ALB Shop

ALB Shop সততা ও বিশ্বস্ততার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

11/11/2024

salamon alaikum

৫ তারিখের মহা সমাবেশে যোগ দিন সফল করুন।
02/11/2024

৫ তারিখের মহা সমাবেশে যোগ দিন সফল করুন।

আলহামদুলিল্লাহ, কাস্টমার খুশি থাকাই আমাদের সফলতা। কাস্টমার রিভিউ প্রথম ছবিতে।
06/07/2024

আলহামদুলিল্লাহ, কাস্টমার খুশি থাকাই আমাদের সফলতা।
কাস্টমার রিভিউ প্রথম ছবিতে।

আপনি কি ব্যস্ত? আপনার সময় নেই? এদিকে আবার একজোড়া জুতো ও প্রয়োজন? আবার কোথা থেকে ক্রয় করবেন তাও ভেবে পাচ্ছেন না? তাহলে ঘর...
06/07/2024

আপনি কি ব্যস্ত? আপনার সময় নেই? এদিকে আবার একজোড়া জুতো ও প্রয়োজন? আবার কোথা থেকে ক্রয় করবেন তাও ভেবে পাচ্ছেন না? তাহলে ঘরে বসেই আমাদের আলেমদের SKM leather limited কোম্পানির খাঁটি চামড়ার জুতা অর্ডার করে ফেলুন। আমরা সময়মত আপনার পছন্দের জুতো পৌঁছে দিব ইনশাআল্লাহ।

আমাদের এই জুতার বৈশিষ্ট্য:
১. সরাসরি আলেমদের তত্ত্বাবধানে তৈরি।
২. গরুর উন্নত মানের খাঁটি চামড়া দিয়ে তৈরি।
৩. জুতার উপরে এবং নিচে চামড়া ব্যবহার করা।
৪. রাবার সোল ব্যবহার করা হয়েছে যা পরতে খুবই সফ্ট এবং আরামদায়ক।
৫. জুতার চারিপাশ নিখুঁতভাবে সেলাই করা।
৬. আগুনে🔥সেঁকে ফিটিং করার কারণে দেখতে খুবই দৃষ্টিনন্দন হয়।
৭. মূল্য ফিক্সড, তাই লসের কোন সুযোগ নেই।
৮. আরো রয়েছে ৬ থেকে ১২ মাসের রিপ্লেস ওয়ারেন্টি।
সাইজঃ ৩৯ থেকে ৪৪ পর্যন্ত

আমরা ঢাকা সিটিসহ সারাদেশে জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে কুরিয়ারের সাহায্যে হোম ডেলিভারির মাধ্যমে পন্য* পৌঁছে দিচ্ছি।
অর্ডার করতে
আপনার,
নাম,
ঠিকানা,
ফোন নাম্বার,
পায়ের সাইজ জানিয়ে মেসেঞ্জারে নক দিন।

বিঃদ্রঃ অর্ডার কনফার্ম করতে ঢাকার ভিতরে ৭০ টাকা এবং ঢাকার বাহিরে ১২০ টাকা সার্ভিস চার্জ অগ্রিম পরিশোধ করতে হবে। পণ্যের বাকি মূল্য ডেলিভারি ম্যানের সামনে জুতা পায়ে পরে তারপর পরিশোধ করতে পারবেন।

বিক্রিত পণ্য ফেরত নেওয়া হয়।

কারেন্টের এই সঙ্কটে 6-7 ঘন্টা শীতল বাতাস পাবেন নিশ্চিন্তে ইনশাআল্লাহ।এই মিনি আইপিএসটি এক বিছানার জন্য যথেষ্টে।গত বছর যার...
27/04/2024

কারেন্টের এই সঙ্কটে 6-7 ঘন্টা শীতল বাতাস পাবেন নিশ্চিন্তে ইনশাআল্লাহ।
এই মিনি আইপিএসটি এক বিছানার জন্য যথেষ্টে।
গত বছর যারা নিয়েছেন তাদেরটা দেখে অনেক অর্ডার আসছে আলহামদুলিল্লাহ।
মিনি আইপিএসটি দুই বছর ওয়ারেন্টি।
ফিচার-
6-7 ঘন্টা বেকাপ পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ ।
২.কারেন্টের সাথে কেবল লাগানো থাকলে কারেন্ট চলে আসলে অটোমেটিক্যালি আইপিএসটি চার্জ নিতে শুরু করবে এবং ফ্যান বা লাইট বন্ধ হয়ে যাবে। আবার কারেন্ট চলে গেলে নিজে নিজে ফ্যান বা লাইট চালু হয়ে যাবে।
এতে আপনার ঘুম হবে নিশ্চিন্তে।
৩. মোবাইল চার্জের সুবিধা।
সাথে যা থাকবে-
১. ২ বছর ওয়ারেন্টিসহ একটি ১২ ইঞ্চি মোভিং ফ্যান।
২. এবং ১২ভোল্ট ৯ এম্পিয়ার ইনটেক বেটারী।
৩. একটি চার্জিং কেবল।
৪. একটি ৫ ওয়াট ডিসি লাইট।
৫. এর সেটাপের সকল যন্ত্রপাতি সাথেই থাকবে
ইনশাআল্লাহ।
আমাদের সেবা-
১.আমরা অনলাইন এবং অফলাইনে অর্ডার নিয়ে
থাকি।
২.পণ্য হাতে পেয়ে টাকা পরিশোধের সুবিধা।
৩.ছবিতে দেখা পণ্য হাতে পাওয়ার পর পছন্দ না
হলে তিন দিনের ভিতর ফেরত দেওয়ার সুযোগ।
৪. সারা বাংলাদেশ যে কোন এলাকায় আমরা পণ্য
হোম ডেলিভারি দিয়ে থাকি।
আমি,
মুফতি সাজিদুর রহমান।
শিক্ষক, জামিয়া আব্দুল জাব্বার- ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা
কাজ করছি, সাউন্ড সিস্টেমের সকল প্রোডাক্ট ও ইলেকট্রনিক প্রোডাক্ট নিয়ে।
দ্র.
এছাড়া অন্যান্য যে কোন সাউন্ড সিস্টেমের প্রোডাক্ট সংগ্রহে রয়েছে।
যেমন, TOA ও Ahuja ব্র্যান্ডের মসজিদের সকল প্রকার সাউন্ড বক্স, এম্প্লিফায়ার সেট, হরণ, চুঙ্গা, মাইক্রোফোন, কনফারেন্স মাইক্রোফোন, কনফারেন্স সাউন্ড সিস্টেম, ডিজিটাল সময় সূচি+ঘড়ি ইত্যাদি স্টক রয়েছে।
দাম=6000/- টাকা।
(আপডেট প্রাইজ)
অর্ডার করতে আপনার নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বরটি লিখে কমেন্ট অথবা মেসজে করার অনুরোধ।
বিস্তারিত- 0১৭৪১৮০৯৬১৪
শুধু WhatsApp/ Imo তে মেসেজ করবেন প্লীজ।
দ্র. নামাজের ওয়াক্তে কোন কল বা মেসেজের রিপলাই দেওয়া হয় না।

১৭৫ টাকায় প্রতিষ্ঠানের নামে ডিজাইন করে নেয়ার সুযোগ🎁Baby Desk Reading Table🔺 হেফজখানা,কিন্ডারগার্টেন, মক্তব, কুরআন তেলোওয়...
28/10/2023

১৭৫ টাকায় প্রতিষ্ঠানের নামে ডিজাইন করে নেয়ার সুযোগ🎁

Baby Desk Reading Table
🔺 হেফজখানা,কিন্ডারগার্টেন, মক্তব, কুরআন তেলোওয়াত,বাচ্চাদের লেখা- পড়া কিংবা পুরস্কারের জন্য ও বাচ্চাদের শান্তি -শৃঙ্খলা বজায় রেখে ক্লাসে পড়ায় মনোযোগী করার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।
★ সুবিধা: বাচ্চার পড়া ও লেখার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র জন্য রাখা হয়েছে দুই পাশের বক্সে বই - খাতা, কলম - পেন্সিল রাখার ব্যবস্থা, টেবিলের উপরে রাখা হয়েছে মোবাইল বা ট্যাবলেট রাখার ব্যবস্থা।যা বাচ্চার পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে তুলবে।
◾◾রেহালের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।
কালার:টেবিলে দেয়া হয়েছে কিছু ইউনিক কালার ( Sky,Pink,Lemon)
💰২০০ পিস= ১৮০টাকা
💰১০০পিস= ১৮৫টাকা
💰৫০পিস= ১৯৫ টাকা
💰৩০পিস= ২০০টাকা
আমি মুফতি মোঃ সাজিদুর রহমান
ফারেগ জামিয়া শারইয়্যাহ মালিবাগ ঢাকা।
শিক্ষক- জামিয়া আব্দুল জাব্বার, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা।
ফোন- 01741-809614
🚛🚚ডেলিভারিঃ
আপনারা চাইলে আমাদের অফিস থেকে নিতে পারবেন।
অথবা, সারা দেশে (কুরিয়ার) করে থাকি ।
*(অবশ্যই কুরিয়ার ও অন্যান্য চার্জ আপনাদের দিতে হবে।)

কারও লাগলে ইনবক্স করুন।
28/10/2023

কারও লাগলে ইনবক্স করুন।

আছছালামু আলাইকুম 👉হালাল উপায়ে জীবন পরিচালনা ও জীবিকা নির্বাহ করার উত্তম একটি মাধ্যম হচ্ছে সৎ ভাবে ব্যবসা করা। আল্লাহ রা...
25/10/2023

আছছালামু আলাইকুম

👉হালাল উপায়ে জীবন পরিচালনা ও জীবিকা নির্বাহ করার উত্তম একটি মাধ্যম হচ্ছে সৎ ভাবে ব্যবসা করা।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন
ব্যবসাকে করেছেন হালাল, আর সুদকে করেছেন হারাম।

👉আল্লাহ তা'আলা রিজিকের অধিকাংশ বরকত রেখেছেন ব্যবসার মাঝে। সৎ ভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারলে ব্যবসাও এবাদতে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ।

👉আলহামদুলিল্লাহ আমরা সব সময় প্রোডাক্ট কোয়ালিটি আপনাদেরকে যেভাবে দেখিয়েছি বা বলেছি সেভাবে দেওয়ার চেষ্টা করেছি ইনশাআল্লাহ।

👉তারপরও আমাদের প্রোডাক্ট কোয়ালিটি সম্পর্কে আপনার যদি কোন অভিযোগ থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদেরকে জানাবেন আমরা সমাধান করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।

👉প্রোডাক্টের যেকোনো অভিযোগে ফেরত নেওয়া হয়
অবশ্যই সেটি ৩ কার্য দিবসের মধ্যে হতে হবে।

আমাদের পণ্য
✅৩০ আইটেমের মিক্সড ড্রাই ফ্রুটস =৯৫০ টাকা কেজি
✅৩১ আইটেমের মধুময় হানিনাট =৭৫০/৯০০ টাকা কেজি
✅মধুময় তিনফল = ১০৫০ টাকা কেজি
✅সুপারফুড চিয়াসিড= ৬০০ টাকা কেজি
✅প্রাকৃতিক চাকের মধু =৮০০ টাকা কেজি
✅কালোজিরা ফুলের মধু = ৯০০ টাকা কেজি
✅লিচু ফুলের মধু =৫০০ টাকা কেজি
✅কাঠের গাড়ি ভাঙ্গা সরিষার তেল =২৩০ লিটার
✅তিন ফল =১২০০ টাকা কেজি

✅ও বিভিন্ন প্রকারের বাদাম

পাইকারী ও খুচরা সারা বাংলাদেশে ক্যাশঅন হোম ডেলিভারি দেওয়া হয়।

আমি
মোঃ সাজিদুর রহমান
ফাউন্ডার আল কারিম বিজনেস সপ।
মানিকদী বাজার, ইসিবি চত্তর, ঢাকা ক্যন্টনমেন্ট, ঢাকা।
01741-809614

أللهم اجعلنا من المتقين.
10/09/2023

أللهم اجعلنا من المتقين.

06/07/2023

ছোট বেলা থেকে না জেনেই হানাফী মাজহাব পালন করে বড় হয়েছি। নামাজ শিক্ষার যে বই গুলি বাসায় ছিল - সব ছিল নিউজপ্রিন্টের। ভিতরে খালি মাসআলা ছিল। কুরআন হাদিসের কোন রেফারেন্স ছিলোনা। ছিল ব্র্যাকেটে ফতোয়ায়ে আলমগিরির রেফারেন্স। যা কি জিনিস জানতাম না।

বড় হলে আহলে হাদীস ও সালাফিদের বই পড়লাম। কুরআন ও হাদিসের প্রচুর রেফারেন্স দেয়াতে খুব ভালো লাগলো। তারা বললো: তুমি এসব মাজহাব ছাড়। সহীহ হাদিস মেনে ইবাদত করো। অন্ধ তাকলীদ করো না।

হানাফীরা ইমাম আবু হানিফা ও অন্যন্য মুকাল্লিদরা অন্যন্য ইমামদের ফিকহ মানে, এর চেয়ে সহীহ হাদিস মানো । একটু এক্সট্রিম কেউ কেউ তাকলীদকে শিরক বললো, বললো বুদ্ধি থাকলে তাকলীদ করতে হবে কেনো। এরকমই আরো কিছু কথা সুন্দর সুন্দর কথা ।

আমার কথা গুলো বেশ মনে ধরলো। হানাফী থেকে আহলে হাদীস ইচ্ছা জাগলো । মাজহাবের তাকলীদ বাদ দিয়ে সহীহ হাদিসের উপর আমল করার ইচ্ছা জাগলো। হাতে টাকা ছিল - জোগাড় করলাম সিহাহ সিত্তাহ, বাংলা-আরবী। আরবী স্কিপ করে বাংলায় সহীহ হাদিস পড়া শুরু করলাম।

কিন্তু ওযু ও গোসল অধ্যায়ই শেষ করতে পারলাম না। নামাজ তো আরো পরে।
রাসূলুল্লাহ (দঃ) এর ওযুর বিভিন্ন ধরণের বর্ণনা আছে। কোনটা মেনে ওযু করবো ? ছোট একটা জিনিসই ধরি। কিছু জায়গায় অঙ্গ দুবার করে ধোয়ার কথা বলা আছে , কিছু জায়গায় তিনবার, কিছু জায়গায় একবার। আমি যদি দুবার করে ধৌত করি তাহলে একটা সহীহ হাদিস আমি মান্য করছিনা, তিন বার ধুলে অন্য আরেকটি সহীহ হাদিস মান্য করছিনা ।

প্রশ্ন ১: আমি এই যে কিছু সহীহ হাদিস মানতে যেয়ে অন্য সহীহ হাদিস মান্য করছিনা, সেগুলো খুঁজে খুঁজে বের করে রেফারেন্স দিয়ে কেউ যদি বলে আমি সহীহ হাদিস মানিনা সেটা কি ঠিক হবে ? এর মানে কি আমি সহীহ হাদিস অমান্যকারী ?

এখন আমার কথা না হয় বাদই দিলাম। আমি পড়ালেখা করেছি, বই পড়ার উৎসাহ আছে, ইসলামের প্রতি ঝোক আছে। এদের কথা ধরেন : আমাদের বাসার বুয়া বা বিল্ডিং এর কেয়ারটেকার পড়াশোনা করতে পারেনা। আমার বন্ধু কয়েকজন যারা পড়ালেখা জানলেও ইসলামী বই অধ্যায়ন করেনা কারণ ইসলামের প্রতি আগ্রহ নেই । আমার ছেলে যার বয়স যখন ৭ হয়েছে। এদের কেউ ওযু পারেনা।

প্রশ্ন ২: তাদের কে শিখানোর জন্য যদি আমি যদি বুখারীর ও অন্যন্য হাদিস গ্রন্হের ওযু অধ্যায়ের সহীহ হাদিস গুলি সিরিয়ালি তাদের কাছে শুধু বাংলায় রিডিং পড়া শুরু করি, তারা কি সেগুলি বুঝে ঠিক মতো আমল করতে পারবে ?

প্রশ্ন ৩: যদি তারা না বুঝে তাহলে তো আমাকে তাদের দেখিয়ে দিতে হবে কিভাবে ওযু করতে হয় । তখন আমি বুখারীর ও অন্যন্য হাদিস গ্রন্হের ওযু অধ্যায়ে উল্লেখিত বাংলা সহীহ হাদিস গুলি সমন্বয় করে বা সেখান থেকে বেছে নিয়ে আমার বুঝ অনুযায়ী তাদের শিখাবো। এতে কি তারা সহীহ হাদিস মানলো নাকি আমার বুঝ ও ব্যাখ্যা মানলো ? এই ব্যাখ্যাই কি ফিকহ না ?

প্রশ্ন ৪: যখন আমি বুঝিয়ে দিচ্ছি, তখন আমার হাদিসের টেক্সট ও রেফারেন্স দেয়া কি আমার জন্য জরুরি হবে ? বাস্তবেই কি তারা প্রত্যেকটির শিক্ষার পিছনের হাদিসের রেফারেন্স চাবে ? নাকি বলবে শুধু ওযু শিখিয়ে দাও ? এটি কি আমার উপর বিশ্বাস করে অন্ধ তাকলীদ করা নয় কি ? যদি রেফারেন্স দিয়েও দি তাও কি তারা সহীহ থেকে জাল হাদিস পার্থক্য করতে পারবে ?

প্রশ্ন ৫:একটি হাদিস যে আমি সহীহ হাদিস কিভাবে বুঝছি ? ব্র্যাকেটে লেখা আছে বলে। আমার অওকাদ নাই হাদিস শাস্ত্র অধ্যয়ন করে সহীহ যঈফ আলাদা করার। কেউ তাহকীক করে লিখে দিয়েছে। সেটাই চোখ বন্ধ করে মেনে নিচ্ছি। কেউ বুখারী অনুবাদ করে দিয়েছে, আমিও মেনে নিচ্ছি সেটা সঠিক অনুবাদ, কারণ আমার পক্ষে আরবি বুঝে অনুবাদের ত্রুটি ধরা সম্ভব না । এই তাহকীক ও অনুবাদ যে সঠিক মেনে নেয়া হচ্ছে সেটা কি অন্ধ তাকলীদ নয় ?

প্রশ্ন ৬: ওযুর মতো অতি সহজ ব্যাপারে আমার যদি এই অবস্থা হয়, নামাজের মতো অতি জটিল ব্যাপারে কি আমার মতো নিকম্মার পক্ষে সহীহ হাদিস পড়ে নামাজ শিক্ষা করা কিভাবে সম্ভব ? যদি আমার পক্ষেই সম্ভব না হয় আমার ৭ বছরের ছেলে কিংবা পড়ালেখা না জানা বুয়ার পক্ষেই বা কিভাবে সম্ভব ?

প্রশ্ন ৭: যদি সম্ভব না হয় তাহলে আমাকে এমন একজনের আলিমের দারস্ত হতে হবে যে সব হাদিস পড়ে বুঝে আমাকে নামাজের নিয়ম কানুন বুঝিয়ে দিবে তাইনা ? হাদিস গুলির সমন্বয় করে যদি উনি ব্যাখ্যাই করেন তাহলেই ফিকহ তো ফিকহ হয়ে গেলো । এই ক্ষেত্রে আমি কি সহীহ হাদিস মানছি নাকি ফিকহ ? এই ফিকহ মানার মাধ্যমে আমি কি বাস্তবে আমি সমন্বয়কৃত সহীহ হাদিসই মানছি না ?

প্রশ্ন ৮: আমি যদি আরেকজন আলিমের কাছে যাই এবং একই অনুরোধ করি হাদিস ঘেটে নিয়ম কানুন বানিয়ে দেয়ার জন্য । উনিও সব হাদিস ঘেটে আমাকে নিয়ম বানিয়ে দিলেন। প্রথম আলিমের নিয়ম গুলি আর দ্বিতীয় আলিমের নিয়ম গুলি কি হুবুহু একই হবে ? নাকি তাদের দুজনের সমন্বয় পদ্ধতি আলাদা হতে পারে ?

একজনের কাছে এক হাদিস বেশি সহীহ অন্য জনের কাছে কম সহীহ লাগতে পারে না ? দুজন একই হাদিসের অর্থ কে দুই ভাবে নিতে পারে ? তারা কি আরবি ইবারত ভিন্ন ভাবে পড়তে পারেনা ? হাদিসের শত শত কিতাবের উনি হয়তো কিছু পড়েছেন অন্যজন কিছু ? রাবী দুর্বল কিনা এই নিয়ে ইখতেলাফ আছেনা ? কারো কারো মতে বুখারী সব চেয়ে সহীহ, কারো মতে মুয়াত্তা ইমাম মালিক, এরকম অচেনা ?

আরো কত কারণ আছে, হাদিস শাস্ত্র কি অংকের মতো যে রেজাল্ট একটাই হবে ? তাহলে দুজনেরই সহীহ হাদিস মানা সত্ত্বেও দুজনের নামাজের নিয়ম দুই ধরণের হতে পারেনা ? আমার কি সেই যোগ্যতা আছে যে আমি বলতে পারবো প্রথম জন বেশি ঠিক না দ্বিতীয় জন ?

প্রশ্ন ৯: ধরেন আমি প্রথম আলিমের কাছে যাওয়ার পর উনি আমার অনুরোধে সকল হাদিস ঘেটে আমার জন্য নামাজের নিয়ম বানিয়ে দিয়েছেন। এখন আমার ভাই যদি তার কাছে যেয়ে একই অনুরোধ করে তাহলে কি তিনি এই কাজটি হাদিস ঘাটার কাজটি কি আবার করবেন ? নাকি আমাকে যে নিয়ম গুলি উনি দিয়েছেন সেগুলিই আমার ভাইকেও দিয়ে দিবেন ? আমার ভাই আজ থেকে ১০ বছর পর গেলে একই নিয়মি তো পাবেন ওই আলিম থেকে তাইনা (কারণ যে হাদিস দেখে নিয়ম তৈরী করেছেন সেই হাদিস তো আর ১০ বছরে পরিবর্তন হয়নি) ? ৫০ বছর পর কেউ গেলে ? এখানে কি নামাজের নিয়ম পরিবর্তন হওয়ার খুব বেশি সুযোগ আছে ? ১৩০০ বছর পর ? নাকি প্রত্যেকবার শুরু থেকে হাদিস ঘাটতে হবে ?

যদি পরে আমরা প্রথম আলিমের বের করা নিয়ম কে মাজহাব বা ফিকহে X ও দ্বিতীয় আলিমের বের করা নিয়ম কে মাজহাব বা ফিকহে Y নাম দি , তাহলে X ও Y ফলো করা কি ১৩০০ বছর পর হারাম হয়ে যাবে, যেখানে এটি ১৩০০ বছর আগে সহীহ ছিল ?

প্রশ্ন ১০: নামাজ তো আর নতুন জিনিস না। এটি ইসলামের শুরু থেকে চলছে। তাহলে এই হাদিস ঘাটাঘাটি করে নামাজের নিয়ম বের করার কাজও তখন থেকেই হওয়ার কথা। তখন থেকেই যদি ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) বা ইমাম মালিক (রহঃ) বা ইমাম শাফেঈ (রহঃ) বা ইমাম আহমদ (রহঃ) যদি এই হাদিস ঘাটাঘাটি করে নামাজের নিয়ম বের করার কাজটি করে গিয়ে থাকেন, নামাজের নিয়ম তো আর পরিবর্তন হয়নি, তাহলে এখন সেগুলি মানতে সমস্যা কোথায় ?

ইমাম নাসিরুদ্দিন আলবানী সাহেব এই যুগে এসে হাদিস ঘাটাঘাটি করে যে নিয়ম বের করেছেন তা ওগুলোর উপর প্রাধান্য পাবে কেন ? ওই চার ইমামের কারো যোগ্যতা কি ইমাম নাসিরুদ্দিন আলবানী সাহেবের চেয়ে কম ছিল ?

প্রশ্ন ১১: এখন যদি কেউ বলেন যে সাহাবীরা রাসূলুল্লাহ (দঃ) এর ওফাতের পর সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েন। এক্ষেত্রে দুটি বিষয় হতে পারে।
হয়তো প্রধান সাহাবীরা যেসব এলাকায় গিয়েছিলেন বা ছিলেন সেসব জায়গায় নামাজ সম্পর্কিত সব হাদিস ছিল। এই ক্ষেত্রে ইমাম আবু হানিফার কাছে কুফায় বা ইমাম মালিকের কাছে মদিনায় নামাজ সংক্রান্ত সব হাদিস ছিল। এই ক্ষেত্রে তারা এসব বেছেই নামাজের নিয়ম বানিয়েছেন। ওই নিয়ম ফলো করতে আপত্তি কোথায় ?

অথবা . সাহাবীরা যেসব এলাকায় গিয়েছিলেন সেখানে নামাজ সম্পর্কিত সব হাদিস ছিলোনা, কিছু হাদিস ছিল।
তাই কোনো এক এলাকায় যেমন ইমাম আবু হানিফার কুফায় কিংবা ইমাম মালিকের মদিনায় সব হাদিস ছিলোনা। পরে সব হাদিস একত্রিত হয়েছে। তাই সব হাদিস বাছাই করে বানানো ল্যাটেস্ট ইমাম আলবানী সাহেবের নামাজের নিয়ম বেশি শুদ্ধ।

আমার প্রশ্ন হচ্ছে ওই সব এলাকায় আংশিক হাদিস থেকে বানানো আংশিক নামাজের নিয়ম পালন করে যদি সালাফ তথা তাবেঈ ও তাবে-তাবেঈনরা শ্রেষ্ঠ প্রজন্ম হয় তাহলে ওই আংশিক নিয়ম পালন করলে আমরা কেন ধরা খাব কিংবা সাওয়াব কম পাবো ?

প্রশ্ন ১২: সুন্নাহর বিস্তার এর একমাত্র মাধ্যম কি হাদিস ? এছাড়া কোন মাধ্যম নেই ? ওযুর কথাই ধরুন না। যখন সাহাবীরা তাদের সন্তান বা তাবেঈদের ওযু শিক্ষা দিতেন তখন কি শুধু হাদিস বর্ণনা করতেন ?

নাকি হাতে কলমে নবীজির (দঃ) এর কাছ থেকে শেখা ওযুর মতো করে ওযু করে অন্যদের শিক্ষা দিতেন ?

তাহলে তাবেঈ বা তাবেঈ-তাবেঈনদের সংস্পর্শে এসে প্র্যাকটিকাল নামাজ শিক্ষার পদ্ধতি ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) কিংবা ইমাম মালিকের (রহঃ) বেশি জানার কথা নাকি ইমাম নাসিরুদ্দিন আলবানী সাহেবের।

ইমাম আলবানীর কাছে তো শুধু হাদিস আছে , কিন্তু ইমাম আবু হানিফা ও ইমাম মালিকের কাছে হাদিসের সাথে সাথে প্র্যাকটিকাল শিক্ষাও তো ছিল। কার নামাজের নিয়ম বেশি শুদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি ?

প্রশ্ন ১৩ ইমাম চতুষ্টয়ের বানানো নামাজের নিয়ম প্রায় ১৩০০ বছর ধরে মুসলিম উম্মাহ ফলো করে আসছে। উম্মাহর ইতিহাসের বাঘা বাঘা আলিম এগুলি মেনে নামাজ পড়েছেন । এমন সময় যখন ইসলাম দুনিয়াতে বিজয়ী ছিল, যখন মুসলিমদের ঈমান আমল ও ইখলাস বর্তমান মুসলিমদের চেয়ে বেশি ছিল। আর ইমাম নাসিরুদ্দিন আলবানীর তৈরী নামাজের নিয়ম অপেক্ষাকৃত অনেক কম মানুষ অনেক কম দিনের জন্য ফলো করছে, যখন মুসলিমদের ঈমান, আমল ও আখলাক সব চেয়ে নিচে। প্রথমোক্ত গ্রূপের বহু মুসলিমদের ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি নাকি দ্বিতীয় গ্রূপের কম মুসলিমদের ?

প্রশ্ন ১৪: কুরআনে বলা আছে শুধু মাত্র বাপ্ দাদারা করতো বলে কোন কিছু করা উচিত না। কিন্তু তা কি মুশরিক বাপ্ দাদাদের ব্যাপারে বলা হয়নি ? বাপ্ দাদা যদি মুসলিম হয় তাহলে তো তাদের মান্য করতে কোনো দোষ আছে ?

যেমন নবী ইয়াকুব (আঃ) মৃত্যুর সময় তার পুত্রদের জিজ্ঞাসা করেছিলেন তারা তার পরে কার ইবাদত করবে । তার ছেলেরা উত্তর দিয়েছিলেন তাদের বাপ্ দাদাদের উপাস্যের। বাপ্ দাদা সঠিক রাস্তায় থাকলে সেই রাস্তা দিয়ে হাটা যাবেনা এমন কথা কি বলা আছে ? নূহ (আঃ) এর ছেলে যদি এই যুক্তি দিত যে বাপ্ দাদা মেনে আসছে বলে আমরা মানবোনা এটা কি সঠিক হতো ?

এসব প্রশ্নের উত্তর আমাকে সালাফী হতে দিলোনা।

আমি হানাফীই থাকলাম। এবং মন ভরে দুআ করলাম সেই সব আলিমদের যারা আমাদের জন্য নিজেদের সারা জীবন বিলিয়ে দিয়ে সহজ ফিকহের কিতাব লিখে গিয়েছেন, যা মাত্র ১০০/২০০ টাকা দিয়ে কিনে কিংবা আলিমের সোহবতে শিখে আমল করে আমরা অমূল্য অফুরন্ত অনিঃশেষ জান্নাতের জন্য কাজ করতে পারি।

বিশেষ দ্রঃ ইমাম আবু হানীফা একজন তাবেয়ী।
কপি পেস্ট।

Address

Mirpur Bazar, Bahobal
Habiganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ALB Shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ALB Shop:

Share