12/09/2026
শিবিরের ডাকসু নাকি ঢাবির শিক্ষার্থীদের ফকির মিসকিন পরিচয় দেখিয়ে বিদেশ থেকে যাকাতের ফান্ড কালেকশন করে অর্থ এনেছেন। আজ সাংবাদিকদের সাথে এই কথা বলেছেন ছাত্রদলের পরাজিত জিএস হামিম বারি। তিনি আরও বলেছেন ৩৫ লক্ষ টাকা বাজেট কিন্তু ৩৫ কোটি টাকা কিভাবে খরচ করলো এর সঠিক হিসেব ছাত্রদের কাছে দিতে হবে।
ছাত্রদল ভেবেছে শিবির আরও বেশি টাকা কালেক্ট করেছে ৩৫-৪০ কোটি কাজ দেখিয়ে বাকি টাকা খেয়ে ফেলেছে। কিন্তু "এবি জুবায়ের" গতকাল এক ফেইসবুক পোস্টে বলেছে ডাকসুর সদস্যরা তাদের চা-বিস্কুটের ধার্য থেকে ১ টাকাও খরচ করে নাই। সব টাকা ডাকসুতে জমা রেখেছে।
গতকাল ভিপি সাদিক কায়েম এক সাক্ষৎকারে বলেছিলেন আনুমানিক ৪০ কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ শিবিরের ডাকসু করেছে। হিসেব এখনো ফাইনাল করা হয়নি। এই তথ্য ছাত্রদল শোনার পর ঠিক তাদের মাথায় কাজ করছেনা। হাউ পসিবল?
ছাত্রশিবিরের কাছে ছাত্রদল ওয়েলফেয়ার পলিটিক্সে হেরে এমন ভুলভাল তথ্য দিয়ে ছাত্রদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। ছাত্রদলের এই অন্তর জ্বালার অর্থ হলো শিবিরের ডাকসু ১০০% সাকসেস। আর এই সফলতার নিউজ প্রিন্ট মিডিয়ায় ঢালাওভাবে প্রচার করা হয়েছে। এখানেই মূল কাহিনী। ❤️
ওয়েলফেয়ার পলিটিক্সে ছাত্রদল শিবিরের ধারের কাছেও ঘেঁষতে পারেনি। ছাত্রদল ক্ষমতায় থেকেও ১ হাজার টাকার উন্নয়ন বিগত ৬ মাসে দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। সেখানে এত বাধা-বিপত্তির ভিতরেও শিবির ৩৫-৪০ কোটি টাকার উন্নয়ন কিভাবে দেখালো?
আই ক্যান চ্যালেঞ্জ দিজ, শিবিরের ডাকসুতে ১ টাকার দুর্নীতি কেউ প্রমাণ দিতে পারবেনা।
ইনশাআল্লাহ্। ✌️