Right Consultancy

Right Consultancy Provides advice to companies to solve problems, create value, improve growth, and maximise business efficiency and profitability.

13/02/2020

চলুন কিছু খাদ্য সন্ত্রাসী চিনে নেইঃ

প্রথম মানব হযরত আদম (আ.) পৃথিবীতে ১০০০ বছর বেঁচেছিলেন। হযরত নূহ (আ.) বেঁচেছেন ৬০০ বছর। আমাদের আদি বংশধরেরা ১৫০ বছরেরও বেশি জীবনধারণ করে গেছেন। এমনকি সমসাময়িক পৃথিবীতে অল্প কিছু শতায়ূ মানুষ টিকে আছেন। কিন্তু সেই আয়ু কমতে কমতে গড়ে ৭০-এর আশেপাশে এসে ঠেকেছে। একটু ভাবুন তো- এতোসব আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা মানুষের হাতের নাগালে থাকার পরও ক্রমাগত আয়ু কমে যাওয়ার কারণ কী হতে পারে?

যখন থেকে মানুষ সভ্য হওয়ার দোহাই দিয়ে প্রাকৃতিক নিয়ম ভঙ্গ করার বদাভ্যাস গড়ে তুলেছে, ঠিক তখন থেকেই অসুস্থ হয়ে নানান রোগে ভুগে মৃত্যুর প্রবণতা বেড়েছে! গবেষণায় এটা প্রমাণিত যে, মানুষের অধিকাংশ রোগের মূল কারণ কতিপয় খাদ্য-সন্ত্রাসী। আসুন, জেনে নিই- প্রতিদিনকার খাবাবেব মধ্যে কোন কোন খাদ্যদ্রব্য দেহের ভেতরে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ সংগঠিত করে শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বিঘ্নিত করে চলেছে?

সন্ত্রাসী নং-১ : সাদা চিনি

আধুনিক শহুরে জীবনপ্রণালীতে ঘুম থেকে উঠে এক কাপ ধুমায়িত চা পান নৈমত্তিক ঘটনা। অনেকে বিছানায় আধ-শোয়া অবস্থাতেই চা পান করে থাকেন। ধুমায়িত চায়ের উপাদান দুধ+সাদা চিনি+চাপাতা+পানি।

চিনি এবং গুড় একই সূত্র থেকে আসা। গুড় ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়ামসহ নানান মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার। কিন্তু গুড়কে পরিশোধিত প্রক্রিয়ায় চিনি তৈরি করতে কমপক্ষে ২৩ রকমের ক্যামিক্যাল মেশানো হয়। ফলে চিনিতে কোনো ভিটামিন, মিনারেল, খাদ্যপ্রাণ অবশিষ্ট না থেকে বরং পুষ্টিশূন্য হয়ে যায়। চিনি হাইক্যালোরি হওয়াতে শরীরে চর্বি জমাতে সাহায্য করে। আজকালকার ছেলেমেয়েরা শরীরে অধিক ওজন বহন করেন। কেননা তারা অতিমাত্রায় মিষ্টি খাদ্যে আকৃষ্ট হয়ে Obesity রোগে ভোগেন।

মানুষ যখন চিনির প্রতি আকৃষ্ট হয়, তখন মিষ্টিদ্রব্যের প্রতিও আসক্তি বাড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, চিনি হজম করতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের প্রয়োজন হয়। চিনি তৈরি হওয়ার আগে গুড় স্তরে এ সকল উপাদানই বিদ্যমান থাকে। কিন্তু চিনি হজম করতে গিয়ে শরীরের অনেক ক্ষতিসাধনের পর ওই উপাদানগুলোই শরীরের অন্যান্য অঙ্গ থেকে এনে হজম প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে হয়!

চিনির তৈরি খাবার যারা নিয়মিত খান, জীবনের শেষ দিকে তারা অষ্ট্রিয়োপরোসিস-সহ নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হন। সঙ্গত কারণেই চিনিকে সাদা বিষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশুদ্ধ চিনি ছাড়াও যত রকম খাদ্যদ্রব্য চিনি দিয়ে তৈরি করা হয়, সবই শরীরের মধ্যে সন্ত্রাসীর মতো সমভাবে কাজ করে নানা রোগের উৎস হয়ে দাঁড়ায়। সেজন্য দুধ-চিনি মেশানো চা, চকলেট, লজেন্স, মিষ্টান্ন, কোমল পানীয় এবং চিনি দিয়ে তৈরি সকল প্রকার বেকারি খাদ্যদ্রব্য বর্জন করা উচিত। জেনে হয়ত অবাক হবেন- এক গ্লাস কোমল পানীয় পান করলে শরীরে যে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে, তা নিরপেক্ষ করতে কমপক্ষে ৩২গ্লাস পানি পানের প্রয়োজন!

অনেকে প্রশ্ন তুলতে পারেন- গ্লুকোজ মানবদেহে শক্তির প্রধান উৎস। অবশ্যই গ্লুকোজ শক্তির উৎস। তবে সেটা সাদা চিনি নয়; ফলমূল এবং শ্বেতসার খাবারের মধ্যে বিদ্যমান চিনি বা শর্করা। এটা কোনোরকম ক্ষতি না করে হজম হয়ে শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তির যোগান দেয়। সুতরাং সারাজীবন সুস্থ থাকতে চাইলে খাদ্যতালিকা থেকে সাদা চিনি এবং চিনি দিয়ে তৈরি সকল খাবার বাদ দিতে হবে। এই অশুভ চক্র থেকে চিরতরে বের হতে চাইলে তিনদিন শুধু লাল আঙুর খেয়ে থাকতে পারেন। এ সময় আঙুর আর পানি ছাড়া অন্য কিছু না খেলে শরীরে সঞ্চিত সকল চিনি বের হয়ে যাবে এবং চিনির প্রতি আকর্ষণও চিরতরে কমে যাবে!

সন্ত্রাসী নং-২: ক্যাফেইন

চা এবং কফি হজমের পর অবশিষ্টাংশ (Residue) ক্যাফেইন হিসেবে পরিচিত। এর চরিত্র ভন্ড রাজনীতিবিদদের মতো- ভালো কিছুর প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে করে তার বিপরীত! বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন- এক কাপ চা/কফি পান করলেই বুঝি ক্লান্তি দূর করে শরীর চনমনে হয়ে যায়! কিন্তু বাস্তবে ঘটে তার উল্টোটা।

ক্যাফেইন কিছু সময়ের জন্য শরীরে প্রফুল্লতা এনে দেয় বৈকি, কিন্তু যারা চা/কফি পানে অভ্যস্ত, তারা কখনোই শারীরিক ক্লান্তি আর অবসাদের রাহুগ্রাস থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন না। এজন্য চা/কফি পানে অভ্যস্তদের শরীরের স্বাভাবিক জলীয় মাত্রা পূরণ করতে এক কাপ চা/কফি পানের পাশাপাশি দুই কাপ পানি পান করা উচিত। এই অশুভ চক্র থেকে বের হতে চাইলে চা/কফির বদলে কয়েকদিন শুধু আদা চা পান করবেন এবং খাদ্য তালিকায় পাকাকলা এবং নানা ধরনের টকজাতীয় ফল রাখবেন।

সন্ত্রাসী নং-৩: পরিশোধিত শ্বেত-সার (ময়দা/সাদা চাল)

পরিশোধিত ময়দা আর চাল পৃথিবীর প্রায় সকল এলাকায় কোনো না কোনোভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। যান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ময়দা আর সাদা চাল উৎপাদন করার সময় শস্যদ্বয়ের আবরণের মূল্যবান পুষ্টি উপাদান ভিটামিন এবং মিনারেল ঝেড়ে ফেলে দিয়ে নিরেট শ্বেতসার নামক বস্তুতে রূপান্তরিত করা হয়। বর্তমানে বহুল প্রচলিত খাদ্য যেমন সাদা পাউরুটি, নানরুটি, পিৎজ্জা, বিস্কুট, কেক, প্রেষ্টিসহ নানা ধরনের বেকারি খাদ্যদ্রব্য, নুডলস ইত্যাদি পরিশোধিত সাদা ময়দা দিয়ে তৈরি করা হয়। অপরদিকে পরিশোধিত সাদা চাল দিয়ে ভাত, পোলাও, বিরিয়ানী, ফ্রায়েড রাইস ইত্যাদি তৈরি করা হয়, যা দৈনন্দিন খাবারের প্রধান অংশ।

শ্বেতসার হজম এবং মেটাবলিসম প্রক্রিয়ায় ভিটামিন বি-এর বিশেষ প্রয়োজন, যা পরিশোধিত ময়দা এবং চালে পুরোপুরি অনুপস্থিত। পরিশোধিত শ্বেতসারে হজম প্রক্রিয়া এবং এ থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি এবং শক্তিগ্রহণ করতে বিভিন্ন অরগান- স্নায়ুতন্ত্র, মাংসপেশী, লিভার, কিডনি, পাকস্থলি, হৃদপিন্ড, চর্ম, চোখ ও রক্ত থেকে প্রয়োজনীয় ভিটামিন বি ছিনিয়ে নিয়ে শরীরের ওইসব অর্গানকে দুর্বল করে দেয়।

পরিশোধিত চাল ময়দায় নিরেট শ্বেতসার ছাড়া কোনো ফাইবার, মিনারেল কিংবা ভিটামিন থাকে না। ফলে শরীরের হজম প্রক্রিয়ায় ব্যঘাত সৃষ্টি করে এবং পর্যায়ক্রমে ডিজেনারেটিভ রোগে আক্রান্ত হতে থাকে। তাই এখনই সময় খাদ্যতালিকা থেকে পরিশোধিত শ্বেতসার যেমন : সাদা চাল, ময়দা আর চিনি বর্জন করে লাল চাল, লাল আটা, লাল গুড় ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তোলার।

সন্ত্রাসী নং-৪ : লবণ

আমাদের শরীরে প্রায় ১০০ ট্রিলিয়ন কোষ আছে। প্রত্যেকটি কোষে বহুসংখ্যক ইলেকট্রন, প্রোট্রন আর নিউট্রন বিদ্যমান, যারা শরীর পরিচালনার জন্য বিশেষ কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে। এই কার্যক্রমের সময় কোষ ক্রমাগতভাবে যেমন ধ্বংস হয়, তেমনি আবার নতুন কোষ সৃষ্টিও হয়। এই জটিল প্রক্রিয়া সংগঠিত হওয়ার সময় সামান্য লবণের (সোডিয়াম) প্রয়োজন হয়। খাবারে সব ধরনের শাক-সবজি, ফলমূলের মধ্যে প্রাকৃতিক লবণ বিদ্যমান, যা শরীর পরিচালনার জন্য যথেষ্ট। সে কারণে বাড়তি লবণের প্রয়োজন হয় না।

সমস্ত তৃণভোজী প্রাণী অবশ্য তাদের প্রয়োজনীয় লবণ ঘাস ও পাতা থেকেই পেয়ে থাকে। খাদ্যদ্রব্য মুখে যাতে স্বাদ লাগে, তার জন্য রান্নার সময় নানারকম মসলা আর লবণ প্রয়োগ করা হয়। এতে প্রতিদিন প্রয়োজনের তুলনায় অধিক পমিাণে লবণ শরীরে প্রবেশ করে নানা রকম বিষ (টক্সিন) সৃষ্টি করে। কোনো কারণে শরীরে বাড়তি লবণ ঢুকলে কিডনিদ্বয় বাড়তি লবণটুকু ছেঁকে মূত্রথলিতে পাঠিয়ে দেয়। পরে মূত্রের সঙ্গে এটা শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। অব্যাহত এ প্রক্রিয়ায় কিডনির উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে বিধায় কিডনির কার্যক্ষমতা ক্রমশ হ্রাস পেতে থাকে।

উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনি রোগের প্রধান কারণ অতিরিক্ত লবণ। উচ্চ রক্তচাপ থাকলে কোষের ধ্বংসপ্রাপ্ত ক্রিটিনাইন নামক বিষাক্ত উপাদান রক্তে বেড়ে যায়। এতে করে মানব-শরীরে বিভিন্ন ধরনের রোগাক্রান্ত হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। খাবার মুখে দেওয়ার সময় লবণের বিষয়টি অবশ্যই খেয়াল করবেন। মনে রাখবেন- সুস্থ শরীরে দিনে ৪-৫ গ্রামের বেশি লবণ যেন প্রবেশ না করে। বেশি লবণ মানেই দেহের অমূল্য সম্পদ কিডনির উপর প্রবল চাপ প্রয়োগ করে একে অকার্যকর করে ফেলা। লবণের প্রতি আকর্ষণ এবং অশুভ চক্র থেকে নিস্তার পেতে হলে দুইদিন শুধু তরমুজ খেয়ে থাকলে মুখের ভেতর এক ধরনের নোনতা স্বাদ অনুভূত হবে এবং স্বল্প লবণযুক্ত খাবারও স্বাদ লাগবে।

সন্ত্রাসী নং-৫: ভাজাপোড়া এবং ফাস্টফুড

ভাজাপোড়ার মধ্যে পড়ে চানাচুর, ডালপুরি, জিলাপি, ডালের বড়া ইত্যাদি। রমজানের সময় দোকানে যেসব ইফতার সামগ্রী সাজানো থাকে, তার সিংহভাগ থাকে তেলে ভাজা। বারবার একই তেলে ভাজা চলতে থাকলে ওই তেলে ফ্রি রেডিকেল সৃষ্টি হয় এবং তা শরীরে প্রবেশ করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতে থাকে। যার ফলে শরীর Acid এবং Alkaline স্বাভাবিক ভারসাম্য বিনষ্ট করে থাকে।

ফাস্টফুড যত বেশি শরীরে ঢুকবে, তত বেশি অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে। বাস্তবে দেখা যায়- যারা নিয়মিত চানাচুর, মুড়ি ভাজা, ফুচকা, ডালের বড়া, পিৎজ্জা, বারগার, নানা ধরনের চিপস, প্যাটিস, ফ্রেঞ্চফ্রাইড (আলুভাজা) আর রাতে রান্না করা খাবার সকালে মাইক্রোওভেনে গরম করে খেয়ে থাকেন, তারা নানাবিধ পেটের পীড়ায় ভোগেন। এর প্রধান কারণ ফ্রিরেডিকেলের আধিক্য।

তরঙ্গ বলবিদ্যাকে কাজে লাগিয়ে মাইক্রোওভেনে খাদ্যদ্রব্যের মধ্যেকার প্রোট্রন, ইলেকট্রন এবং নিউট্রনগুলোকে এক অদৃশ্য তরঙ্গের মাধ্যমে ওলট-পালট করে গরম করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় খাদ্যের প্রাণশক্তি একেবারেই ধ্বংস হয়ে যায়! ফলে দেহের যে কোনো কোষকে ক্যান্সার কোষে রূপান্তরিত করতে পারে। অর্থাৎ সব ধরনের ভাজাপোড়া মাইক্রোওভেনে গরম ও রান্না করা খাবার ভালো স্বাদের আবরণে শরীরের মধ্যে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে, যার নিশ্চিত গন্তব্যস্থল অসুস্থতা, অসুস্থতা এবং অসুস্থতা।

সন্ত্রাসী নং-৬: আলু

আলু আমাদের রান্নার নিত্য গ্রহণীয় খাবারের মধ্যে অন্যতম। এই আলু যদি আমরা খোসা ছাড়ানো অবস্থায় রান্না করে খাই, তাহলে সরাসরি শরীরে অ্যাসিড তৈরি করে। শরীরের নানান জটিলতা সৃষ্টির জন্য এই আলু দায়ী, কিন্তু যদি আমরা খোসাসহ আলু রান্না করে খাই, সেক্ষেত্রে এসিড তৈরি হয় না। আবার এই কাঁচা আলুই খোসাসহ সালাদ হিসেবে অথবা জুস করে খেলে তা এসিড কমানোর জন্য খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

সন্ত্রাসী নং-৭ : আঁশবিহীন খাবার

যে কোনো খাবারে আঁশসামগ্রী থাকা অত্যন্ত জরুরি। কেননা এটা অন্ত্রনালীর মধ্যে ঝাঁটার মতো পরিষ্কারের কাজ করে! খাবার হজম হওয়ার প্রক্রিয়ায় বর্জ্য পদার্থগুলো কোলনে পাঠাতে এই খাদ্য-আঁশ বিশেষ ভূমিকা রাখে। আঁশবিহীন খাবারের বর্জ্য অনেক সময় না বেরিয়ে কোলনে জমা হতে থাকে। এমনকি মলত্যাগ করলেও কিছুটা মল কোলনে অবশিষ্ট থেকে যায় অর্থাৎ ভালোভাবে পেট পরিষ্কার হয় না।

আঁশবিহীন খাদ্যদ্রব্য যত বেশি কোলনে থাকবে, ততই ক্ষতিকর টক্সিন সমস্ত শরীরে ছড়িয়ে পড়বে। এর ফলে প্রচন্ড এসিডিটি, মাথাব্যাথা, বমিভাব, অবসাদ, ক্লান্তি ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। কেউ যদি টানা এক মাস ফাস্টফুড খান, তবে তার শরীর নিশ্চিতভাবে নানাবিধ রোগের যাদুঘরে পরিণত হবে। মনে রাখবেন- সকল রোগের উৎপত্তিস্থল এই কোলন। কেবলমাত্র কোলন পরিষ্কার রাখতে পারলেই রোগমুক্ত জীবন উপভোগ করা সম্ভব।

30/10/2019
সাইকোলজিক্যাল ফার্স্ট এইড কী?সাইকোলজিক্যাল ফার্স্ট এইড হলো প্রাথমিক মনস্তাত্ত্বিক চিকিৎসা। এমন সব মানুষ, যারা ভোগান্তির ...
27/10/2019

সাইকোলজিক্যাল ফার্স্ট এইড কী?

সাইকোলজিক্যাল ফার্স্ট এইড হলো প্রাথমিক মনস্তাত্ত্বিক চিকিৎসা। এমন সব মানুষ, যারা ভোগান্তির মধ্যে আছেন এবং যার সাহায্যের প্রয়োজন, তাদের আহ্বানে মানবিক ও সহায়ক সাড়া প্রদানই প্রাথমিক মনস্তাত্ত্বিক চিকিৎসা। অন্য কথায়, গুরুতর চাপমূলক ঘটনা পরবর্তী (যেমন- গুরুতর আঘাতের ঘটনা) তীব্র মানসিক কষ্টে (উদ্বেগ, শোক ও দুঃখ) সহায়তা দেওয়াকে সাইকোলজিক্যাল ফার্স্ট এইড বলে।

প্রাথমিক মনস্তাত্ত্বিক চিকিৎসার কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে-

> ব্যক্তির কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, কথা বলার জন্য তাকে জোরাজুরি না করা।

> ব্যক্তিকে শান্ত হতে এবং পরিস্থিতি মোকাবেলার ইতিবাচক কৌশল নিতে সাহায্য করা।

> প্রিয়জন এবং বিদ্যমান সেবা ও তথ্যের সাথে ব্যক্তিকে যুক্ত করা।

> নতুন করে ক্ষতির হাত থেকে ব্যক্তিকে সুরক্ষা দেওয়া।

> ব্যক্তির মৌলিক প্রয়োজন মেটানো হচ্ছে কি-না, তা নিশ্চিত করা।

> ব্যক্তির কী কী প্রয়োজন এবং তার উদ্বেগের বিষয়গুলো নিরূপণ করা।

Students Consultancy only for Scholarship.Country : China (Full Scholarship)Admission on : Bachelor all subjects        ...
19/10/2019

Students Consultancy only for Scholarship.

Country : China (Full Scholarship)
Admission on :
Bachelor all subjects
Bachelor of Science
Bachelor of Arts
Bachelor of Business Administration
Master's all subjects
Master's of Science
Master's of Arts
Master's of Business Administration

Any subjects on PHD available our consultancy

Any country work for education scholarship program.

Address

46, Iqbalnagor Mosjid Road
Khulna
9100

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801714432853

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Right Consultancy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Right Consultancy:

Share