08/06/2026
সে ঠান্ডা মাথায় আপনাকে ১ ঘণ্টা ধরে সুক্ষ্ম সুক্ষ্ম কথা দিয়ে খোঁচালো; আর আপনি সহ্য করতে না পেরে যখনই চিৎকার করে উঠলেন, অমনি সে সবাইকে ডেকে বলল— "দেখো ও কেমন পাগল!"
একে ডার্ক সাইকোলজির ভাষায় বলা হয় 'Reactive Abuse' বা প্রতিক্রিয়াকে অস্ত্র বানানো। এটা ম্যানিপুলেটরদের অন্যতম জঘন্য চাল।
বদ্ধ ঘরে বা আড্ডায় সে খুব নিখুঁতভাবে আপনার এমন সব দুর্বল জায়গায় আঘাত করবে যা কেবল সে-ই জানে। সে খুব শান্ত থেকে আপনাকে মেন্টাল টর্চার করতে থাকবে।
আপনি যখন সহ্য করতে করতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার পর হুট করে চিৎকার করবেন, বা টেবিল চাপড়াবেন—
ব্যস! সে ঠিক এই মুহূর্তটার জন্যই ওত পেতে ছিল। সে এক সেকেন্ডে এক অদ্ভুত ‘অসহায় ভিকটিম’ সেজে চারপাশের মানুষকে ডেকে বলবে— "আমি তো কিচ্ছু বলিনি, ও হুট করে আমার ওপর চড়াও হলো। ওর মেন্টাল প্রবলেম আছে।"
🚩 অপরাধীর চতুর আড়াল: সে যে ১ ঘণ্টা ধরে আপনাকে মানসিকভাবে খু*ন করেছে, সেই ইতিহাস এক সেকেন্ডে গায়েব হয়ে যায়। সবার সামনে হাইলাইট হয় শুধু আপনার ওই ২ সেকেন্ডের রাগটা। চারপাশের মানুষও উল্টো আপনাকেই ‘টক্সিক’ ভাবতে শুরু করে।
🚩 ফলাফল: আপনি জেনুইনলি টর্চারের শিকার হয়েও আজ পুরো দুনিয়ার সামনে একজন আসামী বা ‘পাগল’, আর আসল খু*নিটি আজ শান্ত মুখে সবার সান্ত্বনা কুড়াচ্ছে।
-Dr Asif Abdullah
🌸 ছবিঃ আমার নিজের টাকায় কেনা মোবাইলে নিজে কষ্ট করে বানানো স্ক্রান্চি 🙂