Garden Care

Garden Care Garden service management

23/04/2023
বৃষ্টি ভেজা অনিন্দ্য সুন্দরী নয়নতারা 😍
27/05/2022

বৃষ্টি ভেজা অনিন্দ্য সুন্দরী নয়নতারা 😍

একজন শখের বাগানির বাগান থেকে তোলা।
30/03/2022

একজন শখের বাগানির বাগান থেকে তোলা।

20/07/2021

┏━━━ ﷽━━━┓
ঈদ মোবারক
┗━━━ ﷽━━━┛

যাকাত ও ফিতরার পরিমাণ ২০২১এ বছর (২০২১ ঈসায়ী) ফিতরার পরিমাণঃ» গম ও আটার মূল্য হিসেবেঃ ৬০ টাকা। (ষাট টাকা)» যবের মূল্য হিস...
19/04/2021

যাকাত ও ফিতরার পরিমাণ ২০২১
এ বছর (২০২১ ঈসায়ী) ফিতরার পরিমাণঃ
» গম ও আটার মূল্য হিসেবেঃ ৬০ টাকা। (ষাট টাকা)
» যবের মূল্য হিসাবেঃ ১০০ টাকা। (একশত টাকা)
» কিসমিসের মূল্য হিসেবেঃ ১,০০০ টাকা। (এক হাজার টাকা)
» খেজুরের মূল্য হিসেবেঃ ২,০০০ টাকা। (দুই হাজার টাকা)
» পনিরের মূল্য হিসেবেঃ ২,৫০০ টাকা। (দুই হাজার পাঁচশত টাকা)

সহীহভাবে ফিতরা আদায়ের ব্যাপারে হযরতওয়ালা শাইখুল হাদীস মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দামাত বারাকাতুহুমের একটি সংক্ষিপ্ত বয়ান রয়েছে যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং উপকারী। আমরা যদি উক্ত বয়ানটি মনোযোগ সহকারে শুনি, তাহলে উত্তম তরীকায় ফিতরা আদায় করা আমাদের সকলের জন্য সহজ হবে।

ফিতরার বিষয়ে হযরতওয়ালার বয়ানটি ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন।
http://www.islamijindegi.com/wp-content/uploads/2020/05/jakat_fitra_2020.mp3

17/04/2021

একদিন শহরের রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে দস্যু হালাকু খানের মেয়ে একজন আলিমকে দেখে উপহাসের সুরে বলে,"তোমাদের কুরআনের আয়াতগুলো তো আজ মিথ্যায় পরিণত হলো!তোমাদের কুরআনে তো বলা আছে যে তোমরাই বিজয়ী হবে!তোমরাই সম্মানিত হবে!অথচ আজ আমরা মঙ্গোলরা তোমাদের ভূমিগুলো শাসন করছি,তোমরা বিতারিত হয়েছো!"

তখন ওই আলেম বলে,"বলো দেখি,রাখাল কেন ভেড়ার পালের সাথে কুকুরকে মাঠে নেয়?"

হালাকুর মেয়ে বলে,"কারণ ভেড়ার পাল থেকে যখন কোনো ভেড়া বিচ্ছিন্ন হয়ে অন্যত্র চলে যায় তখন কুকুর বিচ্ছিন্ন ভেড়াটিকে ভয় দেখিয়ে পালের কাছে নিয়ে আসে।"

আলিম বলে," ঠিক তাই! মুসলিমরা এখন কুরআন ও সুন্নাহ'র পন্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।তাই আল্লাহ তাআ'লা তোমাদের মতো জালিম কুকুরদের দিয়ে আমাদের তাড়া করতেছে যাতে আমরা কুরআন ও সুন্নাহ'র আলোকে আবারো ঐক্যবদ্ধ হই"

~ শাইখ আহমদ মুসা জিবরীল হাফিজাহুল্লাহর লেকচার অবলম্বনে।

না ফেরার দেশে চলে গেলেন আমাদের প্রিয় বদি ভাই।ওপারে ভাল থাকুন।
24/12/2020

না ফেরার দেশে চলে গেলেন আমাদের প্রিয় বদি ভাই।
ওপারে ভাল থাকুন।

🌳"সাইট্রাসের" লেবু/কমলা/মাল্টা/বাতাবি লেবুর বর্ষাকালে সাইট্রাস জাতীয় গাছ যেমন লেবু/কমলা/মাল্টা/বাতাবি লেবুর সবচেয়ে ক্ষত...
24/10/2020

🌳"সাইট্রাসের" লেবু/কমলা/মাল্টা/বাতাবি লেবুর

বর্ষাকালে সাইট্রাস জাতীয় গাছ যেমন লেবু/কমলা/মাল্টা/বাতাবি লেবুর সবচেয়ে ক্ষতিকর এবং মারাত্মক একটি রোগের নাম হল ক্যাংকার রোগ। এটি একটি ব্যাক্টেরিয়াজনিত রোগ। এ রোগের জীবণু মাটিতে ৮-১০ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। আলো বা রোদে তা দ্রুত ধ্বংস হয়। গাছের মাটির নিচের অংশ ছাড়া বাকি সব অংশে এ রোগ আক্রমণ করে। সাধারণত গাছের ক্ষত অংশ এবং পত্ররন্ধ্র দ্বারা জীবাণু গাছের ভেতর প্রবেশ করে। এজন্য বর্ষাকালে অধিক বাতাসে গাছের ক্ষতের সৃষ্টি হলে জীবাণু দ্বারা আক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

🌲কিভাবে ক্যাংকার রোগ থেকে গাছকে রক্ষা করবেন?

🍋আক্রান্ত গাছের ডাল ও পাতা ছাঁটাই করে পুড়িয়ে ফেলুন।

🍋প্রুনিং/ছাঁটাইয়ের পর ৩ গ্রাম/লিটার হারে কুরেনক্স (কপার অক্সিক্লোরাইড) ছত্রাকনাশক, ১মিলি/লিটার হারে ইমিটাফ, একসাথে মিশিয়ে পুরো গাছ স্প্রে করে দিতে হবে ৭-১০ দিন পর পর ২-৩ বার। ঘরে তৈরি বোর্দপেষ্ট ব্যবহার করতে পারেন।

🍋পরবর্তীতে যতবার নতুন পাতা আসবে ৩ গ্রাম/লিটার হারে কুরেনক্স, ১মিলি/লিটার হারে ইমিটাফ, একসাথে মিশিয়ে পুরো গাছ স্প্রে করে দিতে হবে।

🍊এভাবে পরিচর্যা করলে লেবু বা সাইট্রাস জাতীয় গাছ সারা বছরই থাকবে ক্যাংকার মুক্ত।

🌱শেয়ার করে টাইমলানে রেখে দিন।

⭐আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি হিসেবে মালচিং শিট এর ব্যবহারঃ⭐মালচিং/মালচিং শিট কী?🔵‘মালচিং’ এসেছে ‘মালচ’ শব্দ থেকে। ‘মালচ’ শব্দে...
09/10/2020

⭐আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি হিসেবে মালচিং শিট এর ব্যবহারঃ

⭐মালচিং/মালচিং শিট কী?

🔵‘মালচিং’ এসেছে ‘মালচ’ শব্দ থেকে। ‘মালচ’ শব্দের অর্থ ‘মাটি ঢেকে দেওয়া’। মৃত অথবা পুরোনো, শুকনো বা কাঁচা পাতা, বিচালি বা খড়, কচুরিপানা প্রভৃতি দিয়ে মাটি ঢেকে চাষ করার প্রথা চালু রয়েছে বিশ্বের অনেক দেশে। চাষের জমিতে এসব বস্তু দিয়ে যখন ঢেকে দেওয়া হয়, তখন তাকে ‘মালচিং' বলা হয়। তবে বর্তমানে চাষাবাদ বাণিজ্যিক ও আধুনিকীকরণ হওয়ায় এ পুরোনো প্রথা বর্জন বা ত্যাগ করে এক ধরনের প্লাস্টিকের ব্যবহার হচ্ছে, যা ‘মালচিং শিট’ নামে পরিচিত।

🔵'মালচিং শিট' আধুনিক চাষাবাদের এক উন্নত পদ্ধতি, যা তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে ফসলের দ্রুত বৃদ্ধি হয়। তাছাড়া এ পদ্ধতির মাধ্যমে চাষের অনুকূল পরিবেশও তৈরি করা সম্ভব।

🔵জমিতে চাষের জন্য প্রথমে সারি তৈরি করে তার ওপর এক ধরনের পাতলা প্লাস্টিকের থান বিছিয়ে সেই থানের ওপর ফসল অনুযায়ী ছিদ্র করতে হয়। এরপর এ ছিদ্রের ভেতর দিয়ে বীজ বা চারা রোপণ করে ফসল উৎপাদন করা হয়।

🔵ব্যবহারে যত সুবিধাঃ

✅পানি সংরক্ষণঃ
ফসলের ক্ষেতে আর্দ্রতা সংরক্ষণে মালচিং বিশেষভাবে উপকারী। কারণ, মালচিং ব্যবহারের ফলে মাটির রসের বাষ্পায়ন প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হয়। অর্থাৎ ফসল ক্ষেতের পানি সূর্যের তাপ ও বাতাসে দ্রুত উড়ে যায় না। এতে জমিতে রসের ঘাটতি পড়ে না। ঘাটতি না হওয়ায় সেচ দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। বর্ষাকালে শুধু বৃষ্টির পানি হলেই চলে। কারণ, এ পানি প্লাস্টিকের ছিদ্র দিয়ে শেকড়ে পৌঁছায়। এর মাধ্যমে পানির যথাযথ ব্যবহার ও সংরক্ষণ সম্ভব। তখন আর সেচ দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। মালচিং ব্যবহারের ফলে জমিতে ১০ থেকে ২৫ শতাংশ আর্দ্রতা সংরক্ষণ হয়

✅আগাছা নিয়ন্ত্রণঃ
মালচিংয়ের ছিদ্র দিয়ে রোপণ করা গাছ বেরিয়ে আসে। আর বাকি অংশটুকু ঢেকে থাকায় আগাছা বের হতে পারে না। অর্থাৎ, প্লাস্টিকে ঢেকে থাকার কারণে সেখানে সূর্যালোক পৌঁছাতে পারে না। ফলে সালোকসংশ্লেষণ সংগ্রহ করতে না পারায় ওই অংশে আগাছা জন্মায় না। এতে মাটির পুরো খাদ্য গাছ একাই পায়। ফলে ভালো হয় ফলন।

✅পোকা নিয়ন্ত্রণঃ
মালচিংয়ের ফলে পোকার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। নিমাটোড বা ফসলে কৃমির আক্রমণ রোধ হয়। পলিথিন-জাতীয় এ শিটের ওপরের রঙ সিলভার, নিচের রঙ কালো। সিলভারে সূর্যের আলো প্রতিফলিত হয়। ফলে পোকা বসতে পারে না। গাছে পোকা ধরে কম। এতে গাছ ও ফল নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে৷

✅সারের ব্যবহার হ্রাসঃ
এ পদ্ধতি ব্যবহারে জমি ও গাছে তুলনামূলক কম সার দিতে হয়। এতে চাষির খরচ কমে যায়।

✅দ্রুত অঙ্কুরোদ্গমঃ
প্লাস্টিক শিট দিয়ে মাটি ঢেকে রাখার ফলে ঢাকা অংশের উষ্ণতা রাত ও শীতকালে তুলনামূলক তপ্ত থাকে। ফলে বীজ থেকে অঙ্কুরোদ্গম দ্রুত হয়। এছাড়া শীতকালে মালচ ব্যবহার করলে মাটিতে প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা ধরে রাখা সম্ভব।

✅ফলের রঙ ধারণঃ
প্লাস্টিক মালচিংয়ের প্রতিফলিত আলো ফলের রঙ ধারণে সহায়তা করে।

✅সবজি চাষে মালচিং পদ্ধতির ব্যবহার বেলে ও দোঁআশ মাটির ক্ষেত্রে উপযোগী। এ পদ্ধতিতে চাষ করতে হলে প্রথমে জমি তৈরি করে নিতে হবে। যেমন ৩৩ শতাংশ বা ১ বিঘা জমিতে মালচিং করার আগে মাটির সঙ্গে ৫০ মন জৈব সার ও রাসায়নিক সার যেমনঃ ড্যাপ ৪০ কেজি, পটাশ ২৫ কেজি, জিপসাম ১২ কেজি, চিলেটেড দস্তা ১ কেজি, সলু বোরন ১ কেজি, ম্যাগনেসিয়াম ৩ কেজি, কার্বোফুরান ২ কেজি, কার্বেন্ডাজিম ২০০ গ্রাম মিশিয়ে জমি চাষ দিয়ে ১ হাত বা ৪৫ সেমিঃ বেড তৈরি করতে হবে মাচা ফসলের ক্ষেত্রে৷ এক বেড থেকে আরেক বেডের দূরত্ব ৪৫ সেন্টিমিটার হওয়া উচিত। মাচা ফসলের ক্ষেত্রে ৬/৭ হাত দুরত্ব রেখে আবার বেড করবেন৷ এখানে মাচা হবে৷ পেঁপে বা যেকোন মাঠ সবজি যেমন টমেটো, বেগুন, মরিচ, ক্যাপসিকাম ইত্যাদির ক্ষেত্রে ৩- ৩.৫ ফুট প্রস্হের বেড তৈরি করবেন৷ এরপর তৈরি করা বেডে বিশেষ এ পলিথিন বিছিয়ে দিতে হবে। বিছানোর সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এ সময় পলিথিন টানটান করে বিছিয়ে দেওয়া উত্তম। এতে আগাছা জন্মানোর কোনো সুযোগ থাকবে না। পলিথিনের নিচে যাতে পানি প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বেডের দুই ধারের পলিথিন চার থেকে ছয় ইঞ্চি মাটির গভীর ঢুকিয়ে মাটি চাপা দিতে হবে, যা প্লাস্টিকগুলোকে মাটির সঙ্গে ধরে রাখতে সাহায্য করে। এখন পলিথিন বিছানো বেডে মাপযোগে ফুটো করে তাতে বীজ বপন বা চারা রোপণ করতে হবে। প্রতি ৬ ফুট পরপর পেঁপে চারা রোপন করবেন৷ ২ পাশে প্রতি ১ হাত পরপর সবজি চারা রোপন করবেন৷ মাচা ফসলের ক্ষেত্রেও ১ হাত পরপর চারা রোপন করতে হবে৷ মালচিংয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে উপযুক্ত হলো ড্রিপ বা বিন্দু সেচ। এমন সুযোগ যদি না থাকে তাহলে এক একটি সারির পর ছোট নালা তৈরি করেও সেচ দেওয়া যায়। প্লাস্টিকগুলো একাধিকবার একই ধরনের ফসলের চাষের ক্ষেত্র ব্যবহার করা সম্ভব।

লেখা:- কৃষিবিদ শিবব্রত ভৌমিক
কৃষি কর্মকর্তা, কৃষি ইউনিট
পিকেএসএফ এবং সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা

❇শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন।

 #জাম্বুরার_১৩_টি_স্বাস্থ্য_উপকারিতাআমরা জানি জাম্বুরা একটি পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ফল। জাম্বুরা বাংলাদেশে বিভিন্ন নামে পরিচিত।...
29/06/2020

#জাম্বুরার_১৩_টি_স্বাস্থ্য_উপকারিতা

আমরা জানি জাম্বুরা একটি পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ফল। জাম্বুরা বাংলাদেশে বিভিন্ন নামে পরিচিত। এই জাম্বুরাকে এক এক অঞ্চলে এক এক নামে বলা হয়। যেমন-জাম্বুরা, বাতাবি লেবু, বাদামি লেবু, ছোলম, বড় লেবু ইত্যাদি। জাম্বুরাতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। লেবু যত প্রকারের আছে তন্মধ্যে এই জাম্বুরা হচ্ছে সর্বাপেক্ষা পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ।

বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ফারাহ মাসুদা তিনি জানান প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যযোগ্য জাম্বুরায় রয়েছে;

খাদ্যশক্তি ৩৮ কিলোক্যালরি।
প্রোটিন ০.৫ গ্রাম।
স্নেহ ০.৩ গ্রাম।
শর্করা ৮.৫ গ্রাম।
খাদ্যআঁশ ১ গ্রাম।
থায়ামিন ০.০৩৪ মিলি গ্রাম।
খনিজ লবণ ০.২০ গ্রাম।
রিবোফ্লেভিন ০.০২৭ মিলি গ্রাম।
নিয়াসিন ০.২২ মিলি গ্রাম।
ভিটামিন বি২ ০.০৪ মিলি গ্রাম।
ক্যারোটিন ১২০ মাইক্রো গ্রাম।
আয়রন ০.২ মিলি গ্রাম।
ক্যালসিয়াম ৩৭ মিলি গ্রাম।
ভিটামিন বি৬ ০.০৩৬ মিলি গ্রাম।
ভিটামিন সি ১০৫ মিলি গ্রাম।
ম্যাগনেসিয়াম ৬ মিলিগ্রাম।
ম্যাংগানিজ ০.০১৭ মিলিগ্রাম।
ফসফরাস ১৭ মিলিগ্রাম।
পটাশিয়াম ২১৬ মিলিগ্রাম।
সোডিয়াম ১ মিলিগ্রাম।

১. ঔষধি গুণ
জাম্বুরা শরীরে মেটাবলজম বাড়িয়ে দেয়, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। এতে রয়েছে এমন কিছু এনজাইম, যা ফ্যাট পুড়িয়ে ফেলতে সাহায্য করে। ক্যালিফোর্নিয়ার নিউট্রিশন এন্ড ম্যাটাবলিজম সেন্টারের এক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, শুধু খাবার গ্রহণের ৩০ মিনিট আগে এক গ্লাস জাম্বুরার জুস খেয়ে ১২ সপ্তাহে ওজন কমানো সম্ভব দুই থেকে পাঁচ কেজি পর্যন্ত।

২. ওজন কমাতে সহায়ক
যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য জাম্বুরা একটি জনপ্রিয় খাবার। সুস্বাদু, জাম্বুরা, ক্যালোরি খুব কম, প্রতি ১০০ গ্রাম জাম্বুরায় মাত্র ৪২ ক্যালোরি রয়েছে। ক্যালরি কম থাকায় ডায়াবেটিস ও স্থুলকায়দের জন্য খুবই উপকারী ফল। এটি অদ্রবণীয় ফাইবার ও শালিজাতীয় সমৃদ্ধ। এই আঁশ হজম ও বিপাকক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে, ওজন কমাতে সাহায্য করে।

তিন মাসে দুই থেকে পাঁচ কেজি ওজন কমাতে চাইলে খাবার খাওয়ার ত্রিশ মিনিট আগে এক গ্লাস জাম্বুরার রস খান, ওজন কমবে। এটি গবেষণায় প্রমাণিত।

২০০৬ সালের জার্নাল অফ মেডিসিনাল ফুড এ প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয় যে, যারা প্রতিবার খাবার পূর্বে অর্ধেক জাম্বুরা খান তাদের খাবারের অন্যকোন পরিবর্তন করা ছাড়াও ১২ সপ্তাহে সাড়ে তিন পাউন্ড ওজন কমে।

৩. সর্দি-জ্বর
প্রতিদিন একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের যতটা ভিটামিন ‘সি’ প্রয়োজন, একটা জাম্বুরাতে তার চেয়ে বেশি পাওয়া যায়। ঠান্ডা, সর্দি-জ্বর ইত্যাদি সমস্যায় জাম্বুরা বেশ উপকারী। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। মুখ এবং পাকস্থলীর ক্যান্সার থেকেও সুরক্ষা দেয় ভিটামিন সি। শরীরের ফ্রি র‍্যাডিকেলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতেও সাহায্য করে জাম্বুরা । দৈনিক ভিটামিন সি এর চাহিদার ৭৮% পূরণ করতে পারে অর্ধেকটা জাম্বুরা।

৪. হৃদরোগে সুরক্ষা
জাম্বুরায় রয়েছে প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম। এটি রক্তনালি প্রসারিত করে ও রক্তচাপ কমায়। জাম্বুরা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে। জাম্বুরার পেকটিন রক্তে কলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয় সেইসঙ্গে হৃদরোগের হাত থেকে রক্ষা করে।

৫. ক্যান্সার সুরক্ষা
প্রতিদিন এক গ্লাস করে বাতাবি লেবু জুস করে খেলে ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে। জার্নাল অফ নিউট্রিশনাল বায়োকেমেস্ট্রিতে প্রকাশিত গবেষণায় জানা যায় যে, প্রোস্ট্রেট ক্যান্সার কোষের ক্ষতিগ্রস্থ DNA এর মেরামতে সাহায্য করে জাম্বুরা। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন সি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমার সাথে সম্পৃক্ত।

বাতাবি লেবুতে আছে বায়োফ্লভনয়েড যা ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে মানুষকে রক্ষা করে। এটি প্রাকৃতিক ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ ফল, এবং এর ফ্ল্যাভোনয়েড ফুসফুসের এবং মুখের গহ্বরে ক্যান্সার হুয়া থেকে রক্ষা করে।

৬. দৃষ্টি শক্তির বৃদ্ধি
এক গবেষণায় দেখা গেছে, জাম্বুরা ফল খাওয়ার ফলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য আছে যা দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য উপাদান। এতে ভিটামিন রয়েছে (প্রতি ১০০ গ্রামে ১১৫০IU), এছাড়াও এটি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, ফাইবার, বায়োফ্লভনয়েড, পেকটিন বিটা ক্যারোটিন, ম্যাঙ্গানিজের উত্তম উৎস।

৭. দাঁতের মাড়ির রোগ নিয়ন্ত্রণে
মাড়িকে সুস্থ রাখার জন্য ভিটামিন সি অত্যাবশ্যকীয়। ব্রিটিশ ডেন্টাল জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে জানা যায় যে, যাদের মাড়ির রোগ আছে তাদের প্রতিদিন জাম্বুরা খেলে মাড়ির রক্ত ঝরা কমে যায়। এই গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের ভিটামিন সি গ্রহণের মাত্রা বৃদ্ধির ফলে মাড়ির সমস্যা ভালো হয়।

৮. কিডনিতে পাথর দূর করার উপায়
জাম্বুরা নারিনজেনিন থাকে যা কিডনিতে সিস্ট হওয়া প্রতিরোধ করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্লামেটরি প্রভাব শুধু কিডনির সিস্ট গঠনেই বাঁধা দেয় না বরং কিডনির ফোলা কমাতেও সাহায্য করে।

৯. ক্ষতস্থানে জাম্বুরা
চলতে ফিরতে আমরা নিজেরা বা আমাদের ছোট ছোট বাচ্চা ছেলে মেয়ে এমনকি বয়স্করাও প্রায়শই হাত পা কেটে ফেলে । তবে এ ক্ষেত্রে জাম্বুরা খুব ভাল কাজ করে। যে কোনো ধরনের কাটা ছেঁড়া ও ক্ষত স্থানে হালকা জাম্বুরার জুস বা রস লাগিয়ে দিলে এটা বেশ কার্যকরী।

১০. এসিডিটি রোধে জাম্বুরা
প্রতি ১০০ গ্রামে বিটা ক্যারোটিনের পরিমাণ ১২০ মি.গ্রা, ভিটামিন ৬০ গ্রাম, ভিটামিন ‘বি’ ও থাকে যা এসিডিটি বা গ্যাস প্রতিহত করে। তাই যাদের গ্যাস বা এসিডিটির সমস্যা হয় তারা জাম্বুরা খেলে উপকার পাবেন বলে আশা করা যায়।

১১. রক্ত পরিষ্কার রাখে
জাম্বুরার ভিটামিন ‘সি’ রক্ত পরিষ্কার রাখে এবং রক্তনালির সংকোচন-প্রসারণের ক্ষমতা বাড়ায়। রক্তের লোহিত কণিকাকে টক্সিন ও অন্যান্য দূষিত পদার্থের হাত থেকে রক্ষা করে বিশুদ্ধ অক্সিজেন পরিবহনে সহায়তা করে। ভিটামিন ‘সি’ বেশি থাকায় রক্তনালির সংকোচন-প্রসারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ডায়াবেটিস, জ্বর, নিদ্রাহীনতা, মুখের ভেতরে ঘা, পাকস্থলী ও অগ্ন্যাশয়ের বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

১২. বয়স ধরে রাখে
এটি বার্ধক্য প্রতিরোধে সহায়তা করে। অল্প বয়সে বৃদ্ধলোকের মতো দেখাটা বেশ বিরক্তিকর সমস্যা। দেখা গেছে বয়স হবার অনেক আগেই অনেককে দেখতে বয়স্ক বয়স্ক লাগে। জাম্বুরাতে রয়েছে নানা প্রকার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট । জাম্বুরায় থাকা এই অ্যান্টি অক্সিডেন্ট বয়স ধরে রাখতে সহায়তা করে এবং বুড়িয়ে যাওয়া বিলম্বিত করে। জাম্বুরায় স্পারমেডিন নামক একটি বিশেষ উপাদান রয়েছে।

১৩. মজবুত হাড়
আমাদের দেহে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও সোডিয়ামের অভাব হলে অস্টিওপোরোসিসসহ হাড়ের নানাবিধ রোগ দেখা দেয়। জাম্বুরাতে এই খনিজ উপাদানসমূহ পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায়।

সতর্কতাঃ
জাম্বুরার এত সব গুনাগুন দেখে আকৃষ্ট হয়ে রাস্তার পাশে মসলা মাখানো জাম্বুরা না খাওয়াই উত্তম। আর একটি ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। পটাশিয়াম থাকার কারণে কিডনি বিকলতার রোগীরা জাম্বুরা বেশি পরিমাণে খেতে পারবেন না। আবার যাঁদের রক্তচাপ কম, তাঁদেরও একটু সাবধানে খেতে হবে।

বাংলাদেশে মৌসুমি ফল হিসেবে জাম্বুরার প্রচুর সমাদর রয়েছে। হাল্কা টক স্বাদের সুস্বাদু এই ফল ফলটি অত্যন্ত পুষ্টিকর। দেশের বাহিরে ও এই ফলের অস্থিত্ব রয়েছে ভারত, চীন, জাপান, ফিজি, দক্ষিণ আফ্রিকা, এমনকি আমেরিকাতেও তবে বিভিন্ন জায়গায় আলাদা আলাদা রকমের বাতাবী লেবু পাবেন। কোথাও জাম্বুরার ভেতরের রসাল কোষগুলো হলুদ আবার কোথাও লাল বা গোলাপি হয়ে থাকে।

যারা ছাদবাগান করছেন বা করতে চাচ্ছেন তারা অন্তত একটি করে জাম্বুরার গাছ লাগাতে পারেন।

চারা রোপণ
25/06/2020

চারা রোপণ

চারা উত্‍পাদন
24/06/2020

চারা উত্‍পাদন

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Garden Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Garden Care:

Share