15/04/2018
পবিত্র কোরআনে উল্লেখ রয়েছে, ‘নামাজ শেষ হওয়ার পর তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর ফজল (রিজিক) অন্বেষণ করো।’ (সুরা জুমা, আয়াত ৯) প্রিয় রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘হালাল রিজিক অন্বেষণ করা ফরজ ইবাদতের সমান গুরুত্বপূর্ণ।’ কানজুল উম্মাল, খণ্ড ২. হজরত উমর (রা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ যেন জীবিকার অন্বেষণ ছেড়ে অলস বসে না থাক।’ কানজুল উম্মাল, খণ্ড ২. কোরআন এবং হাদিসের বিভিন্ন ভাষ্যে স্পষ্ট নির্দেশ করা হয়েছে, আল্লাহ তায়ালার বন্দেগি করার পাশাপাশি নিজের জীবিকা উপার্জনের জন্যও বৈধ সব রকমের চেষ্টা করতে হবে। অব্যাহতভাবে সেই চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। শুধু তা-ই নয়, বৈধ উপায়ে রুজির প্রচেষ্টাও ইবাদত। এ জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে প্রচুর সওয়াব মিলবে। হালাল জীবিকা উপার্জনের যত পদ্ধতি আছে, ব্যবসা-বাণিজ্যই এসবের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। ‘পৃথিবীতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে ব্যবসাই সবচেয়ে বড় উপার্জনের মাধ্যম। সভ্যতা-সংস্কৃতির উপকরণগুলোর মধ্যে এটিই অন্যতম উপকরণ।’ আলা মাজাহিবুল আরবায়া, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ২০২.অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও প্রাধান্যের অন্তর্নিহিত রহস্য সবচেয়ে বেশি ব্যবসা-বাণিজ্যে। এ অঙ্গনে যে জাতি যত বেশি মনোযোগী হয়, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে তারাই তত বেশি স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে। ইসলাম ব্যবসা-বাণিজ্যকে বিশেষভাবে গুরুত্ব এবং ব্যাপক উৎসাহ দিয়েছে। কোরআন শরিফে বলা হয়েছে, ‘তোমরা একে অপরের ধনসম্পদ অবৈধ উপায়ে আত্মসাৎ করো না। পারস্পরিক সম্মতিতে ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে মুনাফা অর্জন করো।’ সুরা নিসা, আয়াত ২৯।