Tasty Treat khulna

Tasty Treat khulna Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tasty Treat khulna, In-Home Service, Khulna.

আলহামদুলিল্লাহ.... ১ যুগের অবসান ❤️
26/08/2024

আলহামদুলিল্লাহ.... ১ যুগের অবসান ❤️

 #ফাইট_এগেইনস্ট্_ব্লাডি_ক্রিমিনাল_ইন্ডিয়াএই জাতিকে কেমনে দমাবেন!!???পানি ছাড়ছেন বন্যা হইসে। সম্মিলিত এবং ব্যক্তিগত উদ্য...
23/08/2024

#ফাইট_এগেইনস্ট্_ব্লাডি_ক্রিমিনাল_ইন্ডিয়া
এই জাতিকে কেমনে দমাবেন!!???

পানি ছাড়ছেন বন্যা হইসে। সম্মিলিত এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে নৌকা নিয়ে হাজির।

স্পিড বোট লাগবে? কর্নফুলি শিপিং বোট সাপ্লাই দিচ্ছে

ইঞ্জিনের জন্য তেল লাগবে? ফুয়েল স্টেশন মালিক তেল ফ্রি করে দিছে।

ত্রাণ কর্মীদের যাতায়াতের জন্য একুশে এক্সপ্রেস ফ্রি করে দিসে বাস।

নৌকা নিয়ে যাওয়া সম্ভব না? প্রবাসীর হেলিকপ্টার ফ্রি হেলিকপ্টার সার্ভিস নিয়ে হাজির।

মোবাইলে নেট/মিনিট নাই? মোবাইল অপারেটর ফ্রি নেট/মিনিট সেবা চালু করে দিছে।

মোবাইলে চার্জ নাই??টাওয়ার কর্তৃপক্ষ চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিছে।

এ জাতিকে দমানো সোজা না। তোমরা আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবা না। আরো একটা ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করতে চলেছি ইনশাআল্লাহ!✊

 অস্তিত্বের মিছিলে চেনা দেয়ালের ওপারে পাঠানো লোকেশনে গিয়ে দেখা যায় পরিবারের সকল সদস্য মৃত। শুধু আধমরা অবস্থায় এই শিশ...
23/08/2024


অস্তিত্বের মিছিলে চেনা দেয়ালের ওপারে

পাঠানো লোকেশনে গিয়ে দেখা যায় পরিবারের সকল সদস্য মৃত। শুধু আধমরা অবস্থায় এই শিশুটি জড়োসড়ো হয়ে আছে একটা পাতিলের মধ্যে। পাশে রাখা ব্যাগে শিশুর প্রয়োজনীয় খাবার সহ সকল কিছু রাখা ছিল

খারাতাইয়া, বুড়িচং থেকে...
- কালেক্টেড

 #দ্য_ব্লাডি_ক্রিমিনালশত্রু আইডেন্টিফাইড। নান আদার দ্যান 'ব্লাডি ইন্ডিয়া'। ত্রিপুরার বন্যা আকস্মিক না। ত্রিপুরায় অতিমাত্...
23/08/2024

#দ্য_ব্লাডি_ক্রিমিনাল
শত্রু আইডেন্টিফাইড। নান আদার দ্যান 'ব্লাডি ইন্ডিয়া'।

ত্রিপুরার বন্যা আকস্মিক না। ত্রিপুরায় অতিমাত্রায় বৃষ্টি হচ্ছিল সেটা ৪ দিন ধরেই। তাই পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে বা যেতে পারে তা ভারতের আন্দাজের বাইরে ছিল এমনটা বলার মত কোনো কারণ নেই। আবহমান কাল ধরে আমরা ভাটির দেশের মানুষ বর্ষার বৃষ্টিতে নদীর বাড়তি ঢেউয়ের সাথে সংগ্রাম করে টিকে আছি। বৃষ্টিতে নদীতে পানি বাড়বে, সেই বাড়তি পানি চলেও যাবে। এ তো স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু বন্যা হয় অন্যভাবে। ত্রিপুরার ডুম্বুর এর টেরেইন টা খেয়াল করলাম। স্বাভাবিকভাবেই পাহাড়ি এলাকায় হাইড্রোইলেকট্রিক প্লান্টটা। উঁচু বা উজান থেকে পানি বেশি প্রেশার ফ্লো নিয়ে দ্রুত গড়ায়। আচমকা গেট খুলে দিয়ে নদীর অলরেডি বাড়তি পানিকে ওভারফ্লো করিয়ে গ্রামগুলো ভাসানো হইলো।

ডুম্বুর হাইড্রোইলেক্ট্রিক প্লান্ট থেকে একদম সরলরৈখিক ভাবেও ফেনীর দূরত্ব পাক্কা ৫০ কিলোমিটার। গোমতী, মুহুরি নদী জলপথে যেটা ১০০ কিলোমিটারের বেশি। ১০০ কিলোমিটার নদীপথে পানি বাংলাদেশের সীমানায় ঢুকতে যে সময় লাগতো ততক্ষণে আমরা একটা মিনিমাম শেল্টার ও প্রোটেকশনের ব্যবস্থা করতে পারতাম। প্রাণহানিটা এড়ানো যেত। কি লাগতো তাতে? লাগতো একটু ইনফরমেশন। ভারত স্লুইস গেট খুলে দেয়ার আগে বাংলাদেশকে ইনফর্ম করেনি। বাংলাদেশকে ইচ্ছে করে রিস্কে ফেলা হলো।

উজানের দেশের দায়িত্বটা রাস্তার পাশের উঁচু বাড়ির বাসিন্দার মত। আপনি বারান্দা দিয়ে কিছু ফেলার আগে দেখতে হয় নিচে কেউ আছে কিনা? তার মাথায় গিয়ে পড়বে কিনা বস্তুটা। ভারত দেখেনি। কখনোই দেখেনা।

আমাদের এমন প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা উচিৎ এখনই। ক্ষতিপূরণও আদায় করতে হবে। উজানের দেশ হয়ে পানি আটকে রেখে আর বিপদের সময় পানি ছেড়ে দিয়ে ভারত যেভাবে ন্যাচারকে উইপোনাইজ করতেছে এর জন্য অবশ্যই ভারতকে শাস্তি পেতে হবে।

Artwork: Debashish Chakrabarty

এইটা ঢালাওভাবে শেয়ার না করলেই ভাল। কারণ মেজর (অব.) সুমন স্পষ্টভাবে বলেছে, অন ফিল্ড থেকে এই তথ্য পেলেও , ৩য় কোন সুত্র থেক...
19/08/2024

এইটা ঢালাওভাবে শেয়ার না করলেই ভাল।

কারণ মেজর (অব.) সুমন স্পষ্টভাবে বলেছে, অন ফিল্ড থেকে এই তথ্য পেলেও , ৩য় কোন সুত্র থেকে সে এই তথ্য ভেরিফাই করতে পারেনি।

তার তথ্যগুলো থেকে এটা স্পষ্ট যে, ক্যাজুয়ালিটির প্ল্যান সাজিয়েই জিয়াউল আহসানরা ক্র্যাকডাউনে গিয়েছিল। এইটা বিভিন্নভাবে স্পষ্ট এবং প্রত্যক্ষদর্শী অনেক।

কিন্তু লাশ ডাম্পিং বিষয়টা আপাতত শেয়ার করার মতো বলে মনে হয় নাহ।

 #বেঈমান_নামাগতকাল Tasrif Khan ভাইয়ের পোস্ট দেখেছি। আমি পোস্ট দেওয়ার আগ থেকেই জানি ওনার সাথে ঘটা ওই  ভয়াবহ ঘটনার কথা। এম...
19/08/2024

#বেঈমান_নামা
গতকাল Tasrif Khan ভাইয়ের পোস্ট দেখেছি। আমি পোস্ট দেওয়ার আগ থেকেই জানি ওনার সাথে ঘটা ওই ভয়াবহ ঘটনার কথা। এমনকি তাসরিফ ভাই আন্দোলনে যখন স্বশরীরে অংশগ্রহণ করে তখন তার পেইজের এডমিন আমাকে রেখে নিজে রিমুভ হয়ে যায়, যাতে ওনাকে ধরে ফেল্লেও, ওনাকে দিয়ে প্রাক্তন সরকারি দোষরেরা কোনো পোস্ট দেওয়াতে না পারে!
এসব আড়ালের গল্প! আমি বলতামনা তবে, অনেকেই ওনাকেও ট্রল করেছেন এগুলো দেখে বিরক্ত হয়ে জাস্ট এইটুকুন বললাম।
একইভাবে পুরো আন্দোলন জুড়ে আমার টিম কাজ করে গেছে অনলাইন-অফলাইন দুইভাবে! অনলাইনে আইটি সাপোর্ট, অফলাইনে ফাইনান্সিয়ালি হেল্প এবং মাঠে নেমে আন্দোলন সব-ই করেছে। আপনারা দেখেছেন-ই।
এর বাইরেও যেটা করেছে সেটা হচ্ছে "প্রতিশ্রুতি" রক্ষা। আমরা বলেছিলাম, এমন কারো কাজ করবোনা যারা স্টুডেন্ট দের বিপক্ষে কাজ করছে। প্রাক্তন সরকারি বহু পেইজ, একাউন্ট চলে যাওয়া পুনরুদ্ধার এর জন্য আসলেও আমরা কাজগুলো করিনি।
আবার প্রতিবাদ করে ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ে পোস্ট করায়
"এক আইনপ্রয়োগকারী গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান " থেকে ফোনকল-ও আসে,পোস্ট ডিলেট এর জন্য।
আসল ঘটনা টা একটু বলি,
ঘটনা-১:
আমি আন্দোলন শুরুর দিকে আফ্রিদির পেইজে এডমিন হই ওর পেইজের ইস্যু সলভ এর জন্য। আন্দোলন শুরুর পর হুট করে ওর পেইজের এডমিন থেকে আমার আইডি রিমুভ করে এবং কিছুক্ষণ পর-ই সে পেইজ আনপাবলিশড করে ফেলে!!
একটু পর ইন্সটাগ্রামে পোস্ট দেয়, তার পেইজ এবং একাউন্ট হ্যাক,কেও পারলে হেল্প করেন!
আমি তখন-ই নাটকের কাহিনী ধরে ফেলি!
আমাকে কয়েকজন মেসেজ দিয়ে ওর ইন্সটাগ্রাম এর স্টোরি দেখালে সবাইকেই বলি এটা নাটক! আমি একটু আগেও এডমিন ছিলাম!
ঘটনা-২:
এর দুইদিন পর মেবি হাউন আংকেল এর টুনটুনির ভিডিও ভাইরাল হয়। রাতের বেলায় আফ্রিদির কল আসে আমার কাছে। ফোন দিয়ে বলে হাউন আংকেল এর ওই ভিডিও ফেসবুক এর সব জায়গা থেকে রিমুভ করতে হবে যত টাকাই লাগুক। আমি বললাম ১০ মিনিট পর কল দেন,টিমের সাথে কথা বলি। আমি প্রথমে থতমত খেয়ে গেছি, এই ছেলে কি বলে এই সময় এটা ভেবে!! যাই হোক, ১০ মিনিট পর কল দিলে তা আমি সহ আমার টিম মেম্বার সবাই শুনে এপাশ থেকে এবং আমি বলে দেই আমার টিম রিমুভ করতে পারবেনা।
ঘটনা-৩:
এর-ও এক/দুইদিন পর আমি খবর পাই ২৩ জন ইনফ্লুয়েন্সার নিয়ে আফ্রিদি, শেখ তন্ময় এন্ড আরো অনেকে একটা ইনফ্লুয়েন্সার ক্যাম্পেইন করার মিটিং করবে। পরেরদিন বিস্তারিত শুনি যে মিটিং এ কি কি হয়েছে এবং কে ওই ক্যাম্পেইন লিড দিয়েছে। এমনকি যারা যারা ক্যাম্পেইন এ আসেনি তাদের পরবর্তীতে দেখে নিবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

এগুলা শুনে আমি প্রচন্ড বিরক্ত হয় এবং একটা পোস্ট দেই ইনফ্লুয়েন্সার আর ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ে!!
ব্যাস পোস্ট টা একটু ভাইরাল হতেই আমাকে আফ্রিদি কয়েকবার কল দেয়, আমি ধরতে পারিনি পরে দেখি আইনপ্রয়োগকারী গোয়েন্দা সংস্থা থেকে ফোন আসে।

"আমাকে ঠান্ডা মাথায় বলা হয়, যেন পোস্ট ডিলেট করি। আমি বললাম আমি পোস্টে কারো নাম বলিনি এই সেই, উনি বল্লো যেটাই হোক, উনি আমাকে ফোর্স করছেন্না তবে আমি যেন পোস্ট টা ডিলেট করি। আর অনেকেই তো পোস্ট করতেছে আমাকেই কেন ফোন দিলো, নিশ্চয়ই অনেক যায়গায় আমার ব্যাপারটা মনিটরিং করা হচ্ছে। আরো বল্লো, উনি আফ্রিদিকে বলে দিবে যাতে পরবর্তীতে আমার সাথে ঝামেলা না করে"

সো, এতোকিছু সহ্য করতে হইসে আমাদের তবুও মানুষ ওদের মায়াকান্নায় সব ভুলে যাবে! আফ্রিদি তাও চুনোপুঁটি, সোলায়মান শকুন তো বিগ ফিশ! তাশরিফ ভাইকে ভয় দেখিয়ে ডাকা সহ ক্যাম্পেইনের বিরাট অংশ ম্যানেজ করেছে সে।

যদি ওরা টিকে যেত হয়তো এই পোস্ট করা লাগতোনা আমার, আয়নাঘরের এক কোনায় পরে থাকতাম।
এদের মাফ করে দিয়েন্না এটাই অনুরোধ।
সবাইকে মাফ করা যায়, বেইমানদের না।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে, ইনশাআল্লাহ ❣️এ বছর কয়েকজেলার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,ইন্সপেক্টর ...
01/08/2024

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে, ইনশাআল্লাহ ❣️
এ বছর কয়েকজেলার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,
ইন্সপেক্টর ফজলি আমের স্বাদ নিয়েছেন আমাদের থেকে নিয়ে, আলহামদুলিল্লাহ ❣️ অর্ডার করতে ইনবক্স অথবা ০১৭১৭৮৬২৯৩৬

কিছু মানুষ ধর্মকে পুঁজি করে সাধারণ মানুষদের ধোঁকা দেয় দিনের পর দিন। কারণ ধর্মের লেবাস গায়ে লাগালে হয়তো সব অপকর্ম ঢেকে দে...
09/07/2024

কিছু মানুষ ধর্মকে পুঁজি করে সাধারণ মানুষদের ধোঁকা দেয় দিনের পর দিন। কারণ ধর্মের লেবাস গায়ে লাগালে হয়তো সব অপকর্ম ঢেকে দেয়া যায় খুব সহজেই। আর প্রকাশ্যে দান করে মানুষের সহমর্মিতা অর্জন করে বিভিন্ন ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা বসে আছে সমাজের বিভিন্ন বড় বড় পজিশনে। যারাই মূলত সমাজের সবচেয়ে বড় শত্রু!

আর অন্যদিকে পোশাক কিংবা দাঁড়ি-টুপি সত্যিকারে হৃদয়ে ধারণ করা মানুষের সংখ্যা হয়তো খুবই কম। আমাদের সমাজের পরিচিত মুখদের মাঝে ছবির এই চারটা মানুষের সোশ্যাল ইম্প্যাক্ট, ইনফ্লুয়েন্স হয়তো খুব কম মানুষেরই আছে। যারা লোক দেখানো চেতনা ব্যবসা করেনা, না করে ধর্মের দোহাই দিয়ে মানুষের সাথে প্রতারণা। এমন আরও হাজার হাজার মানুষও আছে নিশ্চয়ই। যারা ধর্ম কিংবা ডোনেশন মন থেকে করে, তারা আর যাই হোক - পিএসসির মজিদের মতো এত্ত নামাজরত অবস্থার ছবি পোস্ট করে সিম্প্যাথি কুড়ায় না!

চলমান সব নেগেটিভিটির মাঝে একটু পজিটিভিটি থাকুক নাহয় এই পোস্টারেই!

কপি শর্ট স্টোরিস

যা কাজ পাও তাই করোচাকরি, ব্যবসা, অফিসিয়াল, নন অফিসিয়াল,সেলস ম্যান, সেলস অফিসার, মার্কেটিং অফিসার, ফ্লোর ইনচার্জ, সার্বেয়...
08/07/2024

যা কাজ পাও তাই করো
চাকরি, ব্যবসা, অফিসিয়াল, নন অফিসিয়াল,সেলস ম্যান, সেলস অফিসার, মার্কেটিং অফিসার, ফ্লোর ইনচার্জ, সার্বেয়ার, স্টোর কীপার, ফিল্ড অফিসার, কালেকশান অফিসার, গার্মেন্টসের কিউসি,টীম মেম্বার থেকে শুরু করে সব কাজ। চাকরি দরকার, চেয়ার না।
কাজ করলে গা ভেঙ্গে যায়না। ইজ্জত ও যায়না। যাদের লজ্জার ভয়ে তুমি এসব কাজ ছোট করে দেখছো, তারা তুমি দুপুরে উপুস করে আছো এটা জানবেও না। তারা তোমারে খাওয়ায় না পড়ায়?
খালি পরামর্শ আর উপদেশ। এইটা কইরো না, হেইটা কইরো না। কিরে ভাই, আমি পানের দোকান করলে আপনার কি? পরামর্শ প্রবণ গোটা জাতি..
কাজে কোন 'না' নেই। যাই পাও তাই করো। আর এসব কর্ম করতে গেলে তোমার চর্ম হতে হবে পুরো। একেবারে মোটা চামড়া। পাতলা চামড়ার জন্য এই দুনিয়া না৷ এখানে কথা শুনতে হবে, গালি শুনতে প্রস্তুত থাকা লাগবে।
পানের দোকান দাও, যদিও এতে তোমার গুস্টির জাত চলে যাবে। ইজ্জত ধুলোয় মিশে যাবে। CNG চালাও। মাত্র ১০০০ টাকা দৈনিক জমা। মাসে আয় প্রায় ৩০০০০/-। ভাবা যায়? অবশ্য এতে তোমার পরিবারের সম্মান হানি হবে৷ তোমার গোস্টিতে কেউ বউও দিবে না!
আরে আজব। বিয়ে করতে চাইলে সমস্যা, অবৈধ প্রেমে বাঁধা নেই! না খেয়ে মরলে খোঁজ নেই। CNG চালালে অচ্ছু্ত! অলরেডি পাঠাও উবার তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছে। পোলাপান এখন আয়ের বহু পথ খুঁজে নিয়েছে৷ তারা ফুড পান্ডায় পিৎজা সাপ্লাই দিয়ে কমিশন নেয়। তাতে তদের বেজ্জতি হয়নি।
অত ভাবনার কিছু নেই। যা খুশি করো। শরবত বিক্রি করো, এখন দারুণ সিজন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান শহরে রুহ আফজা ফ্লেভরের শরবত বিক্রি করতেন। ভারতের নরেন্দ্র মোদি রেল স্টেসানে চা বিক্রি করতেন। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার বিক্রি করতেন বাদাম।

যাদের তুমি শরম পাচ্ছ, আর দশ বছর পর নিজেই নিজের কাছে লজ্জা পাবা। তারা তোমার কোন উপকারেই আসেনি। লোহার জাহাজ পানিতে ভাসানো হবে জেনে এলাকার লোকজন (সম্ভবত যে সি পেরিয়ারকে) ঢিল মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিল। অথচ, সেটাই হয়ে গেল সভ্যতার বিশাল আবিস্কার।

যারা হাসে, তারা নেংটি ইঁদুরের মত আজীবনই হাসবে। তাদের ধারণা একটাই, ধুর পোলাটারে দিয়ে কিচ্ছু হবে না।

নিজের ইচ্ছেকে প্রাধান্য দাও। স্বপ্ন টাকে জিইয়ে রাখো। অনেকে পাগল ডাকবে। আমার ধারণা কিছুটা পাগলা টাইপের হলেই ভালো। সারা জীবন ফার্স্ট হয়ে যাওয়া ছেলেটাকে বোর্ড পরীক্ষায় ফেল করতে দেখেছি, কর্ম জীবনে ব্যার্থ হতে দেখেছি, ব্যাক বেঞ্চারকে বিশাল প্রতিষ্ঠানের মালিক হতে দেখেছি সুতরাং Go ahed...

কিছুদিন আগে আমার চেম্বারে এক দম্পতি এসেছিলেন তাদের ৪ বছর বয়সী বাচ্চাকে নিয়ে। আধা ঘন্টায় সেই শিশু আমার পেন হোল্ডার ভাঙ্গে...
04/07/2024

কিছুদিন আগে আমার চেম্বারে এক দম্পতি এসেছিলেন তাদের ৪ বছর বয়সী বাচ্চাকে নিয়ে। আধা ঘন্টায় সেই শিশু আমার পেন হোল্ডার ভাঙ্গে,আমার ওয়াল ক্লকের কাটা ওলট-পালট করে ফেলে, আমার টেবিল প্রায় ভেঙ্গে পড়ার আগে আমার সৌভাগ্য যে শিশুর পিতা তাকে নিয়ে চেম্বার ছেড়ে বেরিয়ে যায় এবং ওয়েটিং রুমে পুত্রের হাতে মোবাইল দিয়ে তাকে ঠাণ্ডা করে। আপাতদৃষ্টিতে এটি খুব স্বাভাবিক মনে হতে পারে কেননা আজকাল অনেক শিশুর মাঝেই এরকম পাগলাটে আচরণ দেখা যায় আর বাবা-মাও এটাকে “আমার বাচ্চা খুব চঞ্চল” বলে কাটিয়ে নিতে দেখা যায়। কিন্তু আদৌতে কি এই দস্যিপনা স্বাভাবিক? এই শিশুই যখন স্কুলে গিয়ে পড়ায় মন বসাতে পারেনা, সহপাঠীদের মারধরের মত অসামাজিক কাজে লিপ্ত হয় বা বড় হয়ে কোন কাজে ফোকাস করতে পারেনা, ড্রাগ এডিকশনে লিপ্ত হয় তখনও কি একে চঞ্চলতা বলে আপনি নিজেকে সান্ত্বনা দিতে পারবেন? শিশু মাত্রই দুষ্টুমি করবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেটি যদি স্বাভাবিকের মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তবে একটু ভেবে দেখার প্রয়োজন আছে বৈকি।
এধরনের অস্বাভাবিক আচরণের কারণ হতে পারে “এটেনশন ডেফিসিট হাইপারএকটিভিটি ডিজরডার” বা ‘এডিএইচডি’। কারণগুলো পরে বলব, আগে চলুন সিনড্রম জেনে নিই।

সাধারণত ৩ধরনের সমস্যা এসব ক্ষেত্রে শিশুদের মাঝে দেখা যায় এবং তা বড় হওয়ার পরও থেকে যেতে পারে।
১. মনোজোগের অভাব বা ইনএটেনশনঃ পড়তে বসে দৌড়ঝাপ করা, যেকোন কাজে ধৈর্যের অভাব, আধাখেঁচড়া কাজ করেই মনোযোগ হারিয়ে ফেলা এসবই ইনএটেনশনের লক্ষণ।
২. হাইপারএকটিভিটিঃ সারাক্ষণ অস্থির ছোটাছুটি, অযথা প্রচুর কথা বলা, নিজের আচরণ দিয়ে অন্যের মাঝে বিরক্তির উদ্রেক করা এ বৈশিষ্ট্যের আওতায় পড়ে।
৩. ইমপালসিভিটিঃ কোনকিছুর ভালমন্দ বিচার না করে হুটহাট একটা কাজ করে ফেলা, যদিও তা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়। উদাহরণ- ইদানীং প্রচুর মানুষকে দেখবেন সামান্য ঝগড়া বিবাদেই খুন খারাবী করছে,বিশেষত টিনএজারদের মধ্যে তা প্রবল আকার ধারণ করেছে।

এডিএইচডি অবশ্যই ১২বছর বয়সের আগেই দেখা দেয় এবং ৩-৬বছরের শিশুদের মাঝেই এর লক্ষণগুলো সরবপ্রথম প্রকাশ পায়। ছোট শিশুদের মাঝে হাইপারএকটিভিটি বিশেষভাবে লক্ষণীয় হয়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে যা ইনএটেনশন বা অমনোজোগের দিকে ধাবিত হয়। যে কারণে অনেক অভিভাবককেই আফসোস করতে শুনবেন ” আগে আমার বাচ্চা পড়াশুনায় ভালো ছিল, এখন দিনদিন রেজাল্ট খারাপ হচ্ছে”। বয়স যত বাড়ে ততই এ শিশুদের অস্থিরতা পাল্লা দিয়ে বাড়ে এবং ইমপালসিভিটি বাড়তে থাকে। এই বৈশিষ্ট্য ভালোমন্দের বিবেচনা কমিয়ে দেয়। ফলে আত্নহত্যা, ড্রাগ এডিকশন, জংগী কাজকর্মতে নিজেকে জড়িয়ে ফেলার মতও ঘটনা ঘটতে পারে।

প্রশ্ন হচ্ছে এ সমস্যার সূত্রপাত কোথায়? সূত্রপাত আমাদের এই পরিবেশেই। আমাদের আশপাশেই ছড়িয়ে আছে ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান যেমন পি.এফ.সি এবং পি.সি.বি (বিস্তারিত পরে একদিন আলোচনা করব) যা মায়ের দেহ থেকে শিশুর দেহে বা সরাসরি শিশুর দেহে প্রবেশ করতে পারে। খাবার থেকে শুরু করে ঘরের দেয়ালের রঙ প্রতিটা জায়গায় এই ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি। তবে কি বাচার কোনই উপায় নেই? আছে বৈকি। অন্তত যেটুকু আপনার সাধ্যে আছে তা তো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য করতেই পারেন। প্রথমত, ইলেকট্রিক্যাল কোন ইকুইপমেন্ট থেকে কিছু লিক হতে দেখলে তা খালি হাতে ছুতে যাবেন না। অবশ্যই গ্লাভস ব্যবহার করুন এবং শিশুকে তা থেকে দূরে রাখুন। প্রেগন্যান্ট অবস্থায় মাছ-মাংস খাবার সময় ফ্যাটি অংশ যথাসম্ভব এভয়েড করুন কেননা এই কেমিক্যালগুলো মূলত ফ্যাটে জমা থাকে। এছাড়াও না ধুয়ে শাকসব্জি, ফলমূল খাওয়া থেকে বিরত থাকুন কেননা ইনসেক্টিসাইড ও পেস্টিসাইডে এ উপাদানগুলো অতিমাত্রায় উপস্থিত থাকে যা ভ্রূণাবস্থায় শিশুর দেহে প্রবেশ করে শিশুর মানসিক ও শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে৷ রিসার্চ এ পাওয়া ফলে দেখা যায় এধরনের শিশুদের কথা শুরু করার বয়স স্বাভাবিক শিশুদের চেয়ে পরে শুরু হয়। এছাড়াও শ্রবণশক্তি হ্রাস, অল্পবয়সেই ওজন এবং কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়ার মত সমস্যাতেও এ শিশুরা বেশি ভোগে। সবচেয়ে জরুরি বিষয়- রাত জেগে নিজে মোবাইল ব্যবহার এবং ছোট শিশুদের হাতে মোবাইল বা এ জাতীয় গ্যাজেট ধরিয়ে দেয়া থেকে বিরত থাকুন। মোবাইলের রেডিয়েশন এডিএইচডি এর অন্যতম কারণ। অনেক বাবা-মাই ঝামেলা এড়াতে বা বাচ্চাকে ব্যস্ত রাখতে মোবাইল ধরিয়ে দেন। এতে ক্ষণিকের জন্য হয়ত ঝামেলামুক্ত হবেন কিন্তু ভেবে দেখুন, সারাজীবনের জন্য শিশুকে মানসিক অসুস্থ করে তুলছেন না তো?

চিকিৎসা কি?

এডিএইচডির মূলত চিকিৎসা নয়, উপশম আছে। অর্থাৎ ঔষধ এবং কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে উপসর্গ কমিয়ে রাখা সম্ভব। তবে অবশ্যই তা দ্রুত শুরু করতে হবে। কাজেই শিশুর অতিমাত্রায় চঞ্চলতাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখুন, তার চরিত্রের প্যাটার্ন বুঝতে চেষ্টা করুন। বয়স্ক কেউ যদি উপরোক্ত আচরণ করে তবে প্রয়োজনে তাকে সাইকোলজিস্ট বা সাইকিয়াট্রিস্ট এর কাছে কাউন্সিলিং করান। নতুবা ভবিষ্যতের কোন বড় অঘটনের দায় আপনিও এড়াতে পারবেন না।

Collected

11/06/2024
একটু এডাল্ট পোস্ট :আল্লাহ প্রতিটা মানুষকে যা দান করেছেন সেটার একটা হক্ব আছে। যেমন নারীকে রুপ দান করা, তাদের মাতৃত্ব ও যৌ...
09/06/2024

একটু এডাল্ট পোস্ট :

আল্লাহ প্রতিটা মানুষকে যা দান করেছেন সেটার একটা হক্ব আছে। যেমন নারীকে রুপ দান করা, তাদের মাতৃত্ব ও যৌবনের সৌন্দর্যের জন্য অতিরিক্ত কিছু অর্গান দান করা, পুরুষকে প্রতিরোধের জন্য পেশীশক্তি দান করা ইত্যাদি।

তেমনি পুরুষরা যে টেস্টিকল ধারন করে এটার কিছু হক ও কাজ আছে। তারমধ্যে সবচেয়ে বড় কাজ হচ্ছে, "পুরুষ হওয়া, পুরুষের মত এক্ট করা, পুরুষের মত স্থির চিন্তাভাবনা করা। জগতের জুলায়খাসহ সকল মেয়েলি কূটনামি ধরতে পারা।"

ইদানীং কিছু পুরুষ বের হয়েছে অনলাইনে, যেগুলোর আচরন দেখলে মনে হবে আদতে এগুলো পুরুষই না। এদেরকে নারীর কাতারেও ফেলা সম্ভব না যেহেতু এরা অতিরিক্ত কিছু বল ধারন করে।

"অনলাইনের দ্বীনি কমিউনিটি" নামক উদ্ভট এক চিড়িয়ার "ট্রান্স লিডার" হিসেবে এরা মূলত এক আজগুবি রোল প্লে করতে চায়।

দেখতে পুরুষ, কিন্তু চিন্তা চেতনা আর বলদের মত বিরাট একটা অকর্মণ্য মগজ ছাড়া এদের সত্যিকার অর্থে কোনো পুরুষালি কন্ট্রিবিউশন নেই মানবসমাজে। কিন্তু এদের একেকটা পোস্ট দেখলে মনে হবে যে, জাতির ত্রাতা মু'তাসিমা আর সালাহউদ্দিন এই বুঝি সবে আসমান থেকে টপকে পড়লো।

আলফা মেল হওয়ার পিনিকে এরা যে, দশ বছরের কিশোরীর চেয়ে বেশি বোকা এটা বুঝার ক্ষমতাও এদের নেই।

এইতো গেলো কিছুদিন আগে হাবিবুল্লাহ মেসবাহ নামক এক ভদ্রলোকের বিরুদ্ধে এক জিলবাবি মহিলা ছোট শিশুকে সাথে নিয়ে লাইভে এসে কাদতে কাদতে যা যা বললো তাতে সবার বিশ্বাস হতে বাধ্য যে, "এই লোকের মত ফ্লার্ট আর কেউ নেই, যার কাজই হচ্ছে বাচ্চাকে টর্চার করা আর বিয়ের নামে নারী নির্যাতন করা। একজন জিলবাবি দ্বীনি বোন কি এত মিথ্যা বলতে পারে!" অথচ পরে জানা গেলো যে, পুরো গেমের কালপ্রিট এই জিলবাবি ভদ্র মহিলা। ব্ল্যাক মেইল করে করে টাকা আদায় করাই ছিলো এর মূল লক্ষ্য। সেটা এক পর্যায়ে সম্ভব না হওয়ায় বোরকা জিলবাব পড়ে ফেসবুক লাইভে "ভিক্টিম মুসলিমাহ" কার্ড খেলা শুরু করেছে। জামাই নিজেকে সত্য প্রমান করতে পেরেছিলো কারন তিনি এই উন্মাদ মহিলার সব কাজ লিখিত ডকুমেন্টেড রেখেছিলেন। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে কয়জন ভিক্টিমের কাছে লিখিত ডকুমেন্টেশন থাকে?

ক-দিন আগে সাইকোলজি গ্রুপে এক মহিলা এক সাইকিয়াট্রিস্টকে নিয়ে আজেবাজে কথা ছড়াতে লাগলো। সবাই কমেন্টে "লুচ্চা লাফাংগা সাইকিয়াট্রিস্ট কে তখনই জেলে দিয়ে দেয়।" পরে তদন্ত করে জানা গেলো মেয়ে চরম মানসিক রোগী, সাইকোপ্যাথ লায়ার।

আলী রা: এর সময়ে এক মহিলা তার জামায় ডিমের সাদা অংশ লাগিয়ে একজন পুরুষকে ব্যভিচারের অভিযোগ দেয় (প্রমানস্বরুপ জামায় লেগে থাকা সাদা অংশ দেখায়)। পরে আলী রা: এর বুদ্ধিতে ওই মুসলিম ব্যক্তি নির্দোষ প্রমানিত হয়। চিন্তা করুন, সাহাবীদের উপস্থিতিতে একজন "দ্বীনি লেবাসের সো কল্ড দ্বীনদার মুসলিমাহ" আরেকটুর জন্য তার চালাকি দিয়ে আরেক মুসলিম পুরুষের জীবন নিয়ে নিচ্ছিলো আরেকটু হলে, তাও সাহাবীদের বিচারিক রায় ব্যবহার করে।

এই ধরনের সব কেইসেই প্যাটার্ন সেইম।

চরম চালাক "দ্বীনি কার্ড" প্লে করা কোনো জিলবাবি তার নাকি কান্না দিয়ে এই "সীডলেস কাপুরুষগুলোর" টেস্টিকলগুলোকে জাগিয়ে তোলে, তাদের সিম্প্যাথি আর ট্রাস্ট অর্জন করে, নির্দিষ্ট প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য। আর এরাও বুদ্ধির মাথা খেয়ে উন্মাদের মত স্থির চিন্তা না দিয়েই লাফাতে শুরু করে। মগজের বাতি জ্বলার পরিবর্তে এদের সীডলেস গায়রতের টোয়াইন বল জেগে উঠে।

এই সীডলেস নির্বোধগুলোকে চেনার কিছু ওয়ে আছে :

১. ইসলামের নামে গায়রতের বুলি বেশি কপচায় এরা। কিন্তু সামাজিক অবদান শূন্য এদের।

২. "নারী বাচাও, দ্বীনি বোন বাচাও" -ডায়লগে এক প্রকার দ্বীনি ফ্যান্টাসিতে থাকে সবসময়। অনলাইন নোংরামিতে হাত পচিয়ে আইয়ুবি রাহ: এর ফিল নিতে চায়।

৩. কোনো ক্যাচাল লাগলে নিউট্রাল বিশ্লেষন ছাড়াই আগে এরা প্রথমে মেয়েদেরটা বিশ্বাস করে (কারন তার সীডলেস গায়রত তাকে সেদিকেই টানে।)

৪. চরম মাত্রায় বদমেজাজি ও ওয়াসওয়াসার পেশেন্ট এরা (আমরা সচারচর তীব্র মাত্রায় জ্বীনগ্রস্থ যেসব পুরুষ পাই তাদের অনেকেই এরকম হয়ে থাকে)।

এরা সবখানেই নিজের নোংরা কল্পনার জগতকে কাজে লাগিয়ে "নোংরামি হওয়ার সম্ভাবনা" কে হাইলাইট করে। ধরুন বাবা মেয়ে হাটছে, এরা প্রথমে পজেটিভ চিন্তা না দিয়ে আগে নেগেটিভ টা দিবে। ধরুন কোনো হাজবেন্ড জরুরতে রক্ত দিতে ওয়াইফকে হসপিটালে নিয়েছেন। এরা প্রথমে হাজবেন্ডের গায়রতের গুষ্ঠি উদ্ধার করে এরপর বাজে মন্তব্য করে বসবে। ধরুন কোনো মেয়ের ফ্যামিলির দোষে মেয়ের বিয়ে হচ্ছেনা, এরা প্রথমেই মেয়ের চরিত্র নিয়ে টান দিয়ে বলবে যে, সারা জীবন প্রেম করে এখন শেষ বয়সে এরা বিয়ে করতে আসছে। -এরা এদের নোংরা চিন্তার দাড়িপাল্লায় পুরো সমাজকে মাপে। সেকুলাররা কিছু হলেই যেমন হুজুরদের সাথে "বলাৎকার" শব্দ জুড়ে ইসলামকে হিউমিলেইট করতে চায়। এরা হচ্ছে মুসলিম অংগনের জজবাতি সেকুলাংগার।

[অনলাইন অফলাইনে অনেক বোন মজলুম আছে। যারা নির্যাতনের স্বীকার, তারা এই পোস্টের আওতামূক্ত। এর বিপরীত চিত্রটাও আরো ভয়াবহ। একজন পুরুষ মাত্রই সে কিশোরী নারীদের মত অস্থিরচিত্ত হবেনা। সে চিন্তাশীল, স্থির ও পর্যালোচনামূখী হবে। চরম বিরক্তি থেকে কথাগুলো লিখলাম, যে শিখতে চায় তারজন্য এই লাইনগুলোই যথেষ্ঠ হবে ইনশাআল্লাহ ]

Abdullah Fahad

Address

Khulna
9000

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

8801923101173

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tasty Treat khulna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share