03/01/2026
আসুন সবাই গণভোট দেই। #হ্যাঁ ভোট দিয়ে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা চালু করি। আমাদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করি।।।।
এবারের নির্বাচনে ভোট দিবেন দুইটা!
একটা হ্যাঁ অথবা না!
যদি নতুন স্বৈরাচার থেকে বাঁচতে চান তাহলে সবাইকে "হ্যাঁ ভোট" দিতেই হবে!
এখন কথা হইলো "হ্যাঁ ভোট" জয় হলে আমাদের লাভ কি!?
১, আপনার মৌলিক অধিকার (যেমন: ইন্টারনেট সেবা এদেশের সরকার আর কখনো বন্ধ করতে পারবে না)!
হাসিনা ২০ দিন নেট বন্ধ কইরা মানুষ খুন করছে।
লাশ পুড়াইছে ,গুম করছে ,গুলি করে পাখির মতো মানুষ মারছে।
বিশ্বের মানুষকে দেখতে দেয় নাই। বাংলাদেশের মানুষকেও জানতে দেয় নাই।
যদি হ্যাঁ ভোট জয় হয় তাহলে কোন সরকার আর নেট বন্ধ করে মানুষ মারতে পারবে না।
২, যত মেয়াদই হোক, কেউ সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।
অর্থাৎ দ্বিতীয় হাসিনা হওয়ার সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। যেটা আমেরিকাতে প্রচলিত!
মানে একজন সরকার বড়জোর দশ বছর থাকতে পারবে। স্বৈরাচার হয়ে ওঠার সুযোগ নাই।
৩,দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে।
এমনটা হলে দলীয় সরকারের কাছে বিচারব্যবস্থা জিম্মি থাকবে না। সরকার যা বলবে শুধু তাই হবে না।
বিচার হবে স্বাধীন ,বিচারপতিদের ক্ষমতা থাকবে, সরকারের হুমকিধামকি আর কাজ হবে না।
মানে সরকারের ভিতরে আরেকটা সরকারের ক্ষমতা থাকবে "জুডিশিয়ারির" হাতে।
৪, তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গঠনে সরকারি দল ও বিরোধী দল একত্রে কাজ করবে।
মানে নির্বাচনের আগে হাসিনার মতো ক্ষমতায় থাইক্কা নির্বাচন করা বন্ধ হয়ে যাবে।
নির্বাচনের তিন মাস আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকবে সেটা বাছাই করবে বিরোধী দল আর সরকারি দল মিলে!
ক্ষমতাসীন সরকার চাইলেই তাদের দালাল দিয়া" নির্বাচন কমিশন "গঠন করতে পারবে না।
সরকারি কর্মকমিশনের ব্যাপারেও সেইম হিসাব। তার মানে দালালরা সরকারি চাকরিতে স্বজনপ্রীতি করতে পারবে না ,দলীয় লোক বিসিএস ক্যাডার বানিয়ে দিতে পারবে না।
কারণ নিরপেক্ষ পিএসসি নিয়োগ হবে।
৫, সরকারি দল ইচ্ছেমতো সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না।
মানে হাসিনার মতো ক্ষমতা সারাজীবন ধরে রাখতে জনগণের বিরুদ্ধে কোন সংশোধন আনতে পারবে না।
শুধু হাসিনা না ,এদেশর ৫৪ বছর রাজনীতিবিদ বাটপাররা নিজেদে সুবিধার জন্য বার বার সংশোধনী আনছে।
তাদের মনমতো জনগণকে শোষণ করার জন্য সংবিধান পরিবর্তন আর নতুন নতুন জিনিস যোগ করছে।
যদি হ্যাঁ ভোট জিতে সেটা আর পারবে না!
৬, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য থাকবে।
আমাদের দেশে রাষ্ট্রপতি হইলো পুতুল, প্রধানমন্ত্রীর কাছে পুরোপুরি জিম্মি।
আইনগতভাবে সর্বোচ্চ ক্ষমতা দিলেও বাস্তবে জিরো।
হাসিনা আব্দুল হামিদরে যা বলতো তাই করতো স্ক্রিপের বাহিরে চাইলেই কিছু বলতে পারতো না।
কিন্তু লোকটা অনেক কিছু বলতে চাইতো, হাসিনার কাছে জিম্মি থাকার কারণে কিছুই বলতে পারতো না।
যদি হ্যাঁ ভোট জয়ী হয় তাহলে রাষ্ট্রপতিরও ক্ষমতা থাকবে।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর জিম্মি থাকবে না।
৭, সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান চালু হবে।
তার অর্থ হলো ,গুরুত্বপূর্ণ জিনিস পরিবর্তন করতে চাইলে অবশ্যই আপনার আমার সবার মতামত নিয়া করতে হবে।
ক্ষমতাসীনরা আর রাজনৈতিক বাটপার নেতারা নিজেদের মনগড়ামতো কিছুই করতে পারবে না!
৮, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটিসমূহের সভাপতি নির্বাচিত হবেন।
এবার আর ক্ষমতাসীনরা সংসদে গিয়া আপা আপা করতে পারবে না।
ঠিক ঠিক বলে সবাই চিল্লাইতে পারবে না, সংসদের গিয়া 'বুকটা ফাইট্টা যায় 'গান বাজনা করতে পারবে না।
কারণ ডেপুটি স্পিকার হবে বিরোধী দলের, স্পিকার আর মন মতো সব কিছু ঠিক ঠিক বলে চিল্লাইতে পারবে না!
কারণ কাউন্টার দেয়ার মতো লোক থাকবে।
৯, ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।
তার অর্থ দাড়ায়, সংসদে দুইটা কক্ষ হবে একটা উচ্চকক্ষ আরেকটা নিম্নকক্ষ!
১০, দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না।
এখন আর ফাঁসির আসামী রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চেয়ে মাফ পাবে না।
আগে বহু ফাঁসির আসামী মাফ চেয়ে মাফ নিয়া নিছে
অনেকে আবার মাফ চেয়েও পায় নাই না! মানে পুরোনো নাটক পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে।
১১, সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব পর্যায়ক্রমে বাড়বে।
নারীদের জন্য সুযোগ তৈরি হবে, মানে নারীরাও এবার সংসদে তাদের অধিকার নিয়া কথা বলতে পারবে।
শুনেন, মন থেকে বলি ,আপনি যদি সত্যিই মন থেকে দেশ এবং দেশের মানুষকে ভালোবাসেন তাহলে 'হ্যাঁ ভোট 'দেয়া আমাদের ফরজে আইন।
'না ভোট' দেয়া মানে আপনার সকল ক্ষমতা নেতাদের হাতে তুলে দিলেন।
আপনি হবেন গোলাম, আর নেতারা হবে আপনার মালিক।
সুজা কথা 'হ্যাঁ ভোট' জয় করতেই হবে!
যদি কিন্ত অথবা ছাড়াই হ্যাঁ ভোট জয় করতে হবে!
আর যদি না ভোট দেন, তাহলে নব্য স্বৈরাচারের জন্য অপেক্ষা করেন।
আয়নাঘরের মতো নতুন ঘরের অপেক্ষায় থাকেন।
লক্ষ লক্ষ মানুষ খুন হবে প্রস্তুতি নেন।
যারা জুলাইয়ে আন্দোলন করছেন সবাই জেল আর ফাঁসির প্রস্তুতি নেন।
সবার জন্য শুভ কামনা!
বুঝলে বুঝ পাতা ,না বুঝলে তেজ পাতা!!!
© R.W
#হ্যাঁ ゚viralシalシ