরামর্শকের সাহায্য নিন। তাঁরা আপনার ফাইলটি আইন অনুযায়ী গুছিয়ে দেবেন ও অডিট শুনানিতে আপনার প্রতিনিধিত্ব করবে।
​মনে রাখবেন, আয়কর আইন মেনে সঠিকভাবে সাড়া দিলে খুব সহজেই এই অডিট প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব। এই ক্ষেত্রে কোনো প্রকার অসৎ উপায় অবলম্বন করবেন না, এতে নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনবেন। অডিট নোটিশ মানেই শেষ নয়, বরং আপনার ট্যাক্স ফাইলটি নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত করার একটি সুযোগ।
​সতর্ক থাকুন, আইনি পরামর্শ নিয়ে যথাসময়ে পদক্ষেপ নিন।

কীভাবে ক্ষতির সমন্বয় ও জের টানবেন?আয়কর আইন ২০২৩ এর নবম অধ্যায়ে ক্ষতির সমন্বয় এবং জের টানা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে যা করদাত...
30/05/2026

কীভাবে ক্ষতির সমন্বয় ও জের টানবেন?

আয়কর আইন ২০২৩ এর নবম অধ্যায়ে ক্ষতির সমন্বয় এবং জের টানা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে যা করদাতাদের বিভিন্ন খাতের আয় ও ক্ষতি পরিচালনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ধারা ৭০ এর উপধারা (১) অনুযায়ী কোনো করবর্ষে কোনো খাতের নিরূপিত ক্ষতি সাধারণত অন্য খাতের আয়ের সহিত সমন্বয় করা যাইবে তবে উপধারা (২) অনুযায়ী কিছু বিশেষ ক্ষতির ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন মূলধনি ক্ষতি কেবল মূলধনি আয়ের সহিত সমন্বয় করা যাইবে ব্যবসা বা ভাড়ার আয়ের সাথে নয়। ধরুন মিঃ রহমানের শেয়ার বিক্রয়ে ২ লাখ টাকা মূলধনি ক্ষতি এবং অন্য শেয়ার বিক্রয়ে ১ লাখ টাকা মূলধনি আয় হলে কেবল ১ লাখ টাকা পর্যন্ত সমন্বয় হবে বাকি ১ লাখ টাকা জের টানা যাবে। একইভাবে ব্যবসায়িক ক্ষতি কেবল ব্যবসা হইতে আয়ের সহিত ফটকা ব্যবসায় ক্ষতি কেবল ফটকা ব্যবসা হইতে আয়ের সহিত এবং তামাকজাতীয় পণ্যের ব্যবসায় ক্ষতি কেবল তামাকজাতীয় পণ্যের ব্যবসা হইতে আয়ের সহিত সমন্বয় করা যাইবে। উপধারা (৩) অনুযায়ী কর অব্যাহতিপ্রাপ্ত হ্রাসকৃত করহার বা ন্যূনতম কর প্রযোজ্য এইরূপ কোনো উৎসের বা খাতের ক্ষতির সমন্বয় বা জের টানা যাইবে না। যেমন কৃষি আয় করমুক্ত হওয়ায় কৃষি আয়ের ক্ষতি অন্য আয়ের সাথে সমন্বয় বা জের টানা যাবে না। উপধারা (৪) অনুযায়ী কোনো ফার্ম বা ব্যক্তিসংঘের ক্ষতি কেবল উক্ত ফার্ম বা ব্যক্তিসংঘের আয়ের সহিত সমন্বয় করা যাইবে এবং অংশীদার বা সদস্যের ব্যক্তিগত আয়ের বিপরীতে সমন্বয় করা যাইবে না। ধরুন রহমান এন্ড ব্রাদার্স ফার্মের ৫ লাখ টাকা ক্ষতি হলে তা ফার্মের ভবিষ্যৎ লাভের সাথেই সমন্বয় হবে অংশীদার মিঃ রহমান বা মিঃ করিমের ব্যক্তিগত আয়ের সাথে নয়। উপধারা (৫) অনুযায়ী অসমন্বিত ক্ষতির জের টানিয়া পরবর্তী ছয় করবর্ষে সমন্বয় করা যাইবে। যেমন মিঃ সেলিমের ২০২০-২০২১ করবর্ষে ১০ লাখ টাকা ব্যবসায়িক ক্ষতির মধ্যে ২ লাখ টাকা অন্যান্য আয়ের সাথে সমন্বয় হলে বাকি ৮ লাখ টাকা পরবর্তী ৬ বছরে ব্যবসা লাভের সাথে সমন্বয় হবে। ২০২১-২০২২ এ ৩ লাখ লাভের সাথে ৩ লাখ সমন্বয় হলে জের থাকল ৫ লাখ ২০২২-২০২৩ এ ২ লাখ লাভের সাথে সমন্বয় হলে জের থাকল ৩ লাখ ২০২৩-২০২৪ এ ১ লাখ লাভের সাথে সমন্বয় হলে জের থাকল ২ লাখ ২০২৪-২০২৫ এ ৫০ হাজার লাভের সাথে সমন্বয় হলে জের থাকল ১ লাখ ৫০ হাজার ২০২৫-২০২৬ এ ১ লাখ লাভের সাথে সমন্বয় হলে জের থাকল ৫০ হাজার এবং ২০২৬-২০২৭ এ ২ লাখ লাভের সাথে বাকি ৫০ হাজার সমন্বয় হলে জের শেষ। ৬ বছরের মধ্যে সমন্বয় না হলে বাকি ক্ষতি হারিয়ে যাবে। উপধারা (৬) অনুযায়ী উত্তরাধিকার ব্যতীত অন্য কোনোভাবে ব্যবসা স্থলাভিষিক্ত হলে উত্তরসূরি পূর্বসূরির ক্ষতির সমন্বয় বা জের টানিতে পারিবেন না। ধরুন মিঃ কামালের ব্যবসায় ৮ লাখ টাকা জের টানা ক্ষতি ছিল। তিনি মারা গেলে পুত্র মিঃ জামাল উত্তরাধিকার সূত্রে ব্যবসা পেলে ক্ষতি জের টানতে পারবেন কিন্তু যদি মিঃ রফিক ক্রয় সূত্রে ব্যবসা নেন তবে তিনি পূর্বের ক্ষতি জের টানতে পারবেন না এবং ব্যবসা নতুন শুরু হিসেবে গণ্য হবে।

27/05/2026

সম্পদ বিদেশে কিন্তু রিটার্নে দেখান নি?

আয়কর আইন ২০২৩ এর ধারা ২১ অনুযায়ী, কোনো নিবাসী বাংলাদেশি করদাতার আয়কর রিটার্নে যদি অপ্রদর্শিত বিদেশস্থ সম্পত্তির সন্ধান পাওয়া যায়, তবে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর কর অননুগত্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এই বিধানের মূল কথা হলো, বিদেশে থাকা কোনো সম্পদ বা অর্থ নিজের অবস্থানের কারণে অবৈধ হয়ে যায় না; কিন্তু সেই সম্পত্তি যদি রিটার্নে দেখানো না হয়, বা করদাতা তার উৎস, প্রকৃতি, অধিগ্রহণের কারণ, এবং বৈধতার পক্ষে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে না পারেন, তাহলে কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে। এখানে “অপ্রদর্শিত” বলতে বোঝায় এমন সম্পদ, যা করদাতার আয়কর দাখিলে বা সম্পদ বিবরণীতে প্রকাশ করা হয়নি। ফলে বিদেশে থাকা ব্যাংক ব্যালেন্স, নগদ অর্থ, শেয়ার, ফ্ল্যাট, জমি, ট্রাস্ট, বা অন্য কোনো মূল্যবান সম্পদ যদি রিটার্নে না দেখানো হয়, তবে তা এই বিধানের আওতায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এই ধারা অনুযায়ী, করদাতা যদি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে Deputy Commissioner of Taxes (DCT) বা উপ কর কমিশনার ওই বিদেশস্থ সম্পত্তির Fair Market Value এর সমান জরিমানা আরোপ করতে পারেন। এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জরিমানার পরিমাণ নির্ধারিত হয় সম্পত্তির বাজারমূল্যের সমান ভিত্তিতে। অর্থাৎ, যদি বিদেশস্থ সম্পত্তির বাজারমূল্য ৫০ লাখ টাকা হয়, তবে জরিমানাও ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তাই এটি “অতিরিক্ত কোনো আলাদা অর্থ” নয়; বরং অপ্রদর্শিত সম্পদের মূল্য যত, জরিমানার দায়ও তত। এই কারণেই বিদেশস্থ সম্পত্তি বা বিদেশে রক্ষিত অর্থ করদাতার জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়, কারণ ছোট একটি disclosure lapse ও বড় অঙ্কের আর্থিক দায় তৈরি করতে পারে। এই জরিমানা আরোপের আগে করদাতাকে যুক্তিসংগত শুনানির সুযোগ দিতে হবে। অর্থাৎ কর্তৃপক্ষ একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না; করদাতাকে ব্যাখ্যা দেওয়ার, নথি উপস্থাপন করার, এবং নিজের অবস্থান পরিষ্কার করার সুযোগ দিতে হবে। তবে শুনানির পরও যদি ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য না হয়, তাহলে জরিমানা আরোপের ক্ষমতা কার্যকর হয়। এ ছাড়া উপযুক্ত কারণে কর্তৃপক্ষ বিদেশস্থ সম্পত্তি সম্পর্কে দেশে বা বিদেশে তদন্তও করতে পারে। বাস্তবে এর মানে হলো, করদাতার প্রদত্ত তথ্যের সঙ্গে ব্যাংক রেকর্ড, রেমিট্যান্স ট্রেইল, আয়ের উৎস, এবং সম্পদের মালিকানা নথির মিল খুঁজে দেখা হবে। যদি সেই নথি না মেলে, তাহলে করদাতার বক্তব্য দুর্বল হয়ে যায়। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এই বিধান অন্য কোনো আইনের অধীন সম্ভাব্য দায়কে বাতিল করে না। অর্থাৎ, একই ঘটনায় কর ফাঁকি, অঘোষিত আয়, অপ্রদর্শিত সম্পদ, মানি লন্ডারিং, বা অন্য আর্থিক অপরাধের প্রশ্নও উঠতে পারে। ফলে ধারা ২১ শুধু একটি কর জরিমানার বিধান নয়; এটি আন্তর্জাতিক সম্পদ ধারণ, বিদেশে অর্থ স্থানান্তর, এবং করদাতার disclosure compliance এর ওপর একটি শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণমূলক বিধান। তাই বিদেশে কোনো সম্পদ বা অর্থ রাখা নিজে নিজে অপরাধ নয়; কিন্তু সেই সম্পদের উৎস যদি বৈধভাবে ব্যাখ্যা না করা যায়, আয়কর রিটার্নে প্রকাশ না করা হয়, বা বৈধ ব্যাংকিং ও রেমিট্যান্স চ্যানেলের প্রমাণ না থাকে, তাহলে তা গুরুতর কর ঝুঁকি তৈরি করে। অর্থাৎ, বিদেশে টাকা বা সম্পদ থাকলেই সমস্যা নেই। সমস্যা হয় তখন, যখন করদাতা দেখাতে পারেন না এটি কোথা থেকে এসেছে, কীভাবে অর্জিত হয়েছে, কীভাবে বিদেশে গেছে, এবং কেন রিটার্নে দেখানো হয়নি। এই চারটি বিষয়ের মধ্যে যেকোনো একটিতে দুর্বলতা থাকলে, সম্পত্তিকে অপ্রদর্শিত বিদেশস্থ সম্পত্তি হিসেবে ধরে Fair Market Value এর সমান জরিমানার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই source of fund, banking trail, remittance trail, ownership proof, এবং return disclosure এই পাঁচটি বিষয় সবসময় ঠিক রাখতে হয়।

“গোপন সম্পদ দ্বিগুণ দায় - একবার জরিমানা, একবার মূল্য”

Address

Bhuiyan Mension, 74, Kakrail
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aynur Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share