16/06/2026
ভারতীয় হিন্দু দেবতাদের মূর্তি সম্পর্কে তথ্য।
🔴 আপনি জানেন কি? হিন্দুধর্ম গ্রন্থে মুর্তিপূজা নিষেধ থাকার পর ও হিন্দুরা মুর্তিপূজা করে৷
হিন্দুধর্মগ্রন্থে মুর্তিপূজা নিষেধ হওয়ার দলিলঃ
"সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কোন প্রতিমা নেই, কোন প্রতিমূর্তি নেই, কোন প্রতিকৃতি নেই, কোন রূপক নেই, কোন ফটোগ্রাফ নেই, তার কোন ভাস্কর্য নেই। "
[শ্বেতাসএ উপনিষধ, অধ্যায় :৪, পরিচ্ছেদ:১৯; যযুর্বেদ, অধ্যায় :৩২, পরিচ্ছেদ:৩]
"যেসব লোক যাদের বিচারবুদ্ধি কেড়ে নিয়েছে জাগতিক আকাংখা, তারাই মুর্তিপূজা করে।"
[ভগবাদগিতা, অধ্যায় :৭, অনুচ্ছেদ :২০]
"সত্য একটাই ঈশ্বর একজনই, তার কোন মূর্তি নেই। "
[ঋগবেদ, গ্রন্থ:১, পরিচ্ছেদ:১৬৪, অনুচ্ছেদ :৪৬; যযুর্বেদ, অধ্যায় :৪০, অনুচ্ছেদ :৮,৯]
এমনকি ঋগবেদে কঠোরভাবে মুর্তিপূজার বিরোধীতা করার পাশাপাশি ঈশ্বরের অন্য নাম আল্লাহ দেওয়া আছে৷"
[ঋগবেদ, গ্রন্থ:২, পরিচ্ছেদ:১, অনুচ্ছেদ :১১: ঋগবেদ, গ্রন্থ:৩, পরিচ্ছেদ:৩০, অনুচ্ছেদ :১০; ঋগবেদ, গ্রন্থ:৯, পরিচ্ছেদ:৬৭, অনুচ্ছেদ :৩০]
Br. Ruhul
১) ঈশ্বর মাত্র একজন; দ্বিতীয় কেউ নেই।
ছান্দগ্য উপনিষদের: অধ্যায় ০৬ অনুঃ ২ পরিঃ ০১।
২) সবশক্তিমান ঈশ্বরের কোন বাবা মা নেই। তার কোন প্রভু নেই। তার চেয়ে বড় কেউ নেই।
শ্বেতাসত্র উপনিষদের: অধ্যায় ০৬ অনুঃ ০৯।
৩) তারা অন্ধকারে নিমজ্জিত আছে; যারা প্রাকৃতিক বন্তুর পূঁজা করে। যেমনঃ আগুন, গাছ, সাপ ইত্যাদি।
যযুবেদ অধ্যায় ৪০ অনুঃ ০9
৪) সবশক্তিমান ঈশ্বরের মত কেউ নেই ( তার কোন প্রতিমূর্তি নেই, প্রতিমা নেই, রুপক নেই, ভাস্কর্য নেই)।
শ্বেতাসত্র উপনিষদের: অধ্যায় ০৪ অনুঃ ১৯।
৫) সবশক্তিমান ঈশ্বরকে কেউ দেখতে পাই না।
শ্বেতাসত্র উপনিষদের: অধ্যায় ০৪ অনুঃ ১০ পরিঃ ২০।
৬) যাদের বিচার বুদ্ধি কেড়ে নিয়েছে জাগতিক আকাঙ্খা তারাই অপদেবতার পূজা করে।
ভগবত গীতা : অধ্যায় ০৭ অনুঃ ২০।
৭) লোকে জানে আমি কখনও জন্মাইনি ও উদ্ভূত হয়নি; আমি এই বিশ্বজগতের সবময় প্রভু
ভগবত গীতা : অধ্যায় ১০ অনুঃ ০৩।
৮) সবশক্তিমান ঈশ্বরের কোন মূর্তি নেই।
যযুবেদ অধ্যায়ঃ ৩২ অনুঃ ০৩
৯) তারা আরো বেশি অন্ধকারে নিমজ্জিত আছে; যারা মানুষের তৈরী বস্তুর পূঁজা করে। যেমন- মাটির পতুল, ভাস্কর্য ইত্যাদি।
যযুবেদ অধ্যায় ৪০ অনুঃ ০9
১০) সৃষ্টিকর্তা সুমহান
গ্রন্থঃ ২০ খন্ডঃ ৫৮ মন্ত্রঃ ৩।
১১) সত্য একটাই; ঈশ্বর একজনই, জ্ঞানীরা ইশ্বরকে ডেকে থাকেন অনেক নামে।
ঋগবেদের গ্রন্থঃ ০১ অনুঃ ৬৪ পরিঃ ৪৬।
১২) সবশক্তিমান ঈশ্বর নিরাকার ও পবিত্র।
যযুবেদ অধ্যায় ৪০ অনুঃ ০৮।
১৩) ঈশ্বর বাদে আর কারো উপাসনা কর না; শুধুমাত্র তার উপসনা কর যিনি সুমহান ঈশ্বর।
ঋগবেদ গ্রন্থঃ ০৮ খন্ডঃ ০১ মন্ত্রঃ ০১।
আর ব্রক্ষাসূত্র বলেঃ ঈশ্বর মাত্র একজনই; দ্বিতীয় কউ নেই। কেউ নেই, কেউ নেই আর কেউ কখনও ছিলোও না।
যজুর্বেদ ৩২/৩, মহর্ষির ভাষ্য সহিত
**মূর্তি পুজা কিভাবে শুরু হলো।
-সুরাতুল নুহ
আদম (আলাইহিস সালাম)-এর সময়ে ঈমানের সাথে শির্ক ও কুফরের মোকাবেলা ছিল না। তখন তারা সবাই তাওহীদের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। (সূরা বাকারাহ ২ : ২১৩) নূহ (আলাইহিস সালাম)-এর জাতিই পৃথিবীর বুকে সর্বপ্রথম শির্কে লিপ্ত হয়। তাও ছিল তাদের মধ্যে সৎ ব্যক্তিদেরকে কেন্দ্র করে। এ সূরার ২৩ নম্বর আয়াতে পাঁচজন সৎ ব্যক্তির নাম উল্লেখ রয়েছে। যথা- ওয়াদ, সুওয়াআ, ইয়াগূজ, ইয়াউক ও নাসার। এরা সবাই সৎব্যক্তি ছিলেন, তাদের মৃত্যুর পর শয়তানের প্ররোচনায় ও শেষ পর্যায়ে নিজেদের অজ্ঞতায় পরবর্তী লোকেরা এদেরকে মা‘বূদ বানিয়ে আল্লাহ তা‘আলাকে বাদ দিয়ে ইবাদত শুরু করে। যেমন আমাদের সমাজে শুধু সৎব্যক্তি নয় অসৎ ব্যক্তিদেরকে কেন্দ্র করেও কবরপূজা, মাযার পূজা, মূর্তিপূজা, মিনার ও ভাষ্কর্য পূজায় রূপ নিয়েছে।
**নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
“এমন কোনো নবজাতক নেই, যে স্বাভাবিক-প্রকৃতি তথা ইসলামের ওপর জন্ম গ্রহণ করে না, অতঃপর তার পিতা-মাতা তাকে ইয়াহূদী বানায় অথবা খৃস্টান বানায় অথবা অগ্নিপূজক বানায়”।[ সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৩৫৮; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং২৬৫৮।
*জনৈক আরব বেদুইনকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, ‘তোমার রবকে তুমি কীভাবে চিনেছ’? সে তার ভাষায় বলেছে:
«البعرة تدل على البعير ، والأثر يدل على المسير ، فسماء ذات أبراج ، وأرض ذات فجاج ، وبحار ذات أمواج ، ألا تدل على السميع البصير »؟!!
“উটের বিষ্ঠা উটের প্রমাণ বহন করে, পায়ের চিহ্ন পথচারী ব্যক্তিকে বুঝায়। অতএব, কক্ষপথ বিশিষ্ট আসমানসমূহ, গিরিপথ বিশিষ্ট জমিন, তরঙ্গশীল সমুদ্রসমূহ কি সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা আল্লাহর প্রমাণ বহন করে না”?!!