ফেনী, বাংলাদেশ - Feni, Bangladesh

ফেনী, বাংলাদেশ - Feni, Bangladesh Beautiful city (Dictrict) inside Chattogram (Division), Bangladesh

20/09/2023

🕌 ফেনী বড় জামে মসজিদ 🕌

লিল্লাহি তাকবির-আল্লাহু আকবার
মাশাআল্লাহ_সুবহানাল্লাহ_আলহামদুলিল্লাহ

শবে বরাত রাতে♥️জহিরিয়া মসজিদ ফেনী।
14/03/2023

শবে বরাত রাতে♥️
জহিরিয়া মসজিদ ফেনী।

14/03/2023

প্রিয় ফেনী সিটি

Share please
©️Mohim Uddin

01/09/2022
27/03/2022
StarLine TT পাড়া কাউন্টার এর বর্তমান অবস্থা
04/11/2021

StarLine TT পাড়া কাউন্টার এর বর্তমান অবস্থা

01/02/2021

এক নজরে ফেনী
অবস্থানঃ ফেনী জেলার উত্তরে কুমিল্লা জেলা ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য,দক্ষিণে চট্টগ্রাম জেলা ও বঙ্গোপসাগর, পূর্বে চট্টগ্রাম জেলা ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য এবং পশ্চিমে নোয়াখালী জেলা।
আয়তনঃ ৯২৮.৩৪ বর্গ কিঃ মিঃ
প্রশাসনিক কাঠামোঃ
* উপজেলাঃ ৬ টি, ফেনী সদর, ছাগলনাইয়া, সোনাগাজী, ফূলগাজী, পরশুরাম, দাগনভূঞা
* থানাঃ ৬ টি, ফেনী সদর, ছাগলনাইয়া, সোনাগাজী, ফূলগাজী, পরশুরাম, দাগনভূঞা
পৌরসভাঃ ৫ টি
* ইউনিয়নঃ ৪৩ টি
* গ্রামঃ ৫৬৪ টি
* মৌজাঃ ৫৪০ টি
* ইউনিয়ন ভূমি অফিসঃ ২৭ টি, আদায় শিবির ক্যাম্প ০২ টি
* হাট বাজারঃ ১২৩ টি
জনসংখ্যাঃ (২০১১ সালের আদমশুমারী অনুয়ায়ী)
* মোট জনসংখাঃ ১৪,৯৬,১৩৮ জন
* পুরষঃ ৭,২২,৬২৬ জন
* নারীঃ ৭,৭৩,৫১২ জন
* জনসংখ্যার ঘনত্ব ১৪৫১ জন(প্রতি বর্গ কিঃ মিঃ)
শিক্ষা সংক্রান্ত তথ্যঃ শিক্ষা ব্যবস্থায় ফেনী জেলার অগ্রগতি উলেখযোগ্য। ফেনীতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হয় ১৮৮৪ সালে ফেনী আদর্শ পাইলট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাধ্যমে। এর দুই বছরের মাথায় ১৮৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ফেনী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। নারী শিক্ষায় ফেনী বাংলাদেশের অনেক জেলা থেকে অগ্রগামী। শুধুমাত্র নারীদের শিক্ষার জন্য ১৯১০ সালে ফেনীতে প্রতিষ্ঠিত হয় সরলাদেবী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় যা বর্তমানে ফেনী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় নামে প্রতিষ্ঠিত। মাদ্রাসা শিক্ষায় ১৯২৩ সালে ফেনীতে প্রতিষ্ঠিত হয় ফেনী আলিয়া মাদ্রাসা। বর্তমানে ফেনীতে-
* সাক্ষরতার হারঃ ৫৯.৬%
* ডিগ্রী কলেজঃ ১১ টি
* উচ্চ মাধ্যমিক কলেজঃ ১০ টি
* গার্লস ক্যাডেট কলেজঃ ১ টি
* পলিটেকনিকঃ ১টি
* কম্পিউটার ইনস্টিটিউটঃ ১টি
* মাধ্যমিক বিদ্যালয়ঃ ১৫৫ টি
* নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ঃ ১৯ টি
* মাদ্রাসাঃ ৯৭ টি
* টিচার্স ট্রেনিং কলেজঃ ১ টি
* পি টি আইঃ ১ টি
* প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ৫২৮ টি
* মসজিদ : ২২৪৫ টি
* মন্দির ১৩৮ টি
* গীর্জা ১টি ।
স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য:
*২৫০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতাল : ১ টি
* ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সঃ ২ টি (ছাগলনাইয়া, পরশুরাম)
* ৩১ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সঃ ৩ টি (সোনাগাজী, ফুলগাজী, দাগনভূঞা)
* হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালঃ ১টি
* ডায়াবেটিস হাসপাতালঃ ১ টি
* বক্ষ ব্যাধি ক্লিনিকঃ ১ টি
* ট্রমা সেন্টারঃ ১ টি
* মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রঃ ১ টি
* সেবা (নার্সিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট): ১টি
* ইউনিয়ন উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্রঃ ১৯ টি
* ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রঃ ৩৩ টি
* কমিউনিটি ক্লিনিক : প্রস্তাবিতঃ ১৫৩ টি
স্থান নির্বাচিতঃ ১৪৮ টি
সপূর্ণ নির্মিতঃ ১১৪ টি
বর্তমানে চালুকৃতঃ ১১৪ টি
যাতায়াত ব্যবস্থাঃ
*জাতীয় মহাসডকঃ ৩১ কিঃ মিঃ (ঢাকা- চট্টগ্রাম)
জাতীয় মহাসডকঃ ২০ কিঃ মিঃ (ফেনী-নোয়াখালী)
*রেল পথঃ ২৬ কিঃ মিঃ
* পাকা রাস্তা ১,০৪৪.৮৫ কিঃ মিঃ
* আধা পাকা রাস্তা: ৮৭.৯৬ কিঃ মিঃ
* কাঁচা রাস্তা: ২,১৩২.৯৬ কিঃ মিঃ
প্রধান নদীঃ
ফেনী নদী, মুহুরী নদী, কহুয়া নদী, সিলোনিয়া নদী, কালিদাস পাহালিয়া নদী।
ভূমি সংক্রান্ত তথ্যঃ
* মোট আবাদী জমিঃ ৭৫,৯২২ হেঃ
* নীট আবাদী জমিঃ ৭৪,৭২০ হেঃ
* চাষাবাদযোগ্য জমিঃ ৭৪,৭২০ হেঃ
* জলাভূমিঃ ৬,০১০ হেঃ
* চাষের অযোগ্যঃ ১২০২(সাময়িক)
* এক ফসলীঃ ৯,১৩৬ হেঃ
* দোফসলীঃ ৫৪,২৪৯ হেঃ
* তিন ফসলীঃ ১১৩৩৫ হেঃ
* সেচের আওতায়ঃ ৩৫,০৮২ হেঃ
* মোট বনভূমিঃ২,১৭৯.২২ হেঃ
শিল্প সংক্রান্ত তথ্যঃ
* শিল্প নগরীঃ ২ টি
* ভারী শিল্পের সংখ্যাঃ ৫ টি
* দুলা মিয়া কটন মিল্স
* দোস্ত টেক্সটাইল মিলস
* কোয়ালিটি জুট ইয়ার্ন মিলস লিঃ
* আবুল খায়ের ম্যাচ ফ্যাক্টরী লিঃ
* মাঝারী শিল্পঃ ৭ টি
* ক্ষুদ্র শিল্পঃ ৮২৬ টি
* কুটির শিল্প : ৩৪১৯ টি
খনিজ সম্পদঃ
* ফেনী গ্যাস ফিল্ড।
সদর উপজেলার ধলিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত।
* বি জি বি সেক্টর হেড কোয়ার্টারঃ ১টি (জয়লস্কর, দাগনভুইয়া)।
* কারাগার : ১ টি
* মিলনায়তনঃ ১ টিঃ
বিখ্যাত ব্যক্তিত্বঃ দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে ফেনী জেলার উলেখ যোগ্য অবদান রয়েছে। ফেনী জেলার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে উলেখযোগ্য কয়েকজনঃ কবি নবীন চন্দ্র সেন, কবি হাবিবুলাহ বাহার চৌধুরী, ভাষা সৈনিক আব্দুস সালাম, ভাষা সৈনিক গাজীউল হক, শহীদ বুদ্বিজীবি ও সাহিত্যিক শহীদুলাহ কায়সার, শহীদ বুদ্বিজীবি, সাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান, শহীদ বুদ্বিজীবি ও সাংবাদিক সে
লনা পারভীন, কবি সামছুন্নাহার মাহমুদ, স্যার এ,এফ রহমান, নাট্যকার ও গবেষক সেলিম আল দীন প্রমুখ।
ঐতিহাসিক স্থানঃ
* হযরত শাহ সৈয়দ আমির উদ্দীন রঃ (পাগলা বাবার) মাজার ।
* শতবর্ষী চাঁদগাজী ভুঞাঁ মসজিদ, ছাগলনাইয়া।
* প্রাচীর সুড়ঙ্গ মঠ, ফুলগাজী।
* বিলোনিয়া সীমান্ত পোস্ট, পরশুরাম।
* বিলোনিয়া পুরাতন রেল স্টেশন।
দর্শনীয় স্থানঃ
* মুহুরী সেচ প্রকল্প এলাকাঃ ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলায় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেচ প্রকল্প এলাকা। ১৯৭৭-৭৮ অর্থ বছরে শুর হয়ে ১৯৮৫- ৮৬ অর্থ বছরে প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
* মুহুরী সেচ প্রকল্প সংলগ্ন দক্ষিণাংশে ও অদুরের কেওড়া বাগান সহ চর এলাকা।
*ফেনী সদর উপজেলার ধর্মপুর মৌজার পাহাড়ী এলাকা।
*ফেনী সদর বিজয় সিংহ দীঘি এলাকা।
* ফুলগাজী উপজেলার দক্ষিণ সোনাপুর ও মান্দারপুর মৌজার পাহাড়ী এলাকা।
* দাগনভূইয়া এলাকার ভাষা শহীদ সালাম নগর এলাকা।
নির্বাচনী এলাকাঃ ৩ টি
* ফেনী- ১(২৬৫): পরশুরাম, ফুলগাজী, ছাগলনাইয়া উপজেলা।
* ফেনী- ২(২৬৬): ফেনী সদর উপজেলা।
* ফেনী- ৩(২৬৭): সোনাগাজী ও দাগনভুইয়া উপজেলা।
ফেনী জেলার সমস্যাঃ
* ঘূর্ণিঝড়
* জলোচ্ছাস/আকস্মিক বন্যা
* পাহাড়ী ঢল
* নদী ভাঙ্গন
* জলাবদ্ধতা
* মাছের প্রজাতি হ্রাস
* বন উজাড়
* সীমান্ত বিরোধ
সম্ভাবনাঃ
* ইপিজেড
* বায়ু বিদ্যুৎ
* বিদ্যুৎ উৎপাদন প্লান্ট
* প্রাকৃতিক গ্যাস
* শিল্প সম্ভাবনা
* সমুদ্র বন্দর

26/01/2021

পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ফেনী সরগরম
--------------------------------------------

তৃতীয় ধাপের ৩০ জানুয়ারির ফেনী পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সরগরম হয়ে উঠেছে ফেনী পৌরশহর। রাস্তায় মাইক নিয়ে চলছে প্রচারণা, মাথার ওপর ঝুলছে বিভিন্ন প্রার্থীর সাদা-কালো পোস্টার।

উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটের জন্য প্রস্তুত রয়েছেন মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীরা। উন্মুখ হয়ে আছেন ভোটাররাও।

গেলো দুইবারের পৌরনির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছিলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থীরা। এবার ক্ষমতার পালাবদল হবে- নাকি আগের মতই হবে, সে নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

আওয়ামীলীগ সমর্থকরা বলছেন, উন্নয়ন চাইলে আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই। তাই নৌকার বিজয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
এ দিকে বিএনপির সমর্থকরা বলছেন, ধানের শীষের বিকল্প নেই। ভোট সুষ্ঠু হলে কেউ বিএনপির জয় ঠেকাতে পারবে না। বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবে ধানের শীষের প্রার্থী।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় ফেনী পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে ৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বী থাকলেও বরাবরের মতই ভোটের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে মূলত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রতীক নৌকা আর বিএনপির প্রতীক ধানের শীষের প্রার্থীর মধ্যে।

মেয়র প্রার্থীরা হচ্ছেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী (নৌকা), বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আলাল উদ্দিন আলাল (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির ইয়ামিন হাসান ইমন (লাঙ্গল), জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) তারিকুল ইসলাম (সিংহ) এবং ইসলামি আন্দোলনের মো. গোলমুর রহমান আজম (হাত পাখা)। নির্বাচন ঘিরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই দলেই উৎসব বিরাজ করছে। বিএনপি মেয়র প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনের উৎসবমুখর পরিবেশ থাকলেও শেষ পর্যন্ত থাকবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান। শেষ পর্যায়ে জোর জবরদস্তির মাধ্যমে নির্বাচন করার পাঁয়তারা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রত্যাশা করে তিনি বলেন নির্বাচন সুষ্ঠ হলে রেকর্ড সংখ্যক ভোট পেয়ে তিনি জয় লাভ করবেন।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও ফেনী পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী বলেন, বিএনপি প্রাথী প্রতিদিন তাদের শত শত নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ চালাচ্ছেন। শহরের প্রাণ কেন্দ্র ট্রাংক রোড়, এসএসকে রোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় তাদের প্রচুর পোস্টার দেখা যাচ্ছে। তাদের মাইকিংও শোনা যাচ্ছে-এর চেয়ে সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ পরিবেশ আর কি হতে পারে?

তিনি আরও বলেন, অতীতে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন আমরা আওয়ামী লীগের লোকজন নির্বাচনী কার্যালয়ে আসতে পারেনি। বিএনপির প্রার্থীরা সবার প্রতীক নিতে নির্বাচনী কার্যালয় এসেছে । এ ধরনের সুন্দর পরিবেশ অতীতে বিএনপির আমলে হয়নি। হয়েছে আওয়ামী লীগের আমলে।

নৌকা ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে স্বপন মিয়াজী বলেন, আপনাদের কাছে থেকে সেবা করতে চাই, আমি আপনাদের সন্তান। জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা নিয়ে আপনাদের কাছে পাঠিয়েছেন। আপনাদের সবার দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে জয় লাভ করবো ইনশাআল্লাহ। তবে নিজেদের জয়ের ব্যাপারে অন্য প্রার্থীরাও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। এনডিএমের মেয়র প্রার্থী তারিকুল ইসলাম নিজের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ভোটাররা তরুণ নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রাখবে। ৩০ জানুয়ারি নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হলে ইনশাল্লাহ তিনি জয়ী হব।

ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী মো. গোলমুর রহমান আজম বলেন, প্রশাসন নিরপেক্ষ থেকে মানুষকে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে পারলে নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।

জাতীয় পার্টির ইয়ামিন হাসান ইমন বলেন, সুষ্ঠ নির্বাচন হলে পৌরসভা নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করব।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাছির উদ্দিন পাটোয়ারী জানান, আগামী ৩০ জানুয়ারি ফেনী পৌর নির্বাচনে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হবে। ১৮টি সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত ৬টি মহিলা কাউন্সিলর পদের মধ্যে ৯টিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

পৌর ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৯, ১১, ১৩ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত ১, ২, ৩, ৪ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে একক প্রার্থী থাকায় মোট ১৫ জন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। আর ১৫ জন কাউন্সিলর প্রার্থীকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

এ পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ৯১ হাজার ৬৬২ জন । এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪৭ হাজার ৩০৭ জন এবং মহিলা ভোটার রয়েছে ৪৪ হাজার ৩৫৫ জন। তিনি বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে ফেনী পৌরসভায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। কিছু বিচ্ছিন্ন অভিযোগ এলেও বড় ধরনের কোনো অভিযোগ এখনও তাদের কাছে আসেনি।

20/01/2021

ফেনীতে চলছে নির্বাচনী ভোটের আমেজ।সকল দলের মেয়র ও কমিশনার প্রার্থীর জন‌্য রইল শুভ কামনা।

প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি( Protappur Jamidar Bari ) বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের ফেনী জেলার অন্তর্গত দাগনভূঁইয়া উপজেলার এক...
04/01/2021

প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি( Protappur Jamidar Bari ) বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের ফেনী জেলার অন্তর্গত দাগনভূঁইয়া উপজেলার এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি।

প্রায় ১৮৫০ কিংবা ১৮৬০ সালে এই জমিদার বাড়িটি নির্মিত হয়। এই জমিদার বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন রাজকৃষ্ণ সাহা কিংবা রামনাথ কৃষ্ণ সাহা। স্থানীয়দের কাছে এটি প্রতাপপুর বড় বাড়ি হিসেবেও পরিচিত। এই এলাকার আশেপাশে যত জমিদার ছিল সবার শীর্ষে ছিল এই জমিদার। এই জমিদার বংশধররা জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পরও ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত এই জমিদার বাড়িটিতে ছিল। জমিদার বাড়ির বংশধরদের কিছু এখনো ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং কিছু ভারতের কলকাতা ও ত্রিপুরা রাজ্যে আছেন। জমিদার বাড়ির সম্পত্তি এখনো জমিদার বাড়ির বংশধরদের মালিকানাধীন। জমিগুলো এলাকার মানুষের কাছে বর্গা দিয়ে রাখা হয়েছে। জমিদার বাড়ির বংশধররা এখানে বছরের মধ্যে দুইবার আসেন এবং বর্গার টাকা নিয়ে যান।

প্রায় ১৩ একর জায়গা জুড়ে এই জমিদার বাড়িটি নির্মাণ করা হয়। বাড়িটিতে ১০টি ভবন ও ১৩টি পুকুর রয়েছে। এরমধ্যে ৫টি পুকুর পাকা ঘাট বাঁধানো।

বাড়িটি সরকারি অথবা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধায়নে না থাকায় জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। চারিদিক লতাপাতায় ঢেকে গেছে। ভবনগুলোও ধসে পড়ছে।

Address

Feni
3900

Telephone

01827436706

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ফেনী, বাংলাদেশ - Feni, Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share