মারকাযুল কুরআন মাদ্রাসা,Ayurvedic Unity

  • Home
  • Bangladesh
  • Jessore
  • মারকাযুল কুরআন মাদ্রাসা,Ayurvedic Unity

মারকাযুল কুরআন মাদ্রাসা,Ayurvedic Unity ★অর্থ নয়,সেবাই আমাদের মূল লক্ষ্য★
যৌনরোগের স্থায়ী চিকিৎসা পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে01983934622
(1)

28/02/2025

একজন পুরুষ -ই জানে আর একজন পুরুষের নজর কেমন!নারী তুমি শাসনে বিরক্ত হয়ো না।

24/04/2024

শিশুরা শুরু মাত্র একটি ভাষাই বোঝে, তা হলো ভালোবাসার ভাষা

24/04/2024

প্রয়োজনে সুনাম, আর অপ্রয়োজনে বদনাম

24/04/2024

পৃথিবীর সব জায়গাতে জিতে যাওয়া মানুষটি ও
একটি জায়গাতে হেরে যায়
আর সেটা হলো মায়া।
🫂

07/04/2024

জীবনে কখনো কি কোন মৃতকে গোসল করিয়েছেন? সুযোগ পেলে মৃতদের গোসল করাবেন, খুব কাছ থেকে দেখবেন মৃত্যুর পরে মানুষের দেহটা কত অসহায় হয়, মৃত্যুর পরে মানুষের মৃতদেহ কতটা ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

সুযোগ পেলে রাতে লাশ পাহারা দিবেন। তখন বুঝতে পরবেন মৃত্যুর পরে প্রিয় মানুষটার লাশ রাতের বেলা আপনার কাছে কত অদ্ভুত লাগে, কত ভয়ের কারণ হয়ে উঠে, কত আতঙ্কের কারণ হয়ে যায়।

সুযোগ পেলে মৃত ব্যাক্তির শরীরে একটু হাত লাগিয়ে কিছুক্ষণ স্পর্শ নিবেন। আপনি তখন উপলব্ধির সুযোগ পাবেন এই পৃথিবীতে বিশাল প্রভাব-প্রতিপত্তি রেখে যাওয়া মানুষগুলো মৃত্যুর পরে কত নির্জীব রূপ ধারন করে।

সুযোগ পেলে আপনজনদের লাশ কবরে নামাবেন- খুব আগ্রহ নিয়ে শেষবারের মতো মৃতদেহের মুখটি দেখার চেষ্টা করবেন এবং বারবার উপলব্ধির চেষ্টা করবেন এই মৃতদেহের সাথে অনন্তকালের যাত্রার পথে এটাই আপনার জীবনের শেষ দেখা।

জীবনে সুযোগ পেলে মাঝেমধ্যে কবরস্থানে গিয়ে নিরবে কিছুক্ষণ দাঁড়াবেন। এরপর মনে মনে চিন্তা করবেন জীবনের লাভ ক্ষতির হিসাবে এই মৃত মানুষগুলো এই পৃথিবীতে কি করে গেছেন? কাদের রেখে গেছেন? যাদের রেখে গেছেন তারা কি কখনও এই মৃত মানুষগুলোকে স্মরণ করার জন্য কবরস্থানের আশেপাশে আসে?

আমাদের সবার শরীরেই কমবেশী রক্তকণা আছে। একথা চিরসত্য যে আমাদের শরীরের প্রতিটি রক্তকণা শরীরে খুবই গুরুত্ব বহন করে। অথচ আমাদের শরীর থেকে কোন রক্তকণা বেরিয়ে গেলে সেটির যেমন কোন গুরুত্ব থাকে না তদ্রুপ আমাদের দেহ থেকে প্রাণটা বেরিয়ে গেলে আমাদের শরীরেরও অন্যের কাছে কোন মূল্য থাকে না।

আমাদের জীবনটা বড় বৈচিত্রময়। বেঁচে থাকতে আমরা এর জন্য ওর জন্য কত মায়া দেখাই, কত ভালবাসা দেখাই। এ আমার ছেলে তো সে আমার মেয়ে, এ আমার ভাই তো সে আমার বোন। অথচ মরে গেলে এই মানুষগুলোই সবার আগে তোড়জোড় শুরু করে কিভাবে মৃতকে দাফন করা যায়! কত দ্রুত মৃতকে কবরস্থ করা যায়! সেই চিন্তায় সবাই তটস্থ থাকে।

আমাদের জীবনটা আসলেই সাময়িক। এই সাময়িক জীবনটা মাত্র চল্লিশ-পঞ্চাশ-ষাট অথবা বড়জোর সত্তর বছরের সমষ্টি। অথচ এই জীবনে আমরা কখনো মৃত্যুর কথা না ভেবে কিভাবে অঢেল সম্পদ অর্জন করা যায় সেই চিন্তায় সর্বদা বিভোর থাকি।

এই পৃথিবীতে যার অঢেল সম্পদ আছে সে আরো সম্পদ চায়। যার সম্পদ নেই সে সম্পদ নেই ভেবে সর্বদা দুশ্চিন্তায় সময় কাটায়। আমাদের ১০% মানুষ ব্যতীত ৯০% মানুষেরই ধান্ধা ইহকাল আগে এবং পরকাল পরে। সম্পদ আগে এবং ইবাদত পরে।

এজন্য আমরা প্রায় সবাই দিনরাত চেষ্টা করি যে যেভাবে পারি, চুরি করে অথবা ডাকাতি করে অথবা অন্য কোন উপায়ে যাকে তাকে ঠকিয়ে যেভাবে পারি আগে সম্পদ অর্জন করি। এরপর এই অবৈধ সম্পদের অর্থে কয়েকবার হজ করে, মসজিদ মাদরাসায় বড় অংকের টাকা দান করে, গরীব এতিমখানায় খাইয়ে, বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় দানখয়রাত করে একেবারে বেহেস্ত কনফার্ম হয়ে যাবে।

রমাদান মাসে সারা পৃথিবীর মানুষ যেখানে ইবাদত মশগুলে সময় পার করে সেখানে বাংলাদেশের অনেকেই কিভাবে একে অন্যকে ঠকানো যায় সেই চিন্তায় ব্যস্ত থাকে। আমাদের দেশে সবাই মুসল্লি। মসজিদ মুসল্লিতে ভরপুর। কিন্তু ঈমানী শক্তিতে আমাদের মনোবল খুবই দুর্বল।

আমাদের দেশে যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, যে সর্বদা নিজেকে ইসলামি ব্যক্তি হিসাবে সবখানে জাহির করে সেও সুযোগ পেলে সাধারণ কিছু টাকা-পয়সার কাছে হঠাৎ নিজেকে হারিয়ে ফেলে। এজন্য বলি যে মৃত্যু চিরসত্য সে মৃত্যু নিয়ে আমরা খুব কমই চিন্তা করি।

আমাদের সততা সাধারণ টাকার কাছেই প্রতিনিয়ত হেরফের হয়ে যায়। অথচ মৃত্যুর পর একজন মৃত ব্যক্তির কি হিসাব নিকাশ শুরু হবে সেটি উপলব্ধি করতে পারলে আমরা কিছুতেই এত খারাপ হতাম না, আমরা কিছুতেই অন্যের হক মারার চিন্তা করতাম না, এমনকি আমরা কিছুতেই অন্যের সাথে দুর্ব্যবহারের চিন্তা করতাম না। মহান প্রভু সবাইকে এই বিষয়টি উপলব্ধির সুযোগ দিন। আমিন🤲 (সংগৃহীত)

07/04/2024

নামাজের সাথে সম্পর্ক করুন,
শান্তির অভাব হবে না ইনশাল্লাহ

07/04/2024

আপনার হাজবেন্ড আপনাকে দুনিয়াবী দৃষ্টিতে যতই ভাল রাখুক,
দেশ দেশান্তর ঘুরাক,
সীবিচে গোসল করাক,
ফাইভ স্টার হোটেলে ক্যান্ডেললাইট ডিনার করাক,
আপনার নামে গাড়ি দিক, ফ্লাট দিক,
বাহারী পোশাক দিক,
জীবন শেষে যদি আপনাকে জান্নাতে নিয়ে যেতে (সহযোগিতা করতে) না পারে,
নিজেও যেতে না পারে,
সে একজন ব্যার্থ স্বামী।
ধুলিষ্যাত তার ধুলোর দুনিয়ার সকল সফলতা।
আপনার স্ত্রী আপনাকে দুনিয়ার দৃষ্টিতে যতই ভাল রাখুক,
সেজে গুঁজে আপনার কলিগদের সাথে স্মার্টলি কথা বলে আপনার মাথা সমুন্নত করুক,
ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হয়ে আপনার স্ট্যাটাস ইনরিচ করুক,
রোমান্টিক ওয়েদারে আপনার সাথে রোমান্স করে সোশ্যাল মিডিয়ায় হ্যাপি কাপল সেলফি দিক,
বা হিজাব জড়িয়ে চাকরি ব্যবসা করে আপনাকে অর্থ এনে দিক,
ফ্লাট করতে হেল্প করুক,
পুরুষদের মাঝে এসে ঝগড়া করে গাইরে মাহরাম মেইনটেইনের গুষ্টি কিলিয়ে দাওয়াহ'র কাজ করে আপনাকে গর্বিত করুক,
জীবন শেষে যদি আপনাকে জান্নাতে নিয়ে যেতে (সহযোগিতা করতে) না পারে,
নিজেও যেতে না পারে, সে একজন ব্যার্থ স্ত্রী। ধুলিষ্যাত তার ধুলোর দুনিয়ার সকল সফলতা।
ত্রিশ চল্লিশ বছরের সফল (দুনিয়ার ভাষায়) দাম্পত্যের জন্য অসীম অনন্ত চিরস্থায়ী ব্যার্থ জীবন বেছে নিয়েন না৷
যেসম্পর্ক মৃত্যুতেই বিচ্ছিন্ন - একজন জান্নাতে, আরেকজন জাহান্নামে বা দুজনই জাহান্নামে,
তা কিছু সময়ের জন্য গড়ে আদৌ কী লাভ!।।।।
🤲🤲🌹

03/04/2024

পুরুষের সাথে কেউ কোনদিন মেয়ে বিয়ে দেয়নি, দিয়েছে তার সফলতা বা সমাথ্যের কাছে ,,
যেমন :
পাত্র কি করে?
বেতন কত?

31/03/2024

পার্বত চূড়াতে পৌঁছাতে যার মনে ভয় -কম্পন,
ভূমির অতল গহবরে সে রয়ে যাই আমরণ,,

30/03/2024

হারাম, কথোপকথন থেকে
হালাল, একাকীত্ব বেশ ভালো 🖤🖤

30/03/2024

Address

Jessore

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মারকাযুল কুরআন মাদ্রাসা,Ayurvedic Unity posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to মারকাযুল কুরআন মাদ্রাসা,Ayurvedic Unity:

Share