Dinajpur Agro Farm

Dinajpur Agro Farm In a world where big businesses thrive by driving food prices down and lowering quality and nutritio

২৯/০৬/২০২৪ইং দীর্ঘ অপেক্ষার পর ক্ষুদ্র-আকারে আবারও চালু হলো “দিনাজপুর এগ্রো ফার্ম” এবারের প্রজেক্ট হচ্ছে পিওর দেশি মুরগী...
29/05/2024

২৯/০৬/২০২৪ইং
দীর্ঘ অপেক্ষার পর ক্ষুদ্র-আকারে আবারও চালু হলো “দিনাজপুর এগ্রো ফার্ম”
এবারের প্রজেক্ট হচ্ছে পিওর দেশি মুরগী নিয়ে । বর্তমানে গ্রাম থেকে সংগ্রহ করা দেশি মুরগীর ডিম থেকে নিজস্ব মেশিনে বাচ্চা ফুটিয়ে উপযুক্ত বাচ্চা বাজার-জাত করণ । দীর্ঘ বিরতির পর প্রথমে পরীক্ষামূলক ১১০টি ডিম মেশিনে দেওয়া হয়েছে । ২১ দিন পর এর উপযুক্ত ফলাফল পাওয়া যাবে আশা করছি ।
এরপর থেকে প্রত্যেকটি ধাপে বিস্তারিত তথ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠানের পেজে পোষ্ট করা হবে ।

গবাদিপশুর চোখে কৃমি/পরজীবির সংকক্রমন।সাধারন নক্ষণসমূহঃকৃমি সংক্রমণের সাধারণ লক্ষণগুলি হ'ল রুক্ষ চুলের আবরণ, ডায়রিয়া, ক...
13/06/2020

গবাদিপশুর চোখে কৃমি/পরজীবির সংকক্রমন।সাধারন নক্ষণসমূহঃ
কৃমি সংক্রমণের সাধারণ লক্ষণগুলি হ'ল রুক্ষ চুলের আবরণ, ডায়রিয়া, ক্ষীণতা, ওজন হ্রাস এবং / বা রক্ত ​​হ্রাস। বাহ্যিক পরজীবীর লক্ষণগুলি হ'ল চুল পড়া (উকুন), স্ক্যাবস (মাইটস), পিঠে পিণ্ড (গ্রাবস) বা রক্ত ​​ক্ষয় (মাছি, চুষে উকুন এবং টিক্স) এবং ওজন হ্রাস।
থেলাজিয়া (স্পিরুরিডা, থেলাজিডি) জেনাসে একটি কসমোপলিটান গ্রুপ রয়েছে যা ঘরোয়া এবং বন্য প্রাণীগুলিতে চোখের সংক্রমণের জন্য দায়ী এবং বিভিন্ন প্রজাতির পেশীবহুল সংক্রমণ দ্বারা পরিচালিত চোখের কৃমি স্পাইরিডসকে অন্তর্ভুক্ত করে। The genus Thelazia (Spirurida, Thelaziidae) includes a cosmopolitan group of eye worm spirurids responsible for ocular infections in domestic and wild animals and transmitted by different species of muscids. Eye worms (Thelazia spp) are common parasites of cattle and horses in many countries.চোখের কৃমি (থেলাজিয়া এসপিপি) অনেক দেশে গবাদি পশু এবং ঘোড়ার সাধারণ পরজীবী। গবাদি পশুগুলি প্রাথমিকভাবে টি গুলোসা, টি স্ক্রাজ্বিনী এবং টি রোডেসি দ্বারা সংক্রামিত হয়; পরেরটি বহু দেশে গবাদি পশুদের জন্য সবচেয়ে সাধারণ এবং ক্ষতিকারক। Cattle are infected primarily by T gulosa, T skrjabini, and T rhodesii; the latter is the most common and harmful to cattle in many countries. Horses are infected mainly by T. lacrymalis. These worms live in the conjunctival sac (eyelid) of the eye in many species of livestock. ঘোড়াগুলি মূলত টি ল্যাক্রিমালিস দ্বারা সংক্রামিত হয়। এই কীটগুলি প্রাণীর অনেক প্রজাতির চোখের কনজেক্টিভাল থলিতে (চোখের পাতা) বসবাস করে। কৃমি 2 সেমি পর্যন্ত লম্বা এবং পাতলা এবং সাদা। এক বা উভয় চোখ আক্রান্ত হতে পারে। দৃষ্টান্ত স্বরুপ কোন একটি প্রাণীর এক চোখে 90 টি পরজীবী পাওয়া গেছে (সোলসবি, 1982)। সংক্রমণ সারা বছর পাওয়া যেতে পারে, তবে ক্লিনিকাল রোগের প্রকোপগুলি, বিশেষত গবাদি পশুগুলিতে সাধারণত মাছিদের উষ্ণ মৌসুমের ক্রিয়াকলাপের সাথে জড়িত। বর্তমান কাগজটি গবাদি পশুগুলিতে চোখের কৃমি সংক্রমণের ক্ষেত্রে এবং এটি পুনরুদ্ধারের বিষয়ে আলোচনা করে। মামলার ইতিহাস স্থানীয় কৃষকের অন্তর্ভুক্ত একটি পাঁচ বছরের পুরানো গাভী এবং দ্বিতীয় সমতাতে, কোলচারাম, মেডাকের তারিখের ভেটেরিনারি ডিসপেনসারিতে উপস্থাপন করা হয়েছিল। বাম চোখে কনজেক্টিভাইটিস, মেঘলাভাব এবং কর্নিয়াল অস্বচ্ছতার ইতিহাস সহ অন্ধ্রপ্রদেশ। আরও অ্যানামনেসিস প্রকাশ করেছে যে প্রাণীটি অ্যান্টিবায়োটিকগুলির প্রতিক্রিয়া নয়। ক্লিনিকাল পর্যবেক্ষণগুলি প্রাণীটি নিস্তেজ, হতাশাগ্রস্ত এবং এওনোরেক্টিক ছিল মারাত্মক কনজেক্টিভাইটিস, বাম চোখের কঞ্জাকটিভাল শোথ। দেহের তাপমাত্রা, নাড়ি এবং শ্বাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণগুলি সাধারণ সীমার মধ্যে ছিল। বিস্তারিত ক্লিনিকাল পরীক্ষায় একটি চোখের কীট (থেলাজিয়া এসপিএস) জোর চলাচল করে চোখে কুঁচকে উঠতে দেখা যায়। চিকিত্সা প্রাথমিকভাবে বাম চোখের মধ্যে স্থানীয় অবেদনিক অ্যাসেথেলিকের প্রবেশের পরে স্ট্যান্ডার্ড পদ্ধতি অনুসারে চোখের কৃমিটি সার্জিকালি সরানো হয়েছিল। বোরিক পাউডার জলীয় দ্রবণ দিয়ে চোখটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সেচ দেওয়া হয়েছিল। সিপলক্স-ডি (সিপ্রোফ্লোক্সাকসিন এবং ডেক্সামেথসোন) চোখের ফোটা প্রতি 5 ঘন্টা অন্তর 5 ঘন্টা প্রদাহ এবং গৌণ ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের দমনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল। ইভারমেকটিনকে 0.2 মি.গ্রা / কেজি শরীরের ওজন সাব-কটূন্যভাবে ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল। প্রাণী সম্পূর্ণরূপে সুস্থ করা হয়েছিল। আলোচনার মুখের উড়ে আসার অভ্যাসগুলি, মাসকা লার্ভিপাড়া এবং মুসকা কনভেক্সিফ্রনগুলিতে অকুলার ক্ষরণগুলির জন্য একটি পছন্দ অন্তর্ভুক্ত থাকে, যা সংক্রমণের জন্য আদর্শ। T রোডেসির প্রথম লার্ভা মাছিদের অন্ত্রে প্রবেশ করে এবং ডিম্বাশয়ের ফলিকালগুলিতে প্রবেশ করে, যেখানে তারা বিকাশ করে, দ্বিতীয় লার্ভা হয়ে ওঠে যা গাঁদা এবং তৃতীয় লার্ভা, সংক্রামক লার্ভাতে পরিণত হয়। তৃতীয় লার্ভা ডিম্বাশয় ফলিকলগুলি ছেড়ে যায় এবং মাছিটির মুখপত্রগুলিতে স্থানান্তর করে, যেখান থেকে তারা গবাদি পশুগুলিতে স্থানান্তরিত হয় (ক্লেসভ, 1950)। গবাদি পশুদের মধ্যে যৌন পরিপক্ক কৃমির বিকাশ প্রায় 1-4 সপ্তাহ সময় নেয়। প্রাপ্তবয়স্ক পরজীবীগুলি কণিকাভিটির পৃষ্ঠের উপর এবং ল্যাক্রিমাল এবং ন্যাসো লাক্রিমাল নালীগুলিতে কল্পিত ঝিল্লির পিছনে পাওয়া যায়। কৃমিতে একটি রুক্ষ ছত্রাক (ত্বক) থাকে যা কর্নিয়ায় জ্বালা এবং জ্বলন সৃষ্টি করে। ল্যাক্রিমাল গ্রন্থি এবং মলমূত্র নালীগুলির আক্রমণে প্রদাহ এবং নেক্রোটিক এক্সিউডেশন হতে পারে। হালকা থেকে মারাত্মক কনজেক্টিভাইটিস এবং ব্লিফারাইটিস সাধারণ। কর্নিয়া প্রদাহজনিত, আলসারেটেড, ছিদ্রযুক্ত এবং যদি উপস্থিত না হয় তবে পরবর্তী পর্যায়ে ফাইব্রোসড হতে পারে, বিশেষত গবাদি পশুগুলিতে T রোডেসি সংক্রমণের সাথে।

পোস্টঃ সংগ্রহীত

শখের খামার বনাম শোকের খামারঃ খামার করতে গেলে যে বিষয়গুলো অবশ্যই মাথায় রাখবেন। প্রথম পর্বঃ জীবনের একটা পর্যায়ে এসে আমাদের...
29/04/2020

শখের খামার বনাম শোকের খামারঃ খামার করতে গেলে যে বিষয়গুলো অবশ্যই মাথায় রাখবেন।

প্রথম পর্বঃ

জীবনের একটা পর্যায়ে এসে আমাদের প্রায় সবার মনেই স্বপ্নের একটা খামার গড়ার ইচ্ছে তৈরি হয়।অবসরপ্রাপ্ত চাকুরীজীবী থেকে প্রবাসী ভাই বা বেকার, সবারই মনের কোনায় একটা খামার গড়ার স্বপ্ন থাকে। শখের খামারকে বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য বেশিরভাগ মানুষই কোনরূপ পূর্বপরিকল্পনা বা অভিজ্ঞতা ছাড়াই ঝাপিয়ে পড়ে খামার গড়তে। ফলে বেশিরভাগ শখের খামার একটা সময় বিশাল ক্ষতির মাঝে পড়ে শোকের খামারে পরিণত হয়। এর মাঝে অল্প কিছু খামারী আছে যারা কঠোর পরিশ্রম, বিশুদ্ধ জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার ফলে সফল হয়।

বর্তমানের একটা ট্রেন্ড হচ্ছে ইউটিউবে বা ফেসবুকে বিভিন্ন খামারের এক বা একাধিক ভিডিও দেখেই মানুষ এলাম, দেখলাম, জয় করলাম টাইপ চিন্তা ভাবনা করে ঝাপিয়ে পড়ে খামার গড়তে। কোনরূপ কোন প্রকার প্রশিক্ষন বা টেকনিক্যাল জ্ঞান (মার্কেট এনালাইসিস বা রিসোর্স ) না থাকার ফলে বেশিরভাগ খামারই মুখ থুবড়ে পড়ে। অথচ Livestock & Poultry Farming একটি বিশুদ্ধ বিজ্ঞান। একেবারে প্রথম থেকেই কেউ যদি বিজ্ঞান ভিত্তিক খামার শুরু করে তাহলে সেই খামারে লসের সম্ভাবনা শূণ্যের কোঠায় নেমে আসে। যদিও লাইভস্টক বা পোল্ট্রি জীবন্ত প্রাণি নিয়ে কাজ করে তাই এইখানে ঝুঁকি থাকবেই। তবে সঠিক বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই ঝুঁকি বহুলাংশে কমিয়ে নিয়ে আসা যায় ।



তাই আজকের লেখায় যারা খামার করতে চায় তাদের উদ্দেশ্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। লেখার কলেবড় একটু বড় হওয়ায় দুই বা তিন খন্ডে লেখাটা দিবো।

যেকোন খামার গড়তে গেলে প্রথমেই আপনাকে দুটো বিষয় নির্দিষ্ট করতে হবে। প্রথমত কত বছর খামারে বিনিয়োগ করবেন এবং কত টাকা বিনিয়োগ করবেন। অনেকেই যে ভুলটা করে সেটা হচ্ছে , প্রথমেই লাখ লাখ টাকা অবকাঠামোতে (বিল্ডিং, স্থাপনা ইত্যাদি) এবং খামারের প্রাণি কিনতে খরচ করে ফেলে। অতঃপর যখন প্রথম বারেই ক্ষতির সম্মুখীন হয় তখন টাকার অভাবে আর এগোতে পারেনা। ফলে লাখ লাখ টাকার বিল্ডিং শূন্য পড়ে থাকে। তাই বাজেট এবং সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বিজ্ঞান ভিত্তিক খামার করতে গেলে সবার আগে ৪ টা বিষয় মাথায় রাখতে হবে। যেহেতু খামার ব্যবসাটা জীবন্ত প্রাণি নিয়ে করতে হয় তাই সবসময় একটা ঝুঁকি থাকে। এই জন্য প্রথম কয়েকবছর ঝুঁকির সম্ভাবনা নিয়েই খামার শুরু করতে হবে।

বিষয়গুলি হচ্ছেঃ

১) প্রশিক্ষন ও অভিজ্ঞতা

২) সম্পদের প্রাপ্যতা

৩) উপকরণ প্রাপ্তির নিশ্চয়তা

৪) বাজারের নিশ্চয়তা

আজকের পর্বে শুধু প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করবো।

১) প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা

খামার গড়তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে প্রশিক্ষণ এবং অভিজ্ঞতা। যে পশু বা পোল্ট্রি নিয়ে আপনি খামার গড়বেন তার বায়োলোজিক্যাল বৈশিষ্ট্য আপনার জানা থাকা আবশ্যক। এই জন্য প্রশিক্ষণের কোন বিকল্প নেই।

যেমন, ডেইরি খামার করতে গেলে কোন জাত দিয়ে শুরু করবেন, ভাল দুধের জন্য কোন জাতের বীজ দিয়ে কোন গাভীকে প্রজনন করাবেন, কখন প্রজনন করাবেন, গর্ভবতী না হলে কি করবেন, ৩-৪ বছর বছর কোন বাছুরগুলো খামারে রাখবেন এবং কোনগুলো বিক্রি করবেন এই সম্পর্কে অবশ্যই একজন খামারীকে জানতে হবে। তা না হলে অনেক মূল্যে কেনা ভাল জাতের গাভী দিয়ে শুরু করা খামার কয়েক বছর পর দুধ উৎপাদন কমতে শুরু করবে।

এছাড়া বিফ বা মাংসল জাতের খামার শুরু করতে গেলেও এই সংশ্লিষ্ট জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। পোল্ট্রির কোন প্রজাতির চাহিদা বেশি, কোন জাতের উৎপাদন ক্ষমতা ভালো, কিভাবে খামার ব্যবস্থাপনাতে কম খরচ করে বেশি উৎপাদন পাওয়া যায় সবই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জানতে পারবেন।

তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণের পর অভিজ্ঞতাটা খুবই জরুরি। এইজন্য হাতে কলমে প্রশিক্ষণ নেয়ার পাশাপাশি সরকারি বেসরকারি পরিদর্শন পূর্বক অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। ত্বাত্ত্বিক প্রশিক্ষণটা বাস্তবে সাথে মেলানোর জন্য তাই অভিজ্ঞতার কোন বিকল্প নেই।

প্রথম পর্ব সমাপ্ত।

ধারাবাহিকভাবে লেখাগুলো পড়তে আমাদের ফেসবুক গ্রুপ “স্কুল অফ লাইভস্টক এন্ড পোল্ট্রি ফার্মিং” এ জয়েন করুন। লেখাটি শেয়ার করে গ্রুপটি সম্পর্কে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন।

এ এফ এম ফয়জুল ইসলাম

পোল্ট্রি ডেভেলপমেন্ট অফিসার , প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ।

 #পাখির_জন্য_গুরুত্বপূর্ণ_কিছু_প্রাকৃতিক_খাবার_ও_উপকারিতাঃ১) তুলসী পাতা : ঠান্ডা, কাশি, শ্বাস কস্ট, ফুসফুসের সমস্যা দূর ...
22/02/2020

#পাখির_জন্য_গুরুত্বপূর্ণ_কিছু_প্রাকৃতিক_খাবার_ও_উপকারিতাঃ

১) তুলসী পাতা : ঠান্ডা, কাশি, শ্বাস কস্ট, ফুসফুসের সমস্যা দূর করে, জ্বরনাশক, ভিটামিন কে এর উৎস।
প্রচণ্ড শীতে ঠান্ডা জনিত সমস্যা প্রতিরোধে সপ্তাহে একদিন দিতে পারেন। এক লিটার পানির সাথে ৫-১০মিলি পাতার রস।

২) এলভেড়া : গরমে দুর্বলতা কমায়, কিডনি ফুসফুস ভাল থাকে, পালক গজায়, পেটের সমস্যা দূর করে, বাচ্চার লোম ছেঁড়া বন্ধ হয়, কাঁটা ছেঁড়া পোড়া ক্ষত ভাল হয়, ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারী।
সারাবছর নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন, সপ্তাহে একদিন করে। এক লিটার পানির সাথে ১০-১৫মিলি এলভেড়া রস।

৩) পুদিনা পাতা : পেটের সমস্যা ও আমাশয় দূর করে, রুচি বর্ধক ও ঠান্ডা ভাব দূর করে, শক্তিবর্ধক।
৫-১০মিলি রস এক লিটার পানির সাথে মিশিয়ে মাসে এক-দুইদিন।

৪) থানকুনি পাতা : পেটের সমস্যা ও আমাশয় দূর করে, রক্ত পড়া বন্ধ করে, বায়ু নাশক, প্রশান্তি দান করে।
৫-১০মিলি রস এক লিটার পানির সাথে মিশিয়ে মাসে এক-দুইদিন।

৫) নিম পাতা : কৃমি নাশক, শক্তিশালী জীবাণুনাশক, মাইট ধ্বংস হয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, পরিবেশের বাতাস পরিষ্কার করে। বেশি খাওয়ানো যাবেনা।
কৃমি হলে নিমের দ্রবন - প্রতি মাসে টানা ৩ দিন (দিনের বেলায় নিমের দ্রবণ,বিকাল বেলায় সাধারণ খাবারের পানি) ২০/২৫ টি নিম পাতা ভালো করে ধুয়ে ৫০০ মিলি পরিমাণ ফুটন্ত গরম পানিতে ছেড়ে দিন। এর পরে পাত্রটি ঢাকনি দিয়ে ঢেকে ১৫-২০ মিনিট ধরে হালকা আঁচে সিদ্ধ করুন। পানির রঙ গাঢ় বাদামী হলে পাত্রটি চুলা থেকে নামিয়ে ঠাণ্ডা হতে দিন তারপর পাখির পানির পাত্রে দিবেন।

৬) আদা : কফ পরিষ্কার করে, হজমকারক, বায়ুনাশক, বমিভাব দূর করে, দীর্ঘ মেয়াদী ব্যথা দূর করে।
এক লিটার পানিতে এক-দুই চামচ আদা বাটা মিশিয়ে সেই পানি ছেকে খাওয়াতে পারেন সপ্তাহে একদিন।

৭) রসুন : জ্বর নাশক, ঠান্ডা ভাব দূর করে, এগ বাইন্ডিং প্রতিরোধক। আস্ত রেখে দিলে পোকা মাকড় আসে না। বেশি খাওয়ানো যাবেনা।
দুই লিটার পানিতে এক চামচ রসুন বাটা মিশিয়ে সেই পানি ছেকে খাওয়াতে পারেন মাসে এক-দুই দিন।

৮) হলুদ : বায়ুনাশক, ব্যথা নাশক, রক্ত পড়া বন্ধ করে, ক্ষত নাশক, ভাঙ্গা অঙ্গ জোড়া দিতে বিশেষ সাহায্যকারী।
এক লিটার পানিতে এক চামচ হলুদ বাটা মিশিয়ে সেই পানি ছেকে খাওয়াতে পারেন মাসে এক-দুই দিন।

৯) সজনে পাতা : বহু রোগের ঔষধ, ক্যালসিয়াম এর প্রাকৃতিক উৎস, পেটে গ্যাস বদহজম এবং পেটে ব্যথা উপশম করে, টিউমার বা আঘাত জনিত ফোলা উপশমে বেটে প্রলেপের মতো ব্যবহার করা যায়।
এক লিটার পানির সাথে ১০-১৫মিলি পাতার রস প্রতি সপ্তাহে একদিন দিতে পারেন।

১০) লেবুর রস : এন্টি অক্সিডেন্ট, চর্বি কমায়, গরমে দুর্বলতা কমায়, ভিটামিন সি এর উৎস, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, যেকোন ক্ষত দ্রুত শুকায়, রুচি বর্ধক, হজমকারক, ফুসফুসের সমস্যা দূর করে।
#সংগৃহীত

পানির পাত্র হিসেবে ট্রে বা বাটি যাই ব্যবহার করুন না কেন সঠিক পদ্ধতিতে ব্যবহার করুন। সবসময় খাদ্যের পাত্র নিচে ও পানির পাত...
10/02/2020

পানির পাত্র হিসেবে ট্রে বা বাটি যাই ব্যবহার করুন না কেন সঠিক পদ্ধতিতে ব্যবহার করুন। সবসময় খাদ্যের পাত্র নিচে ও পানির পাত্র উপরে রাখতে হবে এতে খাদ্য ও পানি গ্রহনে সুবিধা হয়।

বেইজিং হাসের বাচ্চা নিতে চাইলে যোগাযোগ করুনস্থানঃ বগুড়া মোবাইলঃ০১৬২০১৭১৭০০ (রাহুল)
08/02/2020

বেইজিং হাসের বাচ্চা নিতে চাইলে যোগাযোগ করুন
স্থানঃ বগুড়া
মোবাইলঃ০১৬২০১৭১৭০০ (রাহুল)

বিজয় দিবস বাংলাদেশে বিশেষ দিন হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেশের সর্বত্র পালন করা হয়। প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশে দিনটি ব...
15/12/2019

বিজয় দিবস বাংলাদেশে বিশেষ দিন হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেশের সর্বত্র পালন করা হয়। প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশে দিনটি বিশেষভাবে পালিত হয়। ১৯৭২ সালের ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই দিনটিকে বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয় এবং সরকারীভাবে এ দিনটিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়। ৯ মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানী বাহিনীর প্রায় ৯১,৬৩৪ সদস্য বাংলাদেশ ও ভারতের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে এর ফলে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামে একটি নতুন স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে।

এ উপলক্ষে প্রতি বছর বাংলাদেশে দিবসটি যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য এবং বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে পালিত হয়। ১৬ ডিসেম্বর ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা ঘটে। জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে অনুষ্ঠিত সম্মিলিত সামরিক কুচকাওয়াজে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সদস্যরা যোগ দেন। কুচকাওয়াজের অংশ হিসেবে সালাম গ্রহণ করেন দেশটির প্রধান রাষ্ট্রপতি কিংবা প্রধানমন্ত্রী। এই কুচকাওয়াজ দেখার জন্য প্রচুরসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা নিহত হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের অংশ হিসেবে ঢাকার সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মী, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে থাকেন।

সূত্রঃ উইকিপিডিয়া

পি এইচ ৭.৬অর্থাৎ আন্ত্রিক ব্যাকটেরিয়া জন্মানোর জন্য সব থেকে সুবিধাজনক পানি।এই পানি খাওয়ালে আপনি মোটামুটি ৮০ ভাগ নিশ্চিত ...
03/09/2019

পি এইচ ৭.৬
অর্থাৎ আন্ত্রিক ব্যাকটেরিয়া জন্মানোর জন্য সব থেকে সুবিধাজনক পানি।
এই পানি খাওয়ালে আপনি মোটামুটি ৮০ ভাগ নিশ্চিত থাকতে পারেন যে সংক্রমন হবে। ২০ ভাগ বাকি রাখলাম কারন এদেশে অনিয়ম ও একপ্রকার নিয়ম।
এই পানিকে ঠিক করার জন্য বাজারে বিভিন্ন প্রকার এসিডিফায়ার আছে। মুখস্ত ডোজ না করে আপনার খামারের পানির পিএইচ মেপে কোন এসিডিফায়ার কত ডোজে দিলে পি এইচ ৬ থেকে ৬.৫ এ আসবে সেটা জেনে নিন।
প্রতি ৩ মাস অন্তর পানির পিএইচ পরীক্ষা করুন এবং নিরাপদ থাকুন।

সূত্রঃ- #ডা_শিবলী

 #লেয়ারের_খাঁচালেয়ারের খাচার সঠিক  মাপ এবং জায়গার পরিমান। ভিডিও সহ।লেয়ারের জন্য যে খাঁচা বানানো হয় তাতে তিনটি স্তর থাকে।...
17/08/2019

#লেয়ারের_খাঁচা
লেয়ারের খাচার সঠিক মাপ এবং জায়গার পরিমান। ভিডিও সহ।

লেয়ারের জন্য যে খাঁচা বানানো হয় তাতে তিনটি স্তর থাকে।
প্রতিটি স্তরে চারটি করে একপাশে মোট ১২ টি করে দুই পাশে ২৪ টি বক্স থাকে।
অর্থাৎ এক ইউনিট খাঁচায় মোট ২৪ বক্স এবং প্রতি বক্সে ৩ টি করে ৭২ টি মুরগী রাখা যায়।

খাঁচার মাপ:

প্রতিটি ইউনিটের দৈর্ঘ্য * প্রস্থ * উচ্চতা = ১.৫ ফুট * ১ ফুট * ১.৫ ফুট।

নিচের স্তরের একপাশের ট্রে থেকে অন্যপাশে ডিমের ট্রে পর্যন্ত হয় ৭ ফুট ১০ ইঞ্চি ।

নিচের স্তরের পায়া থেকে পায়া পর্যন্ত দূরত্ব হয় ৬ ফুট ৬ ইঞ্চি ।

প্রতিটি ইউনিট লম্বায় হয় ৬ ফুট ২ ইঞ্চি ।

এখন যদি আমরা ১০০০ লেয়ারের জন্য ঘরের মাপ নিতে চাই তা হলে সহজ হিসেব দাড়াবে।

প্রস্থ: ২.৫ ফুট হাটার জায়গা + ৭ ফুট ১০ ইঞ্চি খাঁচা + ৪ ফুট মাঝখানের হাটার যায়গা + ৭ ফুট ১০ ইঞ্চি + ২.৫ ফুট হাটার জায়গা অর্থাৎ সর্বমোট সর্বনিন্ম ২৫ ফুট। (প্রায়)

দৈর্ঘ্য : প্রতিটি খাঁচায় ৭২ টি করে মুরগী হলে ১০০০ এর জন্য লাগবে ১৪ টি খাঁচা।

দুই সারিতে বসলে প্রতি সারিতে খাঁচার ইউনিট বসবে ৭ টি অর্থাৎ শুধু খাঁচার জন্য লাগবে ৭*৭৪ (৬ ফুট ২ ইঞ্চি প্রতি ইউনিটের দৈর্ঘ্য ) ইঞ্চি = ৫১৮ ইঞ্চি বা ৪৩ ফুট ২ ইঞ্চি ।

দুই পাশে হাঁটার জায়গা লাগবে ৩ ফুট করে ৬ ফুট।

অর্থাৎ, মোট দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৫০ ফুট।

সুতরাং ঘরের মোট মাপ হবে ৫০*২৫ ফুট = ১২৫০ স্কয়ার ফুট শুধুমাত্র খাঁচা এবং হাটার জায়গা বাবদ।
খাদ্য রাখা বা স্টোর এবং থাকার জন্য আলাদা রুম লাগবে।

যদি ড্রেন করা হয় তা হলে প্রতিটি ড্রেনের প্রস্থ হবে ৬ ফুট ৪-৫ ইঞ্চি। যা একদিকে ৬ ইঞ্চি থেকে শুরু হয়ে অন্যদিকে ১-২ ফুট পর্যন্ত ঢালু হবে।

খাচার ফিঞ্চ পাখির মাসিক রুটিন
06/08/2019

খাচার ফিঞ্চ পাখির মাসিক রুটিন

Vaccination Schedule of duckহাসের ভ্যাকসিন শিডিউল।খুবই সহজ এবং সাধারন একটি শিডিউল মনে রাখার জন্য এবং প্রয়োগ করার জন্য।সূ...
08/07/2019

Vaccination Schedule of duck
হাসের ভ্যাকসিন শিডিউল।

খুবই সহজ এবং সাধারন একটি শিডিউল মনে রাখার জন্য এবং প্রয়োগ করার জন্য।

সূত্রঃ- ডাঃ শিবলী

Address

New Town One
Dinajpur
5200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dinajpur Agro Farm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share