Land zone জমি ক্রয় বিক্রয়

Land zone জমি ক্রয় বিক্রয় this is the most popullar it sapport sait
honast & paithfull sarvice
All are product near your hand

08/09/2025

📌 ই-টিন আছে, কিন্তু ইনকাম নাই – জিরো রিটার্ন জমা দেওয়ার নিয়ম

1️⃣ লগইন করুন 🔐
👉 জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) এর e-Return পোর্টালে যান।
👉 আপনার User ID, Password & Captcha দিয়ে লগইন করুন।

---

2️⃣ রিটার্ন শুরু করুন 📝
👉 লগইন করার পর “Submit Return” অপশনে ক্লিক করুন।
👉 সেখানে আপনার ট্যাক্স সার্কেল অনুযায়ী Return Form খুলবে।

---

3️⃣ ইনকাম দেখাবেন না 🚫💰
👉 ইনকামের ঘরে কিছু লিখবেন না।
👉 শুধু Personal Info (নাম, ঠিকানা, NID ইত্যাদি) সঠিকভাবে পূরণ করুন।

---

4️⃣ জিরো রিটার্ন মার্ক দিন 0️⃣
👉 ফর্মের ভেতরে “Zero Income” বা “No Income” অপশন আসবে।
👉 সেটাতে ✅ টিক দিন।

---

5️⃣ Declaration দিন ✍️
👉 শেষে ডিক্লারেশনে লিখা থাকবে আপনি কোনো ইনকাম করেননি।
👉 সেখানে ✅ টিক দিয়ে পরবর্তী ধাপে যান।

---

6️⃣ ডকুমেন্ট সংযুক্তি (প্রয়োজন হলে) 📎
👉 অনেক সময় NBR কিছু ডকুমেন্ট চাইতে পারে (যেমন NID/Bank statement ইত্যাদি)।
👉 আপনার ক্ষেত্রে ইনকাম নাই, তাই সাধারণত দরকার হয় না।

---

7️⃣ Submit করুন 📤
👉 সবশেষে ফর্মটি সাবমিট করুন।
👉 জমা দেওয়ার পর আপনি Acknowledgement Slip (প্রমাণপত্র) পাবেন।

---

8️⃣ Slip সংরক্ষণ করুন 📄✅
👉 ডাউনলোড করে নিজের কাছে রাখুন।
👉 ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে এটা দেখাতে হবে।

---

✨ এভাবেই খুব সহজে ইনকাম নাই = জিরো রিটার্ন জমা দিতে পারবেন 💻📑

11/07/2025

অনেকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না। তাই, সাধারণত জমি মাপার সময় আমরা একজন আমিন বা সার্ভেয়া্রের শরণাপন্ন হই। এই ব্যাপারে তখন আমাদের সেই সার্ভেয়ার বা আমিনের উপর চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে হয়।

সেক্ষেত্রে, প্রতারিত হবার কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। জমি পরিমাপের ব্যাসিক ধারণা পারে এই সমস্যা থেকে সমাধান দিতে।

এ ছাড়া জমি পরিমাপ জানা থাকলে জমি কেনার সময় জমির পরিমাণ নিজেই মেপে বের করা যায়। এই আর্টিকেলে জমি মাপার বিভিন্ন সূত্র এবং নিয়মগুলো খুব সহজ করে বর্ণনা করা হয়েছে।

সুত্র এবং নিয়ম গুলো জানা থাকলে আশা করি, জমি মাপার বিষয়টি আপনাদের কাছে খুবই স্বচ্ছ হয়ে উঠবে।

জমির মাপের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন এককঃ
১ শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গ ফুট
১ শতাংশ = ১৯৩.৬০ বর্গহাত
১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গ মিটার।

জমি কেনার আগে আপনাকে যা যা জানতে হবে::

বিভিন্ন পরিমানে জমির হিসাবঃ
১ শতক = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
১ শতক = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতক ৪০.৪৬ বর্গমিটার
১ শতক = ১৯৪.৬০ বর্গহাত
১ শতক ১০০০ বর্গলিংক
১ কাঠা = ১.৭৫ শতক (৩৫ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৬৫ শতক (৩৩ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৫০ শতক (৩০ এর মাপে)
১ একর = ৬০.৬০ কাঠা
১ একর = ৩.০৩ বিঘা
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
১ একর = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৬ বর্গমিটার
১ একর = ১৯৪৬০ বর্গহাত
১ একর = ১০০০০০ বর্গলিংক।

উদাহরণঃ একটি জমির দৈর্ঘ্য উত্তর আইল ৫০ ফুট, দক্ষিণ আইল ৫৪ ফুট, প্রস্থ পশ্চিম আইল ৩০ ফুট, ভিতরে এক অংশে ৩৪ ফুট, এক অংশে ৩৮ ফুট এবং পূর্ব আইল ৪০ ফুট জমিটির পরিমাণ কত ?
জমিটির দৈর্ঘ্য ৫০+৫৪ = ১০৪ (দুই দিকের দৈর্ঘ্য যোগ করা হলে) তাই ২ দিয়ে ভাগ করলে দৈর্ঘ্য পাওয়া যায় (১০৪ ভাগ ২) = ৫২ ফুট।

জমিটি প্রস্থে অসম হওয়ায় এর ২ দিকের বাউন্ডারীর প্রস্থ ছাড়াও ভিতরের দিকে অন্তত ২াট প্রস্থ পরিমাপ এবং তা গড় করে মূল প্রস্থ বের করা যায় ৩০+৪০+৩৪+৩৮ = ১৪২ (ফুট) এর গড় (১২৪ ভাগ ৪) ৩৫.৫ ফুট।

ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ = ৫২ x ৩৫.৫ = ১৮৪৬ বর্গফুট (জমিটির ক্ষেত্রফল)
সূত্র মতে ৪৩৫.৬০ বর্গফুট = ১ শতাংশ।
অতএব উপরের জমিটির পরিমাণ (১৮৪৬ ভাগ ৪৩৫.৬০) = ৪.২৪ শতাংশ।

পরচা, দাখিলনামা, জমাবন্দি, দাখিলা, দাগ নাম্বার, ছুটদাগ কি?
ক্ষেত্রফল আকৃতির জমির মাপঃ
প্রথমেই সুত্রগুলো জেনে নেয়া যাক-
ক্ষেত্রফল = বাহু X বাহু
কর্ন = ১ বাহু X ১.৪১৪
পরীসিমা= ১ বাহু X ৪
এখন যদি প্রশ্ন হয় একটি বর্গক্ষের বাহুগুলির দৈর্ঘ্য ১২০ লিংক করে হলে উহার ক্ষেত্রফল এবং জমির পরিমাণ বের কর।

তাহলে আমরা জেনেছি যে, ক্ষেত্রফল= বাহু X বাহু = ১২০ X ১২০= ১৪৪০০ বর্গলিংক (যদি ক্ষেত্রফলের একেকটি বাহু ১২০ লিংক হয়)।

এখন আমরা আগেই জেনেছি যে, ১ শতাংশ = ১০০০ বর্গ লিংক তাহলে জমির পরিমান,
১০০০ বর্গ লিংক = ১ শতাংশ
১ বর্গ লিংক = ১০০০ ভাগের ১ ভাগ
১৪৪০০০ বর্গ লিংকে কত হবে?
সুতরাং ১৪৪০০০ বর্গ লিংকে ১০০০ দিয়ে ভাগ দিলে যা হবে তাই হচ্ছে তার ফল অর্থাৎ ১৪.৪০ শতাংশ হবে।

জমি মাপের সহজ পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতিঃ
গ্যান্টার জরিপঃ
ইংরেজ বিজ্ঞানী গ্যান্টার জরিপ কাজে ব্যবহৃত চেইন আবিস্কার করেন। তাই তার নামানুসারে এ চেইনের নামকরন করা হয়েছে “গ্যান্টর্র্স চেইন”। এ চেইনের দের্ঘ্য ২২ গজ বা ৬৬ ফুট। এতে ১০০টি লিংক আছে। প্রতি লিংকের দৈর্ঘ্য ৭.৯২ ইঞ্চি এর দু মাথায় দুটো হাতল এবং দশম লিংক একটি করে “পেন্ডিল” বা পুলি আছে।

ইদানিং ফিতা/টেপ ব্যবহার করেও জমি পরিমাপ করা হয়। সার্ভেয়ার বা আমিন সব সময় পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হিসাব ও পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে আপনি নিজেই জমি পরিমাপ করতে পারবেন।

হিসাবটি হলোঃ
১০০০ বর্গ লিংক (৩১.৬২x৩১.৬২ লিংক) ১ শতাংশ।
১৯৪.৬ বর্গ হাত (১৩.৯৫x১৩.৯৫ হাত) = ১ শতাংশ।
১০.০০০ বর্গ লিংক (১x১ চেইন) = ১০ শতাংশ।
৩৩.৩ শতাংশ কার্যত ৩৩ শতাংশ = ১ বিঘা। (ষ্টান্ডার্ড বিঘা)
১০০ শতাংশ বা ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর।
৪৮৪০x৯ (৯ বর্গফুট = ১ বর্গ গজ বলে = ৪৩৫৬০ বর্গফুট।
৪৩৫৬০ ১০০ (১০০ শতাংশ ১ একর বলে)= ৪৩৫.৬ বর্গফুট।
অতএব ১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট বা ৪০.৪৬ বর্গমিটার (প্রায়)।

আমাদের দেশে কোথাও ৩৫ শতাংশে ১ বিঘা, কোথাও ৩৩ শতাংশে ১ বিঘা আবার ইদানিং ৩০ শতাংশে ১ বিঘা বলা হচ্ছে।
যদিও সরকারি বিঘা ৩৩ শতাংশেই করা হয়। অপরদিকে কাঠার পরিমাণ শতাংশের পরিমাণে স্থান বিশেষ পার্থক্য হলেও ২০ কাঠায় ১ বিঘার হিসেবে সর্বত্র প্রচলিত ও স্বীকৃত আছে।

ডায়াগনাল স্কেলঃ
ডায়াগনাল স্কেল একটি চার কোনা বিশিষ্ট তামা ব্রোঞ্জের তৈরি স্কেল। ইহার চার পাশে ১০ টি ঘর বা কক্ষ থাকে প্রতিটি ঘরের মান ১০০ লিংক। ১৬”=১ মাইল স্কেলে ইহা তৈরি করা হয়। এবং গান্টার চেইনের সাথে মিল আছে বলে একে গান্টার স্কেলও বলা হয়।

আভার অফসেটঃ
এটি একটি প্লাষ্টিকের তৈরি স্কেল এই স্কেলের সাথে গান্টার স্কেলের মিল আছে। ইহার দৈর্ঘ্য ২ ” এবং প্রস্ত .৫” (ইঞ্চি) এই স্কেলের সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব সহজে মাপা যায়। এটা ছাড়া অফনেট নেয়ার ক্ষেত্রে ইহা বিশেষ সুবিধাজনক। গুনে গুনে সংখ্যা হিসাব করা যায় বলে একে গুনিয়া বলা হয়।

ডিভাইডার বা কাটা কম্পাসঃ
ইহা একটি জ্যামিতিক কম্পাস। ইহার সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব নিয়ে ডাইগোনাল স্কেলে মাপ নেয়া যায় এবং দুরত্ব গুনিয়া গুনিয়া সংখ্যা বুঝা যায়।

জোনাল জরিপঃ
ভূমি সংস্কার কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক রিভিশনাল সেটেলমেন্ট পদ্ধতির পরিবর্তে ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে স্থায়ী পদ্ধতির জোনাল সেটেলমেন্ট আরম্ভ হয়। ১০ টি বৃহত্তর জেলায় জরিপ কাজ হয় এবং এ জরিপে সৃষ্ট খতিয়ানকে বাংলাদেল সার্ভে বা বি. এস. খতিয়ান বলে। কেউ আবার একে আর. এস. খতিয়ান বলে।
দিয়ারা জরিপঃ দরিয়া শব্দ থেকে দিয়ারা শব্দের উদ্ভব। যে সকল এলাকায় নদী বা সাগরের কারনে জমির ভাঙ্গাগড়া বেশী হয় সে অঞ্চলে দিয়ারা জরিপ পরিচালিত হয়।

বিঘা থেকে কাঠা ও শতাংশ বের করার পদ্ধতি :
১ কাঠা = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট x৩৫ (৩৫ শতাংশে বিঘা হিসাবে) ২০ (২০ কাঠায় বিঘা বলে)। ১ কাঠা = ১৫২৪৬২০ = ৭৬২.৩ বর্গ ফুট, ১ কাঠা ৭৬২.৩ ৪৩৫.৬ = ১.৭৫ শতাংশ। অনুরুপভাবে ৩০ শতাংশে ১ বিঘা ধরলে ১ কাঠা সমান = ১.৫০ শতাংশ।

#জমিররেকর্ড #ভূমিসেবা #ভূমি #খাজনা

যেকোনো জাদু নষ্টের রুকইয়াহ কারা করবে?যারা নিজেদের জাদু আক্রান্ত ভাবছেন অথবা কোনো এডমিন বলেছেন করতে।কি কি করতে হবে?তিনটি ...
19/05/2025

যেকোনো জাদু নষ্টের রুকইয়াহ

কারা করবে?

যারা নিজেদের জাদু আক্রান্ত ভাবছেন অথবা কোনো এডমিন বলেছেন করতে।

কি কি করতে হবে?

তিনটি কাজ করতে হবে প্রতিদিনঃ

তেলাওয়াত করা অথবা অডিও শোনা
গোসল করা
পানি খাওয়া

কি কি তেলাওয়াত করতে হবে?

সুরা ফাতিহা
সুরা বাকারার ১০২, ২৫৫, ২৮৫, ২৮৬ আয়াত।
সুরা আরাফ ১১৭ থেকে ১২২ আয়াত।
সুরা ইউনুস ৮১, ৮২ আয়াত।
সুরা ত্বহা ৬৯ নং আয়াত।
সুরা ইখলাস
সুরা ফালাক
সুরা নাস
কতক্ষন পড়তে হবে?
সর্বনিম্ন ৪৫ মিনিট প্রতিদিন। যত বেশি পড়বেন তত ভাল।

তেলাওয়াত সহিহ না/তেলাওয়াত করতে পারবো না। কি কি অডিও শুনবো তাহলে?
নিচের লিংক থেকে সিহরের অডিও ( ৩ বা ৪ নং অডিও), আয়াতুল কুরসির অডিও ( ৯ নং অডিও) এবং তিনকুলের অডিও ( ৭ নং অডিও)। এর বাইরে চাইলে আপনি ১১, ২০ ইত্যাদি অডিও শুনতে পারেন।
https://www.ruqyahbd.org/download

কতক্ষন শুনবো?
কমপক্ষে ২ ঘন্টা প্রতিদিন। এরপর চাইলে সারাদিন শুনতে পারেন। অসুবিধা নেই।
পানি খাওয়া আর গোসলের নিয়মটা কি?
কয়েক লিটার পানি নিন। এরপর সুরা আরাফ ১১৭-১২২ আয়াত, সুরা ইউনুস ৮১-৮২ আয়াত, সুরা ত্বহা ৬৯ আয়াত, সুরা ইখলাস, ফালাক, নাস কয়েকবার (৩/৭/১০ বা আরও বেশি) পড়ে ফু দিন পানিতে। এই পানি সারাদিন খাবেন। আর গোসলের সময় হাফ গ্লাস পড়া পানি নিয়ে গোসলের পানিতে ঢেলে দিন। এরপর গোসল করুন স্বাভাবিকভাবে।

কতদিন করতে হবে?
সুস্থা না হওয়া পর্যন্ত।
আপনাদের জানাতে হবে করার পর?
জি, ১ মাস করে গ্রুপে পোস্ট দিয়ে জানাবেন। আমাদের যদি আরও কিছু বলার থাকে তাহলে তখন বলা হবে ইংশাআল্লাহ।
এটা করলে বিয়ে/বাচ্চা হবে?
না। যদি বিয়ে/বাচ্চা হবার ক্ষেত্রে কোনো বাধা থাকে তাহলে কেটে যাবে ইংশাআল্লাহ।
বিয়ে/বাচ্চার ব্যাপারে বাধা আছে কিনা কিভাবে বুঝবো?
এই ব্যাপারে গ্রুপে অসংখ্য পোস্ট আছে। খুজে দেখতে পারেন সার্চ করে।
বিয়ে/বাচ্চা হলেও কি রুকইয়াহ চালিয়ে যেতে হবে?
জি চালিয়ে যাওয়া উচিত। বন্ধ করার আগে এডমিন কারও পরামর্শ নিবেন।

রুকইয়াহ অডিও ডাউনলোড | Ruqyah Support BD

04/04/2025

কক্সবাজারের সব হোটেলের তালিকা ও মোবাইল নাম্বার।

|---|---|---|| হোটেল শৈবাল | মোটেল রোড, কক্সবাজার | ০১৯১১-৩৯০২০ ||

মোটেল লাবনী | মোটেল রোড, কক্সবাজার | ০১৩১২-৮৮৪৪২০, ০৩৪১-৬৪৭০৩ ||

হোটেল নে-তাউং | টেকনাফ, কক্সবাজার | ০১৯৯১-১৩৯০২৪, ০১৫৬৮-৬৭১৬৩০ ||

উইন্ডি টেরেস হোটেল | প্লট-৩৯-৪০, ব্লক সি, কলাতলী, কক্সবাজার | ০১৯৩৬-৪৪৪৭৭৭, ০১৭৫২-৩৬০৬৭৫ ||

হোটেল দ্য কক্স টুডে | প্লট-৭, রোড-০২, কলাতলী রোড, কক্সবাজার | ০১৭৫৫-৫৯৮৪৪৯ ||

লং বিচ হোটেল | ১৪ কলাতলী রোড, হোটেল মোটেল জোন, কক্সবাজার | ০১৭৭৭-৭৭৭০৩৫ ||

হোটেল বিচ ওয়ে | হাউস #২১, ব্লক #সি, কলাতলী রোড, কক্সবাজার | ০১৭৭৭-৯০৯৫৯৫, ০১৬১৭-৯০৯৫৯৫, ০১৮৪৯-৯০০০০০, ০১৯৬৭-১২২৪২২ ||

সীগাল হোটেলস লিমিটেড | হোটেল মোটেল জোন, কক্সবাজার সি বিচ | ০৯৬১৪-৪৪৪৪৪০, ০৯৬১৪-০০০৬৬৬, ০৯৬১৪-৬০০৭০০ ||

হোটেল এস.এ. ইন্টারন্যাশনাল | কক্সবাজার | ০১৮৪১-৫৮৮২৪৪ ||

হোটেল কোস্টাল পিস | হাউস - ৬, ব্লক - বি, কলাতলী রোড, কক্সবাজার | ০১৭৫৫-৫২১৭২৬, ০১৭৫৫-৫২১৭৯৭-৯৮ |

উপরোক্ত তথ্যসমূহ সংশ্লিষ্ট হোটেলগুলোর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও অন্যান্য নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে সংগৃহীত। ভ্রমণের পূর্বে হোটেলের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে বিস্তারিত তথ্য ও রিজার্ভেশন নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আসন্ন ঈদের আলোচিত মুভি বরবাদ, দাগি ও জংলি। আজ একই দিনে দুই মুভির পোস্টার রিলিজ হয়েছে। দুই পোস্টারের মধ্যে সেরা কোনটা ভোট...
25/03/2025

আসন্ন ঈদের আলোচিত মুভি বরবাদ, দাগি ও জংলি। আজ একই দিনে দুই মুভির পোস্টার রিলিজ হয়েছে। দুই পোস্টারের মধ্যে সেরা কোনটা ভোট হয়ে যাক

25/03/2025
25/03/2025
25/03/2025
সংসারের টুকিটাকি কিছু  টিপস জেনে নিন-১। সাদা মোজা ধোয়ার জন্য গুড়া সাবানের সঙ্গে ১ চা চামচ সাদা সিরকা মিশিয়ে নিন। এতে মোজ...
25/03/2025

সংসারের টুকিটাকি কিছু টিপস জেনে নিন-

১। সাদা মোজা ধোয়ার জন্য গুড়া সাবানের সঙ্গে ১ চা চামচ সাদা সিরকা মিশিয়ে নিন। এতে মোজা যেমন সাদা হবে তেমনি মোলায়েম থাকবে।

২। ওয়াশিং মেশিনে কাপড় ধোয়ার সময় ওয়াশিং পাউডারের সঙ্গে ১ চামচ বরিক পাউডার মিশিয়ে দিন। এতে ধোয়ার পর কাপড় সব একসঙ্গে জট পাকাবে না।

৩। সাদা কাপড় থেকে হালকা কোন দাগ তোলার জন্য কাপড় ধোয়ার পর ২টি পাতি লেবুর রস আধা বালতি পানিতে মিশিয়ে ভিজা কাপড় ডুবিয়ে দিন। ১০ মিনিট পর তুলে না নিংড়ে মেলে দিন।

৪। বলপেনের দাগ কাপড় থেকে তুলতে চাইলে কাচা মরিচের রস ঘষে ঘষে দাগের ওপর লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। তারপর গুঁড়া সাবান দিয়ে কাপড় ধুয়ে নিন। দাগ চলে যাবে।

৫। তেল চিটচিটে তাক বা কাঠের র‍্যাক পরিষ্কার করা জন্য ১ কাপ পানিতে ১ চা চামচ সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মসলিনের কাপড় দিয়ে ঘষে ঘষে মুছে নিন। তাকগুলো চমৎকার হয়ে উঠবে।

৬। ওয়াশ বেসিন বা সিল্ক বেসিন পরিষ্কার করার জন্য খানিকটা ফ্ল্যাট সোডা যেমন কোক-পেপসি ইত্যাদি ঢেলে দিন। ৫ মিনিট পর মুছুন। দেখুন কেমন নতুনের মত চকচকে হয়ে উঠেছে।

৭। হাঁড়ি-পাতিল থেকে পোড়া ও কালো দাগ তোলার জন্য সিরিষ কাগজে গুঁড়া সাবান লাগিয়ে ঘষুন। তারপর ধুয়ে নিন। পোড়া দাগ চলে যাবে।

৮। পুরোনো হাঁড়ি থেকে তেল কালির দাগ তোলার জন্য চা পাতা বা কফি দিয়ে ঘষুন। দেখবেন দাগ চলে যাবে।

৯। মশা, মাছি ও পিপড়ার উপদ্রব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ঘর মোছার পানিতে সামান্য ডিজেল মিশিয়ে নিন। উপদ্রব বন্ধ হয়ে যাবে।

১০। ঘরের মেঝে বা যেকোন মোজাইক পরিষ্কার করার জন্য পানিতে কেরোসিন মিশিয়ে নিন ও এই পানি দিয়ে ঘর মুছে নিন। এতে মেঝে চকচক করবে।

১১। রান্নাঘরের কেবিনেট বা কাউন্টার যদি মার্বেল পাথরের হয় তাহলে পরিষ্কার করার জন্য খাবার সোডা পানিতে গুলে রাতে লাগিয়ে রাখুন। সকালে পানিতে সাদা সিরকা মিশিয়ে কাপড় দিয়ে মুছে নিন। সব দাগ চলে যাবে।

১২। রান্নাঘর থেকে পোড়া বা যেকোন গন্ধ দূর করতে চাইলে একটি পাত্রে কিছুটা সিরকা চুলায় চাপান। শুকান অবধি জ্বাল করুন।

১৩। বারান্দা বা জানালার গ্রিল পরিষ্কার করার জন্য প্রথমে শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে নিন। তারপর আধা কাপ কেরোসিন তেলের সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ তুলোয় দিয়ে লাগিয়ে নিন। এতে গ্রিলে ময়লা বা জং লাগবে না।

১৪। বাসনকোসনে কোন কিছুর কষ লাগলে টক দই বা দুধের সর দিয়ে ঘষে ধুয়ে নিলে দাগ দূর হয়ে যাবে।

১৫। চিনেমাটির পাত্রে দাগ পড়লে লবণ পানি দিয়ে সহজেই পরিষ্কার করা যায়।

১৬। নারকেল ভাংগার পূর্বে কিছু সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখলে নারকেলটি সমান দু'ভাগে ভেঙে যাবে।

১৭। সেদ্ধ ডিমের খোসা তাড়াতাড়ি এবং ভাল ভাবে ছাড়াতে চাইলে ফ্রিজের ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।

১৮। পাটালী গুড় শক্ত রাখতে চাইলে গুড়টি মুড়ির মাঝে রাখুন।

১৯। আদা টাটকা রাখার জন্য বালির মাঝে রেখে দিন।

২০। ঘি-এ সামান্য লবণ মিশিয়ে রাখলে অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকবে।

২১। বিস্কুট টাটকা এবং মচমচে রাখার জন্য কৌটার মাঝে এক চামুচ চিনি অথবা ব্লটিং পেপার রেখে দিন।

২২। অপরিপক্ক লেবু থেকে রস পাওয়ার জন্য ১৫মিনিট গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।

২৩। রান্না তাড়াতাড়ি করার জন্য মসলার সাথে ক'ফোটা লেবুর রস মিসিয়ে দিন, দেখবেন সবজি তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।

২৪। সবজির রঙ ঠিক রাখতে ঢাকনা দিয়ে জ্বাল না দেয়াই ভালো। আর কিছু সবজি আছে যেগুলো সামান্য সেদ্ধ করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেও রান্নার পরও রঙ ঠিক থাকে।

২৫। কড়াইতে গরম তেলে কিছু ভাজার সময়, যা দেবেন তার সঙ্গে সামান্য লবন দিল। তাহলে আর তেল ছিটবেনা।

২৬। খেজুরের গুড় দিয়ে পায়েস করতে গিয়ে অনেক সময় দুধটা ফেটে যায়। দুধ ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে একটু ঠান্ডা করে তারপর গুড় মেশাবেন। ভালো করে নেড়ে আবার কিছুটা ফুটিয়ে নেবেন, দুধ ফাটবে না।

২৭। চিনেবাদাম ও কাজুবাদাম তেলে ভেজে পরে রান্নায় ব্যবহার করুন। খাবারের স্বাদ বাড়বে।

২৮। সেমাই বা মিষ্টিজাতীয় খাবারে অনেকে বাদাম ব্যবহার করেন। বাদামে যদি তেল মেখে পরে তাওয়ায় ভাজেন তাহলে তেল কম লাগবে। নয়তো শুকনো ভাজতে গেলে তেল বেশি লাগবে।

২৯। ওল, কচু অথবা কচুশাক রান্না করলে তাতে কিছুটা তেঁতুলের রস বা লেবুর রস দিয়ে দিন। তাহলে খাওয়ার সময় গলা চুলকানোর ভয় থাকবে না।

৩০। কেক বানাতে যদি ডিমের পরিমাণ কম হয়, তার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন কর্নফ্লাওয়ার।

৩১। অনেক সময়ই তাড়াতাড়ি স্যুপ রান্না করতে গিয়ে তা পাতলা হয়ে যায়। তখন দুটো আলু সেদ্ধ করে স্যুপে মিশিয়ে ফোটালে স্যুপ ঘন হবে।

৩২। আলু ও ডিম একসঙ্গে সেদ্ধ করুন। দুটো দুই কাজে ব্যবহার করলেও সেদ্ধ তাড়াতাড়ি হবে।

06/02/2025

⛔ দালাল ছাড়া ঘ‌রে ব‌সেই একদম কম খর‌চে নামজা‌রি কর‌বেন যেভা‌বে : A to Z তু‌লে ধরা হ‌লো

✅ জমি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য : নামজারি প্রক্রিয়া ও খরচ :

নামজারি বা মিউটেশন হলো জমির বর্তমান খতিয়ান থেকে নতুন মালিকের নাম সংযোজন করে একটি নতুন খতিয়ান তৈরি করার প্রক্রিয়া। জমি ক্রয়-বিক্রয় বা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি বৈধভাবে নিজের নামে রেকর্ড করতে এটি অপরিহার্য।

✅নামজারি করতে যা যা প্রয়োজন:

নামজারি আবেদন করার জন্য নিচের ডকুমেন্টগুলো জমা দিতে হবে :

1. জমির দলিলের সার্টিফাইড কপি/মূল কপি।

2. এস এ/আর এস খতিয়ানের কপি।

3. ওয়ারিশান সনদের কপি (যদি ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি হয়)।

4. ছবি (জন্মনিবন্ধনের ভিত্তিতে আবেদন করলে)।

5. বায়া দলিলের কপি (যদি প্রয়োজন হয়)।

6. মোবাইল নম্বর।

7. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)।

8. কর/খাজনার রশিদ।

✅ নামজারি প্রক্রিয়া:

১ম ধাপ:
mutation.land.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নাগরিক বা কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করুন। আবেদন করার পর একটি কেস নম্বর পাবেন, যা মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।

২য় ধাপ:
আপনার আবেদন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাবে। তদন্তের পর সব ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রস্তাব পাঠানো হবে।

৩য় ধাপ:
এসিল্যান্ড অফিস থেকে শুনানির তারিখ এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। শুনানির পর ডিসিআর ফি পরিশোধ করে অনলাইনে কিউআর কোডসহ নামজারি কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

✅সময় ও খরচ:
নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সাধারণত ১৫-৩০ দিন সময় লাগে।

মোট খরচ: ১১৭০ টাকা।

✅ তথ্য ও সহায়তা :
নামজারি আবেদন বিষয়ক যেকোনো তথ্যের জন্য কল সেন্টার 16122-এ যোগাযোগ করুন। অথবা সমস্যার সমাধানে ভিজিট করুন:
. স্বল্পমূল্যে বাংলাদেশের যেকোনো জেলার জমিজমা সংক্রান্ত সুলভ মূল্যে নামজারি/খারিজ/মিসকেস করতে চাইলে ইনবক্সে নক দেন।।
সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।।
2.সি এস,এস এ,বি এস,আর এস, সহ সকল ধরনের পর্চা স্বল্পমুল্যে লাগলে ইনবক্সে নক দেন।।

বিঃদ্রঃ - সকল ধরনের মৌজা ম্যাপ ও নকশা সুলভ মূল্যে দেওয়া হয়।

Address

Dhaka
1230

Telephone

+8801715064381

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Land zone জমি ক্রয় বিক্রয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Land zone জমি ক্রয় বিক্রয়:

Share