24/03/2026
পেট্রল নিবো? ❓ নাকি অক্টেনই নিতে হবে? ⁉️
তীব্র জ্বালানী সংকট।কেন সংকট আল্লাহ জানে।
পেট্রল/অক্টেনত আমাদের দেশেই উৎপাদন হয়।বাট অজানা কারণে সংকট।
পাম্পে অক্টেন নাই।।তবে অনেক যায়গায় পেট্রল পাওয়া যাচ্ছে।।সো পেট্রল নিবেন কিনা অনেকেই কনফিউসন থাকেন।
যাই হোক, পেট্রল বা অক্টেন এর মেইন নাম মুলত গ্যাসলিন।সো দুইটাই সেইম জিনিস আসলে।।
গ্যাসলিনের সাথে কিছু স্পেশাল এডিটিভ মিশায়।
একে Ron এডিটিভ বলে,যেটা লং চেইন ব্র্যাঞ্চি হাইড্রোকার্বন।।
এটা গ্যাসলিনের অক্টেন নাম্বার বাড়ায়।
অন্যান্য দেশে বিভিন্ন রনের গ্যাসলিন সেল করে।
Ron-85, Ron -90, Ron-95 এইসব নামে
বাংলাদেশে এইভাবে সেল হয় না, হয় পেট্রল আর অক্টেন নামে
পেট্রলে রন একটু কম থাকে, কাগজে কলমে ৮২-৮৫ আর অক্টেনে রন একটু বেশি থাকে,কাগজে কলমে ৮৫-৮৮।
রন বেশি ইউজ করা লাগে, নাইলে ইঞ্জিন নকিং করে।।নকিং ইঞ্জিনের জন্য ক্ষতিকর।
আর তেলের যে কালার দেখতেসেন লাল বা হলুদ এটা হলো কালার মিশায়।। অরিজিনাল গ্যাসলিনের কোন কালার নাই।মানে পানি কালার।
আমাদের দেশে ভেজালের কারণে অক্টেন বা পেট্রলে রনের পরিমান খুবই বাজে।
বুয়েটের এক ভাইর এক পোস্টে দেখসিলাম ঊনার একটা থিসিসে চেক করতে গিয়ে দেখে প্র্যাক্টিকেলি অক্টেনের রন থাকে ৮০-৮২,
পেট্রলে থালে ৭৭-৭৮
এইজন্য আমাদের দেশে ইঞ্জিন কম লাস্টিং করে।
সো পেট্রল অক্টেন যাই ইউজ করেন,দুইটাই আসলে ইঞ্জিনের ক্ষতি করতেসে।
এখন তেলের সংকটে অনেক যায়গায় পেট্রল এভেইলেবল,বাট অক্টেন নাই।
⛳⛳এইসব ক্ষেত্রে আমার সাজেসনঃ
১।যদি দেখেন এলাকায় পেট্রল /অক্টেন দুইটাই খুব ভাল কোয়ালিটি,কালার ভালো,গন্ধ ভাল এইসব ক্ষেত্রে অক্টেন নিবেন। (যদি অক্টেন এভেইলেবল থাকে আরকি)
২। যদি দেখেন পেট্রলের কোয়ালিটি ভাল,বাট অক্টেনের কালার, গন্ধ ভাল না,তাইলে পেট্রল নিবেন। অক্টেন নেয়ারই দরকার নাই।
৩।।দুইটাই যদি জঘন্য খারাপ হয় তাইলে যেকোনটাই নিতে পারেন,লো সিসি বাইক হলে পেট্রল নিয়েন।।
বাজে তেলের কারনে নকিং খট খট আসলে অক্টেন বুস্টার ঢেলে দিয়েন।। নকিং আসতে দেয়া যাবে না কোন ভাবেই।
ইঞ্জিনের জন্য সবার আগে জরুরি হলো ভেজাল মুক্ত ফুয়েল।
ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো দেশের বেশিরভাগ যায়গায় অক্টেনের চেয়ে পেট্রলের কোয়ালিটি আমার কাছে বেটার মনে হইসে।।মানে ভেজালটা পেট্রলে কম করে জেনারেলি।।এর কারন হলো অক্টেনের চাহিদা বেশি হওয়াতে ভেজাল এটাতেই বেশি মিশায়।।
এরপর রনের ব্যাপার আসবে।
এইবার আসি লিকুইড কুল হাই কম্প্রেশন রেশিও ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে। যেমন R15,CbR,Gsx, Karizma, CF moto,Lifan
এরা অনেক ফুয়েল সেনসিটিভ হয়।
এইসব ক্ষেত্রে এই সংকটে পেট্রল নিতে পারেন সমস্যা নাই,যদি দেখেন নকিং হচ্ছে,সেক্ষেত্রে ভাল ব্র্যান্ডের অক্টেন বুস্টার দিয়ে দিবেন। নকিং কমে যাবে। ভাল ব্র্যান্ড বলতে লিকুই মলি,রোয়ি,ম্যাক্সিমা, স্টপ, মটোকেয়ার, ফ্ল্যামিংগো এইগুলা।।
সো, ফাইনাল কথা হলো পেট্রল নেন সমস্যা নাই। জাস্ট তেলটা যেন ফ্রেশ থাকে। এয়ার কুল বা অয়েল কুলে কোন প্রবলেম ফেইস করবেন না।এমনকি ভাল পেট্রল হলে লিকুইড কুল ইঞ্জিনে প্রবলেম পাবেন না।
সো তেলের পাম্পে লম্বা লাইনে না দাড়াই থেকে এই সংকটের মুহুর্তে বুদ্ধি করে পেট্রল আছে এমন পাম্পে যান।।
আর শুনেন,দুইটাই যেহেতু সেইম জিনিস সো মিক্স আপ হলেও সমস্যা নাই 😒
অনেকে আবার ইচ্ছা করে পেট্রল অর্ধেক ভরেন,অক্টেন অর্ধেক ভরেন,এই পন্ডিতি কেন করেন,কোন উপকারে করেন এইগুলা উনারাই ভাল জানেন। 😑 এইগুলা মানসিক সমস্যা।
মিক্স করলে সমস্যা নাই,বাট মিক্স করা মানে দুইটা সেইম জিনিস নিসেন,জাস্ট রন চেঞ্জ হইসে। সো লাভ কি?
🔺পাওয়ার ফিলঃ
পেট্রল /অক্টেন দুইটাই যদি ফ্রেশ হয় তাইলে পেট্রলে এক্সিলারেশন সামান্য বেশি পাবেন।এমনকি মাইলেজো ১/২ কি.মি. বেশি পাবেন।।কারন পেট্রলে রন এডিটিভ একটু কম থাকে,গ্যাসলিন পারসেন্টেজ বেশি থাকে।
আর রন এডিটিভ কিন্ত ফুয়েল না,সো এটায় এনার্জি খুব একটা আসে না।
বাট অক্টেনে পাবেন স্মুথনেস,ইঞ্জিন বাজি নেস কম থাকবে।।
ভাল অক্টেন ইউজ করলে ইঞ্জিন স্লাইটলি বেটার ডিউরেবল হবে।। বাট শর্ত হলো ভাল অক্টেন ইউজ করা লাগবে