16/08/2020
জীবন ধারণের জন্য দেশের মানুষের প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু কিনতে হয়। ঢাকার বাইরের জেলায় বাস করা অনেক ব্যবসায়ীই প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে ঢাকায় আসেন। কিন্তু কোন জায়গায় কোন পণ্যের পাইকারী বাজার রয়েছে তা হয়তো অনেকেই জানেন না। ফলে হোঁচট খেতে হয় ব্যবসা শুরু করার পরে। নতুন ব্যবসায়ী অনেক সময় পাইকারি পণ্যের বাজার খুঁজেই পান না। তাই আগেই জানা দরকার, কোথায় কী পাওয়া যায়? আগেই বলে রাখি, ঢাকা শহরে সবই পাওয়া যায়। তবে কম দামে কিনতে পাইকারি বাজারের তুলনা নেই। আসুন জেনে নেই ঢাকার কোথায় কোন পণ্যের পাইকারি বাজার রয়েছে।
নিউমার্কেট: নিউমার্কেট ঢাকার ক্রেতাদের চাহিদা মিটিয়ে ঢাকার বাইরের ক্রেতাদেরও আকর্ষণ করে তার পণ্যের সমাহার গুণে। আজকের দিনে ‘নিউমার্কেট’ বলতে ভিতরে এবং বাইরে বৈচিত্র্যপূর্ণ দোকানের এক বিপুল সমাহারকে বোঝায়। মূল মার্কেটে তিনটি উঁচু খিলানযুক্ত প্রবেশদ্বার রয়েছে, মার্কেটটির পাশেই খুচরা দোকানের একটি কেন্দ্র আছে। সেখানে কাপড়, ওষুধ, টয়লেট সামগ্রী ও গৃহস্থালি ব্যবহারের টুকিটাকি দ্রব্যাদি বিক্রয় হয়। এছাড়া বেশ কয়েকটি দোকানে বিক্রি হয় প্রসাধনী, স্যুভেনির, শোপিস, তৈজসপত্র, হালকা বৈদ্যুতিক দ্রব্য ও আসবাবপত্র। উত্তর দিকে মুদি দোকান, মাছ, মাংস, ফল ও সবজির বাজার রয়েছে। এছাড়া বইপত্র ও লেখালেখির সামগ্রী, ঘড়ি, চশমা, চামড়ার সামগ্রী ও ভ্রমণের উপকরণাদি, মুদি দ্রব্যাদি, কাপড়, অলঙ্কার ও বৈদ্যুতিক দ্রব্যাদি এবং দর্জি, ফাস্টফুড, ছবি তোলা এবং প্রসেসিংয়ের দোকান। দোকানগুলির সামনে একটা আচ্ছাদিত টানা বারান্দা রয়েছে। মার্কেটটিতে মোট ৪৬৮টি দোকান রয়েছে এবং বাজার করতে আসা ক্রেতারা এখানে তাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রায় সব জিনিস-পত্রই পেয়ে থাকে। আজিমপুরে অবস্থিত এই মার্কেটের পূর্বদিকে রয়েছে মিরপুর রোড, উত্তরে ঢাকা কলেজ, পশ্চিম পার্শ্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা এবং দক্ষিণে পিলখানা রোড।
গাউসিয়া মার্কেট : নিউমার্কেটের বিপরীতে, পোশাক সামগ্রী, জুতা এবং লেডিস ব্যাগ এর জন্য বিখ্যাত এই গাউসিয়া মার্কেট। এই মার্কেটে তুলনামূলক কম দামে পোশাক সামগ্রী, জুতা এবং লেডিস ব্যাগ পাওয়া যায়। পণ্য-সামগ্রীর বিবরণ- প্রথম তলা-মহিলাদের রেডিমেড বিভিন্ন রকমের পোষাক, শাড়ী, থ্রী-পিস, ওড়না, কসমেটিক্স, শাড়ীর জরি, চুমকি, লেইস, জুতো/স্যান্ডেল (মেয়েদের জন্য), ব্যাগ ইত্যাদি। দ্বিতীয় তলা-মহিলাদের রেডিমেড বিভিন্ন রকমের পোশাক, শাড়ী, থ্রী-পিস, ওড়না, কসমেটিক্স, শাড়ীর জরি, চুমকি, লেইস, জুতো/স্যান্ডেল (মেয়েদের জন্য), ব্যাগ, লেডিস টেইলার্স, বুটিক শপ ইত্যাদি। তৃতীয় তলা-শাড়ী এবং থ্রী পিসের পাইকারী দোকান ইত্যাদি। চতুর্থ তলা - বিবাহের সামগ্রী, বুটিক এবং এম্ব্রোয়ডারী শপ ইত্যাদি।
এলিফ্যান্ট রোড: জুতা, ব্যাগ, সিরামিকস, চীনামাটির বাসনপত্র, কাপড়, পর্দা, বেডিং সামগ্রী, নতুন-পুরাতন কম্পিউটার, ক্রয় বিক্রয় ও মেরামত করা হয়। এলিফ্যান্ট রোডে অবস্থিত কম্পিউটার, ইলেক্ট্রনিক্স, ক্যামেরা সামগ্রীর বৃহৎ মার্কেট। এখানে অবস্থিত ইষ্টার্ণ মল্লিকার পণ্য-সামগ্রীর বিবরণ-প্রথম তলায় পাবেন কসমেটিক্স, গিফট শপ, ক্রোকারিজ, এশিয়ান স্কাই শপ এবং খাবারের দোকান ইত্যাদি। দ্বিতীয় তলায় পাবেন মহিলাদের শাড়ী, থ্রী পিছ ও লেডিস টেইলার্স ইত্যাদি। তৃতীয় তলাতেও মেয়েদের শাড়ী, লেডিস টেইলার্স ও থ্রী পিছ পাওয়া যায় । একটু দাম করে নিলে ভাল কিছুই পাবেন কমদামে। চতুর্থ তলা - পাইকারী শাড়ী, লেডিস টেইলার্স ও থ্রী পিছ ইত্যাদি। পঞ্চম তলা- মোবাইল শপ, এক্সেসরিজ ইত্যাদি।
কাঁটাবন: ইসলামি বইপত্র, সিডি, বোরকা, হিজাব, সুগন্ধি, অ্যাকুরিয়াম, পাখি, কোম্পানি নেমপ্লেট, সাইনবোর্ড, ব্যানার প্রিন্ট, ব্রান্ডিং সামগ্রী পাওয়া যায়।
মোতালেব প্লাজা : মোবাইল ফোন সামগ্রী বিক্রয়, মেরামত ও পাইকারি বিক্রয় করা হয়। মোবাইল ফোন সামগ্রী বিক্রয় মেরামত ও পাইকারি বিক্রয় শপিং মলটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন, এস্কেলেটর সুবিধা, নিজস্ব স্ট্যান্ডবাই জেনারেটর সুবিধাসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এবং টাইলস সজ্জিত নতুন ভবনে অবস্থিত। এখানে মোট দোকান সংখ্যা ১২০০ টি। মালিক সমিতি কর্তৃক শপিং মলটি পরিচালিত হয়। পণ্য-সামগ্রীর বিবরণ- প্রথম তলা - প্রসাধনী সামগ্রী, ইলেক্ট্রনিক্স, ফার্ণিচার, কুরিয়ার সার্ভিস, স্কাই শপ ইত্যাদি। দ্বিতীয় তলা- শাড়ী এবং সেলোয়ার কামিজ, গয়না ইত্যাদি। তৃতীয় তলা- বিভিন্ন পণ্যের দোকান। চতুর্থ তলা- মোবাইল এক্সেসরিজ এর পাইকারী দোকান। পঞ্চম তলা- মোবাইল শপ ইত্যাদি।
হাতিরপুল : সিরামিক টাইলস, বাথরুম ফিটিংস সামগ্রী এই মার্কেট থেকে পাইকারি মূল্যে কেনা যায়। এখানে কাঁচাবাজারও রয়েছে।
আজিজ সুপার মার্কেট : পোশাক সামগ্রী, কারুপণ্য, হস্তশিল্প ও বই পাওয়া যায়।
গাউসুল আজম মার্কেট : এখানে রয়েছে ২০০শ’র বেশি দোকান। এখানে ফটোকপি, সাইবার ক্যাফে, মুদ্রণ ও প্রিন্টিং, টেইলার্স, ছবি বাঁধাইয়ের দোকান, কম্পিউটারের বিভিন্ন কাজ করা যায়। নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির সাথে অবস্থিত। রাস্তার সামনের অংশটিকে বলা হয় সিটি কর্পোরেশন মার্কেট। এখানে রয়েছে খাবার দোকান, ফটোকপির দোকান অ৩, অ৪ অটো ক্যাড প্রিন্টিং এর দোকান।
ইস্টার্ন প্লাজা: প্রসাধনী, ইলেক্ট্রনিক, থালা-বাসন, শাড়ি, সেলোয়ার কামিজ, টি-শার্ট, টেইলার্স, গয়না, সোনা, রূপা, বাচ্চাদের খেলনা, জুতা, মোবাইল, মোবাইল সার্ভিসিং, ডাক্তার চেম্বার সুবিধা রয়েছে। মার্কেটের বিবরণ- ১ম তলা- প্রসাধনী, ইলেকট্রনিক, থালা বাসন ইত্যাদির দোকান। ২য় তলা- শাড়ী, সেলয়ার কামিজ, টি-র্শাট, টেইলার্স ইত্যাদির দোকান। ৩য় তলা- গয়না, সোনা, রূপা, ছোট বাচ্চাদের খেলনার দোকান। ৪র্থ তলা - জুতার দোকান, বিভিন্ন ব্রান্ডের জুতার দোকান। ৫ম তলা- মোবাইলের দোকান, এবং মোবাইল সার্ভিসিং করার দোকান। ৬ষ্ঠ তলা- মার্কেট মালিক সমিতি অফিস। ৭ম তলা - ডাক্তার চেম্বার। ৮ম তলা - ডাক্তার চেম্বার, অফিস। ৯ম তলা- ঘটক পাখি ভাই।
কারওয়ান বাজার : ঢাকা ও ঢাকা শহরের সবচেয়ে বড় কেন্দ্রীয় পাইকারী ও খুচরা কাঁচা বাজারের নাম কারওয়ান বাজার। ঢাকা শহরের অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা। ঢাকা শহরের সবচেয়ে বড় কেন্দ্রীয় পাইকারী ও খুচরা অনেকেই এই বাজারকে কাওরান বাজার বললেও এর নাম আসলে কারওয়ান বাজার। ঢাকা শহরের অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা হিসেবে কারওয়ান বাজারে অনেক বড় বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ), দৈনিক প্রথম আলো, দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট এবং আরও অনেক খবরের কাগজের প্রধান অফিস কাওরান বাজারে অবস্থিত। এছাড়াও একুশে টেলিভিশন, এনটিভি, এটিএন বাংলা, এটিএন নিউজ বাংলাভিশন আরটিভি টেলিভিশনের প্রধান কার্যালয় এবং স্টুডিও কাওরান বাজারে অবস্থিত। তাছাড়া দেশের সবচেয়ে বড় সবজি বাজার এবং মাছের বাজারতো এখানেই। এফ ডি সিও এই কাওরান বাজারে অবস্থিত।
ফার্মগেট: বিভিন্ন কোচিং প্রতিষ্ঠান, কৃষি সামগ্রী, যন্ত্রপাতি, বইপত্র, কম দামি কাপড়, জুতা ইত্যাদি পাওয়া যায়।
পান্থপথ: কোচিং, আইটি প্রতিষ্ঠান, কাঠ, প্লাইউড, বেত, স্টিলের ফার্নিচার, অফিস কেবিনেট সামগ্রী পাওয়া যায়।
বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স : বসুন্ধরা সিটি ভবনটি একটি ২১ তলাবিশিষ্ট ভবন, যার নিচের ৮টি তলা বিপণী বিতানের জন্য ব্যবহার করা হয় এবং অবশিষ্ট তলাগুলি বসুন্ধরা গ্রুপের দফতর হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ভবনের বিপণী বিতান অংশে প্রায় ২,৫০০টি দোকানের জায়গা রয়েছে। এছাড়াও আছে খাবারের দোকানের জন্য একটি নির্দিষ্ট তলা, মাটির নিচে বা বেসমেন্ট লেভেলে অবস্থিত একটি বড় শরীরচর্চা কেন্দ্র, একটি মাল্টিপ্লেক্স সিনেমা হল এবং এর উপরের তলাতে শিশুদের বিনোদন কেন্দ্রসহ একটি খাবারের রেস্তোরাঁ। ছাদে বাগানসহ সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই বিপণী বিতানটি ঢাকার নগরীর আধুনিকায়নের অন্যতম প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
বাংলামটর: মোটরগাড়ির যন্ত্রপাতি সামগ্রী পাওয়া যায়।
মৌচাক মার্কেট : এখানে বিভিন্ন রকম পণ্যসামগ্রী বিক্রি করা হয়। পণ্য-সামগ্রীর বিবরণ- ১ম তলা- ফাস্টফুড ও কিছু জুয়েলারী সামগ্রী। ২য় তলা- জুয়েলারী সামগ্রী। ৩য় তলা- প্লাস্টিক সামগ্রী, কিছু রেডিমেড পোশাক। ৪র্থ তলা - মহিলাদের রেডিমেড বিভিন্ন রকমের পোষাক, শাড়ী, থ্রী-পিস, ওড়না, কসমেটিক্স, শাড়ীর জরি, চুমকি, লেইস, জুতো/স্যান্ডেল (মেয়েদের জন্য), ব্যাগ ইত্যাদি। ৫ম তলা- মসজিদ এবং ইউরো গার্ডেন চাইনীজ রেষ্টুরেন্ট।
বায়তুল মোকাররম মার্কেট : এ মার্কেটে বিভিন্ন পণ্য পাওয়া যায় বলে কোন বিশেষায়িত মার্কেট বলার সুযোগ নেই। দোতলায় দেশের প্রসিদ্ধ বিভিন্ন জুয়েলারি দোকান রয়েছে। ক্যামেরা, সিডি, ডিভিডি প্লেয়ার, টিভিসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য পাওয়া যায়। ব্যাগ, লাগেজ, ঘড়ি, চশমা, ক্রোকারিজ, জামা-কাপড়, জুতা, খেলনা ইত্যাদির দোকানও রয়েছে। নিচতলায় নেমপ্লেট লেখার ব্যবস্থা রয়েছে। ইসলামী ফাউন্ডেশনের বই বিক্রয়কেন্দ্রসহ আতর, টুপি, পাঞ্জাবি, বোরকা, জায়নামাজের দোকানও রয়েছে। মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসলামি বই, সিডি, ডিভিডিও বিক্রি হয়।
যমুনা ফিউচার পার্ক: এশিয়ার সর্ববৃহৎ শপিং মল হিসেবে পরিচিত যমুনা ফিউচার পার্ক। এখানে সব ধরনের কেনাকাটা ও বিনোদন সুবিধা রয়েছে। বিশ্বের তৃতীয় এবং এশিয়ার সর্ববৃহৎ শপিংমল হিসেবে পরিচিত ‘যমুনা ফিউচার পার্ক’। রাজধানীর কুড়িলে অবস্থিত এই শপিং কমপ্লেক্সটিতে সকল ধরনের কেনাকাটা ও বিনোদন সুবিধা রয়েছে। প্রগতি সরণি থেকে ফিউচার পার্ক প্রাঙ্গণে প্রবেশ করলে প্রথমেই পড়ে আউটডোর রাইডস। সারা পৃথিবীতে তোলপাড় করা ছয়টি রোমাঞ্চকর রাইড রয়েছে এখানে। বর্ণিল আলোকছটায় উদ্ভাসিত ফিউচার পার্কের এই আউটডোর রাইডসের রোলার কোস্টার, স্কাইড্রপ, ম্যাজিক উইন্ডমিল, পাইরেট শিপ, ফ্লাইং ডিসকো ও টাওয়ার চ্যালেঞ্জার রীতিমতো শিহরণ জাগানিয়া। প্রথম তলার পুরোটাই গাড়ি পার্কিং এর জন্য নির্ধারিত। অন্যান্য ফ্লোরগুলো পণ্যের ক্যাটাগরী ভিত্তিক বিন্যাস করা হয়েছে। প্রতিটি ফ্লোরকে “দক্ষিণ-পশ্চিম”, “উত্তর-পশ্চিম”, “দক্ষিণ-পূর্ব” ও “উত্তর-পূর্ব” অংশে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি ভাগে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরীর পণ্য ও সেবা পাওয়া যাবে। এই শপিংমলের ষষ্ঠ তলার সম্পূর্ণটাই বিনোদন জোন হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। ষষ্ঠ তলায় রয়েছে ফুডকোর্ট, রেষ্টুরেন্ট, প্লেয়ারস জোন, ব্লকবাস্টার সিনেমাস প্রভৃতি।
বেনারশী পল্লী: বেনারশী পল্লী একসময় শুধুমাত্র বেনারশী শাড়ির জন্যই বিখ্যাত ছিল। গত বছর কয়েক ধরে মিরপুর বেনারশী পল্লিতে বেনারশী শাড়ি ছাড়াও অন্যান্য সব ধরনের শাড়ি পাওয়া যায়। এ পল্লীতে পাওয়া যায়, বেনারশী শাড়ি পুরাতন ও নতুন, টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ি (কটন), টাঙ্গাঈল হাফ সিল্ক, রাজশাহী সিল্ক, ধুপিয়ান, ঢাকাই মসলিন, কাতান, কোটা শাড়ি, ব্রোকেট শাড়ি, জামদানী শাড়ি, জর্জেট শাড়ি ইত্যাদি। এ ছাড়াও আরো নতুন নতুন কালেকশন পল্লীতে তৈরি হচ্ছে।