07/12/2017
সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন। এখানে আপনি পাবেন এক সাথে চারটি সৌন্দর্য ।
১) নৌ বিহার
২) ওয়াইল্ড লাইফ
৩) প্রকৃতি
৪) সাগর
বাংলাদেশের আর কোথাও নৌযানে করে তিনদিন ভ্রমনের সুযোগ নাই একমাত্র সুন্দরবন ছাড়া, আপনি এখানে সেই সুযোগ পাচ্ছেন সাথে বোনাস হিসাবে পাচ্ছেন প্রকৃতি,ওয়াইল্ড লাইফ, সুমুদ্র ।
শীত কালে প্রকৃতি তার আসল রূপে ফিরে আসে, তাই এই সময় প্রকৃতি উপভোগ করার আসল সময়। শুধু তাই না এই সময় বনে পর্যটক এর সংখ্যাও থাকে কম আর সেই সুযোগে খুব কাছে থেকে বন্যপ্রানী দেখার এক অপূর্ব সুযোগ পাওয়া যায়। এমন কি এই সময় পৃথিবী বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও দেখা জাবার সম্ভবনা খুব বেশী।
এই সময় সুমুদ্রকে পাবেন আপনার মনের মত করে।
আর হ্যাঁ সুন্দরবনে আপনাদের জন্য থাকছে বিশেষ আকর্ষণ হিসাবে
বার- বি- কিউ নাইট।
আরও সাথে থাকছে অভিজ্ঞ গাইড।
আমাদের ভ্রমনের স্থানঃ
১ঃ হারবাড়িয়া
২ঃ কটকা জামতলা সী বিচ
৩ঃ টাইগার টিলা
৪ঃ কচিখালি
৫ঃ টাইগার পয়েন্ট
৬ঃ করমজল
৭ঃ হিরন পয়েন্ট
ভ্রমনের সময়: ৩ দিন ২ রাত
খাবারঃ
ওয়েলকাম ড্রিংকস সহ তিন বেলা খাবারের পাশাপাশি থাকছে দুই বেলা স্ন্যাকস এবং প্রতিবেলা খাবারে থাকবে ভিন্নতার ছোয়া। আরও থাকছে সবসময় চা/ কফির ব্যাবস্থা।
নিরাপত্তাঃ আপনাদের নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ বনবিভাগ থেকে থাকবে দুই জন নিরাপত্তা কর্মী ।
ভ্রমনকালে যা যা সাথে বহন করবেন
কেডস, ব্রাশ, পেস্ট, সানব্লক লোশন, রেইনকোট, ছাতা, টর্চ লাইট, প্রয়োজনীয় ওষুধ।
>>১ম দিন :
নির্ধারিত দিনে ঢাকা থেকে খুলনাগামী বাসে/ট্রেনে করে খুলনা শহরের রয়েল মোড়/রেল স্টেশন থেকে অটোরিক্সাতে করে ৫ মিনিটে জেলখানা ঘাটে সকাল ৭ টার মধ্যে পৌঁছানো। আপনাকে আমাদের ট্যুর গাইড রিসিভ করে ট্রলারে শীপে নিয়ে আসবে। তারপর ফ্রেশ হয়ে সকালের নাস্তা পরিবেশন। জাহাজ মংলা পোর্টে পৌঁছানোর পূর্বে রুপসা ব্রীজ, খুলনা শীপ ইর্য়াড ও রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেখা যাবে। দুপুর ১ টা থেকে ২:৩০ মিনিটের মধ্যে আমরা চাঁদপাই ফরেস্ট অফিস পৌছাবো। বন বিভাগের অনুমোদনপত্র ও গার্ড নিয়ে বিকাল ৩:৩০- ৪ টার মধ্যে হাড়বাড়িয়ায় পৌছানো যেখানে বন বিভাগের ইকো ট্যুরিজম স্পট দেখতে পাওয়া যাবে। এরপর বনের ভিতর দিয়ে ছোট ছোট ক্যানেল পার হয়ে কটকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে রাত ১ টায় পৌছানো এবং রাতে জাহাজে অবস্থান।
>> ২য় দিন :
ভোরে ট্রলারে করে কটকার আশেপাশে ক্যানেল ক্রুজিং। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে গভীরভাবে উপলব্দি করার জন্যে ট্রলার বন্ধ করে বিভিন্ন প্রকার প্রানী যেমন হরিন,মাছরাঙা, বানর, বনমোরগ, হরিণ, বন্য শূকর এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখির কলকাকলী উপভোগ করা হবে। ওয়াচ টাওয়ার, কটকার অফিস পার, জামতলা সী বীচে নেমে ঘু্রাঘুরি করব এবং হেঁটে টাইগার টিলাতে যাব। টাইগার টিলাতে প্রচুর হরিণ দেখতে পাওয়া যাবে এবং ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকলে বাঘ ও দেখা যেতে পারে। লাঞ্চ করার পূর্বে ডিমের চর ও বিকাল ৪ টায় ভয়ংকর কিন্তু সুন্দর কচিখালীতে ঘুরাঘুরি করে বিকাল নাগাদ ট্যুরিষ্ট শীপে চলে আসব। রাতে বার-বি-কিউ ডিনার করে জাহাজে রাত্রি যাপন।
>>৩য় দিন :
সকালে ঢাংমারি ক্যানেল ক্রুজিং ও সকালের নাস্তা খেয়ে করমজল ইকো ট্যুরিজম স্পট পরিদর্শন। সকালে ১০ টায় করমজলে নেমে প্রচুর বানর, হরিন, কুমিরের প্রজননকেন্দ্র দেখতে পাওয়া যাবে। দুপুরের দিকে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা। আনুমানিক রাত ৬/৭ টা নাগাদ খুলনা আসা এবং রাতের বাসে/ ট্রেনে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়া হবে।
প্যাকেজ মুল্য :
জনপ্রতি ৭,৫০০ টাকা (খুলনা-সুন্দরবন-খুলনা) ।
(ঢা্কা থেকে যেতে চাইলে প্যাকেজের সাথে অতিরিক্ত ১২০০/- (নন-এসি) অথবা ২৫০০/- (এসি) ঢাকা-খুলনা-ঢাকা বাস টিকেট যুক্ত করতে হবে।
শিশু পলিসি : ০-২ বছরের বাচ্চাদের জন্য চার্জ প্রযোজ্য নয়, ৩-৬ বছরের বাচ্চার জন্য ৩৫০০/- প্রযোজ্য।
*বিদেশীদের জন্যে অতিরিক্ত ৫২০০/- টাকা ফরেষ্ট এন্ট্রি ফি দিতে হবে।
প্যাকেজে যা থাকবে নাঃ
> ব্যক্তিগত কোন ঔষধ
> পারসোনাল নেচার
> সফট বা হার্ড ড্রিংস্
> ক্যামেরা বা ভিডিও ক্যামেরার এন্ট্রি ফি
বুকিং মানি ৫,০০০ টাকা (জনপ্রতি)
বুকিং মানি জমা দেওয়ার পদ্ধতিঃ
১. সরাসরি অফিসে এসে জমা দেও্য়া যাবে।
২. বিকাশের করা যাবে।
৩. ব্যাংক ডিপোজিট করে বুকিং দেওয়া যাবে।
Call: +8801612862028, +8801719031699