MR Design & Construction.

MR Design & Construction. MR consulting group basically helps to fulfil your dream about building construction.

04/02/2025

✍️ খুব সহজেই Soil Test এর N ভেল্যু দেখে জেনে নিন মাটির অবস্থা....

✅ N value 2 বা এর কম হলে Very Soft মাটি বুঝতে হবে , যার ভার বহন ক্ষমতা প্রতি বর্গমিটারে মাত্র 2 টন।
✅ N value 2-5 হলে Soft মাটি, ভারবহন ক্ষমতা 2-5 Ton/ Sqm.
✅ N value 5-9 হলে Medium মাটি, ভারবহন ক্ষমতা 5-10 T/ Sqm
✅ N value 9-17 হলে Stiff বা শক্ত মাটি, ভারবহন ক্ষমতা 10-20T/ Sqm
✅ N value 17-33, Very Stiff বা খুবই শক্ত মাটি, ভারবহন ক্ষমতা 20-40 T/ Sqm
✅ N value 33 এর উপরে হলে Hard বা খুবই কঠিন মাটি বুঝতে হবে, যার ভার বহন ক্ষমতা বর্গমিটার 40 Ton এর উপরে
👉 Reff.......BNBC, Soil & Foundation

📢 কতটুকু জমির জন্য কতটি বোরহোল করতে হবে❓
✅ ৩ কাঠা পর্যন্ত জমির জন্য ৩ টি।
✅ ৩-৫ কাঠার জন্য ৫টি।
✅ ৫-১০ কাঠার জন্য ৮ টি বোরহোল প্রযোজ্য।
👉 Reff..BUET, TESTING OF MATERIALS AND SERVICES.

Soil Test কি❓
সয়েল টেস্ট’ এর বাংলা অর্থ হলো মাটি পরীক্ষা, তবে ইঞ্জিনিয়ারিং ভাষায় স্থাপনা বা বিল্ডিং এর ভূনিন্মস্থ মাটির পরীক্ষা করাকে ‘সয়েল টেস্ট’ বা ‘সাব-সয়েল ইনভেস্টিগেশন’ বলে।

Soil Test কেন করা হয়❓
ভূনিন্মস্থ মাটির নিরাপদ ভারবহন ক্ষমতা নিরুপণের জন্য সয়েল টেস্ট করা হয়। মনে রাখবেন যে কোন ধরনের স্থাপনা যেমন, আবাসিক ভবন, বাণিজ্যিক ভবন, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মন্দির, হাসপাতাল, শপিং কমপ্লেক্স, ব্রিজ-কালভার্ট, সড়ক-মহাসড়ক, রেললাইন, এয়ারপোর্ট, পাওয়ার প্লান্ট ইত্যাদি ডিজাইনের জন্য সয়েল টেস্ট অপরিহার্য।

তবে আমাদের দেশের মাটির নিরাপদ ভার বহন ক্ষমতা বর্গমিটারে ৯-১০ টন থাকে বলে প্রকৌশলীগন সাধারনত Light Structure (এক দুইতলা ভবন) এর জন্য সয়েল টেস্ট রেফার করেন না, এই হালকা ভবনগুলোর ফাউন্ডেশনে এর থেকে বেশি লোড আসে না। তবে অবশ্যই তিনের অধিক ভবনের জন্য সয়েল টেস্ট জরুরী।

মনে রাখবেন সয়েলটেস্ট ছাড়া ডিজাইন করা আর ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া ঔষধ খাওয়া একই কথা। ইহা ছাড়া ভূনিন্মস্থ মাটির বৈশিষ্ট্য জানা কারও পক্ষে সম্ভব নয়, একমাত্র সয়েল টেস্ট রিপোর্ট দেখেই একজন প্রকৌশলীর পক্ষে বলা সম্ভব স্থাপনা সুরক্ষার জন্য কি ধরনের ফাউন্ডেশন প্রয়োজন ।

Soil Test কিভাবে করা হয়❓
আমাদের দেশে সাধারনত ওয়াশ বোরিং পদ্ধতিতে সয়েল ইনভেস্টিগেশনের কাজ করা হয়। এই পদ্ধতিতে পানির সাহায্যে ২” ব্যাসের পাইপকে হ্যামারিং করে মাটির অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো হয়। প্রতি ৫ ফুট বা ১.৫ মিটার পর পর মাটির নমুনা এবং ঘাতের সংখ্যা (N) কাউন্ট করা হয়।

প্রতি ৫ ফুট পর পর পরবর্তী ১.৫ ফুট বা ১৮ ইঞ্চি পাইপ মাটির অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো সময় N এর মান লিপিবদ্ধ করতে হয়, তবে এই ১৮ ইঞ্চির মধ্যে প্রথম ৬ ইঞ্চির জন্য ঘাত সংখ্যা বিবেচনায় নেওয়া হয়না।
অর্থাৎ পরবর্তী ১২ ইঞ্চি প্রবেশের জন্য যতগুলো আঘাতের প্রয়োজন হয় সেই সংখ্যাই হলো N এর মান। যদি ১২ ইঞ্চি ঢুকাতে ১৫ বার ঘাতের প্রয়োজন হয় তবে N এর মান হবে ১৫। এই N এর মান মাটির লেয়ার ভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়, যেমন প্রথম ১০-১৫ ফুটের মধ্যে N এর মান থাকে খুবই কম হয়।
⏩ N এর মান ১৫ এর উপরে পেলে বুঝতে হবে শক্ত মাটি লেয়ার⏪

Soil Test করার সময় সর্তকতা সমূহ কি কি❓
✅ হ্যামারের ওজন ৬৩.৫ কেজি কিনা নিশ্চিত করতে হবে এবং ইহা ৩০ ইঞ্চি উচ্চতা থেকে ড্রপিং হচ্ছে কিনা?
✅ প্রতি ৫ ফুট পর পর আলাদা আলাদ প্যাকেটে নমুনা মাটি সংরক্ষন করছে কিনা?
✅ N Value সঠিকভাবে কাউন্ট এবং লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে কিনা?
⏩ মাটি ভাল থাকলেও কমপক্ষে ৬০ ফুট পর্যন্ত স্যাম্পল কালেকশন করা উত্তম ⏪

Soil Test কাদের দিয়ে করাবেন❓
✅ যাদের নিজস্ব ল্যাব রয়েছে এবং
✅ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সয়েল প্রকৌশলী রয়েছে।

কোম্পানি ভেদে প্রতিটি বোরহোলের জন্য ৬ থেকে ২০ হাজার পর্যন্ত নেওয়া হয়, তবে কেউ যদি মাত্র ৬ হাজার টাকায় করে দেওয়ার প্রস্তাব দেয় তবে বুঝতে হবে আপনি তার কাছ থেকে কখনোই প্রকৃত রিপোর্ট পাবেন না।
জেনে রাখুন BUET থেকে টেস্ট করালে শুধু মাত্র একটি বোরহোলের জন্য খরচ পরবে ৭০-৮০ হাজার টাকা, যেখানে Physical & Index Properties, Compaction and Density Tests, Direct Shear Tests, Triaxle Shear Tests, Strength and Deformation Characteristics, Permeability and Seepage Characteristics ইত্যাদি টেস্ট সমূহ করতে ৮-২০ হাজার টাকা চলে যাবে।

সুতরাং শুধু মাত্র ৫/৬ হাজার টাকায় কেবল মাত্র অন্যজনের কপি করা রিপোর্টই পাওয়া সম্ভব।

20/10/2024

খুবই গুরুত্বপূর্ণ হিসাব-নিকাশ টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন
নতুনদের জন্য শিক্ষনীয়,
বিল্ডিং এ ইলেকট্রিকাল কাজের খুটিনাটি।

প্রথমে কি কি ডায়ার পাইপ লাগে
সাধারন্ত ইলেকট্রিক কাজে ১.২৫" ১" ০.৭৫" ০.৫০" ডায়ার পাইপ ব্যবহার হয়ে থাকে
১.২৫" পাইপ ভাটিক্যাল লাইনে
১"/০.৭৫" পাইপ ছাদে
০.৭৫" পাইপ ওয়ালে
০.৫০" পাইপ সিলিং যদি কেটে পয়েন্ট সরানো লাগে তখন এবং টাইলসের নীচ দিয়ে কোন লাইন নেওয়া লাগলে যেমন ডিস টেলিফোন লাইনে ০.৫০" ব্যবহার হয়।
এবার এমকে স্টীল বক্স
৩ গ্যাং
২ গ্যাং
১ গ্যাং
স্টীল বক্স ব্যবহার করে থাকি
এবার তার
৯৫ আরএম
৭০ আরএম
৫০ আরএম..............
১৬ আরএম
১০ আরএম
৬ আরএম
৪ আরএম
৩ আরএম
২.৫০ আরএম
২ আরএম
১.৫০ আরএম
১.৫০ আরই
১.৩ আরএম
১.৩ আরই
১ আরই
আমরা মেন লাইনে ৯৫ আরএম ~ ১৬ আরএম ব্যবহার দেখে থাকি
১০ আরএম ~ ৬ আরএম এমডিবি থেকে এসডিবি ব্যবহার করে থাকি
৪ আরএম ~ ৩ আরএম এসি জন্য
৩ আএম ~ ২ আরএম পাওয়ার পয়েন্ট
১.৫০ আরএম~ ১.৩০ আরএম লাইট ও ফ্যান পয়েন্ট
১.৩০ আরই ~ ১.০০ আরই আর্থিং ও আইপিএস জন্য ব্যবহার করে থাকি
তার আমরা ৪ টি কালার ব্যবহার করে থাকি যেমন
লাল কালার মেন লাইন
কালো কালার নিউটাল
সবুজ কালার আর্থিং
হলুদ কালার আইপিএস
এখন বাজারে নীল কালারের তার পাওয়া যায়।
এবার সুইচ সকেট
১ গ্যাং সুইচ
২ গ্যাং সুইচ
৩ গ্যাং সুইচ
৪ গ্যাং সুইচ
৫ গ্যাং সুইচ
৩-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ১৫ এ্যাম্পিয়ার
৩-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ১৩ এ্যাম্পিয়ার
২-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ৫~৬ এ্যাম্পিয়ার
ডিপি সুইচ
টিপি সুইচ
টিভি আউট লেট
টেলিফোন আউট লেট
বেল পুশ
১০ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
১৬ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
২০ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
৩০ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
৪০ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
৫০ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
৬৩ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
৬" রাউন্ড ফ্যান কাভার
৫"x৭" এবোনাইট সিট জাংশন বোর্ড
এখন কোনটার কত উচ্চতা
সুইচ বোর্ড ৪'-৬"
এসডিবি ৭'-০"
এমডিবি ২'-৬"
পাওয়ার পয়েন্ট ৯"
এসি পয়েন্ট ৭'-১০"
এসির সুইচ ৪'-৬"
গ্রীজার পয়েন্ট ফল্সচ ছাদে
গ্রীজার সুইচ ৪'-৬"
লাইট পয়েন্ট ৭'-১০"
বেল পুস ৪'-৬"
এক্সজাষ্ট ফ্যান পয়েন্ট ৭'-১০"
এক্সজাষ্ট ফ্যান সুইচ ৪'-৬"
মিরর লাইট টপ অফ মিরর
৩-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ১৫ এ্যা ৭'-১০"
৩-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ১৩ এ্যা ৯"
২-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ৯"
টিভি আউট লেট ৯"
টেলিফোন আউট লেট ৯"
ইন্টারকম ৪'-৬"
কলিং বেল ৭'-০"
গার্ডেন লাইট সুবিধা মোতাবেক
গার্ডেন ওয়াল লাইট ওয়াটার পুভ করে দিতে হয়
বাথ রুম রান্নার রুমে পাওয়ার পয়েন্ট ৪'-৬"
If Need Any Information Please Contuc Us :-
MR Design & Construction.

কিভাবে একটা খারাপ বাড়ি করবেন? 👉 একজন মিস্ত্রিকে ডাকবেন। তাকে বলবেন ২ তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে ১ তলা বাড়ি করবো কত খরচ হবে?  মিস...
19/08/2024

কিভাবে একটা খারাপ বাড়ি করবেন?

👉 একজন মিস্ত্রিকে ডাকবেন। তাকে বলবেন ২ তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে ১ তলা বাড়ি করবো কত খরচ হবে? মিস্ত্রি বলবেন, ২ তলা ফাউন্ডেশন কেন দিবেন? ভবিষ্যতে তো ৪ তলা করতেও পারেন, তখন কি করবেন?
খরচ? ৪ রুমের বাড়ি ২০ লক্ষতে করে দেবো।

👉 ডিজাইন লাগবেনা? আমি তো ফেসবুকে অনেক ভালো ভালো বাড়ির ছবি দেখি এখন। ভাইজান, আপনি ছবি বাছাই করেন, আমি হুবহু তেমন বাড়ি করে দেবো।

👉 কিন্তু আমিতো শুনলাম বাড়ি করতে ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট লাগে। ভাইজান, আপনি আসলেই বোকা। এই হাতে এই পর্যন্ত ৫০০ বাড়ি করছি। কোন বাড়ি ভেংগে পড়েছে? আপনার সামনে লাঠি দিয়ে ফ্লোর প্লান এঁকে দেবো। আমার একেঁ দেয়া ফ্লোর প্লানে ভুল ধরার মতো কোন ইঞ্জিনিয়ার আছে নাকি? আপনার ডিজাইন খরচ বাঁচিয়ে দিলাম।

আরেকটা পদ্ধতি -

👉 হামিদ মিস্ত্রিকে ডাকা হলো।
হামিদ ভাই এই যে দ্যাখেন একটা ফ্লোর প্লান, এটা আমি নেট থেকে নামিয়েছি। দারুণ লাগছে আমার কাছে। কত খরচ হবে বলেন তো? এই ধরেন ১৫০০-১৬০০ টাকা স্কয়ার ফুটে খরচ হবে।

👉 কাজ শুরু হলো। লে-আউটের সময় নিজের ইচ্ছামতো আরেকটু বাড়িয়ে নিলেন।

👉 কাজ চলার সময় মিস্ত্রি বললেন, এটা আরেকটু বাড়িয়ে নিন, এখানে এটা করলে ভালো ডিজাইন হবে ইত্যাদি।

👉 ভাইজান, আমার পরিচিত একজন ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রি আছে, তাকে দিয়ে ইলেক্ট্রিক কাজ করান। অনেক ভালো মিস্ত্রি। ঠিক আছে নিয়ে আসো।

👉 ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রি আসলেন। লিস্ট দিলেন এইটা এইটা লাগবে। বাড়ির মালিককে নিয়ে মালামাল কিনতে চলে গেলেন মিস্ত্রির পরিচিত দোকানে। নিম্নমানের মালামাল, বেশি মালামাল, বেশি দামে কিনে নিয়ে চলে আসলেন।

👉 মিস্ত্রি একবারও জিজ্ঞাসা করলেন না আপনি কি কি ইলেক্ট্রিক্যাল মালামাল ব্যবহার করবেন। এভাবে স্যানিটারি, টাইলস ইত্যাদি মিস্ত্রি কাজ করে দিলেন।

👉 বাড়ি করার পর দেখলেন, ড্রইং রুমে বসে রান্নাঘরে কে রান্না করছে দেখা যায়, ডাইনিং টেবিলে বসে টয়লেটের দরজা দেখা যায়, রান্নার সময় রান্নার ঝাঁঝালো গন্ধ সারারুমে ঘুরছে, সূর্য উঠামাত্র বিছানার উপর রোদ পড়ছে, ঘরের মধ্যেই দম আটকানো একটা ভাব, সারাদিন একটা অস্বস্থি লাগছে, ঘরে আলো নেই, দিনের বেলাতেও আলো জ্বালিয়ে রাখতে হচ্ছে ইত্যাদি।

👉 ২০ লক্ষ টাকার বাড়ির কাজ শেষ হলো ৩৫ লক্ষ টাকায়।

👉 ১৫ লক্ষ টাকা ধার করে, গহনা বন্ধক রেখে বাড়ি করে সারাজীবনে দেনা শোধ হবেনা। এই চিন্তায় বাড়ির মালিক সারাদিন টেনশনে থাকে।

👉 এখান থেকে পানি আসে, ওখানে দেয়াল ফাটে, সেখানে রঙ খসে পড়ছে, বাড়ির বাইরে থেকে টয়লেটের পাইপ দেখা যাচ্ছে, ঘরের মধ্যে থেকে টয়লেট ফ্ল্যাশ করার পর পাইপের মধ্য থেকে পানির শব্দ শোনা যাচ্ছে, মনের ভিতর একটা চিন্তা সবসময় ঘুরছে - কারেন্ট ও স্যানিটারি মিস্ত্রি এতো এতো মালামালের তালিকা দিলেন, সেগুলো কি সব ব্যবহার হয়েছে?

🚫 বাড়ির মালিক বাকিজীবন পার করলেন ধারের সুদ টানতে টানতে, বউয়ের গহনা ছাড়াতে না পেরে অপবাদ শুনতে শুনতে।

এদিকে মাটির নিচে পড়ে থাকলো অতিরিক্ত ২ তলা ফাউন্ডেশনের টাকা এবং ভুলে ভরা বাড়িতে জীবন পার করে দিলেন।

তিনি কত টাকা ডিজাইন চার্জ বাঁচালেন?

[এই গল্পটা অনেকের। কাউকে ছোট করার জন্য লেখা হয়নি। সতর্কবার্তা মনে করবেন।।]

01/04/2024

বাড়ি নির্মাণ করছেন বা করবেন?
আপনার বাড়িটা যেন শুধু মাত্র মাথা গোজার স্থান না হয়। আপনার বাড়ি করতে হবে ভেবে চিন্তে প্রকৌশলীর পরামর্শে। বাড়ি করার পূর্বে মূল শর্ত হলো প্ল্যানিং। প্ল্যান করে বাড়ি করা হলে আপনি আপনার জমির সঠিক মূল্যায়ন করতে পারবেন ।

বাড়ি করার ক্ষেত্রে আপনাকে কিছু বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে।

* বিভিন্ন রুমের আদর্শ এবং সর্বনিম্ন মাপ
* রুমের অবস্থান
* সৌন্দর্য
* পর্যাপ্ত আলো বাতাস এর সুব্যাবস্থা
* নিরাপত্তা
* ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
* আপনার এলাকার নিয়ম অনুযায়ী কতটুকু জমি ছেড়ে বাড়ি করতে হবে , তার পরিমাণ ।
★★ রুমে মাপ এবং অবস্থানঃ

#বেড_রুম :
বেড রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত ১০ ফিট বাই ১২ ফিট।
~অবস্থান : যেদিকে সর্বোচ্চ ন্যাচারাল গিফট পাওয়া যাবে অর্থাৎ পর্যাপ্ত আলো বাতাস যেদিকে পাওয়া যায়। যেনো ব্যালকনি তে বসলেই ভেসে আসে দখিনা বাতাস । তবে সাধারণত একটা বিল্ডিং এর কর্ণার সাইডে বেড রুম দেওয়া হয় । এক বেড রুম থেকে আরেক বেড রুমের দূরত্ব বা অবস্থান এমন হবে যেন সম্পূর্ণ প্রাইভেসি বজায় থাকে। অর্থাৎ এক রুমের থেকে অন্য রুমের ভ্যান্তরীন দৃশ্য সহজেই দৃষ্টি-গোচর হবে না ।
#গেষ্ট_রুম :
গেস্ট রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই নয় ফিট
~অবস্থান : সিঁড়ির কাছাকাছি ।
#ডায়নিং :
ডায়নিং রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই দশ ফিট
~অবস্থান :রান্না ঘরের পাশে হলে ভাল হয় ।
#বাথরুম_টয়লেট :
বাথ রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত
ছয় ফিট বাই চার ফিট ।
~অবস্থান :
কমন বাথরুম হলে সবাই যাতে সহজেই ব্যাবহার করতে পারে এমন স্থানে ।
টয়লেটে অবশ্যই এগজস্ট ফ্যান ব্যাবহার করবেন । এটা এয়ার ভেন্টিলেশনের মাধ্যমে টয়লেটের দূর্গন্ধ দূর করার পাশাপাশি আপনার টয়লেট এর ফ্লোর শুকনা রাখবে ।
#কিচেন :
কিচেন রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই সাত ফিট
~অবস্থান :
কিচেনে রান্নার সময় রান্নার গ্যাস বা ধোয়া যেন অন্য রুমে প্রবেশ না করতে পারে ।
রান্না ঘরের পরিবেশ ফ্রেস রাখার জন্য, কিচেনেও এগজস্ট ফ্যান ব্যাবহার করা উচিত ।
#ব্যালকনি :
চওড়া তিন ফিটের কম নয় ।
#সিড়ি :
আট ফিট চওড়া হলে ভাল হয় অবস্থান : মেইন রাস্তার পাশে অথবা রাস্তা থেকে সর্বনিম্ন দূরত্বে।

এম আর ডিজাইন এন্ড কনস্ট্রাকশন
01786500954

FAR CALCULATION:FAR'' কিভাবে বের করবেন ???আমরা যারা ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ালেখা করি তাদের ফার জানা খুব দরকার। ধরুন, আপনার ৫ ক...
25/03/2024

FAR CALCULATION:

FAR'' কিভাবে বের করবেন ???
আমরা যারা ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ালেখা করি তাদের ফার জানা খুব দরকার। ধরুন, আপনার ৫ কাঠা জমি রয়েছে। ভেবে রেখেছেন ৮-১০ তলা উঁচু বাড়ি বানাবেন । টাকা- পয়সা নিয়েও ঝামেলা নেই । কিন্তু আপনি জানেন কি ? আপনি চাইলেও ৫ কাঠা জমিতে ১০ তলা বানাতে পারবেন না রাজউকের নিয়মানুযায়ী । কারন একটা ভবন বানানোর সময় বিল্ডিং এর চারপাশে কিছু জায়গা ছেড়ে দিয়ে তারপর ডিজাইন করতে হয় । সেটাকে সেটব্যাক বলে । আমরা শুধুমাত্র ফার নিয়ে আলোচনা করবো আজকে।
FAR জানার সুবিধাঃ
১. ফার জানলে যেকোনো ভালো অফিসে চাকরির গ্যারান্টি অনেকখানি বেড়ে যায় ।
২. বাড়ি কত তলা করতে পারবেন সেটা নিজেই হিসাব করতে পারবেন অংক করে ।
FAR এর হিসাব করবেন যেভাবেঃ
মনে করি,
ভূমি- ৫ কাঠা,
রোড- ২০ ফুট,
ফার- ৩.৫ ( ইঞ্জিনিয়ারিং বইগুলোতে শুধুমাত্র ফার লিখে কত কাঠার জন্য কত ফার সেটা উল্লেখ থাকে কিন্তু হিসাব থাকে না । অনেক বড় বড় পণ্ডিত মার্কা ইঞ্জিনিয়াররাও ফারের হিসাব পারে না। তাই আপনি যদি ফারের হিসাব শিখে রাখেন তাহলে বুক চাপড়ে নিজেকে নিয়ে গর্ব করতেই পারেন । কারন ফারের হিসাব জানা অনেকটা আর্থিক বিষয়ে জড়িত । যেহেতু, ভালো চাকরি করতে চাইলে ফার জানতেই হবে।)
Maximum Build Area (M.B.A)= Land x Far
= 5 katha x 3.5 (far 3.5)
= 5x(720)x3.5 ( 1 katha=720square ft)
= 3600x3.5
=12600 sqft
Maximum Ground Coverage(M.G.C)- 62.5% ( এটাও লেখা থাকে বইতে কিন্তু যারা পারে না তারা এইসব লেখাকে অনর্থক ভেবে বসে থাকে।)
= 5 katha x 62.5%
= (5x 720) x 62.5%
= 2250 sqft.
Number of Floor (N.O.F)= MBA / MGC
= 12600 / 2250
= 5.6 Floor
Total Floor = Ground floor + 5.6 floor
= 1+ 5.6 floor
= 6.6 floor ( ৬ তলা বাড়ি এবং চিলেকোঠা) ।
এই হিসাবে প্রায় সাত তলা কিন্তু সাত তলা না করাই ভালো যদি ভুমিকম্প থেকে বাঁচাতে চান এবং সারা এলাকাতে আপনার বাড়িটি যদি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে সেটা চান !!!

সিঁড়ি নিয়ে যাবতীয় প্রশ্ন ও উত্তরঃসিড়ির দৈর্ঘ্য= ১৫'-৬",প্রস্থ = ৮'-০",সিড়ির মেন রড ১২ মিমি ৪ C/C,সিড়ির এক্সটা টপ ১২ মিমি...
23/03/2024

সিঁড়ি নিয়ে যাবতীয় প্রশ্ন ও উত্তরঃ

সিড়ির দৈর্ঘ্য= ১৫'-৬",প্রস্থ = ৮'-০",সিড়ির মেন রড ১২ মিমি ৪ C/C,সিড়ির এক্সটা টপ ১২ মিমি ৪" C/C,সিড়ির এক্সটা টপ দৈর্ঘ্য = ল্যান্ডি+L/4,সিড়ির বাইন্ডার ৮" C/C,সিড়ির ওয়েষ্ট স্ল্যাবে পুরুত্ব = ৬",সিড়ির ট্রেড ১০",সিড়ির রাইজার ৬",সিড়ির মাঝের ল্যান্ডিং এর নীচে টি বীম আছে সাইজ ১০"x১৮" উপরে ছাদের বীম সিড়ির ভিতরে আসবে না।বীমের রড ৬-২০ মিমি,বীমের রিং ১০ মিমি,বীমের রিং ৬" C/C,বীমের এল বা মাটাম ৬"।.....সিড়ির দৈর্ঘ্য = (৪'-০''+৯ টা ট্রেড+৪'-০")
= (৪'-০"+৯x১০"+৪'-০")
= ১৫'-৬''
প্রস্থ= (৩'-১০"+৪"+৩'-১০")
= ৮'-০"...
সিড়ি ওয়েষ্ট স্ল্যাবের দৈর্ঘ্য
পিথাগোরাসের সুত্র মতে
= রুট অভার (৪'-৬")^২+(৮'-৪")^২
= ৯'-৬''
এখনে উচ্চতা ৪'-৬"
ভূমি = ১০x০'-১০"
= ৮'-৪"
ঢালায়
বীম = ৮'-০"x০'-১০"x১'-০"= ৬.৬৪
ল্যান্ডিং = ৮'-০"x৪'-০"x০'-৬"x২ = ৩২.০০
ওয়েষ্ট স্ল্যাব
= ৯'-৬''x৩'-১০"x০'-৬"x২ = ৩৬.৩৯
ধাপ = ১/২"x০'-৬'x০'-১০"x৩'-১০"x১৮
= ১৫.১০
মোট = ৯০.১৩ ঘনফুট...
মালামাল
শুকনা " = ৯০.১৩x১.৫
= ১৩৫.২০ ঘনফুট
অনুপাত ১:২:৪
অনুপাতের যোগফল = (১+২+৪)= ৭
মালামাল
সিমেন্ট = ( ১৩৫.২০x১÷৭)÷১.২৫
= ১৫.৪৫ ব্যাগ
[যেহেতু ১ ব্যাগ সিমেন্ট = ১.২৫ ঘনফুট]
বালি = ১৩৫.২০x২÷৭ = ৩৮.৬৩ ঘনফট
খোয়া= ১৩৫.২০ x৪÷৭ = ৭৭.২৬ ঘনফুট.
মেন রডের দৈর্ঘ্য
= [(৪'-০"+৯'-৬"+৪'-০")-{(৩/৪"x২)÷১২}]
= ১৭'-৬"
বাইন্ডার রডের দৈর্ঘ্য
= [৩'-১০"-{(৩/৪"x২)÷১২}]
= ৩'-৯"
এক্সটা টপ দৈর্ঘ্য
= -৩/৪"+৪'-০"+(৯'-৬"÷৪)
= ৫'-১৭"
ল্যান্ডিং বাইন্ডার দৈর্ঘ্য
= ৮'-০"-(৩/৪"x২÷১২)
= ৭'-১১"
বীমের মেন রডের দৈর্ঘ্য
= (৮'-০")-(১.৫"x২)+(৬"x২)
= ৮'-৯"
রিং রডের দৈর্ঘ্য
= {(১০-১.৫x২)+(১৮-১.৫x২)}x২+(৩x২)
= ৪'-২"
মেন রডের পরিমান
= {(৩'-১০"x১২-৩/৪"x২)÷৪}+১
= ১২.১৩ টি
~ ১৩ টি
মোট = ১৩x২= ২৬ টি
এক্সটা টপ = ১৩x৪= ৫২ টি
ল্যান্ডিং বাইন্ডার পরিমান
= [{৪'-০"x১২-(৩/৪"x২)}÷৮]+১
= ৬.৮১
~ ৭ টি
মোট ৭x২= ১৪ টি
ল্যান্ডিং এ ডাবল জালি এখানে ৮" করে হিসাব করে
বাইন্ডার পরিমান
= (৯'-৬"x১২÷৮)-১
= ১৩.২৫
~ ১৪ টি
মোট ১৪x২=২৮ টি
মোট রিং এর পরিমান
= [{(৮'-০")-(১.৫"x২)}÷৬"]+১
= ১৬.৫০
~ ১৭ টি
রডের পরিমান
মেন রড
১২মিমি = ১৭'-৫"x২৬x০.২৭ = ১২২.২৯
এক্সটা টপ
১২ মিমি = ৬'-১"x৫২x০.২৭= ৮৫.৩৬
ল্যান্ডিং বাইন্ডার
১২ মিমি = ৭'-১১"x১৪x০.২৭= ২৯.৯৪
বাইন্ডার
১০ মিমি = ৩'-৯"x২৮x০.১৯ = ১৯.৯৫
বীম মেন রড
২০ মিমি = ৮'-৯"x৬x০.৭৫= ৩৯.৩৮
বীমের রিং
১০ মিমি = ৪'-২"x১৭x০.১৯ = ১৩.৪৭
মোট রডের পরিমান = ৩১০.৩৯ কেজি....
মোট সাটারিং
বীম সাইড
৮'-০"x১'-০"x২= ১৬.০০
ল্যান্ডিং তলা
৪'-০"x৮'-০"x২= ৬৪.০০
ল্যান্ডিং সাইড
= {(৪'-০"+৮'-০"+৪'-০")x০'-৬"}x২= ১৬.০০
ওয়েষ্ট স্ল্যাব তলা
= ৯'-৬"x৩'-১০"x২= ৭২.৭৭
ওয়েষ্ট স্ল্যাব সাইট
= ৯'-৬"x১'-০"x৪= ৩৮.০০
ধাপ
= ৩'-১০"x০'-৬"x১০x= ৩৮.৩০
= ২৪৫.০৭ বর্গফুট...
9.ACI কোড অনুযায়ী ট্রেড ও রাইজারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন মান কত?
উ: আবাসিক দালানের সিঁড়ির রাইজারের পরিমান ১৫ সে.মি থেকে ১৮ সে.মি এবং ট্রেডের পরিমান ২৩ সে.মি থেকে ২৭ সে.মি রাখা হয়।
পাবলিক বিল্ডিং এ রাইজার ১৪ থেকে ১৫ সে.মি এবং ট্রেড ২৫ থেকে ৩০ সে.মি রাখা হয়।...
10.আবাসিক দালানের জন্য সিঁড়ির ফ্লাইটের প্রস্থ ও হেডরুম এর ন্যুনতম পরিমাপ কত হওয়া উচিত?
উ: প্রস্থ ৯০ সে. মি বা ৩ ফুট এবং হেডরুম ২.১০ মি বা ৭ ফুট হওয়া উচিত।.শিয়ার করে অন্য কে শিখার সুযোগ করেদিন...

19/03/2024

ছাদ ঢালাই করার পূর্বে যেসব কাজ আপনাকে অবশ্যই করতে হবে।

১.প্রথমে আপনাকে দেখতে হবে ড্রয়িং অনুযায়ী রড বিছানো হয়েছে কিনা।স্টিল টেপ কিন্তু আপনাকে সব সময় কাছে রাখতেই হবে।
২.রড বিছানোর পর দেখতে হবে ছাদের কভারিং এর জন্য যে ব্লক দেওয়া হয়েছে তা সঠিক স্থানে আছে কিনা।
৩.ঢালাইয়ের পূর্বেক দেখতে হবে সাটারিং এর কোথাও ছিদ্র আছে কিনা।
৪.আমাদের দেশে সাধারণত প্লেইন শিটের উপর পলিথিন বিছিয়ে দেওয়া হয় যাতে কোথাও ছিদ্র থাকলে তা দিয়ে মসলা বেরিয়ে না যায়।
৫.ছাদ ঢালাইয়ের চূড়ান্ত পর্যায় এ দেখতে হবে ছাদে কোনো ময়লা,কাগজ,পাতা পড়ে আছে কিনা।যদি থাকে তাহলে পরিস্কার করে ফেলতে হবে।
৬.ছাদ ঢালাইয়ের কাজ যত সম্ভব সকালে রোদ উঠার আগেই শুরু করতে হবে।
৭.কনক্রিট ফেলার পূর্বে ছাদকে সামান্য পানি ছিটিয়ে ভিজিয়ে দিতে পারেন।
৮.ছাদের মসলার অনুপাত ১:১.৫:৩ দেওয়া হয়।এতে ৩৫০০ psi পাওয়া যায়।
৯.ছাদের যেকোনো একটি নির্দিষ্ট অংশ থেকে কাজ শুরু করতে হবে।
১০.হাটা অবস্থায় বা দাড়িয়ে বা ১.৫ মিটার এর উপর থেকে কনক্রিট ফেলা যাবে না।ফেললে সেগ্রিগেশন হওয়ার সম্ভবনা আছে।
১১.কনক্রিট কে যথাস্থানে বসানোর জন্য ভাইব্রেটিং করতে হবে।ভাইব্রেটিং করার সময় ব্লক সরে যেতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
১২.পুরো ছাদের মসলার অনুপাত যাতে একই হয় সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।
১৩.ছাদ যাতে কোথাও উচু নিচু না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
আর একটা কথা খেয়াল রাখতে হবে

ইঞ্জিনিয়ারিং মেটেরিয়ালস এর ভিতর পানি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
ছাদ ঢালাইয়ের মোটামুটিভাবে ৬-৮ ঘন্টা পর থেকেই কিউরং করতে পারেন।
ছাদে যদি ২৮ দিন পর্যন্ত কিউরিং
করতে পারেন তাহলে তাতে ৯০%-১০০% শক্তি অর্জন করবে।
বিল্ডিং সম্পর্কিত যেকোন পরামর্শ জন্য যোগাযোগ করুন।

এম আর ডিজাইন এন্ড কনস্ট্রাকশন।
মনিরামপুর, যশোর।
০১৭৮৬৫০০৯৫৪

 #ইটের_গাঁথুনির_খুটিনাটি:ইটের গাঁথুনির কাজ করার সময় যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখা খুবই জরুরী:-১) কাজ শুরুর আগে ইট গুলোকে অন...
19/03/2024

#ইটের_গাঁথুনির_খুটিনাটি:
ইটের গাঁথুনির কাজ করার সময় যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখা খুবই জরুরী:-

১) কাজ শুরুর আগে ইট গুলোকে অন্তত: ৬ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং ভালভাবে পরিস্কার করা উচিত। ভেজা ইটে গাঁথুনি ভাল হয় এবং ফাঁটল ধরার সম্ভাবনা কম থাকে। এছাড়া ভাল করে না ভেজালে প্লাস্টারে সমস্যা হতে পারে।

২) ইট গাঁথার সময় প্রত্যেক বার সুতা এবং শল দেখে নিতে হবে গাঁথনী সোজা রাখতে হলে।

৩) অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা বেশী লাভ করার জন্য ইটের আকার আকৃতি ঠিক থাকে না ফলে ইট ব্যবহার করা ক্ষেত্রে অনেক সময় দেখা যায়, গাঁথনী সোজা হয় না গাঁথনীর একপাশ মেলালে আরেক পাশ মিলে না।

৪) গাঁথুনির সময় দেখতে হবে দুটো ইটের মধ্যের ফাঁক যেন ১ সেন্টিমিটার থেকে বেশী না হয় এবং জোড়ার উপর জোড়া যেন অবিরাম না হয়।

৫) ইটের আকার ঠিক না থাকার কারনে অনেক বেশী মসলার ব্যবহার করতে হয় গাঁথনীর শল মিলাতে গিয়ে, যায় ফলে সিমেন্ট বালুতে অনেক বেশী টাকা ব্যয় হয় ইটের ক্ষেত্রে টাকা বাঁচাতে গিয়ে। ইটের অনেক অপচয় হয় বেছে বেছে তা ব্যবহার করতে গিয়ে মিস্ত্রিদের সময় বেশী লাগে, ফলে মিস্ত্রি খরচ বেড়ে যায়।

৬) ইট গাঁথুনির জন্য FM ১.৫ গ্রেডেড বালি ব্যবহার করা উচিত।

৭) সেজন্য প্রথম শ্রেনীর ইট এবং পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট ব্যবহার করা উচিত।

৮) কোন নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য না থাকলে ইংলিশ বন্ডে (নিয়মে) গাঁথুনী করা ভাল ।

৯) মিশ্রনে মসলার অনুপাত হবে ১:৫ (৫” গাথুনির জন্য)

১০) আধলার ব্যবহার এড়িয়ে চলা ভাল যদি প্রয়োজন না পড়ে।

১১) জোড়াগুলো ইটের সিলমোহর উপরে রেখে মসলাদ্বারা পূর্ণ করা উচিত।

১২) জোড়ের পুরুত্ব ১৩ মিমি এর বেশী যেন না হয়।

১৩) জোড়াগুলোর মধ্যে যেন কোন ফাঁক না থাকে, প্রয়োজনে মশলা দ্বারা পূর্ণ করে সমতল করা অত্যাবশ্যকীয় ।

১৪) ইটকে আস্তে আস্তে সম্পূর্ণ বেডের উপর মশলা বিছিয়ে চাপ দিয়ে বসানো উচিত ফলে মশলার সাথে ভাল ভাবে লেগে যায়।

১৫) একদিনে সর্বোচ্চ ১.৫ মিটারের বেশী গাঁথুনী করা উচিত নয়। (একদিনে ৩ ফুট করা উত্তম)।

১৬) ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন কিউরিং উপযুক্ত কেননাঃ- তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে কংক্রিট ৫০% পর্যন্ত কম্প্রেসিভ স্ট্রেংথ লাভ করে এবং ২৮ দিনের মধ্যে তা ৯০% পর্যন্ত।

অনেকেই জানেন আবার অনেকেই জানেন না।পৌরসভা এপ্রোভাল শীটআমরা যখন কোনো বাড়ির প্ল্যান করি , এবং এপ্রোভাল করতে চাই তখন আমাদের ...
19/03/2024

অনেকেই জানেন আবার অনেকেই জানেন না।
পৌরসভা এপ্রোভাল শীট
আমরা যখন কোনো বাড়ির প্ল্যান করি , এবং এপ্রোভাল করতে চাই তখন আমাদের অনুমোদন ড্রয়িং এর দরকার পরে , নতুন ইঞ্জিনিয়ার এবং আর্কিটেক্ট যারা আছেন তাদের অনেকের ধারণা থাকে না কিভাবে এপ্রোভাল ড্রয়িং করবেন ! এবং কি কি ড্রয়িং দিতে হবে ! এপ্রোভাল এর ধারণা গুলো আপনারা পান তাই একটা স্যাম্পল ড্রয়িং দিয়ে দিচ্ছি যা আপনাদের উপকারে আসতে পারে।
পৌরসভার আওতাধীন কোন ভবন নির্মান করতে চাইলেই আপনি নির্মান করতে পারবেন না, যত বড়ই ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা ড্রইং করান না কেন কাজে আসবেনা যদি কর্তিপক্ষের অনুমুতি না নেন।
চলুন জেনে নেই কি কি লাগবে-
প্রথমে আবেদন ফরমে আবেদন করতে হবে এবং সাথে ৭ কপি ড্রইং জমা দিতে হবে, তবে কোন কোন পৌরসভায় এর কম দিলেও হয়। ড্রইংগুলো ৩০"x২০" সাইজের এমোনিয়া শীট বা ট্রেসিং পেপারে (ব্লু প্রিন্ট ট্রেসিং পেপার সহ) জমা দিতে হয়।
একটি ড্রইং শীটে কি কি ড্রইং থাকতে হবে আসুন জেনে নেই-
১. ফ্লোর প্ল্যান
২. অন্যান্য ফ্লোরের প্লান
৩.সম্মুক্ষ বা ফ্রন্ট এলিভেশন
৪.লে-আউট প্ল্যান
৫.কলাম, বীম, ফাউন্ডেশনের সেকশন
৬.মোট কভার এরিয়া
৭.মৌজা ম্যাপ
৮. ভবনের ক্রস সেকশন
৯.সেপটিক ট্যাংক এবং সোক ওয়েলের প্লান ও সেকশন
১০.সিড়ির প্লান ও ডিটেইল
১১. ছাদের বিস্তারিত ড্রইং
১২. ছাদের পানি নিষ্কাশনের প্ল্যান
১৩. কলাম পজিশন বা কলাম লে-আউট
১৪. গ্রেড বীম ও সেকশন
১৫. ইলেকট্রিক ড্রইং
১৬. সেনেটারী ড্রইং (বহুতল ভবনের ক্ষেত্রে)
১৭. সেটব্যাক (অত্যন্ত জরুরী), নির্দিষ্ট পরিমানে ভবনের চারপাশের জমি ছেড়ে দেওয়াকে বুঝায়।
আনুষঙ্গিক কাগজ পত্র:
১. পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যভুক্ত প্রকৌশলীর স্বীকৃতপত্র।
২ প্রকৌশলী পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য নাম্বার ও সাক্ষর এবং সীলমোহর।
৩. মূল দলিলের ফটোকপি।
৪. দাগ নম্বর,খতিয়ান নম্বর ও মৌজার নাম।
৫. মালিকের সাক্ষর।
৬. মাটি পরিক্ষার রিপোর্ট (৩ তলার অধিক হলে)।
৭. জমির পরিমান ও তফসিল।
৮.নির্ধারিত ফি।

Our First Project ★ Moshjid ★ Clinic & Library Location : Manirampur, Jashore.Client: Engr.Abdur Razzaque ( USA)For Buil...
11/03/2024

Our First Project
★ Moshjid
★ Clinic & Library
Location : Manirampur, Jashore.
Client: Engr.Abdur Razzaque ( USA)
For Building design, Contact us at
01786500954

07/02/2024

ফ্রি জিনিস ভালো না।

বাসা বাড়ি করার আগে এই ডিজাইন গুলো জেনে রাখুন তাহলে ঠকবেন না।

আপনি যখন কোনো ইঞ্জিনিয়ারকে জিজ্ঞেস করেন আপনারা ১০০০,১১০০,১২০০ স্কয়ার ফিট বিল্ডিং করতে কতো টাকা নিবেন । তখন হয়তো কেউ বলে দেয় এইতো বেশি না ।অথবা আনেকের ইউটিউব ফেসবুকে ভিডিওতে দেখতে পারবেন অনেকেই বলেন মাত্র এতো লক্ষ্য টাকায় বাড়ি বানাতে পারেন । আসলে বিষয়টি ফানি। কারন বাসা বাড়ি বানানো হলো সপ্নের এবং মনের বিষয়। হ্যা মানলাম খরচ আছে তাই বলে কি অল্প খরচে ঝুকিতে থাকবেন। আপনাদের কে বলতেছে ফ্রি জিনিস কখনোই ভালো হয় না। তাই বলি পরিশ্রম আপনারাও করেন আমরও করি। এক এক কাজের এক এক মুল্যে। তাই বলে আমি আপনাদের একটা আনুমানিক ধারনা দেই। পার স্কয়ার ফিটে খরচ পরবে ১৫-২০ টাকা। যেখানে সকল কিছু ডিজাইন করে হিসাব করলেও বাজার কম বেশি হওয়ার কারনে ১০% বা ২০% কম বেশি হয়। আশা করি বিষয়টি বুঝতে পারছেন। বাসা বাড়ি করার আগে এই ডিজাইন গুলো জেনে রাখুন তাহলে ঠকবেন না।
ডিজাইন পাবেন
১.আর্কিটেকচার ডিজাইন
২.স্টাকচারাল ডিজাইন।
৩.প্লামবিং ডিজাইন।
৪.ইলেক্ট্রিক ডিজাইন।

গ্রেড বিম এর কাজ নিয়ে বিস্তারিত =========================টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেনফুটিং এবং শর্ট কলাম এর কাজ শেষ হওয়ার প...
17/12/2023

গ্রেড বিম এর কাজ নিয়ে বিস্তারিত
=========================
টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন

ফুটিং এবং শর্ট কলাম এর কাজ শেষ হওয়ার পর গ্রেড বীমের কাজ শুর হয়। গ্রেড বিম এর কাজের ক্ষেত্রে কিছু ধাপ ও সতর্কতা মেনে কাজ করতে হয়।
#কাজের_বিবরণঃ

১। প্রথমে ফুটিং এবং শর্ট কলামের মধ্যবর্তী ফাকা জায়গা বালি দিয়ে ফিলাপ করতে হবে এবং ভালো ভাবে কম্প্যাক্ট করুতে হবে ।

২। এবার শর্ট কলামের ঢালাইকৃত টপ থেকে ৩ ফিট পর্যন্ত কলামের রিং লাগাতে হবে।
(কেননা আগে আপনি কলামের রিং না বাধলে গ্রেড বীমের রড বাধার পর আর আপনি গ্রেড বীমের গভীরতার গ্যাপে রিং বাধতে পারবেন না)

৩। এবার গ্রেড বীমের লাইন বরাবর স্যান্ড ফিলিং করে উত্তম ভাবে ব্রিক ফ্ল্যাট সোলিং করুন এবং সিমেন্ট বালির মশলা দিয়ে ইটের জয়েন্ট বন্ধ করে দিন। (সোলিং অবশ্যই ওয়াটার লেভেল মেইনটেইন করে করুন)।

৪। এবার ড্রয়িং অনুযায়ী রড বাধতে হবে এবং পরবর্তীতে ঢালাই এর আগে চেক করতে হবে।

৫। মেইন রডের প্রান্তে অবশ্যই মাটাম ব্যাবহার করুন। এক্সট্রা টপে মাটাম দিতে পারলে ভাল না দিলেও খুব একটা সমস্যা নেই।

৬। গ্রেড বীমের টপ লেয়ারের রডে 30D অনুসরন করে ল্যাপিং দিন। টপ লেয়ারের ল্যাপিং L/4 এর মধ্যে যেন না আসে। টপ লেয়ারের ল্যাপিং মাঝে ফেলার চেষ্টা করবেন।

৭। গ্রেড বীমের বটম লেয়ারের লেপিং 40D অনুসারে দিন। বটম লেয়ারে ল্যাপিং L/4 এর মধ্যে রাখেন এবং বটম লেয়ারের ল্যাপিং মাঝে রাখবেন না।

৮। এবার গ্রেড বীমে স্টিরাপ সঠিক দূর পর পর সোজাভাবে বাঁধুন। স্টিরাপের হুক দেওয়া মাথা গ্রেড বীমের উপরের লেয়ারে রাখুন এবং হুক অল্টারনেট করে বাঁধুন।

৯। এবার সাটারিং শুরু করুন।

১০। কাঠের সাটার ব্যাবহার করলে সাটারে পাতলা পলিথিন লাগান এতে ঢালাই ভাল হবে।তবে স্টিল সাটারিং করতে পারলে সবচেয়ে ভালো। সাটারিং এর পর লিকেজ ভালো ভাবে চেক করতে হবে।

১১। সুন্দর করে সাটারিং করার পর ২ থেকে ২.৫ ফিট পর পর বাটাম দিয়ে মুখ টানা দিতে হবে। এবং ২" * ২" ডাসা দিয়ে সাটার ভালভাবে ঠেলা দিতে হবে ভাইব্রেটিং করলে সাটার ফেটে গিয়ে ঢালাই না বের হয়ে যায়।

১২। সাটার গ্রেড বীমের গভীরতা থেকে অবস্যই ২" বেশি করবেন যাতে ঢালাইয়ের সুবিধা হয়।

১৩। গ্রেড বীমে ২.৫" সিসি ব্লক ব্যাবহার করুন।

১৪। এবার গ্রেড বীম পরিষ্কার করে ঢালাই শুরু করুন।

১৫। গ্রেড বীমের ঢালাইয়ে জয়েন্ট দিতে চাইলে অবশ্যই কলাম থেকে L/4 এর মধ্যে যেন না পড়ে, অথবা কলাম থেকে সামান্য দূরে জয়েন্ট রাখবেন। জয়েন্ট কখনো বীমের মাঝে রাখবেন না।

১৬। ঢালাই সঠিক রেশিও তে করুন।

১৭। ঢালাইয়ের আগে সোলিং ভালভাবে পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিন যাতে ইট ঢালাই থেকে কোন পানি শোষণ করতে না পারে।

১৮। ঢালাই শেষ হবার ২৪ ঘন্টা পর গ্রেড বীমের উপর পানি দিয়ে কিউরিং করুন এবং ৪৮ ঘন্টা পর গ্রেড বীমের সাইড সাটার খুলে চট পেঁচিয়ে ১৪ দিন কিউরিং করুন।
বিভিন্ন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং তথ্য পেতে পেজ এ লাইক দিয়ে সাথে থাকুন

Address

Jessore
7440

Telephone

01786500954

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MR Design & Construction. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to MR Design & Construction.:

Share