27/05/2021
Price-1600 Tk.
ঢাকা শহরে ২৪ ঘন্টায় হোম ডেলিভারী,
সারাদেশে কুড়িয়ার সার্ভিসে পাঠানোর ব্যাবস্থা রয়েছে।
ক্যাশ অন ডেলিভারী। ডেলিভারী চার্জ 70 টাকা।
অরিজিনাল জাম্পার পালস অক্সিমিটার, বর্তমান সময়ের সেরা ব্র্যান্ড, শরীরের নিখুত অক্সিজেন পরিমাপ এবং সেরা খুচরা মূল্যে, অর্ডার করার জন্য এখনই কল (01713152789) অথবা ম্যাসেজ করুন।
পালস অক্সিমিটার এবং অক্সিজেন ব্যবহার সম্পর্কিত কিছু কথা:
বর্তমান সময়ে করোনা উপসর্গ বা করোনা পজেটিভ রোগীর বাসায় চিকিৎসা দিতে পালস অক্সিমিটার জরুরি। বিশেষ করে রোগী যদি বয়স্ক, সাথে কোনো রোগ বিশেষ করে ডায়বেটিস, শ্বাসতন্ত্রের কোন রোগ যেমন এ্যাজমা বা ক্রনিক লাংস ডিজিজ, কিডনী রোগ, হার্টের রোগ থাকে বা অতিরিক্ত মোটা হয়ে থাকেন তাহলে সেক্ষেত্রে খুব দরকার। এতে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কতটা ভালো আছে তার একটা ধারণা নেয়া যায়।
সংক্রমনের পর ৩/৪ দিন পর থেকে উপসর্গ দেখা যায় এবং ৭/৮ দিনের মধ্যেই সংক্রমনের গভীরতা বোঝায়, ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট প্রভৃতি। ৮০% রোগী কোনো গুরুতর সমস্যা ছাড়াই ভালো হলে যায়।
এর মধ্যেই আপনি দেখে নিয়েছেন অক্সিজেন স্যাচুরেশন SpO2 ৯৫ এর নিচে সাধারণত নামে না। স্যাচুরেশন ৯৩ এর নিচে চলে গেলেই রোগীর অক্সিজেন প্রয়োজন। বাসায় সিলিন্ডার ব্যবহার করলে কত লিটার অক্সিজেন প্রতি মিনিটে রোগী নিচ্ছেন তা ফ্লো মিটারে দেখে নিতে পারবেন। ফ্লো মিটারের বলের নিচের অংশটা কোন দাগে আছে সেটাই হচ্ছে অক্সিজেনের প্রবাহ। অল্প দিয়ে শুরু করতে হয়। ২ বা ৩ লিটার পার মিনিট দিয়ে শুরু কররতে হয় ন্যাসাল ক্যানুলা দিয়ে। আর ২/৩ লিটার ১০-২০ মিনিট ব্যবহার করার পর স্যাচুরেশন যদি বাড়ে, অক্সিজেনের পরিমান আরো কিছু বাড়িয়ে ৯৮/৯৯ এ নিয়ে আসুন। ঘন্টাখানেক পর অক্সিজেন খুলে দিয়ে শ্বাসের ব্যায়াম করান, উপুড় হয়ে বুকের ওপর শুয়ে থাকতে বলুন। আবারো যদি নেমে যায়, তখন আবার অক্সিজেন দিন। নইলে ফুসফুস তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারাবে।
SpO2 ৯৩ এর ওপরে না উঠলে ফেস মাস্ক দিয়ে ৫-১০ লিটার ব্যবহার করেও রোগীর স্যাচুরেশন যদি না বাড়ে বা আরো কমতে থাকে ধরেই নিতে হবে, ফুসফুস পুরোপুরি কার্যক্ষম নেই। হাসপাতালে খোঁজ নেয়া শুরু করতে হবে। অক্সিজেন চলবে। ৯০ এর নিচে হলে রোগীকে হাসপাতালেই থাকতে হবে কারণ তখন তার প্রয়োজন হবে হাই ফ্লো অক্সিজেন যা রোগীর প্রয়োজন ভেদে ৫০-৬০ লিটার পর্যন্ত দেয়া হয়। বাসায় তা সম্ভব না।
মিনিটে ১ লিটার অক্সিজেন দিলে মাঝারী ধরনের সিলিন্ডারে আনুমানিক ২২ ঘন্টা রোগী অক্সিজেন পায়।অতিরিক্ত অক্সিজেন ছেড়ে রাখলে দ্রুত শেষ হবে, রিফিল না থাকলে মুশকিলে পড়বেন। তার চেয়েও ভয়ের কথা অতিরিক্ত অক্সিজেনের বিষক্রিয়া হবে। আবার ধুমপায়ীদের জন্য কম SpO2 ও স্বাভাবিক।
কাজেই বাসায় অক্সিজেন সিলিন্ডার থাকলেই হাসপাতালে যাওয়া থেকে বেঁচে গেলেন, তা নাও হতে পারে। বরং অব্যবহৃত সিলিন্ডারটি অক্সিজেন ব্যাংককে দিতেই পারেন। কাজে লাগবে মুমূর্ষু রোগীর।
নিজেরা বাসায় চিকিৎসার ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন। মনে করবেন এটা একটা ওষুধ। পরিমান ও সময়সীমা জেনেই তারপর ব্যবহার করবেন। অক্সিজেন দেবার সময় শুধুমাত্র একজন পরিচর্যাকারী মাস্ক পরে সাথে থাকবেন তবে অবশ্যই যথাসম্ভব নিরাপদ দূরত্বে (সম্ভব হলে ৬ ফুট) থাকবেন।
প্রতিদিন ফুসফুসের ব্যায়াম করুন। সবাই ভালো থাকুন, সাবধানে থাকুন।