Jakir Engineer's & Consultancy

Jakir Engineer's & Consultancy আমাদের পেজে এ নতুন সব কিছু পেতে অবশ্যই পেজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন।
ধন্যবাদ সবাইকে

07/05/2023

👷‍♂️👷‍♂️ আজ ৭ই মে প্রকৌশলী দিবস 👷‍♂️👷‍♂️

ইঞ্জিনিয়ার মানেই অধ্যাবসায় আর সংকল্প।
তাদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা ছাড়া মানবজাতির অগ্রগতি অসম্পূর্ণ।

"ইঞ্জিনিয়ার্স ডে" তে দেশের এবং দেশের বাহিরের সকল ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতি জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা 💐🌹

FAR” কিভাবে বের করবেন ? এখুনি হিসাবটাশিখে নিন .আমরা যারা ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ালেখা করি তাদের ফার জানাখুব দরকার ।ধরুন, আপনার...
21/11/2022

FAR” কিভাবে বের করবেন ? এখুনি হিসাবটা
শিখে নিন .আমরা যারা ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ালেখা করি তাদের ফার জানা
খুব দরকার ।
ধরুন, আপনার ৫ কাঠা জমি রয়েছে। ভেবে
রেখেছেন ৮-১০ তলা উঁচু বাড়ি বানাবেন । টাকা- পয়সা
নিয়েও ঝামেলা নেই । কিন্তু আপনি জানেন কি ?
আপনি চাইলেও ৫ কাঠা জমিতে ১০ তলা বানাতে
পারবেন না রাজউকের নিয়মানুযায়ী । কারন একটা ভবন
বানানোর সময় বিল্ডিং এর চারপাশে কিছু জায়গা ছেড়ে
দিয়ে তারপর ডিজাইন করতে হয় । সেটাকে
সেটব্যাক বলে । আমরা শুধুমাত্র ফার নিয়ে
আলোচনা করবো আজকে।
FAR জানার সুবিধাঃ
১. ফার জানলে যেকোনো ভালো অফিসে
চাকরির গ্যারান্টি অনেকখানি বেড়ে যায় ।
২. বাড়ি কত তলা করতে পারবেন সেটা নিজেই হিসাব
করতে পারবেন অংক করে ।
FAR এর হিসাব করবেন যেভাবেঃ
মনে করি,
ভূমি- ৫ কাঠা,
রোড- ২০ ফুট,
ফার- ৩.৫ ( ইঞ্জিনিয়ারিং বইগুলোতে শুধুমাত্র ফার
লিখে কত কাঠার জন্য কত ফার সেটা উল্লেখ থাকে
কিন্তু হিসাব থাকে না । অনেক বড় বড় পণ্ডিত মার্কা
ইঞ্জিনিয়াররাও ফারের হিসাব পারে না। তাই আপনি যদি
ফারের হিসাব শিখে রাখেন তাহলে বুক চাপড়ে
নিজেকে নিয়ে গর্ব করতেই পারেন । কারন
ফারের হিসাব জানা অনেকটা আর্থিক বিষয়ে জড়িত ।
যেহেতু, ভালো চাকরি করতে চাইলে ফার
জানতেই হবে।)
Maximum Build Area (M.B.A)= Land x Far
= 5 katha x 3.5 (far 3.5)
= 5x(720)x3.5 ( 1 katha=720square ft)
= 3600×3.5
=12600 sqft
Maximum Ground Coverage(M.G.C)- 62.5%
( এটাও লেখা থাকে বইতে কিন্তু যারা পারে না তারা
এইসব লেখাকে অনর্থক ভেবে বসে থাকে।)
= 5 katha x 62.5%
= (5x 720) x 62.5%
= 2250 sqft.
Number of Floor (N.O.F)= MBA / MGC
= 12600 / 2250
= 5.6 Floor
Total Floor = Ground floor + 5.6 floor
= 1+ 5.6 floor
= 6.6 floor ( ৬ তলা বাড়ি এবং চিলেকোঠা) ।
এই হিসাবে প্রায় সাত তলা কিন্তু সাত তলা না করাই
ভালো যদি ভুমিকম্প থেকে বাঁচাতে চান এবং সারা
এলাকাতে আপনার বাড়িটি যদি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে
থাকবে সেটা চান

01/11/2022

পৌরসভা এপ্রোভাল শীট
আমরা যখন কোনো বাড়ির প্ল্যান করি , এবং এপ্রোভাল করতে চাই তখন আমাদের এপ্রভাল ড্রয়িং এর দরকার পরে , নতুন ইঞ্জিনিয়ার এবং আর্কিটেক্ট যারা আছেন তাদের অনেকের ধারণা থাকে না কিভাবে এপ্রোভাল ড্রয়িং করবেন ! এবং কি কি ড্রয়িং দিতে হবে ! এপ্রোভাল এর ধারণা গুলো আপনারা পান তাই একটা স্যাম্পল ড্রয়িং দিয়ে দিচ্ছি যা আপনাদের উপকারে আসতে পারে।

পৌরসভার আওতাধীন কোন ভবন নির্মান করতে চাইলেই আপনি নির্মান করতে পারবেন না, যত বড়ই ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা ড্রইং করান না কেন কাজে আসবেনা যদি কর্তিপক্ষের অনুমুতি না নেন।
চলুন জেনে নেই কি কি লাগবে-
প্রথমে আবেদন ফরমে আবেদন করতে হবে এবং সাথে ৭ কপি ড্রইং জমা দিতে হবে, তবে কোন কোন পৌরসভায় এর কম দিলেও হয়। ড্রইংগুলো ৩০"x২০" সাইজের এমোনিয়া শীট বা ট্রেসিং পেপারে (ব্লু প্রিন্ট ট্রেসিং পেপার সহ) জমা দিতে হয়।
একটি ড্রইং শীটে কি কি ড্রইং থাকতে হবে আসুন জেনে নেই-

১. ফ্লোর প্ল্যান
২. অন্যান্য ফ্লোরের প্লান
৩.সম্মুক্ষ বা ফ্রন্ট এলিভেশন
৪.লে-আউট প্ল্যান
৫.কলাম, বীম, ফাউন্ডেশনের সেকশন
৬.মোট কভার এরিয়া
৭.মৌজা ম্যাপ
৮. ভবনের ক্রস সেকশন
৯.সেপটিক ট্যাংক এবং সোক ওয়েলের প্লান ও সেকশন
১০.সিড়ির প্লান ও ডিটেইল
১১. ছাদের বিস্তারিত ড্রইং
১২. ছাদের পানি নিষ্কাশনের প্ল্যান
১৩. কলাম পজিশন বা কলাম লে-আউট
১৪. গ্রেড বীম ও সেকশন
১৫. ইলেকট্রিক ড্রইং
১৬. সেনেটারী ড্রইং (বহুতল ভবনের ক্ষেত্রে)
১৭. সেটব্যাক (অত্যন্ত জরুরী), নির্দিষ্ট পরিমানে ভবনের চারপাশের জমি ছেড়ে দেওয়াকে বুঝায়।

আনুষঙ্গিক কাগজ পত্র:
১. পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যভুক্ত প্রকৌশলীর স্বীকৃতপত্র।
২ প্রকৌশলী পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য নাম্বার ও সাক্ষর এবং সীলমোহর।
৩. মূল দলিলের ফটোকপি।
৪. দাগ নম্বর,খতিয়ান নম্বর ও মৌজার নাম।
৫. মালিকের সাক্ষর।
৬. মাটি পরিক্ষার রিপোর্ট (৩ তলার অধিক হলে)।
৭. জমির পরিমান ও তফসিল।
৮.নির্ধারিত ফি

24/10/2022

কলাম এর সময়-------সাইট ইন্জিনিয়ার এর যে সকল দিক লক্ষ্য রাখতে হবে
"""""""""""
1. ফর্মা/কিকার বোর্ড/স্টিল বোর্ড।
3.গ্রান্ডিং মেশিন /কাপ ব্রাশ।
2. গুনা তার
3. স্টিল পেরাক
4. জুট বেল
5. কিকার চেক
6. কলাম সল
7. রিংয়ের দুরত্ব ঠিক আছে কিনা
8. মেইন রড ঠিক আছে কিনা
9. তেল/মবিল
10. চট আছে কিনা
11. ঢালাই মেশিন ঠিক আছে কিনা
12. পাথর/বালু/সিমেন্ট
13. মেশিনে তালা/ মালামাল কাছানো
14. ঠিক ঠাক রড বান্দা
15. পানির লাইন ঠিক আছে কিনা
16. তারের লাইন ঠিক আছে কিনা
17.রেশিও অনুসারে বালু পাথর দিতে হবে।
18. কাঠের কিকার হলে বাংলা পেরাক আছে কিনা ।
19. ৫"/৬"কলামের নিচে চট বান্তে হবে
20. দিনে ৩ বার পানি দিতে হবে
21. পাথর বালু রেশিও অনুসারে লিখতে হবে
22. পরিশেষে ভালো ব্যবহার করতে হবে
23.ঢালাই লোক আসছে কিনা
24.সিড়ির মাপ ঠিক আছে কিনা
25.ভাইব্রেটার ঠিক টাক মারছে কিনা
26.কলাম ঢালাই করার আগে পর্যপ্ত পরিমান
পানি দিতে হবে এবং গ্রাটিন দিতে হবে ।
27.টার্নভোল ,নাট ,ওশার পর্যপ্ত পরিমান প্রজেক্ট
এ আনা আছে কিনা
28.পাথরে পানি মারতে হবে
29.অতিরিক্ত ৩/৪ টি প্লেন শীট আছে কিনা
30.কলামের গোড়ায় পাথর বালুর মিক্সার মাল
পড়ছে কিনা..কর্নি দ্বারা উঠিয়ে দিতে বলতে হবে
31.লক্ষ্য রাখতে হবে কলামে মসলা ঢালাই করার

রডের কাজে জোন অনুসারে ল্যাপিং================================সাধারনত বাজের যেসব রড গুলো পাওয়া যেসব সেগুলোর একটি নির্দিষ্...
05/09/2022

রডের কাজে জোন অনুসারে ল্যাপিং
================================
সাধারনত বাজের যেসব রড গুলো পাওয়া যেসব সেগুলোর একটি নির্দিষ্ট লেন্থ থাকে । যখন এর বেশী লেন্থ এর দরকার হয় তখন রডের ল্যাপিং দেয়া হয়। এই ল্যাপিং এর লেন্থ এর পরিমান কিছু সূত্র মেনে হয়।

#কম্প্রেশন_জোন
কলাম : ৪০ ডি, ডি = রডের ডায়া
শিয়ার ওয়াল : ৪০ ডি
লিফট কোর ওয়াল : ৪০ ডি

#টেনশন_জোন
বীম : ৬০ ডি
স্ল্যাব : ৬০ ডি

কলামে ল্যাপিং এর পরিমান
======================
১৬ মিমি = ৪০x১৬ = ৬৪০ মিমি ২'-২"
২০ মিমি = ৪০x২০ = ৮০০ মিমি ২'-৮"
২২ মিমি = ৪০x২২ = ৮৮০ মিমি ৩'-০"
২৫ মিমি = ৪০x২৫ = ১০০০ মিমি ৩'-৪"
৩২ মিমি = ৪০x৩২ = ১২৮০ মিমি ৪'-৩"

বীমের ল্যাপিং এর পরিমান
===================
১৬ মিমি = ৬০x১৬ = ৯৬০ মিমি ৩'-২"
২০ মিমি = ৬০x২০ = ১২০০ মিমি ৪'-০"
২২ মিমি = ৬০x২২ = ১৩২০ মিমি ৪'-৫"
২৫ মিমি = ৬০x২৫ = ১৫০০ মিমি ৫'-০"

স্ল্যাবের ল্যাপিং এর পরিমান
=====================
১০ মিমি = ৬০x১০ = ৬০০ মিমি ২'-০"
১২ মিমি = ৬০x১২ = ৭২০ মিমি ২'-৫"
তবে বাস্তবে কাজ করার সময় কম বেশী হতে পারে।

রডের পরিমান নির্ণয় করার পদ্ধতি
==============================
10 mm = 0.62 kg/m = 3 suta
12 mm = 0.89 kg/m = 4 suta
16 mm = 1.58 kg/m = 5 suta
20 mm = 2.48 kg/m = 6 suta
22 mm = 2.98 kg/m = 7 suta
25 mm = 3.85 kg/m = 8 suta

উপরে যে কনভার্ট সিস্টেম দেয়া হয়েছে, এর প্রতিটি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে বাস্তবে কাজ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে। যেমন, ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ। আবার বাংলাদেশে সাধারন লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখুন . . . .

8 mm -7 feet -1 kg
10 mm -5 feet -1 kg
12 mm -3.75 feet - 1 kg
16 mm -2.15feet -1kg
20 mm -1.80feet -1kg
22mm -1.1feet -1kg

এছাড়া এই সুত্রটির মাধ্যমেও রডের ওজন বের করতে পারেন

#ফুটে
প্রতি ফুটে ওজন নির্নয়ের জন্য ( রডের ডায়া^2 /532)

#মিটারে
প্রতি মিটারে ওজন বের করতে হলে ( mm^2/162.2 )

28/08/2022

সিঁড়ির রডের হিসাব
#> স্ট্রেইট বার - 10mm @4" C/C
= 3'-6" ÷ 0.33 = 11+1 = 12 Nos
= 12 Nos X 17'-0" = 204 rft x 0.18 kg
= 36.72 kg X 2 = 73.44 kg

#> বাইন্ডার - 10mm @6" C/C
= 17'-0" ÷ .5 = 34 Nos
= 34 Nos X 3'-6" = 119 rft X 0.18 kg
= 21.42 kg X 2 = 42.84 kg

#>এক্সট্রা টপ - 10mm @4" C/C *
= (4'-0"+2-3") ÷ .33 = 19 + 1 = 20 Nos
= 20 nos X 3'-6" = 70 rft X.18 kg
= 12.6 kg X 2 = 25.2 kg

#> এক্সট্রা বটম - 10mm @4" C/C
= 3'-6" ÷ .33 = 11 +1 = 12 nos
= 12 nos X 6-3"= 75 rft X.18 kg
= 13.5 kg x 2 = 27 kg

#> এক্সট্রা বটম বাইন্ডার - 10mm @6" C/C
= 12.10.12.3") ÷ 5 = 13 + 1 = 14 Nos × 3.6 = 49.rff
= 49 rft x .18 kg = 8.64 kg

#> ল্যান্ডিং,
L=7'-6"
B = 3-10"

#> লং ডিরেকশন - 7'-6" 10mm @4" C/C
= 3-10" ÷ .33 = 12+1= 13 nos X 7'-6" = 97.5 rft
= 97.5 ft X.18 kg = 17.55 kg

#> শর্ট ডিরেকশন - 3'-10" 10mm @6" C/C
= 7'-6" ÷.5 = 15+1=16 nos X 3'-10" = 61.28 rft
= 61.28 rft X.18 kg = 11.03 kg

অতএব, একটি সিঁড়িতে মোট রড দরকার = 213.98 kg

31/07/2022

🌀জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারনাঃ

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ একর
১ কানি = ২০ গন্ডা=৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা =২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা=১৪৮২০ কাঠা=১০৬৭০৪০০ বর্গফুট =৯৯১৬৭২ বর্গমিটার= ১বর্গকিলোমিটার=
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা=১৪৮.২কাঠা=১০৬৭০৪ বর্গফুট =৯৯১৩ বর্গমিটার=১ হেক্টর=২.৪৭একর
জেনে নিন খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ =৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ =১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর=২.৪৭একর
১ হেক্টর = ৭.৪১বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার =৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।

বৈদ্যুতিক প্রিপেইড ডিজিটাল মিটার ব্যবহারের কিছু তথ্যঃপ্রথম বার ১০০০ টাকা রিচার্জে আপনি পাবেন ৭৯২ টাকা।কারণঃ১। মিটার পরীক...
13/06/2022

বৈদ্যুতিক প্রিপেইড ডিজিটাল মিটার ব্যবহারের কিছু তথ্যঃ

প্রথম বার ১০০০ টাকা রিচার্জে আপনি পাবেন ৭৯২ টাকা।

কারণঃ
১। মিটার পরীক্ষার সময় আপনাকে প্রথমেই ১০০ টাকা মিটারের সাথে দেওয়া হয়েছিল। তাই প্রথম ১ বার ১০০ টাকা কাটবে।

২। ডিমান্ড চার্জ আগে প্রতি কিলো ওয়াট লোডের জন্য ছিল ২৫ টাকা এখন ডিজিটাল মিটারের ক্ষেত্রে ১৫ টাকা (প্রতি মাসে এক বার করে কাটবে)।

৩। মিটার ভাড়া ৪০ টাকা (প্রতি মাসে এক বার)।

৪। সরকারি ভ্যাট আগেও ছিল ৫% এখনো ৫%।

৫। সার্ভিস চার্জ ১০ টাকা (প্রতি মাসে একবার)।

বিঃ দ্রঃ এই সব কারণে ডিজিটাল মিটার প্রথম ১০০০ টাকার কার্ড রিচার্জে ১০০০ টাকার স্থানে ৭৯২ টাকা দেখাবে, কিন্তু আপনি ঐ মাসেই যদি আবার ১০০০ টাকা রিচার্জ করেন তাহলে শুধু সরকারি ভ্যাট ৫% টাকা কাটার পর বাকি টাকা মিটারে রিচার্জ হবে। তাই ডিজিটাল মিটারের গ্রাহকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নাই।

স্থিতি জানতে আরও কিছু বিশেষ তথ্যঃ
১। আপনি কত ইউনিট ব্যবহার করেছেন তা জানার জন্য ৮০০ চাপুন।

২। আপনার মিটারে কত টাকা জমা আছে তা জানতে ৮০১ চাপুন।

৩। ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স জানতে ৮১০ চাপুন।

৪। মিটারটি চালু অথবা বন্ধ করতে ৮৬৮ চাপুন।

৫। আপনার মিটারটি কত কিলোওয়ার্টের তা জানতে ৮৬৯ চাপুন।

মালিক পক্ষদের দৃষ্টি আকর্ষন করছিকখন কন্টাকটার কথা শুনে কিংবা মিস্ত্রি কথা শুনে ❌ চিহ্ন দেয়া ছবিটার মতো স্টিরাপ বানাবেন ন...
29/04/2022

মালিক পক্ষদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি
কখন কন্টাকটার কথা শুনে কিংবা মিস্ত্রি কথা শুনে ❌ চিহ্ন দেয়া ছবিটার মতো স্টিরাপ বানাবেন না কখনই। ড্রইং এ হুক ✅ চিহ্ন এর মতো থাক বা না থাক এমনই বানাবেন বা তৈরি করতে বলবেন।

Engr. Md Jakir Hossain Juwel

এই ওয়ালটার নাম কি বলেন তো ইঞ্জিনিয়ারেরা??
26/04/2022

এই ওয়ালটার নাম কি বলেন তো ইঞ্জিনিয়ারেরা??

কলামের ল্যাপিং কোন পজিশনে দেয়া যৌক্তিকঃএকতলা কিংবা হাইরাইজ যে কোন ধরনের ভবনেই রড টু রডের সংযোগ করাকে ইঞ্জিনিয়ারিং ভাষায় ...
26/04/2022

কলামের ল্যাপিং কোন পজিশনে দেয়া যৌক্তিকঃ

একতলা কিংবা হাইরাইজ যে কোন ধরনের ভবনেই রড টু রডের সংযোগ করাকে ইঞ্জিনিয়ারিং ভাষায় ল্যাপিং বলা হয়।

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, রডের ল্যাপিং পজিশন নিয়ে সাইটের ইঞ্জিনিয়ার বা ভবনের মালিক পক্ষ অতটা গুরুত্ব প্রদান করেন না। তাদের ধারনা, ল্যাপিং যেখানে ইচ্ছে পড়ুক সমস্যা কি? কিন্তু অগোছালোভাবে প্রদানকৃত ল্যাপিং দ্বারা আপনি নিম্নোক্ত সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন। যেমনঃ

১। ফ্লোর বীমের সাথে কলামের রডের ল্যাপিং চলে আসলে কিংবা কলামের রডের সবগুলো ল্যাপিং একই স্থানে পড়লে, রডের পজিশনগুলো ঠিক রাখাটা দূরহ হয়। আবার, এই ক্ষেত্রে কনক্রিট সঠিকভাবে ভাইব্রেটিং করাও সম্ভব হয় না এবং যার ফলে কলামে ভয়েড থাকার সম্ভবনা থেকে যায়। ভয়েড দূরীকরণে যদি মাইক্রো কনক্রিট ব্যবহার করি সেটা হবে প্রচন্ড ব্যয়বহুল।

২। মাঝে মাঝে ছাদ ঢালাইয়ের পরে দেখা যায়, কিছু কিছু কলামের রডের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ল্যাপিং লেন্থ নেই। তখন টানা ওয়েল্ডিং করে ল্যাপিং দিতে হয়, যেটা আবার রডের টান শক্তিকে অনেকটা হ্রাস করে।

৩। ল্যাপিং কলামের টেনশন জোন বাদ না দিয়ে প্রদান করলে স্ট্রাকচারালভাবে ভবনের ক্ষতি হয়।

৪। যথাযথভাবে এস্টিমেট বা বিল করা সম্ভব হয়না।

৫। কাজ চলাকালীন প্রজেক্টের সৌন্দর্য ও মান উভয়ই নষ্ট হয়।

৬। দ্রুত কাজের ক্ষেত্রে রডের অপচয় রোধ করা সম্ভব হয়না।

তাই, সার্বিক বিষয়গুলো নিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং গাইড লাইন ও আমার অভিজ্ঞতা থেকে রডের ল্যাপিং পজিশন নিয়ে আজকে আলোচনা করবো। আর, আপনারা রডের ল্যাপিং লেন্থ বের করতে ৫*সুতা বা 40D বা 60D বা ডিজাইনারের গাইডলাইন অনুসরন করুন।

পজিশন অনুযায়ী রডের ল্যাপিং দিতে হবে মূলত কলামের মিড জোনে। কারন, কলামের ক্ষেত্রে মিড জোনে বেন্ডিং মোমেন্ট শূণ্য। তবে, অধিক সূক্ষ্মতার জন্য আপনি ডায়াগ্রাম অংকন করে নিতে পারেন। কিন্তু, সাইট পর্যায়ে সেটা মোটামোটি অসম্ভব।

তাই, সচারচর হিসেবে আপনি কলামের প্রতিটি ফ্লোরের উচ্চতাকে সমান চারটি ভাগে ভাগ করুন। এক্ষেত্রে, উচ্চতা হবে ঢালাইকৃত একটি ছাদের টপ থেকে, যে ছাদ পরবর্তীতে ঢালাই হবে সেই ছাদের বীমের বটম পর্যন্ত। ফ্ল্যাট প্লেট ছাদ হলে একটি ছাদের টপ টু আরেকটি ছাদের বটম পর্যন্ত উচ্চতা হিসেবে ধরতে হবে।

আমরা উদাহরন হিসেবে, ১০ ফুট উচ্চতার একটি বীম ছাদ বিবেচনা করবো, যেখানে বীমের ডেপথ ২ ফুট। তাহলে এখানে কলামের উচ্চতা হবে ৮ ফুট। এবার ৮ ফুটকে ৪ দ্বারা ভাগ করলে ফলাফল আসবে ২ ফুট। এবার, সবচেয়ে নিচের এবং সবচেয়ে উপরের ২ ফুট + ২ ফুট= ৪ ফুট হবে টেনশন জোন।

এই, টেনশন জোনে কোন প্রকার ল্যাপিং দিলে সেটা হবে স্ট্রাকচারাল ক্ষতি। ল্যাপিং দিতে হবে, মাঝের ৪ ফুটের ভিতরে।

একটি কলামে যতগুলো রড আছে তার অর্ধেক রডের ল্যাপিং এক ছাদে রেখে, বাকি অর্ধেক রড পরের ছাদে মাঝের ৪ ফুটে রাখুন। প্রতিটি ফ্লোরে, প্রতিটি কলামের প্রতিটি রড, ল্যাপিং দিতে যে অতিরিক্ত রড অপচয় হয়, সেটা থেকে রক্ষা পাবেন এবং কনক্রিটে ভয়েড আসবে না। তাছাড়া, কোন ডিপার্টমেন্ট থেকে আপনি গড় হিসেবে প্রতি ফ্লোর থেকে ল্যাপিং বিল পাবেন কিন্তু বাস্তবে ল্যাপিং অর্ধেক হচ্ছে, যেখানে আর্থিকভাবে আপনাকে লাভবান করবে। আবার, বিভিন্ন সাইজের জন্য রডের যে অপচয়গুলো আসে সেখান থেকে কিছুটা হলেও সেভিংস হবে।

রড কাটিং ও হিসেবের ক্ষেত্রেও সুবিধা পাবেন এবং প্রজেক্টের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করবে। যেমনঃ এ পদ্ধতিতে আপনি একটি ১২ মিটারের রড মাঝ বরাবর কাটলেই হবে এবং ধাপে ধাপে প্রতিটি ফ্লোরে রডের ল্যাপিং মাঝ বরাবর অর্ধ সংখ্যাই থাকবে।

এছাড়াও, বীম ও কলামের সংযোগস্থলে ল্যাপিং আসার কোন সম্ভবনাই থাকবে না, যথাযথভাবে এস্টিমেট করতে পারবেন এবং পুরোপুরি ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ম মেনেই ভবন বানানো সম্ভব।

আরও, কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে যেমন ডগপিন 6D করা, নিচের রডের চেয়ে উপরের রডের ডায়া কমলে কম ডায়ার রডকে ল্যাপিং লেন্থ বিবেচনা করা, ১০ ফুটের অধিক উচ্চতার ফ্লোরের ক্ষেত্রে ল্যাপিং জোনে ১ টি ল্যাপিং সেন্টার থেকে আরেকটি ল্যাপিং সেন্টার Lap Length*1.33 দূরত্বে রাখা, ইমিডিয়েট পাশাপাশি রডে ল্যাপিং না দেয়া ইত্যাদি।

তবে, ফুটিং থেকে এই পদ্ধতি অনুসরন না করলে পরবর্তীতে মিড জোনে ল্যাপিং কনফার্ম করাটা একটু কষ্টকর।

ছবিতে সংযুক্ত ল্যাপিং টেনশন জোনে, বীমের সাথে যেটা পুরোপুরি ভুল পজিশন।

সর্বোপরি, সকলের একটু সচেতনতায় আমাদের দেশের কনষ্ট্রাকশন কাজের মান বহুগুণ বাড়িয়ে নেয়া সম্ভব।

Engr. Md Jakir Hossain Juwel

▶️ কলাম এবং বীমের রিং বা স্টিরাফ তৈরির কৌশলঃ-🔴রিং ও স্টিরাফ কি এবং উহা কোথায় ব্যবহার করা হয়? উত্তরঃ কলাম ও বীমের মেইন ...
25/04/2022

▶️ কলাম এবং বীমের রিং বা স্টিরাফ তৈরির কৌশলঃ-
🔴রিং ও স্টিরাফ কি এবং উহা কোথায় ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ কলাম ও বীমের মেইন রডগুলোকে স্ব-স্থানে ধরে রাখার জন্য মেইন রডের ডায়া অপেক্ষা কম ডায়ার অর্থাৎ 8, 10 অথবা 12 মিমি ডায়ার রড দ্বারা যে বেষ্টনি দেওয়া হয় তাকে রিং বা ষ্টিরাফ বলে। তবে কলামে ব্যবহার করা হয় রিং হিসেবে, বীমে ব্যবহার করা হয় স্টিরাফ এবং বৃত্তাকার কলামে বা পাইলে স্পাইরাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

🔴কলাম ও বীমে রিং বা ষ্টিরাফ দেওয়ার কারনঃ কলাম ও বীমের উপর আগত লোডের কারনে মেইন রডগুলো কংক্রিট থেকে সরে যেতে চায় আর রিং কলাম ও বীমের মেইন রডগুলোকে কংক্রিটের সাথে আটকে রাখতে সহায়তা করে।

🔴কলাম ও বীমে রিং বা ষ্টিরাফের রডের পরিমানঃ
ধরি,
একটি কলামের সাইজ 12"x 20"।(A=12", B=20")
কভারিং 1.5"।
2টি হুক এর পরিমান = 3" + 3" = 6"।

🔴কভারিং বাদে রিং তৈরির সূত্র:
= [{(A+B) – (4× ক্লিয়ার কভার)} x 2 ]+ (দুটি হুক এর পরিমান)।

🔴কভারিং বাদে রিং এর রড কাটতে হবে
=[{(12" + 20") – (4× 1.5") } × 2] + (3"+3") =[{32" – 6"} × 2] + 6"
= [26" x2] + 6"
= 52" + 6"= 58" বা 4'-10"।
[1ফুট=12 ইঞ্চি]

Engr. Md Jakir Hossain Juwel

🔴বিঃ দ্রঃ রড ভাজ দিলে বেড়ে যায় অর্থাৎ প্রতিটা ভাজে যত মিমি ডায়া রড তত মিমি বেড়ে যায়। 10 মিমি রড দিয়ে রিং তৈরি করার সময় 2" বেড়ে যায় অর্থাৎ প্রতিটা ভাজে 10 মিমি এবং 5টা ভাজে 5X10 = 50 মিমি বা 2" বৃদ্ধি পায়। রড কাটার সময় 2" কম করে কাটতে হবে।
[1ইঞ্চি=25.4 মিলিমিটার]

Address

Feni

Telephone

+8801903693418

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jakir Engineer's & Consultancy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jakir Engineer's & Consultancy:

Share