29/06/2021
How to make tea?
Use fresh tap water at all times. Oxygen in the water is important for good tea, as it removes the flavor of the tea. Boil water, but not for long.
When the water boils, pour boiling water from the kettle and keep stirring for a while with a spoon. This will get rid of the oxygen in the water and when the tea-leaves are mixed, its flavor will not get out. Then add tea leaves before it cools down. If you like black tea, pour boiling water over the tea then wait two and a half to three minutes. This time should be given because during this time the taste of tea can be mixed with water.
If you want to drink green tea, do not put the tea leaves in hot water for more than two minutes - because it can make the tea bitter. Strain through a sieve at the end and add milk.
চা বানাবেন কীভাবে?
সব সময় ট্যাপের ফ্রেশ পানি ব্যবহার করুন। ভালো চায়ের জন্য পানিতে অক্সিজেন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার, কেননা এটি চায়ের ফ্লেভারকে সরিয়ে দেয়। পানি ফোটান তবে তা বেশিক্ষণ নয়।
পানি ফুটে গেলে কেটলি থেকে ফুটন্ত পানি ঢালুন এবং চামচ দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়তে থাকুন। এতে পানিতে থাকা অক্সিজেন বেরিয়ে যাবে এবং যখন চা-পাতা মেশানো হবে তখন এর ফ্লেভার বেরিয়ে যেতে পারবে না। এর পর ঠাণ্ডা হওয়ার আগেই এতে চা-পাতা মেশান।
আপনি যদি কালো চা পছন্দ করেন তবে চায়ে ফুটন্ত পানি ঢালুন তারপর অপেক্ষা করুন আড়াই থেকে তিন মিনিট। এই সময়টুকু দিতে হবে এ কারণে যে— এই সময়ের মধ্যে চায়ের স্বাদটুকু পানিতে মিশে যেতে পারে।
যদি আপনি সবুজ চা খেতে চান তবে গরম পানিতে চা-পাতা দেওয়ার পর দুই মিনিটের বেশি রাখবেন না— কারণ এতে চা তেতো হয়ে যেতে পারে। সব শেষে ছাকনি দিয়ে ছেঁকে তাতে দুধ মেশান।
একটি রীতি প্রচলিত রয়েছে। তা হলো, চায়ের জন্য প্রথমেই দুধ ঢালতে হবে। তারপর চায়ের লিকার। এ ধারণা কিন্তু একেবারেই ঠিক নয়। আসলে আগে চায়ের লিকার তার পর দুধ।
চা বানানো নিয়ে আরো একটু
চা বানানোর প্রক্রিয়া নিয়ে ব্রিটিশদের মধ্যে একটা বিতর্ক রয়েছে। চায়ের কাপে গরম পানি নেওয়ার আগে দুধ ঢালতে হবে, নাকি পানি নিয়ে তাতে দুধ দিতে হবে? বিজ্ঞান আগে দুধ নেওয়ার পক্ষে কথা বললেও অনেকে তা মানতে নারাজ।
ব্রিটিশদের মতে, কফির চেয়ে চা ভালো। তবে কফির পক্ষও বেশ ভারী। একটু বেশি চাঙ্গা হতে বা চনমনে বোধ করতেই কফি ভক্তরা কফি খান বলে মন্তব্য চা ভক্তদের। যাই হোক, এই পৃথিবীতে এখনো চা যে কফির চেয়ে অনেক বেশি জনপ্রিয় এবং প্রচলিত তাতে কোনো ভুল নেই।
চায়ের ভক্ত ব্রিটিশদের এই পানীয় নিয়ে বহু নিয়ম-কানুন রয়েছে। চায়ের পানি কখন ফোটাতে হবে, কখন দুধ দিতে হবে, কখন চিনি ঢালতে হবে ইত্যাদি নিয়ে গবেষণা চলে রীতিমতো। সবচেয়ে বড় বিতর্ক যে বিষয় নিয়ে চলে তা হলো, কাপে দুধের আগে পানি দিতে হবে, নাকি পানির আগে দুধ নিতে হবে?
ব্রিটিশদের এই বিতর্ক এতটাই উত্তপ্ত পর্যায়ে চলে গিয়েছিল যে, বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসতে হয়েছিল এর সমাধান করতে। আজ থেকে একযুগ আগে এই বিতর্কের অবসান ঘটান বিজ্ঞানীরা।
লগবোরোহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. স্ট্যাপলে বলেন, ফুটন্ত পানি নিয়ে তাতে দুধ ঢালার পদ্ধতিটি সঠিক নয়। কারণ এতে তাপের তারতম্যের কারণে দুধের প্রোটিন নষ্ট হয়ে যায়। তা ছাড়া এতে দুধের কোমল ও মসৃণভাব ফেটে যেতে পারে। এতে দুধের আসল স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়। বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যার পর এটাই সমাধান হিসেবে ধরে নেওয়া হয়েছে।
কিন্তু তাতেও সবকিছুর সমাধান হচ্ছে না। টি-ব্যাগটি পানিতে দেওয়ার আগে দুধের সঙ্গে মেলাতে হবে, নাকি পানি মিশিয়ে তারপর? তবে যদি কেটলিতে চায়ের পাতা ফুটিয়ে নেন তাহলে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু টি-ব্যাগের প্রসঙ্গে আসলেই ঝামেলা।
যুক্তি তুলে ধরে বলা হয়েছে, টি-ব্যাগ সবার শেষে দিতে হবে। কারণ টি-ব্যাগসহ দুধের মধ্যে গরম পানি ঢাললে পানি খুব দ্রুত ঠাণ্ডা হয়ে যাবে।
ড. স্ট্যাপলের কথা অনুযায়ী যদি দুধের ভিন্ন অবস্থা স্বাদহীন হয়, এর অর্থ হলো প্রক্রিয়াজাত প্রোটিনের চেয়ে আসল অবস্থার স্বাদ বেশি ভালো। কিন্তু কাঁচা মাশরুমের চেয়ে তা ভেজে খেলে বেশি স্বাদ লাগে। কাজেই দুধের ক্ষেত্রে কেন তা হবে না?
বিজ্ঞজনের মতে, চায়ের স্বাদ এসব উপকরণ মেলানোর পদ্ধতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। একে পরিবেশনের উপায়টিও গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ সাধারণত বিশেষ মুহূর্তে বা বিশেষ উপলক্ষে চা খায়। আর এ কারণেই ‘টি ব্রেক’ কথাটি এসেছে। একেক মানুষের মধ্যে অবশ্য একেক পরিবেশে কাজের ভিন্নতা বা মন-মানসিকতার ভিন্নতায় চায়ের প্রতি বিভিন্ন রকমের আকর্ষণ কাজ করতে পারে।
বহু বিতর্কের পর চা ভক্তরা শেষ পর্যন্ত নিজের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নিয়েছেন। চা তৈরির সবচেয়ে ভালো উপায় বলতে সেই পদ্ধতিকেই বোঝায় যে উপায়ে চা আপনার কাছে সবচেয়ে উপভোগ্য হয়ে উঠবে। তবে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে এমন চা পাবেন যা আপনি কখনোই খেতে চাইবেন না, এ বিষয়ে নিশ্চিত থাকতে পারেন। কাজেই নানা উপায়ে চা বানিয়ে আপনার কাছে উপভোগ্য হয় এমন পদ্ধতি বের করুন এবং সেভাবেই চা বানিয়ে খেতে পারেন।