Sheep & Goat Farming Bangladesh

Sheep & Goat Farming Bangladesh business advantages of sheep & goat farming is better than any other..

যে কোন সাই‌জের গাড়ল এখা‌নে আ‌ছে।
31/12/2016

যে কোন সাই‌জের গাড়ল এখা‌নে আ‌ছে।

পশু-খাদ্য হিসেবে কলা গাছের সংরক্ষণ ও ব্যবহার ।আমাদের দেশে প্রতি বছর কলা সংগ্রহের পর লক্ষাধিক টন কলাগাছ পাওয়া গেলেও এর খু...
27/12/2016

পশু-খাদ্য হিসেবে কলা গাছের সংরক্ষণ ও ব্যবহার ।

আমাদের দেশে প্রতি বছর কলা সংগ্রহের পর লক্ষাধিক টন কলাগাছ পাওয়া গেলেও এর খুব সামান্য অংশই পশু-খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। বর্ষা মৌসুমেই কলা উৎপাদন বেশী হয়ে থাকে এবং উৎপন্ন কলা গাছ বৃষ্টির কারণে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। কলা গাছ একদিকে কলা উৎপাদন করে মানব স্বাস্থ্য গঠনে যেমন ভূমিকা রাখে ঠিক তেমনি কলাগাছ সরাসরি বা সাইলেজ প্রক্রিয়ায় পশু স্বাস্থ্য গঠনে বা পশু-খাদ্যে ভূমিকা রাখতে সহায়তা করে। তাছাড়া গো-খাদ্যে খাদ্য খরচ একটি অতি মূল্যবান বিষয়। খাদ্য খরচের উপরই খামারীর লাভ-ক্ষতি নির্ভর করে। আমাদের দেশে প্রায় বাড়ীতে অথবা বাণিজ্যিকভাবেও কলার চাষ হয়ে থাকে। আর বেশীরভাগ খামারী বা ছোট ছোট খামারী ভাইদের পশু-খাদ্যের চাহিদাপূরণ করতে যেয়ে লাভের অংক তলানিতে পর্যবসিত হয়ে থাকে। কলাগাছ থেকে কলা বিক্রয় করে অর্থ যোগান যেমন নিশ্চিত করা যায় তেমিন কলাগাছ সংরক্ষণ করে পশু-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে পশু পালনে খাদ্য খরচ কমিয়ে আনা কিছুটা সম্ভব। সেহেতু গো-খাদ্য হিসেবে কলাগাছের উপযোগীতা ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম।
কলা গাছ পশু-খাদ্য হিসেবে দু’ভাবে ব্যবহার করা যায়ঃ
(১) সাইলেজ প্রক্রিয়ায় ব্যবহার ও (২) সরাসরি মিশ্র খাদ্য হিসেবে ব্যবহার।
(১) সাইলেজ প্রক্রিয়া ব্যবহারঃ এ পদ্ধতিতে কলাগাছে শুকনো খর ব্যবহার করে অথবা না করেও সাইলেজ তৈরি করা যায়। সাইলেজ তৈরির প্রয়েজন উপকরণ গুলো হলোঃ- (ক) উঁচু জায়গায় মাটির গর্ত (খ) খরকুটো (গ) পলিথিন (ঘ) চিটাগুড় (ঙ) পানি ও (চ) টুকরো টুকরো কলাগাছ।

১-ক) শুকনো খড় ব্যবহার না করে কলাগাছ সংরক্ষণঃ
কলাগাছা সংরক্ষণ মাটির গর্ত অথবা পাকা সাইলোতে করা যায়। তবে পাকা সাইলো খুব ব্যয়বহুল। এ জন্য উঁচু জায়গায় লম্বালম্বি মাটির গর্ত খুঁড়ে কলাগাছ সংরক্ষণ করা যায়। মাটির গর্তটির উপরিভাগের প্রশস্থে ৩.১ মিটার, মাঝামাঝি গভীরতায় ২.৫ মিটার এবং তলায় ১.৫মিটার হবে। এর ফলে গর্তটি কোনাকৃতি না হয়ে পাতিলের তলার ন্যায় বাঁকানো হবে। গর্তটির গভীরতা ৯২সেন্টিমিটার হবে। দৈর্ঘ্য নির্ভর করবে কলাগাছের পরিমাণের উপর। কলা সংগ্রহ করার পর কলাগাছ চপার মেশিন বা কাস্তে দ্বারা ছোট ছোট (দৈর্ঘ ২-৩ সে.মি.) করে কাটতে হবে। তারপর উক্ত গর্তে টুকরো টুকুরো কলাগাছ স্তরে স্তরে সাজাতে হবে। পানির সাথে চিটাগুড়ের ১:১ অনুপাতের দ্রবণ সমভাবে ছিটিয়ে ভালভাবে মিশাতে হবে। প্রতি ১০০কেজি কলাগাছের সাথে ২-২.৫ কিলো চিটাগুড় দ্রবণ মিশাতে হবে। চিটাগুড়ের দ্রবণটি আস্তে আস্তে ঝরণা বা হাত দিয়ে বিছানো কলাগাছের উপর ছিটিয়ে দিতে হবে। ১০০ ঘনফুট একটি মাটির গর্তে ৮-১০ মেট্রিক টন কলাগাছ সংরক্ষণ করা যায়। গর্তটি অবশ্যই উঁচু জায়গায় হতে হবে। গর্তের তলায় ও চারিদিকে পুরু করে শুকনো খড় বা পলিথিন বিছাতে হবে। পরতে পরতে চিটাগুড় মিশ্রিত কলাগাছ গর্তে সাজাতে হবে এবং পা দিয়ে চেপে ভিতরের বাতাস যথা সম্ভব বের করে দিতে হবে। যত এঁটে সাজানো যাবে তত ভাল সাইলেজ হবে। এভাবে ভর্তি করে মাটির উপরে প্রায় ৯০-১২২ সে.মি. পর্যন্ত কলাগাছ সাজাতে হবে। সাজানো শেষ হলে খড় দ্বারা পুরু করে আস্তরণ দিয়ে সুন্দর করে পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। সবশেষে ৮-১০সে.মি. পুরু করে মাটি দিতে হবে। সম্পূর্ণ কলাগাছ একদিনেই সাজানো যায়। তবে বৃষ্টি না থাকলে প্রতিদিন কিছু কিছু করেও কয়েক দিন ব্যাপী সাইলেজ তৈরি করা যায়।

উন্নত মানের কলাগাছের সাইলেজের গুণ-বৈশিষ্ট ও কলাগাছের বিভিন্ন অংশের পুষ্টিমান যথাক্রমে নিম্নে দেয়া হলঃ-
***উন্নত কলাগাছের সাইলেজের গুণ-বৈশিষ্ট
(১) সাইলেজের ধরনঃ চিটাগুড় মিশ্রিত কলাগাছের সাইলেজ> পিএইচঃ৪.৪> গন্ধঃ অম্লীয়> রঙঃ হলুদাভ সবুজ> বাহ্যিক গঠনঃ টুকরো কলাগাছ অবিকৃত থাকে।
(২) সাইলেজের ধরনঃ খড়সহ চিটাগুড় মিশ্রিত কলাগাছের সাইলেজ> পিএইচঃ৪.৩> গন্ধঃ অম্লীয়> রঙঃ হলুদাভ সবুজ> বাহ্যিক গঠনঃ টুকরো কলাগাছ অবিকৃত থাকে।
(৩) সাইলেজের ধরনঃ চিটাগুড় ছাড়া কলাগাছের সাইলেজ> পিএইচঃ৭.০> গন্ধঃ দূর্গন্ধ> রঙঃ কালচে> বাহ্যিক গঠনঃ টুকরো কলাগাছ বিকৃত হয়ে যায়।

*** কলাগাছের বিভিন্ন অংশের পুষ্টিমান
(১) উপাদানঃ শুষ্ক পদার্থ> কলাগাছের কান্ডঃ৫.৯> কলাগাছের সবুজ পাতাঃ ২১.০> কলাগাছের পাতার ডগাঃ ৯.৪।
(২) উপাদানঃ জৈব পদার্থ> কলাগাছের কান্ডঃ৮৯.৫> কলাগাছের সবুজ পাতাঃ ৯০.২> কলাগাছের পাতার ডগাঃ ৯১.৬।
(৩) উপাদানঃআমিষ> কলাগাছের কান্ডঃ৭.৩> কলাগাছের সবুজ পাতাঃ ৮.৮> কলাগাছের পাতার ডগাঃ ৪৩.৭।
(৪) উপাদানঃএডিএফ> কলাগাছের কান্ডঃ৪৮.৪> কলাগাছের সবুজ পাতাঃ ৩৯.২> কলাগাছের পাতার ডগাঃ ৪৩.৭।
*** কলাগাছের সাইলেজ খাওয়ানোর পদ্ধতিঃ প্রতি ১০০কেজি কলাগাছের সাথে ২০০ গ্রাম ইউরিয়া পরিস্কার জায়গায় মিশ্রণ প্রক্রিয়া শেষে গরুকে সরবরাহ করা যেতে পারে।

১-খ) শুকনো খড় ব্যবহার করে কলাগাছ সংরক্ষণঃ কলাগাছের সাইলেজে শুকনো খড় ব্যবহারের জন্য প্রতি ১০০কেজি কলাগাছের স্তর সাজানো শেষ হলে এক স্তর শুকনো খড় (৫-১০কেজি) উপরের নিয়মে ব্যবহার করতে হবে। পরতে পরতে কলাগাছ ও খড় সাজাতে হবে এবং পা দিয়ে মাটির গর্ত ভর্তি করে খড় দ্বারা পুরু করে আস্তরণ দিয়ে সুন্দর করে পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। সবশেষে ৮-১০সে.মি. পুরু মাটি দিতে হবে। এখানে শুধু স্মরণ রাখতে হবে খড়ের স্তরে কোন প্রকার চিটাগুড় ছিটানোর প্রয়োজন নেই।
উল্লেখিত নিয়মে ৬মাস পর্যন্ত কলাগাছ সংরক্ষণ করা যায়। তবে পানি ঢুকলে কলাগাছের সাইলেজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

সংমিশ্রিত কলাগাছ (কলাগাছ+চিটাগুড়) ও সাইলেজের (কলাগাছ+চিটাগুড়) পুষ্টিমান নিম্নরূপঃ
--------পুষ্টিমান-------------
খাদ্যের নাম> শুষ্ক পদার্থের পরিমাণ> জৈব পদার্থ>আমিষ>এডিএফ>খনিজ>ক্রড ফাইবার
**খড় ছাড়া কলাগাছের সাইলেজ> ১৪.৬>৮৯.৫>১৫.৮>৪১.২>১০.৫>৩৩.৮।
**খড় যুক্ত কলাগাছের সাইলেজ> ২৮.২>৯১.১>১৬.৭>৩৯.৬>৮.৯>৩৩.৭।
**সংমিশ্রিত কলাগাছ সরাসরিভাবে> ১০.১>৯০.৩>১৬.৭>৩৬.৪>৯.৭>২৮.৮।
*** গরুকে খাওয়ানো পূর্বে উপরে বর্ণিত খাদ্যে ২% ইউরিয়া মিশানো হয়েছে।

*** খড়যুক্ত কলাগাছের সাইলেজ খাওয়ানোর পদ্ধতিঃ প্রতি ১০০কেজি খড়যুক্ত কলাগাছের সাইলেজের সাথে ৪০০গ্রাম ইউরিয়া পরিস্কার জায়গায় ভালভাবে মিশ্রণ প্রক্রিয়া শেষে গরুকে সরবরাহ করা যেতে পারে।

২- সরাসরি কলাগাছ খাওয়ানোর পদ্ধতিঃ
(ক) কলা সংগ্রহের পর কলাগাছ চপার মেশিন বা কাস্তে দ্বারা ছোট ছোট করে কেটে পলিথিন বা পাকা মেঝেতে বিছাতে হবে।
(খ) প্রতি ১০০কেজি কলা গাছের জন্য ২-২.৫কেজি চিটাগুড় একটি পাত্রে মেপে নিয়ে ২-২.৫কেজি পানি এবং ২০০গ্রাম ইউরিয়া ভালভাবে মিশাতে হবে। চিটাগুড় ও ইউরিয়া মিশ্রিত দ্রবণ ঝরণা বা হাত দিয়ে কলাগাছের টুকরোয় ছিটিয়ে দিতে হবে যাতে করে ইউরিয়া ও চিটাগুড়ের দ্রবণটি কলাগাছের সাথে ভালভাবে মিশে যায়।
(গ) উক্ত মিশ্রিত খাদ্য সরাসরি গরুকে যথেচ্ছা পরিমাণ খাওয়ানো যায়।

কলাগাছের সাইলেজ ও সংমিশ্রিত কলাগাছ সরাসরিভাবে গরুকে খাওয়ানোর পর এদের গ্রহন মাত্রা ও পরিপাচ্যতা নিম্নরূপঃ
(১) খাদ্যের নামঃ খড় ছাড়া কলাগাছের সাইলেজ> প্রতি ১০০কেজি দৈহিক ওজনের গরুর খাদ্য গ্রহনের পরিমান (কেজি/দিন): ১৩.০> পরিপাচ্যতা(%):৫৯.০> দৈহিক ওজন বৃদ্ধি(গ্রাম/দিন): ৪১০.০।
(২) খাদ্যের নামঃ খড় যুক্ত কলাগাছের সাইলেজ> প্রতি ১০০কেজি দৈহিক ওজনের গরুর খাদ্য গ্রহনের পরিমান (কেজি/দিন): ১৩.০> পরিপাচ্যতা(%):৭৮.০> দৈহিক ওজন বৃদ্ধি(গ্রাম/দিন): ৩৩১.০।
(৩) খাদ্যের নামঃ সংমিশ্রিত কলাগাছ সরাসরিভাবে> প্রতি ১০০কেজি দৈহিক ওজনের গরুর খাদ্য গ্রহনের পরিমান (কেজি/দিন): ৮.০> পরিপাচ্যতা(%):৬৫.০> দৈহিক ওজন বৃদ্ধি(গ্রাম/দিন): ৩৪৫.০।

সুবিধাঃ
(১) শ্রমিক খরচ, ইউরিয়া ও মোলাসেস ক্রয় ব্যতীত তেমন কোন অন্য খরচ নেই।
(২) প্রতি ১০০কেজি দৈহিক ওজনের একটি গরু প্রতিদিন ১৩কেজি প্রক্রিয়াজাতকৃত কলাগাছ অথবা খড় মিশ্রিত সাইলেজের ৮কেজি খেতে পারে; যার দ্বারা প্রাণির শরীরের রক্ষণাবেক্ষণসহ দৈহিক ওজনও বৃদ্ধি পায়।
(৩) যেহেতু ইউরিয়া ও চিটাগুড় কলাগাছের সাথে ধীরে ধীরে খাচ্ছে অতএব বিষক্রিয়া হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।
(৪) কলা উৎপাদনের পাশাপাশি কলাগাছকে প্রক্রিয়াজাত করে গরুকে সরাসরি খাওয়ানো যায় অথবা পরবর্তী সময়ে খাওয়ানোর জন্য সাইলেজ করে রাখা যায়।

****যে সকল বন্ধুগণ উপরোক্ত নিয়মে সাইলেজ তৈরি করার ইচ্ছা পোষণ করেন তাঁদেরকে বলব, বিশেষ সতর্কতার জন্য পুনরায় আপনার নিকটস্থ কোন ভেটেরিয়ান বা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তার সাথে মতবিনিময়ের মাধ্যমে আপনার কাঙ্খিত কর্ম শুরু করুন।
তথ্য সূত্রঃ প্রাণী সম্পদ ম্যানুয়াল, প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর।

Anglo Nubian অ্যাংলো নুবিয়ান ছাগল গ্রেট ব্রিটেন থেকে উৎপন্ন, এরা ব্রিটিশ ও ভারতীয় প্রজাতির ছাগলের  সঙ্কর, এই প্রজাতির ...
15/12/2016

Anglo Nubian
অ্যাংলো নুবিয়ান ছাগল গ্রেট ব্রিটেন থেকে উৎপন্ন, এরা ব্রিটিশ ও ভারতীয় প্রজাতির ছাগলের সঙ্কর, এই প্রজাতির ছাগল গার্হস্থ্য / বাণিজ্যিক গোস্ত, দুধ ও ছামড়া উৎপাদনের জন্য উপযুক্ত, অ্যাংলো নুবিয়ান ছাগল খুব শক্তিশালী এবং সুন্দর চেহারার হয়, এই ছাগলের দুধে সবচেয়ে বেশী মাখন এবং চর্বি(ফ্যাট) রয়েছে, তাদের প্রজনন মৌসুমে বেশ দীর্ঘ, সুতরাং, ফার্মার প্রায় সারা বছর তাদের কাছ থেকে দুধ উৎপাদন করতে পারেন, এরা অত্যন্ত গরম সহ্য করতে পারে, সুতরাং, অ্যাংলো নুবিয়ান ছাগল দিয়ে inseminating দ্বারা স্থানীয় কম দুধ উৎপাদনশীল জাত উন্নয়নের সুযোগ আছে।

বৈশিষ্ট্য
অ্যাংলো নুবিয়ান ছাগল ব্রিটিশ ও ভারতীয় ছাগলের ক্রস ব্রীডঃ

 তারা তাদের সুন্দর চেহারা, দুধ ও মাংস উৎপাদনের জন্য খুব বিখ্যাত,
 তারা সাদা, কালো, বাদামি বা বিভিন্ন মিশ্র রঙের হয়,
 তারা প্রধানত দুধ উৎপাদনের জন্য উৎপাদিত. কিন্তু গোস্তও উত্পাদন হয়,
 লম্বা আকারের ঝোলা কান মাথা দুই পাসে ঝুলে থাকে,
 তাদের রোমান নাক এবং পা গুলো লম্বা মাপের হয়,
 তারা চরে খেতে ভালবাসে, কিন্তু অন্যান্য প্রাণীর মত মানুষের বাড়ীতে বা স্টল ফিডিং এর জন্য উপযুক্ত,
 তারা সহজেই যে কোন পরিবেশের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে,
 একটি Doe (মহিলা ছাগল) দৈনিক ২-৩ লিঃ দুধ উৎপাদন করতে পারে,
 অ্যাংলো নুবিয়ান ছাগলের দুধ মাখন সমৃদ্ধ প্রায় ৪% চর্বি রয়েছে,
 বয়স্ক Buck (পূরুষ ছাগল)ওজন প্রায় ১৭৫ পাউন্ড ছাগল,
 প্রাপ্তবয়স্ক Doe (মহিলা ছাগল)ওজন প্রায় ১৩৫ পাউন্ড বা তার বেশি ছাগল,

প্রতিপালন
অ্যাংলো নুবিয়ান ছাগল চরে খেতে ভালবাসে, তারা পাতা, সবুজ ঘাস, ভূট্টা এবং স্টল ফিডিংএ অভ্যস্থ। বাণিজ্যিক বা গার্হস্থ্য ছাগল পালন করার জন্য ভাল সুষম ও পুষ্টিকর খাবারের প্রয়োজন, গর্ভবতী ছাগলকে বিশেষ যত্ন নিতে হয়।

হাউজিং
ছাগল সবসময় শুকনা জায়গা পছন্দ করে, সুতরাং, উচ্চ এবং শুষ্ক স্থানে তাদের জন্য ঘর, মাছা তৈরী করতে হবে, অথবা ছাগলের ঘরের মেঝেতে কিছু খড়কুটা / খড় বা বালি রাখতে হবে। তাদের ঘর শুষ্ক রাখতে হবে. পর্যাপ্ত তাজা বাতাস এবং সূর্য প্রবেশ নিশ্চিত করতে হবে, সর্বদা ছাগলের ঘর, ঝরঝরে পরিষ্কার এবং জীবাণু মুক্ত তাজা খাদ্য ও পরিষ্কার পানি নিয়মিতভাবে পরিবেশন করতে হবে।

যত্ন
অ্যাংলো নুবিয়ান ছাগল উচ্চ তাপমাত্রা এবং জলবায়ু ঘন পরিবর্তন সহ্য করতে পারে, কিন্তু তারা গরম আবহাওয়া বেশী উত্পাদনশীল হয়, সুতরাং, এই ছাগলের বাড়তি যত্নেরও প্রয়োজন হয় না. কিন্তু খাবার খাওয়া ও হাউজিং এর যত্ন নিতে হবে,তারা তাদের মালিকদের খুব আজ্ঞাবহ হয় এবং মানুষের সঙ্গ ভালবাসে । খাদ্য, পানি বা আশ্রয় প্রদান করার সময় তারা মানব শিশুর মত শান্ত হয় এবং তারা তাদের আবেগ এবং দাবি প্রকাশ করার জন্য আওয়াজ করে।


অ্যাংলো নুবিয়ান ছাগলের প্রোফাইলঃ

প্রজাতির নামঃ অ্যাংলো নুবিয়ান
অন্য নামঃ নুবিয়ান
প্রজাতির উদ্দেশ্যঃ দুধ, এবং ওমাংসের জন্য
প্রজাতির সাইজঃ বড়
ওজনঃ বাক প্রায়৭৯ কেজি
ওজনঃ ডো প্রায় ৬১ কেজি
হর্ণঃ নাই
জলবায়ু সহনশীলতাঃ সমস্ত জলবায়ু
ছাগলের রঙঃ অনেক রঙ বৈচিত্র
স্টল ফিডঃ হ্যাঁ ভাল
দেশঃ যুক্তরাজ্য

ছাগ‌লের ওলান প্রদাহ?প্র‌তিকারঃ‌জেন্টা‌ভেটঃ ৩০কে‌জির জন্য ৫মি‌লিএস পি ভেটঃ ১০ কে‌জির জন্য ০.৫ মি‌লি ২ভায়াল‌সি‌ক্রে‌সিনঃ ১...
30/11/2016

ছাগ‌লের ওলান প্রদাহ?

প্র‌তিকারঃ
‌জেন্টা‌ভেটঃ ৩০কে‌জির জন্য ৫মি‌লি
এস পি ভেটঃ ১০ কে‌জির জন্য ০.৫ মি‌লি ২ভায়াল
‌সি‌ক্রে‌সিনঃ ১০কে‌জির জন্য ৩সি‌সি
এ্যা‌ন্টি‌হিস্টা‌ভেটঃ ১০কে‌জির জন্য ২সি‌সি
‌ক্লো‌রো‌ফোনাক‌ভেটঃ ১০কে‌জির জন্য ৩সি‌সি ( ব্যাথার জন্য)
হালকা গরম ছেঁক দি‌লে ভা‌লো।

২টা ‌পিউর বারবা‌রি বি‌ক্রি হ‌বে, ১টা প্রেগনেন্ট, আগ্রহী হ‌লে ইনবক্স করুন।
23/10/2016

২টা ‌পিউর বারবা‌রি বি‌ক্রি হ‌বে, ১টা প্রেগনেন্ট, আগ্রহী হ‌লে ইনবক্স করুন।

দারিদ্র্য বিমোচনে ছাগল পালনঃ পর্ব-৩ এবং শেষখাদ্য ব্যবস্থাপনাঃ ছাগলকে রাস্তার ধার, পুকুর পাড়, জমির আইল, পতিত জমি বা পাহা...
01/10/2016

দারিদ্র্য বিমোচনে ছাগল পালনঃ পর্ব-৩ এবং শেষ
খাদ্য ব্যবস্থাপনাঃ
ছাগলকে রাস্তার ধার, পুকুর পাড়, জমির আইল, পতিত জমি বা পাহাড়ের ঢালে বেঁধে বা ছেড়ে ৮-৯ ঘন্টা ঘাস খাওয়াতে পারলে খুব উপকার হবে। এ ধরনের সুযোগ না থাকলে প্রতি ২০ কেজি ওজনের ছাগলের জন্য দৈনিক ০.৫-১ কেজি পরিমাণ কাঠাঁল, ইপিল ইপিল, ঝিকা, বাবলা পাতা অথবা এদের মিশ্রণ দেয়া যেতে পারে। প্রতিটি ছাগলকে দৈনিক ২৫০-৩০০ গ্রাম ঘরে প্রস্তুতকৃত দানাদার খাদ্য দেয়া যেতে পারে। ১০ কেজি দানাদার খাদ্য মিশ্রণে যেসব উপাদান থাকা প্রয়োজন তা হচ্ছেঃ চাল ভাঙ্গা ৪ কেজি, ঢেঁকি ছাঁটা চালের কুড়া ৫ কেজি, খেসারি বা অন্য কোনো ডালের ভূষি ৫০০ গ্রাম, ঝিনুকের গুড়া ২০০ গ্রাম এবং লবণ ৩০০ গ্রাম। ইউরিয়া দ্বারা প্রক্রিয়াজাত খড় ও সাইলেজ খাওয়ালে ভাল হয়। কারণ প্রক্রিয়াজাত খাদ্যে আমিষের পরিমাণ বেশি থাকে এবং পরিপাকও ভালোভাবে হয়। জন্মের পর থেকেই ছাগল ছানাকে আঁশ জাতীয় খাদ্য যেমন কাঁচা ঘাস ইত্যাদিতে ধীরে ধীরে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে। দানাদার খাদ্য খাওয়ানোর পর ছাগলকে পর্যাপ্ত পরিমাণ পরিষ্কার পানি খেতে দিতে হবে। বাড়ন্ত ছাগলকে দৈনিক প্রায় ১ লিটারের মতো পানি পান করা উচিত। কাঁচাঘাস কম বা এর অভাব ঘটলে ছাগলকে ইউরিয়া-চিটাগুড় মেশানো খড় নিম্নোক্ত প্রণালীতে বানিয়ে খাওয়াতে হবে।

উপকরণঃ
২-৩ ইঞ্চি মাপের কাটা খড় ১ কেজি, চিটাগুড় ২২০ গ্রাম, ইউরিয়া ৩০ গ্রাম ও পানি ৬০০ গ্রাম। এবারে পানিতে ইউরিয়া গুলে তাতে চিটাগুড় দিয়ে খড়ের সাথে মিশিয়ে সরাসরি ছাগলকে দিতে হবে। খাসীর ক্ষেত্রে তিন-চার মাস বয়সে দুধ ছাড়ানোর পর নিয়মিত সঠিকভাবে এই প্রক্রিয়াজাত খাদ্য খাওয়ালে দৈনিক ৬০ গ্রাম করে দৈহিক ওজন বাড়ে ও এক বছরের মধ্যে ১৮-২২ কেজি ওজন প্রাপ্ত হয়ে থাকে। খাসীকে দৈহিক ওজনের উপর ভিত্তি করে মোট ওজনের ৭% পর্যন্ত পাতা বা ঘাস জাতীয় খাদ্য দানাদার খাদ্যের মিশ্রণ (চাল ভাঙ্গা ৪০%, কুড়া ৫০%, ডালের ভূষি ৫৫, লবণ ৩% এবং ঝিনুকের গুড়া ২%) ১০০ গ্রাম থেকে সর্বোচ্চ ৩০০ গ্রাম ও ভাতের মাড় ৪০০ গ্রাম পর্যন্ত খেতে দেয়া যেতে পারে। খাসীর ওজন ২০ কেজির বেশি হয়ে গেলে এদের দেহে চর্বির পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই এ সময়েই এদেরকে বাজারজাত করা উচিত। ছাগল খামারের খাদ্য খরচ মোট খরচের ৬০-৭০% হওয়া আবশ্যক। বাণিজ্যিক খামারের লাভ-লোকসান তাই খাদ্য ব্যবস্থাপনার উপর নির্ভরশীল। নিম্নে বাণিজ্যিকভাবে পালিত ছাগলের দানাদার খাদ্যের সাধারণ মিশ্রণ প্রদত্ত হলঃ

ছাগলের বাচ্চার বয়স অনুযায়ী খাদ্য সরবরাহের পরিমাণ


বাণিজ্যিক ছাগলের দানাদার খাদ্যের সাধারণ মিশ্রণ


অন্যান্য ব্যবস্থাপনাঃ

সঠিক অনুপাতে (১০ টি ছাগীর জন্য ১টি পাঠাঁ) ছাগী ও পাঠাঁ পালন করতে হবে। পাঠাঁ এবং ছাগীকে কখনও একত্রে খাদ্য খেতে ও মাঠে চরানো যাবে না, কারণ পাঠাঁ ছাগীকে খাদ্য খেতে অসুবিধার সৃষ্টি করে এবং অনেক সময় মারামারি করে ক্ষতের সৃষ্টি করে থাকে। প্রজননক্ষম পাঠাঁ ছাগীকে নিয়মিত (বছরে ৫-৬ বার) ০.৫% মেলাথিয়ন দ্রবণে চুবিয়ে বহিঃপরজীবী থেকে মুক্ত রাখতে হবে। বাচ্চার ক্ষেত্রে যাতে উক্ত দ্রবণ নাকে বা কানে যেন প্রবেশ করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। (গর্ভের ১ম মাসে ১-১.৫ মিলি ভিটামিন এ.ডি.ই এবং গর্ভের শেষ দুই সপ্তাহে ১-১.৫ মিলি ৪৮ ঘন্টা পরপর ইনজেকশন দিতে হবে)। প্রসবের লক্ষণ দেখা দিলে ছাগীর পিছনের অংশ ও ওলান পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট এর ০.৫-১% দ্রবণ দিয়ে ধুয়ে মুছে দিতে হবে। বাচ্চা প্রসবের পর জীবাণুমুক্ত সার্জিক্যাল চাকু বা ব্লেড দ্বারা নাভি ২-৩ সেঃমিঃ রেখে বাকি অংশ কেটে দিতে হবে। (এ সময় ছাগীর জরায়ুতে যাতে ইনফেকশন না হয় সেজন্য পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গনেট দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে এবং এরপর ক্যাপলেট (মাত্রাঃ১ ক্যাপলেট/১০-২০ কেজি দৈহিক ওজনের জন্য) অথবা বোলাস (মাত্রাঃ ১-২ বোলাস) জরায়ুতে দিতে হবে)। প্রসবের ২৪ ঘন্টা পরও ফুল বা প্লাসেন্টা না পড়লে অক্সিটোসিন (মাত্রাঃ ১-২ মিলি/ ১০ কেজি দৈহিক ওজনের জন্য) ইনজেকশন দিতে হবে। বাচ্চার বয়স যখন ৩-৫ সপ্তাহ তখন শিং ওঠা বন্ধ করা উচিত। বাচ্চা বয়স ২-৪ সপ্তাহ হলে তাকে খাসী করানো উচিত।
খাসী করতে হলে টেবিল বা এ জাতীয় উচু জায়গায় রেখে পিছনের পা দুটো টেনে সামনে নিয়ে আসতে হবে। এরপর অন্ডকোষকে ৩% টিংচার দ্রবণ দিয়ে ভাল করে মুছে দিতে হবে। অন্ডকাষকে চামড়ার বিপরীতে চেপে ধরে চামড়ার নিচের দিকে একটি মাত্র পোচে কেটে অন্ডকোষ দুইটি বের করে রগ (Spermatic cord) কেটে দিতে হবে। এরপর অন্ডকোষ থলিকে টিংচার অব আয়োডিন দ্বারা পরিষ্কার করে ক্ষতস্থানে পাউডার লাগিয়ে দিতে হবে।

বাজারজাত করার প্রকৃত সময়ঃ

এ প্রকল্পের সফলতা নির্ভর করে পশুটির যর্থাথ ও উপযুক্ত দামের উপর। কাজেই বিক্রির জন্য যে বাজারে তুলনামূলকভাবে বেশি মূল্য পওয়া যাবে সেখানে ছাগল নেয়া যেতে পারে। তবে মূল্য বেশি হবে এই ধারনায় ছাগলদেরকে দীর্ঘ পথ পায়ে হাঁটিয়ে বা গাড়িতে করে পরিবহন করা যুক্তিযুক্ত নয়। অস্বাস্থ্যকর প্রতিকূল পরিবেশে এধরনের ভ্রমণের ফলে ছাগলের ধকলজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে পড়া অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং এর ফলে রোগাক্রান্ত হলে খামারীর প্রভৃতি ক্ষতি হতে পারে। এজন্য বাজারজাত করণের প্রভূত ক্ষেত্রে কোনো ঝুকিপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা ঠিক হবে না। এ ক্ষেত্রে খামারীর নিজেরই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত।

দারিদ্র্য বিমোচনে ছাগল পালনঃ  পর্ব-২জৈব নিরাপত্তাঃ খামার এলাকার বেড়া বা নিরাপত্তা বেস্টনী এমনভাবে নির্মান করতে হবে যাতে...
29/09/2016

দারিদ্র্য বিমোচনে ছাগল পালনঃ পর্ব-২
জৈব নিরাপত্তাঃ

খামার এলাকার বেড়া বা নিরাপত্তা বেস্টনী এমনভাবে নির্মান করতে হবে যাতে সেখানে অনাকাঙ্খিত ব্যক্তি, শেয়াল-কুকুর ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী প্রবেশ করতে না পারে। প্রবেশপথে ফুটবাথ বা পা ধোয়ার জন্য ছোট চৌবাচ্চায় জীবাণুনাশক মেশানো পানি রাখতে হবে। খামারে প্রবেশের আগে খামারে গমনকারী তার জুতা/পা ডুবিয়ে জীবাণুমুক্ত করবেন। খামারের জন্য সংগৃহীত নতুন ছাগল সরাসরি খামারে পূর্বে বিদ্যমান ছাগলের সাথে রাখা যাবে না। নূতন আনীত ছাগলদেরকে স্বতন্ত্র ঘরে সাময়িকভাবে পালনের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ধরনের ঘরকে পৃথকীকরণ ঘর বা আইসোলেশন শেড বলে। অন্ততপক্ষে দুই সপ্তাহ এই শেডে রাখা বিশেষ জরুরি। এসব ছাগলের জন্য প্রাথমিক কিছু চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রথমে এদেরকে কৃমিনাশক খাওয়াতে হবে। এজন্য বহিঃপরজীবী এবং আন্তঃ পরজীবীর জন্য কার্যকর কৃমিনাশক প্রয়োগ করতে হবে। চর্মরোগ প্রতিরোধের জন্য প্রতিটি ছাগলকে (০.৫%) শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ ম্যালাথিয়ন দ্রবণে গোসল করাতে হবে। আইসোলেশন শেডে ছাগল রাখার পর ১৫ দিনের মধ্যে যদি কোনো রোগ না দেখা দেয় তাহলে প্রথমে পিপিআর রোগের ভ্যাকসিন এবং সাত দিন পর গোটপক্সের ভ্যাকসিন প্রয়োগ করতে হবে। শেষ টিকা প্রদানের সাত দিন পর এসব ছাগলকে মূল খামারে নেয়া যেতে পারে। প্রতিদিন সকাল এবং বিকালে ছাগলের ঘর পরিষ্কার করতে হবে। কোনো ছাগল যদি অসুস্থ হয় তাহলে তাকে আলাদা করে আইসোলেশন শেডে রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। যদি কোনো ছাগল মারা যায় তবে অবশ্যই তার কারণ সনাক্ত করতে হবে। ল্যাবরেটরিতে রোগ নির্ণয়ের পর তদনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা বিশেষ করে অন্যান্য ছাগলের অন্য নিতে হবে। মৃত ছাগলকে খামার থেকে দূরে নিয়ে মাটির গভীরে পুতে বা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। রোগাক্রান্ত ছাগলের ব্যবহার্য সকল সরঞ্জামাদি ও দ্রব্যাদি সঠিকভাবে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

ছাগলের বাসগৃহঃ

ছাগলের ঘর শুষ্ক, উচুঁ, পানি জমে না এমন স্থানে স্থাপন করা উচিত। পূর্ব পশ্চিমে লম্বালম্বি, দক্ষিণ দিক খোলা এমন করতে হবে। এক্ষেত্রে কাঠাঁল, ইপিল ইপিল, কাসাভা ইত্যাদি গাছ লাগানো যেতে পারে। এছাড়া পানি নিষ্কাশনের জন্য উত্তম ব্যবস্থা আছে এমন স্থানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। ছাগল ঠাসাঠাসি অবস্থায় বাস করতে পছন্দ করে না। এরা মুক্ত আলো বাতাস এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্থানে থাকতে পছন্দ করে। এক জোড়া ছাগলের জন্য ৫ ফুট লম্বা, ১.৫ ফুট চওড়া এবং ৬ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট খোয়াঁড় প্রয়োজন। প্রতিটি পূর্ণ বয়স্ক ছাগলের জন্য গড়ে ১০-১৪ বঃ ফুট এবং বাড়ন্ত বাচ্চার জন্য ৩-৮ বঃ ফুট জায়গা প্রয়োজন। ছাগলের ঘর ছন, গোলপাতা, খড়, টিন বা ইট নির্মিত হতে পারে। তবে ঘরের ভিতর বাঁশ বা কাঠের মাচা প্রস্তুত করে তার উপর ছাগল রাখা উচিত। মাচার উচ্চতা ১ মিটার (৩.৩৩ ফুট) এবং মাচা থেকে ছাদের উচ্চতা ৬-৮ ফুট হবে। মল-মূত্র নিষ্কাষনের গোবর ও চনা সুবিধার্থে বাঁশের চটা বা কাঠের মাঝে ১সেঃ মিঃ ফাক লাখতে হবে। মেঝে মাটির হলে সেখানে পর্যাপ্ত বালি দিতে হবে। বৃষ্টি যেন সরাসরি ঘরের ভিতর প্রবেশ না করতে পারে সে জন্য ছাগলের ঘরের চালা ১-১.৫ মিঃ (৩-৩.৫ ফুট)
ঝুলিয়ে দেয়া প্রয়োজন। শীতকালে রাতের বেলায় মাচার উপরের দেয়ালকে চট দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। পাঠাঁর জন্য অনুরূপভাবে পর্যাপ্ত আলো বাতাস ও মল-মূত্র নিষ্কাষনের উত্তম সুবিধাযুক্ত পৃথক খোয়াড় তৈরি করতে হবে। শীতকালে মাচার উপর ১.৫ ইঞ্চি পুরু খড় বিছিয়ে তার উপর ছাগল রাখতে হবে। প্রতিদিন ভালোভাবে পরিষ্কার করে রৌদ্রে শুকিয়ে পুনরায় বিছাতে হবে।

ছাগলের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনাঃ

একথা মনে রাখা প্রয়োজন যে মুক্তভাবে ছাগল প্রতিপালনের তুলনায় আবদ্ধ অবস্থায় ছাগল পালন অনেক বেশি ঝুকিপূর্ণ। এ ব্যবস্থায় বৈজ্ঞানিক চিন্তা-ভাবনা ও প্রযুক্তির সমন্নয় না ঘটালে খামারীকে বিস্তর সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এটা একটি বাস্তব উপলদ্ধি। এজন্য ছাগলের সুখ-সাচ্ছন্দ্য ও স্বাস্থ্যর প্রতি খামারীকে স্বতন্ত্র ভাবে দৃষ্টি দিতে হবে। ছাগলের খামারে রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটলে মারাত্মক ক্ষতি হয়ে থাকে। তাই বিভিন্ন রোগ দমনের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া অত্যন্ত জরুরি। তা না হলে খামার থেকে লাভের আশা করা যায় না। খামারে ছাগল আনার পর থেকে প্রতিদিনই প্রতিটা ছাগলের স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতে হবে। প্রথম পাঁচ দিন সকাল ও বিকালে দুবার থার্মোমিটার দিয়ে ছাগলের দেহের তাপমাত্রা পরীক্ষা করতে হবে। হঠাৎ কোনো রোগ দেখা মাত্রই পশু চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। তীব্র শীতের সময় ছাগী বা বাচ্চাদের গায়ে চট পেঁচিয়ে দেয়া যেতে পারে। মাচার নিচ এবং ঘর প্রতিদিন সকালে পরিষ্কার করতে হবে এবং কর্মসূচি অনুযায়ী জীবাণুনাশের ব্যবস্থা নিতে হবে।

সুস্থ ছাগলের বৈশিষ্ট্যঃ

সুস্থ ছাগলের নাড়ীর স্পন্দন প্রতি মিনিটে ৭০-৯০ বার, শ্বাস-প্রশ্বাস প্রতি মিনিটে ২৫-৪০ বার এবং তাপমাত্রা ৩৯.৫ সেঃ হওয়া উচিত। সুস্থ ছাগল দলবদ্ধভাবে চলাফেরা করে, মাথা সবসময় উঁচু থাকে, নাসারন্ধ থাকবে পরিষ্কার, চামড়া নরম, পশম মসৃন ও চকচকে দেখাবে এবং পায়ু অঞ্চল থাকবে পরিচ্ছন্ন।
ছাগল সুস্থ রাখতে যেসব ব্যবস্থাদি গ্রহণ করা আবশ্যক সেগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ

কর্মসূচি অনুযায়ী টিকা প্রদানঃ

ভাইরাসজনিত রোগ যেমন পিপিআর, গোটপক্স, ক্ষুরারোগ ইত্যাদি এবং ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যেমন এনথ্রাক্স, ব্রুসেলোসিস ইত্যাদি খুবই মারাত্মক বলে এগুলোর বিরুদ্ধে যথারীতি টিকা প্রদান করতে হবে। যেসব ছাগীকে পূর্বে পিপিআর, গোটপক্স, একথাইমা, ব্রুসেলোসিস ইত্যাদি টিকা দেয়া হয়নি তাদেরকে গর্ভের ৫ম মাসে উক্ত ভ্যাকসিনগুলি দিতে হবে। বাচ্চার বয়স যখন ৫ মাস তখন তাকে পিপিআর ভ্যাকসিন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন দিতে হবে।

ছাগলের টিকা প্রদান কর্মসূচি

পিপিআর ১ মিঃ চামড়ার নীচে ইন্জেকশন
ক্ষুরা রোগ ১ মিঃ চামড়ার নীচে ইন্জেকশন
এ্যানথ্র্যাক্স ১ মিঃ চামড়ার নীচে ইন্জেকশন

কৃমিনাশক ঔষধ প্রয়োগঃ

সকল ছাগলকে নির্ধারিত মাত্রায় বছরে তিনবার কৃমিনাশক ঔষধ প্রদান করতে হবে। কৃমিনাশক কর্মসূচি অনুসরণের জন্য পশু চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

27/09/2016

দারিদ্র্য বিমোচনে ছাগল পালনঃ পর্ব-১

ছাগল বাংলাদেশের অতি গুরুত্বপূর্ণ পশুসম্পদ। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। বাংলাদেশে বেকার সমস্যা ও দারিদ্র্য হ্রাস মাংস উৎপাদন বৃদ্ধি ও বৈদেশিক মূদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে ছাগল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উল্লেখ্য যে এদেশের মোট প্রায় আড়াই কোটি ছাগলের অধিকাংশই ব্ল্যাক বেঙ্গল বা বেঙ্গল জাতের।

ছাগল পালনের সুবিধাদিঃ

* ছোট প্রাণীর খোরাক তুলনামূলকভাবে অনেক কম, পালনের জন্য অল্প জায়গা লাগে এবং মূলধনও সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে থাকে।
* গবাদিপশুর তুলনায় ছাগলের রোগবালাই কম।
* তুলনামূলক কম সময়ে অধিক সংখ্যক বাচ্চা পাওয়া যায়। বছরে দুইবার বাচ্চা প্রসব করে এবং প্রতিবারে গড়ে ২-৩ টি বাচ্চা হয়ে থাকে।
* দেশে ও বিদেশে ব্ল্যাক ছাগলের চামড়া, মাংস ও দুধের বিপুল চাহিদা আছে।
* ছাগলের দুধ যক্ষ্মা ও হাঁপানি রোগ প্রতিরোধক হিসাবে জনশ্রুতি রয়েছে এবং এজন্য এদের দুধের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে।
* ছাগল ভূমিহীন ক্ষুদ্র ও মাঝারী চাষীদের অতিরিক্ত আয়ের উৎস হিসাবে বিবেচিত হয়।

ব্ল্যাক বেঙ্গল বা বেঙ্গল ছাগলের বৈশিষ্ট্যঃ

ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের বক্ষস্থল চওড়া, কান কিছুটা উপরের দিকে ও শিং ছোট থেকে মাঝারী আকৃতির হয়ে থাকে। দেহের গড়ন আটসাট পা অপেক্ষাকৃত খাটো ও এবং লোম মসৃন হয়।

ব্ল্যাক বেঙ্গল বা বেঙ্গল পালনের সুবিধাঃ

সাধারণতঃ ১২-১৫ মাস বয়সে প্রথম বাচ্চা দেয়। একটি ছাগী বছরে দুইবার বাচ্চা প্রসব করলেও উপযুক্ত ব্যবস্থাপনায় ছাগী ২-৮ টি পর্যন্ত বাচ্চা পাওয়া যেতে পারে। ২০ কেজি দৈহিক ওজন সম্পন্ন একটি ছাসী থেকে কমপক্ষে ১১ কেজি খাওয়ার যোগ্য মাংস এবং ১.-১.৪ কেজি ওজনের অতি উন্নতমানের চামড়া পাওয়া যায়। ব্ল্যাক বেঙ্গল বা বেঙ্গল ছাগলের চামড়া একটি অতি মূল্যবান উপজাত।
দেখা গেছে, সেমি-ইন্টেনসিভ পদ্ধতিতে ২৫টি ছাগীর খামার থেকে ১ম বছরে ৫০,০০০ টাকা, ২য় বছরে ৭৫,৩৩৭ এবং ৩য় বছরে ১,০২,৬০০ টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব (সূত্রঃ ছাগল পালন ম্যানুয়েল)।

ছাগল ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিবেচ্য গুণাবলীঃ

পাঠাঁর ক্ষেত্রেঃ

* পাঠাঁর বয়স ১২ মাসের মধ্যে হতে হবে, অন্ডকোষের আকার বড় এবং সুগঠিত হতে হবে।
* পিছনের পা সুঠাম ও শক্তিশালী হতে হবে।
* পাঠাঁর মা, দাদী বা নানীর বিস্তারিত তথ্যাদি (অর্থাৎ তারা বছরে ২ বার বাচ্চা দিত কীনা, প্রতিবারে একটির বেশি বাচ্চা হতো কীনা, দুধ উৎপাদনের পরিমাণ ইত্যাদি গুণাবলী) সন্তোষজনক বিবেচিত হলেই ক্রয়ের ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে।

ছাগীর ক্ষেত্রেঃ

* নির্বাচিত ছাগী হবে অধিক উৎপাদনশীল বংশের ও আকারে বড়।
* নয় বা বার মাস বয়সের ছাগী (গর্ভবতী হলেও কোনো সমস্যা নেই) কিনতে হবে।
* ছাগীর পেট তুলনামূলকভাবে বড়, পাজরের হাড়, চওড়া, প্রসারিত ও দুই হাড়ের মাঝখানে কমপক্ষে এক আঙ্গুল ফাঁকা জায়গা থাকতে হবে।
* নির্বাচিত ছাগীর ওলান সুগঠিত ও বাঁট সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

বয়স নির্ণয়ঃ

ছাগলের দাঁত দেখে বয়স নির্ধারণ করতে হয়। বয়স ১২ মাসের নিচে হলে দুধের সবগুলোর দাঁত থাকবে, ১২-১৫ মাসের নিচে বয়স হলে স্থায়ী দাঁত এবং ৩৭ মাসের ঊর্ধ্বে বয়স হলে ৪ জোড়া স্থায়ী দাঁত থাকবে।

স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়াদিঃ

গ্রহণযোগ্য ছাগল অবশ্যই সকল ধরনের সংক্রামক ব্যাধি, চর্মরোগ, চক্ষুরোগ, যৌনরোগ ও বংশগত রোগমুক্ত হতে হবে। পিপিআর খুবই মারাত্মক রোগ বিধায় কোনো এলাকা থেকে ছাগল সংগ্রহ করার আগে উক্ত এলাকায় পিপিআর রোগ ছিল কীনা তা জানতে হবে। উক্ত এলাকা কমপক্ষে ৪ মাস আগে থেকে পিপিআর মুক্ত থাকলে তবেই সেখান থেকে ছাগল সংগ্রহ করা যেতে পারে।

ছাগল ক্রয়ঃ

সাধারণত যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রের চর অঞ্চল, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, পটুয়াখালীর কলাপাড়া, বগুড়ার ধুনট, ফরিদপুর, মেহেরপুর ও কয়েকটি স্থানে উন্নতমানের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পাওয়া যায়। এসব স্থান থেকে ব্যক্তিগতভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ছাগল ক্রয় করা যেতে পারে।

বাছাইকৃত ছাগলের পরিবহন ব্যবস্থাঃ

নির্বাচিত ছাগলকে পূর্বে পিপিআর ভ্যাকসিন দেয়া না থাকলে পরিবহনের ২১ দিন পূর্বে পিপিআর ভ্যাকসিন দিতে হবে। পরিবহনের পূর্বে ছাগলকে পর্যাপ্ত পরিমাণ লবণ ও চিটাগুড় মিশ্রিত পানি (পানি ১ লিটার, লবণ ১০ গ্রাম ও চিটাগুড় ৩০ গ্রাম) খাওয়াতে হবে। অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা কিংবা ঝড়-বৃষ্টিতে এদের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পরিবহন করা মোটেও উচিত নয়।
ডাঃ এ, এইচ. এম. সাঈদুল হক
এক্সিকিউটিভ, এগ্রোভেট ডিভিশন, স্কয়ার র্ফামাসিউটিক্যালস লিমিটেড
এগ্রোবাংলা ডটকম

"খামার একটি স্বপ্ন"খামার একটি স্বপ্ন, স্বপ্নের অপমৃ্তু্ হওয়া কখনও ভালো কিছু গড়তে পারে না, আশাহতের মিছিলে শামিল হওয়ার আগে...
25/09/2016

"খামার একটি স্বপ্ন"

খামার একটি স্বপ্ন, স্বপ্নের অপমৃ্তু্ হওয়া কখনও ভালো কিছু গড়তে পারে না, আশাহতের মিছিলে শামিল হওয়ার আগে বুঝে শুনে পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ।
অনেকদিন ধরে লক্ষ করছি, অনেকেই খামার করার জন্য অতি উৎসাহী, অামাকে প্রতিনিয়ত ফোন করেন, টেক্স মেসেজ দেন,খামার গড়ার ব্যাপারে জানার আগ্রহ এবং খামার গড়ার ব্যাকুলতা, এদের মধ্যে অনেকেই গরু-ছাগলের র্ফাম গড়ে রাতা-রাতি বড়লোক হওয়ার স্বপ্নে বিভোর মনে হয়, বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে স‍‍‌‌‌ৎ পরামর্শ দৃষ্টি গোছর হয় না।

গাড়ল-ভেড়া-ছাগল

দেশী ছাগল (ব্লাক বেঙ্গল বা বেঙ্গল ছাগল)ঃ

* দেশী ছাগল, গরুর মত চরে খেতে পছন্দ করে।
* দেশী ছাগল, গরুর মত ঘাস,লতাপাতা, সাইলেজ, হে, দানাদার খাদ্য ইত্যাদি খেয়ে থাকে।
* স্টল ফিডিং এদের অ-পছন্দ।

বিদেশী ছাগল:( যমুনা পাড়ি, তোতা মুখি, সুরোহী, সুজাত, বোয়ার, বারবারি, পাটারি, বিটাল, কাজলা ইত্যাদি )

* দেশী ছাগলরে মত চরে খেতে পছন্দ করে না।
* দেশী ছাগলরে মত ঘাস,লতাপাতা, সাইলেজ, হে, দানাদার খাদ্য ইত্যাদি খেয়ে থাকে।
* স্টল ফিডিং-এ এরা অব্যস্থ।
* বিদেশী ছাগল আবদ্ব ভাবে পালন করা যায়।
* বিদেশী ছাগল আবদ্ব ভাবে পালন অত্যন্ত লাভজনক।

গাড়ল-ভেড়া

* দেশী ছাগল, গরুর মত চরে খেতে পছন্দ করে।
* দেশী ছাগল, গরুর মত ঘাস,লতাপাতা, সাইলেজ, হে, দানাদার খাদ্য ইত্যাদি খেয়ে থাকে।
* গাড়ল- ভেড়ার স্টল ফিডিং পছন্দ, তবে গ্রোথ কমে যায়।

গরুর খামার

নতুন খামারীদের দুধের গাভীর খামার গড়ার চেয়ে, প্রথমে ছোট ছোট কয়েকটা ১ বৎসর বয়সী বাচুর নিয়ে ৪ মাস নার্সিং করে বাজারজাত করা উচিৎ, কয়েকবার এরকম করার পর অন্য কিছু করার সাহস হবে, অভিঞ্জতা এবং সাহস মিলে আগে বাড়বার মানষিকতা তৈরী হবে।

20/09/2016
আমা‌দের পাকচুং ঘাস সা‌ড়ে ৬ ফুট হ‌য়ে‌ছে, আর ২ফুট হ‌লে‌ কা‌টিং আবার নতুন জ‌মি‌তে লাগা‌নো হ‌বে।
17/09/2016

আমা‌দের পাকচুং ঘাস সা‌ড়ে ৬ ফুট হ‌য়ে‌ছে, আর ২ফুট হ‌লে‌ কা‌টিং আবার নতুন জ‌মি‌তে লাগা‌নো হ‌বে।

Address

Gazipur
1710

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sheep & Goat Farming Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sheep & Goat Farming Bangladesh:

Share