Muhammad Rofik

Muhammad Rofik Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Muhammad Rofik, Fulbaria.

রিয়াদ শহর আলোয় ঝলমল করছে। আকাশচুম্বী কাঁচের ইমারত, বিলাসবহুল মার্সিডিজ আর রোলস রয়েসের আনাগোনা, আর রাজপ্রাসাদগুলোর চোখ-ধা...
30/07/2026

রিয়াদ শহর আলোয় ঝলমল করছে। আকাশচুম্বী কাঁচের ইমারত, বিলাসবহুল মার্সিডিজ আর রোলস রয়েসের আনাগোনা, আর রাজপ্রাসাদগুলোর চোখ-ধাঁধানো জাঁকজমক দেখে কে বলবে, এই শহরের মাটির নিচেই লুকিয়ে আছে এক প্রাচীন, অভিশপ্ত ভবিষ্যদ্বাণী! এই শহরের নিয়ন আলোর নিচে যখন রাজকীয় ভোজসভা চলে, তখন সেখান থেকে কয়েকশো মাইল দূরে ইয়েমেনের শিশুরা অনাহারে ধুঁকে ধুঁকে মরে। সিরিয়া বা শামের আকাশে বোমারু বিমানের গর্জনে ধসে পড়ে হাজার বছরের প্রাচীন সভ্যতা।

কিন্তু রিয়াদ শান্ত। রিয়াদ সুরক্ষিত। পশ্চিমা পরাশক্তির অদৃশ্য ছাতায় ঢাকা এই নজদের মাটি আজ পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ভাগ্যনিয়ন্তা। কিন্তু এই জাঁকজমকের আড়ালে, ক্ষমতার এই দাম্ভিক মঞ্চের পেছনে লুকিয়ে আছে এমন এক সত্য, যা ১৪০০ বছর আগে উচ্চারিত হয়েছিল। সেই সত্য আজ যখন ভূ-রাজনীতির আতশকাঁচ দিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়, তখন যেকোনো বিবেকবান মানুষের মেরুদণ্ড বেয়ে এক শীতল স্রোত নেমে যায়।

সময়টা আজ থেকে প্রায় চৌদ্দ শতাব্দীরও বেশি আগের। মদিনার এক শান্ত প্রাঙ্গণ। সাহাবীরা গোল হয়ে বসে আছেন তাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর চারপাশে।

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সা.) হঠাৎ দুই হাত তুলে পরম করুণাময়ের দরবারে দোয়া করতে শুরু করলেন...

"হে আল্লাহ! আমাদের শামে (সিরিয়া ও তৎসংলগ্ন অঞ্চল) বরকত দান করুন। হে আল্লাহ! আমাদের ইয়েমেনে বরকত দান করুন।"

উপস্থিত সাহাবীদের মধ্যে যারা নজদ বা বর্তমান রিয়াদ ও এর আশপাশের এলাকার মানুষ ছিলেন, তারা উৎসুক হয়ে বলে উঠলেন, "হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের নজদেও বরকতের দোয়া করুন।"

কিন্তু নবী করীম (সা.) তাদের কথায় কোনো সাড়া দিলেন না। তিনি পুনরায় একই দোয়া করল...

"হে আল্লাহ! আমাদের শামে বরকত দান করুন। হে আল্লাহ! আমাদের ইয়েমেনে বরকত দান করুন।"

নজদবাসীরা আবারও মিনতি করে বললেন, "হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের নজদেও?"

তখন তৃতীয় বা চতুর্থবারে নবী করীম (সা.) এমন এক কথা বললেন, যা আজকের দিনের ভূ-রাজনীতির সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে ভয়ংকর সতর্কবার্তা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি বললেন...

"সেখানে (নজদে) ভূমিকম্প ও ফিতনা (বিপর্যয়) হবে এবং সেখান থেকেই শয়তানের শিং উদিত হবে।" (সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম)

১৪০০ বছর আগের এই কথাটি আজ আর কেবল ধর্মীয় গ্রন্থের পাতায় বন্দি নেই। আজকের মধ্যপ্রাচ্যের দিকে তাকালে, নজদের বর্তমান অধিপতিদের কার্যকলাপ দেখলে, এই 'শয়তানের শিং' আর 'ফিতনা' যেন আক্ষরিক অর্থেই বাস্তব রূপ নিয়ে আমাদের চোখের সামনে জ্বলজ্বল করছে।

নজদ কী? ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক বিচারে ‘নজদ’ হলো বর্তমান সৌদি আরবের মধ্যবর্তী উচ্চভূমি, যার মূল কেন্দ্র হলো বর্তমান রাজধানী রিয়াদ ও এর আশপাশের এলাকা।

এই নজদ থেকেই বিংশ শতাব্দীর শুরুতে উঠে এসেছিলেন বর্তমান সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা...আব্দুল আজিজ ইবনে সৌদ। তিনি কোনো সাধারণ পথ ধরে ক্ষমতায় আসেননি। তার উত্থানের পেছনে লুকিয়ে আছে এক রক্তক্ষয়ী ইতিহাস এবং পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদ বা তৎকালীন 'নাসারা'দের সাথে এক ভয়ংকর, গোপন আঁতাত।

যখন অটোমান বা উসমানীয় সাম্রাজ্য পুরো মুসলিম বিশ্বকে এক ছাতার নিচে ধরে রাখার শেষ চেষ্টা করছিল, তখন এই নজদের শাসকরা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সাথে হাত মেলায়। ব্রিটিশ গুপ্তচর 'লরেন্স অফ অ্যারাবিয়া'-র মদদে এবং ব্রিটিশ পাউন্ড ও অস্ত্রের সাহায্যে তারা অটোমানদের পিঠে ছুরি মারে। তারা মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের প্রতীক অটোমানদের পতন ঘটিয়ে আরবের বুকে নিজেদের রাজত্ব কায়েম করে।

এরপর আসে ১৯৪৫ সাল। সুয়েজ খালের গ্রেট বিটার লেকে নোঙর করে থাকা মার্কিন যুদ্ধজাহাজ 'ইউএসএস কুইন্সি'-তে অনুষ্ঠিত হয় এক ঐতিহাসিক ও অন্ধকার বৈঠক। একদিকে নজদ থেকে উঠে আসা সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা বাদশাহ আব্দুল আজিজ ইবনে সৌদ, আর অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট।

সেখানে স্বাক্ষরিত হয় সেই অলিখিত চুক্তি..."তোমরা আমাদের তেলের নিশ্চয়তা দেবে, আর আমরা তোমাদের গদির নিরাপত্তা দেব।"

সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত, নজদ বা রিয়াদ পরিচালিত হয় এই চুক্তির ভিত্তিতেই। তারা নিজেদের গদি বাঁচাতে, ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে পশ্চিমা পরাশক্তি বা নাসারাদের স্বার্থরক্ষার সবচেয়ে বড় হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। আজ পুরো সৌদি আরব পরিচালিত হয় ওই নজদ বা রিয়াদ থেকেই, আর রিয়াদ পরিচালিত হয় ওয়াশিংটনের ইশারায়।

ভূ-রাজনৈতিক এই ষড়যন্ত্রের পাশাপাশি একটি অদ্ভুত, চাঞ্চল্যকর এবং রূপক চিত্র আজ বিশ্লেষকদের ভাবিয়ে তুলেছে।

হাদিসে বলা হয়েছিল, "নজদ থেকে শয়তানের শিং উদিত হবে।" অনেকে এই 'শিং'-কে রূপক অর্থে ফিতনা বা দুর্যোগ হিসেবে দেখেন। কিন্তু আপনি যদি ইন্টারনেটে যান, গুগলে গিয়ে "1st Saudi Leader" বা প্রথম দিকের সৌদি শাসকদের ছবি লিখে সার্চ দেন, তবে আপনার চোখের সামনে এমন এক চিত্র ফুটে উঠবে, যা আপনার শিরদাঁড়া বেয়ে শীতল স্রোত নামিয়ে দেবে।

প্রথম দিকের নজদি বা সৌদি শাসকদের মাথায় থাকা ঐতিহ্যবাহী পাগড়ি বা টুপি (ইকাল)-এর দিকে খেয়াল করুন। তাদের ইকাল বা পাগড়ি বাঁধার ধরনটা ছিল একেবারেই অন্যরকম। পাগড়ির ওপরের দিকে দুটি অংশ এমনভাবে প্যাঁচিয়ে উঁচিয়ে রাখা হতো, যার ডিজাইন দেখতে হুবহু দুটি শিং-এর মতোই লাগে!

এটি কি কেবলই একটি কাকতালীয় বিষয়? নাকি ১৪০০ বছর আগে দেওয়া সেই সতর্কবার্তার এক আক্ষরিক, চাক্ষুষ প্রতিফলন? যারা ধর্মের মোড়কে ক্ষমতা দখল করেছিল, তাদের নিজেদের অজান্তেই তাদের মাথার মুকুট কি সেই 'শয়তানের শিং'-এর রূপ ধারণ করেছিল? এই প্রশ্নটি আজ আধুনিক গবেষকদের ভাবিয়ে তুলেছে।

আজকের মধ্যপ্রাচ্যের দিকে তাকান। হিসাবটা মেলাতে খুব একটা কষ্ট হবে না।

নবী করীম (সা.) দোয়া করেছিলেন শাম (বর্তমান সিরিয়া, ফিলিস্তিন ও লেবানন অঞ্চল) এবং ইয়েমেনের জন্য। আজ সেই শাম এবং ইয়েমেন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মানবিক বিপর্যয়ের শিকার।

ফিলিস্তিনের গাজায় যখন হাজার হাজার শিশু বোমার আঘাতে ছিন্নভিন্ন হচ্ছে, লেবাননে যখন ফসফরাস বোমা পড়ছে, তখন রিয়াদ বা নজদের শাসকরা কী করছেন? তারা কি সেই মজলুমদের পাশে দাঁড়িয়েছেন? না। তারা ব্যস্ত 'ভিশন ২০৩০' নিয়ে, তারা ব্যস্ত মরুভূমির বুকে বিলাসবহুল 'নিওম' সিটি বানাতে, তারা ব্যস্ত পশ্চিমা তারকাদের এনে কনসার্ট করতে।

ইয়েমেনে, যে দেশের জন্য স্বয়ং রাসূল (সা.) বরকতের দোয়া করেছিলেন, সেই ইয়েমেনের ওপর গত এক দশক ধরে বোমাবর্ষণ করেছে কারা? এই নজদের শাসকরাই! পশ্চিমাদের অস্ত্র কিনে তারা ইয়েমেনের নিরীহ শিশুদের ওপর বোমা ফেলেছে। শামে যখন রক্তের বন্যা বইছে, তখন নজদ থেকে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার গোপন দরকষাকষি চলছে।

হাদিসের সেই 'ফিতনা' বা দুর্যোগ আজ আর কোনো তত্ত্বকথায় সীমাবদ্ধ নেই। নজদের মাটি থেকে আজ এমন সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, যা পুরো মুসলিম বিশ্বকে বিভক্তি, যুদ্ধ আর ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তারা নাসারাদের সাথে হাত মিলিয়ে নিজেদের গদি ঠিক রাখছে, আর অন্যদিকে ফিলিস্তিন বা ইয়েমেনের মতো বরকতময় ভূমিগুলোকে পরিণত করছে জ্বলন্ত শ্মশানে।

রাত গড়িয়ে ভোর হচ্ছে। রিয়াদের আল-ইয়ামামাহ রাজপ্রাসাদের সুউচ্চ জানালা দিয়ে মরুভূমির ভোরের আলো এসে পড়ছে।

প্রাসাদের ভেতরের একটি অত্যন্ত সুরক্ষিত, নিশ্ছিদ্র কক্ষে বসে আছেন নজদের বর্তমান শাসকরা। তাদের সামনে রাখা আছে পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সাথে করা গোপন চুক্তির ফাইলগুলো। তারা হয়তো ভাবছেন, তাদের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার, তাদের তেল, আর তাদের পশ্চিমা মিত্ররা তাদের চিরকাল এই সিংহাসনে টিকিয়ে রাখবে।

কিন্তু তারা জানে না, ইতিহাসের পাতায় কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়।

বাইরে তখন মরুভূমির বাতাস বইছে। এই বাতাস হয়তো ১৪০০ বছর আগের মদিনার সেই শান্ত বিকেলের কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে। যে ফিতনার কথা বলা হয়েছিল, তা আজ পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে গ্রাস করেছে। শয়তানের শিং হয়তো আজ আর পাগড়িতে নেই, তা আজ লুকিয়ে আছে তাদের প্রতিটি চুক্তিতে, প্রতিটি বোমায়, প্রতিটি নীরবতায়।

বিশ্ব রাজনীতির দাবার বোর্ডে আজ এক অদ্ভুত খেলা চলছে। একদিকে রক্তে ভেজা শাম আর ইয়েমেন, অন্যদিকে অহংকারে মত্ত নজদ আর তাদের পশ্চিমা মিত্ররা।

কিন্তু এই রাজনৈতিক থ্রিলারের শেষ পাতাটা এখনো লেখা হয়নি। যখন শামের মাটি থেকে শেষ প্রতিরোধটুকু জেগে উঠবে, যখন ইয়েমেনের ক্ষুধার্ত শিশুরা আকাশের দিকে হাত তুলবে, তখন কি নজদের এই কাঁচের তৈরি রাজপ্রাসাদগুলো টিকতে পারবে? নাকি হাদিসের সেই ভূমিকম্প কেবল মাটি কাঁপাবে না, কাঁপিয়ে দেবে তাদের সিংহাসনের ভিতকেও?

পৃথিবী আজ খাদের একেবারে কিনারায় দাঁড়িয়ে টলমল করছে।

ফিতনার এই মেঘ একদিন বৃষ্টি হয়ে ঝরবে, আর সেই বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে যাবে সমস্ত দম্ভ আর অহংকার।

নজদের এই বিলাসবহুল প্রাসাদগুলোতে হয়তো আজ অট্টহাসি বাজছে, কিন্তু ইতিহাসের অমোঘ বিচার শুরু হতে আর বেশি দেরি নেই!

মহাপ্রলয় আসন্ন!

16/06/2026
03/06/2026

🔬 #বিজ্ঞান_যখন_কথা_বলে, তখন সব কাকতালীয় ঘটনা সিজদায় লুটিয়ে পড়ে!😮
আপনি কি কখনো ভেবেছেন যে, একজন নারীর শরীর এমন কিছু রহস্য বহন করে যা বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক কম্পিউটার সিস্টেমের চেয়েও নিখুঁত?💻..
আর আপনি কি জানতেন যে, পবিত্র ক্বুরআনের যে শার'য়ী বিধানগুলো আমরা তিলাওয়াত করি, তার ভেতরে এমন কিছু "বায়োলজিক্যাল কোড" বা জৈবিক সংকেত লুকিয়ে আছে যা পশ্চিমা বিশ্বের শীর্ষ বিজ্ঞানীদেরও স্তব্ধ করে দিয়েছে?
আসুন আমরা বিজ্ঞানের এক অবিশ্বাস্য ও অলৌকিক গল্পে ডুব দিই, যা বর্ণনা করেছেন ড. যাঘলুল আন্ নাজ্জার। এই গল্পে দেখা যাবে কীভাবে "জরায়ুর ছাপ" (Womb Print) আমেরিকার একজন শীর্ষস্থানীয় ভ্রূণবিজ্ঞানীর সামনে সত্য ও আলোর পথ খুলে দিয়েছিল!
🌟🧬 #রহস্যময়_ধাঁধা: পুরুষের শুক্রাণুর "ডিজিটাল ছাপ" কী?
বিখ্যাত "অ্যালবার্ট আইনস্টাইন" ইনস্টিটিউটে, প্রখ্যাত ভ্রূণবিজ্ঞানী রবার্ট গিলহ্যাম (Robert Gillham) একটি অভূতপূর্ব চিকিৎসা আবিষ্কারের সামনে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন!🔍
আধুনিক বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে যে, পুরুষের বীর্যে ৬২টি এমন প্রোটিন থাকে যা আঙুলের ছাপের (Fingerprint) মতোই একজন পুরুষ থেকে অন্য পুরুষের মধ্যে সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়! এটি একটি "বিশেষ জেনেটিক কোড" যা কখনো হুবহু পুনরাবৃত্তি হয় না।
আর সবচেয়ে রোমাঞ্চকর বিষয় কী? নারীর জরায়ু এই কোডটির সাথে একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল কম্পিউটারের মতো আচরণ করে এবং তার সাথে মেলামেশা করা পুরুষের কোডটি সংরক্ষণ করে রাখে। যদি একই সময়ে বা জরায়ু পরিষ্কার হওয়ার আগেই একাধিক পুরুষের কোড সেখানে প্রবেশ করে, তবে এই পুরো সিস্টেমে একটি বাস্তব "ভাইরাস" আক্রমণ করে। যার ফলে জৈবিক ভারসাম্যহীনতা এবং বিভিন্ন মারাত্মক ও প্রাণঘাতী ব্যাধি সৃষ্টি হয়! (আর এটাই হলো অবৈধ সম্পর্কের পরিবেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়া মহামারী ও জঘন্য রোগব্যাধির মূল রহস্য)।⚠️
🌙 #তিন_মাসের_রহস্য.. গবেষণাগারের শত শত বছর আগেই ক্বুরআন সব জানিয়ে দিয়েছে!
বিজ্ঞানী গিলহ্যাম যখন মুসলিম নারীর বিবাহবিচ্ছেদের পরের "ইদ্দাত" বা অপেক্ষার সময়কালের (তিনটি ঋতুস্রাব) রহস্য নিয়ে গবেষণা করলেন, তখন ল্যাবরেটরির সংখ্যা ও ফলাফল দেখে তিনি চমকে উঠলেন:
#প্রথম_ঋতুস্রাব: প্রথম স্বামীর জরায়ুর ছাপের ৩২% থেকে ৩৫% মুছে ফেলে।
#দ্বিতীয়_ঋতুস্রাব: জরায়ুকে প্রায় ৬৭% থেকে ৭২% পর্যন্ত পবিত্র ও পরিষ্কার করে।
#তৃতীয়_ঋতুস্রাব: জরায়ুর সেই ছাপ ৯৯.৯% পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করে দেয়!🩸✨
এই পর্যায়ে জরায়ু একদম সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে যায় এবং কোনো প্রকার ক্ষতি ছাড়াই একটি নতুন কোড গ্রহণের জন্য নিজেকে পুনরায় প্রস্তুত করে!
আর সবচেয়ে বড় বিস্ময় ছিল "বিধবার 'ইদ্দাত" (চার মাস দশ দিন) পালনের ক্ষেত্রে; বিজ্ঞান খুঁজে পেয়েছে যে, তীব্র মানসিক শোক ও দুঃখ জরায়ুতে মৃত স্বামীর ছাপকে আরও শক্তভাবে ধরে রাখে। ফলে নারীর প্রকৃতি ও বিশ্বস্ততার খাতিরে সেই ছাপটি চিরতরে মুছে যাওয়ার জন্য আরও কিছুটা দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয়।
🕵️‍♂️ #একটি_মর্মান্তিক_পরীক্ষা.. এবং সত্য যা সবকিছু বদলে দিল!
বিজ্ঞানী "গিলহ্যাম" এই সত্যটি নিজের চোখে দেখতে চেয়েছিলেন, তাই তিনি আমেরিকায় একটি মাঠপর্যায়ী গবেষণা পরিচালনা করলেন:
1️⃣ আফ্রিকান মুসলিম অধ্যুষিত একটি এলাকায়: পরীক্ষা করে দেখা গেল যে, সেখানকার সমস্ত নারীর জরায়ুতে কেবল "একজন মাত্র স্বামীর" ছাপ রয়েছে.. এক পরম পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতা!✅
2️⃣ অন্য একটি তথাকথিত মুক্ত ও আধুনিক এলাকায়: সেখানকার নারীদের পরীক্ষায় দেখা গেল যে, তাদের জরায়ুতে বিভিন্ন পুরুষের একাধিক ছাপ রয়েছে! ❌
কিন্তু সবচেয়ে বড় ধাক্কা এবং নাটকীয় মোড় যা এই বিজ্ঞানীর জীবনকে উল্টেপাল্টে দিল.. তা হলো যখন তিনি চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য নিজের স্ত্রীর জরায়ু পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিলেন!💔
সেটি ছিল এক ভয়াবহ ট্র্যাজেডি.. তিনি তাঁর স্ত্রীর জরায়ুতে তিনটি ভিন্ন পুরুষের ছাপ পেলেন! এর মাধ্যমে তিনি কেবল তার স্ত্রীর বিশ্বাসঘাতকতাই আবিষ্কার করেননি, বরং পরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পারলেন যে, তার তিন সন্তানের মধ্যে মাত্র একজন তার নিজের রক্তের সন্তান!
🕋 ্য: "পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র নারী"
নারীর সম্মান রক্ষা, বংশের বিশুদ্ধতা টিকিয়ে রাখা এবং সমাজকে ধ্বংস ও রোগব্যাধি থেকে বাঁচানোর এই অসাধারণ অলৌকিকতা দেখে বিজ্ঞানী রবার্ট গিলহ্যাম আল্ল-হর দরবারে সিজদায় লুটিয়ে পড়া এবং ইসলাম গ্রহণ করা ছাড়া আর কোনো উপায় খুঁজে পেলেন না। তিনি পূর্ণ বিশ্বাসের সাথে ঘোষণা করলেন:
"নিশ্চয়ই মুসলিম নারী হলেন এই পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন ও পবিত্র নারী!"
🕋 আর এটি সম্ভব হয়েছে তার মহান ধর্মের বিধানের কল্যাণে।سَنُرِيهِمْ آيَاتِنَا فِي الْآفَاقِ وَفِي أَنفُسِهِمْ حَتَّىٰ يَتَبَيَّنَ لَهُمْ أَنَّهُ الْحَقُّ.
অর্থাৎ: "শীঘ্রই আমি তাদেরকে আমার নিদর্শনাবলী দেখাব বিশ্বজগতে এবং তাদের নিজেদের মধ্যে, যতক্ষণ না তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, এটিই সত্য।" [সূরাহ্ ফুস্ব্স্বিলাত:৫৩]
সুবহা-নাল্ল-হ্! মহান আল্ল-হ্ অতি পবিত্র, যিনি মানব আত্মা ও জরায়ুর সকল গোপন রহস্যের খবর রাখেন.. 🤍যদি আপনি এটি সম্পূর্ণ পড়ে থাকেন এবং এই বৈজ্ঞানিক অলৌকিকতা আপনার হৃদয়কে স্পর্শ করে থাকে, তবে এই মহান ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব এবং মুসলিম নারীর মর্যাদা বিশ্ববাসীকে জানাতে এটি শেয়ার করতে ভুলবেন না।🔄
[সুত্র: আরবী ফেসবুক ওয়াল থেকে সংগৃহীত ও অনূদিত]

মদিনার আদবসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গত রাতে পবিত্র...
24/05/2026

মদিনার আদব
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

গত রাতে পবিত্র নগরী মদিনায় মসজিদে নববীর অদূরে এক মোবারক মজলিসে বসার সুযোগ হয়েছিল। যেখানে প্রায় পয়তাল্লিশ থেকে পঞ্চাশজন হাজ্বী সাহেব অংশ নিয়েছিলেন। সেই মজলিসে বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন পরিচিত আলেম ব্যক্তিত্বও উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঢাকার মাওলানা হামিদ জহিরি ও মাওলানা কেফায়াতুল্লাহ কাশফী। ছিলেন ফেনী জামিয়া রশিদিয়ার এক সিনিয়র ওস্তাদও।

রাতের ভোজন শেষে মাওলানা হামিদ জহিরি সাহেবকে হাজ্বী সাহেবরা আবদার করলেন কিছু নসীহা পেশ করার জন্য। তিনি সংক্ষিপ্ত খুৎবা শেষে পবিত্র মদিনায় বসবাসের আদব সম্পর্কে আলোচনা শুরু করলেন। কয়েক মিনিটের সংক্ষিপ্ত আলোচনায় তিনি তিনটি ঘটনা বর্ণনা করলেন। উনার আবেগময় বর্ণনা ভঙ্গি আর ঘটনাগুলোর স্পর্শকাতরতা সবার হৃদয়কে ছুয়ে গেছে। কাউকে নিজের অনাকাঙ্ক্ষিত ত্রুটি-বিচ্যুতির জন্য লজ্জিত হতে দেখেছি। আবার কাউকে অশ্রুসজল হতেও দেখেছি।

ঘটনাগুলো.....

১,
এক বড় বুজুর্গ মদিনা শরীফ জিয়ারতে এসেছেন। তিনি মদিনায় অবস্থানকালীন সময়ে এখানকার দই খান। দইটা উনার কাছে একটু টক মনে হয়। উনি কথাপ্রসঙ্গে কেউ একজনকে মদিনার দই টক লাগার বিষয়টি শেয়ার করেন। বলেন, 'মদিনার দই টক'। ব্যস এটুকুই। উনি রাতে ঘুমিয়ে পড়লেন। ঘুমের মধ্যে প্রিয় নবীজি ﷺ স্বপ্নযোগে উনার সামনে উপস্থিত হলেন। এবং তাঁকে বললেন, 'মদিনার দই বুঝি টক'? আগামীকাল সূর্যোদয়ের পূর্বেই তুমি মদিনা ত্যাগ করবে। উনি স্বপ্ন দেখার পর ফজর হওয়ার পূর্বেই প্রিয় নবীজি ﷺ আদেশ অনুযায়ী পবিত্র মদিনা ত্যাগ করেন।

২,
পবিত্র মসজিদে নববীতে একদিন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু শুয়ে ছিলেন। হঠাৎ তিনি অনুভব করলেন তাঁর গায়ে এক ছোট্ট পাথরের টুকরো এসে পড়েছে। তিনি তড়িঘড়ি করে ওঠে বসতেই দেখলেন হযরত ওমর রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু তাঁকে ইশারা দিয়ে বলছেন, দূরে ওই জায়গায় দুজন যুবক বসে কথা বলছে। তাদের পরিচয় বের করুন। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু সেই যুবক দুজনের কাছে গিয়ে পরিচয় এবং কোত্থেকে এসেছে জানতে চাইলেন। যুবক দুজন বললেন, 'তায়েফ থেকে '।

একথা শোনার পর হযরত ওমর রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু বললেন, আজ তোমরা দূরের মেহমান হওয়াতে বেঁচে গেছো। অন্যথায় পবিত্র মসজিদে নববীতে বসে উচ্চস্বরে কথা বলার অপরাধে তোমাদেরকে কঠিন শিক্ষা দিতাম। আল্লাহু আকবার! একেই বুঝি বলে নবীপ্রেম?!

৩,
তিন নাম্বারের ঘটনাটা যতটুকু মনে পড়ে এরকম। ঘটনাটা উনার সাথেই ঘটেছে।

দুই হাজার এগারো সালে সর্বপ্রথম মাওলানা হামিদ জহিরি সাহেব মক্কা মদিনা সফরে আসেন। তিনি মদিনা শরীফে বসে আছেন। দেখেন দুই মিশরীয় যুবক পবিত্র রওজা মোবারকের দিকে পা টেনে বসে আছে। তিনি দৃশ্যটি দেখে কষ্ট পান। কষ্ট থেকেই তিনি যুবকদ্বয়ের কাছে ছুটে যান। গিয়ে কথা বলা শুরু করলেন। পরিচয় পর্ব শেষে তিনি যুবকদের বললেন, 'ধরুণ আপনাদের সামনে আপনাদের জন্মদাত্রী মা বসে আছেন। তখন কি আপনারা মায়ের দিকে পা টেনে এভাবে বসতে পারবেন বা বসবেন'?

যুবকদ্বয় একথা শোনা মাত্র চিৎকার দিয়ে আসতাগফিরুল্লাহ পড়তে পড়তে বলল, 'অসম্ভব। প্রশ্নই আসে না'। তখন মাওলানা সাহেব তাদের বললেন, 'যেখানে আপনারা জন্মদাত্রী মায়ের সামনে এভাবে বসাটা অসম্মান মনে করেন, সেখানে দুজাহানের সরদারের রওজার দিকে পা টেনে বসে আছেন কীভাবে? যুবকদ্বয় অপরাধ বুঝতে পেরে লজ্জিত হয়ে তাওবা করতে লাগলেন, আর বললেন, আর কখনো এমনটা হবে না।

(উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের মানুষ পবিত্র কা'বা বা রওজা মোবারকের দিকে পা টেনে বসাটা দোষের কিছু মনে করে না। যদিও এটা আদবের খেলাফ।)

মাওলানা হামিদ জহিরি সাহেবের এই সংক্ষিপ্ত আলোচনা শোনার পর আমার শরীরের লোম দাঁড়িয়ে গেছে। পিনপতন নীরবতা নেমে এসেছিলো গোটা মজলিসজুড়ে। অতীতে নিজের অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল-ত্রুটির জন্য লজ্জায় আপাদমস্তক নত হয়ে গেছে। কর্মসূত্রে এই শহরে বসবাসের সুবাধে অজান্তে কত বেয়াদবিই না করে ফেলেছি পবিত্র রওজা মোবারক ও এই পবিত্র এই নগরীর সাথে!
আল্লাহ আমাকে মাফ করুন।

মাওলানা হামিদ জহিরি সাহেবের এই গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ঘটনার বর্ণনা থেকে পবিত্র মদিনায় বসবাসকারী ও জিয়ারতকারীদের জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নসীহা রয়েছে।

১,
পবিত্র মদিনার যেকোনো বিষয় নিয়ে সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকা। হোক তা খাবারদাবার, হোটেল ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি...

২,
মসজিদে নববীতে উচ্চবাচ্য বা অহেতুক কথাবার্তা বলা থেকে বিরত থাকা। চোখের হেফাজত করা ইত্যাদি..

৩,
আরবীয়দের দেখাদেখি আদবের খেলাফ সর্বপ্রকার কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা।

আল্লাহ পবিত্র মদিনায় বসবাসকারী ও জিয়ারতকারী সবাইকে এই নসীহাগুলো মেনে চলার তাওফিক দান করুন।

-সংগৃহীত
#ﷺ

ছোট খুশির খবর হইলতেরো সালের ‘নতুন শক্তি’  হেফাজতে ইসলাম সাংগঠনিকভাবে তোষামোদি তোষামোদি খেলা থেকে হয়তো রক্ষা পেল আলহামদুল...
18/05/2026

ছোট খুশির খবর হইল

তেরো সালের ‘নতুন শক্তি’ হেফাজতে ইসলাম সাংগঠনিকভাবে তোষামোদি তোষামোদি খেলা থেকে হয়তো রক্ষা পেল আলহামদুলিল্লাহ। যে স্বার্থান্বেষীরা একে শ্রমজীবী সংগঠনে পরিণত করতে চাইসিল,তাদের খেলা ভেস্তে গেল সম্ভবত।

বড় দুঃখের ব্যাপার হইল

হেফাজতের স্বয়ং আমীরকে দলবল নিয়ে গিয়ে মামুনুল হকের বুঝাতে হল যে— জামায়াতের সাথে আমাদের জোট রাজনৈতিক ; আদর্শিক নয়। অতঃপর আমীরে হেফাজত হাফিজাহুল্লাহ অনুজকে মাথায় হাত বুলালেন এবং বিষয়- আশয় মেনে নিলেন। মানে বাবা তোমার কাজ ঠিক আছে। জামায়াতের সাথে জোট করা ইত্যাদি ইত্যাদি।

তো এইসব ঘটনায় প্রশ্ন উঠে হইল

আমীরে হেফাজত কি স্বকীয় বুঝ -বুদ্ধি রাখেন না, নাকি তিনি বুঝের ব্যাপারে পরনির্ভর? অথবা মুখাপেক্ষী? এই যে জামায়াতের জোট আদর্শিক জোট না— এই তুচ্ছ ব্যাপারটা কেন তাঁকে আরেকজনের বুঝানো লাগবে? আর একদল যখন নির্বাচনের আগে বুঝাইল জামায়াতের সাথে মুমীনুলদের আকীদাগত বা আদর্শগত জোট হইছে, তখন তিনি ফতোয়া দিলেন, জামায়াতকে ভোট দেওয়া হা°রাম। সাথে মামুনুল হককে বহিষ্কারের আলাপ উঠল। ওই ফতোয়ার এখন কি অবস্থা? মানে যে যেইটা বুঝাবে, তারটা মেনে নিয়ে সিদ্ধান্ত দিয়ে দিবেন, এইটা কি আমীরের শান? ইসলামে কি আমীর বা দলপ্রধানের কোনো নেতৃত্ব গুণ বাতলানো নাই? না না আমি প্রশ্ন করছি না তাঁর নেতৃত্ব গুণের অভাব কিনা, বরং এইসব ঘটনাপ্রবাহই সুয়াল উস্কে দিচ্ছে। এগুলোর মাধ্যমে কি ইসলাম হাসির পাত্র হচ্ছে না?
এর মধ্য দিয়ে কি ছিদ্রাণ্বেষীদের এই প্রশ্নের সুযোগ উঠছে না যে— হেফাজত আমীর কি খেলার পুতুল?

আহহা
নিজেদেরকে আর হাসির পাত্র বানায়েন না প্লিজ!

04/05/2026

কাবার ইমাম যদি অপরাধ করে তাই বলে কি মক্কায় যাওয়া বা হজ্জ করা বন্ধ করে দিবো? না কখনই না। কোনো জ্ঞানী যদি অপরাধ করে জ্ঞান অন্বেষণ করা কি বন্ধ করে দিবো? না কখনই না।
ঠিক কোনো হুজুর অপরাধ করলে মাদ্রাসা শিক্ষা বা সন্তানকে মাদ্রাসায় দেয়া বন্ধ করা এই স্লোগান কেনো? যে অপরাধ করবে তাকে শাস্তির সম্মুখীন করতে হবে। এতে হুজুর হোক বা জেনারেল হোক। সবাই মানুষ হুজুররা ফেরেস্তা না। তারা আসমান থেকেও আসেনায়। তাদের দ্বারা যে গুনাহ সংগঠিত হবেনা বিষয় টা এমন নয়। যদি এমন হতো আল্লাহ্ সেটা কোরআনের মধ্যেই বলে দিতো। আল্লাহ তাআলা বলেছেন যারা মুমিন তারা গুনাহ থেকে বেচে থাকবে। শয়তানের প্রবঞ্চনায় গুনাহ হয়ে গেলে তাওবাহ করবে। এখন আপনার দৃষ্টিতে যদি হুজুররাই মুমিন হয় তাহলে বাকি সব কি মুনাফিক? না মুনাফিক না যারা আল্লাহর প্রতি ইমান এনেছে তারাই মুমিন। বলৎকার, ধর্ষন, পরকীয়া হত্যা, গুম, খুন ইত্যাদি,, থেকে পরিবার সমাজ বাচাতে হলে স্কুল, কলেজ,মাদ্রাসা,মসজিদ, হাসপাতাল,,,সর্ব যায়গায় সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং অপরাধীকে শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

করোনার বেশ কিছুদিন আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প গিয়েছিলেন ইংল‍্যান্ডের রানির সঙ্গে দেখা করতে। সৌজন‍্য সাক্ষাতের সময় ট্রাম্প তাঁর ...
20/04/2026

করোনার বেশ কিছুদিন আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প গিয়েছিলেন ইংল‍্যান্ডের রানির সঙ্গে দেখা করতে। সৌজন‍্য সাক্ষাতের সময় ট্রাম্প তাঁর কাছে জানতে চাইলেন, আপা এত চমৎকারভাবে দেশটা চালাচ্ছেন আপনি, কেমনে কী? একটু টিপস্-টুপস্ দেন দয়া করে।

অবশ‍্যই, দেব না কেন, জবাব দিলেন রানি। বললেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটা হচ্ছে নিজের আশপাশে মেধাবী ও বুদ্ধিমান লোক রাখবা।
ট্রাম্প মাথা চুলকালো। বলল, বুঝব কেমনে যে আশপাশের লোকগুলো বুদ্ধিমান?

রানি বললেন, একটা ধাঁধা জিজ্ঞেস করবা। দাঁড়াও দেখাচ্ছি। রানি ইন্টারকম টিপে তার প্রধানমন্ত্রীকে আসতে বললেন। বরিস জনসন অল্প সময়ের মধ‍্যে সেই রুমে এসে হাজির। বললেন, আপা ডাকসেন?
রানি বললেন, আচ্ছা বরিস, ধরো তোমার মা-বাবার একটা সন্তান হলো। সেটা তোমার ভাই বা বোন না। তাহলে সেটা কে?
বরিস এক সেকেন্ডের মধ‍্যে বললেন, কেন, আমি! রানি মুচকি হেসে বললেন, ঠিক বলেছো।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বাড়ি ফিরে গিয়ে তাঁর উপ-রাষ্ট্রপতি মাইক পেন্সকে জিজ্ঞেস করলো, আচ্ছা মাইক, ধরো তোমার মা-বাবার একটা সন্তান হলো। সেটা তোমার ভাই বা বোন না। তাহলে সেটা কে?

ট্রাম্পের প্রশ্ন শুনে মাইকের চোখ ছোট হয়ে গেল। তিনি বললেন, আমি ঠিক নিশ্চিত না। একটু সময় দেন, আমি জানাচ্ছি আপনাকে। মাইক তার উপদেষ্টা, ম‍্যানেজার সবাইকে প্রশ্নটা করলেন। কেউ ঠিক মতো জবাব দিতে পারল না।

শেষ পর্যন্ত মাইক তার স্কুলজীবনের বুদ্ধিমান বন্ধু জ‍্যাক মার্ফির সঙ্গে একটা রেস্টুরেন্টে দেখা করলেন। বন্ধুকে জিজ্ঞেস করলেন, আচ্ছা দোস্ত, ধরো তোমার মা-বাবার একটা সন্তান হলো। সেটা তোমার ভাই বা বোন না। তাহলে সেটা কে?

মার্ফি হাসতে হাসতে বললেন, এটা তো খুব সহজ। আমি।
মাইক বললেন, ধন‍্যবাদ। বাঁচালে।

পরদিন মাইক গেলেন ট্রাম্পের কাছে। গিয়ে খুব গর্বের সঙ্গে বললেন কালকের ধাঁধাটার তো সমাধান করে ফেলসি। আমার মায়ের ওই সন্তান হচ্ছে আমার বন্ধু মার্ফি!

ট্রাম্প ভয়াবহ ক্ষেপে গিয়ে বললেন, গাধা! ওটা বরিস জনসন!

31/03/2026

দেবর-ভাবী' শব্দের মধ্যে চরম অশ্লীলতা!!

ভাবীর অর্থ খুঁজতে গিয়ে এটা পাইলাম!
আমাদের বাংলা 'শব্দভাণ্ডার' হিন্দুদের অশ্লীল আচার-আচারনে সমৃদ্ধ সংস্কৃত ভাষার উপর নির্ভর করে গড়ে উঠেছে। আচ্ছা আপনারা কেউ কী জানেন!
বরের ছোট ভাইকে মেয়েরা দেবর বলে কেন?
আর দেবর শব্দের প্রচলনই বা হল কিভাবে ?
দেবর তার বড় ভাইয়ের বউকে ভাবী বলে কেন?
দেবর শব্দের বিশ্লেষণ :
দেবর শব্দটির আসল রূপ হল:
'দেবর' শব্দের মূলরূপ 'দ্বেবর' যার অর্থ দ্বিতীয় বর। এই শব্দের উৎপত্তি হয়েছে হিন্দু ধর্মের জঘন্যতম 'সতীদাহ' প্রথা হতে।
হিন্দু সমাজে যখন সতীদাহ প্রথা চালু ছিল, তখন কোন মেয়ের বর মারা গেলে তার সাথে ওই মেয়েকেও চিতায় পোড়ানো হত।
কিন্তু তাদের বাঁচার একটাই উপায়
ছিল, তা হল ওই মেয়ের বরের যদি কোন ছোট ভাই থাকত, আর সে যদি ওই মেয়েকে বিয়ে করার অঙ্গীকার করত এবং চিতায় অগ্নি প্রজ্বলনের আগেই তাকে চিতা থেকে নামিয়ে নিয়ে আসত, তবেই সেই মেয়ে রক্ষা পেত।
আর এই কারণেই হিন্দু ধর্মের
মুনি-ঋষিরা মেয়েদের জন্য বরের ছোট ভাইয়ের নামকরণ করে 'দেবর' অর্থাৎ দ্বিতীয় বর!
====
'ভাবী' শব্দের বিশ্লেষণ:
'ভাবী' শব্দের মধ্যেও অনেক অশ্লীলতা আছে।
ভাবী শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে যাকে নিয়ে ভাবা হয়, যার সাথে ভাব করা হয়, ভবিষ্যতে যে হবে, (আধুনিক বাংলা অভিধান) তাকে ভাবী বলে।
যেমন বলা হয় `আমি তোমাকে নিয়ে ভাবী`।
আসলে আমরা মুসলিমরা না জেনেই কতকিছু করে থাকি অনুকরণের ছলে।
ভাবিও না আমি কি করছি, কি বলছি, আর কেনইবা করছি, কেনইবা বলছি!
আজ যখন হঠাৎ করেই এই বিষয়টা মাথায় আসল তখন নিজে নিজেই লজ্জা পাচ্ছি, আসলে ঠিক লজ্জাও না, কেমন যেন অপমানিত বোধ করছি।
কেউ হয়তো ভাবতেও পারেন নাই যে এই দেবর-ভাবী শব্দের মাঝে মেয়েদের জন্য কতবড় কলঙ্ক লুকিয়ে আছে।
আসলেই কি আমাদের বাংলা শব্দভাণ্ডার এতটাই কম যে হিন্দুরা যা কিছুর প্রচলন করেছে আমাদেরও তালে তাল মিলিয়ে সেগুলো আওড়াতে হবে?
আমাদের মুসলিমদের কি নিজস্বতা বলতে কিছু নেই??
'
এর পরিবর্তে ... আপু/ভাই, ডাকতে পারেন আপনি লক্ষ করে থাকবেন, ইংরেজি অথবা আরবিতে এই শব্দগুলোর প্রতিশব্দ নেই। আরব এবং ব্রিটিশ ভাই অথবা আপু বলেই সম্বোধন করে।
আমাদেরই উচিৎ, ভাই/আপু বলেই সম্বোধন করা!

➤আসুন এসব শব্দ পরিহার করি। (বিরোধীতা নই, আসুন অশ্লীলতা পরিবর্তন করি)

25/03/2026

বাই-চান্স না বাই-চয়েজ?

বাই চান্স মৌলবি আর বাই চয়েজ মৌলবির মাঝে পার্থক্য বিরাট!

কওমি অঙ্গন প্রকৃত অর্থে তাদেরকেই খুঁজে বেড়ায়, মৌলবিত্বকে যারা চয়েজ করেছে, ধারণ করেছে এবং গৌরব হিসাবে আপন করে নিয়েছে।

পরিবারের চাপে ঘটনাক্রমে বিপদে পড়ে পিছলা খেয়ে বাই-চান্স মাদ্রাসায় এসে থাকলে বছরের শুরুতে নিজের সাথে আবার বোঝাপড়া করুন। নতুন করে নিয়ত দুরুস্ত করে নিন।

অন্তত
১. ঈমান মজবুত করা,
২. আমল ইবাদতে অভ্যস্ত হওয়া,
৩. একাধিক ভাষা শেখা,
৪. আদব কায়দা রপ্ত করা,
৫. নীতি-নৈতিকতা জাগ্রত করা
৬. মিচুরিটি অর্জন করা
৭. দ্বীন ইসলামের কমন জ্ঞান হাসিল করা
৮. হক-বাতিলের পার্থক্য সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান লাভ করা--
--এই আটটি লক্ষ্যে পড়ালেখা করুন।

পড়াশোনা শেষে ঈমান আমল এবং গোত্র পরিচিতি রক্ষা করে ব্যবসা-বাণিজ্য ও চাকরি-বাকরিতে চলে যান। দ্বীনি কাজের সহযোগী হোন। আপনার জন্য শুভকামনা।

কিন্তু যদি মৌলবিত্বকেই শোগল বানাতে চান, দ্বীনি ইলম নিয়ে জীবন পার করতে চান, ইসলামের গভীর বুঝ-সমঝ হাসিল করতে চান, তবে আপনি ধর্মীয় অঙ্গনের কুল-প্রদীপ, গর্বের ধন! অনেক বেশি যত্নের সাথে আপনাকে বড় হতে হবে বেড়ে উঠতে হবে!

ভবিষ্যতে নবীর ওয়ারিশ হবেন,
ইলমি আমানতের ধারক হবেন, ইসলামের পক্ষে ওকালতি করবেন, দীন-শরিয়তের আবেদনপূর্ণ উপস্থাপক হবেন,
ছাত্রদেরকে সেভাবে গড়ে তুলবেন, --তাহলে এখন থেকেই আপনাকে অনেক বেশি হিম্মত সাধনা এবং ঐকান্তিকতার পরিচয় দিতে হবে। কৃচ্ছতাপূর্ণ সল্পেতুষ্ট জীবনরীতি আপন করে নিতে হবে।

সুতরাং বছরের শুরুতে ভর্তির প্রাক্কালে আত্মজিজ্ঞাসা শেষ করুন। কে কি কেন কখন কোথায় কিভাবে? ভেবে চিন্তে উত্তর ঠিক করুন এবং সে অনুসারে সিদ্ধান্ত নিন। এখানে উদাসীনতা, অস্পষ্টতা কিংবা দোদুল্যমানতা থাকলে পরে পস্তাতে হয়! হীনমান্যতার শিকার হতে হয়! সুতরাং নিজেকে নিয়ে বসুন, শান্তভাবে লক্ষ্য স্থির করুন।
আল্লাহ সহায়।

Address

Fulbaria

Telephone

+8801997118466

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muhammad Rofik posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Muhammad Rofik:

Shortcuts

Share