ঘাসফুল এগ্রো অর্গানিক ফার্ম

ঘাসফুল এগ্রো অর্গানিক ফার্ম অর্গানিক ভাবে গরু মোটাতাজা করা করা হয়?

21/03/2024

#একটি আত্মবিধ্বংসী জাতির ধ্বংসের উপাখ্যানঃ

◑ দুধে: ফরমালিন।

◑ গরুর দুধ বৃদ্ধিতে: পিটুইটারী গ্ল্যান্ড ইনজেকশন।

◑ মাছে: ফরমালিন।

◑ শাকসবজি টাটকা রাখতে: কপার সালফেট।

◑ আম, লিচু জাম পাকাতে: কারবাইড।

◑ আম, লিচু, জাম সংরক্ষণে: ফরমালিন।

◑ ফল গাছে থাকতেই: হরমোন ও কীটনাশক।

◑ তরমুজে সিরিন্জ দিয়ে দেয়: পটাশিয়াম পার ম্যাঙ্গানেট।

◑ কলা পাকানো হয়: ক্যালসিয়াম কারবাইড।

◑ কফি পাউডারে: তেঁতুলের বিচির গুড়া।

◑ মসলায়: ইটের গুড়া।

◑ হলুদে: লেড ক্রোমেট/ লেড আয়োডাইড।

◑ মুড়িকে ধবধবে সাদা ও বড় করতে: হাইড্রোজ ও ইউরিয়া।

◑ দীর্ঘক্ষন মচমচে রাখার জন্য জিলিপি, চানাচুরে: পোড়া মবিল।

◑ আকর্ষণীয় করতে আইসক্রিম, বিস্কুট, সেমাই, নুডলস ও মিষ্টিতে: কাপড় ও চামড়ায় ব্যবহৃত রং।

◑ ফলের রস তৈরী: ক্যামিকেলস দিয়ে।

◑ বিদেশী মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য/ঔষধ/ক্যামিকেলস: নতুন মেয়াদের স্টিকার লাগিয়ে।

◑ চাল চকচক করতে: ইউরিয়া।

◑ পিয়াজু, জিলাপিতে: এমোনিয়া।

(সূত্র: ইত্তেফাক, পৃষ্ঠা: 2, তারিখ: 26/05/2018)

আরও আছে...
◑ পানি-২০ লিটার (২ টাকা গ্লাস) অধিকাংশই অটোমেশিনে নয় হাতে ঢালা হয়। পারক্সাইড দিয়ে নয় নাম মাত্র পানিতে ধুয়া হয়।

◑ ফলে হরমোন প্রয়োগ করা হয়।

◑ সবুজ ফল ও শাকশব্জিতে কাপড়ের সবুজ রঙ ব্যাবহার হয়, সসেও তাই।

◑ খামারের মুরগিতে বিশাক্ত ক্রোমিয়াম, লেড আর এন্টিবায়োটিক তো আছেই, চাষের মাছেও তাই।

◑ জুস, লাচ্ছি তো উচ্চ মাত্রার প্রিজারভেটিভ।

◑ রুহ আফজাহ আর হরলিক্স তো প্রমানে অপারগ যে এতে আসলে কল্যাণকর কিছু আছে।

◑ মসল্লায় আলাদা রঙ (মেটালিক অক্সাইড)।

◑ সরিষার তেলে ঝাঁজালো ক্যামিকেল।

◑ সয়াবিনে পামওয়েল।

◑ শুটকিতে কিটনাশক।

◑ কসমেটিক্সে ক্যান্সারের উপাদান লেড, মারকারি ও ডাই।

কি খাবেন? কিভাবে খাবেন? একটু ভাবেন! অন্যকেও ভাবতে দিন। বাঙালির আরো অনেক আবিষ্কার আছে যা আমরা হয়তো জানি না। আমরা এক রাতে ধনী হতে চাই এই জাতিকে ধ্বংস করার বিনিময়ে। আসুন আমরা সবাই মিলে এই চক্রকে প্রতিহত করি। জাতিকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাই...

20/03/2024

যারা এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলে টাকা আবার গুনে তারা পৃথিবীর কাউকে বিশ্বাস করে না!

"আমরা বাঙালি মুসলমানরা রোজা রেখে খাদ্যে ভেজাল মিশিয়ে, ওজনে কম দিয়ে দাম বাড়িয়ে মানুষ ঠকিয়ে ব্যবসা করি। আবার লম্বা- টুপি...
16/03/2024

"আমরা বাঙালি মুসলমানরা রোজা রেখে খাদ্যে ভেজাল মিশিয়ে, ওজনে কম দিয়ে দাম বাড়িয়ে মানুষ ঠকিয়ে ব্যবসা করি। আবার লম্বা- টুপি, আতর মেখে মসজিদে গিয়ে জান্নাত খুঁজি.....। এইসব দেখে মনে হয় শয়তানও লজ্জা পায়.....।"

07/08/2021

ফেসবুকে গালিগালাজ, ভীতি প্রদর্শন, হেয় প্রতিপন্ন কিংবা অপমান করলে আপনার করনীয়:

২০০৪ সালে জাকারবার্গ এবং তার বন্ধুদের প্রচেষ্টায় ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর মাত্র কয়েক বছরেই ফেসবুক হয়ে ওঠে পৃথিবীর সবথেকে জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম। ফেসবুক পৃথিবীর সবচেয়ে বড় যোগাযোগ মাধ্যম হওয়ার কারণে অনেক সুবিধা যেমন রয়েছে তেমনি তৈরি হয়েছে অনেক নিত্যনতুন সমস্যা। মানুষ প্রতিনিয়ত নিজের ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় বিভিন্ন ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।

ফেসবুকে যে সকল অপরাধ সংঘটিত হয় তার ভিতর সবচেয়ে বেশি হল অন্যকে কটাক্ষ করে গালিগালাজ, আক্রমণাত্মক কথা বলা, ভীতি প্রদর্শন করা, হেয় প্রতিপন্ন করা,অপমান ইত্যাদি।

এই সকল অপরাধকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ নামে আইন পাশ করা হয়েছে। এই আইনের ২৫ ধারায় এই সকল অপরাধের বর্ণনা এবং শাস্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

উক্ত ২৫ ধারা অনুসারে যদি কোন ব্যক্তি এই ধরনের অপরাধ করে তাহলে তার ৩ বছরের কারাদণ্ড অথবা তিন লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

যদি কোন ব্যক্তি দ্বিতীয় বার বা পুনঃপুন সংগঠন করে তাহলে তার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক দশ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

যদি কোন ব্যক্তি আপনাকে ফেসবুকে গালিগালাজ, হেয় প্রতিপন্ন কিংবা অপমান করেন তাহলে আপনি প্রথমেই সেটার স্ক্রীনশট দিয়ে রাখবেন প্রয়োজন হলে আপনার আরো অন্য ফ্রেন্ডকে স্ক্রিনশট দিতে বলবেন। যদি সম্ভব হয় তাহলে উক্ত পোষ্টের ইউ আর এল সংরক্ষণে রাখবেন। এই সকল বিষয়গুলো নিয়ে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করবেন। থানা যদি মামলা গ্রহণ করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে তাহলে আপনি সরাসরি আদালতে মামলা করতে পারবেন।

শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন।
অন্যদের জানার সুযোগ তৈরি করুন।

লেখক: মোঃ রোকনুজজামান, আইনজীবী, এল এল বি, এল এল এম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

04/09/2020

দুগ্ধ খামারে লস ঠেকাতে গোপন কিছু কৌশল


একটি দুগ্ধ খামারকে লাভবান করার জন্য কিছু বিষয়ের দিকে খেয়াল দেয়া জরুরী।

✓ আপনার খামারে অপ্রয়োজনীয়, আনপ্রোডাক্টিভ গরু বা গাভীকে বিক্রি করে দিন। যে গাভীগুলো কনসেভ করতে সমস্যা, দুধ কম হয় সেগুলো খামারে রাখার দরকার নেই। তিনটি সার্কেলের গাভী রাখুন।

১) প্রথম সার্কেল, যেগুলো এখন দুধ দিচ্ছে
২) দ্বিতীয় সার্কেল, প্রথম সার্কের গাভীর দুধ দেয়া শেষ হলে দ্বিতীয় সার্কেল বাচ্চা দেবে।
৩) তৃতীয় সার্কেল যেটা প্রথম সার্কেলকে সাপোর্ট দিবে

✓ খামারে যত বেশী দুধ দেয়া গরু থাকবে, খামারে তত বেশী লাভ। এই বেশী দুধের গরু তৈরীর জন্য জাত উন্নয়ন করে নিতে হবে। আপনার হাতে ভাল দুধের গরু কেউ তুলে দিয়ে যাবেনা বা ভাল দুধের গরু কেউ হাটে বিক্রিও করেনা। যেসব গরু বাজারে বিক্রি হয় দেখা যায় তার কোননা কোন সমস্যা থাকে যা ক্রেতা ধরতে পারেনা।

✓সাধারনত দেখা যায় অনেকদিন ধরে কনসিভ করেনা এমন সমস্যাযুক্ত গাভীকে কোনভাবে কনসিভ করায়ে সাথে সাথে বিক্রি করে দেয়। সুতরাং গাভী হাট থেকে না।

✓ বর্তমান বাংলাদেশের অনেক জাগায় বিভিন্ন উন্নত জাতের ব্যবসাহী খামার গড়ে উঠেছে। যারা জাত মান নির্বাচন করে গাভী কিনে। এদের মধ্যে আমি ও একজন গাভী ব্যবসাহী।

✓ যখন গাভী কিনবেন আপনিও জাত মান সব কিছু ভারো করে পর্যবেক্ষণ করে কিনবেন।

✓ আপনার গাভীটি বাচ্চা দেবার ৩ মাসের মধ্যে যদি হিট না আসে তাহলে ক্রিমি,হরমন এবং ক্যলসিয়াম ইনজেকশন করুন। প্রয়োজনে ভেটেনারি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

✓ গাভীকে বীজ/হীট/ঠাপ দেবার সময়, বীজ টি ভালো কম্পানির কি না সেটা দেখুন। কী জাতের বীজ সেটা কত পারসেন্ট বীজ।বীজের তৈরির ডেট এবং মেয়াদ শেষ কবে সেটা দেখুন।

✓ আপনার খাদ্য ব্যবস্থাপনার দিকে নজর দিন। আপনার এলাকায় যে রিসোর্স ভাল পাওয়া যায় গাভীকে সেই খাদ্য অভ্যাস করানোই বুদ্ধিমানের। দেখা যায় উত্তরাঞ্চলে ভুট্টা ভাল হয় সেখানে উচিত খাদ্য উপাদান হিসাবে ভুট্টাকে বেশী প্রধান্য দেয়া। ভেজাল খাদ্য খাওয়ানোর থেকে খাদ্যে উপাদান কম রাখেন এটা ভাল।

✓দুগ্ধ খামারে ষাড় বাচ্চা না রাখাই ভাল, বিক্রি করে দিন। শখের বসে কিছু বড় করলেন সেটা ভিন্ন ব্যাপার।

✓ঘাস চাষ ছাড়া বা সাইলেজ ছাড়া দুগ্ধ খামারকে কোনভাবেই লাভে আনা যাবেনা।

✓ খামারে গরু বাড়ানোর আগে এদের খাবার কিভাবে কম পয়সায় ব্যবস্থা করবেন তার দিকে নজরদিন।

✓ দুধের ভাল দাম না পেলে প্যাকেট করে খুচরা বিক্রি বা দুগ্ধজাত পন্য তৈরীর উদ্যোগ নিন। একা না পারলে কয়েকজন খামারীরা মিলে করুন।

✓গরুর সাধারণ কিছু চিকিৎসা সম্পর্কে আপনাকে জানতে হবে। গরুকে ইনজেকশন পুশ করা, শিরায় স্যালাইন প্রয়োগ শিখে নিতে হবে।

যারা খামারে লোকসান করছেন আজ থেকে এই বিষয়গুলো নিয়ে ভাবুন, আশাকরি লোকসান ঠেকাতে পারবেন

ধন্যবাদ সবাইকে।

যতক্ষণ পর্যন্ত অন্যকে এবং অন্যের ব্যবসাকে শ্রদ্ধা করা আমরা শিখছিনা ততক্ষণ আমরা ভালো উদ্যোক্তা না। হোকনা সেই ব্যাবসাটি ছো...
19/08/2020

যতক্ষণ পর্যন্ত অন্যকে এবং অন্যের ব্যবসাকে শ্রদ্ধা করা আমরা শিখছিনা ততক্ষণ আমরা ভালো উদ্যোক্তা না। হোকনা সেই ব্যাবসাটি ছোট্ট কিংবা একেবারেই ছোট্ট.....।

09/08/2020

ইউএমএস-ইউরিয়া মোলাসেস স্ট্র

#ইউএমএস তৈরীর পদ্ধতিঃ-
১০ কেজি খড়ের জন্য ৫ কেজি পানি, ২.৫ (আড়াই) কেজি চিটাগুর এবং ৩০০ গ্রাম ইউরিয়া লাগবে।
প্রথমে খড়, চিটাগুর ও ইউরিয়া পরিমাণ মতো মেপে নিতে হবে।
চিটাগুর ও ইউরিয়া মেপে পানিতে এমনভাবে মিশাতে হবে যেন সহজে মিশে যায়।

#শুকনো খড়কে পলিথিনের উপরে বিছিয়ে ইউরিয়া ও চিটাগুর মেশানো পানি ঝড়নার সাহায্যে ছিটিয়ে ভালো ভাবে মাখাতে হবে, যাতে কোন খড় শুকনো না থাকে।
এরপরে খড়গুলো পলেথিনে মুড়িয়ে অথবা ড্রামে ভরে রাখতে হবে। ২/৩ দিন পর হতে গরু/মহিষকে খাওয়ানো যাবে।

#একবার ইউএমএস তৈরী করে ৩/৪ দিন রেখে খাওয়ানো যায়। তবে খেয়াল রাখতে হবে যে, প্রতিবার খাওয়ানোর পরে তা আবার ভালো করে ঢেকে রাখতে হবে।

#খাওয়ানোর পরিমাণঃ-
গরুকে তার ইচ্ছা অনুযায়ী অর্থাৎ গরু যে পরিমাণ খেতে পারে সেই পরিমাণ ইএমএস সরবরাহ করা যেতে পারে। তবে আস্তে আস্তে অভ্যস্ত করিয়ে নেওয়া ভালো।

#ইউএমএস খাওয়ানোর ফলঃ-
বাছুর বা বাড়ন্ত, দুগ্ধবতী, গর্ভবতী গরু ও মহিষ কে খাওয়ানো যায়। আর কোনো খাবার না দিয়ে, শুধুমাত্র ইউএমএস খাওয়ালেও গরুর ওজন ও দুধ বৃদ্ধি পায়। ইউএমএস খাওয়ালে দানাদার খাবার কম লাগে।

#এক গবেষণায় দেখা গেছে, খড় বাদে ১ টাকার ইএমএসে ৫ টাকার মাংস বৃদ্ধি করা সম্ভব।
আরও জানতে ইউটিউবে সার্চ দিন।

#সবাধানতাঃ- ইএমএস তৈরীর সময় খড়, পানি, চিটাগুর ও ইউরিয়ার অনুপাত সঠিক হতে হবে। ইউরিয়ার পরিমাণ বেশি হলে পশু বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে। ইউএমএস খাওয়ানোর ১ ঘন্টা আগে বা পরে পশুকে কোন প্রকার পানি খেতে দেয়া যাবে না।

#প্রয়োজনে আপনার এলাকার স্থানীয় থানা প্রাণিসম্পদ অফিসে যোগাযোগ করুন।

06/08/2020

একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়ার উপায় কি?

✅একজন সত্যিকার সফল উদ্যোক্তা তাঁর ব্যবসার উন্নয়নের পাশাপাশি নিজেকেও সব সময়ে উন্নত করার চেষ্টা করেন। সফল উদ্যোক্তা হওয়ার উপায় হিসেবে এর কোনও বিকল্প নেই।

✅সফল উদ্যোক্তা হতে পারা অবশ্যই দারুন, কিন্তু সেই পথে চ্যালেঞ্জও কম নয়।আর এই চ্যালেঞ্জ জয় করতে সব সময়ে নিজেকে উন্নত করার বিকল্প নেই । বেশিরভাগ সফল উদ্যোক্তা খুবই উ‌ৎসাহী ও আশাবাদী ধরনের মানুষ। সেই সাথে তাঁরা জানেন যে, ব্যবসার উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি নিজের দক্ষতা ও জ্ঞানের উন্নতি করা কতটা দরকার।

✅পৃথিবীর সেরা উদ্যোক্তাদের দিকে তাকালে দেখা যায়, তাঁরা সব সময়েই নিজেদের আপগ্রেড করার জন্য নতুন নতুন জ্ঞান ও দক্ষতা শেখার চেষ্টা করেন। প্রতিযোগীতায় টিঁকে থাকতে এবং ব্যবসাকে এগিয়ে নেয়ার এটাই সেরা উপায়। শুধু ব্যবসার পেছনে বিনিয়োগ করার বদলে যিনি ব্যবসাটি চালাচ্ছেন, তাঁর পেছনেও বিনিয়োগের দরকার আছে। উদ্যোক্তা নিজে যত উন্নত হবেন, তাঁর ব্যবসাও তত উন্নত হবে।

✅নিজের দক্ষতা ও যোগ্যতার পরিমাপ করা, নিজের দুর্বল জায়গা গুলো খুঁজে বের করা, দুর্বলতাগুলো দূর করার জন্য নতুন কিছু শেখা – ইত্যাদি কাজ একজন সত্যিকার সফল উদ্যোক্তা সব সময়েই করতে থাকেন।

10/05/2020

"মধুর আমার মা‌য়ের হা‌সি, চাঁ‌দের মু‌খে ঝ‌রে,মা‌কে ম‌নে প‌ড়ে,আমার মা‌কে ম‌নেপ‌ড়ে"!মা দিবসে সকল মা দের প্রতি রইলো গভীর ভালোবাসা!

Address

Dinajpur
5200-5290

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ঘাসফুল এগ্রো অর্গানিক ফার্ম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share