অঙ্গসজ্জা - Angasajja

অঙ্গসজ্জা - Angasajja Dress & Ornaments

04/07/2024

নারীর কাছে পুরুষের উপস্থিতি ইয়াবার মতো। প্রথমে একটা খেলেই পিনিক আসে। পরে ২০-৩০টা খেলেও কাজ হয় না। ব্যস! এক সময় পুরুষের প্রতি কোন ফিলিংসই কাজ করে না।

04/07/2024

নারীর কাছে পুরুেষর উপস্থিতি ইয়াবার মতো। প্রথমে একটা খেলেই পিনিক আসে। পরে ২০-৩০টা খেলেও কাজ হয় না। ব্যস! এক সময় পুরুষের প্রতি কোন ফিলিংসই কাজ করে না।

24/09/2019

বিশ্বের কিছু অজানা তথ্য যা আপনাকে অবাক করতে বাধ্য
১। পৃথিবীর কেন্দ্র এতই গরম যে এর তাপমাত্রা প্রায় সূর্যের তাপমাত্রার সমান।

২। প্রথম দিকে পৃথিবী বড়-বড় মাশরুম এ ঢাকা ছিল। তখন পৃথিবী তে গাছ ছিলনা।

৩। এক চা চামচ মাটিতে যে পরিমাণ অণুজীব রয়েছে, তার পরিমাণ পৃথিবীর বর্তমান জনসংখ্যা থেকে বেশি।

৪। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড লাগে।

৫। পৃথিবীর মাঝ বরাবর যদি গর্ত করে আপনাকে এক প্রান্ত থেকে ছেড়ে দেয়া হয়, তাহলে আরেক প্রান্তে যেতে আপনার মাত্র ৪২ মিনিট লাগবে।

৬। পৃথিবীতে মাত্র ৩% পানি পান করার যোগ্য। আর বাকী ৯৭% পানিই লবণাক্ত। আর ওই ৩% পানির মধ্যেও ২% ই বরফ। আর মাত্র ১% পানি সাধারণ ভাবে আমরা খাওয়ার জন্য পাই।

৭। পৃথিবীর নিজের অক্ষের উপর ঘুরার গতি ক্রমশই কমে আসছে। আর এটি পৃথিবী তে দিনের দৈর্ঘ্য এর উপর প্রভাব ফেলছে। এর ফলে, প্রতি ১০০ বছরে প্রায় ১৭ মিলি সেকেন্ড করে সময় বাড়ছে। এর মানে আরো ১৪০ মিলিয়ন বছর পর, পৃথিবী তে ২৫ ঘন্টায় এক দিন হবে।

৮। আর প্রায় ৫০০ কোটি বছর পর সূর্য একটি রেড জায়ান্ট স্টারে পরিণত হবে। কারণ তখন সূর্যের জালানি গুলো (হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম) শেষ হয়ে যাবে। তখন সূর্য তার চার পাশের অন্য গ্রহ গুলিকে গ্রাস করতে থাকবে। সেই হিসেবে পৃথিবীকেও সূর্য গ্রাস করবে।

৯। পৃথিবীতে উৎপাদিত অক্সিজেনের ২০ ভাগই মহাবন আমাজন উৎপাদন করে।

১০। পৃথিবীতে যত বালু কণা আছে, তার ১০,০০০ গুণ নক্ষত্র রয়েছে এই মহাবিশ্বে।

১১। চিলির আটাকামা মরুভূমি তে কখনোই বৃষ্টিপাত হয় নি। এটিই পৃথিবীর সবচেয়ে শুকনো জায়গা।

১২। পৃথিবীতে যত ধরণের শক্তি দরকার (বিদ্যুৎ, শব্দ ইত্যাদি) তা শুধু সূর্যের আলোর ১০,০০০ ভাগের ১ ভাগ কে কাজে লাগাতে পারলেই সারাজীবন এর জন্য আর কিছুরই প্রয়োজন পড়বে না।

১৩। চাঁদ যদি আমাদের উপগ্রহ হিসেবে না থাকতো, তাহলে পৃথিবীতে ২৪ ঘন্টার বদলে মাত্র ৬ ঘন্টায় এক দিন হতো।

১৪। রঙধনু আসলে বৃত্তাকার, পৃথিবীর আকারের কারণেই আমরা অর্ধ-বৃত্তাকার রঙধনু দেখি।

১৫। পৃথিবীর কেন্দ্রে এতই স্বর্ণ রয়েছে যে তা দিয়ে পুরো পৃথিবীকে একবার দেড়ফুট আস্তরণে মুড়ে দেয়া যাবে।

১৬। পৃথিবীতে সব সাগর, মহাসাগর মিলিয়ে যত পানি রয়েছে, তার চেয়ে তিন গুণ বেশি পানি রয়েছে পৃথিবীর ভিতরের অংশে।

১৭। রাশিয়ানরা পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে গভীরতম গর্তটি করেছে। যার গভীরতা প্রায় ১২,২৬২ মি. বা ৪০,২৩০ ফুট। এটি করতে ১৪ বছর সময় লেগেছে। এটি মাউন্ট এভারেস্ট এর উচ্চতার চেয়েও বেশি গভীর। তবে এটি বর্তমানে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

১৮। মাত্র গত ৪০ বছরে পৃথিবীর প্রায় ৪০% বন্য প্রাণী ধ্বংস হয়ে গেছে। যার জন্য আমরা মানুষরাই দায়ী।

১৯। এই সৌরজগৎ এ পৃথিবীই একমাত্র গ্রহ যেখানে পানি মোট তিনটি (কঠিন, তরল, বায়বীয়) অবস্থাতেই থাকতে পারে।

২০। পৃথিবীতে প্রতি দিন গড়ে প্রায় ৮.৬ মিলিয়ন বার বিদ্যুৎ চমকায়। এর মানে প্রতি সেকেন্ড এ প্রায় ১০০ বারেরও বেশি বিদ্যুৎ চমকায়।
২১। পৃথিবীর প্রায় ৯০% ভূমিকম্পই হয় প্রশান্ত মহাসাগর এর একটি এলাকায়। যার কারণে, এই এলাকাটির নাম দেয়া হয়েছে Ring of Fire। Ring of Fire অঞ্চল টিতে প্রায় ৪৫২ টি আগ্নেয়গিরি রয়েছে। পৃথিবীর প্রায় ৮১% আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতও হয় এই অঞ্চলে।

২২। প্রতিদিন পৃথিবীর কোথাও না কোথাও ১০ টিরও বেশি আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাত হচ্ছে।

২৩। পৃথিবীর সবচেয়ে দক্ষিণের আগ্নেয়গিরিটি অবস্থিত এন্টার্কটিকা মহাদেশে। এই আগ্নেয়গিরি থেকে আগুন বের হয় না, বরং বরফের ক্রিস্টাল বের হয়। এর নাম মাউন্ট ইরেবাস।

২৪। পৃথিবীতে প্রায় প্রতি বছর ৫,০০,০০০ এর মত ভূমিকম্প হয়। যার মধ্যে আমরা ১,০০,০০০ বুঝতে পারি। এবং মাত্র ১০০ টি ভূমিকম্প পৃথিবীর ক্ষতি করে।

18/05/2019

হিন্দুধর্ম অনুযায়ী চার যুগ

সত্য যুগ
সত্য যুগ হলো হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, চার যুগের প্রথম যুগ। অন্য যুগ গুলো হলো ত্রেতা যুগ, দ্বাপর যুগ ও কলি যুগ।
বৈশাখ মাসের শুক্ল পক্ষে তৃতীয়া তিথিতে রবিবারে সত্যযুগের উৎপত্তি। এর পরিমাণ ১৭,২৮,০০০ বছর। অবতার সংখ্যা চার। মৎস্য (মাছ), কুর্ম (কুমির), বরাহ (শুকর), নৃসিংহ (মানুষ ও সিংহের সমন্বিত রূপ)। ছয় জন শাসক। বলি, বেণ, মান্ধাতা, পুরোরবা, ধুন্ধুমার, কাত্তাবীর্য্য অর্জুন। শুধু পুণ্য ছিল, পাপ ছিল না। প্রাণ ছিল মজ্জায়। মৃত্যু ছিল ইচ্ছাধীন। সোনার পাত্র ব্যবহার করা হত। বেদ ছিল সামবেদ। তীর্থ ছিল পুষ্কর তীর্থ। তারক ব্রহ্মনাম ছিল- নারায়ণ পরা বেদা, নারায়ণ পরা অক্ষরা, নারায়ণ পরা মুক্তি, নারায়ণ পরা গতি। অর্থাৎ নারায়ণ পরম বেদ, নারায়ণ পরম অক্ষর, নারায়ণ পরম মুক্তি, নারায়ণ পরম গতি।

ত্রেতা যুগ
ত্রেতা যুগ হলো হিন্দুধর্ম অনুযায়ী, চার যুগের দ্বিতীয় যুগ। ত্রেতা মানে সংস্কৃত ভাষায় তৃতীয়। প্রথম যুগ হলো সিদ্ধ নৈতিকতার সত্য যুগ এবং দ্বিতীয়টি দ্বাপর যুগ। কার্তিক মাসের শুক্ল পক্ষের নবমী তিথিতে সোমবারে ত্রেতা যুগের উৎপত্তি। এর পরিমাণ ১২,৯৬,০০০ বছর। এই যুগের পালনকর্তা বিষ্ণুর তিন অবতার যথাক্রমে বামন, পরশুরাম এবং রাম। পুণ্য তিন ভাগ, পাপ এক ভাগ। সূর্য বংশের শাসক- ব্রহ্ম, মরীচি, কাশ্যপ, সাবর্ণিক, মনু, ধনু, সুষেণ, হরিদাস, যৌবনাশ্ব, মুচুকুন্দ, শতবাহু, বেন, পৃত্থু, ইক্ষাকু, দ্যোতকর, কৎসর্প, শ্রেষ্ঠধর, ককুৎস্থ, শতঞ্জীব, দণ্ড, হরিষ, বিজয়, হরিশচন্দ্র, রোহিতাশ্ব, মৃত্যুঞ্জয়, মহাপদ্ম, ত্রিশঙ্কু, উচ্চাঙ্গদ, মরুৎ, অনরণ্য, বিকর্ণবাহু, সগর, অংশুমান, অসমঞ্জা, ভগীরথ, অশ্বঞ্জয়, মণি দীলিপ, রঘু, অজ, দশরথ, শ্রীরাম, লব, কুশ। প্রাণ ছিল অস্থিতে। বেদ ছিল ঋগ্বেদ। রূপার পাত্র ব্যবহার করা হত। তীর্থ ছিল নৈমিষ অরণ্য। তারক ব্রহ্মনাম- রাম নারায়ণানন্ত মুকুন্দ মধুসুদন। কৃষ্ণ কেশব কংসারে হরে বৈকুণ্ঠ বামন। অর্থাৎ রাম নারায়ণ অনন্ত মুকুন্দ মধুসুদন কৃষ্ণ কেশব কংস অরি হরি বৈকুণ্ঠ বামন।

দ্বাপর যুগ
দ্বাপর যুগ হলো হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, চার যুগের তৃতীয় যুগ।
ভাদ্র মাসের কৃষ্ণ পক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে বৃহস্পতিবারে দ্বাপর যুগের উৎপত্তি। এর পরিমাণ ৮,৬৪,০০০ বছর। অবতার সংখ্যা দুই। শ্রীকৃষ্ণ, বুদ্ধ। পুণ্য অর্ধেক, পাপ অর্ধেক। শাসক ছিল-শাল্ব, বিরাট, হংসধ্বজ, কুশধ্বজ, ময়ুরধ্বজ, বভ্রুবাহন, রুক্ষাঙ্গদ, দুর্যোধন, যুধিষ্ঠির, পরিক্ষিৎ, জনমেজয়, বিষকসেন, শিশুপাল, জরাসন্ধ, উগ্রসেন, কংস। প্রাণ ছিল রক্তে। বেদ ছিল যজুর্বেদ। তামার পাত্র ব্যবহার করা হত। তীর্থ ছিল কুরুক্ষেত্র। তারক ব্রহ্মনাম- হরে মুরারে মধুকৈটভারে গোপাল গোবিন্দ মুকুন্দ শৌরে যজ্ঞেশ নারায়ণ কৃষ্ণ বিষ্ণো নিরাশ্রয় মাং জগদীশ রক্ষো। অর্থাৎ হরি মুরারী মধু কৈটভ অরি, গোপাল গোবিন্দ মুকুন্দ শৌরি, নারায়ণ কৃষ্ণ বিষ্ণু যজ্ঞেশ, নিরাশ্রয় আমাকে রাখ জগদীশ।

কলি যুগ
কলি যুগ , আক্ষরিকভাবে “কলির যুগ”, বা “পাপের যুগ”) হলো হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, চার যুগের শেষ যুগ। অন্য যুগ গুলো হলো সত্য যুগ,ত্রেতা যুগ, ও দ্বাপর যুগ।

মাঘ মাসের শুক্ল পক্ষের পুর্ণিমা তিথিতে শুক্রবারে কলিযুগের উৎপত্তি। এর পরিমাণ ৪,৩২,০০০ বছর। পুণ্য এক ভাগ, পাপ তিন ভাগ। অবতার কল্কি। মানুষের আয়ু একশ বিশ বছর প্রায়। নিজের হাতে সাড়ে তিন হাত নিজের শরীরের আয়তন। প্রাণ অন্নে। তীর্থ গঙ্গা। সব পাত্র ব্যবহার করা হয়। ধর্ম সংকোচিত। মানুষ তপস্যাহীন, সত্য থেকে দূরে অবস্থানরত। রাজনীতি কুটিল। শাসক ধনলোভী। ব্রাহ্মণ শাস্ত্রহীন। পুরুষ স্ত্রীর অনুগত। পাপে অনুরক্ত। সৎ মানুষের কষ্ট বৃদ্ধি। দুষ্টের প্রভাব বৃদ্ধি।

তারক ব্রহ্মনাম- হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে, হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।

সময় পরিমাণ
বেদব্যাস রচিত বিষ্ণু পুরাণ বলা হয়েছে যে কৃষ্ণের পৃথিবী ত্যাগ করে স্বর্গারোহণের সময় থেকে পৃথিবীতে কলি যুগের সূচনা হয়েছে।

মনু সংহিতায় বলা হয়েছে যে মানুষের এক বছরে দেবতাদের এক দিবারাত্র হয়। উত্তরাযণ দেবতাদের দিন এবং দক্ষিণায়ন তাদের রাত। ৪,০০০ (চার সহস্র) দৈবপরিমাণ বছরে সত্য বা কৃত যুগ হয় এবং ওই য়ুগের আগে ৪০০(চার শত) বছর সন্ধ্যা ও পরে ৪০০ বছর সন্ধ্যাংশ হয়। পরবর্তী যুগগুলিতে (ত্রেতা, দ্বাপর ও কলি) যুগের পরিমাণ ১,০০০(এক হাজার) বছর করে এবং সন্ধ্যা ও সন্ধ্যাংশ ১০০(এক শত) বছর করে কমে যায়। এই হিসাবে ১০০০ দৈব বছরে কলিযুগ হয় এবং এর সন্ধ্যা ও সন্ধ্যাংশ ১০০ বছর হয়; অর্থাৎ ১২০০ দৈব বছরে কলি যুগ সম্পূর্ণ হয় সন্ধ্যা ও সন্ধ্যাংশ সহ । ১ দৈববছর যদি ৩৬০ দৈব দিনে হয় তবে কলিযুগ সম্পূর্ণ হতে সময় লাগবে ১২০০x৩৬০=৪,৩২,০০০ মনুষ্য বা সৌর বছর।

মানুষের আয়ুকাল
মনু সংহিতায় বলা হয়েছে যে সত্যযুগে মানুষের আয়ু ছিল ৪০০(চার শত) বছর। পরবর্তী ৩ যুগে ১০০ বছর করে পরমায়ু কমে যায়। এই হিসেবে কলি যুগে মানুষের পরমায়ু ১০০ বছর।

লক্ষণ
”’বিষ্ণু পুরাণ”’ অনুযায়ী ব্রহ্মা সত্যযুগে সমস্ত সৃষ্টিকর্ম করেন এবং কলিতে সমস্ত সৃষ্টি উপসংহার করেন। বিষ্ণু পুরাণ মতে কম ধনের অধিকারী হয়ে মানুষ এ যুগে বেশী গর্ব করবে। ধর্মের জন্য অর্থ খচর করবে না। ধর্মগ্রন্থের প্রতি মানুষের আর্কষন থাকবে না। মাতাপিতাকে মানবে না। পুত্র পিতৃহত্যা বা পিতা পুত্র হত্যা করতে কুন্ঠিত হবে না। মানুষ বৈদিক ক্রিয়া আচার সমূহ করবে না। ধর্মানুসারে কেউ বিবাহিত থাকবে না। স্ত্রীলোকরা কেবল চুলের বাহদুরী করেই নিজেকে সুন্দরী বলে মনে করবে। ধনহীন পতিকে স্ত্রীরা ত্যাগ করবে। আর ধনবান পুরুষরা সেই স্ত্রীগণের স্বামী হবে। কলিযুগে ধর্মের জন্য ব্যয় না করে কেবল গৃহাদি নির্মাণে অর্থ ব্যয় করবে। মানুষ পরকালের চিন্তা না করে কেবল অর্থ উর্পাজনের চিন্তাতেই নিরন্তর নিমগ্ন থাকবে। কলিযুগে নারীরা সাধারনতঃ স্বেচ্ছাচারিণী ও বিলাস উপকরণে অতিশয় অনুরাগিণী হবে এবং পুরুষরা অন্যায়ভাবে অর্থ উপার্জন করতে অভিলাষী হবে। সুহ্বদদের প্রার্থনাতে মানুষ নিজের অনুমাত্র স্বার্থ পরিত্যাগ করবেনা। অসমর্থ মানুষরা ধনহীন হয়ে নিরন্তর দুর্ভিক্ষ ও ক্লেশ ভোগ করবে। কলিকালে মানুষ স্নান না করে ভোজন করবে। কলিকালে স্ত্রীলোকরা নিতান্তই লোভী হবে, বহু ভোজনশীল হবে। স্ত্রীরা দুহাতে মাথা চুলকাতে চুলকাতে অনায়াসে পতি আজ্ঞা অবহেলা করবে। নিজের দেহ পোষণে ব্যস্ত থাকবে, নিরন্তন কঠোর ও মিথ্যা বাক্য বলবে। আচারহীন ব্রাহ্মণপুত্ররা ব্রহ্মচারীর বেশ ধারন বেদ অধ্যয়ন করবে। গৃহস্থরা হোমাদি করবেন না এবং উচিত দানসমূহও প্রদান করবেন না। মানুষ অশাস্ত্রীয় তপস্যা করবে। কলিকালে ৮ থেকে ১০বছরের বালকেরা সহবাসে ৫ থেকে ৭বছর বয়সের বালিকারা সন্তান প্রসব করবে। মানুষের বুদ্ধি অতি অল্প ,তাঁদের ইন্দ্রিয় প্রবৃত্তি অতিশয় কুৎসিত, তাদের অন্তকরণ অতিশয় অপবিত্র হবে। আর অল্প কালেই বিনাশ লাভ করবে। যখন পাষন্ড লোকের প্রভাব অত্যন্ত বাড়বে, তখন সমাজের ভালো লোক কোন দায়িত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থাকবে না। সজ্জনের হানি লক্ষিত হবে। অল্প বৃষ্টি হবে, কলিকালে ফসল কম হবে। মানুষ শ্বশুরের অনুগত হয়ে, কার মাতা কার পিতা এরকম কথা বলবে। সুন্দরী স্ত্রী যার তার সাথে বন্ধুত্ব হবে, নিজ ভাইয়ের সাথে শত্রুভাব পোষন করবে। চৈতন্য মহাপ্রভুর মতে হরিনাম সংকীর্তনই হবে কলিযুগের একমাত্র ধর্ম। ভাগবতে বলা আছে ছলনা মিথ্যা আলস্য নিদ্রা হিংসা দুঃখ শোক ভয় দীনতা প্রভৃতি হবে এযুগের বৈশিষ্ট্য। মনু সংহিতায় বলা হয়েছে যে সত্যযুগে তপস্যা, ত্রেতায়ুগে জ্ঞান, দ্বাপরয়ুগে যজ্ঞ এবং কলিতে দানই প্রধান হয়।

কলিযুগের অবতার
বুদ্ধ অবতার আশ্বিন মাসের শুক্লা দশমী তিথিতে জন্মগ্রহন করেন । কল্কি অবতার কলিযুগের শেষের দিকে আর্বিভাব ঘটবে ।শম্ভল গ্রামে (মোরাদাবাদ জেলায় ) সুমতি নামে ব্রাহ্মণ কন্যার গর্ভে , বিষ্ণুযশা নামে ব্রাহ্মণের বাড়িতে , কল্কি নামে ভগবান বিষ্ণুর দশম অবতারের আর্বিভাব ঘটবে । কল্কি হবে বিষ্ণুযশা-সুমতির চতুর্থ সন্তান । বিষ্ণুযশা-সুমতির প্রথম তিন সন্তানের নাম হবে যথাক্রমে কবি, প্রাজ্ঞ আর সুমন্তক ।

18/05/2019

সনাতন (হিন্দু) ধর্মে চার যুগের নির্দিষ্ট তারকব্রহ্ম নাম মন্ত্র রয়েছে—

#সত্যযুগের মন্ত্র—
নারায়ণ পরা বেদা নারায়ণ পরাক্ষরা ৷
নারায়ণ পরা মুক্তিঃ নারায়ণ পরা গতি ৷৷

#ত্রেতা যুগের মন্ত্র—
রাম নারায়ণ অনন্ত মুকুন্দ মধুসূদন ৷
কৃষ্ণ কেশব কংসারে হরে বৈকুন্ঠ বামন ৷৷

#দ্বাপর যুগের মন্ত্র—
হরে মুরারে মুধকৈটভারে,
গােপাল গোবিন্দ মুকুন্দ শৌরে ৷
যজ্ঞের নারায়ণ কৃষ্ণ বিষ্ণো,
নিরাশ্রয়ং মাং জগদীশ রক্ষ ৷৷

#কলিযুগের মন্ত্র—
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে ৷
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷৷

06/11/2018

কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ জ্ঞান জেনে নিন:

১ । কোন দেশে ট্রেনে চাকরি করছে পুলিশের পরির্বতে রোবট…
উত্তর : জাপান

২ । যমুনা সেতুতে স্প্যানের সংখ্যা কয়টি ?
উত্তর : ৪৯ টি

৩ ।বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনী কে?
উত্তর : বিল গেটস

৪ । সুবর্ণভুমি কোন দেশের বিমানবন্দর?
উত্তর : থাইল্যান্ড

৫ । নিচের কোনটি মোলিক শব্দ?
উত্তর : গোলাপ

৬ । বাংলাদেশের বৃহত্তম দীপের নাম কি?
উত্তর : ভোলা

৭ । বাংলাদেশের ১ম নারী ভিসি কে?
উত্তর : অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম

৮ । কে বাতাস চালিত মোটর সাইকেল আবিষ্কার করেন?
উত্তর : নুরুজ্জামান

৯ । কোন পাখী আকাশে ডিম পাড়ে,সে ডিম মাটিতে পড়ার আগেই বাচ্চা হয়ে উড়ে যায়?
উত্তর : হোমা পাখী

১০ । পানিতে কিচমিচ ডুবিয়ে রাখলে কিছুক্ষণের মধ্যে ফুলে উঠে , এটা হয় —-
উত্তর : অভিস্রবন প্রক্রিয়ায়

১১ । প্লাস্টিডবিহীন উদ্ভিদ কোনটি ?
উত্তর : Agaricus

১২ । ‘আইফেল টাওয়ার’ কোথায় অবস্থিত?
উত্তর : প্যারিস

১৩ । হিমোগ্লোবিন কি জাতীয় পদার্থ ?
উত্তর : আমিষ

১৪ । ভাটির দেশ বলা হয় কোনটিকে ?
উত্তর : বাংলাদেশ

১৫ । বাংলাদেশের নবীনতম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় —
উত্তর : বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

১৬ । অভ্যন্তরীন কন্টেইনার ডিপো কোথায় অবস্থিত ?
উত্তর : ঢাকা

১৭ । বাংলাদেশে মহিলা পুলিশ চালু হয় যে সালে—
উত্তর : ১৯৭৪

১৮ । ‘হীরক রাজার দেশে’ ছবিটির পরিচালক কে?
উত্তর : সত্যজিত রায়

১৯ । কোন সমুদ্র সৈকত কে সাগর কন্যা বলা হয়..?
উত্তর : কুয়াকাটা

২০ । কোন কবিতা রচনার কারণে নজরুল ইসলামের কারাদণ্ড হয়েছিল ?
উত্তর : আনন্দময়ীর আগমনে

২১ । প্রথম আইসিসি ট্রফিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক দলের অধিনায়ক ছিলেন
উত্তর : শফিকুল হক হীরা

Address

Gazipur
1720

Telephone

+8801711519725

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অঙ্গসজ্জা - Angasajja posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to অঙ্গসজ্জা - Angasajja:

Share