23/05/2026
সার্জেল নামে একটা গ্যাসের ওষুধ, শুধুমাত্র একটা কোম্পানি, এক বছরে ১০০০ কোটি টাকা বিক্রি করেছে । জ্বি, আপনি সত্যিই শুনেছে।
এটা মোটেও ভালো খবর না।
৫৫ বছর বয়সী একটা দেশে ওষুধনীতি বলতে কিছুই নাই। মানুষ যেভাবে ইচ্ছে, সেভাবে ওষুধ কিনতে পারে। —কারো কোন আওয়াজ নাই। —কতযুগ চলবে এভাবে?
ওষুধ আর বিষের মধ্যে পার্থক্য কি জানেন? — ডোজ। ইয়েস।
যে ওষুধ আপনার রোগকে সারায়, সে ওষুধের অপব্যবহারে একটা জাতি মানসিক, শারীরিক ও অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। শুধুমাত্র লাভবান হচ্ছে কয়েক শ মালিক! আর সেই মালিকরা বিভিন্নভাবে সরকারকে চাপে রাখে। কোন নিয়ম যদি তাদের ব্যবসার বিপক্ষে যায়, তারা সব এক হয়ে যায়।
কারো কোন সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা আছে? —নাই।
জনবান্ধব, নাগরিকবান্ধব কোন নীতি আছে? —নাই।
পুরো চিকিৎসা ব্যবস্থাপনাটা যাচ্ছে তাই!
অসংখ্য প্রবাসীরাও আজ দেশের পরিবার-পরিজনদের চিকিৎসার ব্যায় বহন করে করে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। এই যে এতো রেমিট্যান্স পাঠায়, এর বড়ো একটা অংশ হলো দেশের মা-বাবা, আত্মীয়স্বজনদের চিকিৎসার খরচ।
খাবারে ভেজাল। সে খাবার খেয়ে শরীর ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আবার সেটার জন্য অনিয়ন্ত্রিতভাবে ওষুধ খাবে। কী এক চক্রে আটকে গেছে মানুষগুলো! পানি ও বাতাসে অতিরিক্ত দূষণ। শিল্প-কারখানাগুলো নিয়মের তোয়াক্কা করে না।
অথচ, কথা ছিলো দূষণমুক্ত পানি ও খাবার খাবে মানুষ। ওষুধ খাবে পরিমিত। এখন মানুষ ওষুধই খায় ভাতের মতো।
দূষিত পরিবেশ, দূষিত খাবার এবং অতিরিক্ত ওষুধ (Drug), একটা জাতিকে যুগের পর যুগ পিছিয়ে রাখে। —এসব সত্য বিষয়গুলো নিয়ে, তরুণদের প্রচুর কথা বলা দরকার।