শুরুটা যেভাবেঃ
বেশ কয়েকদিন থেকে শুভ নামের একটি ছেলে খুব ফোন করছে রাফি’কে। রাফি একটি পত্রিকায় জনসংযোগ বিভাগে চাকরি করে। পত্রিকার একটি অংশ থেকেই শুভ খুঁজে বের করেছে রাফির নাম্বারটা। কী সব লিখা পাঠাতে চায় শুভ পত্রিকায় প্রকাশের জন্য। ছোট গল্প লিখে শুভ।
রাফির সারাদিনে ব্যস্ততার ফাঁকে অবসর নেই একফোঁটাও। তারপরেও আজ সকাল থেকে শুভ ফোন করে অস্থির করে রেখেছে বিকালে একটু দেখা করতে চায় শুভ।
রাফির না বলার স্বভ
াব নেই একদমই, তাই শুভকে আসতে বলল বিকালে। ব্যস্ততা শেষ করে রাফির শুভর সাথে দেখা করতে করতে সন্ধ্যা হয়ে এলো। অফিসের নিচে চায়ের দোকানেই বসলো ওরা, এককথায় দুকথায় সম্পর্ক গভীর হতে শুরু করলো, আড্ডায় নতুন এসে যোগ হল, অমিত। অমিত রাফির পুরনো বন্ধু। একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থায় বিপণন বিভাগে চাকরি করে সে, বন্ধুত্বের সম্পর্কের বাইরেও রাফি আর অমিতের বাণিজ্যিক আরও একটি সম্পর্ক আছে।
রাফি গত ৪ মাস থেকে এই পত্রিকা অফিসে চাকরি করছে, এর আগে রাফি ৬ বছর একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থায় বিপণন বিভাগে কাজ করে এসেছে। একই রকম পেশায় থাকার ফলে হয়তো অমিত আর রাফির সম্পর্কটা আরও গভীর হয়েছে।
ফিরে আসা যাক ওদের তিন জনের আড্ডায়। আড্ডার সময় বাড়তে লাগলো, সাথে জানা হল অনেক কথা।
শুভ একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে। স্বামী স্ত্রীর ছোট একটি পরিবার তার। কাজের ফাঁকে লেখা-লেখি করে সে। অনেক ছোট বেলা থেকে লেখা-লেখি করে শুভ। তার সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল, ছোটবেলায় নাকি সে টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের ঘোর সমালোচক ছিল সে। সে শুধু সমালোচনাই করত না, পাশাপাশি সেই বিজ্ঞাপনকে নিজের মতো করে সাজিয়ে বানিয়ে নিত নিজের ভেতরেই। একা একাই আয়নার সামনে দাড়িয়ে অভিনয় করত তার বানানো বিজ্ঞাপনের।
যেই পরিবেশে চাকরি করে সে সেখানে ৭ টা ঘণ্টা কোন শিল্প চর্চা ছাড়াই তার দায়িত্ব পালন করতে হয়। অবসর থাকলেও উপায় নেই একটুকুও। অনেক গম্ভীর পরিবেশ। তাই বাসায় এসেই শিল্প কর্মে মন দিতে হয় তার।
সংস্কৃতিমনা পরিবার থেকে এসেছে তার স্ত্রী। তাই বাসায় তার এসব লেখা-লেখিতে প্রতিকূলতাও আসেনি কখনও।
রাফিও বিবাহিত। তার স্ত্রীও যথেষ্ট স্বাধীনচেতা। চিন্তা ভাবনা গুলো একটি বাউন্ডেলে। রাফি যা করতে চায় সবকিছুতেই তার স্ত্রীর গভীর সমর্থন। কাজটি লাভের হোক বা ক্ষতির।
আড্ডার আলোচনা বাড়তে থাকে। শুভ আরও নিজেকে প্রকাশ করতে থাকে। একপর্যায়ে সে জানায়, তার সৃষ্টি অন্যের নামে টেলিভিশনে প্রকাশের কথা। জানতে পারলাম কেমন অনুভূতি হয় যখন নিজের মেধা, পরিশ্রম ও রাত জাগা কষ্টের বিনিময়ে জন্ম নেওয়া সৃষ্টির প্রকাশ হয় অন্য কারও নামে।
শুভ ভেবেছিলো লেখা-লেখি ছেড়ে দেবে। আর কখনও কাউকে দেখাবেনা নিজের সৃষ্টি। রাফি শুভকে আশ্বাস দেয়, সে এখন থেকে নিজেদের জন্য লিখবে, কারও জন্য না।
আলোচনার শেষ পর্যায়ে হঠাৎ প্রসঙ্গ পরিবর্তন হয়ে আলোচনার বিষয় বস্তু হয়ে দাঁড়ালো নিজেদের কাজ গুলো নিয়ে সমন্বিত প্রচেষ্টায় কি কিছু করা যায় না?
আমাদের চিন্তা ভাবনা গুলো কাগজে কলমে অথবা মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর ফাইলে গুছিয়ে নিয়ে কারও মাধ্যমে ফ্রেমে বন্দী করে কিছু কি করা যায় না?
ব্যস্ত এই শহরে কিছু নিয়ে ভাবার সময় কোথায় কারও?
কারও ভাবনা যদি আমরা ভেবে দেই। কারও স্বপ্ন যদি আমরা ফ্রেমে প্রকাশ করি।
কারও পণ্যের আত্মপ্রকাশ যদি আমাদের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এই বড় শহরের অজানা ছোট ছোট জীবনের গল্প গুলো যদি হয় এক একটি ছিনেমা। আরও কত কী!
আরও একটি উদ্দেশ্য আমাদের ছিল। সেটি হল, আমাদের এক একটি কাজ হবে সামাজিক সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে। আমরা প্রতিটা কাজের মাঝে একটি করে বার্তা পাঠাবো মানুষের মাঝে।
সেই বার্তাটি হবে একটি পরিবারের, একটি সমাজের, একটি গোত্রের, একটি দেশের, একটি অনুভূতির, একটি সীমারেখার, একটি পরিবেশের, একটি কান্নার, একটি হাসির, অথবা পুরো পৃথিবীর কল্যাণের জন্য।
দু দিন পর সুপরিচিত একজন মানুষের সহযোগিতার আশ্বাস। আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিলো বহুগুণ। তিনি আশ্বাস দিলেন পাশে থেকে সহযোগিতা করে যাবেন আমাদের।
এভাবেই শুরু হয়েছে আমাদের যাত্রা। এখান থেকেই জন্ম নিয়েছে আমাদের “ফ্রেম”।
আমরা যা করিঃ
আমাদের কাজ আপনার স্বপ্ন গুলোকে সাজিয়ে প্রকাশ করা।
কাজের সারসংক্ষেপঃ
*Brand Promotion
*Television Commercial Advertisement
*Audio Visual
*Documentary
*Event Video
*Event Photography
*Television Drama
*Short Film
*Commercial Film
*Social Awareness Programs
আমাদের লক্ষ্যঃ
মানসম্মত কাজের মাধ্যমে দেশকে বিশ্বের কাছে সুপরিচিত করা আমাদের প্রথম লক্ষ্য। সামাজিক অনিয়ম, দুর্নীতি, দায়িত্বহীনতা, অসততা, সমস্ত অন্ধকারের বিরুদ্ধে আমাদের এই কার্যক্রম। সামাজিক সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে যে কোন ভাবে আমাদের কাজই হবে এক একটি বার্তা। আমাদের কাজের মাধ্যমেই আমরা চাইবো প্রতিটা মানুষের অন্তরচক্ষু খুলে দিতে।
বানিজ্যিক কার্যক্রমে আপনার পণ্য অথবা আপনার ইচ্ছা গভীর অনুভূতির সাথে প্রকাশ করে দিব আমরা। আপনার পণ্যের মান নির্ভর করবে আপনার উপর কিন্তু এই পণ্যের সুপরিচিতি এনে দিব আমরা। আপনার পণ্যটি মানুষের মাঝে পৌঁছে দিতেই আমাদের এই সহজ আয়োজন।
আমাদের যা আছেঃ
দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করা কিছু মেধাবী মানুষ, দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা, অক্লান্ত পরিশ্রম, অসম্ভব মেধা, হার না মানা আত্মবিশ্বাস, একটি উদ্যমী তরুন দল, কিছু অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, পরিবর্তনের চেষ্টা, অন্যরকম কিছু করার নেশা, সৎ একটি উদ্দেশ্য, সবশেষে আপনাদের সহযোগিতা ও প্রেরণা।
এর মূল চালিকা শক্তি আপনারাই। যাদের হাত ধরে গুটি গুটি পায়ে হাঁটতে শুরু করেছে আমাদের এই প্রচেষ্টা।
যা নিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে চাইঃ
আমাদের সৃষ্টির মাধ্যমে আপনাদের বানিজ্যিক উন্নতি আমাদের একটি বড় অর্জন।
আমাদের কাজের দ্বারা বাজারে আপনার পণ্যটির সুপরিচিতি অথবা জনপ্রিয়তা তৈরি করার মাধ্যমে আমরা এগিয়ে যেতে চাই।
আমাদের কাজের মাঝে যদি তিল পরিমান সামাজিক সচেতনতা অথবা সামাজিক দায়িত্ববোধ তৈরি হয় তবে আমরা সেটাকেই আমাদের অর্জন আর আপনাদের সফলতা হিসেবে ভাগা ভাগি করে নেব।
আমাদের সৃষ্টিঃ
আমরা সবসময় চেষ্টা করে আসছি আপনার দৃষ্টিভঙ্গির নতুন একটি মাত্রা যোগ করতে। আমাদের স্বপ্ন হল আপনি আপনাকে একটু ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখুন বা উপস্থাপন করুন। সেই চিরাচরিত ধারায় উপস্থাপন অথবা চিরাচরিত ব্যাপার পর্দায় দেখা। একটু ভিন্ন মাত্রার কিছু কাজ যদি আরও বিচিত্র আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে সেই একই ব্যাপারকে তাহলে ভিন্নতাই কেন নয়।
আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপন শুধু আপনার পণ্য নিয়েই আলোচনা করবে, সেটি হতে পারেনা একটি জনসচেতনতা মূলক বিজ্ঞাপন? থাকতে পারে না আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপনে এমন একটি বার্তা যেটা বদলে দেবে অনেক গুলো মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি, অনেকগুলো মানুষের জীবন?
আপনার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন স্মরণীয় করে রাখতে দিনটির ভিডিও অথবা ফটোগ্রাফি করে রাখেন অনেক পুরনোরীতিতেই। এই ফটোগ্রাফি অথবা ভিডিওটি যদি একটা প্রামাণ্য চিত্রের মতো হয় অথবা আপনার অনুষ্ঠানটি একটি সিনেমার মতো করে তৈরি করা হয় তাহলে কেমন হয়।
এমনই অভিনব কিছু কাজ আপনাদের জন্য আমরাই করে দেব ঝামেলাবিহীন পদ্ধতিতে।
প্রয়োজনে যোগাযোগঃ
আপনার জন্য সমাধান নিয়ে আমরা অপেক্ষা করছি, যেকোনো সময় ফোন করুন কোনরকম দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ছাড়াই।
Anowarul Azam Rony
Senior Executive - Public Relations & Communications /
Project Concept Developer
Frame – Brand Identity
Email: [email protected]
Cell: +88 01722025644